পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes৫৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০: রিভিশন পরীক্ষা [১৪০দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬০ প্রশ্ন

.
সন্ধ্যাযুগের বিস্তার কোন সময়কালকে নির্দেশ করে?
  1. ১২০১–১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ
  2.  ১১৫০–১২৭৫ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৩০০–১৪২৫ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১২০০–১৩০০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা

সন্ধ্যাযুগ:
- বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দের সময়কালকে সাধারণত “অন্ধকার যুগ” বা “সন্ধ্যাযুগ ” বলা হয়।
- এটি বন্ধ্যা যুগ নামেও পরিচিত। 
- এই সময়কালে বখতিয়ার খলজির ১২০৪ সালের বঙ্গবিজয়ের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক বিশৃঙ্খলার কারণে সাহিত্যচর্চায় উল্লেখযোগ্য ভাটা দেখা দেয়।
- ফলে সাহিত্যের কোনো বড় নিদর্শন এই সময় থেকে পাওয়া যায়নি।
- তাই অনেক সমালোচক এবং লেখক (যেমন—হুমায়ুন আজাদ, লাল নীল দীপাবলি) এ সময়কালকে সাহিত্যিকভাবে “অন্ধকার যুগ” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

- তবুও এই যুগে কিছু সীমিত সাহিত্যকর্ম রচিত হয়েছিল।
- উল্লেখযোগ্য নিদর্শনের মধ্যে আছে ‘সেক শুভোদয়া’ ও ‘শূন্যপুরাণ’।
- দুটোই সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং গদ্য-পদ্য মিশ্র রচনাশৈলীতে লেখা হয়েছে।
- ফলে এদের চম্পু কাব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সমালোচকরা মনে করেন, যদিও এই সময়ে সাহিত্যচর্চা খুবই সীমিত আকারে হয়েছে, তবে একেবারেই বিলুপ্ত হয়নি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ। 

.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের সময়কাল কোনটি? 
  1. ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ৯৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ৯৭০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১২০১-১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ  
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের সময়কাল:
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ছিলেন শিক্ষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক।
- তিনি ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- সুনীতিকুমার বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৩৮০-এর বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো Origin and Development of the Bengali Language।
- তিনি ১৯৭৭ সালের ২৯ মে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছিল।
- তাঁর গ্রন্থ Origin and Development of Bengali Language (ODBL)-এ এই সময়কালকে মুসলমান পূর্ব যুগ বা প্রাচীন যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এই সময়ের প্রধান সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

- যদিও কিছু গবেষক, যেমন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে প্রাচীন যুগের বিস্তারকাল ৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ হিসেবে ধরা হয়েছে। 
- তবু ড. সুনীতিকুমারের মতটি ৯৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দকে অধিক স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট মনে করা হয়।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের প্রাচীন কবি কে?
  1. লুইপা
  2. শবরপা
  3. কাহ্নপা
  4. ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ:
- চর্যাপদ হলো প্রাচীন বৌদ্ধ সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন।
- এটি মূলত ৬৫০–১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত পদ, গান বা গীতিকবিতার সংকলন।
- চর্যাপদ  সহজিয়া বৌদ্ধ সাধনাসংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- চর্যাপদের ভাষা ‘সন্ধ্যা ভাষা’, অর্থাৎ রূপক ও সংকেতধর্মী।
- এতে ধর্মীয় ভাবধারা, লৌকিক জীবনের সরল চিত্র এবং নৈতিক শিক্ষা ফুটে ওঠে। 

- বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ যেহেতু চর্যাপদ;
- এবং এই গ্রন্থের ৫১ টি পদের প্রথম পদের রচয়িতা যেহেতু লুইপা;
- তাই লুইপাকে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি বলা হয়। 

- তবে শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীন কবি শবরপা।
- লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা হলেও, শহীদুল্লাহর মতে, লুইপা শবরপার শিষ্য ছিলেন।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, শবরপা লুইপার গুরু এবং নাগার্জুনের শিষ্য ছিলেন।
- শহীদুল্লাহ শবরপাকে তাই আগে স্থাপন করেন।
- তিনি ধারণা করেন, শবরপা বাংলাদেশের লোক
- এবং চর্যাপদের ২৮ ও ৫০ নং পদ দুটি রচনা করেছেন।

উৎস:
লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।  

.
খনার বচনের প্রধান বিষয় কী? 
  1. বৃক্ষরোপণ ও কৃষি 
  2. কৃষি ও আবহাওয়া
  3. জ্যোতিষ ও ঋতুবিদ্যা
  4. স্বাস্থ্য ও খাদ্য
ব্যাখ্যা

খনার বচনের প্রধান বিষয়- কৃষি ও আবহাওয়া।
-------------------------------- 
• খনার বচন:
- খনার বচন হলো অর্থবোধক বাক্য বা উপদেশমূলক উক্তি।
- এটি ইংরেজির saying বা proverb-এর সঙ্গে তুলনীয় হলেও এর তাৎপর্য আরও বিস্তৃত।
- এতে শুভাশুভ, নীতি, বিধিবিধান ও প্রাজ্ঞদের উপদেশের বাণী প্রতিফলিত থাকে।

- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি এই বচন এর সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
- খনার বচনের প্রকৃত রচয়িতা ছিলেন লীলাবতী আর্যা, যিনি খনা নামেও পরিচিত।
- এটি বৌদ্ধ ও হিন্দু সমাজে ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে।

- বিষয়গত দিক থেকে ডাক ও খনার বচনকে বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়। 
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন এগুলির রচনার সময় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী বলেছেন।
- আর ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর কিছু অংশকে বৌদ্ধ যুগের রচনা হিসেবে মনে করেছেন।
- মূল ভাব হিসেবে খনার বচনের উদ্দেশ্য হলো শুদ্ধ জীবনযাপন ও নৈতিক শিক্ষা প্রদান। 

- খনার বচন লোকসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় শাখা।
- এর মধ্যে কাব্যরস, গীতিধর্মিতা এবং মাঝে মাঝে ভণিতার উপাদানও থাকে।
- এদের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের নীতি, কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সম্পর্কিত মূল্যবান শিক্ষা প্রদান করা হয়।
- মুখে মুখে প্রচলিত থাকার কারণে খনার বচনের ভাষা আধুনিক বাংলায়ও প্রতিফলিত হয়েছে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস : মাহবুবুল আলম।

.
যুগসন্ধিক্ষণের সাহিত্য বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সম্পূর্ণ মধ্যযুগীয় দেবকেন্দ্রিক কাব্য
  2. সম্পূর্ণ আধুনিক মানবকেন্দ্রিক সাহিত্য
  3. মধ্যযুগীয় দেবকেন্দ্রিক ও আধুনিক মানবকেন্দ্রিক ভাবধারার সংমিশ্রণ
  4. শুধু আখ্যানকাব্য ও মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা

যুগসন্ধিক্ষণ:
- বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণ (১৭৬০–১৮৬০) হলো মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যবর্তী সময়কাল।
- এটি  সাহিত্যিক অবক্ষয় ও পরিবর্তনের যুগ হিসেবে পরিচিত।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর (১৭৬০) পর থেকে মাইকেল মধুসূদন দত্তের আবির্ভাব (১৮৬০) পর্যন্ত এই শতাব্দীতে নতুন আঙ্গিক ও ভাবধারার সংমিশ্রণ ঘটেছিল।

- যুগসন্ধিক্ষণের সাহিত্য বৈশিষ্ট্য হলো মধ্যযুগের দেবকেন্দ্রিক সাহিত্য ও আধুনিক মানবকেন্দ্রিক ভাবধারার সংমিশ্রণ। 
- এই সময়কে অনেক লেখক অবক্ষয় বা বন্ধ্যকাল হিসেবে অভিহিত করেছেন।
- কারণ এই যুগে মৌলিক প্রতিভার অভাব ছিল এবং অনুকরণপ্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- তবে হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়েরের উদ্ভব ঘটেছিল।
- এবং ছোটখাটো খণ্ডকবিতা, লৌকিক কবিতা, ছড়া ও বিতর্কধর্মী গান রচনার মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা সীমিত আকারে অব্যাহত ছিল।
- এই যুগে মঙ্গলকাব্যের অবসান ঘটে এবং খণ্ডকবিতা ও লৌকিক কবিতা জনপ্রিয়তা পায়। 
- যুগের শেষের দিকে বাংলা গদ্যের বিকাশ শুরু হয়, যা আধুনিক সাহিত্যের সূচনা হিসেবে গণ্য।

