পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)] উৎস: NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, আমদানি রপ্তানি রিপোর্ট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ---------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. কুড়িগ্রাম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. অর্থনৈতিক অঞ্চল কুমিল্লা
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
.
‘তাহেরপুরী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. কলা
  2. আম
  3. বাঁধাকপি
  4. পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা
‘তাহেরপুরী’ পেঁয়াজের উন্নত জাত।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে, 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
.
ΒΕΡΖΑ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প
  2. বাণিজ্য
  3. অর্থ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- BEPZA হলো ইপিজেডগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধিও জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠান। 

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
.
কোন পদ্ধতিতে কৃষি শুমারি ২০১৯-এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে?
  1. De-facto
  2. De-Juri
  3. Modular Approach
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি ২০১৯:
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করেছে।
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এ পদ্ধতিতে প্রথমে গণনা কাজের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নপত্র (Short Questionnaire) ব্যবহার করা হবে এবং শুমারি শেষে প্রত্যেক গণনাকারী গণনা বই হতে একটি খানা তালিকা প্রস্তুত করেছে।
- তালিকায় মোট পরিচালনাধীন জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, মহিষ ইত্যাদির সংখ্যা এবং খানা মৎস্য চাষ বা আহরণে নিয়োজিত কি না এ বিষয়ক তথ্য রয়েছে।
- পরবর্তীতে একটি বিস্তারিত প্রশ্নপত্র (Long Questionnaire)-এর মাধ্যমে কৃষি খানায় নমুনা শুমারি (Sample Census) পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট। [link]
.
ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় কোন ইপিজেডে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আদমজী
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঈশ্বরদী
  4. কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
সর্বোচ্চ বিনিয়োগ:
- ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় চট্টগ্রাম ইপিজেডে।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪১ শতাংশ
  2. ৩৮ শতাংশ
  3. ৪৫ শতাংশ
  4. ৪৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
কৃষি খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৫ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশের রপ্তানি আয়ে শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে পাটজাত পণ্যের অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি পরিস্থিতি -

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ১৮৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৪২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। পাটজাত পণ্য: ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৩৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে ‘কৃষিজাত পণ্য’।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে,  উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে চীন থেকে। 

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের নাম কী?
  1. ব্যবস্থাপনা পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. চেয়ারম্যান
  4. নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বাধিক তামাক উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. ফরিদপুর
  2. যশোর
  3. কুষ্টিয়া
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
তামাক:
- Solanaceae গোত্রের বড় পাতাবিশিষ্ট উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম Nicotiana tabacum.
- তামাকের ইংরেজি ‘Tobacco’ এসেছে স্প্যানিশ ‘Tabaco’ শব্দ থেকে।
- তামাকগাছের শুকানো পাতাকে সাধারণত আমরা তামাক হিসেবে চিনি।
- এর শুকানো পাতা সাধারণত সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা, পান খাওয়ার জর্দায় ও নস্যি হিসেবে গুলে ব্যবহৃত হয়।

⇒ তামাকের চাষ প্রায় সব ধরনের জমিতেই করা যায়।
- যেসব এলাকার গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মতো, সেসব অঞ্চলে এ গাছ ভালো জন্মে।
- বাংলাদেশে তামাক রবিশস্য হিসেবে চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান তামাক উৎপাদনকারী জেলা হচ্ছে রংপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় সর্বাধিক তামাক উৎপাদন হয় (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২.
সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কীরূপ? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. ক্রমবৃদ্ধিমান
  3. একই রকম
  4. পরপর ক্রমহ্রাসমান ও ক্রমবৃদ্ধিমান
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

• প্রতি অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান হ্রাস পেতে থাকে, সুতরাং বলা যায়, সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ২.১%
  2. ৩.৯১%
  3. ৭.৯%
  4. ৯.৩১%
ব্যাখ্যা
২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর) রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১২.৮৪%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই—ডিসেম্বর) সবজি, ফল, চা, মসলা এবং তামাকের মতো কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।
- প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- মূলত ফল, চা, মসলা, তামাক এবং পশুর চর্বি রপ্তানি বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি আসছে।

