পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৪ বিষয়: কৃষি (টেকনিক্যাল) টপিক: ১. কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সেচ, ২. গৃহপালিত পশুপাখি পালন ও মাছ চাষ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
ফিল্ড ক্যাপাসিটি বলতে নিচের কোনটি বোঝায়?
  1. সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে
  2. সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ
  3. যখন মাটি গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না
  4. সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ
ব্যাখ্যা
স্যাচুরেশন:
- সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে এবং পানি সহজেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা মূল অঞ্চল (root zone) থেকে ঝরে যায় বা বেরিয়ে যায়।

ফিল্ড ক্যাপাসিটি:
- সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ।

স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট (PWP): 
- যখন মাটি এমনভাবে শুকিয়ে যায় যে গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এটি কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না।

Available water holding capacity (AWC):
- এটি হল সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে।
- এটি ফিল্ড ক্যাপাসিটি এবং স্থায়ী ওয়েল্টিং পয়েন্টের মধ্যে ধারণ করা পানি। 

উৎস: University of Minnesota Extension.
.
শিং মাছের ক্ষত রোগ কিসের আক্রমণে হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. পরজীবী
  3. ছত্রাক
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
- মাছ প্রাথমিকভাবে ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয় বলে ছত্রাক উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

মাছের ক্ষত রোগ: 

- মাছের ক্ষত রোগের বৈজ্ঞানিক নাম এপিজুটিক আলসারেটিভ সিনড্রোম (EUS)। 
- এই রোগ মাইকোটিক গ্যানুলোম্যাটোসিস (MG), আলসারেটিভ মাইকোসিস (UM) বা রেড স্পট ডিজিজ (RSD) নামেও পরিচিত।
- ১৯৭১-৭২ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রথম এই রোগ শনাক্ত হয় এবং পরে ধীরে ধীরে সমগ্র এশিয়া- প্যাসিফিক অঞ্চলে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৮৮ সালের মারাত্মক বন্যার পরে, বাংলাদেশে প্রথম মাছের ক্ষত রোড প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়া যায়।
- এতে ইন্ডিয়ান মেজর কার্প জাতীয় মাছ যেমন: রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি প্রজাতি প্রধানত আক্রান্ত হয়।

কারণ:
- জলাশয়ের দূষিত পরিবেশ, পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও পানির পিএইচ ৭ এর নিচে নামা, অ্যালকালিনিটি ৪০-৫০ পিপিএম ও ক্লোরাইডের স্বল্পতা হলে প্রাথমিক পর্যায়ে পানিতে বসবাসকারী Aphanomyces invadans নামক প্রজাতির মন্ড (এক প্রকার ছত্রাক) দ্বারা এ রোগের সংক্রমণ হয়।
- ছত্রাকের এ প্রজাতি ছাড়াও Achlya spp নামক প্রজাতি আক্রান্ত মাছের বহিঃত্বকে পাওয়ার রেকর্ড আছে।
- রোগের দ্বিতীয় স্তরের সংক্রমণ (Secondery infection) এ Aeromonas hydrophila, A. sobria, Pseodomonas spp. ও Vibrio spp. নামক ব্যাকটেরিয়ার আবির্ভাব ঘটে।
- এছাড়াও স্নেকহেড এবং এই রোগে সংবেদনশীল অন্যান্য প্রজাতির রোগাক্রান্ত মাছের ক্ষত থেকে বেশ কয়েকটি birnavirus, reovirus rhabdovirus এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

আক্রান্ত প্রজাতি:
শোল, টাকি, পুঁটি, কৈ, শিং, বাইম, কার্প জাতীয় মাছসহ প্রায় ৩২ প্রজাতির মাছ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

সময়:
সাধারণত শীতকালের শুরুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।

