পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট-২) পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। পার্ট–১ সোর্স: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে পায়ে পায়ে ফুটবলকে গড়িয়ে সামনের দিকে নেয়াকে কী বলে?
  1. ক) ট্যাকলিং
  2. খ) ট্র্যাপিং
  3. গ) ড্রিবলিং
  4. ঘ) কিকিং
ব্যাখ্যা
ফুটবল
- ফুটবল খেলা পৃথিবীর জনপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আধুনিক ফুটবল খেলার উৎপত্তি হচ্ছে ইংল্যান্ডে। 
- সব দেশে একই নিয়মে খেলার জন্য ১৯০৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডি ফুটবল এসোসিয়েশন' বা ফিফা (FIFA) গঠিত হয়।
- এই সংগঠনের মাধ্যমে ফুটবল খেলা বিশ্বের প্রায় সব দেশে প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের ফুটবল খেলার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ফিফার সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত।
- আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফুটবল খেলার আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের ব্যবস্থা করে থাকে।
- এই খেলা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৭টি আইন রয়েছে।
ট্র্যাপিং: হাত ছাড়া শরীরের যে কোনো অংশ দিয়ে থামিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনাকে ট্র্যাপিং বলে।
ড্রিবলিং: নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে পায়ে পায়ে ফুটবলকে গড়িয়ে সামনের দিকে নেয়াকে ড্রিবলিং বলে। 
কিকিং: পা দিয়ে বলে লাথি মারাকে কিকিং বলে।
হেডিং: মাথার সাহায্যে বল খেলাকে হেডিং বলে।
ট্র্যাকলিং: বিপক্ষের কাছ থেকে বলকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার নামই ট্যাকলিং।
গোলকিপিং: বিপক্ষের আক্রমণে গোল হতে না দেয়াকে গোলকিপিং বলে। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রতি বছর কোন তারিখে বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়?
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১১ জুলাই
  3. গ) ২ মার্চ
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। 
- বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১। দেশের সব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা পৌঁছে দেওয়া । বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবার পরিকল্পনার সুযোগ ও অত্যাবশ্যক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। 
২। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা।
৩। শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা।
৪। ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা। থানা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ডাক্তার, নার্স ও প্রয়োজনীয় ঔষধের সরবরাহ নিশ্চিত করা। প্রতিটি গ্রামে প্রসূতিদের নিরাপদ সন্তান জন্মদানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সর্বত্র ও সকলের কাছে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া।
৬। দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা।
৭। দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ‘জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
.
চাকমা সমাজে পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. ক) আদাম
  2. খ) কার্বারি
  3. গ) হেডম্যান
  4. ঘ) চাকমা রাজা
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। 
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে।
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক । চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।
- তারপরে মা ও জ্যেষ্ঠপুত্রের স্থান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
গারো নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের গল্পে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নিম্নের কোনটি?
  1. ক) বর্ণচোরা
  2. খ) যাত্রা
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) আবছায়া
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গারো নারীদের ১৫ জনের একটি দল যুদ্ধ করেছিল পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে।
- লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই গারো নারী মুক্তিযোদ্ধার জীবনের গল্পে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘আবছায়া’ নির্মাণ করছেন শরিফুল ইসলাম পলাশ
- গারোদের ‘আচিক’ ভাষায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 
-  ১১ নম্বর সেক্টরের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন নিরঞ্জন সিংহ চৌহানের গড়া কমলা ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন একদল গারো নারী।
- তাঁরা সবাই নেত্রকোনার সীমান্তঘেঁষা কলমাকান্দার লেঙ্গুরার বাসিন্দা। এ দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন মল্লিকা ঘাগ্রা।
- অন্যদের মধ্যে ছিলেন তুষি হাগিদক, মগ্ধলিনা নেংমিঞ্জ, সঞ্চিতা জরিনা রেমা, পরিচয় চিসিম, সেলিনা হাউই, রিতা নকরেক, জিতা নকরেক, টুরটুরি নকরেক, ছায়া বনোয়ারি, সুজানা জাম্বিল, মুকুল আজিম, রচিতা হাগিদক, বেঞ্জিনা নকরেক ও হাসিনা বনোয়ারিসহ ১৫ জন।
 - ‘আবছায়া’র চিত্রনাট্য লিখেছেন গারো ভাষার কবি মতেন্দ  মানখিন।
- ‘আবছায়া’ শরিফুল ইসলাম পলাশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাধর্মী তৃতীয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- এর আগে ২০২১ সালে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার রনি হিজড়ার জীবনের গল্পে ‘অগ্নিঝরা দিনের না বলা কথা’ নির্মাণ করেন।
- রাজবাড়ির তিন সহোদরা মুক্তিযোদ্ধা গীতা, ইরা ও ভক্তি করের গল্পে ‘রণাঙ্গনের তিন কন্যা’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। 

