পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ১০ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ------------------- টপিক: i) জনশুমারি, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জাতীয় বাজেট, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, শিল্প উৎপাদন ও আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উন্নত ফসলের জাত। [নম্বর কাভার - ৩]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. মোংলা ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইপিজেড (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টিী সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।

অন্যদিকে,
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতিবন্ধীর হার মোট জনসংখ্যার -
  1. ১.৩৭ শতাংশ
  2. ২.৩৭ শতাংশ
  3. ৩.৩৭ শতাংশ
  4. ৪.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, এটি মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- অর্থাৎ দেশে প্রতিবন্ধীর হার শতকরা ১.৩৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন এবং সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশের জিডিপি (GDP)-তে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. সেবা
  2. শিল্প
  3. কৃষি
  4. বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।

⇒ বাংলাদেশের জিডিপি (GDP)-তে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উল্লেখ্য,
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সংস্থার নাম কী?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদ
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেওয়া; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৭.৬%
  2. ১০.৮%
  3. ১৫.৬%
  4. ১৮.৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৩%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বর্তমানে বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান - [জুন, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএও) প্রকাশ করা বিশ্বের মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন ‘ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২৪’–এ এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।
- প্রতিবেদনে ২০২২ সালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

⇒ বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।
- কাঁকড়া চাষে বাংলাদেশ নবম অবস্থানে রয়েছে।
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) FAO ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের কতটি দেশে আম রপ্তানি করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩৮টি
  2. ২৭টি
  3. ৩২টি
  4. ৪৪টি
ব্যাখ্যা
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- দেশে মোট ৭২ ধরনের আমের উৎপাদন হয়।
- তবে রপ্তানি হয় সাত থেকে আট জাতের আম।
- ৩৮টি দেশে আম রপ্তানির অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের।
- গত বছর অবশ্য রপ্তানি করা হয় ২১টি দেশে।
- বর্তমানে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

⇒ রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের ১৫টি জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়।
- বাংলাদেশের সুস্বাদু আম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রধানত ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন এবং কানাডার মতো দেশগুলোতে বাংলাদেশের আম রপ্তানি করা হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। 
ii) প্রথম আলো।
.
'রামরঙ্গন' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আম
  2. মরিচ
  3. টমেটো
  4. কমলা
ব্যাখ্যা
কমলার জাত:
- কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কমলার জাত।
- এ জাতের কমলা চাষের সুবিধা হচ্ছে, এটি প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু। প্রচণ্ড গরমে এ ফল ঝরে না। পরিপক্ব হওয়ার পরও গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ে না। পাকার পরও ফলটি এক মাস গাছে রাখা যায়।
- এছাড়াও, কমলার উন্নত জাত: বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি করে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রথম জনশক্তি রপ্তানি করে ১৯৭৬ সালে।

জনশক্তি রপ্তানি:

- বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়।
- শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে ‘প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করে।

⇒ পোশাক খাতের পরপরই দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান জনশক্তি রপ্তানি খাতের।
- ১৯৭৩ সালে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সেসব দেশের ফুলেফেঁপে ওঠা অর্থনীতিই বাংলাদেশসহ তৎকালীন স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জনশক্তি রপ্তানির দ্বারোন্মোচন করে।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির মূল গন্তব্য উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশ।
- অর্থাৎ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, ও কাতার।
- পরবর্তী সময়ে এই তালিকায় যুক্ত হয় মালয়েশিয়ার নাম।
- এছাড়াও সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে।

উৎস: i) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান কত?
  1. ১.৮০%
  2. ২.২০%
  3. ৭.৮০%
  4. ১১.২০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
১১.
ADP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Annual Development Plan
  2. Automated Development Programme
  3. Annual Development Programme
  4. Advanced Development Programme
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি।
- প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের অধীনে দেশে মোট কয়টি রাবারবাগান আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২২টি
ব্যাখ্যা
রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশ প্রথম সরকারিভাবে ওষুধ রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. জাপান
  2. শ্রীলংকা
  3. ভুটান
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলংকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ii) বণিক বার্তা।
১৪.
Trading Corporation of Bangladesh কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. শিল্প
  2. অর্থ
  3. বাণিজ্য
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: i) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
ii) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫.
পরিকল্পনা কমিশনের মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদকাল কত?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া।
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়।
- স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।

২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan):
- মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে।
- মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে।
- কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।

⇒ আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৭৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- পরবর্তী ২০,০০,০০০/- টাকার: ২৫%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ৩০%।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।