লক্ষণ: 
- শুরুতে মাছের গায়ে ছোট ছোট লাল দাগ দেখা যায়; 
- লাল দাগে ঘা ও ক্ষত হয়; 
- ক্ষতে চাপ দিলে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়; মাছ খাদ্য কম খায়; 
- মাছ ভারসাম্যহীনভাবে পানির উপরে ভেসে থাকে; 
- আক্রান্ত ক্ষতের মাংস খসে হাড় বেড়িয়ে পড়ে; 
- আক্রান্ত অংশ দেহ হতে খসে পড়ে; 
- আক্রান্ত মাছ ১৫-২০ দিনের মধ্যে মারা যায়।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার ব্যবস্থা: 
- জলাশয়ের সুস্থ ও স্বাভাবিক দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে হবে; 
- জৈব সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে; 
- মাছের ঘনত্ব কম রাখতে হবে; 
- আক্রান্ত মাছ সরিয়ে ফেলতে হবে; 
- পাড়ের গাছের ডালপালা ছেটে দিতে হবে;
- আশ্বিন বা কার্তিক মাসে প্রতি শতকে ৩ ফুট পানির গড় গভীরতার জন্য ৫০০ গ্রাম চুন ও ৫০০ গ্রাম লবণ প্রয়োগ করলে ক্ষত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়; 
- আক্রান্ত মাছের পুকুরে শতাংশ প্রতি ৫০০ গ্রাম চুন ও ৫০০ গ্রাম হারে লবণ তিন সপ্তাহে তিন বার প্রয়োগ করতে হবে। অথবা,
- ২-৪ পিপিএম (মিলিগ্রাম/লিটার) পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণে আক্রান্ত মাছকে এক মিনিট গোসল করাতে হবে। অথবা, 
- প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৫০ মিলিগ্রাম হারে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন বা রেনামাইসিন দুই সপ্তাহ প্রয়োগ।

উৎস: মৎস্য অধিদপ্তর। 
.
পুকুরের পানি বেশি সবুজ হলে কী দেওয়া বন্ধ করতে হবে?
  1. চুন
  2. সার
  3. গমের ভুষি
  4. ফিস মিল
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
মাছ চাষের ব্যবস্থাপনা: 
- পুকুরের তলদেশে কাদা থাকলে ক্ষতিকর গ্যাস জমে থাকতে পারে।
- দড়ির সাথে লোহা বা মাটির কাঠি কিংবা ইট বেঁধে হররা তৈরি করে পুকুরের তল ঘেষে আস্তে আস্তে টেনে তলার গ্যাস বের করে দিতে হবে।
- প্রতি মাসে একবার কিছু মাছ ধরে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।
- নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
- পুকুরের পানি কমে গেলে পানি সরবরাহ করতে হবে।
- পানি বেশি সবুজ হয়ে গেলে সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ফার্টিগেশন বলতে কী বুঝায়?
  1. আর্টিফিসিয়াল ফার্টিলাইজেশন
  2. সেচ এর সাথে হরমোনের প্রয়োগ
  3. সেচ এর সাথে পেস্টিসাইড প্রয়োগ
  4. সেচ এর সাথে রাসায়নিক সার প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
সেচ এর সাথে রাসায়নিক সার প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেচ এর সাথে রাসায়নিক সার প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফার্টিগেশন:
- ফার্টিগেশন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সেচ প্রযুক্তি।
- এতে সেচের পানির সাথে রাসায়নিক সার মিশিয়ে ফসলে প্রয়োগ করা হয়।
- কেবলমাত্র পানিতে দ্রবণীয় সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশ ইত্যাদি ফার্টিগেশন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়।
- ফলে ফসলের জমিতে সেচ এবং সার একই সঙ্গে প্রয়োগ করা যায়।
- প্রতি ১৪০ লিটার পানিতে ১ কেজি সার মিশাতে হয়।
- সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিজ্ঞানীগণ উদ্যানতত্ত্ব ফসলের উপর এ পদ্ধতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভাল ফল পেয়েছেন।

