পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
Exam - 38 Review: Test-8 Topic: • Exam- 35, 36, 37
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন কাজটি চুরির ক্ষেত্রে দস্যুতা অপরাধ সংঘটিত করতে পারে?
  1. চুরির সময় শুধুমাত্র সম্পত্তি স্থানান্তর করা
  2. চুরির সময় সম্পত্তি মালিকের সম্মতি নেওয়া
  3. চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
  4. চুরির সময় কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি ছাড়া সম্পত্তি নেওয়া
সঠিক উত্তর:
চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, চুরি (Theft) তখন দস্যুতা (Robbery) হয়ে যায়, যখন চুরি করার সময়, বা চুরি করে পালানোর সময়, বা চুরি করা মাল বহনের সময় অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, আঘাত করে, অবৈধভাবে আটকায়, অথবা তাৎক্ষণিক মৃত্যু / গুরুতর আঘাত / অবৈধ আটকের ভয় সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে।
- অতএব, সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর হলো: গ) চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো — কারণ এটিই চুরিকে দস্যুতা হিসেবে পরিগণিত করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী কার যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে?
  1. ফরিয়াদীর
  2. সাক্ষীদের
  3. সরকারি আইনজীবীদের
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীন, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী ও সাক্ষী—এই দুই পক্ষকেই আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এই ধারা সাক্ষ্য ও বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে সাক্ষী ও ফরিয়াদীরা আর্থিক অসুবিধার কারণে বিচার প্রক্রিয়া থেকে বিরত না থাকেন।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী ও সাক্ষী উভয়ের যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে। সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা পাওয়া যায়?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) মূলত দণ্ডবিধির (Penal Code) বিভিন্ন অপরাধের ধরন, তাদের শাস্তি, এবং আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্যতার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে।
- দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত তালিকা থাকে, যার মাধ্যমে জানা যায় কোন অপরাধের জন্য জামিন দেওয়া যাবে এবং কোন অপরাধের জন্য যাবে না।
- এছাড়া, এ তফসিলে অপরাধের ধারা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, মীমাংসাযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন কলাম আছে।
অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- তৃতীয় তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে।
- চতুর্থ তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে।
- তাই জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা জানতে দ্বিতীয় তফসিল দেখা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কী ধরনের সার্টিফিকেট দাখিল করা যায়?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসির সুপারিশ
  2. জেলার জজের ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের বাইরের কোনো সাক্ষীর বিবৃতি
  4. কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী দণ্ড (previous conviction) প্রমাণ করতে হয়, তাহলে তার একটি উপায় হলো:
- যে কারাগারে সাজা কার্যকর করা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-charge) কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেট আদালতে দাখিল করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী কখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করা যায়?
  1. যখন সাক্ষী নাবালক
  2. যখন সাক্ষী অভিযুক্তের আত্মীয় হয়
  3. যখন সাক্ষী আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হতে চায়
  4. যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয় যখন:
- সাক্ষীর আদালতে হাজিরা করানো সম্ভব নয় বা
- সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, যা মামলার পরিস্থিতিতে অযৌক্তিক।
অর্থাৎ, ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হলেও যদি সাক্ষীকে সরাসরি আদালতে হাজির করানো কঠিন হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকা অন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দিয়ে সাক্ষীর জবানবন্দি নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.
.
দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে কোনো আদালতের রেকর্ড বা জনসাধারণের নিবন্ধন জাল করলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে, যদি কেউ কোনো নথি জাল করে যেটি আদালতের রেকর্ড, জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ বা দাফনের সরকারি নিবন্ধন, সরকারি কর্মচারীর অফিসিয়াল দলিল বা সার্টিফিকেট, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা মামলা পরিচালনার অনুমতিপত্র তবে তা গুরুতর জালিয়াতি (forgery) হিসেবে গণ্য হয়।
- শাস্তি: এ অপরাধে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যে কোনো ধরনে) এবং জরিমানা হতে পারে।
 - অতএব, সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, কে দোভাষীর সেবা (services) নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. ফৌজদারি আদালত
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত মনে করেন যে সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে, তখন তিনি দোভাষীর সেবা নিতে পারেন।
- এই ধারা অনুযায়ী দোভাষীর নিয়োগ আদালতের সিদ্ধান্তে হয়, এবং দোভাষী বাধ্য থাকেন সঠিক ও সত্য ব্যাখ্যা প্রদান করতে।
→ দোভাষীর সেবা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ফৌজদারি আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ রাজপথে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে দস্যুতা করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী সাধারণভাবে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
- কিন্তু যদি দস্যুতা রাজপথে এবং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মাঝখানে সংঘটিত হয়, তাহলে এই শাস্তির মেয়াদ চৌদ্দ (১৪) বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- এ কারণে সঠিক উত্তর গ) ১৪ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. বিচারকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
  2. সাক্ষী জেরার নিয়মকানুন
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ
  4. মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা মূলত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিস্থিতির কথা বলে, যখন সাক্ষী কোনো মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে অবস্থান করেন।
- এই ধারার অধীনে: যদি সাক্ষী মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাভুক্ত হন, তাহলে মামলার ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত সেই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন প্রদান করতে পারেন।
- চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে এই দায়িত্ব তাঁর অধীনস্থ অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, ধারা ৫০৪ সরাসরি "মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন" বিষয়েই বিধান দেয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
১০.
দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৩৯৯ ধারায় বলা হয়েছে: “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
- এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি ডাকাতির প্রস্তুতি মাত্র, কিন্তু আইন এটিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এজন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
- তাই, সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে — দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:
যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. তৃতীয় তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. প্রথম তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৮৯৮ সালের আইনে মোট পাঁচটি তফসিল ছিল, যার মধ্যে প্রথম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে কার্যকর রয়েছে চারটি তফসিল।
- প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ার ফলে বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিলসমূহ:
→ প্রথম তফসিল: বর্তমানে বাতিল। 
→ দ্বিতীয় তফসিল: আমলযোগ্য/অযোগ্য অপরাধ ও জামিন সংক্রান্ত বিধান।
→ তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
→ চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
→ পঞ্চম তফসিল: বিভিন্ন ফরমের ফরম্যাট।

সুতরাং, প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. মূল্য ১০ টাকার কম হলে
  2. সম্পত্তি দ্রুত ক্ষয়শীল হলে
  3. মালিকের জন্য বিক্রয় কল্যাণকর হলে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবক্ষেত্রে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত যেকোনো পরিস্থিতিতে আটককৃত সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন—
১) মূল্য ১০ টাকার কম হলে,
২) সম্পত্তি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হলে,
৩) বিক্রয় মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে,
৪) এবং যদি মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন।
- এই সকল পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১৩.
দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. চুরির প্রস্তুতি গ্রহণ
  2. চুরির সময় অস্ত্র বহন করা
  3. চোর বা দস্যুদের দলে থাকা
  4. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
সঠিক উত্তর:
চোর বা দস্যুদের দলে থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোর বা দস্যুদের দলে থাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৪০১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে গঠিত ভ্রাম্যমান বা অন্য কোনো গ্যাং-এর সদস্য, এবং সেই গ্যাংটি যদি ডাকাত বা ঠগদের দল না হয়, তবুও সে ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
- শাস্তির বিধান: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয়।
⇒ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা চুরি বা দস্যুতার উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দল বা গ্যাং-এর সদস্য হওয়াকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এজন্য ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণ করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:
- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা অনুযায়ী কে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
সঠিক উত্তর:
মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুসারে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তখনই সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হয়, যখন রিপোর্ট প্রস্তুতকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার, মারা গেছেন,সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম,বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন,এবং তাকে হাজির করতে গেলে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে।এই পরিস্থিতিতে রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে কে গ্রহণ করবে বা সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট আদালতই সেই কর্তৃত্ব রাখে।
অর্থাৎ, আদালত বিবেচনা করে যদি মনে করে যে রিপোর্ট গ্রহণ করা ন্যায়সঙ্গত হবে, তাহলে সে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, এমনকি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে তলব না করেই।
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১৫.
