পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬০: বিষয়: বাংলা টপিক: বাক্য প্রকরণ, বাক্য রূপান্তর, উপসর্গ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ?
  1. নীরস
  2. কদবেল
  3. পরস্পর
  4. সেলাই
সঠিক উত্তর:
কদবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কদবেল
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ ’কদবেল’।

- কদ্- একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
---------------------------------------------
- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
যথা:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

অন্যদিকে,
পরস্পর, নীরস, সন্ধিতে গঠিত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে কী বলে?
  1. বিধেয়
  2. উদ্দেশ্য
  3. শব্দগুচ্ছ
  4. বর্গ
সঠিক উত্তর:
বর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গ
ব্যাখ্যা
• বাক্যের বর্গ:
- বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বর্গ বলে।
- বর্গ হলো ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত শব্দের গুচ্ছ।
- বর্গকে বলা যায় বাক্যের একক, কেননা মানুষ কথা বলতে গিয়ে শব্দের পরে শব্দ না বসিয়ে প্রায়ই বর্গের পরে বর্গ বসায়।
যেমন
- রাজিব ও পাভেল খুব সকালে বাড়ির সামনে থাকা স্কুল-বাসে উঠে পড়ল।

এই বাক্যে 'রাজিব ও পাভেল', 'খুব সকালে', 'বাড়ির সামনে থাকা', 'স্কুল-বাসে', 'উঠে পড়ল' প্রভৃতি শব্দগুচ্ছ এক একটি বর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
বিধেয় ক্রিয়ার বিশেষ্য অংশকে বলে-
  1. বিকল্প
  2. প্রসারক
  3. উদ্দেশ্য
  4. পূরক
সঠিক উত্তর:
পূরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূরক
ব্যাখ্যা
• বাক্যকে উদ্দেশ্য ও বিধেয় এই দুই অংশে ভাগ করা যায়।
- বাক্যে যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে।
- বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে।
----------------------------------------------------
• বাক্য দীর্ঘতর হলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় অংশের সঙ্গে নানা ধরনের শব্দ ও বর্গ যুক্ত হতে পারে।
- উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এইসব শব্দ ও বর্গ প্রসারিত করে বলে এগুলোর নাম প্রসারক।
- এছাড়া বিধেয় ক্রিয়ার বিশেষ্য অংশকে বলা হয় পূরক।
যেমন
- রেজাউল সাহেবের ছেলে সুমন গাছতলায় বসে বই পড়ছে।
এখানে 'সুমন' উদ্দেশ্য, 'রেজাউল সাহেবের ছেলে' উদ্দেশ্যের প্রসারক। অন্যদিকে 'পড়ছে' বিধেয়ের ক্রিয়া, 'গাছতলায় বসে' বিধেয়ের প্রসারক এবং 'বই' হলো বিধেয়ের পূরক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
কোনটি সার্থক বাক্যের গুণ নয়?
  1. যোগ্যতা
  2. আকাঙ্ক্ষা
  3. আসত্তি
  4. আসস্তি
সঠিক উত্তর:
আসস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসস্তি
ব্যাখ্যা
• ভাষার বিচারে বাক্যের নিম্নলিখিত তিনটি গুণ থাকে।
যেমন -
- আকাঙ্ক্ষা
- আসত্তি এবং
- যোগ্যতা

• আকাঙ্ক্ষা:
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
যেমন-
'চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে'- এটুকু বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না, আরও কিছু ইচ্ছা থাকে। বাক্যটি এভাবে পূর্ণাঙ্গ করা যায়: চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এখানে আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি হয়েছে বলে এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।

• আসত্তি:
- মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।
যেমন- কাল বিতরণী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত। লেখা হওয়াতে পদ সন্নিবেশ ঠিকভাবে না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবটি যথাযথ প্রকাশিত হয়নি। তাই এটি একটি বাক্য হয়নি। মনোভাব পূর্ণ ভাবে প্রকাশ করার জন্য পদগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে যথাস্থানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে।
- যেমন- কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।

• যোগ্যতা:
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা। যেমন বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। - এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে। কিন্তু 'বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।' বললে বাক্যটি ভাবপ্রকাশের যোগ্যতা হারাবে। কারণ, রৌদ্র প্লাবন সৃষ্টি করে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. চক্ষুস্মান
  2. চক্ষুশ্মান
  3. চক্ষুষ্মান
  4. চক্ষুকস্মাণ
সঠিক উত্তর:
চক্ষুষ্মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চক্ষুষ্মান
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান = চক্ষুষ্মান।
-------------------------------------------
• ’চক্ষুষ্মান’ শব্দটির  শুদ্ধ উচ্চারণ= চোকখুশমান্ ।
অর্থ:
- চোখ আছে এমন; তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।
- সত্যদ্রষ্টা।
- এমন; স্ত্রী. চক্ষুষ্মতী/চোশমোতি/।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
’এ গ্রামে যে দরগাহ আছে, সেটি পাঠানযুগে নির্মিত হয়েছে’- কোন ধরনের বাক্য?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. মৌলিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
- ’এ গ্রামে যে দরগাহ আছে, সেটি পাঠানযুগে নির্মিত হয়েছে’ এটি একটি জটিল বাক্য।
-------------------------------------------------
• জটিল বাক্য:

যে বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একের বেশি অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে বা একটি প্রধান খন্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়।
তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।

• জটিল বাক্যে ব্যবহৃত সাপেক্ষ সর্বনাম ও যোজক/অব্যয়গুলো হলো:  যে - সে, যা - তা, যিনি তিনি, যাঁরা তাঁরা ইত্যাদি।
• নিত্যসম্বন্ধীয় যোজক (অব্যয়): যখন তখন, যেমন তেমন, বরং তবু, যেইনা অমনি, যেহেতু সেজন্যে/সেহেতু ইত্যাদি।
যেমন:
- এ গ্রামে যে দরগাহ আছে, সেটি পাঠানযুগে নির্মিত হয়েছে।
- যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
রোদে যে বাইরের আকাশ পুড়ছে, তা আমাদের অজানা নয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-২০১৮ সালের সংস্করণ।
.
’নালায়েক’ শব্দের ’না’ উপসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. নিঁখুত
  2. অপূর্ণ
  3. মন্দ
  4. অল্প
সঠিক উত্তর:
অপূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপূর্ণ
ব্যাখ্যা

’নালায়েক’ শব্দের ’না’ উপসর্গটি ’অপূর্ণ’ অর্থ প্রকাশ করে।

’না’ একটি ফারসি উপসর্গ।
---------------------------------------------------------
• ফারসি উপসর্গ গুলো হলো:
- কার্;
- দর্;
- না;
- নিম্;
- ফি;
- বদ্;
- বে;
- বর্;
- কম্।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

.
’অন্ধকার হয়ে এসেছে- বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল’-কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল বাক্য
  2. যৌগিক বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. মিশ্র বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য:
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

• যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত যোজক/অব্যয়গুলো হলো : এবং, ও, আর, অথবা, বা,কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি ।
 কমা (,), সেমিকোলন (:), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
যেমন:
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে ।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে- বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
সঠিক বানান কোনটি?
  1. বাল্মিকী
  2. বাল্মিকি
  3. বাল্মীকি
  4. বাল্মীকী
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান = বাল্মীকি।
-------------------------------------------
 ‘বাল্মীকি’ শব্দের অর্থ:
- রামায়ণের ও মনি প্রণেতা কবি ও মুনি, আদিকবি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
’সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি’- বাক্যটি কোন ধরনের?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. মৌলিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন
- পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।
-  সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি।

উল্লেখ্য,
- সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে।
যেমন
- আমরা তিন ভাইবোন।
- বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়।
যেমন
- তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে করতে বাজারের দিকে গেলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. উচ্ছৃঙ্খল
  2. উর্চ্ছঙ্খল
  3. উচ্ছৃঙ্মল
  4. উচ্ছৃক্ষল
সঠিক উত্তর:
উচ্ছৃঙ্খল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্ছৃঙ্খল
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান = উচ্ছৃঙ্খল।
-------------------------------------------
’উচ্ছৃঙ্খল’ শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ= উচ্ছৃংখল [স, উৎ-শৃঙ্খল]
অর্থ-
- বিশৃঙ্খল; অনিয়ন্ত্রিত।
- নিজের ইচ্ছায় চলে এমন; যথেচ্ছাচারী।
- অমিতাচারী।
- শৃঙ্খলহীন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
’যদি সে কাল আসে, তাহলে আমি যাব’ বাক্যটির যৌগিক রূপ কী?
  1. সে আর আমি কাল যাব
  2. সে কাল আসবে এবং আমি যাব
  3. সে গেলে আমি যাব
  4. সে কাল আসলেই আমি যাব
সঠিক উত্তর:
সে কাল আসবে এবং আমি যাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে কাল আসবে এবং আমি যাব
ব্যাখ্যা
•  জটিল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর:
- জটিল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিবর্তন করতে হলে খণ্ডবাক্যগুলোকে এক একটি স্বাধীন বাক্যে পরিবর্তন করে তাদের মধ্যে সংযোজক অব্যয়ের ব্যবহার করতে হয়।
যেমন-
 
জটিল বাক্য: যদি সে কাল আসে, তাহলে আমি যাব।
যৌগিক বাক্য : সে কাল আসবে এবং আমি যাব।

আরো উদাহরণ:
- জটিল বাক্য: যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
- যৌগিক বাক্য: বিপদ এবং দুঃখ এক সময়ে আসে।

