পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ১৪ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: ১. বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ২. বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। ৩. বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা।"""
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতটি পর্যটকদের কাছে কী নামে পরিচিত?
  1. সমুদ্র রানী
  2. সাগর কন্যা
  3. সোনার সৈকত
  4. প্রকৃতির কোল
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান: 
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, কুয়াকাটা।
.
নিচের কোন দুর্যোগটির সাথে নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের কোন সম্পর্ক নেই?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. ভূমিকম্প
  3. বন্যা
  4. নদীভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ যা মাটির নিচের টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে ঘটে এবং এর সাথে নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের সরাসরি সম্পর্ক নেই।

ভূমিকম্প:
- ভূপৃষ্ঠের যে গতিশীল অবস্থায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক ধ্বংস করতে সক্ষম তাকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়।
- এর সর্বোচ্চ মাত্রা ৯।
- তবে ৬/৭ মাত্রার ভূমিকম্পেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হয়।
- ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলই এর ঝুঁকিতে আছে।
- অপরিকল্পিত ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী ঢাকাতে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেই অসংখ্য প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
----------------
বন্যা (Flood):
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে। গভীর সমুদ্রে উচ্চ তাপমাত্রার ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।

নদীভাঙ্গন:
- নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকা নদীগর্ভে আন বিলীন হয়ে যায়।
- কোনো কারণে নদীর চলমান গতিপথ বাধাগ্রস্থ হলে নদীর পানির প্রবাহ তার গতিপথ পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।
- এতে স্রোতের তোড়ে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙ্গন শুরু হয়। নদী ভাঙ্গনে বহু মানুষ স্থাবর সম্পদ হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে পড়ে।

উৎস:
- ভূগোল ও পরিবেশ- নবম -দশম শ্রেণি,
- ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়?
  1. গারো পাহাড়  
  2. খাসিয়া
  3. চিকনাগুল
  4. মোদকমুয়াল
সঠিক উত্তর:
মোদকমুয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোদকমুয়াল
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ  হচ্ছে— মোদকমুয়াল (১,০০০ মিটার) ও পিরামিড (৯১৫ মিটার), তাজিওডং (বিজয়),কিওক্রাডং।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম তাজিওডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হচ্ছে কিওক্রাডং, যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, কর্দম ও শেল পাথর দ্বারা গঠিত।

অন্যদিকে, 
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ :চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. উচ্চতা
  2. ভূমির ঢাল
  3. মৃত্তিকার গঠন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামক:
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরে গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- আবহাওয়া অফিস গুলোতে অনেকদিনের আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান গুলোকে পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু সম্পর্কে ধারনা করা হয়।
- পৃথিবীর সব স্থানের জলবায়ু একধরণের হয় না। কিছু ভৌগৌলিক কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয় গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল - 
- অক্ষাংশ, 
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব, 
- বায়ুপ্রবাহ, 
- সমুদ্রস্রোত, 
- পর্বতের অবস্থান, 
- ভূমির ঢাল, 
- মৃত্তিকার গঠন, 
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের জলবায়ুতে কোন বায়ুর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. মহাদেশীয় বায়ু
  2. মৌসুমি বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জলবায়ুতে — মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অত্যধিক।

• বাংলাদেশর জলবায়ু:
- বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর দেশ।
- শীত ও গ্রীস্ম ঋতুতে এ দেশে বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়।
- গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু প্রচুর জলীয়বাষ্প বহন করে নিয়ে আসে ফলে তখন এদেশে প্রচুর বৃষ্টি হয়।
- পক্ষান্তরে শীত কালে স্থলভাগের উপর দিয়ে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক থাকায় তখন বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
-  মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে তিনটি ঋতু বিশেষ ভাবে স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়; শীতকাল শীতল ও শুষ্ক, গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক এবং বর্ষাকাল আর্দ্রভাবাপন্ন। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী, ভূগোল ১ম পত্র- এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. শীতল
  2. শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. উষ্ণ ও আর্দ্র
  4. শীতল ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়ের গঠন:
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এগুলো হলো-

