পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত১৩৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৫ প্রশ্ন

.
'ধ্বনি' সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. ধ্বনি দৃশ্যমান
  2. মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি
  3. ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয় 
  4. অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্‌ধ্বনি
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি দৃশ্যমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি দৃশ্যমান
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
- ধ্বনি বলতে সাধারণভাবে আমরা যেকোন আওয়াজকেই বুঝে থাকি।
- ভাষার ধ্বনি হলো বাগ্‌যন্থের সাহায্যে উচ্চারিত এমন কিছু ধ্বনি, যা মনের ভাব প্রকাশের জন্য মানুষ ব্যবহার করে থাকে। 

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, "কোনও ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে, আমরা কতগুলি ধ্বনি পাই।"
• ধ্বনিতাত্ত্বিক মুহম্মদ আবদুল হাই ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ গ্রন্থে লিখেছেন, "অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্‌ধ্বনি।"

---------
মূল কথা হলো,
- অর্থবোধক ধ্বনি সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান।
- কিন্তু ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
- ধ্বনিকে দৃশ্যমান দেওয়ার জন্য বা লিখিত আকারে প্রকাশ করার জন্যে প্রয়োজন হয় এক প্রকার সংকেত বা চিহ্নের। এই সঙ্কেত বা চিহ্নকে বর্ণ বলে।
- ধ্বনি দৃশ্যমান না হলেও বর্ণ দৃশ্যমান হয়ে থাকে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
স্বরান্ত অক্ষরকে কী বলে?
  1. একাক্ষর
  2. মুক্তাক্ষর
  3. বদ্ধাক্ষর
  4. যুক্তাক্ষর
সঠিক উত্তর:
মুক্তাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তাক্ষর
ব্যাখ্যা
• অক্ষর (Syllable):
- বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)।  
- অক্ষর দু প্রকার। 
যথা:
১. মুক্তাক্ষর ও
2. বদ্ধাক্ষর।

---------------
• মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে।
অযুগ্ন বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন: ‘ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?’
এখানে (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর। 

- মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
- মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে। 
যেমন: অপরিচিত। 

• বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে। 
যেমন : 'সোম বার দিনরাত হরতাল।
এখানে (সোম্) (বার্) (দিন্) (রাত) (হর্) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর। 

বদ্ধাক্ষর ( - ) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়। 

উৎস: বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
.
শুদ্ধ বানানের গুচ্ছ কোনটি? 
  1. শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
  2. শিরোশ্ছেদ, দারিদ্র্য, সমীচিন 
  3. শিরঃশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমিচীন
  4. শিরচ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানানগুচ্ছ- শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন। 

• শিরশ্ছেদ (বিশেষ্য):
- এর সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে শিরোশ্‌ছেদ।
অর্থ: দেহ থেকে মাথা ছিন্নকরণ।

• দরিদ্রতা (বিশেষ্য):
অর্থ:
- অসচ্ছলতা,
- নির্ধনতা ইত্যাদি।

• সমীচীন (বিশেষণ):
- এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- সংগত,
- উপযুক্ত,
- উত্তম।

অন্যদিকে, 
অপশন (খ) এর দারিদ্র্য বানান শুদ্ধ হলেও অন্য দুটি বানান অশুদ্ধ।
অপশন (গ) দরিদ্রতা শুদ্ধ হলেও অন্য দুটি বানান অশুদ্ধ।
অপশন (ঘ) দরিদ্রতা ও সমীচীন - শুদ্ধ হলেও অন্য বানানটি অশুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
আরবি 'কলম' শব্দটি 'কলমোস' শব্দ থেকে এসেছে। 'কলমোস' কোন ভাষার শব্দ?
  1. পাঞ্জাবি
  2. ফরাসি
  3. গ্রিক
  4. স্পেনিশ
সঠিক উত্তর:
গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক
ব্যাখ্যা
• কলম (qalam):
- শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ: কোনো শক্ত দণ্ডের প্রান্তে বল বা নিব সংযুক্ত করে তৈরি লেখনী।

----------
• কলম (qalam) শব্দটি আদি উৎস কলমোস (Kalamos/Κάλαμος) যা মূলত গ্রিক ভাষার শব্দ।
- Kalamos/Κάλαμος শব্দের অর্থ - a reed, a pen.
- It refers to the writing instrument made from a reed or a similar material. This term was borrowed into various languages, including Arabic.

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান ও Etymology (Language Forum) ওয়েবসাইট।
.
'ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।' মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. সুকুমার সেন
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• 'ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।' মন্তব্যটি করেন প্রখ্যাত ভাষা-চিন্তক  সুকুমার সেন।
- তিনি তাঁর ‘ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের ‘ভাষা ও উপভাষা’ নামক অধ্যায়ে মন্তব্যটি করেন।
- গ্রন্থটি প্রথম ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয়।

সুকুমার সেনের ভাষায় -
"মানুষমাত্রেই কোন না কোন সংসার-সীমানার অথবা সমাজগণ্ডীর অন্তর্গত। স্বাভাবিক অবস্থায় কোন ব্যক্তি সংসার অথবা সমাজ বিরহিত নয়। যে সংসার বা সমাজের মধ্যে মানুষ বাস করে সে সংসার ও সমাজভুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে তাহার চিত্তা উদ্দেশ্য এবং কর্মগত সমতা কিছু না কিছু থাকিবেই। ভাষা এই সমতার প্রধান সাধন। ভাষার মধ্য দিয়া আদিম মানুষের সামাজিক প্রবৃত্তির প্রথম অঙ্কুর প্রকাশ পাইয়াছিল । ভাষার মধ্য দিয়াই সেই সামাজিক প্রবৃত্তি নানাদিকে নানাভাবে প্রসারিত হইয়া আদিম নরকে পশুত্বের অন্ধজড়তা হইতে উদ্ধার করিয়া তাহাকে মননশীল করিয়াছে। প্রকৃতির দাসত্ব হইতে মুক্তি পাইয়া মানুষ প্রকৃতির প্রভুত্বের অধিকারী হইয়াছে। ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয় চিন্তার প্রসূতিও। লতা যেমন মঞ্চ-অবলম্বন না পাইলে বাড়িতে পারে না চিত্তাও তেমনি ভাষা-অবলম্বন ব্যতিরেকে বিচরণ করিতে অক্ষম।
পশুর সমাজ নাই এবং তাহা থাকিবার কথাও নয়। পশু একাকী অথবা জোড় বাঁধিয়া কিংবা দল লইয়া ঘুরিয়া বেড়ায়। কিন্তু পশুর দল পশুর “সমাজ” নয়, সে দলে একটিমাত্র পুরুষ-প্রাণী—কর্তা। সে দলকে সমাজ নয়, বরং পরিবার বলিতে পারি। পশুর জীবনধারণ শুধু বাঁচিয়া থাকা, সুতরাং তাহার পক্ষে ভাষা নিতান্ত অনাবশ্যক। তবে শারীরিক প্রয়োজনে অনেক পশু বিশেষ বিশেষ ডাক ডাকে।"


------------------
সুকুমার সেন:
-  জানুয়ারি, ১৯০০ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি ১৯৬৩ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার, ১৯৮১ সালে বিদ্যাসাগর পুরস্কার লাভ করেন। 

তাঁর অন্যান্য রচনা: 
- বাংলা স্থান নাম,
- বাংলায় নারীর ভাষা,
- বাংলা সাহিত্যে গদ্য,
- ভারতীয় আর্য সাহিত্যের,
- ভারত কথার গ্রন্থিমোচন,
- রামকথার প্রাক ইতিহাস,
- বটতলার ছাপা ও ছবি,
- বনফুলের ফুলবন,
- কলকাতার কাহিনি ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষার ইতিবৃত্ত, সুকুমার সেন এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি- এ। 

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:

উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

আবার, জিভের সম্মুখ - পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি - ই, এ, অ্যা।
২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অ নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'তাম্বুলিক' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি? 
  1. পান-ব্যবসায়ী
  2. পর্ণকার 
  3. তামসিক
  4. বারুই
সঠিক উত্তর:
তামসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামসিক
ব্যাখ্যা
• 'তাম্বুলিক' শব্দের সমার্থক নয়- তামসিক। 
- তামসিক শব্দের অর্থ - ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন।

-------------
• তাম্বুলিক শব্দের অর্থ - পান ব্যবসায়ী।

আবার, 
• বারুই শব্দের অর্থ: যারা পান উৎপাদন করে এবং বিক্রয় করে।
• পর্ণকার অর্থ: পান বিক্রেতা বা পান ব্যবসায়ী।

অর্থ্যাৎ, তাম্বুলিক শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- পান ব্যবসায়ী, বারুই ও পর্ণকার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
'তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!' – বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে? 
  1. পদান্বয়ী অব্যয়
  2. অনুসর্গ অব্যয়
  3. অনন্বয়ী অব্যয়
  4. অনুকার অব্যয় 
সঠিক উত্তর:
অনন্বয়ী অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্বয়ী অব্যয়
ব্যাখ্যা

• অনন্বয়ী অব্যয়:
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনাে অন্বয় বা সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে তাদেরকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।

- অনন্বয়ী অব্যয় বক্তার আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিষাদ প্রভৃতি মনােভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
যেমন: মরি মরি, উঃ, বটে, ছিঃ প্রভৃতি।

বাক্যে ব্যবহার: 
'মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!' - এখানে 'মরি মরি' অনন্বয়ী অব্যয়।

প্রশ্নে আলোচিত বাক্য - 'তুমি তাে ভারি সুন্দর ছবি আঁক!’
- বাক্যটিতে 'তো' অব্যয়টি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্বন্ধ না রেখে একটি বিশেষ ভাব (এখানে প্রশংসা বা জোর) প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।

.
'সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।'- বাক্যটিতে কয়টি ভুল আছে? 
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. ভুল নেই
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যে তিনটি শব্দের বানান ভুল রয়েছে
শব্দগুলো যথাক্রমে - সুনামী, তান্ডব, সর্বশান্ত।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
এদের শুদ্ধ রূপ: সুনামি, তাণ্ডব, সর্বস্বান্ত।
বাক্যটির শুদ্ধ রূপ: সুনামির তাণ্ডবে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছে।

----------------
• সুনামি (বিশেষ্য):
শব্দের উৎস: জাপানি ভাষা।
অর্থ:
- সমুদ্রগর্ভে তীব্র ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎ-পাতের ফলে সমুদ্র উপকূলকে প্লাবিত করে এমন প্রবল বেগে ধেয়ে আসা জলোচ্ছ্বাস,
- বেলোর্মি।

----------------
• তাণ্ডব (বিশেষ্য):
শব্দের উৎস: সংস্কৃত ভাষা।
অর্থ:
- তণ্ডুমুনি-উদ্ভাবিত নৃত্য,
- উদ্যাম নৃত্য,
- শিবের নৃত্য।
আলংকারিক অর্থ: প্রলয়ংকর ব্যাপার।

----------------
• সর্বস্বান্ত (বিশেষণ):
শব্দের উৎস: সংস্কৃত ভাষা।
অর্থ: সব সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে কী বলে?
  1. উপপদ
  2. প্রাতিপদিক
  3. প্রপদ
  4. পূর্বপদ
সঠিক উত্তর:
উপপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপপদ
ব্যাখ্যা
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত পদকে বলা হয় - কৃদন্ত পদ। কৃদন্ত পদের পূর্বের পদকে বলা হয় উপপদ।

অন্যভাবে বলা যায় -
কৃৎ-প্রত্যয়ান্ত শব্দের আগে উপসর্গ ছাড়া অন্য পদ থাকলে তাকে উপপদ বলে। 
যেমন: কুম্ভকার = কুম্ভ + কৃ + অ; এখানে ‘কুম্ভ’ উপপদ।

সুতরাং,
- কৃদন্ত পদের আগে নামপদ যুক্ত হলে থাকে উপপদ বলে।
- আর এই সমাসকে বলা হয় উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
যেমন : ছেলেধরা। এখানে, 'ধরা' কৃদন্ত পদের পূর্বে 'ছেলে' নাম পদ যুক্ত হয়েছে বলে 'ছেলে' শব্দটি উপপদ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
'তোমার নাম কী?'-এখানে 'কী' কোন প্রকারের পদ?
  1. প্রশ্নবাচক
  2. অব্যয়
  3. সর্বনাম
  4. বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম পদ:
বাক্যে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।
যেমন:
- সুন্দর ফুল। 
- বাজে কথা ইত্যাদি।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনামসমূহকে নিম্নলিখিত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা ইত্যাদি।
২. আত্মবাচক সর্বনাম: স্বয়ং, নিজে, খোদ, আপনি।
৩. সামীপ্যবাচক সর্বনাম: এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি ইত্যাদি।
৪. দূরত্ববাচক সর্বনাম: ঐ, ঐসব।
৫. সাকুল্যবাচক সর্বনাম: সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ।
৬. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কি, কী, কোন, কাহার, কার, কিসে? [প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়। যেমন - কী দিয়ে ভাত খায়?]
৭. অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম: কোন, কেহ, কেউ, কিছু।
৮. ব্যতিহারিক সর্বনাম: আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর ইত্যাদি।
৯. সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম: যে, যিনি, যাঁরা, যারা, যাহারা ইত্যাদি।
১০. অন্যাদিবাচক সর্বনাম: অন্য, অপর, পর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১২.
'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?
  1. কুটিল
  2. জটিল
  3. বক্র
  4. গরল 
সঠিক উত্তর:
গরল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরল 
ব্যাখ্যা
• সরল (বিশেষণ):
- এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ঋজু, সোজা, অনাড়ম্বর, অকপট, সহজ।

‘সরল’ শব্দের বিপরীত শব্দ: কুটিল, জটিল, বক্র।

অন্যদিকে,
•  গরল (বিশেষ্য):
- এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: বিষ।
আঞ্চলিক অর্থ: বিষাক্ত ক্ষত বা ঘা।

•‘গরল’ শব্দের বিপরীত শব্দ - অমৃত।

সুতরাং,
'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয় - গরল শব্দটি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
'Rank' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী? 
  1. পদ
  2. পদমর্যাদা
  3. মাত্রা
  4. উচ্চতা
সঠিক উত্তর:
পদমর্যাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদমর্যাদা
ব্যাখ্যা
• 'Rank' এর বাংলা পরিভাষা - পদমর্যাদা।

এছাড়া,
• ‘Post’ এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - পদ।
• ‘Degree’ এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - মাত্রা।
• ‘Height’ এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - উচ্চতা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রশাসনিক পরিভাষা এবং ক্যামব্রিজ ডিকশনারি।
১৪.
'গীতগোবিন্দ' কাব্যের রচয়িতা জয়দেব কার সভাকবি ছিলেন?
  1. শশাঙ্কদেবের 
  2. লক্ষ্মণ সেনের 
  3. যশোবর্মনের 
  4. হর্ষবর্ধনের
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেনের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেনের 
ব্যাখ্যা
জয়দেব:
- জয়দেব (বার’শ শতক) সংস্কৃত ভাষার কবি।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অজয়নদের তীরবর্তী কেন্দুবিল্ব বা কেঁদুলি গ্রামে তাঁর জন্ম। কেউ কেউ তাঁকে মিথিলা বা উড়িষ্যার অধিবাসী বলেও মনে করেন।
- জয়দেব ছিলেন বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম।
- বাঙ্গালি কবি জয়দেবকে - বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত 'গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। 
- ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে 'গীতগোবিন্দম্‌' রচিত। 

- পঞ্চরত্নের অপর চারজন কবি হলেন:
১. গোবর্ধন আচার্য,
২. শরণ,
৩. নধোয়ী ও
৪. উমাপতিধর।
- কারও কারও মতে তিনি কিছুকাল উৎকলরাজেরও সভাপণ্ডিত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়?
  1. ব্রজবুলি
  2. বাংলা
  3. সংস্কৃত
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
ব্রজবুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা
• ব্রজবুলি ভাষা:
- ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। 
- মিথিলার কবি  বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) এই কৃত্রিম ভাষার উদ্ভাবক।
- তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন। 
- এ ভাষায় তিনি রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক বহু পদ রচনা করেন। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি।

- বিদ্যাপতির পদগুলি বাংলায় খুব জনপ্রিয় হয়েছিল; বিশেষত চৈতন্যদেব এই পদ আস্বাদন করায় এর ভাষার প্রতি বাংলার কবিগণ আকৃষ্ট হন।
- ষোল শতকের বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও ছন্দের অনুকরণে রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পদ রচনা করতে শুরু করেন।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বৈষ্ণব কবি এ ভাষায় বহু পদ রচনা করেন। এই ধারা উনিশ শতক পর্যন্ত চলেছিল।
- আধুনিক কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়।

- বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান, আসামে শংকরদেব এবং উড়িষ্যায় রামানন্দ রায়।
- তারা তিনজনই ছিলেন ষোল শতকের কবি। ব্রজবুলির শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ছিলেন - গোবিন্দদাস কবিরাজ (১৬শ-১৭শ শতক)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
  1. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ 
  2. সাবিরিদ খাঁ 
  3. সৈয়দ সুলতান 
  4. সৈয়দ নূরুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নূরুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নূরুদ্দীন
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ নুরুদ্দিন মধ্যযুগের ইসলাম ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন; তিনি যুদ্ধকাব্য রচনা করেননি।

----------------
• ‘জঙ্গনামা’:

- জঙ্গনামা  মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।
- ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। অর্থ্যাৎ ‘জঙ্গনামা’ কাব্যের বিষয় যুদ্ধ-বিগ্রহ।
- বিশেষত  হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে।
- তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।

প্রশ্নে উল্লিখিত কবিদের মধ্যে-
১. দৌলত উজির বাহরাম খান - কারবালার কাহিনি নিয়ে ‘জঙ্গনাম বা মক্তুল হোসেন’ নামে জঙ্গনামা বা যুদ্ধকাব্য রচনা করেছেন। 
২. সাবিরিদ খাঁ - জঙ্গনামা জাতীয় যুদ্ধকাব্য বিষয়ক গ্রন্থ ‘হানিফা- কয়রাপরী’ রচনা করেছেন। 
৩. সৈয়দ সুলতান - ‘জয়কুম রাজার লড়াই’ নামে যুদ্ধবিষয়ক কাহিনীকাব্য রচনা করেছেন। 

অন্যদিকে,
--------------
• সৈয়দ নুরুদ্দিন:
- সৈয়দ নুরুদ্দিন - মধ্যযুগের ইসলাম ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন; তিনি যুদ্ধকাব্য রচনা করেননি।
- সৈয়দ নুরুদ্দিন মধ্যযুগীয় ধর্মসাহিত্যের কবি। চট্টগ্রামের মির্জাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জনৈক পূর্বপুরুষ সৈয়দ হাসান ষোলো শতকে গৌড় থেকে চট্টগ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন।