উৎস: কৃষি প্রযুক্তি হাতবই 
.
সাধারণত ধান ক্ষেতে মাছ চাষের ফলে ধানের ফলন শতকরা কত ভাগ বৃদ্ধি পায়?
  1. ৫ ভাগ
  2. ১০ ভাগ
  3. ১৫ ভাগ
  4. ২০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
১৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
ধান ক্ষেতে মাছ চাষ: 
- ধান ক্ষেতে নির্দিষ্ট সময় ধরে বর্ষার পানি জমে থাকে যা নিঃসন্দেহে মাছ চাষের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ।
- ধান ক্ষেতে ব্যবহৃত সার, গোবর ইতাদি, পানি ও মাটির সাথে মিশে প্রাকৃতিকভাবে খাবার তৈরি করে যা মাছ উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী।
- এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধান ক্ষেতে মাছ চাষের প্রযুক্তি ব্যবহার করে একজন চাষী ধান উৎপাদনের সাথে সাথে বাড়তি আয়ও পেতে পারে।
- আমন ও বোরো দুই মৌসুমেই ধান ক্ষেতে মাছ চাষ করা সম্ভব ।
- তবে আমন মৌসুমে ধান ক্ষেতে মাছ চাষ বেশী লাভজনক।
- সেচ সুবিধার আওতাধীন যে সমস্ত ধান জমি রয়েছে সেসকল জমিতে স্বল্প ব্যয়ে এবং স্বল্প পরিশ্রমে ধানের পাশাপাশি মাছ উৎপাদন করা সম্ভব।
- ধান ক্ষেতে মাছ চাষ প্রযুক্তি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শুধু অর্থই যোগান দেয় না সেই সাথে তাদের পুষ্টিও নিশ্চিত করে।
- ধান ক্ষেতে মাছ চাষের ফলে ধানের ফলন সাধারণত শতকরা ১৫ ভাগ বৃদ্ধি পায়। 

ধান ক্ষেতে মাছ চাষের সুবিধা: 
- একই জমি থেকে ধানের সাথে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে মাছ পাওয়া যায় সুতরাং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব।
- ধান ক্ষেতে আগাছা কম জন্মে এবং অনিষ্টকারী পোনা-মাকড় মাছ খায়ে ফেলে। ফলে ধানক্ষেতে কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
- মাছের চলাফেরার মাধ্যমে ক্ষেতের কাদামাটি উলটপালট হয় ফলে জমি হতে ধানের পক্ষেঅধিকতর পুষ্টি গ্রহণযোগ্য হয়।
- মাছের বিষ্টা সার হিসাবে ধান ক্ষেতের উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করে।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
.
সেক্স ফেরোমন ফাঁদ পোকার কোন বৃদ্ধির পর্যায়ে কার্যকরী?
  1. ডিম
  2. লার্ভা
  3. পিউপা
  4. পূর্ণাঙ্গ পোকা
সঠিক উত্তর:
পূর্ণাঙ্গ পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণাঙ্গ পোকা
ব্যাখ্যা
- সেক্স ফেরোমন ফাঁদ পূর্ণাঙ্গ পোকা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। 

সেক্স ফেরোমন:

- প্রতিটি পোকার স্ত্রী পোকা পূর্ণাঙ্গ হওয়ার সাথে সাথে পুরুষ পোকাকে আকৃষ্ট করার জন্য একধরনের গন্ধ নিঃসরন করে।
- সেই গন্ধে পুরুষ পোকা স্ত্রী পোকার দিকে আকৃষ্ট হয় এবং মিলিত হয়।
- পূর্ণাঙ্গ স্ত্রী পোকা কর্তৃক নিঃসৃত উক্ত গন্ধ সেক্স ফেরোমন নামে পরিচিত।
- বিভিন্ন পোকার ফেরোমন প্রথমত: প্রাকৃতিকভাবে সনাক্ত করে পরবর্তীতে তা কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করা হয় এবং যা বর্তমানে বানিজ্যিকভাবে পাওয়া যায়।