- এই সময়ের প্রধান কবি ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। 
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সাহিত্যকর্মে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের ছাপ একসাথে দেখা যায়।
- যদিও তিনি মূলত মধ্যযুগীয় কবি, তাঁর রচনায় আধুনিক সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যও প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ কারণে তাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
- অর্থাৎ, তিনি মধ্যযুগের বাংলায় সাহিত্য রচনা করেছেন এবং সেই সঙ্গে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রভাবও তার কাজের মধ্যে রেখেছেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো—
• ভারত সন্তানের প্রতি, 
• ভারতের অবস্থা এবং
• ভারতের ভাগ্যবিপ্লব। 

- এছাড়া এই যুগে সমসাময়িক সমাজ, স্বদেশপ্রেম ও ঐতিহাসিক বিষয়গুলোও সাহিত্যিক চর্চায় প্রতিফলিত হয়। 
- এইভাবে যুগসন্ধিক্ষণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগকাল হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
চর্যাপদের মহিলা কবি হিসেবে কাকে অনুমান করা হয়?
  1. চন্দ্রাবতী
  2. লুইপা
  3. ভুসুকুপা
  4. কুক্কুরীপা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের মহিলা কবি:  
- চর্যাপদ হলো প্রাচীন বৌদ্ধ সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন।
- চর্যাপদ পাল শাসনামলে রচিত হয়েছে।
- চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- চর্যাপদে ৬ টি প্রবাদ বাক্য পাওয়া যায়।
- চর্যাপদের বয়স আনুমানিক ১০০০ বছর।
- চর্যাপদের রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী।তা না থাকলে দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী।
- সুনীতিকুমার ১৯২৬ সালে ‘Origin and Development of the Bengali Language'(ODBL) গ্রন্থ রচনা করে চর্যাপদকে বাংলা সাহিত্যের বলে প্রমাণ করেন।

- ধারনা করা হয় চর্যাপদের একমাত্র মহিলা কবি ছিলেন কুক্কুরীপা। 
- তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে ধরা হয়।
- ধারণা করা হয়, তিনি চর্যাপদের ৩টি পদ লিখেছেন—২, ২০ এবং ৪৮ নং, যদিও ৪৮ নং পদ আজ পাওয়া যায়নি।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, কুক্কুরীপা ৮ম শতকের প্রথমার্ধে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চলের লোক ছিলেন।
- এবং বৌদ্ধ তন্ত্র সাধনার মাধ্যমে মহামায়ার সাধনা শুরু করেছিলেন।
- ড. সুকুমার সেনের মতে, কুক্কুরীপার ভাষার সঙ্গে নারীদের ভাষার মিল দেখা যায়।
- ধারনা করা হয়, কুক্কুরীপা ছিলেন ইন্দ্রভূতির অন্যতম গুরু। 

- রাহুল সংকৃত্যায়নের মতে,
• কুক্কুরীপা দেবপালের রাজত্বকালে ছিলেন।
• তার জন্মস্থান কপিলবস্তু এবং জন্ম হয়েছিল ব্রাহ্মণ বংশে।
• তিনি একজন সিদ্ধা ছিলেন।

- তারানাথের মতে, একটি কুকুরী সর্বদা সঙ্গে রাখতেন তাই এই সিদ্ধা কুক্কুরীপা নামে পরিচিত।
- কুক্কুরীপার লেখা চর্যাপদের ভাষা সহজ, গ্রাম্য এবং লোকসঙ্গীতের মতো।
- তার পরিচিত পংক্তি হলো—“দিবসহি বহুড়ী কাউহি ডর ভাই রাতি ভইলে কামরু জাই।" 

উৎস:
লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।  

.
মুক্তিযুদ্ধের সময় শামসুর রাহমান কোন ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন?
  1. মজলুম আদিব
  2. মজলুমের বাচ্চু 
  3. নাগরিক কবি
  4. জীবন 
ব্যাখ্যা

শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- শামসুর রাহমান বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয়ার্ধের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- শামসুর রাহমানের জন্ম তার নানাবাড়িতে।
- তার পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- তার পিতা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী এবং মাতা আমেনা বেগম।

- শামসুর রাহমানের ডাক নাম ছিল- বাচ্চু।
- শামসুর রাহমানকে প্রধানত “নাগরিক কবি” বলা হয়।
- কারণ তার কবিতায় নগর জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি “মজলুম আদিব” ছদ্মনামে লিখতেন।
-  তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- শামসুর রাহমান তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষ কীভাবে জীবন যাপন করে, শহরের মানুষদের দৈনন্দিন সমস্যা, সুখ–দুঃখ ও সমাজের নানা ঘটনা তুলে ধরেছেন।
- এই অনন্য কবি-কীর্তি ও সত্যনিষ্ঠ কাব্যচর্চার জন্য তাকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং একুশে পদক দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে।
- তিনি ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

- শামসুর রাহমানের অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।
• উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো:
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্যগ্রন্থ);
- রৌদ্র করোটিতে;
- বিধ্বস্ত নীলিমা;
- বন্দী শিবির থেকে;
- নিজ বাসভূমে;
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়;
- এবং উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ। 

- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- কালের ধুলোয় লেখা।
- একাত্তরের ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ বিবরণ তিনি আত্মজীবনী কালের ধুলোয় লেখা গ্রন্থে  লিখে গিয়েছেন।

- তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ:
- স্মৃতির শহর। (কিশোর রচনা)

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

.
'গৌড়তটবাসী মশা' কার ছদ্মনাম?
  1. শওকত ওসমান
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 
  3. মীর মোশাররফ হোসেন
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

'গৌড়তটবাসী মশা' ছদ্মনাম- মীর মশাররফ হোসেনের।  
------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের প্রচলিত ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়া’।
- তিনি আরও যেসব ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন: গৌড়তটবাসী মশা, উদাসীন পথিক।
- তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৪৩), পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।

- তাঁর নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• 'বসন্তকুমারী' ও
• 'জমিদার দর্পণ'।

• মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা হচ্ছে গাজী মিয়াঁর বস্তানী। 

- তার রচিত প্রহসন হচ্ছে:
• ফাঁস কাগজ', 
•'ভাই ভাই এইতো চাই', 
• 'এর উপায় কি'।

- তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু' - যার তিনটি খণ্ড হলো:
• মহররম পর্ব,
• উদ্ধার পর্ব ও
• ইয়াজিদ বধ পর্ব।
-----------------------------------
অন্যদিকে, 
•  ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের  ছদ্মনাম- ‘ভ্রমণকারী বন্ধু’।
• সৈয়দ মুজতবা আলীর সবচেয়ে প্রচলিত ছদ্মনাম হলো-
- প্রিয়দর্শী, মুসাফির, সত্যপীর।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া।    

.
"বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না" -এই স্মরণীয় পঙ্‌ক্তিটি কোন ভাষাবিদের লেখা?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  4. মুহাম্মদ এনামুল হক 
ব্যাখ্যা

• “বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না” — এই প্রখ্যাত উক্তিটি বলেছেন বাঙালি রম্যরচয়িতা, ভাষাবিদ ও পণ্ডিত সৈয়দ মুজতবা আলী।
- তাঁর বক্তব্যের মূল ভাব হলো—
- জ্ঞান অর্জন ও বইয়ের প্রতি করা বিনিয়োগ কখনো ব্যর্থ হয় না;
- বরং তা মানুষের জীবনে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে কাজ করে।
-------------------------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক।
- তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ সালে পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (বর্তমান সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন, যদিও পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা সৈয়দ সিকন্দর আলী সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম ছিল ‘সত্যপীর’।
- সৈয়দ মুজতবা আলী প্রায় ত্রিশটি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- যার মধ্যে উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী রয়েছে।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে আছে:
• ভ্রমণকাহিনী:
- দেশে-বিদেশে;
- জলে-ডাঙায়।

 • উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য;
- শবনম।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র;
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর ছোটগল্প সংকলন:
- চাচা-কাহিনী;
- টুনি মেম।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১০.
বাংলা ভাষার প্রথম নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদপত্র কোনটি?
  1. দিগ্‌দর্শন
  2. সমাচার দর্পণ
  3. বেঙ্গল গেজেট
  4. মিরাৎ-উল-আখবার। 
ব্যাখ্যা

সমাচার দর্পণ:
- ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর মিশন থেকে সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা ভাষার প্রথম নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে পরিচিত।
- এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত।

- এর আগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে ‘দিগ্দর্শন’ নামে একটি সাময়িকী প্রকাশিত হয়েছিল।
- সমাচার দর্পণের মাধ্যমে নানা ধরনের সংবাদ ছাপা হতো।
- যেমন—
- রাজকর্মচারীদের নিয়োগ, বিদেশি সংবাদ, বাণিজ্যিক খবর, জন্ম-বিবাহ-মৃত্যু, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও বইয়ের বিবরণ, আইন ও হুকুম সম্পর্কিত তথ্য, এবং ইউরোপীয় বই ও কলকারখানার খবর।

- সমাচার দর্পণের সম্পাদনার দায়িত্ব মূলত দেশীয় পন্ডিতদের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- পন্ডিতরা অনুপস্থিত থাকলে নতুন সংবাদ প্রকাশ বন্ধ হয়ে যেত।
- বাংলা ভাষা না জানেন এমনদের জন্য ৬ মে ১৮২৬-এ শ্রীরামপুর থেকে পত্রিকার ফার্সি সংস্করণ ‘আত্থবারে শ্রীরামপুর’ প্রকাশিত হয়, যা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
- ১৮১৭ সালে কলকাতায় হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার পর ইংরেজি শিক্ষার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
- এই কারণে ১৮২৯ সাল থেকে পত্রিকাটি দ্বিভাষিক (বাংলা ও ইংরেজি) করা হয়।
- ১৮৩২ সাল থেকে সপ্তাহে দু’বার প্রকাশ শুরু হয়।
-------------------------------------- 
অন্যদিকে, 
- দিগ্দর্শন: প্রথম বাংলা মাসিক সাময়িকী (এপ্রিল ১৮১৮)।
- বেঙ্গল গেজেট: প্রথম ভারতীয় সংবাদপত্র, কিন্তু বাংলা ভাষার নয়।
- মিরাৎ-উল-আখবার: রাজা রামমোহন রায় সম্পাদিত পত্রিকা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১১.
She has shown little interest in politics.
Here, “little” is-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Adjective.

• She has shown little interest in politics.
- Here, “little” is an adjective.
- little শব্দটি noun “interest”, কে modify করে।
 - তাই এটি একটি adjective.
 
• Little (Adjective)
English Meaning: small in amount or degree; not much.
Bangla Meaning: অল্প; সামান্য।
Example: He has little patience.
 
Other Options:
• Little (noun)
English Meaning: a small amount.
Bangla Meaning: অল্প পরিমাণ।
Example: I know very little about him.

• Little (pronoun)
English Meaning: a small amount; not much (used without a noun).
Bangla Meaning: অল্প কিছু।
Example: Little was done to help the victims.

• Little (adverb)
English Meaning: not much; slightly.
Bangla Meaning: সামান্যভাবে।
Example: He little understood the problem.

১২.
The masculine form of ‘Witch’ is-
  1. Wizard
  2. Spinster
  3. Nun
  4. Dame
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) Wizard.
 
• The masculine form of ‘Witch’ is Wizard.
• Witch (ডাইনী) - Feminine gender.
- এর Masculine form হচ্ছে Wizard (যাদুকর; তান্ত্রিক পুরুষ)।
 
Other Options:
• Spinster (অবিবাহিতা মহিলা) - Feminine gender.
- এর masculine gender: Bachelor (অবিবাহিত পুরুষ)।

• Nun (মঠবাসিনী; সন্ন্যাসিনী) - Feminine gender.
- এর masculine gender: Monk (সন্ন্যাসী; ভিক্ষু)।

• Dame - Feminine gender.
- সাধারণত Sir/Sire এর feminine রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

১৩.
He was sitting _____ his friend during the exam.
  1. to
  2. over
  3. by
  4. with
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He was sitting by his friend during the exam.
- Bangla meaning: সে পরীক্ষার সময় তার বন্ধুর পাশে বসে ছিল।
 
By (Preposition)
English Meaning: close to; beside; near.
Bangla Meaning: পাশে; নিকটে; কাছে; ধারে।
- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর কাছে/পাশে অবস্থান বোঝাতে by ব্যবহৃত হয়।
 
Other Options:
• to - গন্তব্য বা দিক বোঝায়।

• over - উপর দিয়ে/উপরে বোঝায়।

• with - সঙ্গ বোঝায় (একসাথে থাকা)।

১৪.
He was rather tired after the journey.
Here, “rather” does the function of-
  1. Adverb of manner
  2. Adverb of frequency
  3. Adjective
  4. Adverb of degree 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) Adverb of degree.
 
• He was rather tired after the journey.
- Here, “rather” modifies the adjective “tired”.
- কি মাত্রায় tired তা বুঝায়।
 
Adverb of degree:
- এই ধরনের adverb কতটা, কী মাত্রায়-এই ধারণা প্রকাশ করে।
- Examples: very, quite, rather, too, almost, enough, fully, partly, completely, entirely, deeply, greatly, somewhat.
 
Other Options:
• Adverb of manner:
- যে adverb কোনো কিছু কিভাবে হয় হচ্ছে তা উল্লেখ করে তাকে Adverb of manner বলে।
- Examples: sweetly, quickley.

• Adverb of frequency:
- যে Adverb কোন কিছু করার বা কতো সময় পরপর হয় তা বোঝায় ভাকে Adverb of frequency বলে।
- Some Adverb of frequency: always, usually, often, sometimes, rarely, never etc.

•  Adjective:
- যে word কোনো noun বা pronoun কে মডিফাই করে এর দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ প্রকাশ করে তা adjective.
- Examples: beautiful, cold, fast, large, old, and shiny.

১৫.
The plural of ‘Alumnus’ is-
  1. Alumnuses
  2. Alumnii
  3. Alumni
  4. Alumnis
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Alumni.
 
• The plural of ‘Alumnus’ is Alumni.

• Alumnus (noun)
English Meaning: a person who is a former member, employee, contributor, or inmate.
Bangla Meaning: স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।

Example Sentences:
- A Royal Ballet alumnus.
- The Pop Idol alumnus revealed a hitherto hidden falsetto.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১৬.
Identify the determiner:
She lost her bag.
  1. She
  2. Lost
  3. Her
  4. Bag
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Her.
 
• She lost her bag.
- Here, the determiner is “her”.
- Her noun “bag”-এর আগে বসে মালিকানা (possession) নির্দেশ করছে।
- তাই এটি Possessive Determiner.
 
• Determiner:
- যে সকল শব্দ noun-এর আগে বসে তার নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, সংখ্যা, পরিমাণ, মালিকানা, না-বাচকতা ইত্যাদি নির্দেশ করে, সেগুলোকে Determiner বলে।
- Determiner-এর প্রধান কাজ হলো noun-কে determine করা।
 
Why other options are incorrect:
• She - Pronoun,
• Lost - Verb,
• Bag - Noun.
 
• Types of Determiner:
Articles: a, an, the.
Demonstrative: this, that, these, those.
Possessive: my, your, his, her, its, our, their.
Interrogative: what, which, whose.
Quantifier: some, any, many, much, few, little, no.
Numerals: one, two/first, second.

১৭.
She subscribes to _____ National Geographic.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) Zero article.
 
• Complete sentence: She subscribes to National Geographic.
- এখানে কোনো article বসে না, কারণ National Geographic একটি magazine-এর নাম।
 
Article:
- Article মূলত noun-এর আগে বসে তার নির্দিষ্টতা / অনির্দিষ্টতা / সংখ্যা বোঝায়।

- Articles প্রধানত দুই প্রকার:
- Indefinite Article: a, an.
- Definite Article: the.
 
