পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫৯ সাবজেক্ট ফাইনাল - সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয় -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- কোনো করযোগ্য পণ্য বা সেবার উৎপাদন বা ক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিক্রয় প্রভৃতি পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের উপর যে কর আরোপ করা হয় তাই মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax বা VAT। 
- মূল্য সংযোজন করা বা মূসক বর্তমান সময়ে বিশ্বজয়ী পরোক্ষ কর ব্যবস্থা। 
- ১৯৯১ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদে ভ্যাট বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৯ জুলাই বিলটি পাশ হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ থেকে আমাদের দেশে ভ্যাট বা মুসক আইন চালু হয়। 
- মূসক সর্বপ্রথম জার্মানিতে চালু হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভ্যাট আইন ১৯৯১, অর্থ আইন, এস.আর.ও প্রভৃতি দ্বারা ভ্যাট আইনের আওতা নির্ধারিত হয়।
- মূল্য সংযোজন কর আবার তিন ধরনের, যেমন- মূসক, টার্ণওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: i)জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. প্যারিস কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি রামসার কনভেনশন নামে পরিচিত।

রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

.
ওঁরাও জাতিগোষ্ঠীর প্রধান বসতিস্থল কোনটি?
  1. বরেন্দ্র অঞ্চল
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. সিলেট অঞ্চল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল হলো বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চল। বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ পালিত হয় -
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ৮ ডিসেম্বর
  3. ১০ ডিসেম্বর
  4. ১৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস:
- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।

⇒ ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এ ঘোষণার মাধ্যমে স্বীকৃত হয় মানবাধিকার সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
- জন্মস্থান, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বিশ্বাস, অর্থনৈতিক অবস্থা কিংবা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে মানবাধিকার সর্বজনীন ও সবার জন্য সমান।
- প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবেই এসব অধিকার লাভ করে।
- ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্বের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- তাই প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত প্রথম বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক কে?
  1. বেগম রোকেয়া
  2. সুফিয়া কামাল
  3. শামসুন নাহার মাহমুদ
  4. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

নওয়াব ফয়জুন্নেসা:
- অবিভক্ত ভারতীয় রক্ষণশীল মুসলিম নারীদের মধ্যে এক উজ্জল নক্ষত্র নওয়াব ফয়জুন্নেসা সততা, মহানুভবতা, সাহিত্য সাধনা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রেখে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- জনকল্যাণে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইংল্যান্ডের তৎকালীন মহারানী ভিক্টেরিয়া তাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৮৩৪ সালে ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানে কুমিল্লা) লাকসাম থানার পশ্চিমগাঁও গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বীয় প্রতিভা বলে দ্রুত বিদুষী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- তিনিই এক মাত্র ভারতীয় মহিলা যিনি ব্রিটিশ কর্তৃক ভারতীয়দের জন্য দেওয়া শ্রেষ্ঠতম সম্মান নওয়াব উপাধি লাভ করেন।
- বাংলাদেশের সরকার ২০০৪ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে।

⇒ সহিত্য সাধনা:
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলমান সাহিত্যিক হিসেবে নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীকে কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- তার লেখা পদ্য ও গীতি আলেখ্য 'রূপজালাল' প্রকাশিত হয় ১৮৭৬ সালে। বলা হয়ে থাকে এটি বাংলায় কোন নারী মুসলমান লেখকের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। 'রূপজালাল' বস্তুত রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা। এরপরেও আরো দুইটি কবিতার বই প্রকাশিত হয় তার, 'সঙ্গীত লহরী' এবং 'সঙ্গীতসার'।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

.
'বোগোতা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. ইকুয়েডর
  3. কলম্বিয়া
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

কলম্বিয়া:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- এর পূর্বে ভেনেজুয়েলা ও ব্রাজিল, দক্ষিণে ইকুয়েডর ও পেরু এবং উত্তর-পশ্চিমে পানামা অবস্থিত। 
- রাজধানী: বোগোতা।
- ভাষা: স্পেনীয় (প্রাতিষ্ঠানিক)। 
- মুদ্রা: কলম্বিয়ান পেসো।

অন্যদিকে,
- পেরুর রাজধানী লিমা। 
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস।
- ইকুয়েডর-এর রাজধানী কুইটো।

উৎস: Britannica.