নুরুদ্দিন মোট চারখানা কাব্য রচনা করেন:
• দাকায়েকুল হেকায়েক: ইমাম গাজ্জালির একই নামের বিশাল আরবি শাস্ত্রকাব্যের ভাবানুবাদ। এতে মৃত্যু, আজরাইল, রুহ, গোর-আজাব, ইস্রাফিল, কাফন, সাদকা ইত্যাদি সম্পর্কিত ২২টি ‘বাব’ বা অধ্যায় আছে।

• রাহাতুল কুলব বা কেয়ামতনামা: কুরআন, হাদীস ও তাফসির থেকে বিষয় নিয়ে রচিত গ্রন্থ।

• বুরহানুল আরেফিন: হিতোপদেশ সুফিতত্ত্বের কাব্য।

• মুসার সওয়াল: প্রশ্নোত্তরমূলক ক্ষুদ্র কাব্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৭.
কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাব্যগ্রন্থ?
  1. রসুল বিজয়
  2. মক্কা বিজয় 
  3. রসুলচরিত
  4. মক্কানামা 
সঠিক উত্তর:
রসুল বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রসুল বিজয়
ব্যাখ্যা
• 'রসুল বিজয়' কাহিনীকাব্য:
- 'রসুল বিজয়' জৈনুদ্দীন রচিত যুদ্ধবিষয়ক একটি কাহিনীকাব্য।
- এতে  হযরত মুহাম্মদ (স.) ও ইরাকাধিপতি জয়কুমের মধ্যেকার দীর্ঘযুদ্ধের বর্ণনা আছে। যুদ্ধে ইসলামের বিজয় দেখানো হয়েছে।
- কাব্যটিতে রসুলের মধুর বাণী আছে বটে, কিন্তু যুদ্ধের ঘনঘটা ও শৌর্যবীর্যের যে ব্যাপক বর্ণনা আছে, তাতে কবিত্বের পরিচয় আছে কমই।
- কাব্যের উৎস ফারসি সাহিত্য হলেও কবি কোন কাব্য অনুসরণ করেছেন তা জানা যায় না।
- একই সময়ে সুলতান বারবক শাহের রাজত্বকালে (১৪৫৯-৭৪) মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেন।
- রসুলবিজয় ও শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যদ্বয় ওই সময়ে সমান গুরুত্বের সঙ্গে যথাক্রমে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেছে বলে মনে করা হয়।

----------------
• জৈনুদ্দীন:

- জৈনুদ্দীন (১৫শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
- তাঁর পিতার নাম মৈনুদ্দীন। তাঁরা নিজেদের খলিফা আবুবকর সিদ্দিকীর বংশধর বলে দাবি করেন।
- রসুলবিজয় কাব্য রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।
- জৈনুদ্দীন ছিলেন সুফি ধারার অনুসারী; শাহ্ মোহাম্মদ খান ছিলেন তাঁর পীর।
- কবির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গৌড়ের যুবরাজ ইছপ খান (ইউসুফ খান), যিনি পরে শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ (১৪৭৪-৮২) নামে গৌড়ের সুলতান হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু'- এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
  1. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত "নীলকর" নামক বিখ্যাত কবিতায় মহারানী ভিক্টোরিয়াকে সম্বোধন করে বলেছেন: 

"তুমি মা কল্পতরু আমরা সব পোষা গরু
শিখিনি শিং বাঁকানো
কেবল খাবো খোল বিচিলি ঘাষ॥ ...
আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব 
ঘুষি খেলে বাঁচব না।"

----------------
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধে একমাত্র কবি যার কবিতা ছিল হালকা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের ভরা। তাঁর কবিতায় কল্পনার স্থানও ছিল না।
- তিনি ছিলেন আধুনিককালের মানুষ কিন্তু তিনি আধুনিকতাকে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি।
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

এছাড়াও তিনি আরও কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করেন
- সংবাদ রত্নাবলী,
- পাষণ্ডপীড়ণ,
- সংবাদ সাধুরঞ্জন ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া, ঈশ্বর গুপ্ত রচনাবলী-ড.  শ্রীশান্তিকুমার দাশগুপ্ত। 
১৯.
মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্থের উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ?
  1. গো-জীবন 
  2. ইসলামের জয়
  3. এর উপায় কী
  4. বসন্তকুমারী নাটক
সঠিক উত্তর:
গো-জীবন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গো-জীবন 
ব্যাখ্যা
• ‘গো জীবন’ গ্রন্থের উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ। 

• ‘গো জীবন’ প্রবন্ধ:

- ‘গো জীবন’ (১৮৮৯) মীর মশাররফ হোসেনের একটি প্রবন্ধ পুস্তিকা।
- প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য হলো, কৃষি নির্ভর অর্থনীতিতে যে কোন কারণেই হোক গো হত্যা অনুচিত।
- হিন্দু ও মুসলমান এই দুই ধর্মালম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করার মানসেই মীর মশাররফ হোসেন এ প্রবন্ধ রচনা করেন।
- এ গ্রন্থের জন্য লেখককে মামলাতে জড়িয়ে পরতে হয়।
- অবশেষে মৌলবাদীদের প্রবল চাপের মুখে তিনি প্রবন্ধটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।

---------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসোপম রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন? 
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।
- তার রচিত প্রথম ছোট গল্প - ভিখারিনী।

- ‘ভারতী’ পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় - রবীন্দ্রনাথের ভিখারিণী গল্পটি। 
- এখন পর্যন্ত যতদূর জানা যায়, এটিই তাঁর লেখা প্রথম গল্প, যা কোনো সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ নিজে তাঁর কোনো গ্রন্থে অবশ্য এ গল্পটিকে স্থান দেননি।
- রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের সংকলনের নাম - গল্পগুচ্ছ।

--------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চারটি অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ
- নিশীতে
- মণিহার
- কঙ্কাল

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার
- শেষকথা
- ল্যাবরেটরি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: 
- দেনাপাওনা
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ
- অনধিকার প্রবেশ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘ভিখারিণী’ ছোটগল্প- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২১.
নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
  1. ইছামতি
  2. মেঘমল্লার
  3. মৌরিফুল
  4. যাত্রাবদল
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
ব্যাখ্যা
• 'ইছামতী' উপন্যাস:
- ‘ইছামতী’ ১৯৫০ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি লেখকের শেষ উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের জন্য তিনি 'রবীন্দ্র পুরস্কার' লাভ করেন।
- ইছামতি নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভবানী বাঁড়ুয্যে কিংবা তার পুত্রত্রয় তিলু, বিলু, নীলু।
• ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য ১৯৫১ সালে বিভূতিভূষণ মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র-পুরস্কার’ লাভ করেন।


-------------------------
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

তাঁর সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

• ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
  2. জসীম উদ্‌দীনকে
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
ব্যাখ্যা
• জীবন ও বৃক্ষ:
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত 'সংস্কৃতি কথা' শীর্ষক গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।
- এ প্রবন্ধে তিনি জীবনের সার্থকতা বৃক্ষের মাঝে খুজেছেন।

'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে লিখেছেন:
‘অবশ্য রবীন্দ্রনাথ অন্য কথা বলেছেন। ফুলের ফোটা আর নদীর গতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। তাঁর মতে মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধি হয়, ফুলের ফোটায় নয়। ফুলের ফোটা সহজ, নদীর গতি সহজ নয়। তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। কিন্তু ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকালে বোধ হয় রবীন্দ্রনাথ ভালো করতেন। তপোবন-প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ কেন যে তা করলেন না বোঝা মুশকিল।’

-
-------------------
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী:
- শিক্ষাবিদ, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে।
- মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ‘সংস্কৃতি কথা’ তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী ও মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিশেষ খ্যাতি আছে।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- সংস্কৃতি কথা,
- সুখ (বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের  ভাবানুবাদ।)
- সভ্যতা (ক্লাইভ বেল-এর Civiliszation গ্রন্থের ভাবানুবাদ)।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- আমাদের দৈন্য,
- আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী,
- মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'জীবন ও বৃক্ষ' গ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।
২৩.
'আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস।'- এখানে 'ওর' বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?  
  1. শেখ নাসেরকে
  2. শেখ কামালকে
  3. শেখ হাসিনাকে
  4. শেখ রেহেনাকে
সঠিক উত্তর:
শেখ কামালকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ কামালকে
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২) গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী ও সহধর্মিণীর অনুরোধে তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন।
- এখানে জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা, গভীর উপলব্ধি ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ তিনি সহজ সরল ভাষায় প্রকাশ করেছেন।
- তাঁর এই রচনায় তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অপশাসন, বিনাবিচারে বছরের পর বছর রাজবন্দিদের কারাগারে আটক রাখা, ১৯৫২ সালের জেলজীবন ও জেল থেকে মুক্তি লাভের স্মৃতি বিবৃত হয়েছে।

- 'আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস।'- এখানে 'ওর' বলতে শেখ মুজিবুর রহমান ‘শেখ কামালকে’ বুঝিয়েছেন।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফরিদপুরের জেলখানায় অনশনরত অবস্থায় আটক ছিলেন। 
- ২৭ তারিখে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির আদেশ জেলখানায় পৌঁছালো। 
- প্রায় ২৭/২৮ মাস পর তিনি ফিরে এলেন তাঁর পরিবারের কাছে। 
- পরিবার বলতে এখানে তাঁর বাবা-মা ছাড়াও ছিল তাঁর স্ত্রী রেণু ও দুই সন্তান— হাসিনা ও কামাল। 
- শেখ কামালের সাথে অনেক দিন পর দেখা হওয়ার পর তাকে কেন্দ্র করে যে ঘটনাটি ঘটেছিল তাঁর উল্লেখ করতেই শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত উক্তিটি লিখেছেন। 

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অংশবিশেষ: 
একদিন সকালে আমি ও রেণু বিছানায় বসে গল্প করছিলাম। হাচু ও কামাল নিচে খেলছিল। হাচু মাঝে মাঝে খেলা ফেলে আমার কাছে আসে আর ‘আব্বা’ ‘আব্বা' বলে ডাকে। কামাল চেয়ে থাকে। একসময় কামাল হাচিনাকে বলছে, “হাচু আপা, হাচু আপা, তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি।” আমি আর রেণু দুজনেই শুনলাম। আস্তে আস্তে বিছানা থেকে উঠে যেয়ে ওকে কোলে নিয়ে বললাম, “আমি তো তোমারও আব্বা।” কামাল আমার কাছে আসতে চাইত না। আজ গলা ধরে পড়ে রইল। বুঝতে পারলাম, এখন আর ও সহ্য করতে পারছে না। নিজের ছেলেও অনেক দিন না দেখলে ভুলে যায়!

আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস। রাজনৈতিক কারণে একজনকে বিনা বিচারে বন্দি করে রাখা আর তার আত্মীয়স্বজন ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে দূরে রাখা যে কত বড় জঘন্য কাজ তা কে বুঝবে? মানুষ স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়। আজ দুইশত বৎসর পরে আমরা স্বাধীন হয়েছি। সামান্য হলেও কিছু আন্দোলনও করেছি স্বাধীনতার জন্য। ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, আজ আমাকে ও আমার সহকর্মীদের বছরের পর বছর জেল খাটতে হচ্ছে। আরও কতকাল খাটতে হয়, কেইবা জানে? একেই কি বলে স্বাধীনতা? ভয় আমি পাই না, আর মনও শক্ত হয়েছে।

উৎস: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ - শেখ মুজিবুর রহমান।
২৪.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. গাইবান্ধায়
  2. বগুড়ায়
  3. ঢাকায়
  4. সিরাজগঞ্জে 
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধায়
ব্যাখ্যা
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। 
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া শহরের নিকটবর্তী চেলোপাড়ায়।
• তিনি কথাসাহিত্যিক হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 
- বিশেষত, তাঁর রচনাশৈলীর ক্ষেত্রে যে স্বকীয় বর্ণনারীতি ও সংলাপে কথ্যভাষার ব্যবহার লক্ষণীয় তা সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে অনন্যসাধারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো: 
- অন্যঘরে অন্যস্বর, 
- দোজখের ওম, 
-  খোয়াবনামা,
- সংস্কৃতির ভাঙা সেতু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শামসুর রাহমান
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• শামসুর রাহমান:
- ১৯২৯ সালের  ২৪শে অক্টোবর মাতুতালয় ঢাকার মাহুতটুলিতে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- আঠারো বছর বয়সে শামসুর রাহমান প্রথম কবিতা লেখা আরম্ভ করেন।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘উনিশ শ’উনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে ১৩জন তরুণ কবির কবিতার সঙ্কলন, নতুন কবিতা-য় তাঁর পাঁচটি কবিতাতাঁর কবি পরিচয়কে সুধী মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ:
- রৌদ্র করোটিতে
- বিধ্বস্ত নীলিমা
- বন্দী শিবির থেকে
- অন্ধকার থেকে আলোয়
- হরিণের হাড়
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- অবিরল জলাভূমি। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অক্টোপাস
- নিয়ত মন্তাজ
- এলো সে অবেলায়
- অদ্ভুত আঁধার এক

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
'দুর্দিনের দিনলিপি' স্মৃতিগ্ৰন্থটি কার লেখা?
  1. আবুল ফজল
  2. আবদুল কাদির
  3. জাহানারা ইমাম
  4. মুশতারি শফী 
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
• 'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থটির রচয়িতা- আবুল ফজল।
- “দুর্দিনের দিনলিপি” - ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তার মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের রোজনামচা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন করেন এবং সে সময় তিনি এই ডায়রি লিখেন। 

----------------
• আবুল ফজল:
- ১৯০৩ সালে চট্টগ্রাম জেলায় তাঁর জন্ম। 
- তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কর্ণধার হিসেবে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন গড়ে তোলেন। 
- এ আন্দোলনের মুখপত্র শিখা পত্রিকা।
- ‘রেখাচিত্র’ আবুল ফজল রচিত একটি দিনিলিপি। 
- আবুল ফজল  উপন্যাস,  ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- মাটির পৃথিবী, 
- বিচিত্র কথা, 
- রাঙ্গা প্রভাত,
- রেখাচিত্র, 
- দুর্দিনের দিনলিপি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৭.
He does not adhere __ any principle.
  1. by
  2. in
  3. at
  4. to
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to
Complete Sentence: He does not adhere to any principle.
Bangla Meaning: সে কোনো নীতির প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ নয়।

• Adhere to:

English Meaning: to follow, abide by, or stick to something, such as a principle or rule.
Bangla meaning: দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা, সেঁটে থাকা; বিশ্বস্ত/ অনুগত/ অবিচল থাকা; বিচ্যুত না-হওয়া; দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা।

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Adhere এর সাথে 'দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা' অর্থ বুঝাতে to বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে to বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে to বসবে।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
২৮.
Millennium is a period of –
  1. 100 year
  2. 1000 year
  3. 1 million year
  4. 1 billion year
সঠিক উত্তর:
1000 year
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000 year
ব্যাখ্যা
• Millennium is a period of – 1000 year.

• Millennium (noun)

English Meaning: a period of 1,000 years, or the time when a period of 1,000 years ends.
Bangla Meaning: সহস্রাব্দ; বর্ষসহস্রক।

Example Sentence: In 2015 the city of Leipzig, Germany, celebrated its millennium.
Bangla Meaning: ২০১৫ সালে, জার্মানির লিপজিগ শহর তার সহস্রাব্দ উদযাপন করেছিল।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
Identify the passive form of the following sentence: "Who has broken this Jug?"
  1. By whom has this Jug been broken?
  2. By whom has this Jug broken?
  3. By whom this Jug has been broken?
  4. Whom has this Jug been broken?
সঠিক উত্তর:
By whom has this Jug been broken?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom has this Jug been broken?
ব্যাখ্যা
• Who দ্বারা শুরু হওয়া বাক্যের ক্ষেত্রে passive voice এর শুরুতে By whom, তারপর একটি auxiliary verb এবং sentence এর subject বসে।
- Auxiliary verb টি subject এর number ও person অনুযায়ী হয়। 
- Interrogative বাক্যের passive voice interrogative বাক্যই হয়।

• উপরোক্ত শর্তের আলোকে,
- By whom has this jug been broken?" বাক্যটি কেবলমাত্র passive voice structure অনসুরণ করছে এবং tense অনুযায়ী সঠিক অর্থ প্রদান করছে।
- সুতরাং সঠিক Passive বাক্যটি হবে, By whom has this Jug been broken? 

Source: 
1. Advanced Learner's Communicative English by Chowdhury & Hossain. 
2. Applied English Grammar & Composition by P.C. Das.
৩০.
Which of the following novels was written by George Orwell?
  1. 1984
  2. Brave New World
  3. A Clockwork Orange
  4. For Whom the Bell Tolls
সঠিক উত্তর:
1984
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1984
ব্যাখ্যা
• Of the following - George Orwell রচিত উপন্যাসটি হচ্ছে 1984.

• Nineteen Eighty-Four (also published as 1984):
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কাহিনী গড়ে উঠেছে Oceania নামক রাষ্ট্রে যেটি একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র।
- সরকার জনগণের ব্রেইনওয়াশ করে এবং বিন্দুমাত্র সমালোচনাও না করতে উৎসাহ দেয়।
- মুক্তচিন্তা এবং বাক স্বাধীনতা বলে কিছু ছিলো না সেই রাষ্ট্রে।
- সরকার দলের স্লোগান ছিল: “War is peace,” “Freedom is slavery,” and “Ignorance is strength.”
- কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম: Winston Smith যাকে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিহাস কিংবা বিকৃত ইতিহাস লেখার দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে সে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে - ব্রত হয় এবং এক পর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
- এর আগে, সে Julia নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে। পাশাপাশি তারা গোপনে সরকার বিরোধী বিভিন্ন দলের সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। যদিও তাদের অগোচরে তাদেরকে সরকারী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।
- এরপর Thought Criminal হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।
• Important terms: Newspeak, Big Brother, Thought Police.

• George Orwell:
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন। Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।

• Famous Works:
Novels:
- Animal Farm (1945 – a fairy story)
- Nineteen Eighty-Four
- Burmese Days
- Coming up for Air.

Story/Essay:
- Shooting an Elephant
- A Hanging.