- Newspaper-এর নামের আগে সাধারণত “the” বসে
- Example: The Daily Star, The Guardian.

- Magazine-এর নামের আগে সাধারণত কোনো article বসে না
- Example: Time, Vogue, National Geographic.

১৮.
He had his jacket on during the meeting.
Here, “on” is-
  1. Adjective
  2. Adverb
  3. Preposition
  4. Noun
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) Adverb.

• He had his jacket on during the meeting.
- Here, “on” describes the state/condition of the noun “jacket” (পরা ছিল কি না)।
- তাই “on” adverb হিসেবে কাজ করছে।
 
On (Adverb)
English Meaning: on somebody’s body; being worn.
Bangla Meaning: শরীরে পরিহিত অবস্থায়; পরে থাকা।

Examples:
- Put your shoes on.
- She kept her scarf on.
  
Source: Oxford Dictionary.

১৯.
Teachers are accountable ____ the school authority.
  1. for
  2. with
  3. to
  4. by
ব্যাখ্যা

Correct Answer: গ) to.
 
• Complete sentence: Teachers are accountable to the school authority.

Accountable to someone
English Meaning: required to explain actions or decisions to someone; answerable.
Bangla Meaning: কারো কাছে দায়ী; জবাবদিহিমূলক।
 
More examples
Ministers are accountable to Parliament.
Public officials are accountable to the people.
 
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
• for : reason/responsibility বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (accountable for mistakes).
• with : এই verb-এর সাথে ব্যবহার হয় না। 
• by : agent বোঝায়, এখানে প্রযোজ্য নয়। 

২০.
Everyone was happy with the result.
Here, “Everyone” is-
  1. Distributive pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Personal pronoun
  4. Indefinite pronoun
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ঘ) Indefinite pronoun.
 
• Everyone was happy with the result.
- এখানে everyone কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে আলাদা করে নির্দেশ করছে না।
- এটি সাধারণ ও অনির্দিষ্টভাবে সকলকে বোঝাচ্ছে।
- তাই “everyone” হলো Indefinite pronoun.
 
Indefinite Pronoun
যে pronoun দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তু না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করা হয়, তাকে Indefinite pronoun বলে।
Examples: one, someone, everyone, anyone, nobody, something, anything, nothing.

• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন: 
1. Personal pronoun: (I, we, me, it).
2. Demonstrative pronoun: (this, that).
3. Interrogative pronoun: (what, who).
4. Relative pronoun: (what, who, that).
5. Indefinite pronoun: (one, some, any, all, many).
6. Distributive pronoun: (each, every).
7. Reflexive pronoun: (myself, themself).
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another).
 
Other Options:
• Distributive pronoun
- প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝায়।
Example: each, either, neither.

• Relative pronoun
- দুটি clause যুক্ত করে।
Example: who, which, that.

• Personal pronoun
- নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়।
Example: I, we, he, she, it.

২১.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৯ এবং এদের ল.সা.গু ৩৬০ হলে, সংখ্যা দুইটি কত?
  1. ৩০ এবং ৬০
  2. ৫০ এবং ৯০
  3. ৪০ এবং ৯০
  4. ৬০ এবং ৯০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৯ এবং এদের ল.সা.গু ৩৬০ হলে, সংখ্যা দুইটি কত?
 
সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে ৪x এবং ৯x

∴ ৪x এবং ৯x এর ল.সা.গু = ৩৬x

প্রশ্নমতে,
৩৬x = ৩৬০
⇒ x = ৩৬০ ÷ ৩৬
⇒ x = ১০

∴ ১ম সংখ্যাটি = ৪x
= ৪ × ১০
= ৪০

∴ ২য় সংখ্যাটি = ৯x
= ৯ × ১০
= ৯০

২২.
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ২৫ হলে, মধ্য সমানুপাতী কত?
  1. √২০০
  2. √১০০
  3. √১০
  4. √৩০০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ২৫ হলে, মধ্য সমানুপাতী কত?

সমাধান:
এখানে,
১ম রাশি = ৪
৩য় রাশি = ২৫

আমরা জানি,
১ম রাশি × ৩য় রাশি = (মধ্য রাশি)
⇒ ৪ × ২৫ = (মধ্য রাশি)
⇒ (মধ্য রাশি) = ১০০
∴ মধ্য রাশি = √১০০

২৩.
২০০ এর কত শতাংশ ২০ এর ৫ শতাংশের সমান?
  1. ০.৪%
  2. ০.৫%
  3. ০.৬%
  4. ০.৮%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০০ এর কত শতাংশ ২০ এর ৫ শতাংশের সমান?
 
সমাধান:
ধরি,
২০০ এর ক% = ২০ এর ৫%
⇒ ২০০ × ক/১০০ = ২০ × ৫/১০০
⇒ ২০০ক = ১০০
⇒ ক = ১০০ ÷ ২০০
⇒ ক = ০.৫

২৪.
বার্ষিক ৫% চক্রবৃদ্ধি সুদের হারে ৮০০০ টাকার ২ বছর পর চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত হবে?
  1. ৮৭৪৫ টাকা
  2. ৮৫০০ টাকা
  3. ৯৩২০ টাকা
  4. ৮৮২০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ৫% চক্রবৃদ্ধি সুদের হারে ৮০০০ টাকার ২ বছর পর চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত হবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রারম্ভিক মূলধন, P = ৮০০০ টাকা
বার্ষিক মুনাফার হার, r = ৫%
= ৫/১০০
= ১/২০

সময়, n = ২ বছর

আমরা জানি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন,
C = P(১ + r)n
⇒ C = ৮০০০ × {১ + (১/২০)}
⇒ C = ৮০০০ × (২১/২০)
⇒ C = ৮০০০ × ৪৪১/৪০০
⇒ C = ৮৮২০

∴ ২ বছর পরে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৮৮২০ টাকা

২৫.
মাতা ও কন্যার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ১ এবং তাদের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৩৬ বছর হলে, ১২ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. ৬ : ৩
  2. ৫ : ৩
  3. ৭ : ৩
  4. ২ : ৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: মাতা ও কন্যার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ১ এবং তাদের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৩৬ বছর হলে, ১২ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাতা ও কন্যার বয়সের অনুপাত = ৫ : ১

∴ অনুপাতের যোগফল = ৫ + ১ = ৬
 
∴ মাতার বর্তমান বয়স
= (৩৬ এর ৫/৬) বছর
= ৩০ বছর

∴ কন্যার বর্তমান বয়স = (৩৬ এর ১/৬) বছর
= ৬ বছর
 
∴ ১২ বছর পরে-
মাতার বয়স = ৩০ + ১২ = ৪২ বছর
কন্যার বয়স = ৬ + ১২ = ১৮ বছর
 
∴ বয়সের অনুপাত (১২ বছর পরে)-
৪২ : ১৮
= ৭ : ৩

∴ ১২ বছর পরে মাতা ও কন্যার বয়সের অনুপাত = ৭ : ৩

২৬.
৩৪০ টাকায় একটি দ্রব্য ক্রয় করলে যদি ১৫% কমিশন পাওয়া যায়, তবে দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য কত?
  1. ৪৫০ টাকা
  2. ৪৩০ টাকা
  3. ৪২০ টাকা
  4. ৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৩৪০ টাকায় একটি দ্রব্য ক্রয় করলে যদি ১৫% কমিশন পাওয়া যায়, তবে দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য কত?

সমাধান:
১৫% কমিশনে,
দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য ১০০ টাকা হলে,
ক্রয়মূল্য = (১০০ - ১৫) টাকা
= ৮৫ টাকা

অর্থাৎ,
ক্রয়মূল্য ৮৫ টাকা হলে, দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য = ১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে, দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য = ১০০/৮৫ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ৩৪০ টাকা হলে, দ্রব্যটির প্রকৃত মূল্য = (১০০ × ৩৪০)/৮৫ টাকা
= ৪০০ টাকা

২৭.
একটি সমবায় সমিতির যতজন সদস্য ছিল, প্রত্যেকে তত ২০ টাকা করে চাঁদা দেওয়াতে মোট ৮০০০ টাকা হলো। ঐ সমিতির সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১০ জন
  2. ২০ জন
  3. ৩০ জন
  4. ৪০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবায় সমিতির যতজন সদস্য ছিল, প্রত্যেকে তত ২০ টাকা করে চাঁদা দেওয়াতে মোট ৮০০০ টাকা হলো। ঐ সমিতির সদস্য সংখ্যা কত?