.
মুক্তিযুদ্ধের সময় দুর্ধর্ষ গেরিলা দল ‘হেমায়েত বাহিনী’ কোন এলাকায় গড়ে উঠেছিল?
  1. মৌলভীবাজার
  2. বরিশাল
  3. টাঙ্গাইল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

মুক্তিবাহিনী গঠন ও কার্যক্রম:
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী। 

⇒ নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী সরকারি পর্যায়ে দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল ১. নিয়মিত বাহিনী ও ২. অনিয়মিত বাহিনী।
১. নিয়মিত বাহিনী:
- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। সরকারিভাবে এদের নামকরণ করা হয় এম. এফ. (মুক্তিফৌজ)। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত বাহিনী হিসেবে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীও গড়ে তোলে।
২. অনিয়মিত বাহিনী:
- ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়। এই বাহিনীর সরকারি নামকরণ ছিল 'গণবাহিনী' বা এফ. এফ. (ফ্রিডম ফাইটার বা মুক্তিযোদ্ধা)। তাদের নিজ নিজ এলাকায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রেরণ করা হতো। এছাড়া ছাত্রলীগের বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে গঠিত হয় 'মুজিববাহিনী'। কমিউনিস্ট পার্টি ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ (ভাসানী) ও ছাত্র ইউনিয়নের আলাদা গেরিলা দল ছিল।

⇒ আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে ওঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা), লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

.
মিসর ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জিমি কার্টার
  3. জন এফ কেনেডি
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

উৎস: Britannica.

.
চাকমা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. Blue Sky
  2. My Dream
  3. My Bicycle
  4. The Hilltop
সঠিক উত্তর:
My Bicycle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
My Bicycle
ব্যাখ্যা

'মর থেংগারি:
- 'মর থেংগারি/My Bicycle' বাংলাদেশে নির্মিত চাকমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র।

⇒ 'মর থেংগারি' চলচ্চিত্রের পরিচালক অং রাখাইন।
- চাকমা ভাষায় 'মর থেংগারি' শব্দের অর্থ আমার বাইসাইকেল (My Bicycle)।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে।
- বাংলাদেশে ১৩ তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে চাকমা ভাষার চলচ্চিত্র 'মর থেংগারি'।

উৎস: বিবিসি।

১০.
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানীর নাম -
  1. মংডু
  2. গওয়া
  3. সিতওয়ে
  4. আন
সঠিক উত্তর:
সিতওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিতওয়ে
ব্যাখ্যা

মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ প্রশাসনিকভাবে, মিয়ানমার সাতটি রাজ্য, সাতটি অঞ্চল এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত (Nay Pyi Taw)। রাজ্যগুলো হল:
১. কাচিন রাজ্য- (রাজধানী: কাচিন)।
২. কায়াহ রাজ্য- (রাজধানী: লোপেইয়া)।
৩. কিন্টা রাজ্য- (রাজধানী: হেপি)।
৪. চিন রাজ্য- (রাজধানী: হাক্কা)।
৫. মোন রাজ্য- (রাজধানী: মারগু)।
৬. রাখাইন রাজ্য- (রাজধানী: সিতওয়ে)।
৭. শান রাজ্য- (রাজধানী: তালিঙ্গি)।

উৎস: Britannica.

১১.
‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত 
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

সি টু সামিট:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

১২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি কোনটি?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. চলনবিল
  4. নিকলী হাওর
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি হাওর
ব্যাখ্যা

হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি হাকালুকি হাওর।
- এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

⇒ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।

⇒ হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩.
বিশ্বের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ-ভারত
  2. রাশিয়া-চীন 
  3. রাশিয়া-কাজাখস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
ব্যাখ্যা

বিশ্বের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে অবস্থিত। এই সীমান্তটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত, যা আলাস্কা থেকে কানাডা পর্যন্ত বিস্তৃত। 

পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্থল সীমান্ত হলো স্পেন এবং মরক্কো।

উৎস: World Atlas.

