পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। ৪) বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক: নদ-নদী, সমুদ্র সৈকত, দ্বীপ, চর, বন্দর, পাহাড়-পর্বত, ঝর্ণা, জলপ্রপাত, বিল, হাওর, উপত্যকা, গিরিপথ, বৃহত্তম, দীর্ঘতম, ক্ষুদ্রতম উচ্চতম, উষ্ণতম ও শীতলতম ইত্যাদি। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) ট্রপোমণ্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
• আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

অন্যদিকে, 
• বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা ইত্যাদি সকল কিছুই ট্রপোমণ্ডলে সংঘটিত হয়।
• স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
• ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত সমুদ্র সৈকত কোনটি?
  1. ক) পারকি
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) সেন্ট মার্টিন
  4. ঘ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত'।
- 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত' এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্য়াস্তের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যায়।
- পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে কুয়াকাটার দুরত্ব ৭০ কিলোমিটার 
- সমুদ্র সৈকতের পাশেই দেড় শতাধিক একর জমিতে অবস্থিত নারিকেল বাগান যা "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত।

• পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
•  ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
• সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত।
- প্রচুর নারকেল পাওয়া যায় বলে এ নামটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত হয়েছে।

সূত্র: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট
 
.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১২০ কি.মি.
  2. খ) ১২৫ কি.মি.
  3. গ) ১৩০ কি.মি.
  4. ঘ) ১৫০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কি.মি.।

• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত। 
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত।
- এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।

সূত্র: কক্সবাজার জেলা ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
.
বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ কোনটি?
  1. ক) কাস্পিয়ান সাগর
  2. খ) টিটিকাকা হ্রদ
  3. গ) লেক আসাল
  4. ঘ) বৈকাল হ্রদ
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ হলো জিবুতিতে অবস্থিত লেক আসাল

অন্যদিকে,
- বৈকাল হ্রদ : পৃথিবীর গভীরতম (১,৬২০ মিটার) এবং প্রাচীনতম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর: পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ
- টিটিকাকা হ্রদ  (বলিভিয়া): পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ
- সুপিরিয়র হ্রদ (যুক্তরাষ্ট্র): বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা
.
থর মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. খ) চীন ও মঙ্গোলিয়া
  3. গ) ভারত ও পাকিস্তান
  4. ঘ) দক্কিণ আফ্রিকা ও সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
• থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান
• গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
• মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
• সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের কার্যক্রম কোনটি?
  1. ক) পূর্ব প্রস্তুতি
  2. খ) প্রতিরোধ
  3. গ) প্রশমন
  4. ঘ) উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
•  উন্নয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের একটি কার্যক্রম। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
.
বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত নয় কোন জেলা?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি। প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা' ছিটমহল কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
• লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।
- ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সূত্র: লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট 
 
.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. ক) বিষুবরেখা
  2. খ) ০° অক্ষরেখা
  3. গ) মহাবৃত্ত
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।

নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো-
বিষুবরেখা (Equator),
০° অক্ষরেখা ( ০° Latitude),
মহাবৃত্ত (Great circle)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম খাল কোনটি?
  1. ক) কিয়েল খাল
  2. খ) পানামা খাল
  3. গ) সুয়েজ খাল
  4. ঘ) গ্রান্ড খাল
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম খাল হচ্ছে চীনের গ্রান্ড খাল

অন্যদিকে,
কিয়েল খাল – জার্মানি।
প্রিন্সেস জুলিয়ানা খাল – হল্যান্ড।
গোটা খাল – সুইডেন।
সুয়েজ খাল- মিশর।
পানামা খাল- পানামা।

সূত্র: Britannica
১১.
সৌদি আরবের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর কোনটি?
  1. ক) জেদ্দা
  2. খ) রিয়াদ
  3. গ) দাম্মামা
  4. ঘ) খাদিমাহ
ব্যাখ্যা
জেদ্দা সমুদ্রবন্দর সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলে লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি সৌদি আরবের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।

লোহিত সাগরের অন্যান্য সমুদ্রবন্দরসমূহ:
- পোর্ট সুদান (সুদান)
- পোর্ট সুয়েজ (মিশর)
- পোর্ট হুদাইদাহ (ইয়েমেন)
- পোর্ট আসেব (ইরিত্রিয়া)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
১২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. ক) দুর্যোগ পরবর্তী উন্নয়ন
  2. খ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার
  3. গ) দুর্যোগে সাড়া প্রদান
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন। এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

• সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
• দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
• অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত -
  1. ক) হিমালয় পর্বতমালা
  2. খ) আল্পস পর্বতমালা
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
• হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত। 
• পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা।
• দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
১৪.
ত্রিভুজ আকৃতির মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) উত্তর মহাসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ঘ) আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• প্রশান্তমহাসাগর (Pacific Ocean):
- পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ প্রশান্তমহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশের অধিক স্থান জুড়ে বিস্তৃত।
- এ মহাসাগরের আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ৪,২৭০ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ১০,৭৯০ মিটার।
- এ মহাসাগর উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- বিখ্যাত নাবিক ম্যাগেলান (Magellan) এ মহাসাগরের নাম রাখেন প্রশান্তমহাসাগর বা Pacific ocean। 
- প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা অসম ত্রিভুজের মতো
- প্রশান্তমহাসাগরকে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে বেরিং প্রণালি।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালি
  2. খ) বেরিং প্রণালি
  3. গ) ফরমোজা প্রণালি
  4. ঘ) বাবেল মান্দেব প্রণালি
ব্যাখ্যা
• বেরিং প্রণালি: বেরিং সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) ও চুকচি সাগর (উত্তর মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
• ফরমোজা প্রণালি: দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
• মালাক্কা প্রণালি: আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
• বাবেল মান্দেব প্রণালি: লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা।
১৬.
স্থানীয় বায়ু নয় কোনটি?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) চিনুক
  3. গ) সিরক্কো
  4. ঘ) সাইমুম
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ:

- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পের (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

অন্যদিকে,
মৌসুমি বায়ু  দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ুতে সর্বাপেক্ষা প্রভাব বিস্তারকারী বায়ুপ্রবাহ। গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে সমুদ্র ও ভূ-পৃষ্ঠের উত্তাপ এবং শীতলতার তারতম্যের ফলে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। শীত মৌসুমে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক (ভূভাগ) থেকে সমুদ্র অভিমুখে প্রবাহিত হয় এবং গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম (সমুদ্রভাগ) থেকে ভূমি অভিমুখে প্রবাহিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ -
  1. ক) ভানুয়াতু
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) মোনাকো
  4. ঘ) ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা
• আয়তন ও জনসংখ্যা বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি
- দেশটি ইতালির রাজধানী রোমের অভ্যন্তরে অবস্থিত যার আয়তন ০.৪৯ বর্গ কিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের সদস্য নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
১৮.
ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন নদী কোনটি?
  1. ক) মারে ডার্লিং
  2. খ) নীলনদ
  3. গ) হোয়াংহো
  4. ঘ) আমাজান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল-
- হোয়াংহো নদী:  কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- মিসিসিপি নদী: মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।    
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
টারশিয়ারি যুগে গঠিত নয় -
  1. ক) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  2. খ) আসামের লুসাই পাহাড়
  3. গ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  4. ঘ) বরেন্দ্র অঞ্চলের টিলাসমূহ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়।
• এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ 
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।  

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
পোর্ট সৈয়দ অবস্থিত-
  1. ক) সুয়েজ খালে
  2. খ) পারস্য উপসাগরে
  3. গ) লোহিত সাগরে
  4. ঘ) কিয়েল খালে
ব্যাখ্যা
• পোর্ট সৈয়দ উত্তর -পূর্ব মিশরের বন্দর শহর।
- এটি সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত
- শহরটি ১৮৫৯ সালে একটি নিম্ন বালুকাময় পটভূমিতে ভূমধ্যসাগরকে মনজালা (বুসায়রাত আল-মানজিলাহ) থেকে পৃথক করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
সেইন নদীর তীরবর্তী শহর -
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) টরেন্টো
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শহর ফ্রান্সের রাজধানী।
- এটি দেশের উত্তর-মধ্য অংশে অবস্থিত।
- প্রায় ৭৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইংলিশ চ্যানেল নদীর মুখ থেকে ২৩৩ মাইল (৩৭৫ কিমি) উজানে সেইন নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২২.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোন জেলাগুলোতে সু্ন্দরবন অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা
  3. গ) নওসিটি, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) খুলনা, প্টুয়াখালী ও সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
• এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
• জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং খুলনা জেলা ওয়েবসাইট।