উৎস: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা।
.
উনিশ শতকে উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা কোনটি?
  1. ক) খাসিয়া বিদ্রোহ
  2. খ) গারো বিদ্রোহ
  3. গ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
  4. ঘ) রাখাইন বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল। তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- ধারণা করা হয়, সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে আসে। আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক। তাঁদের দেহের রং কালো, উচ্চতা মাঝারি ধরনের এবং চুল কালো ও ঈষৎ ঢেউ খেলানো।

সামাজিক জীবন: সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়। সাঁওতাল সমাজের মুল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম-পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জহি হারাম, জগমাঞ্জাবি, জাপরানিক, গোড়েৎ ও নায়কি । নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

অর্থনৈতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান জীবিকা হলো কৃষি। বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় তারা মূলত কৃষি শ্রমিক হিসাবে কাজ করে। নারী ও পুরুষ উভয়ই ক্ষেতে কাজ করে । তারা ধান, সরিষা, তামাক, মরিচ, তিল, ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করে। তাছাড়া বাঁশ, বেত, শালপাতা প্রভৃতি দ্বারা নানা প্রকার মাদুর, ঝাড়ু প্রভৃতি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটায় ও হাটে বিক্রি করে।

ধর্মীর জীবন: সাঁওতালরা প্রধানত প্রকৃতি পূজারি । তবে এদের একাংশ খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং তারা খ্রিষ্ট ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।

সাংস্কৃতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য ভাত। তাদের বাড়ির দেয়াল মাটির তৈরি এবং তাতে খড়ের ছাউনি থাকে। সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা' উল্লেখযোগ্য। তাদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো ‘ঝুমুর নাচ'। সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ।

- সাঁওতালদের মধ্যে শিক্ষিতের হার খুব কম হলেও বর্তমানে সাঁওতাল পরিবারের ছেলে-মেয়েরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে।
- ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন সংঘটিত সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল ইংরেজ শাসন শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক বিদ্রোহ । এই বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই সিধু ও কানুকে সাঁওতালরা বীর হিসেবে ভক্তি করে

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র নিম্নের কোনটি?
  1. ক) জীবন থেকে নেয়া
  2. খ) সঙ্গম
  3. গ) কখনো আসেনি
  4. ঘ) আবার তোরা মানুষ হ
ব্যাখ্যা
- কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তাঁর আসল নাম ছিল মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।

- তাঁর রচিত উপন্যাস:
শেষ বিকেলের মেয়ে (প্রথম উপন্যাস)
আরেক ফাল্গুন (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক)
বরফ গলা নদী
 আর কতদিন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)
কয়েকটি মৃত
তৃষ্ণা
একুশে ফেব্রুয়ারি।

- তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র:  
কখনো আসেনি (প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র)
সঙ্গম (বাংলাদেশের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র)
কাঁচের দেয়াল
জীবন থেকে নেওয়া (বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র)
বেহুলা
সোনার কাজল
আনোয়ারা
বাহানা ইত্যাদি।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
আত্মজীবনী ক্যাটাগরিতে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' অর্জন করেন কে?
  1. ক) আলম খোরশেদ
  2. খ) মোকারম হোসেন
  3. গ) মুহাম্মদ শামসুল হক
  4. ঘ) ইকতিয়ার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সাল থেকে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
-২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' ঘোষণা করা হয়। ১১টি বিভাগে মোট ১৫ জনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরা হলেন:

• কবিতা ⇒ ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত
• কথাসাহিত্য ⇒ তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন 
• প্রবন্ধ/গবেষণা ⇒ মাসুদুজ্জামান
• অনুবাদ ⇒ আলম খোরশেদ
• নাটক ⇒ মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল
•  শিশুসাহিত্য ⇒ দ্রুব এষ
• বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা ⇒ সুভাষ সিংহ রায় 
• বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান ⇒ মোকারম হোসেন 
আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী ⇒ ইকতিয়ার চৌধুরী। 
• ফোকলোর ⇒ আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ⇒ মুহাম্মদ শামসুল হক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
.
'সাংসারেক' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদি ধর্মের নাম ছিল?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) গারো
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
গারো
- বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ। গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।
- বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে।
- বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যেও গারোরা বাস করে।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা ।
- এই নৃগোষ্ঠীর আদি বাসস্থান ছিল তিব্বত।
- গারোরা সাধারণত ‘মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে ।
- গারোরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক ।
- গারোদের সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে মাতা হলেন পরিবারের প্রধান। সন্তানেরা মায়ের উপাধি ধারণ করে। পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ কন্যা পরিবারের সমুদয় সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে থাকে।
- গারো পরিবারে পিতা সংসার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে ।
- গারো সমাজের মূলে রয়েছে মাহারি বা মাতৃগোত্র পরিচয়। তাদের সামাজিক জীবনে বিশেষত বিয়ে, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির ভোগ-দখল ইত্যাদিতে এই মাহারির গুরুত্ব অপরিসীম।
- মাতার বংশ ধরেই গারোদের চাচি (গোত্র) ও মাহারি (মাতৃগোত্র) নির্ণয় করা হয়।
- গারো সমাজে একই মাহারির পুরুষ ও মহিলার মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ। বর ও কনেকে ভিন্ন ভিন্ন মাহারির অন্তর্ভুক্ত হতে হয়।
- গারো সমাজে বেশ কয়েকটি দল রয়েছে। এরকম প্রধান পাঁচটি দল হচ্ছে : সাংমা, মারাক, মোমিন, শিরা ও আরেং।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। পূর্বে গারোরা জুম চাষে অভ্যস্থ ছিল। বর্তমানে সমতলের গারোদের মধ্যে জুম চাষের প্রচলন নেই । তারা হাল চাষের সাহায্যে প্রধানত ধান, নানা জাতের সবজি ও আনারস উৎপাদন করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ছিল ‘সাংসারেক’
- অতীতে গারোরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করত। তাদের প্রধান দেবতার নাম ছিল ‘তাতারা রাবুগা’।
- গারোরা সালজং, সুসিমে, গোয়েরা, মেন প্রভৃতি দেবদেবীর পূজা করত।
- নাচ-গান ও পশু বলিদানের মাধ্যমে তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করত।
- বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী। তারা এখন বড়দিনসহ খ্রিষ্ট ধর্মীয় উৎসব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
.
স্থাপত্য ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ অর্জন করেন কে?
  1. ক) তানভীর করিম
  2. খ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  3. গ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন 
  4. ঘ) মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-

- ক্যাটাগরি ⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
১। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), জনাব আব্দুল জলিল, জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস এবং মরহুম সিরাজুল হক।
২। চিকিৎসাবিদ্যা ⇒ অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া, অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম।
৩। স্থাপত্যমরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। 
৪। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ⇒ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI)।
৫। শতভাগ বিদ্যুতায়নে সাফল্য ⇒ বিদ্যুৎ বিভাগ। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল, বাংলাদেশ বিষয়াবলি। 
১০.
৯৪তম অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে কোন চলচ্চিত্রটি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ক) প্যারাসাইট
  2. খ) হেয়ার লাভ
  3. গ) জোকার
  4. ঘ) কোডা
ব্যাখ্যা
- ৯৪তম অস্কার / একাডেমী পুরস্কার (চলচ্চিত্র):