সেক্স ফেরোমনের ব্যবহার:
- প্রাথমিক অবস্থায় কোন পোকার অবস্থান সনাক্ত করা এবং সেই সাথে তাদের নিয়ন্ত্রন বা দমন করার জন্য ফেরোমন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে সেক্স ফেরোমনের গন্ধ, যা টোপ বা লিউর নামে পরিচিত একটি ফাঁদের মধ্যে স্থাপন করে প্রথমত: পুরুষ পোকাকে আকৃষ্ট এবং পরবর্তীতে ধরে বা মেরে ফেলা হয়।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
.
সেচ পানির পরিমাণ নির্ণয়ে নিচের কোন সূত্রটি সঠিক?
  1. IR = WR + ER + S
  2. IR = WR + ER - S
  3. IR = WR - ER - S
  4. IR = WR - ER + S
সঠিক উত্তর:
IR = WR - ER - S
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IR = WR - ER - S
ব্যাখ্যা
ফসলের পানি চাহিদা:
- কোন একটি ফসল তার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে মাটি হতে মোট যে পরিমান পানি গ্রহণ করে তাকে ফসলের পানি চাহিদা বলে।
- অপরদিকে যে পরিমান পানি গ্রহণ করতে না পারলে কোন ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় সেই পারিমান পানিকে ফসলের ন্যূনতম পানির চাহিদা বলে।
- ফসলের পানির পরিমান ফসলের জীবনকাল, মাটির ধরন, বৃদ্ধি পাওয়া ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে।
- আবার গাছের জীবনচক্রে সব সময় সমান পরিমান পানি লাগে না।
- ফসলের যে বৃদ্ধি পর্যায়ে পানির অভাব হলে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায় তাকে ফসলের পানির ক্রান্তিকাল বলে।

নিম্নবর্ণিত সূত্রের সাহায্যে ফসলের পানি চাহিদা নির্ণয় করা যায়।
WR = IR + ER + S
বা, IR = WR - ER - S

যেখানে, 
WR = মোট পানির চাহিদা
IR = সেচ পানি
ER = কার্যকরী বৃষ্টিপাত
S = মাটি থেকে সরবরাকৃত পানি

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাছ কোনগুলো?
  1. শিং, মাগুর
  2. কমন কার্প, গ্রাস কার্প
  3. সরপুটি, কমন কার্প
  4. রুই, কাতলা
সঠিক উত্তর:
সরপুটি, কমন কার্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরপুটি, কমন কার্প
ব্যাখ্যা
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য উপযোগী মাছ: 
- ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হলো সর পুঁটি, কমনকার্প মাছ।
- ধান ক্ষেতে এসব জাতের মাছের একক বা মিশ্র চাষ করা যায়।
- একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ ঘনত্ব হলো সরপুটি ২০-২৫ টি এবং কমন কার্প ১০-১৫ টি।
- মিশ্র চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ হলো সরপুটি ১২টি+কমন কার্প ৮টি = মোট ২০টি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
SRI (System of Rice Intensification) পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করা হয়?
  1. প্লাবন সেচ
  2. ড্রিপ সেচ
  3. পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD)
  4. ফোয়ারা সেচ
সঠিক উত্তর:
পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD)
ব্যাখ্যা
SRI:
- SRI (System of Rice Intensification) হলো পানি সেচের মাধ্যমে ধান চাষের এমন একটি কৃষি পরিবেশিক পদ্ধতি যেখানে ফসল, মাটি, পানি এবং উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের ভিন্নতর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের ফসল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
- SRI পদ্ধতিতে চাষ করার কৌশল সর্বপ্রথম ১৯৮০ সালের দিকে মাদাগাস্কারে উদ্ভাবিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন, রোপন, সেচ, সার, কীটনাশক কম লাগে।
- কিন্তু নিবিড় পরিচর্যা করতে হয় এবং ফলন বেশি হয়।

SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের মূলনীতি/বৈশিষ্ট্য:
১. এ পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে ৮-১২ দিন বয়সের চারা একটি করে রোপন করতে হয়।
২. বীজতলা থেকে চারা তোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে চারা ভেঙ্গে না যায়; চারা তোলার পর পরই রোপন করতে হবে।
৩. চারা বর্গাকারে ২৫-৪০ সে.মি দূরত্বে লাগাতে হবে; অর্থাৎ সারি থেকে সারি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব সমান। বর্গাকারে লাগানো গাছ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পাবে এবং আগাছা দমন সহজ হবে।
৪. জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে এবং যদি প্রয়োজন হয় তবে রাসায়নিক সারও প্রয়োগ করতে হবে।
৫. মাটি পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD) পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। এতে মূলের বৃদ্ধি ভালো হবে ও মাটির অনুজীবের কার্যাবলী বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও মিথেন গ্যাস উৎপাদন কম হবে।
৬. ধানের থোড় অবস্থা থেকে ফসল পাকার ১৫ দিন আগ পর্যন্ত ধানের জমিতে ১-২ সে.মি. এর একটি পানির স্তর রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
মাছ ও মুরগির সমন্বিত চাষ পদ্ধতিতে প্রতি শতাংশে কতটি মুরগি রাখলে মাছ চাষের জন্য কোনো সার বা খাদ্য সরবরাহের প্রয়োজন হয় না?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
মুরগির সংখ্যা:
- জলাশয় বা পুকুরের আয়তনের ওপর মুরগির সংখ্যা নির্ভর করে।
- সমন্বিত মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে ২টি হারে মুরগি লালন করলে মাছ চাষের জন্য কোনো সার বা খাদ্য সরবরাহের প্রয়োজন হয় না।
- উল্লিখিত হারে মুরগি পালন করলে সমন্বিত মাছ চাষের পুকুরের পানিতে সাধারণত কোনো প্রকারের দূষণ পরিলক্ষিত হয় না।

হাঁসের সংখ্যা:
- সমন্বিত মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে ২টি করে হাঁস পালন করা ভালো।
- এ পরিমাণ হাঁস পালন করলে পুকুরে কোন প্রকার সার ও মাছের খাদ্য সরবরাহের প্রয়োজন হয় না।
- তবে পুকুরের পানির গভীরতা ২ মিটারের অধিক হলে প্রতি শতকে ৩টি করে হাঁস পালন করা যেতে পারে।
- তবে হাঁসের বয়স ২.৫ বৎসর হয়ে গেলে তা বিক্রি করে দিয়ে সমান সংখ্যক বাচ্চা হাঁস পালে ঢুকিয়ে দিতে হবে।
- প্রতি পুকুরে ২/১ টি পুরুষ হাঁস রাখা উচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০২০ অনুসারে, নিচের কোনটি কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ নয়?
  1. ছোট খামার ও খন্ড খন্ড জমি
  2. কৃষিযন্ত্রের বিক্রয়োত্তর সেবার অপ্রতুলতা
  3. প্রাকৃতিক দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব
  4. কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
ব্যাখ্যা
- কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ নয়। কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কৌশল। 

কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ:

- ছোট খামার ও খন্ড খন্ড জমি
- কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
- কৃষিযন্ত্রের বিক্রয়োত্তর সেবার অপ্রতুলতা
- কৃষি যান্ত্রিকীকরণে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডের সীমাবদ্ধতা
- স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র ও খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদনে আধুনিক মূলধনী যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের অভাব
- আমদানিকৃত ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষি যন্ত্রপাতির গুণগত মান ঘোষণা ও নির্ধারণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি
- আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহার উপযোগী গ্রামীণ অবকাঠামোর অভাব
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব

উৎস: জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০২০
১২.
একজন মানুষের দৈনিক কমপক্ষে কত মিলি. দুধ পান করা প্রয়োজন?
  1. ১২০ মিলি.
  2. ৩০৪ মিলি.
  3. ২৫০ মিলি.
  4. ৮০ মিলি.
সঠিক উত্তর:
২৫০ মিলি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ মিলি.
ব্যাখ্যা
দুধ, মাংস এবং ডিমের চাহিদা, উৎপাদন এবং প্রাপ্যতা (২০২৩-২৪):

