পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১ টপিক: ভূগোলের ধারণা ও বিভিন্ন শাখা, বিগত সালের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টি (বিগ ব্যাং), বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক সম্পর্কে ধারণা [Live Class - 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নিচের কোনটির ভর অধিক?
  1. লাল বামন
  2. সূর্য
  3. পালসার
  4. কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
যদিও তত্ত্ব অনুযায়ী সব ভরের ব্ল্যাক হোল থাকা সম্ভব, বাস্তবে আমরা চারটি প্রাথমিক ধরণের ব্ল্যাক হোল দেখতে পাই।

১. মিনি ব্ল্যাক হোল (Mini Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৩ গুণের কম।
- অবস্থান: বিরল বা অনুপস্থিত।
- হকিং বিকিরণের কারণে দ্রুত বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোনো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় এদের উৎপত্তি দেখা যায়নি।

২. স্টেলার-মাস ব্ল্যাক হোল (Stellar-Mass Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৩ থেকে ৫০ গুণ।
- গঠন: একক নক্ষত্রের মহাকর্ষীয় পতন বা দুটি নিউট্রন তারার সংঘর্ষ।
- এটি নক্ষত্রের মৃত্যুর একটি স্বাভাবিক ফল।

৩. ইন্টারমিডিয়েট ব্ল্যাক হোল (Intermediate Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৫০ থেকে ৫০,০০০ গুণ।
- এই ভর পরিসরে ব্ল্যাক হোলের জন্য কোনো সাধারণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া নেই।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় সম্ভাব্য অস্তিত্বের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

৪. সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল (Supermassive Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৫০,০০০ থেকে বিলিয়ন গুণ।
- সাধারণ, প্রতিটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিদ্যমান।
- এটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রের মূল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত।

- স্টেলার-মাস ব্ল্যাক হোল এবং সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল সবচেয়ে সাধারণ।

পালসার: 
- পালসার এর ভর সূর্যের ১.১৮ থেকে ১.৯৭ গুণের মধ্যে, তবে বেশিরভাগ পালসারের ভর সূর্যের ১.৩৫ গুণ বেশি ।

লালবামন: 
- সূর্যের প্রায় ০.০৮ থেকে ০.৬ গুণ পর্যন্ত ভর রয়েছে। 

উৎস: Science Questions with Surprising Answers
Britannica.
.
Constellation বলতে নিচের কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. আকাশগঙ্গা
  2. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  3. নক্ষত্রমণ্ডলী
  4. উল্কা
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। - এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: 
- সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear),
- বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
ভূগোলকে পৃথিবীর বিজ্ঞান কে বলেছেন?
  1. অধ্যাপক ম্যাকনি
  2. ডাডলি স্ট্যাম্প
  3. কার্ল রিটার
  4. রিচার্ড হার্টশোর্ন
ব্যাখ্যা
- 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ, কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল। তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বেশিরভাগ গ্রহাণুর অবস্থান কোথায়?
  1. শনি এবং বৃহস্পতির মাঝে
  2. মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
  3. পৃথিবী ও মঙ্গল এর মাঝে
  4. শনি ও ইউরেনাস এর মাঝে
ব্যাখ্যা
গ্রহাণু: 
- গ্রহাণু, যেগুলোকে কখনও বামন গ্রহ বলা হয়, সৌরজগতের প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে গঠনের সময় অবশিষ্ট থাকা শিলাময় এবং বায়ুহীন অংশ।
- বেশিরভাগ গ্রহাণুর মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মধ্যে অ্যাস্টারয়েড বেল্টে অবস্থান। 
- বৃহত্তম গ্রহাণু ভেস্তা, যার ব্যাস প্রায় ৩২৯ মাইল (৫৩০ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট গ্রহাণুর আকার ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এর চেয়েও কম।
- সব গ্রহাণুর মোট ভর একত্র করলে তা পৃথিবীর চাঁদের ভরের চেয়েও কম।

উৎস: NASA
.
ভূমিরূপ এবং এর বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে কোনটি?
  1. Soil geography
  2. Biogeography
  3. Geomorphology
  4. Climatology
ব্যাখ্যা
ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology):
- ভূমিরূপ এবং এর বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে। 
- ভূমিরূপবিদ্যা হলো ভূমিরূপ এবং এর পরিবর্তনের অধ্যয়ন।
- এটি ভূমিরূপের গঠন, গঠন প্রক্রিয়া এবং পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ করে।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে কাজ করা শক্তি এবং ভূমিরূপ পরিবর্তনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হয়।
- ভূমিরূপবিদগণ একটি গ্রহের নগ্নীভবন এবং ক্ষয়ীভবনের ভূমিরূপের পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করে। 

জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): জলবায়ুবিদ্যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার ধরন এবং পৃথিবীতে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করে।
জীবভূগোল (Biogeography): পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ এবং উদ্ভিদের বণ্টন নিয়ে জীবভূগোল আলোচনা করে।
মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography): মৃত্তিকা ভূগোলবিদগণ অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগের মৃত্তিকা এবং এর বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
ScienceDirect.
.
কোন গ্রহের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের অর্ধেক?
  1. বুধ
  2. মঙ্গল
  3. শনি
  4. নেপচুন
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
মানবভূগোল এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  2. নগরভূগোল
  3. প্রাণিভূগোল
  4. সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল
ব্যাখ্যা
- প্রাণিভূগোল প্রাকৃতিক ভূগোল এর অন্তর্ভুক্ত। 

মানবভূগোল (Human geography):
পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।

১। অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
২। জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
৩। আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
৪। রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
৫। সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
৬। পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
৭। নগরভূগোল (Urban geography)
৮। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে দূরত্ব কোন এককে মাপা হয়?
  1. কিলোমিটার
  2. নটিক্যাল মাইল
  3. আলোক বর্ষ
  4. আলোক মাইল
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।