সেরা চলচ্চিত্র ⇒ কোডা (আমেরিকান চলচ্চিত্র)। 
• সেরা পরিচালক ⇒ জেন ক্যাম্পিয়ন 'দ্য পাওয়ার অব দ্য ডগ' চলচ্চিত্রের জন্য।
• সেরা অভিনেতা ⇒ উইল স্মিথ 'কিং রিচার্ড' চলচ্চিত্রের জন্য। 
• সেরা অভিনেত্রী ⇒ জেসিকা চ্যাস্টেইন 'দ্য আইস অব টেমি ফেই' চলচ্চিত্রের জন্য।
• সেরা বিদেশি চলচ্চিত্র ⇒ 'ড্রাইভ মাই কার' (জাপান)।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল। 
১১.
'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' এর জন্য কে মনোনীত হন?
  1. ক) সালমা খাতুন
  2. খ) মোহাম্মদ রফিক
  3. গ) নাসির উদ্দিন
  4. ঘ) জামাল আহমেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত ২০২৩ সালের 'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' এর জন্য মনোনীত হন কবি মোহাম্মদ রফিক
- ১ জানুয়ারী ২০২৩ বাংলা একাডেমি তাঁর নাম ঘোষণা করে। 
- ২০১৯ সাল থেকে শুরু করে প্রতি দুই বছর পরপর 'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফেব্রুয়ারি, ২০২৩। 
১২.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ তথ্য অনুযায়ী, স্থির মূল্যে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত?
  1. ক) ৯.৩০%
  2. খ) ১৩.২০%
  3. গ) ১১.৫০%
  4. ঘ) ১৪.৪০%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ তথ্য অনুযায়ী,