ক) সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
খ) মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
গ) উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. রাশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• 'রাশিয়া' - নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয়।
------------------------ 
• নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান ও দেশসমূহ:
নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত। সূর্যের উত্তরায়ণ ও
দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
এছাড়াও,
নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের কোন ফসল প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়?
  1. ডাল
  2. তেলবীজ
  3. পাট
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে দু'ধরণের মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়।
যথা- 
দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু:
- গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বঙ্গোপসাগর হতে উদিত হয়ে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এ বায়ুর প্রভাবে এ সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- এ বৃষ্টিপাতের ফলে বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান, পাট, ইক্ষু, চা প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়ে থাকে। - উপরন্ত গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাতের প্রভাবে বাংলাদেশে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা ইত্যাদি ফলের উৎপাদন হয়ে থাকে।

উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু:
- উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
- এই বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নানা ধরণের ডাল, তেলবীজ, গোল আলু, মিষ্টি আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া প্রভৃতি রবিশস্যের উৎপন্ন হয়।
- এ সকল শস্য অধিক বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা সহ্য করতে পারে না বলেই এই রবি মৌসুম বা শীতকালে ফলন হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উচ্চ উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. স্ট্রেটাস
  2. স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
  3. সিরাস
  4. অল্টোস্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস, 
- সিরোকিউম্যুলাস, 
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস, 
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস, 
- নিম্বোস্ট্রেটাস।

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস, 
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস,
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
১০.
কোন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়?
  1. সতর্কতা পর্যায়ে
  2. উদ্ধার পর্যায়ে
  3. পুনর্বাসন পর্যায়ে
  4. প্রভাব পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
পুনর্বাসন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বাসন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
পুনর্বাসন - পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- সাধারণভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার জন্য দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে যে কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সমন্বিতরূপকে বুঝায়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- নতুবা দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে মানবজীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ।
- দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য:
১. দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
২. দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য স্বল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র (Disaster Management Cycle):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

⇒ ‘‘পুনর্বাসন’’ অর্থ-
-  দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পূর্বাবস্থায় বা অধিকতর ভাল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর মানসিক, অর্থনৈতিক ও ভৌত কল্যাণ সাধনসহ তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আক্রান্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন, জীবিকা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, প্রয়োজনে, অন্যত্র স্থানান্তর করা।

উৎস: i) ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১১.
FCDI কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বন্যা
  3. বজ্রপাত
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
FCDI প্রকল্প:
• FCDI: Flood Control, Drainage and Irrigation Projects 
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প। 
• উদ্দেশ্য: বন্যাপ্রবণ এলাকার ২০% ভূমিকে রক্ষা করা। 
• ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল।

• FCDI এর প্রধান প্রধান কয়েকটি সেচ প্রকল্প হলো:
- গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট);
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প ;
- কর্ণফুলি বহুমুখী প্রকল্প ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। 
১২.
বাংলাদেশের সবোর্চ্চ পবর্তশৃঙ্গ তাজিওডং কী নামে পরিচিত?
  1. সুউচ্চ
  2. বিজয়
  3. পাহাড়ের রানি
  4. পিরামিড
সঠিক উত্তর:
বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়
ব্যাখ্যা
• তাজিওডং:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়।
- একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি।
১৩.
আবহাওয়ার উপাদান নয় কোনটি?
  1. বারিপাত
  2. বায়ুর তাপ
  3. বায়ুর চাপ
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
• আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো: 
- বায়ুর তাপ, 
- বায়ুর চাপ, 
- বায়ু প্রবাহ, 
- বায়ুর আর্দ্রতা, 
- বারিপাত বা বৃষ্টিপাত।

অন্যদিকে,
- সমুদ্রস্রোত ও ভূমির ঢাল আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি। 
১৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• কয়লা:
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
১৫.
কোন নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
  1. সাঙ্গু নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. হালদা নদী
  4. কর্নফুলী নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উৎস: i) ২৪ জানুয়ারি ২০২০, সমকাল।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।