• অন্য্যদিকে, 
খ) Brave New World
- এই বইটি  Modern writer Aldous Huxley এর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা একটি দুঃস্বপ্নময় ভবিষ্যতের সমাজের বর্ণনা দেয়।

গ) A Clockwork Orange
এই বইটি Anthony Burgess এর লেখা একটি কাল্পনিক উপন্যাস যা মানব প্রকৃতি, অপরাধ, এবং রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা করে।

ঘ) For Whom the Bell Tolls
- এই বইটি Ernest Hemingway এর লেখা একটি উপন্যাস, যা স্পেনের গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে একজন আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবী সৈনিকের কাহিনী বর্ণনা করে।
- এছাড়াও, For Whom the Bell Tolls শিরোনামে Metaphysical poet John Donne এর একটি কবিতা রয়েছে। 

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩১.
Identify the correct sentence:
  1. She speaks English like English
  2. She speaks the English like English
  3. She speaks the English like the English
  4. She speaks English like the English
সঠিক উত্তর:
She speaks English like the English
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She speaks English like the English
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী, 
- ভাষার নামের পুর্বে কোনো article ব্যবহৃত হয় না এবং
- যেকোনো জাতির নামের পুর্বে article হিসাবে the বসাতে হয়।

• অপশনে প্রদত্ত চারটি বাক্যের মধ্যে,
- She speaks English like the English," is the most appropriate and grammatically correct choice.
- যেহেতু প্রশ্নে, She speaks English দ্বারা ভাষা বোঝানো হয়েছে তাই এর পূর্বে কোনো article বসবে না। 
- like __ English দ্বারা ইংরেজদের মত অর্থাৎ জাতিকে নির্দেশ করা হয়েছে তাই এর পূর্বে the বসবে।

• এছাড়া, অন্য বাক্য গুলো Article এর নিয়মানুযায়ী অশুদ্ধ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: She speaks English like the English.
- বাংলা অর্থ: সে ইংরেজদের মতো করেই ইংরেজি বলে।
৩২.
This could have worked if I _______ been more far-sighted.
  1. have
  2. had
  3. might
  4. would
সঠিক উত্তর:
had
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - had.
- Complete sentence: This could have worked if I had been more far-sighted. 
- বাংলা অর্থ: এটি কাজ করতে পারত যদি আমি আরও দূরদর্শী হতাম।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে বক্তা মূলত: এমন একটি পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিক করেন যেটা দ্বারা বোঝায়, কোন কাজে প্রত্যাশিত ফলাফল আসতো যদি তারা আরো দূরদর্শী হতেন।

প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি third conditional এ আছে।
• Third conditional sentence এর ক্ষেত্রে
- if-clause টি তে past perfect (had + past participle) tense ব্যবহৃত হয় এবং main clause টি তে modal auxiliary (would, could, should, etc.) + have + past participle ব্যবহৃত হয়।
- Main clause এ could/might have+PP of verb হলে, if clause এ had+PP of verb হবে।
৩৩.
What may be considered courteous in one culture may be arrogant in another. Here the underlined word, ''arrogant'' means—
  1. rude
  2. gracious
  3. coarse
  4. pretentious
সঠিক উত্তর:
rude
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rude
ব্যাখ্যা
• What may be considered ''courteous'' in one culture may be arrogant in another.
- প্রদত্ত বাক্যে বলা হচ্ছে, যেটি এক সংস্কৃতিতে বিনয় বা সৌজন্য প্রকাশক অন্য সংস্কৃতিতে সেটি অহমিকা বা অহংকারের অর্থ প্রদান করে। অন্যভাবে বলা যায়, এক দেশের গালি অন্য দেশের বুলি।

• এখানে, arrogant (adjective) শব্দটি দ্বারা মূলত: বোঝাচ্ছে উদ্ধত, অসম্মানজনক বা অভদ্রোচিত আচরণ। 
- অপশনে প্রদত্ত চারটি শব্দের মধ্যে, কেবলমাত্র rude (adjective) - 'কোনো ব্যক্তি এবং তার বাক্য ও আচরণ অভদ্র; অমার্জিত; রূঢ়, ইত্যাদি' দ্বারাই এই অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে। 

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
খ) gracious (adjective) [noun] [Uncountable noun]
- (ব্যক্তি ও ব্যক্তিগত আচরণ) সদয়; উদার; ভদ্র; সৌজন্যময়।

গ) coarse (adjective)
- মোটা; অসূক্ষ্ম; (খাদ্য) সাধারণ; নিকৃষ্টমানের; বাজে;  অমার্জিত; অনিষ্ট।

ঘ) Pretentious (adjective)
- (noun), (adjective) (যৌক্তিকতা ছাড়া) বিরাট কৃতিত্ব বা গুরুত্বের দাবিদার; আত্মাভিমানী; আত্মাভিমানপূর্ণ; সদম্ভ; আত্মশ্লাঘা।

• এখা‌নে, ২‌টি বিষয় লক্ষ্য রাখ‌তে হ‌বে,
১) courteous এর Antonymous হ‌তে হ‌বে।
২) arrogant এর synonymous হ‌তে হ‌বে। এ হি‌সে‌বে Rude  টাই preferable. Coarse টা Courteous এর antonym হ‌লেও arrogant এর সমার্থক নয়।
- সুতরাং, অধিকতর উপযুক্ত বিবেচনায়, এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে Rude কে বেছে নেয়া হয়েছে। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
Don Juan was composed by—
  1. W.B. Yeats
  2. E.B. Browning
  3. George Gordon Byron
  4. Alexander Pope
সঠিক উত্তর:
George Gordon Byron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Gordon Byron
ব্যাখ্যা
• Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে  a satire in the form of a picaresque verse tale. 
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা হয়েছে।
- তবে কবিতার প্রধান চরিত্রটির নাম একজন স্প্যানীশ কিংবদন্তির নাম থেকে থেকে নেয়া হয়েছে তবে কাহিনী সম্পুর্ন আলাদা।
- Don Juan কে এখানে চিত্রায়িত করা হয়েছে womanizer এবং easily seduced by women হিসেবে।
-কবিতাটি প্রায় পাঁচ হাজার লাইন বিশিষ্ট। 

• Several quotes from the poem Don Juan by Lord Byron - (Oxford References)
- "Sweet is revenge—especially to women."
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."
- "Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence."

• এই কবিতার গুরুত্বপুর্ন চরিত্র সমুহ - 
- Don Juan,
- Donna Inez,
- Donna Julia,
- Don Alfonso, etc.

• Lord Byron:
- তিনি একজন British poet.
-  তার পুরো নাম George Gordon Byron.
-  তিনি একজন Romantic poet এবং satirist যার poetry ও personality Europe এর image কে ধারণ করে।

• His Best Works:
- Beppo,
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- English Bards and Scotch Reviewers,
- Giaour,
- Hours of Idleness,
- Lara,
- Manfred,
- Sardanapalus,
- The Bride of Abydos,
- The Corsair,
- The Prisoner of Chillon,
- The Two Foscar, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৫.
''Black Death'' is the name of a—
  1. fever
  2. black fever
  3. plague pandemic
  4. death of black people
সঠিক উত্তর:
plague pandemic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plague pandemic
ব্যাখ্যা
• Black Death:
- A disease that killed an extremely large number of people in Europe and Asia in the 14th century, usually thought to be a form of bubonic plague, a very infectious disease caused by bacteria spread mainly by fleas (=small insects that bite) on rats or other animals, that causes swelling, fever, and usually death in humans. 

• অর্থাৎ, ব্ল্যাক ডেথ বলা হয় মধ্যযুগে ইউরোপের মহামারি প্লেগ রোগকে। এটি পশ্চিম ইউরোপে ১৩৪৬ সালে শুরু হয়।
- ইংল্যান্ডে এর প্রকোপ শুরু হয় ১৩৪৮ সালে। ১৩৫০ দশকের শুরুর দিক পর্যন্ত প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে চলতে থাকে এই ভয়াবহ মহামারি।
- এটি মূলত বুবোনিক প্লেগ নামে পরিচিত, যা Yersinia pestis ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট এবং ইঁদুর বা অন্যান্য প্রাণীর উপরে থাকা মাছির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- এতে ইউরোপের প্রায় ৩০-৬০ শতাংশ জনগণ মারা যায়। ইতিহাসে যত মহামারি হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যাওয়ার রেকর্ড এই ব্ল্যাক ডেথের জন্যই।
- এই মহামারীটি মধ্যযুগীয় ইউরোপের সমাজ, অর্থনীতি এবং সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল, যা পরবর্তী শতাব্দীগুলোর ইতিহাসকে প্রভাবিত করেছে।

• সুতরাং, দেখা যাচ্ছে, ’Black Death’ মূলত: প্লেগ মহামারির সাথে সম্পৃক্ত। এটিই সঠিক উত্তর। 

Source: Britannica.com & Cambridge Dictionary.
৩৬.
'Ulysses' is a poem written by—
  1. Robert Browning
  2. Wordsworth
  3. S.T. Coleridge
  4. Alfred Tennyson
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা
• The poem, "Ulysses" is written by Alfred Tennyson is written in blank-verse.
- কবিতাটি ১৮৩৩ সালে লেখা এবং was  published in the two-volume collection Poems (1842).
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

Summary:
- কবিতায় 'Ulysses' নামক একজন কিংবদন্তির গল্প তুলে ধরা হয়েছে। তিনি দীর্ঘ ২০ বছর পর বাড়ি ফিরে এসেছেন এবং তার পুরানো জীবনকে বিদায় জানিয়ে নতুন যাত্রার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত হচ্ছেন। এই কবিতার মাধ্যমে, কবি Ulysses এর অভ্যন্তরীণ যাত্রা এবং তার অদম্য জীবনযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। কবিতাটিতে,Ulysses নিজের অতীতের সাহসিকতা এবং অভিযানের কথা স্মরণ করে এবং চায় যে, জীবনের শেষ মুহূর্তে তাকে আরও একবার নতুন অভিযানে বের হতে হবে। সে মনে করে যে, জীবনের উদ্দেশ্য কেবল বৃদ্ধ বয়সে বিশ্রাম নেওয়া নয়, বরং চ্যালেঞ্জ গ্রহণ এবং নতুন কিছু অনুসন্ধান করা। কবিতাটি মানবদেহের সীমানা এবং চিরকালীন চাওয়ার প্রতীক।

• কবিতায়, Ulysses তার বৃদ্ধ বয়সের মধ্যেও তার জীবনের উদ্দেশ্য ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে। অতীতের সাহসিকতার স্মৃতি তাকে জীবনের প্রতি আগ্রহী রাখে, এবং সে চায় নতুন এক অভিযানে বের হতে। সে মনে করে, জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ নতুন কিছু অনুসন্ধান করা এবং বিশ্রাম নেওয়া তাকে বেঁধে রাখতে পারে না।

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
- “Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield”
- "I will never rest from travels
I will drink life to the lees."

• Lord Alfred Tennyson (1809-1892):
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।

• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- Crossing the Bar,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Tithonus,
- Ulysses,
- Break, Break, Break,
- Mariana,
- The Kraken,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- Oenone,
- Poems, Chiefly Lyrical,
- Locksley Hall,
- Idylls of the King,
- The Two Voices,
- Enoch Arden,
- Sir Galahad,
- The Higher Pantheism,
- A Dream of Fair Women,
- Mariana in the South,
- St. Simeon Stylites,
- Godiva,
- The Princess,
- Lady Clara Vere de Vere, etc.

• Famous Comedies:
- Queen Marry,
- The Falcon, etc.

• উল্লেখ্য যে, Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.

Source: An ABC of English Literature by Mofizar Rahman and Britannica.
৩৭.
'Clym Yeobright' is the protagonist of the novel—
  1. David Copperfield
  2. Adam Bede
  3. A Passage to India
  4. The Return of the Native
সঠিক উত্তর:
The Return of the Native
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Return of the Native
ব্যাখ্যা
• 'Clym Yeobright' is a protagonist of Thomas Hardy's - The Return of the Native.

• The Return of the Native:
- Victorian যুগের ঔপন্যাসিক Thomas Hardy রচিত বহুল পঠিত একটি উপন্যাস।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Clym Yeobright যে প্যারীসে স্বর্ণকারের পেশা ছেড়ে নিজ ভূমি Wessex এ ফিরে আসে এবং স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে।
- তার কাজিন Thomasin ও তার স্বামীকে নিয়ে গ্রামেই বসবাস করতে চায় ।
- কিন্তু Clym Yeobright এর স্ত্রী এবং Thomasin এর স্বামী শহুরে জীবনের উত্তেজনা ভোগ করতে চায়।
- অত:পর তারা দুইজনে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

• Characters:
- Eustacia Vye,
- Mrs. Yeobright,
- Diggory Venn,
- Damon Wildeve,
- Thomasin Yeobright,
- Captain Vye,
- Clym Yeobright,
- Susan Nunsuch, etc.

Thomas Hardy:
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি।
- একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- এছাড়াও, তাকে Pessimistic Novelist হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে।
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত। এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

• অন্যদিকে, 
ক) David Copperfield - এটি Charles Dickens এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র হল David Copperfield.
খ) Adam Bede - এটি George Eliot এর একটি উপন্যাস, যেখানে প্রধান চরিত্র হল Adam Bede.
গ) A Passage to India - এটি E.M. Forster রচিত উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র হল Dr. Aziz এবং Adela Quested.

Source: Britannica.com
৩৮.
The train is running ______ forty miles an hour.
  1. on
  2. to
  3. at
  4. for
সঠিক উত্তর:
at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at
ব্যাখ্যা
• সাধারণত, preposition "at" নির্দিষ্ট দূরত্ব বা কোন measurements  বোঝাতে, ব্যবহৃত হয়। 
- প্রদত্ত বাক্যে The train is running_____  forty miles an hour. ট্রেন কত স্পীডে যাচ্ছে সেটি বোঝানো হচ্ছে। 
- অতএব পুরো বাক্যটি এমন হবে -The train is running at forty miles an hour.
- বাংলা অর্থ: ট্রেনটি ঘণ্টায় চল্লিশ মাইল গতিতে চলছে।
---------------------
আরো কিছু উদাহরণ - 
- The car is traveling at 60 kilometers per hour.
- She types at 80 words per minute.
- The temperature is currently at 25 degrees Celsius.
In each of these cases, "at" is used to specify the particular measurement or rate associated with the subject.

Source: Cambridge University grammar reference.
৩৯.
He divided the money ______ the two children.
  1. between
  2. over
  3. among
  4. in between
সঠিক উত্তর:
between
উত্তর
সঠিক উত্তর:
between
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর- between.
- Complete Sentence: He divided the money between the two children.
- Bangla Meaning: তিনি টাকা দুটি শিশুর মধ্যে ভাগ করে দিলেন।

• যখন দুয়ের মাঝে বুঝাবে তখন between হয়।
-  আবার দুয়ের অধিক বুঝালে among হয়ে থাকে। 
- প্রশ্নে দুইজন শিশুর মাঝে চকলেট ভাগ করে দেওয়ার কথা বুঝানো হয়েছে।
- তাই between বসেছে।

• between এর আরো কিছু ব্যবহার: 
1: in the space that separates (two things or people).
- যেমন: The ball rolled between the desk and the wall.

2: in the time that separates (two actions, events, etc.)
- যেমন:  If you want to lose weight, you shouldn't eat between meals.

3: in shares to each of (two or more people)
- যেমন: He divided the money between the two boys.

4. কোনো বাক্য দ্বারা sharing/deviding বুঝালে  এবং share/devide এরপরে  a series of singular noun থাকলে এই noun গুলোর পূর্বে between ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: The manager shared the responsibilities between Tom, Sarah, and Lisa.

• The word "between" is a preposition that is commonly used to indicate a relationship or division involving two or more entities or groups. Here are some common uses of "between" in different contexts.

Source: Cambridge University grammar reference.
৪০.
No one can______ that he is clever.
  1. defy
  2. deny
  3. admire
  4. denounce
সঠিক উত্তর:
deny
উত্তর
সঠিক উত্তর:
deny
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক হবে - deny.
- Complete sentence: No one can deny that he is clever.
- Bangla Meaning: কেউই অস্বীকার করতে পারে না যে সে চতুর।
- Deny শব্দের অর্থ- অস্বীকার করা।

অন্যান্য অপশন:
• Defy - প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা; যুদ্ধার্থে আহবান করা; স্পর্ধা দেখানো।
• Admire - মুগ্ধদৃষ্টিতে তাকানো; বিস্ময়বিমুগ্ধ হওয়া; শ্রদ্ধা করা।
• Denounce -জনসম্মুখে অভিযুক্ত করা।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪১.
Choose the right form of verb:
The boy (to lie) on the floor yesterday.
  1. lies
  2. lied
  3. lay
  4. layed
সঠিক উত্তর:
lay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lay
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত বাক্যের শেষে 'yesterday' রয়েছে। 
- তাই পুরো বাক্যটি past tense এ হবে। 

• Lie (verb intransitive):
- শয়ন করা; শোয়া। 
- এর past form হচ্ছে Lay. 

- Complete Sentence: The boy lay on the floor yesterday.
- Bangla Meaning: ছেলেটি গতকাল মেঝেতে শুয়ে ছিল।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪২.
Antonym for Adieu__________.
  1. Farewell
  2. Good bye
  3. Hello
  4. Valediction
সঠিক উত্তর:
Hello
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hello
ব্যাখ্যা
• "Adieu"
- শব্দটি মূলত: একটি ফরাসি শব্দ যার অর্থ: "goodbye" or "farewell."
- It is used to bid someone farewell or to express goodbye in a more formal or permanent sense.

• অপশনে প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে, 
- Adieu শব্দটির উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ হলো, ’Hello‘ ,
- এটি দ্বারা মূলত: কাউকে স্বাগত জানানো হয় বা অভ্যর্থনা জানানো হয়। 

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) farewell - বিদায়।
খ) good bye - বিদায়; সম্ভাষণ; বিদায় বলা।
ঘ) valediction - বিদায়সম্ভাষণ।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৩.
'Walk fast lest you should miss the train'. This is a—
  1. Simple sentence
  2. Compound sentence
  3. Complex sentence
  4. Interrogative sentence
সঠিক উত্তর:
Complex sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Complex sentence
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত 'Walk fast lest you should miss the train'. বাক্যটি মূলত একটি জটিল বাক্য বা Complex sentence. 

• আমরা জানি,
- Complex sentence এ দুটো clause থাকে, একটি independent clause অপরটি dependent clause. 
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, lest,  though,  although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

• ’’Walk fast lest you should miss the train’’ প্রদত্ত বাক্যটিতে,
-  "Walk fast" is an imperative clause, which functions as a command or instruction. It is the main clause of the sentence.
- "lest you should miss the train" is a subordinate clause introduced by the conjunction "lest."
- The sentence as a whole conveys a warning or advice to walk quickly in order to avoid missing the train.