- স্থির মূল্যে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান: ১১.৫০%
-  স্থির মূল্যে জিডিপিতে শস্য খাতের অবদান: ৫.৩৭%
- মোট পরিবার/খানা: ৩,৫৫,৫২,২৯৬টি
- মোট কৃষি পরিবার/খানা: ১,৬৮,৮১,৭৫৭টি
- কৃষি বর্হিভূত পরিবার/খানা: ১,৮৬,৭০,৫৩৯টি 
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- মোট সেচকৃত জমি: ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। 
১৩.
'কর্ণফুলী' উপন্যাসে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মণিপুরী
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
- সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস কর্ণফুলী।
- তাঁর 'কর্ণফুলী' উপন্যাস পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- উপন্যাসে চাকমা উপজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, প্রেমিক দেওয়ানপুত্র (চাকমা), বাঙালি ইসমাইল, জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় এ উপন্যাসে বর্ণিত।
- উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত চাকমাদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- এতে চাকমা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: কর্ণফুলী, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, ক্ষুধা ও আশা, খসড়া কাগজ, বিশৃঙ্খলা, স্বপ্নশীলা, শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বর্তমানে ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডি ফুটবল এসোসিয়েশন' র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ১৯০তম
  2. খ) ১৯১তম
  3. গ) ১৯৩তম
  4. ঘ) ১৯২তম
ব্যাখ্যা
ফুটবল
- আধুনিক ফুটবল খেলার উৎপত্তি হচ্ছে ইংল্যান্ডে। 
- সব দেশে একই নিয়মে খেলার জন্য ১৯০৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডি ফুটবল এসোসিয়েশন' বা ফিফা (FIFA) গঠিত হয়।
- এই সংগঠনের মাধ্যমে ফুটবল খেলা বিশ্বের প্রায় সব দেশে প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের ফুটবল খেলার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ২০ ডিসেম্বর ২০২২ ফিফা র‍্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়।
- ২১১ সদস্যের মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশ আগের অবস্থান ১৯২ তেই অবস্থান করেছে
- নতুন ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচটি দল:
১। ব্রাজিল
২। আর্জেন্টিনা
৩। ফ্রান্স
৪। বেলজিয়াম
৫। ইংল্যান্ড।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।
১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ক) ২০.৫%
  2. খ) ১১.৫%
  3. গ) ১০.৫ %
  4. ঘ) ২১.৫%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭কোটি ৮লাখ বা  ১৭০.৮ মিলিয়ন। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৪০ জন। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১০০.২ : ১০০।
- গড় আয়ু বা প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫%। 
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%
- সাক্ষরতার হার ৭৫.২%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
১৬.
অলিম্পিকে কত সাল থেকে মহিলাদের জন্য সাঁতার অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) ১৮৩৭ সালে
  2. খ) ১৮৯৬ সালে
  3. গ) ১৯০৮ সালে
  4. ঘ) ১৯১২ সালে
ব্যাখ্যা
সাঁতার
- সাঁতারের সাহায্যে দেহের সকল অঙ্গের ব্যায়াম হয় বলে একে পূর্ণাঙ্গ ব্যায়াম বলা হয়।
- স্বাস্থ্য, জীবন রক্ষা, ক্রীড়া ও আনন্দ লাভের জন্য সকলেরই সাঁতার শেখা উচিত।
- বর্তমানে যে ধরনের সাঁতার আমরা দেখতে পাই সে সাঁতার প্রথমে ইংরেজরা শুরু করে।
- ১৮৩৭ সালে লন্ডনে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক সাঁতার অনুষ্ঠিত হয়।
- অলিম্পিকে ১৮৯৬ সাল থেকে পুরুষদের ও ১৯১২ সাল থেকে মহিলাদের সাঁতার অন্তর্ভুক্ত হয়
- ১৯০৮ সালে সাঁতারের আন্তর্জাতিক সংস্থা FINA (Federation Internationale de Nation Amateur) গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন (BSF) প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র নিম্নের কোনটি?
  1. ক) ধীরে বহে মেঘনা
  2. খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) নদীর নাম মধুমতী
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত
- এটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- এটি শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে ১৯৯৯ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
- নদীর নাম মধুমতি, হাঙর নদী গ্রেনেড এবং ধীরে বহে মেঘনা হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র।
১৮.
'একুশে পদক-২০২৩' পুরস্কার প্রদান করা হয় কত জন ব্যক্তিকে?
  1. ক) ২০ জন
  2. খ) ২১ জন
  3. গ) ১৯ জন
  4. ঘ) ২৪ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৩
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় 'একুশে পদক-২০২৩' এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১৯.
বিএসপিএ সংগঠনের বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন -
  1. ক) কাজী সালাউদ্দীন
  2. খ) সাকিব আল হাসান
  3. গ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. ঘ) গাজী আশরাফ হোসেন লিপু
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) সংঘটনের বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
২০.
অষ্টম নারী এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন দেশ কোনটি?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ বাংলাদেশ। 
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় সিলেট স্টেডিয়ামে। 
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
২১.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য নন -
  1. ক) কাজী সালাউদ্দীন
  2. খ) জাকারিয়া পিন্টু
  3. গ) শেখ আব্দুল হাকিম
  4. ঘ) মতিউর মুন্না
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন শেখ আব্দুল হাকিম। 
- তিনি ২৮ আগস্ট ২০২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- শেখ আব্দুল হাকিম স্বাধীনতার আগে দিলকুশা স্পোর্টিংয়ে খেলা শুরু করেন।
- পাকিস্তান যুব দলে ডাক পেয়েছিলেন তিনি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যোগ দেন।
- ১৯৭৩ সালে মারদেকা কাপে প্রথম জাতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি।
- তিনি ১৯৭৫ সালের মারদেকা কাপের দলেও ছিলেন। 
- স্বাধীনতার পর তিনি ওয়াপদা, ওয়ারীতে খেলতেন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২২ এবং সমকাল।
২২.
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন কতজন ক্রিকেটার?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
- টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন ৪জন ক্রিকেটার। 
- তাঁরা হলেন- 
১। আমিনুল ইসলাম বুলবুল 
২। মোহাম্মদ আশরাফুল 
৩। আবুল হাসান রাজু এবং 
৪। জাকির হাসান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩। 
২৩.
সাংবাদিকতা বিভাগে একুশে পদক-২০২৩ অর্জন করেন কে?
  1. ক) মো. শাহ আলমগীর
  2. খ) এম. এ. মালেক
  3. গ) ড. মনিরুজ্জামান
  4. ঘ) মনতাজ উদ্দিন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৩
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় 'একুশে পদক-২০২৩' এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। 
- পদকপ্রাপ্তরা হলেন:
- ক্রমিক নং ⇒ ক্ষেত্র ⇒পদকপ্রাপ্তের নাম:
১। ভাষা আন্দোলন ⇒ খালেদা মনযুর-ই-খুদা
২। ভাষা আন্দোলন ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ. কে. এম. শামসুল হক (মরণোত্তর)
৩। ভাষা আন্দোলন ⇒ মো. মজিবুর রহমান 
8। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ মনোরঞ্জন ঘোষাল
৫। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ গাজী আবদুল হাকিম
৬। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ ফজল-এ-খুদা (মরনোত্তর)
৭। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ মাসুদ আলী খান
৮। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ শিমুল ইউসুফ 
৯। শিল্পকলা (আবৃতি) ⇒ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় 
১০। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ নওয়াজীশ আলী খান 
১১। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ কনক চাঁপা চাকমা 
১২। মুক্তিযুদ্ধ ⇒ মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর)
১৩। সাংবাদিকতা ⇒ মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর)
১৪। শিক্ষা ⇒ অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)
১৫। শিক্ষা ⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর 
১৬। সমাজসেবা ⇒ মো. সাইদুল হক 
১৭। সমাজসেবা ⇒ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন 
১৮। রাজনীতি ⇒ অ্যাড. মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর)
১৯। রাজনীতি ⇒ আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর)
২০। ভাষা ও সাহিত্য ⇒ ড. মনিরুজ্জামান 
২১। গবেষণা ⇒ ড. মো. আবদুল মজিদ।  