এছাড়াও, 
- রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদানকারী পোশাক খাত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে রেকর্ড ১৩.২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৯.৮৯ বিলিয়ন ডলার।
- প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ।
- হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

উৎস: i) The Financial Express। [link]
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ওয়েবসাইট। [link]
১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, বাংলাদেশ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে -
  1. সুতা
  2. গম
  3. সার
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি:
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের বেগুনের নাম?
  1. শিংনাথ
  2. ম্যানিলা
  3. কার্ডিনাল
  4. বর্ণালী
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের বেগুন হলো শিংনাথ।
• উন্নত জাতের বেগুন: শিংনাথ, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উল্লেখ্য,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬.
নিম্নের কোন জেলায় 'আগর' চাষ হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. পাবনা
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
'আগর' গাছ:
- আগর মূলত একটি গাছের নাম।
- আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টই আগর গাছের আদিস্থান হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
- আগর গাছ থেকে বিশেষ কালো রঙের কাঠ পাওয়া যায়, যা আগর কাঠ নামে পরিচিত।
- আগর কাঠকে ঈশ্বরের কাঠ বলা হয়।
- আতর বাংলাদেশে তরল সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে সিলেট তথা মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষ করার উপযোগী জায়গা রয়েছে।
- বড়লেখা উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০০টি আগর আতর ফ্যাক্টরি রয়েছে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ওয়েবসাইট।
১৭.
কততম কৃষি শুমারি প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি হিসেবে স্বীকৃত?
  1. তৃতীয়
  2. চর্তুথ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়। 
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৮.
বর্তমানে দেশে কতটি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৪৬টি
  2. ৪৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। link
১৯.
কোনটি রবি শস্য নয়?
  1. গম
  2. কচু
  3. মসুর ডাল
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
রবি শস্য নয়- কচু। 

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কম তাপমাত্রায় রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
২০.
বাংলাদেশ আধুনিক জাহাজ রপ্তানি শুরু করে -
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আধুনিক জাহাজ রপ্তানি শুরু করে।
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মি. ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২১.
বাংলাদেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  2. চকরিয়া, কক্সবাজার
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র: সাভার, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান -
  1. ৩৯.৭৫ শতাংশ
  2. ৪৫.০৩ শতাংশ
  3. ৪১.৩৪ শতাংশ
  4. ৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা না থাকলে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে যে ব্যাংক -
  1. যমুনা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) Textile Today.
২৫.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে -
  1. এবি ব্যাংক
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়। এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়। শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো। ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৬.
রপ্তানি আয়ের দিক দিয়ে কোনটি প্রধান অর্থকরী ফসল? [মার্চ, ২০২৫]
  1. চা
  2. পাট
  3. রাবার
  4. চাল
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- রপ্তানি আয়ের দিক দিয়ে পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৭.
কোন সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. ΒΕΡΖΑ
  2. BEZA
  3. BSEC
  4. Bangladesh Bank
ব্যাখ্যা
BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- BEZA বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উত্‍পাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উত্‍সাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাত্‍পদ ও অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
২৮.
২০২৩-২৪ সালের হিসাব মতে, তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে?
  1. প্রায় ৭৮.৭৫ ভাগ
  2. প্রায় ৮১.২৪ ভাগ
  3. প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
  4. প্রায় ৮৭.২৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৯.
কোনটি বাংলাদেশে যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক:
- পূবালী ব্যাংক একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
⇒ মালিকানার ভিত্তিতে ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ:

• সরকারী ব্যাংক (Government Bank):
- কোন ব্যাংক সরকারী মালিকানায় পরিচালিত, সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রিত হলে তাকে ঐ দেশের সরকারী ব্যাংক বলে।
- সরকারী ব্যাংক সরকারের নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আমাদের দেশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ইত্যাদি সরকারী ব্যাংকের উদাহরণ।
- এ ব্যাংকগুলোর মালিক সরকার নিজে।