১৪.
২০২৫ সালের বুকার পুরস্কার অর্জন করেন কে?
  1. কিরণ দেশাই
  2. ডেভিড সালাই
  3. বেন মার্কোভিটস
  4. বানু মুশতাক
সঠিক উত্তর:
ডেভিড সালাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড সালাই
ব্যাখ্যা

বুকার পুরস্কার:
- বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

⇒ ২০২৫ সালের 'বুকার পুরস্কার' লাভ করেন হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালাই।
- ইংরেজি ভাষায় রচিত 'ফ্ল্যাশ (Flesh)' উপন্যাসের জন্য খেতাবটি জয় করেন ডেভিড সালাই। যেখানে নির্যাতিত হাঙ্গেরিয়ান এক অভিবাসীর গল্প তুলে ধরেন তিনি। বিদেশে ভাগ্য গড়েও শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনীর কারণে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে বইটি। - 'ফ্লেশ (Flesh)' সালাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস। 

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

১৫.
ভোলা জেলাকে বরিশালের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে কোন নদী?
  1. তেঁতুলিয়া
  2. কীর্তনখোলা
  3. ধানসিঁড়ি
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
তেঁতুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেঁতুলিয়া
ব্যাখ্যা

ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা। 
- বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। 
- বরিশাল বিভাগের পূর্ব অংশ ভোলা জেলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তেঁতুলিয়া নদী একে মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star বাংলা।

১৬.
কোন নদীর তীরে ৪টি দেশের রাজধানী শহর অবস্থিত?
  1. টেমস নদী
  2. রাইন নদী
  3. দানিয়ুব নদী
  4. ভলগা নদী
সঠিক উত্তর:
দানিয়ুব নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানিয়ুব নদী
ব্যাখ্যা

দানিয়ুব নদী:
- দানিয়ুব নদী (Danube River) ইউরোপ মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। 
- এটি মোট ২,৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এটি ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- দেশগুলো হলো: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভাকিয়া, মলদোভা, ইউক্রেন এবং রোমানিয়া।
- উৎস: দানিয়ুব নদীর উৎস জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতে।
- দানিয়ুব নদী কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয় যা রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দানিউব নদীর তীরে ৪টি দেশের রাজধানী শহর অবস্থিত।
- এই রাজধানী শহরগুলো হলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা, হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট এবং সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড। 

উৎস: World Atlas.

১৭.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮১২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১৮.
কোন সংস্থা জিআই (GI) পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. WTO
  2. UNESCO
  3. UNCTAD
  4. WIPO
সঠিক উত্তর:
WIPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WIPO
ব্যাখ্যা

WIPO:
- WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে। 
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।

⇒ জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

১৯.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়। ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২৫ আগস্ট চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে। ১৯৭৪ সালের ১০ জুন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে না গিয়ে ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। অতঃপর প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশসহ সাধারণ পরিষদে পাঠানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।

২০.
প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ?
  1. মিশর 
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. কাতার
  4. জর্ডান
সঠিক উত্তর:
মিশর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর 
ব্যাখ্যা

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিশর।
- ১৯৪৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: i) Britannica.
         ii) Al Jazeera.

২১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৪.৮%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৪%
  4. ৭.৮%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২২.
বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক (GII)-২০২৫ অনুযায়ী, কোন দেশ বিশ্বে উদ্ভাবনে শীর্ষে রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

Global Innovation Index-2025:
- প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২০২৫।
- প্রকাশক: জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা (WIPO)।
- WIPO ১৩৯টি দেশের সূচক প্রকাশ করেছে।
- এতে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ ও গবেষণা, অবকাঠামো, পরিশীলিত বাজার, পরিশীলিত ব্যবসা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতাসহ মোট সাতটি সূচকের মূল্যায়ন করা হয়।
- বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫- শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে নাইজার (১৩৯তম)।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম।