'A' একটি বই 'Z'-এর লাইব্রেরি থেকে 'Z'-এর অনুপস্থিতিতে নিয়ে যায়, এই ভেবে যে 'Z' তাকে বইটি নিতে দিতেন। পরে 'A' বইটি বিক্রি করে। এই ক্ষেত্রে 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮৩ ধারা
  3. ৪০৩ ধারা
  4. ৪০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রশ্নে যে পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে তা সরাসরি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৩ ধারা (Dishonest misappropriation of property)-এর অধীন পড়ে।

ঘটনার বিশ্লেষণ:
‘A’ বন্ধুত্বের কারণে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, তখন তার বিশ্বাস ছিল যে Z হয়তো সম্মতি দিতেন (অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃত চুরি নয় — তাই ৩৭৮ ধারা [চুরি] প্রযোজ্য নয়),
কিন্তু পরে ‘A’ বইটি নিজের লাভের জন্য বিক্রি করে, অর্থাৎ নিজের জন্য আত্মসাৎ করে নেয়, যা অসৎ উদ্দেশ্যে মোচড়যোগ্য সম্পত্তি আত্মসাৎ এর মধ্যে পড়ে।
-  এই আচরণটি ধারা ৪০৩ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।
অর্থাৎ ‘A’ যেহেতু বইটি পরবর্তীতে নিজের লাভের জন্য বিক্রি করেছে, এটি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সে দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী দোষী হবে।
সঠিক উত্তর: গ) ৪০৩ ধারা।

Illustration(b)
- A, being on friendly terms with Z, goes into Z's library in Z's absence, and takes away a book without Z's express consent. Here, if A was under the impression that he had Z's implied consent to take the 
book for the purpose of reading it, A has not committed theft. But if A afterwards sells the book for his own benefit, he is guilty of an offence under this section.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে জরিমানা ছাড়া অন্য টাকা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য বলে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৫৪৬
  2. ধারা ৫৪৬ক
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো ব্যক্তিকে জরিমানা ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং সেই অর্থ আদায়ের জন্য আলাদা কোনো পদ্ধতি নির্ধারিত না থাকে, তাহলে সেই অর্থকে জরিমানা হিসেবে ধরা হবে এবং সেই অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। এটি আইনগতভাবে অর্থ আদায়ের একটি সহজীকরণ ব্যবস্থা, যাতে আদালতের আদেশ কার্যকর করা সহজ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
১৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯ অনুযায়ী "cheating by personation" এর সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে (cheating by personation), সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রাপ্ত হবে।”
- এই ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে জেনে-বুঝে প্রতারণা করেন, তাহলে তিনি cheating by personation করেছেন বলে ধরা হবে।
- সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ: ৩ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে বন্ড স্বাক্ষরের পর কী ঘটে?
  1. মামলা খারিজ করা হয়
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া হয়
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী, যখন জামিননামা (বন্ড) স্বাক্ষরিত হয়, তখন সেই বন্ডের জন্য জামিন দেওয়া ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
যদি সে জেলে থাকে, আদালত মুক্তির আদেশ জেলখানার অফিসারের কাছে পাঠায়, আর সেই অফিসার আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেয়।
তবে, যদি অন্য কোনো কারণে অভিযুক্তকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়, তাহলে মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১-এর প্রধান বিষয় কী?
  1. সাক্ষী সুরক্ষা
  2. জামিনের শর্ত
  3. ফৌজদারি আপিলের বিধান
  4. কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাসের স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত। এতে বলা হয়েছে যে, সরকার ঠিক করবে কোন স্থানে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত বা হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে রাখা হবে। এছাড়া, যদি কেউ সিভিল জেলে আটক থাকে, তবে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে ফৌজদারি জেলে পাঠানো যেতে পারে। পরবর্তীতে ফৌজদারি জেল থেকে মুক্তি পেলে, বিশেষ শর্তে (যেমন ৩ বছর পার হলে বা আদালতের ছাড়পত্র থাকলে) তাকে আবার সিভিল জেলে পাঠানো হবে না।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাস সংক্রান্ত নির্দেশ এবং স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
২০.