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩। 
২৪.
২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) আবছায়া
  2. খ) জয় বাংলার ধ্বনি
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) গিরিকন্যা
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রে সংখ্যা- ১৯টি।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুইটি চলচ্চিত্র- 'জয় বাংলার ধ্বনি' ও 'একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা'
- 'জয় বাংলার ধ্বনি' চলচ্চিত্রের পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার।
- ‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা' চলচ্চিত্রের পরিচালক রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২। 
২৫.
সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ক) ঈশান কিষাণ
  2. খ) কেন উইলিয়ামসন
  3. গ) ঋষব পন্ত
  4. ঘ) শুবমান গিল
ব্যাখ্যা
- সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করেন শুবমান গিল
- তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হায়দরাবাদে এই কীর্তি গড়েন। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩। 
২৬.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা 'ওরা ৭ জন' এর নির্মাতা কে?
  1. ক) মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার
  2. খ) রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)
  3. গ) খিজির হায়াত খান
  4. ঘ) ফাখরুল আরেফিন খান
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা 'ওরা ৭ জন' এর নির্মাতা খিজির হায়াত খান
- রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধের গল্প নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সিনেমাটি।  
- ভিন্ন ভিন্ন পেশা থেকে আসা সাত বীর মুক্তিযোদ্ধার গল্প এতে চিত্রায়িত করা হবে। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। 
২৭.
উদ্ভিদ দেহে কোন টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল পরিবহন করে?
  1. ক) এপিডার্মাল টিস্যু
  2. খ) গ্রাউন্ড টিস্যু
  3. গ) ভাস্কুলার টিস্যু
  4. ঘ) গ্রন্থি টিস্যু
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ দেহে ভাস্কুলার টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল পরিবহন করে।
• ভাস্কুলার টিস্যু: উদ্ভিদদেহে যে টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল (পানি, খনিজ লবণ ইত্যাদি) ও তৈরিকৃত খাদ্য পরিবহন করে থাকে তাকে ভাস্কুলার টিস্যু বলে। 
- ভাস্কুলার টিস্যুকে পরিবহন টিস্যু বলে।
- জটিল টিস্যু হিসেবে পরিচিত জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের মাটি হতে মূল দ্বারা পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে পাতা পর্যন্ত পৌঁছায় এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে খাদ্য মূল পর্যন্ত পরিবহন করে তাই জাইলেম ও ফ্লোয়েম কে পরিবহন টিস্যু বলে এবং যাবতীয় প্রক্রিয়া কে ভাস্কুলার টিস্যু বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮.
সীভনল ও সঙ্গীকোষের সমন্বয়ে কোন টিস্যু গঠিত?
  1. ক) জাইলেম টিস্যু
  2. খ) ফ্লোয়েম টিস্যু
  3. গ) তরুক্ষীর টিস্যু
  4. ঘ) গ্রন্থি টিস্যু
ব্যাখ্যা
• সীভনল ও সঙ্গীকোষের সমন্বয়ে ফ্লোয়েম টিস্যু গঠিত।
- ফ্লোয়েম টিস্যু মেটাজাইলেম টিস্যুর দুটি বাহুর মাঝখানে অবস্থিত। 
- এতে কোন ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে না।
- ফ্লোয়েমের কাজ পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯.
দেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম কি?
  1. ক) হিউমেরাস
  2. খ) ফিমার
  3. গ) এনামেল
  4. ঘ) রেডিও আলনা
ব্যাখ্যা
• দেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম এনামেল। মানব শরীরের কঠিনতম কলা।
- যা হাইড্রোক্সিপাটাইট স্ফটিক (ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট আয়ন) দ্বারা গঠিত।
- হিউমেরাস লম্বা দেহ, নিকটবর্তী ও দূরবর্তী প্রান্ত নিয়ে গঠিত। এটির উপর দিকে গোলাকার মস্তক বিদ্যমান।
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি। ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী অস্থি।
- রেডিও আলনা অস্থিটি রেডিয়াস ও আলনা নামক পৃথক অথচ পরস্পরের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ দুটি অস্থি নিয়ে গঠিত। রেডিয়াস লম্বা এবং মস্তক বর্তমান। অন্যদিকে আলনা লম্বা ও নলাকার।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম?
  1. ক) Mangifera Indica
  2. খ) Nymphaea Nouchali
  3. গ) Apis Indica
  4. ঘ) Panthera Tigris
ব্যাখ্যা
• Apis Indica হল মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম।
• Mangifera Indica হল আমের বৈজ্ঞানিক নাম।
• Nymphaea Nouchali হল শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম।
• Panthera Tigris হল বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
মানুষের রক্তকে কয়টি গ্রুপে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
• মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- O, A, B এবং AB।
রক্তের গ্রুপ: লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমামেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে রক্ত গ্রুপ বলে।
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে। 
• O রক্তের গ্রুপ: O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই কিন্তু রক্ত রসে a ও b দুই ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।
• AB রক্তের গ্রুপ: AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে। AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারন সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহন করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।
• A রক্তের গ্রুপ: A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে। A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।
• B রক্তের গ্রুপ: B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
সালোকসংশ্লেষণে ATP ও NADPH2 কোন ধাপে উৎপন্ন হয়?
  1. ক) আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে
  2. খ) আলোক পর্যায়ে
  3. গ) চক্রীয় ফসফোরাইলেশনে
  4. ঘ) অচক্রীয় ফসফোরাইলেশনে
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণে ATP ও NADPH2 আলোক পর্যায় ধাপে উৎপন্ন হয়।
- সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ে আলো অপরিহার্য । 
- এ পর্যায়ের সমস্ত বিক্রিয়া আলোর উপস্থিতিতে সংঘটিত হয় বলে একে আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়াও বলে। 
- ATP (Adenosine Triphosphate) একটি জৈব যৌগ যা জীবিত কোষকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালিত করার জন্য শক্তি সরবরাহ করে। 
- NADP (Nicotinamide Adenine Dinucletide Phosphate) একটি সহ উৎপাদ হিসেবে ব্যবহৃত এনাবলিক প্রতিক্রিয়া যা লিপিড বা নিউক্লিক অ্যাসিড এবং NADPH সংশ্লেষণে প্রয়োজন।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
DNA কী?
  1. ক) ক্রোমোজোম
  2. খ) জাইগোট
  3. গ) নিউক্লিওপ্লাজম
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড
ব্যাখ্যা
• মানব দেহে দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড থাকে- DNA এবং RNA।
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid।
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA।
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ হলো দ্বিসূত্রকবিশিষ্ট পলিনিউক্লিয়োটাইডের সর্পিলাকার গঠন।
- ডিএনএ অণুর আকৃতি অনেকটা প্যাঁচানো সিঁড়ির ন্যায়। 
- ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক বিজ্ঞানীদ্বয় ডিএনএ অণুর গঠন আবিষ্কার করেন। 

 উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
চোখের কোন অংশে সবচেয়ে ভালো প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) কর্নিয়া
  2. খ) লেন্স
  3. গ) রেটিনা
  4. ঘ) স্ক্লেরা
ব্যাখ্যা
• চোখের রেটিনা অংশে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
রেটিনা: চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা।
- এ স্তরটি আলোক সংবেদী। এতে আলোক সংবেদী কোষ থাকে।
- আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত।
- চোখে রড কোষের সংখ্যা প্রায় সত্তর লক্ষ।
- কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী।
- রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
একটি পূর্ণাঙ্গ স্নায়ুকোষকে বলা হয়-
  1. ক) নেফ্রন
  2. খ) নিউরন
  3. গ) ম্যাক্রোফেস
  4. ঘ) মলিকুলার সেল
ব্যাখ্যা
• একটি পূর্ণাঙ্গ স্নায়ুকোষকে বলা হয় নিউরন।
• নিউরন: স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে নিউরন বা স্নায়ুকোষ বলে। 
- মস্তিষ্ক কোটি কোটি স্নায়ুকোষ (নিউরন) দিয়ে তৈরি। 
- এই একটি মাত্র মানব মগজে রয়েছে ১,০০০ কোটি স্নায়ুকোষ বা নার্ভ সেল। 
- আর এগুলো একটি আরেকটির সাথে সংযুক্ত রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।