⇒ বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫ শীর্ষ দেশ:
১. সুইজারল্যান্ড,
২. সুইডেন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. দক্ষিণ কোরিয়া, 
৫. সিঙ্গাপুর।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

২৩.
২০২৫ সালের G-20 শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. নয়াদিল্লী, ভারত
  3. রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল
  4. রিয়াদ, সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

জি-২০:
- G-20 আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল।
- এটি শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নীতি সমন্বয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

⇒ জি-২০’র সদস্য: ২১টি।
- দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৫ সালের ২২-২৩ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

২৪.
মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. মাঘীপূর্ণিমা
  2. চৈত্রসংক্রান্তি
  3. মহারাসলীলা
  4. ফাগুয়া
সঠিক উত্তর:
মহারাসলীলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহারাসলীলা
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো। 

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫.
কোন অক্ষাংশ রেখাটি উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সীমারেখা হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ৩৬° উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৩৮° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৪১° উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪৫° উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৮° উত্তর অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

৩৮° উত্তর অক্ষাংশ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সীমারেখা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

কোরিয়া বিভাজন:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- ১৯১০ সালে কোরীয় উপদ্বীপে জসন সাম্রাজ্যের ২৬তম রাজা গুজুং ছিলেন দায়িত্বে। তার শাসনামলের সময় কোরিয়া দখল করে নেয় জাপান।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়ার আক্রমণ করে।
- কোরিয়ার দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে সোভিয়েত কমিউনিস্ট-এর রেড আর্মি।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বাহিনীর কাছে জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।

উৎস: Britannica.

২৬.
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অনুসারে, কোন জেলায় দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. বান্দরবান 
  2. পিরোজপুর 
  3. ভোলা 
  4. লালমনিরহাট 
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান 
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
- ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- দেশে প্রথমবারের মতো বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। 
- এ সূচকে ব্যক্তির আয়-রোজগারের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণ করা হয় না, বরং বিভিন্ন সেবার প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দারিদ্র্য নির্ধারণ করা হয়।
- মোট ১১টি সূচকের সমন্বয়ে এই দারিদ্র্য হিসাব করা হয়। সেগুলো হলো, বিদ্যুতের প্রাপ্যতা, স্যানিটেশন, পানির প্রাপ্যতা, আবাসনের মান, রান্নার জ্বালানির প্রাপ্যতা, সম্পদের প্রাপ্যতা, ইন্টারনেট সংযোগ, বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার, শিশুদের শিক্ষাকালের ব্যাপ্তি, পুষ্টি এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা।
- ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ (হেইস) এবং ২০১৯ সালের বহু সূচকবিশিষ্ট গুচ্ছ জরিপের (মিকস) ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। 

⇒ এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ। 
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ। 
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ (৩৭.৭০ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।

⇒ প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, বহুমাত্রিকতার বিচারে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার বান্দরবানে ৬৫.৩৬ শতাংশ। এরপরের অবস্থানে থাকা কক্সবাজারে এ হার ৪৭.৭০ শতাংশ। বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে শীর্ষ ১০ জেলার মধ্যে আরও আছে যথাক্রমে সুনামগঞ্জে ৪৭.৩৬, রাঙ্গামাটিতে ৪৫.৮৯, ভোলায় ৪৫.১২, নেত্রকোণায় ৩৮.২১, হবিগঞ্জে ৩৭.৪৮, খাগড়াছড়িতে ৩৬.৯১, কিশোরগঞ্জে ৩৬.১১ এবং কুড়িগ্রামে ৩৯.২৪ শতাংশ।

⇒ এছাড়া সবচেয়ে কম বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার ঝিনাইদহে ৮.৬৬ শতাংশ মানুষ। এরপরের শীর্ষ ১০ জেলাগুলোর মধ্যে যথাক্রমে ঢাকায় ৯.১৯, গাজীপুরে ৯.৬৩, যশোরে ১০.৫৮, মেহেরপুরে ১১.০৮, কুষ্টিয়ায় ১২.২২, চুয়াডাঙ্গায় ১৩.৫১, মানিকগঞ্জে ১৪.০৭, ফেনীতে ১৪ শতাংশ এবং দিনাজপুরে ১৪.৬২ শতাংশ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য রয়েছে বলে জানিয়েছে জিইডি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) General Economics Division ওয়েবসাইট।