নিচের কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে।
  2. রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে।
  3. ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
  4. করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে।
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass) তখনই হয়, যখন কেউ অন্য কারো দখলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে, অথবা ভীতি প্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, অথবা কেউ বৈধভাবে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে অবস্থান করে একই উদ্দেশ্যে (অপরাধ, ভীতি, অপমান বা বিরক্ত করা)।

প্রতিটি অপশন বিশ্লেষণ:
ক) সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ এটি অপরাধ (চুরি) সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ।
খ) রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে অপমান করা।
গ) ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে। → প্রযোজ্য নয় — কারণ এখানে বৈধ অনুমতি রয়েছে, এবং কোনো অপরাধ বা অপমান/ভীতি/বিরক্তির উদ্দেশ্য নেই। এটি স্বাভাবিক ও আইনি প্রবেশ।
ঘ) করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে ভীতি প্রদর্শন।

→ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা "গ" (ফারুকের পরিস্থিতি)-এ প্রযোজ্য নয়, কারণ সেটি আইনসম্মত এবং নির্দোষ প্রবেশ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:
- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিবেন
  2. মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
  3. মালিক খুঁজে না পাওয়ায় তা নষ্ট করবেন
  4. পুলিশ অফিসারের জিম্মায় দিয়ে দিবেন
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩(২) ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালিক অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং সম্পত্তির বিস্তারিত বর্ণনাসহ একটি ঘোষণা (proclamation) জারি করবেন যাতে বলা হবে যদি কেউ ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন, তাহলে ঘোষণার তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে সেই দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
২২.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী চুরির উদ্দেশ্যে আগেই আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর প্রস্তুতি নেয়া হলে অপরাধ গণ্য হয়?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮০ ধারা
  3. ৩৮২ ধারা
  4. ৩৮৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮২ বিশেষভাবে এমন চুরির কথা বলে যেখানে অপরাধী আগেই মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নেয়। এটি সাধারণ চুরির চেয়ে বেশি গুরুতর এবং দস্যুতার কাছাকাছি অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কে জামিনযোগ্য অপরাধে আটক ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী, জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তি যদি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকেন বা আদালতে হাজির হন এবং জামিন দিতে প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এই মুক্তি দিতে পারে, আদালত অথবা পুলিশ অফিসার (ওসি বা দায়িত্বরত অফিসার)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
- এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ অনুসারে কে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল বিনা মূল্যে পেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর, ফরিয়াদি বা অভিযুক্ত অনুরোধ করেন, তবে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির একটি নকল বিনা মূল্যে তাদের সরবরাহ করতে হবে। অর্থাৎ, এই তিন পক্ষের যে কেউ চাইলে, তাঁকে বিনামূল্যে স্মারকলিপির কপি দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে নকল প্রদান সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪৪
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালত থেকে নকল পেতে পারে। সাধারণত খরচ দিতে হয়, তবে বিশেষ কারণ থাকলে বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ৫০২ ধারা
  2. ৫০১ ধারা
  3. ৪৯৮ ধারা
  4. ৪৯৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা (Section 502 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী জামিনদার (Surety) যে কোনো সময় জামিননামা (Bail Bond) থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেতে পারেন। এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয়।
- ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:
(১) জামিনদার জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন।
(২) আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন।
(৩) আসামি হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে দায়মুক্তি দিবেন এবং আসামিকে নতুন জামিনদার খুঁজে দিতে বলবেন।
যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তাহলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
- অতএব, ৫০২ ধারা-ই জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য প্রযোজ্য ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য অপরাধে অভিযোগ করে ফরিয়াদি এবং আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আসামিকে আদেশ দেওয়া যেতে পারে:
ফরিয়াদির দেওয়া নালিশের দরখাস্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণের ফি, সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির ফি — এসব ফেরত দিতে।
- যদি আসামি উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, অর্থ না দিলে সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
- অতএব, ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি: "ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড"।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
২৮.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী, কে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সরকারি সলিসিটর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে “...but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.”
-  অর্থাৎ, নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারেন:
১) অ্যাটর্নি জেনারেল
২) সরকারি সলিসিটর (Government Solicitor)
৩) পাবলিক প্রসিকিউটর
৪) অথবা সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কর্মকর্তা
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, অ্যাফিডেভিটে বিশ্বাসের ভিত্তিতে উল্লেখিত তথ্যের ক্ষেত্রে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. সরকারি অনুমোদন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর নাম
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক-এ বলা হয়েছে: "...such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief."