Source: Cliff's TOEFL, A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hossain.
৪৪.
A number of singers in a church is called—
  1. Choir
  2. Cast
  3. Claque
  4. Clump
সঠিক উত্তর:
Choir
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Choir
ব্যাখ্যা
• Choir (noun):
- English meaning: a group of people who sing together, for example in church services or public performances
- Bengali meaning: বিশেষত গির্জার ঐকতানবদ্ধ ধর্মসংগীতে নেতৃত্বদানকারী গায়কবৃন্দ।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) Cast (verb)
English Meaning: An act of throwing something forcefully.
Bangla Meaning: নিক্ষেপ করা, ছোড়া, পড়তে দেওয়া।

গ) Claque (noun)
English Meaning:  a group of sycophantic followers;a group of people hired to applaud (or heckle) a performer or public speaker.
Bangla Meaning: ভাড়াটে প্রশংসাকারীর দল।

ঘ) Clump (noun)
English Meaning: A small group of trees.
Bangla Meaning: ছোট গুচ্ছ; ঝাড় (বৃক্ষাদির)।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৫.
Put the right word in the blank.
''He reached the_________of his literary career.''
  1. abattoir
  2. acme
  3. admonish
  4. abdicate
সঠিক উত্তর:
acme
উত্তর
সঠিক উত্তর:
acme
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - acme.
- Complete sentence: He reached the acme of his literary career.
- প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ হচ্ছে সে তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ শিখরে উপনীত হয়েছে।
 
• Acme:
- English meaning: the highest stage of development or the most excellent example of something.
- Bengali meaning:  শীর্ষ; চূড়া; উন্নতির সর্বোচ্চ শিখর; পরোৎকর্ষ: the acme of one’s career.

• অন্যদিকে, 
• abattoir -  কসাইখানা।
• admonish - মৃদু ভর্ৎসনা। 
• penury - দারিদ্র্য

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৬.
Anger may be compared ______fire.
  1. to
  2. within
  3. against
  4. into
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• The correct sentence is: Anger may be compared to fire. 

- The sentence "Anger may be compared to fire" suggests that anger can be likened or compared to fire.
- অর্থাৎ এখানে ক্রোধ বা রাগকে আগুনের সাথে তুলনা করা হয়েছে বা আগুনের সাথে সাদৃশ্য আছে আছে এমনটি বোঝাচ্ছে। 

- The preposition "to" is used to draw a similarity or analogy between two things.
- প্রদত্ত বাক্যটিতেও বোঝানো হচ্ছে আগুনের বৈশিষ্ট্যের সাথে রাগের মিল রয়েছে।
- এছাড়াও, আগুন অনেক ক্ষেত্রেই  Fire is often used as a metaphor for the তীব্রতা, প্রচন্ডতা, ধ্বংসাত্মকতা ইত্যাদি রুপকার্থে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, সার্বিকভাবে বলা যায়, প্রদত্ত শূন্যস্থানের জন্য appropriate preposition হলো "to".
৪৭.
Identify the correctly spelt word.
  1. Horroscope
  2. Pneumonia
  3. Occassion
  4. Embarass
সঠিক উত্তর:
Pneumonia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pneumonia
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত চারটি শব্দের মধ্যে একমাত্র সঠিক বানানে গঠিত শব্দটি হল, Pneumonia.

• Pneumonia:
English Meaning: A serious illness affecting one or both lungs that makes breathing difficult.
বাংলা অর্থ - একটি বা উভয় ফুসফুসের প্রদাহঘটিত গুরুতর রোগ; ফুসফুসপ্রদাহ।

• অন্যদিকে, 
• Horroscope শব্দটির সঠিক বানান - Horoscope.
• Horoscope (noun)
English Meaning: ​A prediction of what is going to happen to somebody in the future, based on the position of the stars and the planets when the person was born.
Bangla Meaning: রাশিচক্র; জন্মপত্রিকা; কোষ্ঠী; কোষ্ঠিকা।

• Occassion শব্দটির সঠিক বানান - Occasion.
• Occasion (Noun)
English Meaning: a particular event, or the time at which it takes place.
Bangla Meaning: কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সময়; (কোনোকিছুর) উপযুক্ত সময়।

• Embarass শব্দটির সঠিক বানান - Embarrass.
• Embarrass (Verb)
English Meaning: cause (someone) to feel awkward, self-conscious, or ashamed.
Bangla meaning: অস্বস্তি অথবা লজ্জায় ফেলা; মানসিক দুশ্চিন্তা অথবা অসুবিধার সৃষ্টি করা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.
৪৮.
'Meteorology' is related to - 
  1. concrete slabs
  2. motor vehicles
  3. weather forecasting
  4. motor neurone disease
সঠিক উত্তর:
weather forecasting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
weather forecasting
ব্যাখ্যা
• Meteorology (noun)
English meaning: The scientific study of the earth’s atmosphere and its changes, used especially in predicting what the weather will be like. In other words, it is the scientific study of the Earth's atmosphere, weather, and climate.
Bengali meaning: আবহাওয়াবিজ্ঞান; আবহবিদ্যা। অর্থাৎ, আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে বলা হয় Meteorology।

• সুতরাং, Meteorology শব্দটি দ্বারা weather forecasting বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদান সম্পর্কিত বা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল; আবহমণ্ডল  সংশ্লিষ্ট বিশেষ বিদ্যাকে বোঝায়। 
- এছাড়া অপশনের অন্য শব্দগুলো, অপ্রাসঙ্গিক এবং সঠিক উত্তর নয়। 

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৯.
x2y + xy2 এবং x2 + xy রাশিদ্বয়ের ল.সা.গু এবং গ.সা.গু এর গুণফল কত?
  1. x2y2(x + y)
  2. xy(x2 + y2)
  3. x2y(x + y)2
  4. xy2(x2 + y)
সঠিক উত্তর:
x2y(x + y)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x2y(x + y)2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2y + xy2 এবং x2 + xy রাশিদ্বয়ের ল.সা.গু এবং গ.সা.গু এর গুণফল কত? 

সমাধান: 
১ম রাশি =  x2y + xy2
= xy(x + y)

২য় রাশি = x2 + xy
= x(x + y)

x2y + xy2 এবং x2 + xy রাশিদ্বয়ের ল.সা.গু = xy(x + y)
x2y + xy2 এবং x2 + xy রাশিদ্বয়ের গ.সা.গু = x(x + y)

নির্ণেয় গুণফল = x(x + y) × xy(x + y)
= x2y(x + y)2
৫০.
যদি x : y = 2 : 3 এবং y : z = 5 : 7 হয়, তবে x : y : z = ?
  1. 6 : 9 : 14
  2. 10 : 15 : 21
  3. 2 : 5 : 7
  4. 3 : 5 : 7
সঠিক উত্তর:
10 : 15 : 21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 : 15 : 21
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x : y = 2 : 3 এবং y : z = 5 : 7 হয়, তবে x : y : z = ?

সমাধান:
x : y = 2 : 3 = 2 × 5 : 3 × 5 = 10 : 15
y : z = 5 : 7 = 5 × 3 : 7 × 3 = 15 : 21

x : y : z = 10 : 15 : 21
৫১.
জাহিদ সাহেবের বেতন 10% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন 10% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হল?
  1. 0%
  2. 1%
  3. 5%
  4. 10%
সঠিক উত্তর:
1%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জাহিদ সাহেবের বেতন 10% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন 10% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হল?

সমাধান:
মূল বেতন = ১০০ টাকা 

10% কমানোর পর
বেতন = ১০০ - ১০০ এর ১০%
= ১০০ - ১০০ এর ১০/১০০
= ১০০ - ১০
= ৯০

10% বৃদ্ধিতে 
বেতন = ৯০ + ৯০ এর ১০%
= ৯০ + ৯০ এর ১০/১০০
= ৯০ + ৯
= ৯৯

ক্ষতি = (১০০ - ৯৯) = ১%
৫২.
(x + 5)2 = x2 + bx + c সমীকরণে b ও c এর মান কত হলে সমীকরণটি অভেদ হবে?
  1. 3, 10
  2. 10, 15
  3. 15, 25
  4. 10, 25
সঠিক উত্তর:
10, 25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10, 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x + 5)2 = x+ bx + c  সমীকরণে b ও c এর মান কত হলে সমীকরণটি অভেদ হবে? 

সমাধান:
(x + 5)2 = x2 + bx + c
x2 + 2.x.5 + 52 = x2 + bx + c
x2 + 10x + 25 = x2 + bx + c 

x ও ধ্রবক পদের সহগ সমীকৃত করে পাই 
b = 10
c = 25
৫৩.
নিচের কোনটি সরলরেখার সমীকরণ?
  1. x/y = y/2
  2. x2 + y = 1
  3. x/y = 1/2
  4. x = 1/y
সঠিক উত্তর:
x/y = 1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x/y = 1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সরলরেখার সমীকরণ?

সমাধান:
x/y = 1/2
2x =y
y = 2x

যা y = mx এর অনুরূপ 
মূলবিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ y = mx

x/y = 1/2 মূলবিন্দুগামী সরলরেখা।
৫৪.
p + q = 5 এবং p - q = 3 হলে p2 + q2 এর মান কত?
  1. 8
  2. 17
  3. 19
  4. 34
সঠিক উত্তর:
17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: p + q = 5 এবং p - q = 3 হলে p2 + q2 এর মান কত?

সমাধান:
p + q = 5 
p - q = 3

আমরা জানি 
2(p2 + q2) = (p + q)2 + (p - q)2
⇒ 2(p2 + q2) = 52 + 32
⇒ 2(p2 + q2) = 25 + 9
⇒ 2(p2 + q2) = 34
∴ (p2 + q2) = 17
৫৫.
যদি log(a/b) + log(b/a) = log(a + b) হয়, তবে- 
  1. a + b = 1
  2. a - b = 1
  3. a = b
  4. a2 - b2 = 1
সঠিক উত্তর:
a + b = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a + b = 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log(a/b) + log(b/a) = log(a + b) হয়, তবে- 

সমাধান:
log(a/b) + log(b/a) = log(a + b) 
⇒ log{(a/b) × (b/a)} = log(a + b) 
⇒ log1 = log(a + b) 
⇒ a + b = 1
৫৬.
2x + 7 = 4x + 2 হলে x এর মান কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 6
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x + 7 = 4x + 2 হলে x এর মান কত?

সমাধান:
2x + 7 = 4x + 2
⇒ 2x + 7 = (22)x + 2
⇒ 2x + 7 = 22x + 4
⇒ x + 7 = 2x + 4
⇒ 7 - 4 = 2x - x
⇒ 3 = x
∴ x = 3
৫৭.
1/√3, - 1, √3, ......... ধারটির পঞ্চম পদ কত? 
  1. - √3
  2. 9
  3. - 9√3
  4. 3√3
সঠিক উত্তর:
3√3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3√3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1/√3, - 1, √3, ......... ধারটির পঞ্চম পদ কত? 

সমাধান:
এখানে
প্রথম পদ, a = 1/√3
সাধারণ অনুপাত, r = - 1/(1/√3)
= - √3

আমরা জানি 
n তম পদ = arn - 1
∴ পঞ্চম পদ = ar5 - 1
= (1/√3)(- √3)4
= (1/√3){(- √3)2}2
= 9/√3
= (3√3 × √3)/√3
= 3√3
৫৮.
যদি 1 + tan2θ = 4 এবং θ < 90° হয়, θ = ?
  1. 30°
  2. 45°
  3. 60°
সঠিক উত্তর:
60°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 1 + tan2θ = 4 এবং θ < 90° হয়, θ = ? 

সমাধান:
1 + tan2θ = 4 
⇒ tan2θ = 4 - 1
⇒ tan2θ = 3
⇒ tanθ =√3
⇒ tanθ = tan60°
θ = 60°
৫৯.
একটি বৃত্তচাপ কেন্দ্রে 60° কোণ উৎপন্ন করে। বৃত্তের ব্যাস 12 cm হলে বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কত?
  1. π
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তচাপ কেন্দ্রে 60° কোণ উৎপন্ন করে। বৃত্তের ব্যাস 12 cm হলে বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
বৃত্তের ব্যাস = 12 cm
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = 6 cm
বৃত্তচাপ দ্বারা কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ θ = 60° 
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s = ?

আমরা জানি,
s = πrθ/180°
⇒ s =  (π × 6 × 60°)/180°
∴ s = 2π সে.মি.
৬০.
একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 2√2 : 3 হলে এর বৃহত্তম কোণটির মান কত?
  1. 30°
  2. 60°
  3. 80°
  4. 90°
সঠিক উত্তর:
90°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
90°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 2√2 : 3 হলে এর বৃহত্তম কোণটির মান কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 2√2 : 3

ধরি 
১ম বাহু = x
২য় বাহু = 2√2x
৩য় বাহু = 3x

এখন 
(3x)2 = (2√2x)+ x2
9x2 = 8x+ x2
9x2 = 9x2

প্রদত্ত ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ। 
সমকোণী ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণ সর্বদা 90°
৬১.
29 থেকে 38 পর্যন্ত সংখ্যা হতে যে কোনো একটিকে ইচ্ছামত বেছে নিলে সেটি মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/2
  2. 1/3
  3. 3/10
  4. 7/10
সঠিক উত্তর:
3/10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 29 থেকে 38 পর্যন্ত সংখ্যা হতে যে কোনো একটিকে ইচ্ছামত বেছে নিলে সেটি মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
29 থেকে 38 পর্যন্ত সংখ্যা= 10টি 
29 থেকে 38 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = 29, 31, 37 = 3টি 

মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা =3/10
৬২.
0, 1, 2, 3, 4 অংকগুলি দ্বারা কতগুলি পাঁচ অংকের অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে?
  1. 96
  2. 120
  3. 24
  4. 144
সঠিক উত্তর:
96
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 0, 1, 2, 3, 4 অংকগুলি দ্বারা কতগুলি পাঁচ অংকের অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে?

সমাধান:
মোট বিন্যাস সংখ্যা = 5! = 120

0 কে প্রথমে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 4! = 24
∴ ছয় অঙ্কের অর্থপূর্ণ সংখ্যা = (120 - 24)
= 96
৬৩.
A = {x ∈ N : x2 - 5x - 14 = 0} হলে A = ?
  1. {6, 1}
  2. {- 2, 7}
  3. {2, 7}
  4. {7}
সঠিক উত্তর:
{7}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{7}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : x2 - 5x - 14 = 0} হলে A = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে 
A = {x ∈ N : x2 - 5x - 14 = 0}

এখানে 
x2 - 5x - 14 = 0
⇒ x2 - 7x + 2x - 14 = 0
⇒ x(x - 7) + 2(x - 7) = 0
∴ (x - 7)(x + 2) = 0

হয় 
x - 7 = 0
x = 7

অথবা 
x + 2 = 0
x = - 2

x একটি স্বাভাবিক সংখ্যা তাই A = {7}

বি.দ্র: স্বাভাবিক সংখ্যা 1 থেকে শুরু হয়ে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত। অর্থাৎ, এর কোনো শেষ নেই। সকল স্বাভাবিক সংখ্যার সেটকে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, N = {1, 2, 3, ...}.
৬৪.
নিচের কোনটি চার্লসের সূত্র?
  1. V ∝ T
  2. PV = K
  3. V ∝ n
  4. P ∝ T
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
ব্যাখ্যা
চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/273 ; 
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

অ্যাভোগেড্রোর সূত্র: 
- ১৮১১ সালে ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী অ্যাভোগেড্রো গ্যাসের আয়তন ও অণুর সংখ্যার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশকারী যে সূত্র প্রদান করেন তাকে অ্যাভোগেড্রো সূত্র বলে। 
- স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের মোল সংখ্যা বাড়লে তার আয়তনও বৃদ্ধি পায় এবং মোল সংখ্যা হ্রাস করলে আয়তনও হ্রাস পায়। 
অর্থাৎ, "স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের আয়তন তার মোল সংখ্যার সমানুপাতিক”। 
সুতরাং কোনো গ্যাসের আয়তন V এবং মোল সংখ্যা n হলে অ্যাভোগেড্রোর সূত্রানুসারে, V ∝ n (চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকলে)। 
বা, V = Kn (K সমানুপাতিক ধ্রুবক)। 
- একে NA দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার পরীক্ষালব্ধ মান NA = 6.023 × 1023  । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ) এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) কেলাসের গঠন কীরূপ?
  1. পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
  2. দেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার
  3. সংঘবদ্ধ-ঘনকাকার
  4. সংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক আকার
সঠিক উত্তর:
পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম ক্লোরাইড গঠন (Sodium Chloride Structure): 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড কেলাসে Na+ আয়ন ও CI- আয়নসমূহ স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ দ্বারা সুবিন্যস্থ থাকে। 
- গোলক আকারের এসব আয়নের ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 95 ও 181 pm (পিকোমিটার, 1 x 10-12 m)। 
- এক্ষেত্রে ক্যাটায়ন (Na+) ও অ্যানায়ন (Cl-) এর ব্যাসার্ধ অনুপাত হল (95 ÷ 181) = 0.525, যা ব্যাসার্ধ-অনুপাত নিয়মে 0.4140.72 এর মধ্যে অবস্থিত। 
- সুতরাং ব্যাসার্ধ অনুপাত ও ক্যাটায়নের সন্নিবেশ সংখ্যার সম্পর্ক মতে, Na+ আয়নের সন্নিবেশ সংখ্যা হল 6 ও NaCl এর কেলাস গঠন হবে অষ্টতলকীয়। 
- বাস্তবে দেখা যায় যে, উভয় আয়নের গোলকের ব্যাসার্ধ অনুসারে একই তলে Naআয়নের চারদিকে চারটি CI- আয়ন স্পর্শ করে থাকে, কিন্তু নিজেরা বিকর্ষণের কারণে স্পর্শ করে না। 
- একই তলে এ পাঁচটি আয়ন থাকে এবং ঠিক উপরে ও নিচে আরো দুটি Cl- আয়ন অবস্থান নিতে পারে। 
- এ ছয়টি CI- আয়ন ও একটি Na+ আয়নের কেন্দ্রের অবস্থানকে দেখানো হয়েছে; এতে Na+ আয়নটি একটি অষ্টতলকের কেন্দ্রে এবং ছয়টি CI- আয়ন ঐ অষ্টতলকের ছয়টি শীর্ষবিন্দুতে অবস্থিত। 
- সুতরাং এ গঠনে Naআয়নের সন্নিবেশ সংখ্যা 6 হয়েছে। 
- স্থূল সংকেত NaCl অনুসারে প্রতিটি CI- আয়নের চারদিকে ছয়টি Na+ আয়ন থাকতে হবে, তাই CI- আয়নের সন্নিবেশ সংখ্যাও 6 হবে। 
- এ ছয়টি Na+ আয়ন ও একটি সুষম অষ্টতলক সৃষ্টি করে, যার কেন্দ্রে CI- আয়নটি অবস্থিত। 
- এ প্রকার Na+ আয়ন কেন্দ্রিক ও Clআয়ন কেন্দ্রিক অসংখ্য অষ্টতলক কেলাস জালিতে বিন্যস্ত হয়ে পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকীয় NaCl এর কেলাস গঠন করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৬৬.
HPLC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. High pressure liquid chromatography
  2. High power liquid chromatography
  3. High plant liquid chromatography
  4. High performance liquid chromatography
সঠিক উত্তর:
High performance liquid chromatography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High performance liquid chromatography
ব্যাখ্যা
- HPLC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে - High performance liquid chromatography
- হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি (HPLC) হলো বিশ্লেষণাত্মক রসায়নের একটি কৌশল। 
- কোন মিশ্রণের উপাদানগুলিকে আলাদা করতে এবং প্রতিটি উপাদানকে চিহ্নিত করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
- তাছাড়া মিশ্রণের উপাদানগুলো পরিমাপ করতেও এটি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি প্রাথমিকভাবে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল হিসাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং প্রথমে রঙিন যৌগগুলিকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হতো। 

HPLC এর প্রধান দুইটি রূপ হচ্ছে- 
1. Normal-Phase HPLC এবং 
2. Reversed-Phase HPLC. 