২৭.
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. কাজাখস্তান
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

তালেবান সরকার:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া।
- ৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে রাশিয়া তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
- এর মধ্য দিয়ে রাশিয়া তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তালেবানকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের মিত্র’ বলে আখ্যা দেন।
- এপ্রিল মাসে রাশিয়ার সর্বোচ্চ আদালত তালেবানের ওপর থেকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা তুলে নেন।

⇒ আফগানিস্তানের সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ভেতর দিয়ে জন্ম হয়েছিল তালেবান বাহিনীর। ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে। এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযানে ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার  ন্যাটো মিত্ররা। 
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়। ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।
- ২০ বছর পর ২০২১ সালে তালেবানরা আবারও আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসে।
- ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সালের সোভিয়েত আগ্রাসন থেকে চার দশকের যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিনোয়েগের জন্য আগ্রহী দেশটির তালেবান সরকার।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২৮.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি স্থপতি ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’-এ ভূষিত হয়েছেন? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. মেরিনা তাবাশ্যুম
  2. কাশেফ মাহবুব চৌধুরী
  3. ফজলুর রহমান খান
  4. আহসান আলী
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- সম্প্রতি ২০২৫ সালে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করে মেরিনা তাবাশ্যুম।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

⇒ বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এই পুরস্কারের জন্য মেরিনা তাবাশ্যুমসহ সাত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকার দক্ষিণখানে বাইতুর-রউফ মসজিদের নকশার জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছিলেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করা এ মসজিদ ২০১২ সালে নির্মিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। 

উৎস: প্রথম আলো।

২৯.
'ICC নারী বিশ্বকাপ-২০২৫'-এ কোন দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে?
  1. ভারত 
  2. অস্ট্রেলিয়া 
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা 
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

ICC নারী বিশ্বকাপ-২০২৫:
- এটি নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অনুষ্ঠিত হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর – ২ নভেম্বর, ২০২৫।
- আয়োজক: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- অনুষ্ঠিত ম্যাচ: ৩১টি।
- চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত।
- রানার্স আপ: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়: দীপ্তি শর্মা (ভারত)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: লরা উলভার্ট (দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- সর্বাধিক উইকেট সংগ্রহকারী: দীপ্তি শর্মা (ভারত)।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।

৩০.
বর্তমানে বিশ্বে LDC-ভুক্ত দেশের সংখ্যা কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৪২টি
  2. ৪৪টি
  3. ৪৫টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
ব্যাখ্যা

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।
- ২০২৬ সালে LDC-ভুক্ত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে বাংলাদেশ, নেপাল, লাওস।

⇒ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC - Least Developed Countries) থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘ তিনটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে একটি দেশের উন্নয়ন ও উত্তরণের যোগ্যতা। এই সূচকগুলো হলো:
- মাথাপিছু জাতীয় আয় (Income),
- মামানবসম্পদ (Income),
- জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা (Economic and Environmental Vulnerability)।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩১.
২০২৬ সালে বাংলাদেশের কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রগতি এখন ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
- ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে ব্রিফিংকালে বাসস-এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ৫ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

৩২.
ASEAN-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
  2. কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
  3. ম্যানিলা, ফিলিপাইন
  4. ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

ASEAN:
- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১১টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও পূর্ব তিমুর (সর্বশেষ)।
- বর্তমান সভাপতি: আনোয়ার ইব্রাহিম (মালয়েশিয়া)।
- মহাসচিব: কাও কিম হৌর্ন।
- আসিয়ান এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি যার মোট দেশজ উৎপাদন ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীন আসিয়ানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৯৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৩৩.
জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ফিলেমন ইয়াং
  2. অ্যানালেনা বেয়ারবেক
  3. ডেনিস ফ্রান্সিস
  4. ক্যাসাবা কে সি
সঠিক উত্তর:
অ্যানালেনা বেয়ারবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালেনা বেয়ারবেক
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে অ্যানালেনা বেয়ারবেক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত। 
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।