পণ্যের নাম চাহিদা উৎপাদন প্রাপ্যতা
দুধ ১৫৮.৭৮ লাখ মেট্রিক টন (২৫০ মি.লি./দিন/প্রতি জন) ১৫০.৪৪ লাখ মেট্রিক টন ২৩৪.৪৫ মি.লি./দিন/প্রতি জন
মাংস ৭৬.২১ লাখ মেট্রিক টন (১২০ গ্রাম/দিন/প্রতি জন) ৯২.২৫ লাখ মেট্রিক টন ১৪৩.৭৭ গ্রাম/দিন/প্রতি জন
ডিম ১৮০৯.৬০ কোটি (১০৪টি/বছর/প্রতি জন) ২৩৭৪.৯৭ কোটি ১৩৫.০৯টি/বছর/প্রতি জন

উৎস: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
১৩.
নিচের কোন তথ্যটি ডিস্ক প্লাউয়ের ক্ষেত্রে সঠিক নয়?
  1. এটি আবর্জনাকে মাটির ওপরেই রাখে ফলে মাটির আর্দ্রতা রক্ষিত হয়
  2. আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে এ প্লাউ উপযোগী নয়
  3. অনাবাদী জমিতে গভীর চাষ দেয়ার জন্য এটি উপযোগী
  4. আঠালো, ভারী কর্দম মাটিতে এ প্লাউ ভাল কাজ করে
সঠিক উত্তর:
আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে এ প্লাউ উপযোগী নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে এ প্লাউ উপযোগী নয়
ব্যাখ্যা
ডিস্ক প্লাউ:
১। যেখানে আবহাওয়া শুষ্ক এবং মাটি শক্ত ও কংকরময়।
২। আঠালো, ভারী কর্দম মাটি ও আলগা বেলে মাটিতেও ডিস্ক প্লাউ ভাল কাজ করে। এটি আবর্জনাকে মাটির ওপরেই রাখে ফলে মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষিত হয়।
৩। খুব বেশি আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে ডিস্ক প্লাউ প্রাধান্য পায়।
৪। অনাবাদী জমিকে আবাদের আওতায় আনার নিমিত্তে গভীর চাষ দেয়ার জন্য এ প্লাউ উপযুক্ত।

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
মাছের খাদ্যের আর্দ্রতা শতকরা কতভাগ বেশি হলে ছত্রাক জন্মাতে পারে?
  1. ৭%
  2. ২%
  3. ৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
নিম্নলিখিত নিয়ামকসমূহ গুদামজাতকরণের সময় মাছের খাদ্যের গুণগত মান এবং ওজন ক্ষতিগ্রস্থ করে-
- মানুষ কর্তৃক চুরি হওয়া, অগ্নিদগ্ধ হওয়া কিংবা ইঁদুর ও পোকামাকড় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া •
- বৃষ্টি, আর্দ্রতা ক্ষতিগস্থ হওয়া।
- ছত্রাক কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া।
-  মাছের খাদ্যের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০% এর বেশি হলে খাদ্যে ছত্রাক জন্মাতে পারে।
- এনজাইমের বিক্রিয়া এবং জারণের ফলে পঁচন।
- বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৫% এর বেশি থাকলে খাদ্যে ছত্রাক বা পোকামাকড় জন্মাতে পারে।
- সূর্যালোকে খোলা অবস্থায় খাদ্য রাখা হলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কিছু কিছু ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।
- খোলা অবস্থায় রাখা হলে বাতাসের অক্সিজেন খাদ্যের রেনসিডিটি (চর্বির জারণ ক্রিয়া) ঘটাতে পারে যাতে খাদ্যের গুণগতমান ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
- উচ্চ তাপমাত্রা খাদ্যের অপচয় এবং খাদ্য নষ্ট হওয়ার গতিকে ত্বরান্বিত করে।
- উচ্চ তাপমাত্রা খাদ্যে ছত্রাক এবং পোকা মাকড়ের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোন কাজ ডিস্ক হ্যারো দিয়ে করা যায়?
  1. কর্ষিত জমির উপরিভাগ সমতল করা
  2. মাটি ভাঙ্গা ও গুড়া করা
  3. আগাছা নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডিস্ক হ্যারো:
- ডিস্ক হ্যারো সাধারণত মাটি ভাঙ্গা, গুড়া করা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ করাকর্ষিত জমির উপরিভাগ মোটামুটি সমতল করে বীজ বপনের উপযুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্ষনযন্ত্র তবে কোন কোন নরম মাটিতে প্রাথমিক কর্ষনযন্ত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এটিতে একটি শ্যাফটে অনেকগুলো ডিস্ক লাগানো থাকে।
- ডিস্কগুলোসহ একেকটি শ্যাফ্টকে গ্যাং বলে।
- একটি ডিস্ক হ্যারোতে এক বা একাধিক গ্যাং থাকতে পারে।