• বেসরকারী ব্যাংক (Private Bank):
- ব্যক্তি মালিকানায় বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে বেসরকারী ব্যাংক বলে।
- বেসরকারী ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হতে হয়।
- বাংলাদেশে ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, এবি ব্যাংক লিঃ, ইসলামী ব্যাংক লিঃ, দি সিটি ব্যাংক লিঃ ইত্যাদি বেসরকারি ব্যাংকের উদাহরণ।

• যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক (Joint-ownership Bank):
- যে ব্যাংক সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলে।
- পূবালী ব্যাংকের ৫১% শেয়ার সরকারী মালিকানায় এবং ৪৯% শেয়ার বেসরকারি মালিকানায় রয়েছে, সুতরাং পূবালী ব্যাংককে একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলা যায়।

• স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক (Autonomous Bank):
- যে ব্যাংক সরকারের বিশেষ আইন বলে গঠিত হয় এবং স্বাধীনভাবে সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক বলে।
- যেমন- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিঃ, বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এগুলো সরকার গঠন করেছে.  কিন্তু পরিচালিত হয় নিজস্ব আইন দ্বারা।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩০.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Special Exercise Zone
  2. Special Exclusive Zone
  3. Special Economic Zone
  4. Special Export Zone
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

উল্লেখ্য,
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
৩১.
কোন সালে বাংলাদেশে বীমা জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা ব্যবসা জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে, আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, 
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ। 

- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 
৩৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রায়তন শিল্প কোনটি?
  1. সিমেন্ট শিল্প
  2. কাগজ শিল্প
  3. লবন শিল্প
  4. সার শিল্প
ব্যাখ্যা
আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ (Classification of industry according to size):
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী বা আকারের ভিত্তিতে মূলত তিন প্রকার।

১। বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- বৃহৎ শিল্প বলতে বড় শিল্প বোঝায় অর্থাৎ যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক ও প্রচুর পরিমান কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক তথা উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য সামগ্রী উৎপাদন করা হয় তাকে বৃহৎ অথবা বৃহদায়তন শিল্প বলা হয়। এখানে উল্লেখ্য বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী যে শিল্প কারখানায় ২৩০ জনের অধিক শ্রমিক কাজ করে তাকে বৃহৎ শিল্প বলে।
- পাট, বস্ত্র, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের উদাহরণ।

২। মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- বাংলাদেশে শিল্প আইন বা কারখানা আইন অনুযায়ী যে কারখানায় ২০ জনের বেশি কিন্তু ২৩০ জনের কম শ্রমিক নিয়োজিত আছে তাকে মাঝারি শিল্প বলে।
- মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্পের ন্যায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ শিল্প অপেক্ষা কম ব্যবহার করে।
- বাংলাদেশে বহু সংখ্যক মাঝারি শিল্প গড়ে উঠেছে এবং উঠছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবানশিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (Small and cottage industries):
- সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে সুক্ষ্ম অর্থে এ দুয়ের পার্থক্য আছে। বাংলাদেশে কারখানা ও শিল্প আইন অনুযায়ী যে কারখানায় সর্বোচ্চ ২০ জন শ্রমিক কাজ করে তাকে ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প বলে।
- তবে এখানে উল্লেখ্য ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া করা শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, তাছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহার হয়।
- কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না। মোট কথা স্থানীয় কাঁচামাল কম মূলধন ও পারিবারের সদস্য দ্বারা কুটির শিল্প বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে থাকে।
- বাংলাদেশে তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি হল কুটির শিল্প।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় কোনটি?
  1. শস্য
  2. প্রাণিসম্পদ
  3. মৎস্য
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি। যথা:
• শস্য,
• মৎস্য,
• প্রাণিসম্পদ।

উল্লেখ্য,
⇒ কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৫.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আউশ
  2. আমন
  3. ইরি
  4. বোরো
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের ১১৯৮০০০ একর জমিতে মোট ২,০৭,৬৮,০০০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে -
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।

- আউশ ধান ২৬২২০০০ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯০১০০০ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১৪৩০০০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৫৪২৬০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।