উৎস:
LibreTexts Chemistry and Chemistry Views.
৬৭.
সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে কোন ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহৃত হয়?
  1. Na2O
  2. ZnO
  3. Al2O3
  4. CuO
সঠিক উত্তর:
ZnO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ZnO
ব্যাখ্যা
- সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে ব্যবহৃত পার্টিকেল হচ্ছে জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO)। 

ন্যানো পার্টিকেল বা ন্যানো কণা: 
- ন্যানো শব্দের সাধারণ অর্থ হলো 'খুবই ক্ষুদ্র'; যেমন, সংখ্যার একক মানের 1x 10-9 বোঝায় এবং মিটার এককে এর প্রতীক হলো 1nm = 10-9 m. 
- ন্যানোস্কেল সিস্টেম বলতে ক্ষুদ্রতম কণার প্রস্থ 1nm থেকে 50mm পরিসর হলে তাকে ন্যানো কণা বলে। 

ন্যানো কণার শ্রেণিবিভাগ: 
১. ন্যানো-লেয়ার (nanolayer): 
- ন্যানো স্কেল মতে One dimension বা একমাত্রিক বা রৈখিক বস্তুকণার পরিসর (range) 1nm - 100nm হলে, এদেরকে ন্যানো-লেয়ার (nanolayer) বলে। 

২. ন্যানো-টিউব: 
- ন্যানো স্কেল মতে, 1nm-100nm এর দ্বিমাত্রিক (বা two dimensions) ক্ষুদ্রকণার নাম হলো ন্যানো-টিউব বা ন্যানো-ওয়্যার (nanotube বা, nanowire)। 

৩. ন্যানো পার্টিকেল: 
- ন্যানো স্কেল মতে, 1nm-100nm এর ত্রিমাত্রিক ক্ষুদ্রকণাকে ন্যানো পার্টিকেল বলে। 

- পদার্থের স্বাভাবিক অবস্থায় বস্তুর স্থূলতা বা পরিমাণ ভৌত ধর্মকে প্রভাবিত করে না; কিন্তু ন্যানো পার্টিকেলের আকার ছোট বা বড় হলে এদের ভৌত ধর্মসমূহে বিশেষত অপটিকেল (optical), চুম্বকীয় (magnetic), বৈদ্যুতিক (electrical), যান্ত্রিক (mechanical) ইত্যাদি ধর্মে বিশেষ পরিবর্তন দেখা যায়। 
- এর মূলে রয়েছে ন্যানো কণার তলের ক্ষেত্রফল (surface area) পদার্থের স্বাভাবিক স্থল অবস্থা থেকে অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। 
যেমন- 
(a) সাধারণ অবস্থায় সোনার বর্ণ হলো সোনালী হলুদ এবং সিলিকন হলো ধূসর বর্ণের। কিন্তু ন্যানো আকারে সোনার ও সিলিকনের বর্ণ হলো লাল। 
(b) সাধারণ অবস্থায় স্বর্ণের গলনাঙ্ক হলো 1064°C; কিন্তু 2.5 nm আকারের স্বর্ণের গলনাঙ্ক হয় প্রায় 300°C. 
(c) ফটোভোল্টিক সেলে (Photovoltic cell) সৌর রশ্মির শোষণের পরিমাণ ঐ সেলের ভেতরের পদার্থের আকারের ওপর নির্ভর করে। এতে সাধারণ অবস্থার পদার্থ যে পরিমাণ সৌর রশ্মি শোষণ করে, ন্যানো কণা যত ছোট হয়। ততো বেশি পরিমাণে সৌর রশ্মি শোষণ করতে পারে। 
(d) আবার ZnO স্বাভাবিক অবস্থায় UV রশ্মি যে পরিমাণ প্রতিহত করে এর চেয়ে ন্যানো কণা অবস্থায় ZnO অনেক বেশি UV রশ্মি প্রতিহত করে। এজন্য ZnO ন্যানো কণা অবস্থায় 'Sun-screen lotion' তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
(e) সাধারণত অদ্রবণীয় কঠিন বস্তুর গুঁড়া তরল পদার্থে মিশ্রিত করলে ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে ঐ কঠিন বস্তুর গুঁড়া তরলে ভাসবে অথবা তলায় পড়ে জমা হবে। কিন্তু ন্যানো স্কেলের সূক্ষ্ম গুঁড়া বিস্তারণ বল, আয়ন ডাইপোল সম্পর্ক মতে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সাসপেনশন অবস্থায় থাকে।
(f) ন্যানো কণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভৌতধর্ম হলো চুম্বকীয় ধর্ম ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ধর্ম। যেমন ফেরো-ইলেকট্রিক কঠিন পদার্থ 10 nm এর ছোট আকারে থাকলে কক্ষ তাপমাত্রার তাপীয় শক্তি ব্যবহার করে সুপার প্যারা ম্যাগনেটিজম ধর্ম প্রকাশ করে। তখন এসব ন্যানো পার্টিকেল মেমোরি স্টোরেজ (memory storage)-এর অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই সব সময় এরূপ ধর্ম ন্যানো পার্টিকেলে সুবিধাজনক বা কাম্য নয়। অনেক ন্যানো কণা বিশেষত গ্রাফিন ও কার্বন ন্যানো টিউব সাধারণ গ্রাফাইটের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৬৮.
মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা -
  1. ৪৪ টি
  2. ৪২ টি
  3. ৪৬ টি
  4. ৪৮ টি
সঠিক উত্তর:
৪৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ টি
ব্যাখ্যা
- মানুষের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমসোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই । 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

বিষয়টি নিয়ে যেহেতু অনেকের কনফিউশন আছে তাই আমরা নিচে দুইটি বইয়ের স্ক্রিনশট যুক্ত করে দিচ্ছি- 
জীববিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বই এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বইয়ের স্ক্রিনশট:

৬৯.
মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. তিনটি
  4. দুইটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- O, A, B এবং AB। 

রক্তের গ্রুপ: 
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে। 

O রক্তের গ্রুপ: 
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই। 
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে। 

AB রক্তের গ্রুপ: 
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে। 
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

A রক্তের গ্রুপ: 
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে। 
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে। 

B রক্তের গ্রুপ: 
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। 
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ৩৩
  2. ৩৮
  3. ৩৬
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা
- আর্সেনিকের (As) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। 

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়। 
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11  । 
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17  । 
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- স্ট্রনসিয়ামের (Sr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৮। 
- ক্রিপটনের (Kr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৬। 
- রুথেনিয়াম (Ru) পারমাণবিক সংখ্যা ৪৪। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৭১.
টেলিভিশনে যে তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় - 
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. আলট্রা ভায়োলেট
  4. দৃশ্যমান রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের। 
- আর এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র। 
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়। 

শব্দ প্রেরণ: 
- এক্ষেত্রে শব্দ প্রেরণকারী যন্ত্র মাইক্রোফোনের সাহায্যে বক্তার শব্দ সংগ্রহ করে। 
- মাইক্রোফোনে একটি পাতলা ধাতব পদার্থ থাকে, একে ডায়াফ্রাম বলে। 
- মাইক্রোফোনে আগত শব্দ এই ডায়াফ্রামটিকে কম্পিত করে, এ যান্ত্রিক কম্পন তড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত হয়। 
- এভাবে মাইক্রোফোন শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সংকেতে রুপান্তরিত করে। 
- এরপর এ সংকেতকে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরক এন্টেনার মাধ্যমে আকাশে ছড়িয়ে দেয়া হয়। 

ছবি প্রেরণ: 
- যে ছবি বা দৃশ্য প্রেরণ বা সম্প্রচার করতে হবে তার প্রতিবিম্ব বা ছবি লেন্সের মধ্যদিয়ে টেলিভিশন ক্যামেরার পর্দায় ফেলা হয়। 
- এ ছবিকে টেলিভিশন ক্যামেরা তড়িৎ সংকেতে রুপান্তরিত করে। 
- এরপর তড়িৎ সংকেতকে তাড়িত চৌম্বক বেতার তরঙ্গে (রেডিও তরঙ্গ) রূপান্তরিত করে প্রেরক এন্টেনার মাধ্যমে আকাশে ছড়িয়ে দেয়া হয়। 

অর্থাৎ, অপশন অনুসারে সঠিক উত্তর হবে - ক) রেডিও ওয়েভ । 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
বাতাস একটি -
  1. ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
  2. প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
  3. ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ 
  4. অ্যান্টিফেরোচুম্বকীয় পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
- বায়ু যা প্রাথমিকভাবে নাইট্রোজেন (N2), অক্সিজেন (O2) এবং কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), জলীয় বাষ্প (H2O) এবং গ্যাসের মতো অল্প পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস নিয়ে গঠিত। 
এদের মধ্যে,
- অক্সিজেন একটি প্যারাম্যাগনেটিক উপাদান। 
- নাইট্রোজেন, আর্গন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ডায়াম্যাগনেটিক উপাদান। 
যাইহোক, 
- অক্সিজেনের প্যারাম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্য অন্যান্য গ্যাসগুলোর ডায়াম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্যের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই, সামগ্রিকভাবে বায়ুকে একটি প্যারাম্যাগনেটিক উপাদান হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 

নিচে Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen বইটি থেকে সরাসরি কিছু প্যারাম্যাগনেটিক এবং ডায়াম্যাগনেটিক উপাদানের তালিকা দেয়া হল। 

--------------------
⇒ দুটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে আমরা ডায়াচৌম্বক ও প্যারাচৌম্বক পদার্থ নির্ণয় করতে পারি -
প্রথমত, 
• ডায়াচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা (χm) ক্ষুদ্র কিন্তু ঋণাত্মক অর্থাৎ (χm < 0),  
• অপরদিকে প্যারাচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা (χm) ক্ষুদ্র কিন্তু ধণাত্মক অর্থাৎ (χm > 0) । 
→ বায়ুর চৌম্বক গ্রাহীতা [Magnetic Susceptibility] (χair) হচ্ছে 3.6 × 10-7 বা 0.00000036, যা ধনাত্মক অর্থাৎ (χm > 0) । 

[উৎস: Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen.] 

দ্বিতীয়ত, 
• ডায়াচৌম্বক পদার্থের আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার (μr) মান 1 এর চেয়ে ছোট অর্থাৎ (μr < 1), 
• অপরদিকে প্যারাচৌম্বক পদার্থের আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার (μr) মান 1 এর চেয়ে সামান্য বড় অর্থাৎ (μr > 1)। 
→ বায়ুর আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার [Relative Magnetic Permeability] (μair) মান 1.00000036, যা 1 এর চেয়ে সামান্য বড় অর্থাৎ (μr > 1)। 

[উৎস: Introduction to Magnetic Materials (2nd edition), B. D. Cullity and C. D. Graham (2008)] 

আবার, 
• অক্সিজেন একটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ যার চৌম্বক গ্রাহীতা (χ) হচ্ছে 1.8 × 10-6 [ধনাত্মক মান দ্বারা প্যারাচৌম্বক পদার্থ বোঝায়]। 
• নাইট্রোজেন একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ যার চৌম্বক গ্রাহীতা (χn) হচ্ছে - 6.7 × 10-9 [ঋণাত্মক মান দ্বারা ডায়াচৌম্বক পদার্থ বোঝায়]। 

→ বায়ুমণ্ডলের বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ 78.02% এবং অক্সিজেনের পরিমাণ 20.71% । 
→ বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট পরিমাণ বাতাসে অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের চৌম্বক গ্রাহীতা (1.8 × 10-6) × 20.71%  > (6.7 × 10-9) × 78.02% [অর্থাৎ,  χ > χn
→ তাই বাতাসে অক্সিজেনের প্যারাম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্য নাইট্রোজনের ডায়াম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্যের তুলনায় অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী। 

[উৎস: Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen.] 

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বায়ুতে প্যারাচৌম্বক পদার্থের সকল বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। 
তাই, সামগ্রিকভাবে বায়ুকে একটি প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
=========================
ডায়া চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। 
- অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

প্যারা চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। 
- এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ফেরো চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। 
- এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হল -
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো - হাইড্রোজেন। 
• পক্ষান্তরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস। 
-----------------------

- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে। 
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস। 
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠিত হয়। 

- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম। হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে। 
• এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন। 
Source: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের শতকরা হার: 
• নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন - ২০.৭১%, 
• আরগন - ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%, 
• জলীয় বাষ্প - ০.৪১%, 
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ - ০.০২% এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১% । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৪.
নিচের কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Register
  2. ROM
  3. Flags
  4. Output Unit
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। 
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। 
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি। 
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়। 
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
2 কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য কতটি address লাইন দরকার?
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 14
সঠিক উত্তর:
11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
- অ্যাড্রেস বাসে যদি n সংখ্যক লাইন থাকে, তাহলে লাইন দিয়ে ২n টি অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া ও লেখা যায়। 

১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট = ২১০ বাইট 
∴ ২ কিলোবাইট = ২ × ২১০ = ২১১ বাইট । 

অর্থাৎ, ২ কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য ১১ টি address লাইন দরকার।
৭৬.
(2FA)16 এই হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে অক্টালে রূপান্তর করুন:
  1. (762)8
  2. (1372)8
  3. (228)8
  4. (1482)8
সঠিক উত্তর:
(1372)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(1372)8
ব্যাখ্যা
- হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়। 

(2FA)16 কে বাইনারি রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অংককে ৪ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। 


∴ (2FA)16 = (001011111010)2

(001011111010)2 কে অক্টালে রূপান্তর: 
- কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৩ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।


∴ (001011111010)= (1372)8

অর্থাৎ, (2FA)16 = (1372)8
৭৭.
নিচের কোনটি Spyware এর উদাহরণ?
  1. Key loggers 
  2. Avast
  3. Norton
  4. Kasparasky
সঠিক উত্তর:
Key loggers 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Key loggers 
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার): 
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে- 
• অ্যাডওয়্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), 
• Rootkits এবং 
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি। 

- Key loggers হচ্ছে এক ধরনের স্পাইওয়্যার (Spyware), যেটা সাধারণত keystroke logger নামেও পরিচিত। এটি কম্পিউটারের কীবোর্ডে টাইপিং ডাটা ট্র্যাক এবং রেকর্ড করে। 
- র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 
- বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware)। 

উৎস: 
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৭৮.
IPv4-এ নিচের কোনটি Google DNS Server এর IP Adders?
  1. 8.8.7.6
  2. 8.7.8.6
  3. 8.8.8.6
  4. 8.8.8.8
সঠিক উত্তর:
8.8.8.8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8.8.8.8
ব্যাখ্যা
[বিসিএস এর মূল প্রশ্নে বানান ভুলজনিত কারণে 'IP Address' এর স্থলে 'IP Adders'লেখা ছিল।] 

DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে। 
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার। 
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত। 


উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৭৯.
প্রতারণামূলকভাবে সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড ও ক্রেডিট কার্ড নম্বর অর্জন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুশীলনকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Spamming
  3. Ransom ware
  4. Sniffing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 
• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): 
- র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 

স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮০.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার-এর কাজ কোনটি? 
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. ইমেজ বিশ্লেষণ
  3. রোগী পর্যবেক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৮১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. On-demand self service
  2. Broad network access
  3. Limited customization
  4. Physical ownership of servers
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য: 
- On-demand self service, 
- Broad network access, 
- Limited customization, 
- resource pooling, 
- rapid elasticity, 
- measured service. 

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮২.
কোন সংখ্যাটি পরে আসবে?
৮, ৪, ২, ১, ১/২, ১/৪,
  1. ১/৮
  2. ১/৪
  3. ১/৫
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
১/৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি পরে আসবে?
৮, ৪, ২, ১, ১/২, ১/৪,

সমাধান: 
১ম পদ = ৮ 
২য় পদ = ৮ ÷ ২ = ৪
৩য় পদ = ৪  ÷ ২ = ২
৪র্থ পদ = ২ ÷ ২ = ১
৫ম পদ = ১ ÷ ২ =১/২
৬ষ্ঠ পদ = (১/২) ÷ ২ =  (১/২) × (১/২)  = ১/৪
৭ম পদ = (১/৪)  ÷ ২  = (১/৪) × (১/২) = ১/৮
৮৩.
কাগজের প্রতি পাতা বিক্রি হয় ২১ পয়সায়। চার পাতা কত পয়সায় বিক্রি হবে?
  1. ৪ পয়সা
  2. ৯৪ পয়সা
  3. ৮ পয়সা
  4. ৮৪ পয়সা
সঠিক উত্তর:
৮৪ পয়সা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ পয়সা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কাগজের প্রতি পাতা বিক্রি হয় ২১ পয়সায়। চার পাতা কত পয়সায় বিক্রি হবে?