সমাধান:
ধরি,
সমিতিতে সদস্য সংখ্যা = ক জন

প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = (২০ × ক) টাকা
∴ ক জনে মোট চাঁদা দেয় = (২০ × ক × ক) টাকা
= ২০ক টাকা

প্রশ্নমতে,
২০ক = ৮০০০
⇒ ক = ৮০০০ ÷ ২০
⇒ ক = ৪০০
⇒ ক = √৪০০
∴ ক = ২০

∴ সমিতির সদস্য সংখ্যা = ২০ জন

২৮.
রহিম ও করিমের আয়ের অনুপাত ৮ : ৫ এবং তাদের ব্যয়ের অনুপাত ৩ : ২। যদি রহিম ও করিমের সঞ্চয় যথাক্রমে ৭০০০ টাকা ও ৪৫০০ টাকা হয়, তবে করিমের আয় কত?
  1. ৩৫০০ টাকা
  2. ২৫০০ টাকা
  3. ২২০০ টাকা
  4. ৩২০০ টাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

আয়ের চেয়ে সঞ্চয় বেশি হতে পারে না।
প্রশ্নটিতে লজিক্যাল এরর থাকায় বাতিল করা হলো। 

প্রশ্ন: রহিম ও করিমের আয়ের অনুপাত ৮ : ৫ এবং তাদের ব্যয়ের অনুপাত ৩ : ২। যদি রহিম ও করিমের সঞ্চয় যথাক্রমে ৭০০০ টাকা ও ৪৫০০ টাকা হয়, তবে করিমের আয় কত?

সমাধান:
ধরি,
রহিম ও করিমের আয় = ৮x ও ৫x
এবং
রহিম ও করিমের ব্যয় = ৩y ও ২y

প্রশ্নমতে,
৮x - ৩y = ৭০০০ ..........................(১)
৫x - ২y = ৪৫০০ ..........................(২)

 
(১) নং সমীকরণকে ২ দ্বারা এবং (২) নং সমীকরণকে ৩ দ্বারা গুণ করি,
(১) ⇒ ১৬x - ৬y = ১৪০০০
(২) ⇒ ১৫x - ৬y = ১৩৫০০
 
এখন (১) - (২) বিয়োগ করলে পাই,
(১৬x - ৬y) - (১৫x - ৬y) = ১৪০০০ - ১৩৫০০
⇒ x = ৫০০
 
এখন,
করিমের আয় = ৫x
= ৫ × ৫০০
= ২৫০০ টাকা

∴ করিমের আয় = ২৫০০ টাকা

২৯.
রিয়া, সামিরা ও তানভীর প্রতি ১০ মিনিট, ১৫ মিনিট ও ২০ মিনিট পরপর একটি করে চা খায়। তারা সকাল ৯:০০ টায় একসাথে প্রথম চা খাওয়ার পরে পুনরায় কখন একসাথে চা খাবে?
  1. ১০:০০ টায়
  2. ০৯:২০ টায়
  3. ১০:১০ টায়
  4. ০৯:৫০ টায়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রিয়া, সামিরা ও তানভীর প্রতি ১০ মিনিট, ১৫ মিনিট ও ২০ মিনিট পরপর একটি করে চা খায়। তারা সকাল ৯:০০ টায় একসাথে প্রথম চা খাওয়ার পরে পুনরায় কখন একসাথে চা খাবে?

সমাধান:
প্রথমে তাদের পরবর্তী একত্রে চা খাওয়ার সময় বের করতে হবে—এটির জন্য ল.সা.গু বের করতে হবে।

১০, ১৫ ও ২০ এর ল.সা.গু বের করি-

১০ = ২ × ৫
১৫ = ৩ × ৫
২০ = ২ × ২ × ৫

∴ ১০, ১৫ ও ২০ এর ল.সা.গু = ২ × ২ × ৩ × ৫ = ৬০

এখন, ৬০ মিনিট = ১ ঘন্টা
সকাল ৯:০০ টায় প্রথম চা খাওয়ার পরে ১ ঘন্টা পর তারা আবার একসাথে চা খাবে।

∴ পুনরায় একসাথে চা খাওয়ার সময় = ৯:০০ + ১ ঘন্টা = ১০:০০ টা

∴ ১০:০০ টায়-তারা আবার একসাথে চা খাবে।

৩০.
নিম্নলিখিত ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
  1. ৫/৬
  2. ৭/৯
  3. ৮/১১
  4. ৯/১০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নলিখিত ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
৫/৬, ৭/৯, ৮/১১, ৯/১০

সমাধান:
প্রত্যেকটি ভগ্নাংশকে দশমিক আকারে রূপান্তর করি-
৫/৬ = ০.৮৩৩
৭/৯ ≈ ০.৭৭৭
৮/১১ ≈ ০.৭২৭
৯/১০ = ০.৯০০

তুলনা:
০.৮৩৩, ০.৭৭৭, ০.৭২৭, ০.৯০০

∴ ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে ৯/১০ ভগ্নাংশটি বৃহত্তম।

৩১.
কোন শাসকের এলাহাবাদ লিপিতে সমতটের উল্লেখ পাওয়া যায়?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. হর্ষবর্ধন
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. কনিষ্ক
ব্যাখ্যা

সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- কালিদাসের রঘুবংশ কাব্যের মাধ্যমে জানা যায় যে, সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- মূলত মেঘনা-পূর্ববতী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল এবং এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই’ এলাকা।
- একেবারে সঠিকভাবে সমতটের সীমা নির্ধারণ না করা গেলেও ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩২.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫২৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- বাবর বুঝেছিলেন পানিপথের প্রান্তরের যুদ্ধে জয় লাভ করলে তাঁর দিল্লির সিংহাসনে বসার পথ সহজ হয়ে যাবে।
- তাই তিনি দিল্লির নিকটবর্তীপানিপথ প্রান্তরে দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন।
- তারিখটি ছিল ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ১২ এপ্রিল।
- বাবরের আত্মজীবনী তুযুক-ই-বাবরী থেকে জানা যায়, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
- তাছাড়া পাঞ্জাব জয়ের পর কিছুসংখ্যক অতিরিক্ত সৈন্যও তাঁর সাথে যোগদান করে। তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে ছিলেন?
  1. ভাস্করবর্মা
  2. হর্ষবর্ধন
  3. রাজ্যবর্ধন
  4. বাণভট্ট
ব্যাখ্যা

শশাঙ্কের সাথে দ্বন্দ্ব:
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও জড়িত ছিলেন।
- তাঁর লক্ষ্য ছিল কনৌজের মৌখরীরাজাদের আক্রমণ থেকে নিজ রাজ্যকে রক্ষা করা।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
- তাই হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্টের রচিত হর্ষচরিত ও তার সমসাময়িক হিউয়েন সাঙের বর্ণনায় শশাঙ্কের উত্তর ভারতের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিবরণ রয়েছে।
- শশাঙ্কের সাথে রাজ্যবর্ধনের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে রাজ্যবর্ধন নিহত হন ।
- এরপর রাজ্যবর্ধনের ভাই হর্ষবর্ধন রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর
সংবাদ পেয়ে শশাঙ্কের উপর ভীষণ ক্রুদ্ধ হন এবং এক বিশাল বাহিনীসহ শশাঙ্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেন।
- তবে শশাঙ্কের বিরুদ্ধে হর্ষবর্ধন যে বিশেষ সাফল্য লাভ করতে পারেননি তা শশাঙ্কের গঞ্জাম তাম্রশাসন থেকেই প্রমাণিত হয়।
- শশাঙ্ক হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মার হাত থেকে নিজ রাজ্য রক্ষা করতে পেরেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৪.
কত সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে?
  1. ১৭৫৭
  2. ১৮৫৩
  3. ১৮৫৭
  4. ১৮৫৮
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে ১৬১২ সালে।
- কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে ১৭০০ সালে।
- পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
ইন্দ্রগুপ্ত নামক বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদকে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন কে?
  1. বালপুত্রদেব
  2. দেবপাল
  3. মহীপাল
  4. মদনপাল
ব্যাখ্যা