ডিস্ক হ্যারো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন-
ক) সিঙ্গেল এক্টিং
খ) টেনডেম
গ) অফসেট

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোন পুকুরে রেণু পোনা ছাড়া হয়?
  1. আঁতুড় পুকুর
  2. লালন পুকুর
  3. মজুদ পুকুর
  4. মৌসুমী পুকুর
সঠিক উত্তর:
আঁতুড় পুকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঁতুড় পুকুর
ব্যাখ্যা
পুকুরের প্রকারভেদ:
মাছ চাষের পুকুরকে পুকুরের আয়তন, পানি ধারণ ক্ষমতা পানির স্থায়িত্ব এবং বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতিপালনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়।

১। পানির স্থায়িত্বের উপর ভিত্তি করে পুকুরের শ্রেণি বিন্যাস:
ক. স্থায়ী পুকুর এবং
খ. অস্থায়ী পুকুর

ক. স্থায়ী পুকুর:
- এ ধরনের পুকুর অধিকতর গভীর হয় এবং এতে সারা বছর পানি থাকে।
- এদের মাটি সবসময় পানি ধরে রাখতে পারে। 

খ. অস্থায়ী বা মৌসুমী পুকুর
- এ ধরনের পুকুর অগভীর এবং বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় (৩-৮ মাস) পানি থাকে।
- বেলে মাটির পুকুর সাধারণত অস্থায়ী হয় ফলে পানি বেশি দিন ধরে রাখতে পারে না।

২। আকারের উপর ভিত্তি করে শ্রেণি বিন্যাস:
বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতি পালনের জন্য ৩ ধরনের পুকুরের প্রয়োজন হয়।

ক. আঁতুড় পুকুর:
- যে পুকুরে রেণু পোনা ছেড়ে ধানী পোনা পর্যন্ত বড় করা হয় তাদেরকে আঁতুড় পুকুর বলে।
- সাধারণভাবে এ ধরনের পুকুরের আয়তন ১০-১৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়।

খ. লালন পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী পোনা ছেড়ে চারা পোনা বা আঙ্গুলে পোনা তৈরি করা হয় তাকে লালন পুকুর বলে।
- লালন পুকুরের আয়তন ২০-১০০ শতাংশ এবং গভীরতা ১.৫-২.০ মিটার হয়ে থাকে।