সমাধান:
১ পাতা কাগজ বিক্রয় হয় = ২১ পয়সায় 
৪ পাতা কাগজ বিক্রয় হয় = (২১ × ৪) পয়সায় 
= ৮৪ পয়সায় 
৮৪.
মনে কর প্রথম দুটি উক্তি সত্য। তবে শেষের উক্তিটি-
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. অনিশ্চিত
  4. আংশিক সত্য
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত
ব্যাখ্যা
• প্রথমেই বলা রাখা ভালো, প্রশ্নটি কনফিউজিং। প্রশ্নকর্তার দৃষ্টিভঙ্গির উপর মূলত সঠিক উত্তরটি নির্ভর করছে।
- প্রশ্নটি দুটি দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করা যায়। বিষয় দুটি নিম্নে আলোচনা করা হলো -

⇒ "মনে কর প্রথম দুটি উক্তি সত্য। তবে শেষের উক্তিটি-" প্রশ্নটি থেকে যদি আমরা "প্রথম" শব্দটি বাদ দিয়ে দেই, তাহলে প্রশ্নটি দাঁড়াচ্ছে - "মনে কর দুটি উক্তি সত্য। তবে শেষের উক্তিটি-"।
তাহলে আর কোন কনফিউশন থাকছে না। সরাসরি দ্বিতীয় উক্তিকে সত্য বলে দেওয়া যাচ্ছে।

⇒ কিন্তু প্রশ্নে যেহেতু "প্রথম" শব্দটি আছে; সেহেতু দুইটির পর আরো উক্তি আছে, এটাই বুঝাচ্ছে। নাহলে, প্রথম শব্দটির ব্যবহার "বাহুল্য/অবান্তর" হয়ে যাচ্ছে। 
যেমন কেউ নিশ্চয়ই এটা বলবেন না যে, আমার প্রথম দুটি চোখে পরিস্কার দেখতে পাই।
কিন্তু, কেউ ১০টি আম কিনে এটা বলতে পারবেন যে, প্রথম দুটি আম বেশ মিষ্টি ছিল। 

- প্রশ্নকর্তা সম্ভবত প্রশ্নটি ট্রিকি করার জন্য "প্রথম" শব্দটি জুড়ে দিয়েছেন।
- সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি উক্তি সত্য হলেও তার পরের উক্তিগুলো সত্য নাকি মিথ্যা সেটা বলা যাচ্ছে না। শেষের উক্তিটি সত্য, মিথ্যা বা যেকোন কিছুই হতে পারে।
- তাই প্রশ্নের শর্ত বিশ্লেষণ করে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর - "অনিশ্চিত" হবে।

[আমরা অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে "অনিশ্চিত" নিয়েছি। বাকিটা প্রশ্নকর্তার উপর নির্ভর করে।]
৮৫.
কোন সংখ্যাটি নিম্নের শ্রেণিতে সবচাইতে স্বল্প পরিমাণ উপস্থাপন করে?
  1. .৩৩
  2. .৩১
সঠিক উত্তর:
.৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.৩১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি নিম্নের শ্রেণিতে সবচাইতে স্বল্প পরিমাণ উপস্থাপন করে?

সমাধান:
.৩৩ = ৩৩/১০০
.৩১ = ৩১/১০০

হর একই হলে যে ভগ্নাংশের লব ছোট সে ভগ্নাংশটি ছোট। 
এখানে সবচেয়ে ছোট = ০.৩১ 
৮৬.
যখন প্রতি ফুট দড়ি ১০ টাকায় বিক্রি হয়, তখন ৬০ টাকায় তুমি কত ফুট দড়ি ক্রয় করতে পারবে?
  1. ৮ ফুট
  2. ৭ ফুট
  3. ৬ ফুট
  4. ১০ ফুট
সঠিক উত্তর:
৬ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যখন প্রতি ফুট দড়ি ১০ টাকায় বিক্রি হয়, তখন ৬০ টাকায় তুমি কত ফুট দড়ি ক্রয় করতে পারবে?

সমাধান:
১০ টাকায় ক্রয় করা যাবে ১ ফুট দড়ি
১ টাকায় ক্রয় করা যাবে ১/১০ ফুট দড়ি
৬০ টাকায় ক্রয় করা যাবে ৬০/১০ ফুট দড়ি
= ৬ ফুট দড়ি
৮৭.
কোনটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকবে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    মনোভাব পরিবর্তনের ভারসাম্য মতবাদ (Balance Theory of Attitudes Change):
    - মনোভাব পরিবর্তন সম্পর্কিত বিভিন্ন তত্ত্ব বা মতবাদের মধ্যে ভারসাম্য মতবাদ অপেক্ষাকৃত পুরাতন ও অন্যতম মতবাদ।
    - এ মতবাদের প্রবক্তা হলেন মনোবিজ্ঞানী হাইডার ও নিউকম্ব। 
    - হাইডার কতিপয় প্রতীক (Symbol) ব্যবহার করে ছকের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ এবং ভারসাম্যহীন অবস্থাকে উপস্থাপন করেছেন। 

    ছকটি নিম্নরূপ:


    [প্রদত্ত অপশন অনুসারে অপশন (ক) ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা নির্দেশ  করছে।
    বাকি ৩টি অপশন ভারসাম্যহীন অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
    তাই সঠিক উত্তর: অপশন (ক)]

    সূত্র: Science Direct Journal.
    ৮৮.
    নিম্নলিখিত সংখ্যা শ্রেণির সর্বশেষ সংখ্যার পরের সংখ্যাটি কত হবে?
    ১, ২, ৪, ৭, ১১, ?
    1. ১৪
    2. ১৫
    3. ১৬
    4. ১৮
    সঠিক উত্তর:
    ১৬
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: নিম্নলিখিত সংখ্যা শ্রেণির সর্বশেষ সংখ্যার পরের সংখ্যাটি কত হবে?
    ১, ২, ৪, ৭, ১১, ?

    সমাধান:
    ১ম পদ = ১
    ২য় পদ = ১ + ১ = ২
    ৩য় পদ = ২ + ২ = ৪
    ৪র্থ পদ = ৪ + ৩ = ৭
    ৫ম পদ = ৭ + ৪ = ১১
    ৬ষ্ঠ পদ = ১১ + ৫ = ১৬ 
    ৮৯.
    নিম্নের চিত্রে একটি নম্বরযুক্ত প্রতিকৃতি অন্যদের চাইতে সম্পূর্ণ আলাদা ৷ সেই প্রতিকৃতিতে নম্বরটি কত?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: নিম্নের চিত্রে একটি নম্বরযুক্ত প্রতিকৃতি অন্যদের চাইতে সম্পূর্ণ আলাদা ৷ সেই প্রতিকৃতিতে নম্বরটি কত?


    সমাধান:
    প্রদত্ত চিত্রগুলোর মধ্যে 4নং চিত্রটির বাহুগুলো পরস্পর সংযুক্ত নয়। 
    এই বিবেচনায় 4 নম্বরযুক্ত প্রতিকৃতি অন্যদের চাইতে সম্পূর্ণ আলাদা
    ৯০.
    [প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক, যা বর্তমানে গ্রহণযোগ্য নয়।] নোবেল বিজয়ী নারী কয়জন?
    1. ৫০ জন
    2. ৫৭ জন
    3. ০৩ জন
    4. ০৭ জন
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    নোবেল পুরস্কার:
    - বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত নোবেল পুরস্কার নরওয়ে ও সুইডেন থেকে দেওয়া হয়।
    - এর মধ্যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি যা নরওয়ে পার্লামেন্ট কর্তৃক গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি।
    - সুইডেনের সুইডিশ একাডেমি প্রদান করে সাহিত্যে নোবেল।
    - চিকিৎসায় নোবেল প্রদান করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
    - পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স এ পক্ষ থেকে।

    [২০২২ সাল পর্যন্ত ৬১ বার নারীদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়, যার মধ্যে মেরি কুরি একাই দুইবার নোবেল পুরস্কার জয় করে। ফলে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬০ জন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।]

    অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

    On a Not-So-Serious Note: প্রশ্নকর্তা সম্ভবত ৬০ টাইপ করতে গিয়ে ৫০ টাইপ করে ফেলেছেন। যেহেতু, কিবোর্ডে ৫ এবং ৬ পাশাপাশি থাকে। এমনিতেও অন্যান্য কিছু প্রশ্নে টাইপের ভুল ছিল। 

    সূত্র: নোবেলপ্রাইজ কমিটির ওয়েবসাইট [Link]
    ৯১.
    যদি চ × G = ৪২ হয় তবে J × ট = ?
    1. ১২০
    2. ৯২
    3. ১১৫
    4. ১১০
    সঠিক উত্তর:
    ১১০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১১০
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: যদি চ × G = ৪২ হয় তবে J × ট = ?

    সমাধান:
    বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণ চ এর অবস্থানগত মান = ৬
    ইংরেজি বর্ণমালা  G এর অবস্থানগত মান = ৭
     চ × G = ৬ ×৭ = ৪২
    একইভাবে 
     J × ট =১০ × ১১ = ১১০ 
    ৯২.
      সঠিক উত্তর:
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ব্যাখ্যা
      এখানে 
      উপরের সংখ্যার ধারাটি 1,3,5,7,...
      এবং সে অনুসারে ইংরেজি বর্ণ বসেছে। 
      বর্ণের ধারাটি A , C, E, G

      সঠিক উত্তর হবে: খ 
      ৯৩.
      যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক ১৪০ বা তার ঊর্ধ্বে তাদের বলা হয়—
      1. অতিশয় প্রতিভাশালী
      2. প্রতিভাশালী
      3. সাধারণ
      4. মানসিক প্রতিবন্ধী
      সঠিক উত্তর:
      অতিশয় প্রতিভাশালী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অতিশয় প্রতিভাশালী
      ব্যাখ্যা
      বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
      - ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
      - কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

      তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো
      বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০


      উৎস: শিক্ষা মনোবিজ্ঞান- ২, প্রোগ্রাম: Bachelor of Agriculture Education, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
      ৯৪.
      RESENT, RESERVE এই শব্দগুলো কী?
      1. একই অর্থে
      2. বিপরীত ধর্মী অর্থ
      3. না এক না ভিন্ন অর্থ
      4. কোনোটিই নয়
      সঠিক উত্তর:
      বিপরীত ধর্মী অর্থ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বিপরীত ধর্মী অর্থ
      ব্যাখ্যা
      • RESENT:
      English Meaning: to feel angry because you have been forced to accept someone or something that you do not like.
      বাংলা অর্থ: তিক্ততা অনুভব করা; রাগান্বিত হওয়া; অসন্তুষ্ট হওয়া।

      • RESERVE:
      English Meaning: the habit of not showing your feelings or thoughts.
      বাংলা অর্থ: সংযম; মনোভাব সংবরণ।

      • অর্থাৎ RESENT, RESERVE এই শব্দগুলো বিপরীত ধর্মী অর্থ প্রকাশ করে। 

      উৎস: অভিগম্য অভিধান (Accessibledictionary.gov.bd) এবং Cambridge Dictionary.
      ৯৫.
      'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি' গঠিত হয়—
      1. ১৯৪৮ সালে
      2. ১৯৫০ সালে
      3. ১৯৫২ সালে
      4. ১৯৫৪ সালে
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৫২ সালে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৫২ সালে
      ব্যাখ্যা
      ভাষা আন্দোলন:
      - বাঙ্গালির জীবনে ভাষা আন্দোলন এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায়। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের সময়কাল। 
      - বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে ভাষা আন্দোলনকে আরো জোরদার করার জন্য ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি "সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি" গঠিত হয়।
      - কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন - কাজী গোলাম মাহবুব।

      উৎস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব by ড. মযহারুল ইসলাম
      প্রকাশকাল: ১৯৭৪; পৃষ্ঠা নং: ১২৮।

      =============
      সবার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি,
      সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি - বোর্ড বই, সংগ্রামের নোট বুক ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড) ইত্যাদিতে "সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" নামে বর্ণনা করা হয়েছে।

      =============
      • ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:

      - ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
      - কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

      - ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
      - এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
      - অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
      ------------------
      অন্যদিকে,
      - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
      - দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

      উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৯৬.
      ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন—
      1. ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
      2. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
      3. ২৬ মার্চ ১৯৬৬
      4. ৩১ মার্চ ১৯৬৬
      সঠিক উত্তর:
      ২৩ মার্চ ১৯৬৬
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২৩ মার্চ ১৯৬৬
      ব্যাখ্যা
      • 'ছয় দফা':
      - ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
      - পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

      - ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
      - ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

      • দফা গুলো হলো:-
      - প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
      - দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
      - তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
      - চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
      - পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
      - ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

      উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
      ৯৭.
      'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক—
      1. শেখ মুজিবুর রহমান
      2. শামছুল হক
      3. আতাউর রহমান খান
      4. আবুল হাশিম
      সঠিক উত্তর:
      শামছুল হক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      শামছুল হক
      ব্যাখ্যা
      • আওয়ামী মুসলীম লীগ:
      - ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
      - আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়-১৯৫৫ সালে।

      - আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ: 
      - প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি - মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
      - প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক - সামছুল হক
      - প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি - আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
      - প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক - শেখ মুজিবুর রহমান।

      - ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
      - ১৯৬৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

      তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
      ৯৮.
      ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন্‌ তফসিলে আছে?
      1. চতুর্থ তফসিল
      2. পঞ্চম তফসিল
      3. ষষ্ঠ তফসিল
      4. সপ্তম তফসিল
      সঠিক উত্তর:
      পঞ্চম তফসিল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      পঞ্চম তফসিল
      ব্যাখ্যা
      - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
      - সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে - ১১টি।
      - তফসিল আছে - ৭টি; প্রস্তাবনা আছে ১টি এবং মূলনীতি আছে ৪টি।
      ----------------
      সংবিধানের তফসিলসমূহ:
      - বাংলাদেশের সংবিধানে মোট - ৭টি তফসিল ও এর বিষয়বস্তু -

      প্রথম তফসিল:
      অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

      দ্বিতীয় তফসিল:
      রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।

      তৃতীয় তফসিল:
      শপথ ও ঘোষণা।

      চতুর্থ তফসিল:
      ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

      পঞ্চম তফসিল:
      ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ।

      ষষ্ঠ তফসিল:
      ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা।

      সপ্তম তফসিল:
      মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

      উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান; বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস - আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
      ৯৯.
      বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
      1. ৬ (ছয়) টি
      2. ৭ (সাত) টি
      3. ৮ (আট) টি
      4. ৯ (নয়) টি
      সঠিক উত্তর:
      ৮ (আট) টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৮ (আট) টি
      ব্যাখ্যা
      [এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
      -------------------------------- 
      • পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

      - বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
      - স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
      - যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
      - অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
      - প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
      -  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

      তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
      ১০০.
      বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে?
      1. ৪ (চার) টি
      2. ৫ (পাঁচ) টি
      3. ৬ (ছয়) টি
      4. ৭ (সাত) টি
      সঠিক উত্তর:
      ৫ (পাঁচ) টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৫ (পাঁচ) টি
      ব্যাখ্যা
      সুন্দরবন:
      - বাংলাদেশের ৫টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে।
      - সুন্দরবনের সাথে যুক্ত জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালি, বরগুনা।

      - সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
      - বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
      - সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
      - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
      - সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

      উল্লেখ্য,
      যে বাংলাপিডিয়া বা নবম দশম শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে সুন্দরবন বাংলাদেশের তিনটি জেলায় বিস্তৃত এমনটি বলা আছে।
      তবে যেহেতু অপশনে ০৩ (তিন)টি না থাকার কারণে মানচিত্র এবং অন্যান্য উৎস বিবেচনায় এনে, অধিকতর উপযুক্ত উত্তর হিসেবে ০৫ (পাঁচটি) জেলা নেয়া হয়েছে।  

      তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
      ১০১.
      মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন্‌ সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
      1. ২ (দুই) নম্বর
      2. ৩ (তিন) নম্বর
      3. ৪ (চার) নম্বর
      4. ৫ (পাঁচ) নম্বর
      সঠিক উত্তর:
      ২ (দুই) নম্বর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২ (দুই) নম্বর
      ব্যাখ্যা
      মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরসমূহ:
      - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
      - প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
      - যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

      - ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভূক্ত অঞ্চল - ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
      - এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
      - আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে - ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
      - এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
      - সেক্টর কমান্ডার ছিলেন - প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

      মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য সেক্টর: 
      সেক্টর নং - ১:
      - ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’।
      - ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
      - আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।

      সেক্টর নং - ৩:
      - হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়।
      - এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
      - আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

      সেক্টর নং - ৪:
      - সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’। এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
      - মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

      সেক্টর নং - ৫:
      - বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
      - মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।
      - এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।

      সেক্টর নং - ৬:
      - দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’।
      - সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।

      সেক্টর নং - ৭:
      - রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
      - সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
      - এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

      সেক্টর নং - ৮:
      - কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত।
      - এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর।
      - এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

      সেক্টর নং - ৯:
      - পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’।
      - ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
      - এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

      সেক্টর নং - ১০:
      - সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধীনে।
      - এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
      - এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

      সেক্টর নং - ১১:
      - কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’।
      - ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
      - নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান।
      - এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

      উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং BBC বাংলা প্রতিবেদন।
      ১০২.
      বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
      1. রাজশাহী
      2. কুমিল্লা
      3. চট্টগ্রাম
      4. গাজীপুর
      সঠিক উত্তর:
      চট্টগ্রাম
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      চট্টগ্রাম
      ব্যাখ্যা
      বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
      - বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
      - দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
      - এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
      - প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

      তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।
      ১০৩.
      বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
      1. চাঁদপুর
      2. ফরিদপুর
      3. ময়মনসিংহ
      4. ভোলা
      সঠিক উত্তর:
      ময়মনসিংহ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ময়মনসিংহ
      ব্যাখ্যা
      বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
      - বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
      - মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
      - ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

      তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
      ১০৪.
      ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
      1. প্রাকৃতিক গ্যাস
      2. চুনাপাথর
      3. মিথেন গ্যাস
      4. ইলমেনাইট
      সঠিক উত্তর:
      প্রাকৃতিক গ্যাস
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      প্রাকৃতিক গ্যাস
      ব্যাখ্যা
      ⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
      - এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



      ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
      • বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




      ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
      যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


      সূত্র:
      ১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
      ২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
      ১০৫.
      কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?
      1. আইনের প্রয়োগ
      2. আইনের ব্যাখ্যা
      3. সংবিধানের ব্যাখ্যা
      4. সংবিধান প্রণয়ন
      সঠিক উত্তর:
      সংবিধান প্রণয়ন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সংবিধান প্রণয়ন
      ব্যাখ্যা
      বিচার বিভাগের কাজ নয় - সংবিধান প্রণয়ন

      বিচার বিভাগ:
      - বিচার বিভাগ সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম, দেশের সমস্ত বিচারকদের নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত। বিচার বিভাগ বিচার পরিচালনা করে।