দেবপাল ও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়:
- দেবপাল পালবংশের অন্যতম রাজা ছিলেন।
- তিনি আনুমানিক ৮২১ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি শুধু পিতা ধর্মপালের সাম্রাজ্য রক্ষাই করেননি, বরং সীমানা বৃদ্ধিও করেন।
- মালয় উপদ্বীপের শৈলবংশীয় রাজা বালপুত্রদেব দেবপালের খ্যাতির কথা জানতে পেরে তাঁর নিকট দূত পাঠিয়েছিলেন।
- বালপুত্রদেব ইতোমধ্যেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মঠ নির্মাণ করেছিলেন।
- তিনি এর স্থায়ী ব্যয় পরিচালনার জন্য পাঁচটি গ্রাম প্রার্থনা করেন। দেবপাল তাঁর অনুরোধ রক্ষা করেন।
- দেবপাল বৌদ্ধ ধর্মের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি মগধের বৌদ্ধ মঠগুলোর সংস্কার সাধন করেন।
- তিনি নালন্দায়ও কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় একটি বড় মন্দির নির্মাণ করেন।
- ইন্দ্রগুপ্ত নামক জনৈক বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদকে তিনি নালন্দার অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেন।
- দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তাঁর শাসনামলে উত্তর ভারতে লুপ্তপ্রায় বৌদ্ধ ধর্ম পুনরায় সঞ্জীবিত হয়ে উঠে।
- বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী হলেও দেবপাল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
- দেবপালই ছিলেন যথার্থভাবে পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা এবং তাঁর সময়েই পাল সাম্রাজ্য ক্ষমতা ও গৌরবের শীর্ষ-স্থানে উপনীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৬.
পাট্টা ও কবুলিয়াত প্রথা চালু করেন কে?
  1. হুমায়ুন 
  2. বাবর 
  3. শেরশাহ 
  4. আকবর
ব্যাখ্যা

শেরশাহের রাজস্ব সংস্কার:
- রাজস্ব সংস্কার শেরশাহের অন্যতম সফলতা।
- তার আগে রাজস্ব নির্ধারণের জন্য কোনো ভূমি জরিপের ব্যবস্থা ছিল না।
- প্রথমবারের মতো শেরশাহই ভূমি জরিপের ব্যবস্থা করেছিলেন।
- তিনি জমির উর্বরা শক্তির তারতম্য অনুসারে রাজস্ব নির্ধারণ করেছিলেন।
- এক্ষেত্রে শস্য কিংবা নগদ অর্থে রাজস্ব আদায় করা যেত।
- শেরশাহ প্রথম ‘পাট্টা’ ও ‘কবুলিয়ত’ প্রথা চালু করেন।
- সরকারের পক্ষ থেকে জমির উপর কৃষকের সত্ত্ব স্বীকার করে পাট্টা দেয়া হতো।
- কৃষকরা তাদের অধিকার, দায়িত্ব ও দাবি বর্ণনা করে কবুলিয়ত নামক দলিল সম্পাদন করে দিত।
- শেরশাহের রাজস্বনীতি শুধু পরবর্তীকালে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
কার সময়ে সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বিজয় সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. কেশব সেন
ব্যাখ্যা

বিজয় সেন:
- বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। 
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- বিজয় সেন পালরাজা রামপালকে বরেন্দ্র উদ্ধারে সাহায্য করেছিলেন।
- বিজয়সেন প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন।
- এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- বিজয় সেন একজন প্রতিভাবান রাজা ছিলেন।
- সামান্য একজন সামন্তরাজ হিসেবে জীবন শুরু করে তিনি নিজ প্রতিভা বলে বাংলার সার্বভৌম রাজার স্থান অধিকার করেছিলেন এবং প্রায় সারা বাংলাদেশে নিজ আধিপত্য সুপতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- পালবংশের শাসনাবসানে বাংলাদেশে যে চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দিয়েছিল তা থেকে তিনি বাংলা এবং এর অধিবাসীকে রক্ষা করেছিলেন।
- তিনি একজন বীরযোদ্ধা ছিলেন যার সাহস ছিল অপরিসীম; সামরিক দূরদর্শিতা ছিল অতুলনীয়।
- তিনি পরমেশ্বরও ও মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেন। 
- কবি উমাপতিধর বিজয় সেনের চারিত্রিক গুণাবলির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৮.
উপমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কোন যুগের সম্রাটগণ?
  1. কুষাণ
  2. গুপ্ত
  3. মৌর্য
  4. শুঙ্গ
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- উমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণ মুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন যেগুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
- ভারতের অন্যান্য স্থানে কুষাণ শাসনের সাথে সংশিষ্ট মুদ্রা আর বাংলায় প্রাপ্ত কুষাণ মুদ্রার অবস্থানগত পার্থক্য রয়েছে।
- বিশেষত, বাংলা সরাসরি কুষাণ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- তবুও বাংলা থেকে অগণিত কুষাণ-মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব অনুধাবন করা কষ্টকর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষকগণ  ধারণা করেন, খুব সম্ভবত এই মদ্রুাগুলো বাংলায় এসেছে বাণিজ্যিক কারণে বিভিন্ন বণিকের হাত ধরে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।
- এই মুদ্রাগুলোর প্রাপ্তি থেকে বাংলাদেশে সরাসরি কুষাণ শাসনের কথা চিহ্নিত করা না গেলেও ধারণা করা হয়, বাংলাদেশের
রাজনৈতিক কাঠামোতে কুষাণদের হস্তক্ষেপ থাকতে পারে।
- লিপিমালা ও আনুসাঙ্গিক তথ্যের অপ্রতুলতায় মৌর্যযুগ পরবর্তীকালের বাংলাদেশের ইতিহাস অনেকটাই ধোঁয়াশাচ্ছন্ন।
- বিশেষ করে একটিমাত্র শুঙ্গানুকৃতির টেরাকোটা আর কিছু কুষাণ মুদ্রার সূত্র ধরে এই সময়ের ইতিহাস নির্মাণ অনেক কঠিন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৯.
‘ময়ূর সিংহাসন’ কে নির্মাণ করেছিলেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- সম্রাট শাহজাহান হলেন মুগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র।
- তিনি  ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন জাহাঙ্গীরের উত্তরাধিকারী হিসেবে।
- তিনি পৃথিবীর স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সমাধিসৌধ 'আগ্রার তাজমহল' নির্মাণ করেন।
- তিনি আগ্রায় মতি মসজিদ, দিল্লিতে লাল কেল্লা ও জামে মসজিদও নির্মাণ করেন; শাহজাহানাবাদ নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট শাহজাহান ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- তিনি ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।
- ১৬৫৮ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে বন্দী করেন এবং বন্দী অবস্থায় ১৬৬৬ সালে আগ্রা দূর্গে তার মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
'রেগুলেটিং অ্যাক্ট' অনুযায়ী, উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

রেগুলেটিং অ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি.):
- প্রথমদিকে উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যাবতীয় কার্যক্রম ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- পরবর্তীতে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এসব বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট উপমহাদেশের শাসনকার্যে প্রথমবারের মতো হস্তক্ষেপ করে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে যে আইন পাস করেন, সেটিই ইতিহাসে রেগুলেটিং অ্যাক্ট নামে পরিচিত।
- এই আইনের মাধ্যমে বোর্ড অব ডাইরেক্টরসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সংক্রান্ত সকল তথ্য পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল উপাধি প্রদান করা হয়।
- এই আইনের অধীনে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- WMO -এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- এটি বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ২৩ মার্চ, ১৯৫০।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৭ মার্চ, ১৯৫১।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো (আর্জেন্টিনা)। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: WMO ওয়েবসাইট।

৪২.
সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী কী ছিল?
  1. ফারাও
  2. পাতেজী
  3. লুগাল
  4. খালিফা
ব্যাখ্যা

সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হলো সুমেরীয় সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ অব্দে সুমেরীয়রা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশ ও পারস্য উপকূলে বসতি স্থাপন করে।
- সুমেরীয়রা ছিল অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠী এবং ধারণা করা হয় তারা মধ্য এশিয়া থেকে আগত।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আইন-কানুন ও ধর্মীয় অনুশাসনের সূচনা সুমেরীয়দের হাতেই।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল ‘পাতেজী’।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট ডুঙি।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে সুমেরীয়রা একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রবর্তন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার ছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশে সুমেরীয়দের অবদান ছিল সর্বাধিক।
- সুমেরীয়দের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি হলো ‘জিগগুরাট’ নামক ধর্মমন্দির।
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
অ্যাডলফ হিটলার কত সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন?
  1. ১৯২৯
  2. ১৯৩১
  3. ১৯৩৩
  4. ১৯৩৪
ব্যাখ্যা

অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলারের জন্ম।
- ১৯৩৩ সালে তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম ছিল নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী ‘গেস্টাপো’ নামে পরিচিত।
- “যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন”এই উক্তিটি হিটলারের।
- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে অ্যাডলফ হিটলারের মৃত্যু হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৪.
রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. বলশেভিক বিপ্লব
  3. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  4. রোজ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (১৯১৭):
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লব রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়।
- সংঘটিত হয়: ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি (জুলিয়ান) / মার্চ (গ্রেগরিয়ান)।
- জারতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- জার দ্বিতীয় নিকোলাস ক্ষমতাচ্যুত হন।
- অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
- অস্থায়ী সরকারের প্রধান নেতা: আলেক্সান্ডার এফ. ক্যারেনস্কি।

উল্লেখ্য,
- বলশেভিক / অক্টোবর বিপ্লব (১৯১৭)- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়।
- সংঘটিত হয়: ১৯১৭ সালের অক্টোবর (জুলিয়ান) / নভেম্বর (গ্রেগরিয়ান)।
- অস্থায়ী সরকারের পতন ঘটে।
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিপ্লবের প্রধান নেতা: ভ্লাদিমির লেনিন।
- গুরুত্বপূর্ণ নেতা: লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা।

৪৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হয় কত সালে?
  1. ১৯১৭
  2. ১৯১৮
  3. ১৯১৯
  4. ১৯২০
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল।
- এমনকি ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল।
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়।
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ বলে মনে করা হয়। 
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪৬.
কিয়োটো প্রোটোকল প্রথম গৃহীত হয়েছিল কোন দেশে?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রোটোকল:
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তি প্রথম ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয়।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- এই চুক্তির মূল বিষয়: গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

৪৭.
ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution) কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. জর্জিয়া
  2. কিরগিজস্তান
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- সময়কাল: ১৭ নভেম্বর – ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯।
- স্থান: চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
- মূল অংশগ্রহণকারীরা: ছাত্র-জনতা।
- বিশেষ নাম: Gentle Revolution (শান্তিপূর্ণ বিপ্লব)।
- কারণ: কমিউনিস্ট শাসন থেকে মুক্তি এবং সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃস্থাপন।

উল্লেখ্য,
- কমলা বিপ্লব (Orange Revolution): ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।
- গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution): ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
- টিউলিপ বিপ্লব (Tulip Revolution): ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।

 উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৪৮.
তাবুকের যুদ্ধ কত হিজরীতে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ৭ম হিজরী
  2. ৮ম হিজরী
  3. ৯ম হিজরী
  4. ১০ম হিজরী
ব্যাখ্যা

তাবুকের যুদ্ধ:
- তাবুকের যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৬৩১ খ্রিস্টাব্দ (৯ম হিজরী)।
- তাবুক, মদিনা ও দামেস্কের (সিরিয়া) মধ্যবর্তী একটি স্থান।
- এটি ছিল মুসলমান এবং রোমান বাহিনীর মধ্যকার।
- এটি মহানবী (স.) জীবদ্দশায় পরিচালিত শেষ অভিযান।
- রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াস মুসলিম শক্তিকে দমন করতে শাম ও আরব সীমান্তে ৪০ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী মোতায়েন করেন।
- হিরাক্লিয়াস মুসলমানদের এই দুঃসাহসিক অভিযানের খবর পেয়ে যুদ্ধ না করে পালিয়ে যান।
- আল্লাহ বিনা যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয় দান করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস (১ম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪৯.
জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জার্মানি
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন বা স্টকহোম সম্মেলন:
- পুর্ণ নাম- United Nations Conference on the Human Environment.
- এটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
- সম্মেলনের সময়কাল: ৫-১৬ জুন, ১৯৭২।
- স্থান: স্টকহোম, সুইডেন।
- অন্য নাম: স্টকহোম সম্মেলন।
- মূল উদ্যোগ: পরিবেশ রক্ষা ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ নীতি স্থাপন।
- এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৫০.
ঐতিহাসিক 'গেটিসবার্গ' ভাষণ কে দিয়েছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln):
- আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি 
- একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, যিনি মূলত দাসপ্রথা বিলোপ এবং দেশের ঐক্য রক্ষায় পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) চলাকালীন রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ১৮৬৩ সালে Emancipation Proclamation জারি করে দাসপ্রথা শেষের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
 
উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।

৫১.
B হলো D-এর ছেলে। D এবং R একে অপরের বোন। M হলো R-এর মা। যদি Q, M-এর ছেলে হয়, তবে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. R হলো B-এর দাদা/নানা
  2. Q হলো B-এর মামা
  3. Q হলো B-এর চাচাতো/মামাতো ভাই বা বোন
  4. M হলো D-এর ভাই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: B হলো D-এর ছেলে। D এবং R একে অপরের বোন। M হলো R-এর মা। যদি Q, M-এর ছেলে হয়, তবে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?

সমাধান:
D এবং R একে অপরের বোন, তাই তারা দুজনই M-এর মেয়ে (কারণ M হলো R-এর মা)।
B হলো D-এর ছেলে → অর্থাৎ B হলো M-এর নাতি।
Q হলো M-এর ছেলে → অর্থাৎ Q হলো D ও R-এর ভাই।

তাই, B (যে D-এর ছেলে) এবং Q (যে D-এর ভাই) — এদের সম্পর্ক হলো:

 Q হলো B-এর মামা (মায়ের ভাই)।

৫২.
'GUINNPE' বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোন শব্দটি পাওয়া যাবে?
  1. একটি ফুলের নাম
  2. একটি ফলের নাম
  3. একটি প্রাণীর নাম
  4. একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'GUINNPE' বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?

সমাধান:
'GUINNPE' বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে হয় 'PENGUIN'।
'PENGUIN' হচ্ছে একটি প্রাণীর নাম।

৫৩.
একটি সেতুর দৈর্ঘ্য ১৮০ মিটার। ৩২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন এই সেতু অতিক্রম করতে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?
  1. ২৫০ মিটার
  2. ৩২০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সেতুর দৈর্ঘ্য ১৮০ মিটার। ৩২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন এই সেতু অতিক্রম করতে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?

সমাধান:
ট্রেনকে সেতু অতিক্রম করতে হলে সে নিজের এবং সেতুর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে।

∴ ট্রেনটি অতিক্রম করবে = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + সেতুর দৈর্ঘ্য
= ৩২০ + ১৮০
= ৫০০ মিটার

৫৪.
আজ আকাশের ১৪ তম ও তার বাবার ৪৫ তম জন্মদিন। কত বছর পর আকাশের বাবার বয়স আকাশের বয়সের দ্বিগুণ হবে?
  1. ১৬ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১৭ বছর
  4. ২৭ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আজ আকাশের ১৪ তম ও তার বাবার ৪৫ তম জন্মদিন। কত বছর পর আকাশের বাবার বয়স আকাশের বয়সের দ্বিগুণ হবে?