৩৪.
কী আবিষ্কারের জন্য ২০২৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে?
  1. মাইক্রো RNA
  2. পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স
  3. হাইপোক্সিয়া-ইনডুসিবল ফ্যাক্টর
  4. অটিজমের জেনেটিক ম্যাপিং
সঠিক উত্তর:
পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স অর্থাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধক কোষ জীবাণুকে আক্রমণ করতে গিয়ে যেন নিজের টিস্যু বা অঙ্গকে আক্রমণ না করে, সেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার জন্য তাদের এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
- শিমন সাকাগুচির গবেষণা প্রথমবারের মতো রেগুলেটরি টি-সেলের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে, যা শরীরের ইমিউন প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরবর্তীকালে মেরি ই ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড রামসডেল এ সেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফক্সপিথ্রি জিন চিহ্নিত করেন, যা ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষায় মুখ্য ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- শান্তি: ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
-  অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন আন্তর্জাতিক গায়ক বাংলাদেশের সমর্থনে কনসার্ট আয়োজন করেন?
  1. পল ম্যাককার্টনি
  2. বব ডিলান
  3. জন লেনন
  4. জর্জ হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।

৩৬.
Gulf Cooperation Council (GCC)-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

GCC:
- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council.
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান)।
- GCC সদস্য দেশগুলো একে অপরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্যুরিজম এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

উৎস: Britannica.

৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়?
  1. অষ্টম
  2. দশম
  3. দ্বাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়।
- এ সংশোধনীর দ্বারা অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিধান করা হয়।

⇒ ১৯৯৬ সালের ২১ মার্চ জাতীয় সংসদে এ বিলটি উপস্থাপিত হয়। 
- ২৪ মার্চ আইন মন্ত্রীর প্রস্তাব অনুসারে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি বাছাই কমিটিতে বিলটি প্রেরণ করা হয়। 
- অবশেষে ২৬ মার্চ বিলটি সংশোধনী আকারে সর্বসম্মতিক্রমে ২৬৯-০ ভোটে গৃহীত হয়। 
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল -
(১) জাতীয় সংসদ বিলোপের ১৫ দিনের মধ্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন।
(২ ) প্রধান উপদেষ্টাকে প্রধানমন্ত্রীর এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দান।
(৩) এ সরকার নীতি নির্ধারণী কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না।
(৪) যোগ্য প্রধান উপদেষ্টা পাওয়া না গেলে প্রেসিডেন্টকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন।
(৫) প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনাক্রমে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্য থেকে ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ।
(৬) এ সরকারের মেয়াদ হবে তিন মাস; নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ হলে তার হাতে এসব ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

⇒ উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৩৮.
মোট কয়টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়োজিত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

নোবেল পুরস্কার:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল-এর নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার।
- ১৮৯৫ সালে এক উইলে ‘মানবজাতির সর্বোচ্চ সেবায় অবদান রাখা’ ব্যক্তিদের জন্য এই পুরস্কার নিবেদিত করেছেন তিনি।

⇒ নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা ৪ টি। যথা:
ক। নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট (নরওয়ে): শান্তি,
খ। সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন): সাহিত্য, 
গ। রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন): পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতি,
ঘ। ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন): চিকিৎসা শাস্ত্র।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
- চিকিৎসা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য, অর্থনীতি ও শান্তি-এই ছয়টি শাখায় ২০২৫ সালে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন মোট ১৪ জন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩৯.
তৎকালীন পাকিস্তানে কত সালে বাংলা ভাষাকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ছাত্ররা ১৪৪ ধারা জারি অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকতসহ জাতির আরও অনেক সূর্য-সন্তানেরা। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