      নিম্নে বিচার বিভাগের কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:
      ১. বিচার সংক্রান্ত কাজ:
      - বিচার বিভাগ আইনকে বাস্তবায়িত করে। এ বিভাগ দেশের আইন মোতাবেক বিচার কার্য সম্পাদন করে।
      - এটা ব্যক্তির সাথে, রাষ্ট্রের সাথে, প্রতিষ্ঠানের সাথে বিরোধের মোকাবেলা সম্পন্ন করে।

      ২. আইন সংক্রান্ত:
      - বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা করে। প্রয়োজনে নিজস্ব মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
      - আইনের এ ব্যাখ্যা পরবর্তীকালে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

      ৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা:
      - বিচার বিভাগ শুধু বিচার সংক্রান্ত কাজ করে না। শাসন সংক্রান্ত কাজও করে থাকে।
      - নাবালকের সম্পত্তি দেখা শোনা করা, বিদেশী নাগরিককে নাগরিকত্ব প্রদান করাও বিচারবিভাগের কাজ।

      ৪.পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ:
      - শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ, বিচার বিভাগের পরামর্শের প্রত্যাশী হয়।
      - বিচার বিভাগ সেক্ষেত্রে তাদের জ্ঞানগর্ভ শলা-পরামর্শ বা উপদেশ প্রদান করে থাকে।

      ৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা:
      - বিচার বিভাগ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। শাসন বিভাগের যথেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
      - এটা বিভিন্নভাবে ব্যক্তির অধিকার রক্ষার প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে।

      ৬.তদন্ত সংক্রান্ত কাজ:
      - গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সম্পত্তি ও জানগণের নিরাপত্তা দান করতে সরকার ওয়াদাবদ্ধ থাকে।
      - ফলে রাষ্ট্রে যদি কোন অন্যায় বা জোর-জবরদস্তি, অপরাধ বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে বিচার বিভাগ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

      ৭. সংবিধান সংরক্ষণ:
      - বিচার বিভাগ সংবিধান সংরক্ষণ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ সংবিধানের অভিভাবক।
      - সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের মধ্যে বিবাদ মীমাংসা করে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত সংবিধানের প্রাধান্য বজায় রাখে।

      ৮. ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা:
      - ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
      - বিচার বিভাগ মামলা পরিচালনার তথ্য অনুসন্ধানের জন্য নথিপত্র দেখে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করে অপরাধীর শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা করে।

      তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্বদ্যালয়।
      ১০৬.
      পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?
      1. ১৯৮০ সালে
      2. ১৯৮১ সালে
      3. ১৯৮৫ সালে
      4. ১৯৯১ সালে
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৫ সালে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৫ সালে
      ব্যাখ্যা
      পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
      - পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
      - ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

      - ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। 
      - এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য। 
      - এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন।
      - পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব।

      তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
      ১০৭.
      'গণহত্যা জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
      1. ঢাকা
      2. চট্টগ্রাম
      3. কুমিল্লা
      4. খুলনা
      সঠিক উত্তর:
      খুলনা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খুলনা
      ব্যাখ্যা
      গণহত্যা জাদুঘর:
      - এটি খুলনায় অবস্থিত।
      - ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনা শহরে এই জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়।
      - বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জাদুঘর ট্রাস্টকে নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে একখণ্ড জমি ও একটি বাড়ি উপহার দেন।
      - সেটি সংস্কার করে নিজস্ব ভবনে গণহত্যা জাদুঘরের নবযাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ।
      - খুলনায় স্থাপিত এই জাদুঘরটি বাংলাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর।

      তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭ মার্চ ২০২১।
      ১০৮.
      নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?
      1. কবি
      2. নাট্যকার
      3. কণ্ঠশিল্পী
      4. ভাস্কর
      সঠিক উত্তর:
      ভাস্কর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ভাস্কর
      ব্যাখ্যা
      নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯ –  মে ৬, ২০১৫):
      - তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
      - তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
      - ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।
      - তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।

      তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৬ মে, ২০২০)।
      ১০৯.
      কোন এলাকাকে 'Marine Protected Area (MPA)' ঘোষণা করা হয়েছে?
      1. সেন্টমার্টিন
      2. সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
      3. পটুয়াখালী ও বরগুনা
      4. হিরন পয়েন্ট
      সঠিক উত্তর:
      সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
      ব্যাখ্যা
      'Marine Protected Area (MPA):
      - সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।
      - এর আগে ১৯৯৯ সালে ৫৯০ হেক্টর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
      - নতুন ঘোষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্র যোগ হয়েছে।
      - অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

      তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১২ জানুয়ারি, ২০২২)।
      ১১০.
      [প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক, যা বর্তমানে গ্রহণযোগ্য নয়।] বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
      1. ৯ (নয়) টি
      2. ১০ (দশ) টি
      3. ১১ (এগার) টি
      4. ১২ (বার) টি
      অনির্ধারিত
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক, যা বর্তমানে গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমান সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা নিচে প্রদান করা হলো।


      জিআই (GI):
      - জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
      - WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
      - ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
      - কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
      -----------------------------
      - বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
      - ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম ১২. তুলসীমালা ধান ১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই ১৪. ল্যাংড়া ও ১৫. আশ্বিনা আম, ১৬. শীতলপাটি ও ১৭. নাটোরের কাচাগোল্লা।
      - সর্বশেষ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - নাটোরের কাচাগোল্লা।

      তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
      ১১১.
      ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 'মনিপুরী' বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
      1. সিলেট
      2. মৌলভীবাজার
      3. হবিগঞ্জ
      4. সুনামগঞ্জ
      সঠিক উত্তর:
      মৌলভীবাজার
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মৌলভীবাজার
      ব্যাখ্যা
      মনিপুরী নৃগোষ্ঠী:
      - মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
      - ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
      - মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
      - প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
      - সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
      - তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

      উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
      ১১২.
      বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
      1. ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
      2. ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
      3. ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
      4. ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২
      সঠিক উত্তর:
      ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
      ব্যাখ্যা
      • ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
      - জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
      - জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
      - ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
      - প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।

      তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
      ১১৩.
      বাংলাদেশ সদস্য নয় :
      1. ILO
      2. SAARC
      3. NATO
      4. BIMSTEC
      সঠিক উত্তর:
      NATO
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      NATO
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাটোর সদস্য নয়।

      NATO:
      - NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
      - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
      - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
      - বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
      - সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
      - বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
      - সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

      অন্যদিকে -
      • ILO:
      - ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
      - এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
      - সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
      - বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
      - বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
      - ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
      - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

      • SAARC:
      - SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
      - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
      - প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
      - সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
      - বাংলাদেশ SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

      • BIMSTEC:
      - BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
      - এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
      - এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
      - বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
      - এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
      - সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
      - বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।
      - বাংলাদেশ BIMSTEC এব প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

      উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
      ১১৪.
      ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল কখন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়?
      1. ১৯২৯
      2. ১৯৩০
      3. ১৯৩১
      4. ১৯৩২
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৩০
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৩০
      ব্যাখ্যা
      ফিফার উদ্যোগে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।

      FIFA:
      - FIFA (The Fédération Internationale de Football Association) আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা।
      - এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ২১ মে, ১৯০৪।
      - প্রতিষ্ঠার স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
      - সদরদপ্তর: জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
      - বর্তমান প্রেসিডেন্ট: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
      - ফিফার বর্তমান সদস্য ২১১টি।

      ⇒ বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফা'র সদস্যপদ লাভ করে।

      উল্লেখ্য,
      - প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে, উরুগুয়ে।
      - সর্বশেষ ২০২২ সালে ফিফা বিশ্বকাপের ২২তম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
      - ২২তম আসরের চ্যাম্পিয়ন দেশ আর্জেন্টিনা।

      ⇒ ২০২৬ সালে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
      - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ একসাথে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর আয়োজন করবে।

      উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
      ১১৫.
      কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
      1. মালদ্বীপ
      2. নেপাল
      3. গ্রীস
      4. ভেনেজুয়েলা
      সঠিক উত্তর:
      নেপাল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নেপাল
      ব্যাখ্যা
      নেপাল একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, নেপালের কোন সমুদ্র বন্দর নাই।

      স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):

      - যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর বা মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়।
      - সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
      - বর্তমানে ৪৪টি ল্যান্ডলকড দেশ রয়েছে।
      - স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ হলো কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

      উল্লেখ্য,
      - মাত্র তিনটি দেশ এককভাবে স্থলবেষ্টিত: সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি (ইতালি দ্বারা বেষ্টিত) এবং লেসোথো (দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা বেষ্টিত)।
      - দ্বিগুণ স্থলবেষ্টিত বা Double Land Locked Countries দেশ দুইটি: উজবেকিস্তান ও লিচেনস্টেইন।
      - নাইজার, বলিভিয়া, অস্ট্রিয়া স্থলবেষ্টিত দেশ, তাই এই দেশগুলোর কোন সমুদ্রবন্দর নেই।

      • এশিয়ার স্থল বেষ্টিত ১২টি দেশ হলো:
      - আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, ভুটান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান।

      অন্যদিকে,
      - মালদ্বীপ, গ্রীস ও ভেনেজুয়েলায় সমুদ্র বন্দর রয়েছে।

      উৎস: Worldatlas.
      ১১৬.
      ক্ষুদ্রতম মহাদেশ :
      1. অস্ট্রেলিয়া
      2. ইউরোপ
      3. আফ্রিকা
      4. দক্ষিণ আমেরিকা
      সঠিক উত্তর:
      অস্ট্রেলিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অস্ট্রেলিয়া
      ব্যাখ্যা
      বিভিন্ন মহাদেশের আয়তন:
      ১. এশিয়া: ৪৪,৫৭৯,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ২. আফ্রিকা: ৩০,৩৭০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ৩. উত্তর আমেরিকা: ২৪,৭০৯,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ৪. দক্ষিণ আমেরিকা: ১৭,৮৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ৫. এন্টার্কটিকা: ১৪,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ৬. ইউরোপ: ১০,১৮০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
      ৭. অস্ট্রেলিয়া: ৮,৫২৫,৯৮৯ বর্গকিলোমিটার;

      উল্লেখ্য,
      • ওশেনিয়া মহাদেশ:
      - প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ ও দক্ষিণাংশের দ্বীপসমূহকে একত্রে ওশেনিয়া বলা হয়।
      - ওশেনিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
      - এই অঞ্চলকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
      - যথা: অস্ট্রেলিয়া (অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড), মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া।
      - ওশেনিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ ১৪টি।
      - দেশগুলো: অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, নিউজিল্যান্ড, পালাউ, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু।

      • ইউরোপ মহাদেশ:
      - ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
      - ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভুমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
      - ইউরোপ মহাদেশ ৪৫টি দেশ নিয়ে গঠিত।
      - এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।

      • দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
      - আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
      - এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির ।
      - এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া 
      - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
      – এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
      - দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
      - এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে ‘চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
      - নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

      • আফ্রিকা মহাদেশ:
      - আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
      - আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
      - এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
      - আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
      - আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

      উৎস: Worldatlas.
      ১১৭.
      কোথায় আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত?
      1. টোকিও
      2. ম্যানিলা
      3. ভারত
      4. নেপাল
      সঠিক উত্তর:
      ম্যানিলা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ম্যানিলা
      ব্যাখ্যা
      ম্যানিলা, ফিলিপাইন-এ আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।

      IRRI:
      - IRRI-এর পূর্ণরূপ: International Rice Research Institute.
      - IRRI হলো একটি স্বাধীন, অলাভজনক, গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
      - সদর দপ্তর: লস ব্যানোস, ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
      - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬০ সাল।
      - কার্যক্রম পরিচালনা করে - এশিয়া ও আফ্রিকার ১৭টি দেশে।

      উৎস: IRRI ওয়েবসাইট।
      ১১৮.
      কোথায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবস্থিত?
      1. লন্ডন
      2. প্যারিস
      3. ব্রাসেলস
      4. ফ্রাঙ্কফুর্ট
      সঠিক উত্তর:
      ফ্রাঙ্কফুর্ট
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ফ্রাঙ্কফুর্ট
      ব্যাখ্যা
      ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB):
      - ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) হল ইউরো মুদ্রার ব্যাংক, যা ইউরোজোনের আর্থিক নীতি পরিচালনা করে।
      - ECB গঠনের প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয় ১৯৮৮ সালে Economic and Monetary Union গঠনের মাধ্যমে।
      - দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৯৪ সালে European Monetary Institute (EMI) গঠিত হয়।
      - আমস্টারডাম চুক্তির মাধ্যমে ১ জুন, ১৯৯৮ সালে ECB প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - এটি মূলত European Monetary Institute (EMI) এর উত্তরসূরী।
      - ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলের একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
      - ইউরোপীয় ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদরদপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অবস্থিত।

      ⇒ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলী:
      - EU অঞ্চলে ECB একটি স্থিতিশীল ব্যাংকিং পরিবেশ নিশ্চিত করে।
      - EU অঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে।
      - নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
      - ইউরো নোট ইস্যু ও সরবরাহ করে।
      - ইউরো মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ ইত্যাদি।

      এছাড়াও,
      - ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদরদপ্তর - স্ট্রাসবার্গ, ব্রাসেলস ও লুক্সেমবার্গে অবস্থিত।
      - ইইউর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
      - বর্তমানে EU - এর সদস্য দেশ ২৭টি।

      উৎস: ECB ও EU ওয়েবসাইট।
      ১১৯.
      যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
      1. রিচার্ড নিক্সন
      2. বিল ক্লিনটন
      3. কেনেডি
      4. ডনাল্ড ট্রাম্প
      সঠিক উত্তর:
      ডনাল্ড ট্রাম্প
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ডনাল্ড ট্রাম্প
      ব্যাখ্যা
      ডোনাল্ড ট্রাম্প:
      - ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।

      উল্লেখ্য,
      ⇒ ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
      - তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

      ⇒ তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
      - তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।
      - তার আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম - Trump: The Art of the Deal।

      এছাড়াও,
      - ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
      - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
      - বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
      - অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
      - তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

      অন্যদিকে,
      রিচার্ড নিক্সন:
      - রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট।
      - তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন এবং একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন।

      বিল ক্লিনটন:
      - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
      - তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

      - জন এফ কেনেডি ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর, জন এফ কেনেডি ডালাস, টেক্সাসে এক কাফি সফরের সময় এক সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন।

      উৎস: Britannica.
      ১২০.
      TIFA এর পূর্ণরূপ কী?
      1. Trade for International Finance Agreement
      2. Trade and Investment Framework Agreement
      3. Treaty for International Free Area
      4. Trade and Investment form America
      সঠিক উত্তর:
      Trade and Investment Framework Agreement
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Trade and Investment Framework Agreement
      ব্যাখ্যা
      TIFA:
      - TIFA-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে; Trade and Investment Framework Agreement.

      উল্লেখ্য,
      - ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিনিয়োগের পথ সুগম করতে Trade and Investment Framework Agreement (TIFA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
      - অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সে দেশের বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী ডান টিহান এবং বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
      - বাংলাদেশ ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ডিউটি এবং কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে।

      উৎস: Office of the United States Trade Representative.
      ১২১.
      ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্ত হয় -
      1. ১৯৭০
      2. ১৯৭২
      3. ১৯৭৫
      4. ১৯৭৭
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭৫
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭৫
      ব্যাখ্যা
      ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে।

      সিকিম:
      - ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিম।
      - সিকিম পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
      - এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত।
      - মাত্র ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট রাজ্যটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি।
      - সিকিমের রাজধানীর নাম গ্যাংটক।
      - সিকিম প্রথমে স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থাকলেও বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়।

      উল্লেখ্য,
      - সিকিমে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বাধীন সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস
      - ১৯৭৪ সালে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জি অস্বাভাবিক ব্যবধানে বিজয় লাভ করে।
      - ৩২টি আসনের মধ্যে ৩১টি আসনেই তার দল জয়ী হয়েছিল।
      - এতে সিকিমের প্রধানমন্ত্রী হন লেন্দুপ দর্জি।
      - ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ লেন্দুপ দর্জি কেবিনেট মিটিংয়ে রাজতন্ত্র বিলোপের প্রশ্নে একটি সাজানো গণভোটের আয়োজন করেন।
      - যার ফলাফলস্বরূপ অবসান ঘটে চোগিয়াল পদের।
      - ২৬ এপ্রিল, ১৯৭৫ ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় সিকিম।

      উৎস: Britannica.
      ১২২.
      ২০২২ সালে G-20 শীর্ষ বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
      1. সিংগাপুর
      2. জাকার্তা
      3. ম্যানিলা
      4. বালী
      সঠিক উত্তর:
      বালী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বালী
      ব্যাখ্যা
      ১৫-১৬ নভেম্বর, ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে G20 রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান পর্যায়ের - ১৭-তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

      জি-২০:
      - G-20 বা Group of 20।
      - এটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
      - বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল গ্রুপ অব টুয়েন্টি বা জি-২০।
      - এটি বৈশ্বিক স্থাপত্য গঠন ও শক্তিশালীকরণ আর সব প্রধান আন্তর্জাতিক অর্থনীতি পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
      - ফোরামটি বৈশ্বিক অর্থনীতির পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি প্রশমন এবং স্থিতিশীল উন্নয়নের মতো বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম।

      ⇒ জি-২০’র সদস্য: ২১টি।
      - দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
      - সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
      - স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

      ⇒ বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
      - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।

      উল্লেখ্য,
      - ২০২৪ সালের ১৮-১৯ নভেম্বরে ১৯তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।
      - ২০২৫ সালে ২০তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়।

      এছাড়াও,
      - জি২০ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কয়েকটি দেশ মিলে আবার জি ৭ গঠন করেছে।
      - জি২০ ভুক্ত কয়েকটি দেশ মিলে ব্রিকস নামে আরেকটি সংগঠন তৈরি করেছে।

      উৎস: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
      ii) BBC.
      ১২৩.
      'বেল্ট অ্যান্ড রোড' কার্যক্রম শুরু হয় :
      1. ২০০০ সাল
      2. ২০০১ সাল
      3. ২০১৩ সাল
      4. ২০১৬ সাল
      সঠিক উত্তর:
      ২০১৩ সাল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২০১৩ সাল
      ব্যাখ্যা
      'বেল্ট অ্যান্ড রোড' কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৩ সালে।

      বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):

      - বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
      - ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
      - এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
      - উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
      - মে ২০১৮ থেকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ১৯টি ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারের একটি সিরিজ তৈরি করেছে (নীচে উপলব্ধ) এবং একটি সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ঋণ, সংগ্রহ, পরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোর সাথে BRI-এর লিঙ্কগুলির স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রদান করে।