সমাধান:
মনে করি, ক বছর পর আকাশের বাবার বয়স আকাশের বয়সের দ্বিগুণ হবে।

প্রশ্নমতে,
২(ক + ১৪) = ক + ৪৫
⇒ ২ক + ২৮ = ক + ৪৫
⇒ ২ক - ক = ৪৫ - ২৮
∴ ক = ১৭

অতএব, ১৭ বছর পর আকাশের বাবার বয়স আকাশের বয়সের দ্বিগুণ হবে।

৫৫.
নিচের শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধানের ক্রম অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি সঠিক হবে?
1. Pineapple  2. Pomegranate  3. Papaya  4. Plum  5. Peace
  1. 35124
  2. 35142
  3. 51423
  4. 12354
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধানের ক্রম অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি সঠিক হবে?
1. Pineapple  2. Pomegranate  3. Papaya  4. Plum  5. Peace

সমাধান:
শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধানের ক্রম অনুসারে সাজালে পাই,
Papaya → Peace → Pineapple → Plum → Pomegranate
3. Papaya
5. Peace
1. Pineapple
4. Plum
2. Pomegranate

সুতরাং সঠিক ক্রম: 3 → 5 → 1 → 4 → 2

৫৬.
A, B এবং C নল দ্বারা একটি ট্যাঙ্ক 5 ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। C নলটি B থেকে দ্বিগুণ এবং B নলটি A নল থেকে দ্বিগুণ গতিতে পূর্ণ করে, ট্যাঙ্কটি একা A নল দ্বারা কত সময়ে পূর্ণ হবে? 
  1. 35 ঘণ্টা
  2. 34 ঘণ্টা
  3. 45 ঘণ্টা
  4. 48 ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A, B এবং C নল দ্বারা একটি ট্যাঙ্ক 5 ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। C নলটি B থেকে দ্বিগুণ এবং B নলটি A নল থেকে দ্বিগুণ গতিতে পূর্ণ করে, ট্যাঙ্কটি একা A নল দ্বারা কত সময়ে পূর্ণ হবে? 

সমাধান: 
A নল দ্বারা ট্যাঙ্কটি পূর্ণ হবে = x ঘণ্টায় 
B নল দ্বারা ট্যাঙ্কটি পূর্ণ হবে = x/2 ঘণ্টায় 
C নল দ্বারা ট্যাঙ্কটি পূর্ণ হবে = x/(2 × 2) ঘণ্টায় 
= x/4 ঘণ্টায়

প্রশ্নমতে,
(1/x) + (2/x) + (4/x) = 1/5
 (1 + 2 + 4)/x = 1/5
7/x = 1/5
x = 35 ঘণ্টা

৫৭.
একটি ঘড়ি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ সেকেন্ড কম সময় দেখায়। কতদিন পর ঘড়িটি আবার সঠিক সময় দিবে?
  1. ৪০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৫০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ঘড়ি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ সেকেন্ড কম সময় দেখায়। কতদিন পর ঘড়িটি আবার সঠিক সময় দিবে?

সমাধান:

এক দিন = ২৪ ঘণ্টা

ঘড়ি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ সেকেন্ড কম দেখায়
 ∴ ১ দিনে সময় কম দেখায় = (২৪ × ৪০) = ৯৬০ সেকেন্ড
= (৯৬০ ÷ ৬০) মিনিট
= ১৬ মিনিট

অতএব, প্রতিদিন ঘড়ি ১৬ মিনিট পিছিয়ে থাকে।

ঘড়ি আবার সঠিক সময় দেখাবে যখন এটি ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকবে, কারণ ঘড়ি ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে গেলে সূচক আবার সঠিক অবস্থানে আসবে।

১২ ঘণ্টা = ১২ × ৬০ মিনিট = ৭২০ মিনিট

 প্রতিদিন পিছিয়ে থাকে = ১৬ মিনিট

∴  দিন সংখ্যা = ৭২০ ÷ ১৬ = ৪৫ দিন

৫৮.
হ্যাপটিক মেমোরি (Haptic Memory) কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দৃষ্টি
  2. শ্রবণ
  3. স্পর্শ
  4. স্বাদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হ্যাপটিক মেমোরি (Haptic Memory) কীসের সাথে সম্পর্কিত?

সমাধান:
হ্যাপটিক মেমোরি (Haptic Memory) এটি স্পর্শ (Tactile Sense) এর সাথে সম্পর্কিত।
এটি স্পর্শের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য সংরক্ষণ করে, সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তথ্য মনে রাখে। হ্যাপটিক মেমোরি সচরাচর অবচেতনভাবে কাজ করে, বিশেষ করে নতুন বা পরিচিত বস্তুর স্পর্শে।

৫৯.
N, M এর চেয়ে খাটো এবং O, N এর চেয়ে লম্বা। P, Q এর চেয়ে লম্বা কিন্তু N এর চেয়ে খাটো। সবচেয়ে খাটো ব্যক্তি কে?
  1. O
  2. P
  3. N
  4. Q
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: N, M এর চেয়ে খাটো এবং O, N এর চেয়ে লম্বা। P, Q এর চেয়ে লম্বা কিন্তু N এর চেয়ে খাটো। সবচেয়ে খাটো ব্যক্তি কে?

সমাধান:
N, M এর চেয়ে খাটো
∴ N < M ............... (1)
O, N এর চেয়ে লম্বা
∴ N < O ............... (2)
P, Q এর চেয়ে লম্বা
∴ Q < P ............... (3)
P, N এর চেয়ে খাটো
∴ P < N ............... (4)

∴ (1), (2), (3), (4) হতে পাই,
Q < P < N < O < M

∴ Q সবচেয়ে খাটো ব্যক্তি।

৬০.
প্রধান শিক্ষক বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত করতে সহকারী শিক্ষক কামাল সাহেবকে গণিতের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেন। প্রশ্ন জমা দেওয়ার পর তিনি কয়েক দফা সংশোধনের নির্দেশ দেন। কিছুটা বিরক্তি থাকলেও কামাল সাহেব দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংশোধন সম্পন্ন করেন। প্রধান শিক্ষকের বারবার সংশোধনের নির্দেশ কোন পেশাগত মূল্যবোধের প্রতিফলন?
  1. মাননিয়ন্ত্রণ সচেতনতা
  2. অযৌক্তিক কঠোরতা
  3. ব্যক্তিগত অসন্তোষ
  4. কর্তৃত্ব প্রদর্শন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রধান শিক্ষক বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত করতে সহকারী শিক্ষক কামাল সাহেবকে গণিতের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেন। প্রশ্ন জমা দেওয়ার পর তিনি কয়েক দফা সংশোধনের নির্দেশ দেন। কিছুটা বিরক্তি থাকলেও কামাল সাহেব দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংশোধন সম্পন্ন করেন। প্রধান শিক্ষকের বারবার সংশোধনের নির্দেশ কোন পেশাগত মূল্যবোধের প্রতিফলন?

সমাধান:
মাননিয়ন্ত্রণ সচেতনতা:
প্রধান শিক্ষক প্রশ্নপত্রের গুণগত মান বজায় রাখতে একাধিকবার পর্যালোচনা ও সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি তার পেশাগত দায়বদ্ধতা, মানোন্নয়ন মনোভাব এবং গুণগত মান নিশ্চিত করার সচেতনতার পরিচায়ক।

অপশন আলোচনা:

অযৌক্তিক কঠোরতা:
অযৌক্তিক কঠোরতা বলতে বোঝায় অপ্রয়োজনীয় বা উদ্দেশ্যহীনভাবে কঠিন আচরণ করা। অনুচ্ছেদে প্রধান শিক্ষকের সংশোধনের পেছনে স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছিল—প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত করা।

ব্যক্তিগত অসন্তোষ:
ব্যক্তিগত অসন্তোষ হলে সংশোধনের কারণ হতো ব্যক্তিগত বিরোধ বা অসন্তুষ্টি। কিন্তু অনুচ্ছেদে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। সংশোধনের উদ্দেশ্য ছিল প্রাতিষ্ঠানিক মান রক্ষা করা।

কর্তৃত্ব প্রদর্শন:
কর্তৃত্ব প্রদর্শন বলতে অকারণে ক্ষমতা প্রয়োগ বোঝায়। এখানে প্রধান শিক্ষক যুক্তিসঙ্গত কারণে সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল মান নিশ্চিত করা, ব্যক্তিগত ক্ষমতা দেখানো নয়।