অর্থাৎ অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন, তা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, আর যেসব তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, তার ক্ষেত্রেও সেগুলোর বিশ্বাসের ভিত্তি বা যুক্তিসঙ্গত কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- এটা আদালতকে বুঝতে সাহায্য করে যে, হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং যুক্তিসঙ্গত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
৩১.
দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. প্রতারণা
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৫ ধারাতে যেটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তা হলো "Cheating" অর্থাৎ "প্রতারণা"।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে ছলনা করে, এবং প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে তাকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা রেখে দিতে প্ররোচিত করে, অথবা তাকে এমন কিছু করতে বা না করতে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে যার ফলে তার দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি প্রতারণা করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় "প্রতারণা" অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সঠিক উত্তর: গ) প্রতারণা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, কমিশন কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেওয়ার জন্য কত সময়ের জন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যায়?
  1. এক মাস
  2. ছয় মাস
  3. এক বছর
  4. ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যখন ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীনে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তখন সেই কমিশন কার্যকর এবং ফেরত দেওয়ার জন্য বিচার, অনুসন্ধান বা অন্য কার্যক্রম "ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়ের" জন্য মুলতবি রাখা যেতে পারে।
- এখানে কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা (যেমন ১ মাস, ৬ মাস বা ১ বছর) বেঁধে দেওয়া হয়নি। বরং, আদালত মামলার প্রকৃতি ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যতটা সময় প্রয়োজন বলে যুক্তিসঙ্গত মনে করে, ততটাই সময় দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করা কোনো আইনজীবী সেই আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. ধারা ৫৫৫
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫৭
  4. ধারা ৫৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৭-এ বলা হয়েছে: "যে আইনজীবী (pleader) কোনো জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তিনি উক্ত আদালতে কিংবা সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।"
- এই ধারাটির উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পরিচালনায় স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো।
- এতে ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়, যাতে বিচারক ব্যক্তিগতভাবে বা পেশাগতভাবে সংশ্লিষ্ট না থাকেন।
- এটি natural justice বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার নীতির অন্তর্গত — যেখানে নিরপেক্ষতা একটি প্রধান শর্ত।
-  অতএব, ধারা ৫৫৭ এই বিধানটি সরাসরি প্রদান করে এবং এই কারণে উত্তর (গ) ধারা ৫৫৭ সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি করার ক্ষমতা আপিল বিভাগের রয়েছে?
  1. সাক্ষীকে সমন জারি করা
  2. মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
  3. একজন বিচারককে অপসারণ করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ গঠন করা
সঠিক উত্তর:
মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক (Section 525A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী আপিল বিভাগ (Appellate Division) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো: হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে, অথবা এক বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন সমপর্যায় বা উচ্চতর ফৌজদারি আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করা।
- এই ক্ষমতা ব্যবহার করা হয় যদি তা ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার জন্য উপযুক্ত মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৩৫.
চুরির সংজ্ঞা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি চুরির অপরাধ গঠনের জন্য অপরিহার্য?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য
  3. দখলকারীর সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য নিচের সব উপাদানগুলো একত্রে থাকতে হয়:
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): কেবল অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয় হতে পারে।
- অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য (Dishonest Intention): দোষী ব্যক্তির মনে থাকতে হবে অসাধু উদ্দেশ্য।
- দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর (Without Consent of Possessor): চুরি তখনই ঘটে, যখন দখলকারীর স্পষ্ট বা পরোক্ষ সম্মতি ছাড়া সম্পত্তিকে সরানো হয়।
এই তিনটি উপাদানের যেকোনো একটি না থাকলে চুরি সংঘটিত হয় না।
- তাই, এই প্রশ্নে “উপরের সবকটি” একত্রে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সমন
  3. উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ আদালতকে ক্ষমতা দেয় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে সমন করা এবং উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার জন্য।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো — ঘ) 'খ' এবং 'গ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনোো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
৩৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারায় কেরানি বা ভৃত্য যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারা অনুযায়ী যদি কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তার দায়িত্বে অর্পিত সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানি বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.