      ⇒ BRI এর মূল লক্ষ্য হলো চীন ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
      - প্রকল্পের উদ্দেশ্য বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি সাধনের চেষ্টা করা।
      - প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে করার পরিকল্পনা আছে।

      উল্লেখ্য,
      - চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
      - PGII- এর পূর্ণরূপ: Partnership for Global Infrastructure and Investment.
      - চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
      - ২০২২ সালে ৪৮তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হয় 'PGII'।

      উৎস: i) Britannica.
      ii) BBC.
      ১২৪.
      বান্দা আচেহ কোথায় অবস্থিত?
      1. ইন্দোনেশিয়া
      2. থাইল্যান্ড
      3. ফিলিপাইন
      4. কম্বোডিয়া
      সঠিক উত্তর:
      ইন্দোনেশিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ইন্দোনেশিয়া
      ব্যাখ্যা
      বান্দা আচেহ:
      - বান্দা আচেহ ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত।
      - এটি ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
      - এটি আচেহ নদীর তীরে এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে অবস্থিত।
      - এর উচ্চতা ৩৫ মিটার।
      - বান্দা আচেহ ইন্দোনেশিয়ার একটি পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ইসলামিক স্মারকস্থল এবং বৌদ্ধ পর্যটনের জন্য পরিচিত শহর।
      - ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সর্বপ্রথম এই প্রদেশেই ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - মুসলিম অধ্যুষিত দেশটিতে আচেহই একমাত্র এলাকা যেখানে ইসলামি শরিয়াহ অনুসরণ করা হয়।

      ⇒ বান্দা আচেহ ঐতিহাসিকভাবে 'মক্কার প্রবেশপথ' (“doorway to Mecca") বলা হয়।
      - এখান থেকে জাহাজে করে খুব সহজে মুসলিমদের পবিত্র স্থান মক্কায় যাতায়াত করা যায়।
      - বিখ্যাত পরিব্রাজক মার্কো পোলো ১৩৪৫ সালে এবং ইবনে বতুতা ১৩৪৬ সালে বান্দা আচেহ ভ্রমণ করেন।

      উৎস: Britannica.
      ১২৫.
      ফেসবুকের সদর দফতর :
      1. সিয়াটল
      2. ক্যালিফোর্নিয়া
      3. ওয়াশিংটন
      4. নিউইয়র্ক
      সঠিক উত্তর:
      ক্যালিফোর্নিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ক্যালিফোর্নিয়া
      ব্যাখ্যা
      Facebook:
      - ফেসবুক একটি আমেরিকান অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।
      - ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে বন্ধুত্ব তৈরির পাশাপাশি, বার্তা বা বিভিন্ন সংবাদ আদান-প্রদান, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
      - প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সাল।
      - প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জুকারবার্গ ও তার চারজন বন্ধু মিলে পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরি করেন।
      - সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
      - ফেসবুকের iOS, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের পাশাপাশি ওয়েবসাইট থেকেও ব্যবহার করা যায়।

      উৎস: Facebook ওয়েবসাইট।
      ১২৬.
      ‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট' কোথায় অবস্থিত?
      1. কানাডা
      2. পশ্চিম আফ্রিকা
      3. নর্থ আমেরিকা
      4. অস্ট্রেলিয়া
      সঠিক উত্তর:
      অস্ট্রেলিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অস্ট্রেলিয়া
      ব্যাখ্যা
      গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি:
      - - গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
      - এটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি।
      - মোট আয়তন ৩৪৮,৭৫০ বর্গ কিলোমিটার।
      - এটি মূলত সমতল তৃণভূমি।
      - এখানে রয়েছে লবণাক্ত হৃদ, ছোট পাহাড় ও শুকনা উপত্যকা।
      - সাহারা মরুভূমির মতো এখানেও হাজার বছর ধরে আদিবাসীরা বসবাস করছে।

      ⇒ এছাড়াও, কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
      - পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি, আর্জেন্টিনা।
      - থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
      - মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র।
      - সাহারা মরুভূমি: আফ্রিক।
      - আতাকামা মরুভূমি: চিলি।
      - কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
      - গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি: অস্ট্রেলিয়া।

      উৎস: Britannica.
      ১২৭.
      তিব্বত একটি-
      1. উপত্যকা
      2. উপদ্বীপ
      3. দ্বীপ
      4. মরুভুমি
      সঠিক উত্তর:
      উপত্যকা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      উপত্যকা
      ব্যাখ্যা
      উপত্যকা:
      - দুইটি পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত সমতল বা অসমতল, ঢালু, প্রশস্ত ভূমিক্ষেত্রকে উপত্যকা বলে।

      ⇒ তিব্বত (Tibet):

      - তিব্বত একটি উপত্যকা।
      - একে "roof of the world" নামেও অভিহিত করা হয়।

      ⇒ তিব্বত মূলত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী অধ্যুসিত এলাকা।
      - চীন দীর্ঘদিন থেকে অঞ্চলটির মালিকানা দাবি করে আসছে।

      ⇒ তিব্বতের আয়তন: ১২,২১,৬০০ বর্গকিলোমিটার।
      = রাজধানী শহর: লাসা।
      - একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয়।

      ⇒ হিমালয়ের সমগ্র পরিসর জুড়ে, অসংখ্য উপত্যকা এবং গিরিখাত রয়েছে।
      - বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে সুন্দর পর্বতশ্রেণী, এই উপত্যকাগুলি শুধুমাত্র পাহাড়ের তীব্র সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তোলে এবং পাহাড়ের তুষারময় প্রান্তরকে উপত্যকার সবুজ সবুজ ল্যান্ডস্কেপের সাথে বৈসাদৃশ্য করে ভ্রমণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তোলে।

      উৎস: i) Britannica.
      ii) USGS (.gov).
      ১২৮.
      কোন দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়?
      1. সাইপ্রাস
      2. আলজেরিয়া
      3. ইস্টোনিয়া
      4. মাল্টা
      সঠিক উত্তর:
      আলজেরিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আলজেরিয়া
      ব্যাখ্যা
      ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
      - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
      - এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
      - এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
      - সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
      - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
      - ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

      উল্লেখ্য,
      - ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা: ইউরো।
      - ইউরো মুদ্রার জনক: রবার্ট মুন্ডেল।
      - ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরো মুদ্রা প্রচলন প্রচলন শুরু হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে
      - ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশসমূহের সীমান্ত বাহিনীর নাম: FRONTEX।

      অন্যদিকে,
      - আলজেরিয়া আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, এটি  ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।

      উৎস: EU ওয়েবসাইট।
      ১২৯.
      পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোথায় অবস্থান করে?
      1. পানির উপরিভাগে
      2. পানির মধ্যভাগে
      3. পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
      4. পানির তলদেশে
      সঠিক উত্তর:
      পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
      ব্যাখ্যা
      দ্রবীভূত অক্সিজেন:
      - পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে পানির উপরিভাগে, এবং গভীরতার সাথে সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে।

      ⇒ প্রকৃতপক্ষে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন পানির সকল স্তর তথা উপরিভাগ, মধ্যভাগ এবং তলদেশ সকল স্তরেই থাকে।
      - মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন।
      - যারা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না তাদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

      ⇒ পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন, এখানে দ্রবীভূত মানে হচ্ছে পানির মধ্যে অক্সিজেনের অণুগুলো অবস্থান করছে।
      - কীভাবে করছে? আণবিক স্তর বিবেচনায়, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
      - The United States Geological Survey অনুসারে, প্রতি মিলিয়ন পানির অণুতে অক্সিজেনের প্রায় দশ অণু পর্যন্ত দ্রবীভূত হতে পারে।

      যাইহোক, প্রশ্ন যদি এটা দেয়া হতো, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি কোথায় অবস্থান করে?
      সঠিক উত্তর: ক) পানির উপরিভাগে; এটা হতো।
      যহেতু,
      প্রশ্নে এটা চাওয়া হয়নি যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন "সবচেয়ে বেশি" কোথায় অবস্থান করে।
      দ্বিতীয়ত, গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে - এই অপশনটি অকারণে দেয়া হয়নি।
      তাই সঠিক উত্তর, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
      ১৩০.
      নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
      1. বাখরাবাদ
      2. হরিপুর
      3. তিতাস
      4. হবিগঞ্জ
      সঠিক উত্তর:
      তিতাস
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      তিতাস
      ব্যাখ্যা
      গ্যাসক্ষেত্র:
      - উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
      - এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
      - এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

      উল্লেখ্য,
      - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
      - এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
      - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

      অন্যদিকে,
      - প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
      - প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
      - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

      এছাড়া,
      - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
      - এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

      ⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
      - দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৯টি।
      - এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
      - দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি।
      - ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানিকৃত আরএলএনজিসহ গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ মোট প্রায় ১,০০২.৬ বিলিয়ন ঘনফুট এবং গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৯৩২.৪ বিলিয়ন ঘনফুট।

      ⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
      - বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
      - শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
      - ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
      - গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

      উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
      ১৩১.
      ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে বলে -
      1. ফোকাস
      2. এপিসেন্টার
      3. ফ্রাকচার
      4. ফল্ট
      সঠিক উত্তর:
      এপিসেন্টার
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      এপিসেন্টার
      ব্যাখ্যা
      ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে বলে এপিসেন্টার।

      ভূমিকম্প:
      - ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
      - ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
      - ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
      - কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
      - সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
      - কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
      - ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
      - ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
      - ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে।

      ⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
      - পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
      - এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
      - আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

      ⇒ ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
      - শিলাচ্যুতি,
      - তাপ বিকিরণ,
      - ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
      - ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
      - হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
      ১৩২.
      বিশ্বব্যাপী নিচের কোন অর্থনৈতিক খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়?
      1. পরিবহন
      2. বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
      3. ভবন নির্মাণ
      4. শিল্প
      সঠিক উত্তর:
      বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
      ব্যাখ্যা
      গ্রিন হাউস:
      - গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
      - যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ বলা হয়।
      - গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
      - ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

      ⇒ গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে রয়েছে:
      - কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয়বাষ্প, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাস প্রভৃতি।

      ⇒ বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন খাত থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
      - এই খাতটি প্রধানত ফসিল জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ এবং তাপ উৎপাদন করে, যা বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে।
      - প্রায় ৩৪% গ্রিনহাউস গ্যাস এই খাত থেকে নিঃসরিত হয়।

      অন্যদিকে,
      - পরিবহন থেকে প্রায় ১৫% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।
      - শিল্প থেকে প্রায় ২৪% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।
      - ভবন নির্মাণ থেকে প্রায় ৬% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।

      উৎস: i) U.S. Environmental Protection Agency (.gov)। [link]
      ii) Britannica.
      ১৩৩.
      ভালো-মন্দ কোন ধরনের মূল্যবোধ?
      1. নৈতিক
      2. অর্থনৈতিক
      3. রাজনৈতিক
      4. সামাজিক
      সঠিক উত্তর:
      নৈতিক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নৈতিক
      ব্যাখ্যা
      মূল্যবোধ:
      - মানুষের কর্মকান্ডের ভালো-মন্দ বিচার করার ভিত্তি হচ্ছে মূল্যবোধ।
      - মূল্যবোধ মানুষের আচার-ব্যবহার, ধ্যান-ধারনা, চাল-চলন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করার মাপকাঠি স্বরূপ।
      - মূল্যবোধের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য মূল্যবোধ একটি মানবিক গুনাবলী।
      - মূল্যবোধ একজন মানুষের নীতি-নৈতিকতা ও বিবেকের উপর নির্ভরশীল।
      - মূল্যবোধ সামাজিক আচার-ব্যবহার, সংস্কৃতি চর্চা ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়।

      ⇒ মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:
      নৈতিক প্রাধান্য:
      - মূল্যবোধ বিষয়টি নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল। নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তি সাধারণত মূল্যবোধসম্পন্ন হয় না।

      নির্দিষ্টতা:
      - যেমন, মায়ের প্রতি কারো সম্মান। আবার তা সাধারণও হতে পারে। যেমন, যে প্রতিবেশীকে ভালবাসে আসলে সে নিজেকেই ভালবাসে।

      বিভিন্নতা:
      - সংস্কৃতি ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক থেকে শুরু করে নানা দিক থেকে পশ্চিমা সংস্কৃতির মূল্যবোধের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির মূল্যবোধের পার্থক্য আছে।

      আপেক্ষিকতা:
      - মূল্যবোধ একটি আপেক্ষিক বিষয়। একই মূল্যবোধ ভিন্ন-ভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে নানারকম হতে পারে। অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের মাত্রা কম বা বেশি দেখা যায়।

      সামাজিক মানদন্ড:
      - বিদ্যমান মূল্যবোধ দিয়ে একটি সমাজের বা রাষ্ট্রের পরিবেশ, সংস্কৃতি, চিন্তা-ভাবনার মূল্যায়ন করা যায়। যেমন, কৃষি প্রধান সমাজের মূল্যবোধ একরকম, আবার শিল্পসমৃদ্ধ সমাজের মূল্যবোধ অন্যরকম।

      পরিবর্তনশীলতা:
      - মূল্যবোধ যেহেতু চর্চার বিষয় এবং অভ্যাসের দ্বারা গড়ে উঠে, তাই ভিন্ন সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন বসবাসের ফলে একজন ব্যক্তির পুরনো মূল্যবোধে পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন, একজন বাঙালি দীর্ঘ দিন পশ্চিমা কোন সংস্কৃতিতে বসবাস করলে তার আচারণ-আচরণে চিন্তায় নানান পরিবর্তন ঘটতে পারে।

      সম্পর্কের সেতু:
      - অপরিচিত ব্যক্তিরা অনেক সময় একই মূল্যবোধের হলে, তাদের মাঝেও একটি আত্নিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। যেমন কোন বাংলাদেশি নাগরিক লন্ডনে আরেকজন অপরিচিত বাংলাদেশী নাগরিককের সাথে দেখা হলে সহজেই তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে।

      ⇒ মূল্যবোধ হচ্ছে ভালো-মন্দ বিচার করার ভিত্তি, যা মূলত নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল।
      - সুতরাং ভালো-মন্দ এক ধরনের নৈতিক মূল্যবোধ।]

      উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, উচ্চ মাধ্যমিক, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
      ১৩৪.
      সুশাসন প্রত্যয়টির উদ্ভাবক কে?
      1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
      2. আই, এল, ও
      3. বিশ্বব্যাংক
      4. জাতিসংঘ
      সঠিক উত্তর:
      বিশ্বব্যাংক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বিশ্বব্যাংক
      ব্যাখ্যা
      বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
      - 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
      - ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
      - এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
      - ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'

      ⇒ সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক। সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
      - বিশ্বব্যাংকের মতে, 'সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।
      - পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন’ নামের রিপোর্টে সুশাসন ধারণাটি সুম্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
      - সংস্থাটির মতে অনুন্নত ও উন্নয়নীল দেশগুলোতে উন্নয়ন না হওয়ার পেছনে সুশাসনের অনুপস্থিতি মুখ্যত দায়ী অভাব।

      ⇒ ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
      - চারটি স্তম্ভ হলো:
      ১. দায়িত্বশীলতা
      ২. স্বচ্ছতা,
      ৩. আইনি কাঠামো ও
      ৪. অংশগ্রহণ।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
      ১৩৫.
      ‘জ্ঞান হয় পুণ্য'-এই উক্তিটি কার?
      1. থেলিস
      2. সক্রেটিস
      3. এ্যারিস্টটল
      4. প্লেটো
      সঠিক উত্তর:
      সক্রেটিস
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সক্রেটিস
      ব্যাখ্যা
      জ্ঞান:
      - প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসের মতে নৈতিক ক্রিয়া বা ন্যায়ের ভিত্তি হলো জ্ঞান।
      - তার মতে যার মধ্যে ন্যায়বোধ সম্পর্কে জ্ঞান নেই তার পক্ষে ন্যায় কাজ করা সম্ভব নয়।
      - এজন্যই সক্রেটিস সদগুণ ও জ্ঞানকে একত্রে করে বলেছেন, ''জ্ঞানই পূণ্য''।
      - তার মতে ন্যায়ের ভিত্তি হলো প্রকৃত জ্ঞান এবং অন্যায়ের ভিত্তি হলো অজ্ঞতা।

      ⇒ মূলত: বাক্যটি ছিল এরকম, “Virtue is knowledge’’ বা পূণ্যই জ্ঞান।
      - এই বাক্যটিকেই কিছুটা ঘুরিয়ে বলা হয়েছে, “জ্ঞান হয় পূন্য”।
      - এই উক্তিটি পাওয়া যায় প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক Socrates এবং Meno নামক একজন গ্রীক উদীয়মান অভিজাত তরুণের একটি কথোপকথন থেকে।
      - এই কথোপকথনটি পাওয়া যায় সক্রেটিস - এর শিষ্য প্লেটোর রচিত গ্রন্থ - Dialogues -এ।

      - যেহেতু সক্রেটিসের লিখিত কোন বই এর সন্ধান পাওয়া যায় না; তাই সক্রেটিসকে জানার জন্য তারই ছাত্র প্লেটোর উপর নির্ভর করতে হয়।
      - প্লেটো তার রচিত জগদ্বিখ্যাত ‘Dialogues’ গ্রন্থে সক্রেটিসের সাথে অন্যান্যদের জ্ঞানমূলক কথোপকথনগুলোকে পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে এসেছেন। অর্থ্যাৎ, Plato এর Dialogue বইয়ের উক্তিগুলো মূলত সক্রেটিসের; প্লেটোর নিজের উক্তি নয়।
      - Dialogue বইটি প্লেটোর রচিত বলে সক্রেটিসের উক্তিগুলো অনেকে প্লেটোর উক্তি বলে মনে করেন। এজন্যই অনেক ক্ষেত্রে এবং বিশেষ করে আলোচ্য প্রশ্নের ক্ষেত্রেও কনফিউশন তৈরী হয়েছে।
      সুতরাং, আলোচ্য উক্তিটি নি:সন্দেহে সক্রেটিসের এবং তার ছাত্র, প্লেটো গুরু সক্রেটিসের কথোপথনগুলো সংরক্ষণ করেন এবং তার মাধ্যমেই পরবর্তীতে এটা প্রকাশিত হয়।

      উৎস: i) The Dialogues of Plato.
      ii) https://psychology.okstate.edu/faculty/jgrice/psyc3120/Meno.pdf
      iii) https://www.britannica.com/topic/Meno-by-Plato
      iv) নীতিবিদ্যা, মুহাম্মদ আবদুল বারী।