পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ১ টপিক: কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস ও লজিক গেইটসমূহ। [ক্লাস ১, ২, ৩ ও ৪]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
ASCII কোড অনুযায়ী কম্পিউটারে ‘C’ অক্ষরকে উপস্থাপন করতে কোন সংখ্যা ব্যবহৃত হয়?
  1. 67
  2. 68
  3. 66
  4. 65
সঠিক উত্তর:
67
উত্তর
সঠিক উত্তর:
67
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের মধ্যে অক্ষরগুলোকে সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য ASCII (American Standard Code for Information Interchange) ব্যবহার করা হয়। ASCII কোড একটি মানক পদ্ধতি যা প্রতিটি অক্ষর ও নিয়ন্ত্রণ চিহ্নকে একটি নির্দিষ্ট পূর্ণসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, বড় হাতের অক্ষর ‘A’ থেকে ‘Z’ পর্যন্ত ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়। তাই ‘C’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী উপস্থাপন করতে ৬৭ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটার যখন ‘C’ অক্ষরটি দেখতে বা প্রক্রিয়াকরণ করতে চায়, তখন এটি আসলে ৬৭ সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 67
 
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগ করার জন্য মূলত কোন লজিক গেট ব্যবহার করা হয়? 
  1. NOT gate
  2. NOR gate
  3. OR gate
  4. AND gate
সঠিক উত্তর:
OR gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগ (Addition) করার জন্য প্রধানত OR গেট ব্যবহার করা হয়। কারণ OR গেট দুটি ইনপুটের মধ্যে অন্তত একটি ইনপুট “1” হলে আউটপুট “1” দেয়, যা বুলিয়ান যোগের ধারণার সাথে মিলে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি A এবং B দুটি বিট থাকে, তবে A + B বুলিয়ান যোগকে OR গেট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। অন্যদিকে, AND গেট সাধারণত গুণের জন্য, NOT গেট বিপরীত মান বের করার জন্য এবং NOR গেট কম্বিনেশন বা অন্যান্য জটিল লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সরাসরি যোগের জন্য OR গেট সবচেয়ে প্রাথমিক এবং মৌলিক লজিক গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) OR gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোনো এনকোডারে আউটপুট লাইন সাতটি হলে ইনপুট লাইন কতটি থাকে?
  1. ৭২টি
  2. ৬৪টি 
  3. ৪৮টি 
  4. ১২৮টি 
সঠিক উত্তর:
১২৮টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৮টি 
ব্যাখ্যা

• যদি কোনো এনকোডারের আউটপুট লাইনের সংখ্যা ৭টি হয়, তাহলে আমরা জানতে চাই ইনপুট লাইনের সংখ্যা কত। সাধারণভাবে, এনকোডারের ইনপুট এবং আউটপুট লাইনের সম্পর্ক নির্ভর করে বাইনারি এ্যাড্রেসিংয়ের সূত্রে। একটি এনকোডার n আউটপুট লাইন থেকে 2n ভিন্ন ইনপুট লাইন তৈরি করতে পারে। আউটপুট লাইন ৭টি হলে ইনপুট লাইন হবে ১২৮টি।
- এখানে, সঠিক উত্তর: ১২৮টি ।
 
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যদি 27 = 128টি ইনপুট হয় তাহলে 7টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডিজিটাল সার্কিটে Addition করার জন্য কোন Combinational Circuit কাজ করে?
  1. এনকোডার 
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. অ্যাডার
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামক কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। অ্যাডার দুটি বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল তৈরি করে। এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বিট ভিত্তিক গণনা করতে সক্ষম। এক বিট যোগফলের জন্য হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং একাধিক বিট যোগফলের জন্য ফুল অ্যাডার (Full Adder) ব্যবহার করা হয়। হাফ অ্যাডার শুধু দুটি ইনপুট বিটের যোগফল এবং ক্যারি বের করতে পারে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারিও যোগ করতে পারে। অন্যদিকে, এনকোডার ইনপুট সিগন্যালকে কোডে রূপান্তর করে, ডিকোডার কোডকে আউটপুটে ভাঙে, আর রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণ করে। তাই যোগফলের জন্য সঠিক উত্তর: অ্যাডার।

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

এছাড়াও, 
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
81 এর বিসিডি কোড হচ্ছে:
  1. 00101011
  2. 11001100
  3. 01011100
  4. 10000001
সঠিক উত্তর:
10000001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10000001
ব্যাখ্যা

• 81 এর বিসিডি কোড হচ্ছে: 10000001

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি কোড হবে: 1000
1 এর বিসিডি কোড হবে: 0001
∴ 81 এর BCD কোড হবে: 1000 0001

বিসিডি কোড (BCD – Binary Coded Decimal) হলো একটি পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা (0–9)কে ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয়। উদাহরণস্বরূপ:

0 → 0000
1 → 0001
2 → 0010
3 → 0011
4 → 0100
5 → 0101
6 → 0110
7 → 0111
8 → 1000
9 → 1001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত রেজিস্টার এবং মেমরি ইউনিটে ব্যবহৃত হয়?
  1. D flip-flop
  2. SR flip-flop
  3. JK flip-flop
  4. T flip-flop
সঠিক উত্তর:
D flip-flop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D flip-flop
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার এবং মেমরি ইউনিটে D flip-flop সাধারণত ব্যবহৃত হয়। কারণ D flip-flop-এ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে সংরক্ষিত হয় ক্লক সিগন্যালের উপর নির্ভর করে, যা ডেটার নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ নিশ্চিত করে। অন্য ফ্লিপ-ফ্লপ যেমন SR, JK বা T-তে আউটপুট নিয়ন্ত্রণে জটিলতা থাকে এবং কখনও কখনও অনির্ধারিত অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে, যা মেমরি বা রেজিস্টারের জন্য সুবিধাজনক নয়। D flip-flop একক ইনপুট “D” দ্বারা সহজভাবে কাজ করে, তাই এটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে ডেটা সংরক্ষণ এবং ট্রান্সফার করার জন্য আদর্শ। রেজিস্টার, শিফট রেজিস্টার এবং কাউন্টার ডিজাইনে D flip-flop এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

- সঠিক উত্তর: ক) D flip-flop.
 
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

.
(1000111 )2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে কত হয়?
  1. 73
  2. 98
  3. 71
  4. 88
সঠিক উত্তর:
71
উত্তর
সঠিক উত্তর:
71
ব্যাখ্যা

• (1000111 )2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 71 হয়। 

• বাইনারি থেকে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1000111 = (1 × 26) (0 × 25) + (0 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 4 + 2 + 1)
= 71

.
NAND-এর পাশাপাশি কোন গেটটি ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. NOR 
  2. XOR
  3. XNOR
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NOR 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR 
ব্যাখ্যা

• NAND গেটের পাশাপাশি NOR গেটও ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। ইউনিভার্সাল গেট বলতে এমন একটি গেট বোঝায় যা একটিমাত্র ধরণের ব্যবহার করে যে কোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়, যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদি। NOR গেটও NAND এর মতোই এই ক্ষমতা রাখে, কারণ এটি ব্যবহার করে আমরা NOT, OR এবং AND ফাংশন সহজেই রূপান্তর করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, NOR-এর আউটপুটকে আবার NOR করলে আমরা NOT ফাংশন তৈরি করতে পারি। তাই, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও জটিল ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব, যা এটিকে ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) NOR.
 
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
ASCII-8 কোড দ্বারা প্রকাশযোগ্য অংক, অক্ষর এবং চিহ্নের সংখ্যা কত?
  1. 1024 টি
  2. 512 টি
  3. 524 টি
  4. 256 টি
সঠিক উত্তর:
256 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
256 টি
ব্যাখ্যা

• ASCII-8 কোড হলো এক ধরনের অক্ষর সংরক্ষণ প্রণালী যা প্রতিটি অক্ষরকে ৮ বিট বা ১ বাইট ব্যবহার করে প্রকাশ করে। যেহেতু ৮ বিটে সর্বোচ্চ 28 = 256টি পৃথক মান প্রকাশ করা সম্ভব, তাই ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বাধিক ২৫৬টি ভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা, ও বিশেষ চিহ্নের প্রতিনিধিত্ব করা যায়। এর মধ্যে প্রথম ১২৮টি মান মূল ASCII মান হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বাকিগুলো বিভিন্ন প্রসারিত বা বিশেষ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বোচ্চ ২৫৬টি অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন প্রকাশযোগ্য। সঠিক উত্তর: ঘ) 256 টি।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
হেক্সাডেসিমেলকে বলা হয়:
  1. Base-2
  2. Base-8
  3. Base-10
  4. Base-16 
সঠিক উত্তর:
Base-16 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Base-16 
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল হলো সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি যা Base-16 হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে মোট ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা বা অক্ষর ব্যবহার করা হয়। সাধারণ সংখ্যাগুলি ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং দশমিকের পরবর্তী অঙ্কগুলির জন্য অক্ষর A, B, C, D, E, F ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 1A5 এর মান দশমিক পদ্ধতিতে ৪২১। কম্পিউটার বিজ্ঞানে হেক্সাডেসিমেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বাইনারি (Base-2) সংখ্যার সঙ্গে সহজভাবে সম্পর্কিত। প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক ঠিক ৪টি বাইনারি অঙ্কের সমান, যা কম্পিউটারের মেমরি এবং প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সুবিধাজনক। তাই, হেক্সাডেসিমেল হলো Base-16, যা সংখ্যা সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি কার্যকর পদ্ধতি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Base-16
 
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
নিম্নের কোনটি ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. MP3
  2. JPG
  3. UTF-8
  4. ASCII
সঠিক উত্তর:
UTF-8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UTF-8
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) UTF-8

ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষরকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রদর্শন করতে সক্ষম। ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যার মধ্যে UTF-8 সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত। UTF-8 এ প্রতিটি অক্ষরকে এক বা একাধিক বাইট ব্যবহার করে সংরক্ষণ করা হয়, যা ইংরেজি অক্ষরের জন্য সাধারণত এক বাইট এবং অন্যান্য ভাষার অক্ষরের জন্য একাধিক বাইট নেয়। এটি ব্যাকওয়ার্ড কম্প্যাটিবল এবং ইন্টারনেট ও সফটওয়্যারে সহজে ব্যবহারযোগ্য। অন্যদিকে, MP3 হলো অডিও ফাইল ফরম্যাট, JPG হলো ইমেজ ফাইল ফরম্যাট, আর ASCII হলো একটি সীমিত অক্ষর সেট যা শুধুমাত্র ইংরেজি অক্ষর ও কিছু বিশেষ চিহ্নকে সমর্থন করে। UTF-8-এর মাধ্যমে ইউনিকোড অক্ষরগুলো বিশ্বের যেকোনো ভাষায় উপস্থাপন করা যায়।
 
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
একটি কাউন্টার সার্কিট প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. সংকেত বৃদ্ধি
  3. ক্লক পালস গণনা
  4. তথ্য এনকোডিং
সঠিক উত্তর:
ক্লক পালস গণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লক পালস গণনা
ব্যাখ্যা

• একটি কাউন্টার সার্কিট মূলত ক্লক পালস গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ধরণের ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা এক বা একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে ক্রমান্বয়ে ইনক্রীমেন্ট বা ডিক্রিমেন্ট করতে পারে। কাউন্টার সার্কিট সময়ের সাথে পালসের সংখ্যা নির্ধারণে, নির্দিষ্ট ইভেন্ট গণনা করতে, টাইমার, ডিভিশন এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ডিজিটাল ঘড়ি বা মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে কাউন্টার পালসের সংখ্যা গণনা করে সময় মাপতে সাহায্য করে। তাই, এটি কোনো তথ্য সংরক্ষণ, সংকেত বৃদ্ধি বা এনকোডিং-এর জন্য নয়, বরং ক্লক বা ইভেন্টের গণনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) ক্লক পালস গণনা।
 
কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম কী?
  1. NOR
  2. NOT
  3. XOR
  4. NAND
সঠিক উত্তর:
NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT
ব্যাখ্যা

• ইনভার্টার একটি ডিজিটাল সার্কিট যা ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট “১” হয়, আউটপুট হবে “০”, এবং যদি ইনপুট “০” হয়, আউটপুট হবে “১”। এটি মূলত একটি NOT গেটের কাজ। তাই ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম হলো NOT গেট। অন্য অপশনগুলো যেমন NOR, XOR বা NAND বিভিন্ন লজিক ফাংশন সম্পাদন করে এবং সরাসরি ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, যদিও NAND বা NOR দিয়ে কনফিগার করে ইনভার্টার তৈরি করা সম্ভব। সরলভাবে বলতে গেলে, ইনভার্টার এবং NOT গেট একই কাজ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) NOT.

NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
EBCDIC মূলত কোন ধরনের কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. Mobile devices
  2. Personal computers
  3. UNIX servers
  4. IBM mainframes
সঠিক উত্তর:
IBM mainframes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM mainframes
ব্যাখ্যা

• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) মূলত IBM তৈরি করা একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা অক্ষর ও সংখ্যা কম্পিউটারে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত IBM-এর মূলফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, যা বড় বড় সংস্থা ও ব্যাংকিং সেক্টরে ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। EBCDIC-এর ডিজাইন মূলত বৃহৎ এবং জটিল ডেটা প্রসেসিং সিস্টেমকে সমর্থন করার জন্য করা হয়েছে। অন্য কম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম যেমন মোবাইল ডিভাইস, পার্সোনাল কম্পিউটার বা UNIX সার্ভারে ASCII বা Unicode এনকোডিং বেশি প্রচলিত। সুতরাং, EBCDIC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো IBM mainframes.

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM mainframes.

• ইবিসিডিক কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ হলো Extended Binary Coded Decimal Interchange Code.
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- এই কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: 5 কে EBCDIC এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101 এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5 এর EBCDIC হবে 11110101.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১৫.
100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
  1. 45
  2. 37
  3. 39
  4. 21
সঠিক উত্তর:
39
উত্তর
সঠিক উত্তর:
39
ব্যাখ্যা

• 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

অতএব, 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৬.
“ট্যালি” কোন ধরনের সংখ্যার পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• “ট্যালি” হলো নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। এতে সংখ্যাগুলো সাধারণত লাঠি বা চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন | || ||| ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু চিহ্নের অবস্থান সংখ্যা মান পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সংখ্যার মান নির্ভর করে শুধুমাত্র চিহ্নের সংখ্যা বা গণনার উপর, অবস্থানের উপর নয়। এটি পজিশনাল পদ্ধতির মতো নয়, যেখানে স্থান বা অবস্থান সংখ্যা মান নির্ধারণ করে। ট্যালি পদ্ধতি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়েছে গণনা এবং হিসাবের জন্য। তাই এটি স্পষ্টভাবে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে কী মান পাওয়া যায়? 
  1. 84
  2. 86
  3. 88
  4. 92
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

• 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 4 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 4 × 1
= 64 + 16 + 4
= 84

অতএব, 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।