- জটিল বাক্য: যদিও তাঁর টাকা আছে, তথাপি তিনি দান করেন না।
- যৌগিক বাক্য:তাঁর টাকা আছে, কিন্তু তিনি দান করেন না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ২০২৮ সালের সংস্করণ।
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. নিষ্কলঙ্কী
  2. নিস্কলঙ্ক
  3. নিষ্কলঙ্ক
  4. নীষ্কলঙ্ক
সঠিক উত্তর:
নিষ্কলঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্কলঙ্ক
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান = নিষ্কলঙ্ক।
-------------------------------------------
’নিষ্কলঙ্ক’ শব্দের অর্থ: 
- কলঙ্কহীন। 
- নির্মল; পবিত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
’মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে’ বাক্যটির সরল রূপ কী?
  1. যদি মেঘ গর্জন কর, ময়ূর নৃত্য করে
  2. মেঘ গর্জন করে, ময়ূর নৃত্য করে
  3. মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে
  4. মেঘ গর্জন করার পর, ময়ূর নৃত্য করে
সঠিক উত্তর:
মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর :
-  বাক্যসমূহের একটি সমাপিকা ক্রিয়াকে অপরিবর্তিত রাখতে হয়।
- অন্যান্য সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় পরিণত করতে হয়।
-  অব্যয় পদ থাকলে তা বর্জন করতে হয়।
- কোনো কোনো স্থলে একটি বাক্যকে হেতুবোধক বাক্যাংশে পরিণত করতে হয়।
যথা:
- যৌগিক বাক্য: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি।
- সরল বাক্য: তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি।

- যৌগিক বাক্য: মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে।

- সরল বাক্য: মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. নৈঝৃত
  2. নৈহৃত
  3. নৈর্ঋত
  4. নৈর্হত
সঠিক উত্তর:
নৈর্ঋত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈর্ঋত
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান = নৈর্ঋত।
-------------------------------------------
- নৈর্ঋত শব্দের সঠিক উচ্চারণ= নোইররিত। 
অর্থ-
- দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকের মধ্যবর্তী কোণ।
-  রাক্ষসবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. আমি সাক্ষী দিয়েছি।
  2. বিধি লঙ্ঘন হয়েছে
  3. কুলাটা নারীকে বর্জন কর।
  4. মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
সঠিক উত্তর:
মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য = মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে, 
• অশুদ্ধ বাক্য =আমি সাক্ষী দিয়েছি।
• শুদ্ধ বাক্য = আমি সাক্ষ্য দিয়েছি।

• অশুদ্ধ বাক্য =বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
• শুদ্ধ বাক্য = বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

• অশুদ্ধ বাক্য =কুলাটা নারীকে বর্জন কর।
• শুদ্ধ বাক্য = কুলটাকে বর্জন কর।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. হাসান আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
  2. ’গীতাঞ্জলী’ কি পড়েছ?
  3. রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকা।
  4. ইহার আবশ্যকতা নেই।
সঠিক উত্তর:
’গীতাঞ্জলী’ কি পড়েছ?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
’গীতাঞ্জলী’ কি পড়েছ?
ব্যাখ্যা
- ’গীতাঞ্জলী’ কি পড়েছ? বাক্যটি অশুদ্ধ।
বাক্যটির শুদ্ধরূপ = ’গীতাঞ্জলি’ কি পড়েছ?

অন্যদিকে,
অপশনে উল্লেখিত অন্য বাক্যগুলো শুদ্ধ।
- হাসান আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
- রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকা।
- ইহার আবশ্যকতা নেই।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
  2. অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
  3. সব ছাত্ররা আজ উপস্থিত।
  4. সকল মানুষেরাই মরণশীল
সঠিক উত্তর:
অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য = অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।

অন্যদিকে, 
• অশুদ্ধ বাক্য = ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
• শুদ্ধ বাক্য = ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।

• অশুদ্ধ বাক্য =সব ছাত্ররা আজ উপস্থিত।
• শুদ্ধ বাক্য = সব ছাত্র আজ উপস্থিত।

• অশুদ্ধ বাক্য = সকল মানুষেরাই মরণশীল।
• শুদ্ধ বাক্য = মানুষ মরণশীল।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
বাক্যে যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে বলে-
  1. কর্ম
  2. ক্রিয়া
  3. কর্তা
  4. পদ
সঠিক উত্তর:
কর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ম
ব্যাখ্যা
• সাধারণ বাক্যের প্রধান তিনটি অংশ: কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া।
- বাক্যের ক্রিয়াকে যে চালায়, সে হলো কর্তা।
- যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে বলে কর্ম।
- আর বাক্যের মধ্যে যে অংশ দিয়ে কোনো কিছু করা, ঘটা বা হওয়া বোঝায় তাকে বলে ক্রিয়া।

 যেমন "সজল ও লতা বই পড়ে।" এটি একটি বাক্য।
- বাক্যে 'সজল ও লতা' হলো কর্তা, 'বই' হলো কর্ম এবং 'পড়ে' হলো ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।