গ. মজুদ পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী বা আঙ্গুলে পোনা ছেড়ে বড় মাছে পরিণত করা হয় তাকে মজুদ পুকুর বলে।
- এ ধরনের পুকুরের আয়তন ৩০ শতাংশের উপরে এবং গভীরতা ২-৩ মিটার হয়।
- মাছ চাষের জন্য এ ধরনের পুকুরই প্রধান পুকুর হিসেবে পরিচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কৃষি কাজে কোন ধরনের স্প্রেয়ার বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টায়ারার পাম্প টাইপ
  2. পিষ্টন পাইপ টাইপ
  3. সিরিঞ্জ টাইপ
  4. লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
সঠিক উত্তর:
লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
ব্যাখ্যা
স্পেয়ার:
স্প্রেয়ার এমন একটি যন্ত্র যা তরল পদার্থকে ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত করতে পারে।
জমিতে ফসলকে ক্ষতিকারক পোকা মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য তরল কীটনাশক ছিটাতে স্প্রেয়ার ব্যবহৃত হয়।
স্প্রেয়ার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে শক্তির ব্যবহার অনুযায়ী দু'প্রকার-
ক) হস্ত চালিত স্প্রেয়ার
খ) শক্তি চালিত স্প্রেয়ার

হস্ত চালিত স্প্রেয়ার নিম্নোক্ত প্রকারের হতে পারে-
ক) সিরিঞ্জ টাইপ
খ) স্টায়ারার পাম্প টাইপ (Stirrer Pump type)
গ) লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
ঘ) পিষ্টন টাইপ ন্যাপস্যাক

- এগুলোর মধ্যে কৃষি কাজে লিভার চালিত ন্যাপস্যাক স্প্রেয়ারের ব্যবহার বেশি।

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
হাঁস-মুরগির ঘর কোনমুখী হওয়া উত্তম?
  1. পশ্চিমমুখী বা উত্তরমুখী
  2. পশ্চিমুখী বা দক্ষিণমুখী
  3. পূর্বমুখী বা উত্তরমুখী
  4. পূর্বমুখী বা দক্ষিণমুখী
সঠিক উত্তর:
পূর্বমুখী বা দক্ষিণমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বমুখী বা দক্ষিণমুখী
ব্যাখ্যা
হাঁস-মুরগির ঘর:
- হাঁস-মুরগির ঘর নানা ধরনের হতে পারে।
- তবে, যে ধরন বা ডিজাইনেরই হোক না কেন মুরগি পালনের জন্য আয়তাকার ঘরই সবচেয়ে উপযোগী।
- মুরগির দলের (Flock) সংখার ওপর নির্ভর করে ঘরের দৈর্ঘ্য।
- তবে ঘরের দৈর্ঘ্য যাই হোক না কেন প্রস্থ ৪.৫-৯.০ মিটারের বেশি হবে না।
- ঘরটি পূর্বপশ্চিমে লম্বা হবে এবং পূর্বমুখী বা দক্ষিণমুখী হবে।
- এতে বায়ু চলাচলের সুবিধা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিচের কোনটি সীডড্রিলের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. এটি সারিতে বীজ বপন করার যন্ত্র
  2. বীজ সঠিক গভীরতায় বপন করা যায়
  3. মাটির ঢেলা ভেঙ্গে চূর্ণ করে
  4. বীজ বপণের পর মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়
সঠিক উত্তর:
মাটির ঢেলা ভেঙ্গে চূর্ণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ঢেলা ভেঙ্গে চূর্ণ করে
ব্যাখ্যা
সীডড্রিল:
এটি একটি বীজ বপন করার যন্ত্র।
এর মাধ্যমে ধান, পাট, গম, সরিষা, বার্লি, ভুট্টা ইত্যাদি বীজ সারিবদ্ধ ভাবে জমিতে বপন করা যায়।
বীজের প্রকার ভেদে বিভিন্ন ধরনের সীডড্রিল বা বীজ বপন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এ যন্ত্রের সাহায্যে সঠিক পরিমাণ বীজ সঠিক গভীরতায় বপন করা যায়
এটি বীজ বপন ছাড়াও মাটিকে আলোড়িত ও দৃঢ় করে।
এটি বপনকৃত বীজকে ঢেকে দেয় এবং মাটিকে একটু উঁচু করে রাখে।
অনেক সময় বীজ বপনের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় সারও প্রয়োগ করা হয়।
এরূপ যন্ত্রকে সার-বীজ বপন যন্ত্র বলে।

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।