পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি [উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি।] উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
একটি আর্থিক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য হলো -
  1. ক) GNP
  2. খ) NNP
  3. গ) GDP
  4. ঘ) NDP
সঠিক উত্তর:
গ) GDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) GDP
ব্যাখ্যা
Gross Domestic Product (GDP):
-  GDP বা মোট দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল দেশি ও বিদেশি প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।
- একটি আর্থিক বছরে কোন দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য হলো জিডিপি।
- জিডিপিতে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সকল দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মূল্য হিসাব করা হয়।
- সুতরাং একটি দেশের জিডিপি থেকে ঐ দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় ।

অন্যদিকে -
- GNP (Gross National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার সমষ্টি। মোট উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্মকে তাদের গড় মূল্য দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় জিএনপি। 

- NNP (Net National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

- NDP (Net Domestic Product): মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধন বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রবাসী আয়কে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) GNP
  2. খ) GDP
  3. গ) NNP
  4. ঘ) NDP
সঠিক উত্তর:
ক) GNP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) GNP
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী।
- বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

অন্যদিকে -
• মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP) হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

• NNP (Net National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

• NDP (Net Domestic Product): মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের জিডিপিকে সার্বিকভাবে কতটি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপ পদ্ধতি:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।  
- জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ,
২। খনিজ ও খনন,
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প),
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
৫। পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম,
৬। নির্মাণ,
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত,
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ,
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম,
১০। তথ্য ও যোগাযোগ,
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম,
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম,
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম,
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম,
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা;
১৬। শিক্ষা,
১৭।  মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম,
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন,
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
কোন সংস্থা বাংলাদেশের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ) বিএসইসি
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
গ) বিএসইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিএসইসি
ব্যাখ্যা
শেয়ার মার্কেট:
- শেয়ার মার্কেট এমন একটি বাজার যেখানে শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামের ও মানের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে।
- শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করে থাকে।
- এসব শেয়ার কোনো একটি স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত থাকে।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি:
১। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং
২। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- এই দুইটি স্টক এক্সচেঞ্জ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেমে পরিচালিত হয়।
- এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি (BSEC) নীতি দ্বারা পরিচালিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৩ সালের ৮ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে 'সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন' (BSEC)।
- এই কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

উৎস: People's Republic of Bangladesh, bangladesh.gov.bd.
.
২০৩০ সালের মধ্যে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৪০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৪০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৬০,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা:
- বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১, ২০৩০ ও ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০২১ সালের মধ্যে ২৪,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: i) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, powercell.gov.bd.
        ii) ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি -
  1. ক) ৩,৩৪,৬৪১ কোটি টাকা
  2. খ) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৫,০৮,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- মোট রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
- অনুদান সহ রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০৩,৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।

.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে -
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৯.৫%
  3. গ) ১০.৫%
  4. ঘ) ১৫.৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যসমূহ: দারিদ্র দূরীকরণ ও বৈষম্য কমিয়ে আনতে মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য পুষ্টির জোগান নিশ্চিত করা, দরিদ্র মানুষের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ টাকা পৌঁছানো, গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুতায়ন এবং আধুনিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের নির্দেশনা রয়েছে নতুন পরিকল্পনায়।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪,৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- গড় মূল্যস্ফীতি: ৪.৮%। 
- মেয়াদান্তে জাতীয় জিডিপির আকার: ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- মেয়াদান্তে চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, portal.gov.bd.
.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস কী?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) মূল্য সংযোজন কর
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
খ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
সরকারের রাজস্বের উৎস:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
- এই খাত থেকে আসে ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- ২য় উৎস: আয়কর, এই খাত থেকে আসে ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা।
- ৩য় উৎস: সম্পূরক শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৬০,৭০৩ কোটি টাকা।
- ৪র্থ উৎস: আমদানি শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৪৬,০১৫ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
.
আমাদের দেশে কাদের চরম দারিদ্র্য বোঝানো হয়?
  1. ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  2. খ) যারা ১৮০৫ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  3. গ) যারা ২০০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  4. ঘ) যারা ২৫০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
সঠিক উত্তর:
ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
ব্যাখ্যা
চরম দারিদ্র্য:
- চরম দারিদ্র্য হলো সবচেয়ে গুরুতর ধরনের দারিদ্র্য, যাকে জাতিসংঘ (UN) দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে 'খাদ্য, নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন সুবিধা, স্বাস্থ্য, আশ্রয়, শিক্ষা এবং তথ্যসহ মৌলিক মানবিক চাহিদাগুলির গুরুতর বঞ্চনার দ্বারা চিহ্নিত একটি অবস্থা'।
- দারিদ্র্যতাকে আবার অনেকেই ক্যালরি গ্রহনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন। 
- একটি নির্দিষ্ট স্তরের নিচে ক্যালরি গ্রহিতারাই দরিদ্র।
-  FAO, BBS এর গবেষনা অনুযায়ী যারা ২২০০ ক্যালরী শক্তির খাদ্য পায় না তারাই দরিদ্র।
- বাংলদেশে সামর্থ্যের অভাবে দৈনিক ২১২২ কিলোক্যালরীর কম খাদ্য গ্রহণকারীদের অবস্থান ‘দারিদ্র্য সীমার নিচে’ ধরা হয়।
- বাংলাদেশে কমপক্ষে দৈনিক ১৮০৫ কিলোক্যালরী গ্রহণকে দারিদ্র্য রেখা-২ বলা হয় এবং যারা এর নিচে অবস্থান করে তাদেরকে চরম দারিদ্র্য বলা হয়।

[যেহেতু অপশনে ১৮০৫ এর নিচে শুধু ১৭০০ ক্যালরি আছে, সে হিসেবে অপশন (ক) অধিক যুক্তিযুক্ত উত্তর।]


উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বাংলাদেশের মহিলাদের জন্য করমুক্ত বাৎসরিক ব্যক্তিগত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ক) ৩,০০,০০০/- টাকা
  2. খ) ৩,৫০,০০০/- টাকা
  3. গ) ৪,০০,০০০/- টাকা
  4. ঘ) ৪,৭৫,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৪,০০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪,০০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয় যা অতিক্রম করলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
- মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০/- টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।