⇒ বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন হয়। 
- ৯ মে মতান্তরে ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় তারও দু’বছর পর ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে।
- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪০.
'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হবে -
  1. ১ আগস্ট
  2. ৩ আগস্ট
  3. ৪ আগস্ট
  4. ৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

⇒ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং অপর দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 

৪১.
‘অক্টোবর বিপ্লব’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. ইসলামিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
রুশ বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুশ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৪২.
'অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩' বাংলাদেশের সাথে কোন দেশের যৌথ মহড়া?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের
  2. জার্মানির
  3. রাশিয়ার
  4. চীনের
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের
ব্যাখ্যা

অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩:
- 'অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩' বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়া।

⇒ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়া 'অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩' শুরু হয়েছে।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের অংশগ্রহণে ৭ দিনব্যাপী ‘অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩’শীর্ষক যৌথ অনুশীলন ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল  হক এ সমাপ্ত হয়েছে।
- এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান, একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার এবং যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান।
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৫০ জন সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৯২ জন সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।
- এছাড়াও মহড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

৪৩.
দারিয়ুস দ্য গ্রেট কোন নগরীর গোড়াপত্তন করেন?
  1. নিনেভেহ
  2. রোম
  3. ব্যাবিলন
  4. পার্সেপোলিস
সঠিক উত্তর:
পার্সেপোলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্সেপোলিস
ব্যাখ্যা

দারিয়ুস দ্য গ্রেট:
- 'দারিয়ুস' পারস্য সভ্যতা সম্রাট ছিলেন।

⇒ আকামেনিদ সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট দারিয়ুস দ্য গ্রেট।
- তাঁর শাসনামলে সাম্রাজ্যের সর্বাধিক বিস্তৃতি ঘটে।
-  দারিয়ুস পার্সেপোলিস নগরীর গোড়াপত্তন করেন।
- সম্রাট দারিয়ুস বিভিন্ন পরিমাপের একক নির্ধারণের পাশাপাশি অভিন্ন মুদ্রাও চালু করেন। 
- পৃথিবীর ইতিহাসে পারসিকরাই সর্বপ্রথম, যারা এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে সড়কপথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- পৃথিবীর প্রথম ডাকসেবা এই সম্রাটের হাত ধরেই চালু হয়।
- এসব কারণে দারিয়ুসকে পারস্য সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়।
- ৪৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট দারিয়ুস মারা যান। নিজের তৈরি করা সমাধিক্ষেত্র ‘নাকশে রুস্তম’-এ তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৪৪.
এশিয়ার পূর্বতম বিন্দু কোনটি?
  1. ডেজনেভ অন্তরীপ
  2. পিয়ায়ি অন্তরীপ
  3. বেবা অন্তরীপ
  4. চেলিউসকিন অন্তরীপ
সঠিক উত্তর:
ডেজনেভ অন্তরীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেজনেভ অন্তরীপ
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ। 
- এটি পৃথিবীর পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। 
- এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ: চীন এবং আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ।
- সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: পূর্ব তিমুর।
- এশিয়ার বৃহত্তম সাগর: দক্ষিণ চীন সাগর।
- এশিয়ার গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ।
- এশিয়ার সর্বোচ্চ স্থান: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)।
- এশিয়ার সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার পূর্বতম বিন্দু: কেপ ডেজনেভ (Cape Dezhnev), চুকটকা উপদ্বীপ, রাশিয়া।
- এশিয়ার পশ্চিমতম বিন্দু: কেপ বাবা (Cape Baba), তুরস্ক।
- এশিয়ার উত্তরতম বিন্দু: ফ্লিগেলী অন্তরীপ (Cape Fligely), ফ্রাঞ্জ জোসেফ ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, রাশিয়া।
- এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু: মূল ভূখণ্ড এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু পিয়ায়ি অন্তরীপ (Tanjung Piai), মালয়েশিয়া। তবে মহাদেশীয় এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু পামানা দ্বীপ (Pamana Island), ইন্দোনেশিয়া। 

উৎস: World Atlas.