পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাজব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]তারিখ১৯ অক্টোবর, ২০২৫সময়50 minutes৯৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন পদের নাম: সহকারী পরিচালক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৯.২০২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড] · ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ · ১০০ প্রশ্ন

.
'পঞ্চপান্ডব' বলা হয় –
  1. তিরিশের কবিদের
  2. চল্লিশের কবিদের
  3. পঞ্চাশের কবিদের
  4. রবীন্দ্রযুগের কবিদের
সঠিক উত্তর:
তিরিশের কবিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিরিশের কবিদের
ব্যাখ্যা

• পঞ্চপাণ্ডব:
- তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন, তাদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হতো।
- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন।
- পঞ্চপাণ্ডবের অন্তর্ভুক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।

আধুনিকতাবাদী পঞ্চপাণ্ডব লেখক হচ্ছেন:
- জীবনানন্দ দাশ,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- বুদ্ধদেব বসু,
- বিষ্ণু দে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
“স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।" চরণটির রচয়িতা –
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়?'- চরণটির রচয়িতা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।

• পদ্মিনী উপাখ্যান:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও প্রধান সাহিত্যকীর্তি 'পদ্মিনী উপাখ্যান' ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজি কাব্যাদর্শের অনুসরণে টডের 'Annals and Antiquities of Rajasthan' এর কাহিনি অবলম্বনে রচিত ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী কাব্য।

- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়? দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।' পদ্মিনী উপাখ্যানে তাঁর এই উক্তি পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।

----------------------
• রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়:
- কবি, সাংবাদিক রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের জন্ম ১৮২৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাকুলিয়া গ্রামে।
- ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়।
- তিনি নিজে কলকাতা থেকে মাসিক রস সাগর (১৮৫২) (পরিবর্তিত নাম সংবাদ সাগর) ও সাপ্তাহিক বার্তাবহ (১৮৫৬) সম্পাদনা করেন।
- এডুকেশন গেজেট পত্রিকা (১৮৫৫) প্রকাশিত হলে তিনি তার সহসম্পাদক নিযুক্ত হন।
- ১৮৮৭ সালের ১৩ মে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্য:
- কর্মদেবী,
- শূরসুন্দরী,
- কাঞ্চী কাবেরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
'গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত' – এখানে ‘নিশীথে’ কোন পদ?
  1. নাম বিশেষণ
  2. বিশেষ্য
  3. ভাব বিশেষণ 
  4. সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

• একই পদের বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে প্রয়োগ বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন:
বিশেষণ রূপে: নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি।
বিশেষ্য রূপে: গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত।

বিশেষণ রূপে: ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন।
বিশেষ্য রূপে: আপন ভালো সবাই চায়।

বিশেষণ রূপে: মন্দ কথা বলতে নেই।
বিশেষ্য রূপে: এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে?

বিশেষণ রূপে: তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক।
বিশেষ্য রূপে: পুণ্যে মতি হোক।

বিশেষণ রূপে: শীতকালে কুয়াশা পড়ে। 
বিশেষ্য রূপে: শীতের সকালে চারদিক কুয়াশায় অন্ধকার।

বিশেষণ রূপে: সত্য পথে থেকে সত্য কথা বল।
বিশেষ্য রূপে: এ এক বিরাট সত্য

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
'Ethics' শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. তথ্যচিত্র
  2. ব্রতকথা 
  3. তথ্যকথা
  4. নীতিশাস্ত্র
সঠিক উত্তর:
নীতিশাস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতিশাস্ত্র
ব্যাখ্যা

• 'Ethics' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ -  নীতিবিদ্যা/ নীতিশাস্ত্র।

অন্যদিকে,
'Vow' অর্থ - ব্রতকথা। 
'Documentary' অর্থ - তথ্যচিত্র।  
'Information' অর্থ - তথ্যকথা। 

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি;  অভিগম্য অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
চর্যাপদে কতজন কবির পদ রয়েছে? 
  1. ২১ জন
  2. ২২ জন 
  3. ২৩ জন
  4. ২৪ জন
সঠিক উত্তর:
২৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জন
ব্যাখ্যা

• চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ের মোট চব্বিশ জন পদকর্তার পরিচয় পাওয়া যায়। তবে এঁদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীপার কোন পদ পাওয়া যায়নি। সুতরাং চর্যাপদে ২৩ জন কবির পদ রয়েছে। 

যদিও প্রশ্নটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে তবে অপশন অনুসারে 'গ' সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। 

-----------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের - একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে)। এবং ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে * (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

চর্যার কবিদের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

চর্যাপদের কবি:
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ের মোট চব্বিশ জন পদকর্তার পরিচয় পাওয়া যায়। গানের মাঝে ও শেষে তাঁরা ভণিতা দিয়েছেন। তবে কারও কারও গুরুর ভণিতা আছে। নামের শেষে গৌরবসূচক 'পা' যোগ করা হয়েছে।

 চর্যার চব্বিশ জন পদকর্তা হলেন-
কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেণ্ঢণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা; মহীধরপা; লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; ধর্ম্মপা; তন্ত্রীপা। লাড়ীডোম্বীপার কোন পদ পাওয়া যায়নি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

.
'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা–
  1. আবুল হসেন
  2. আবুল হাসান
  3. আবুল ফজল
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান
ব্যাখ্যা

• 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থ:
- 'রাজা যায় রাজা আসে' আবুল হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ। প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- উৎসর্গ পত্রে লেখক লিখেন- উৎসর্গ আমার মা, আমার মাতৃভূমির মতোই অসহায়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে রয়েছে সমকালীন রাজনৈতিক চেতনা, মানবিক যন্ত্রণা ও আত্মবীক্ষণের দারুণ প্রকাশ।

এই কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি উল্লেখ্যযোগ্য কবিতা:
- বনভূমির ছায়া;
- প্রত্যাবর্তনের সময়;
- স্বীকৃতি চাই;
- পাখি হয়ে যায় প্রাণ।

---------------------
• আবুল হাসান:
- আবুল হাসান ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- আবুল হাসানের প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া। তাঁর সাহিত্যিক নাম আবুল হাসান। তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন।
- ১৯৭৫ সালের ২৬ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাজা যায় রাজা আসে,
- যে তুমি হরণ করো,
- পৃথক পালঙ্ক।

• তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যনাট্য 'ওরা কয়েকজন'।
• তাঁর প্রকাশিত গল্প সংকলন: 'আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'ডেঙ্গু' শব্দের উৎস ভাষা –
  1. স্প্যানিশ
  2. ইংরেজি
  3. পর্তুগিজ
  4. তুর্কি
সঠিক উত্তর:
স্প্যানিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্যানিশ
ব্যাখ্যা

• 'ডেঙ্গু' স্প্যানিশ ভাষার শব্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ। 
অর্থ:
 এডিস মশাবাহিত ভাইরাস-জনিত ক্রান্তীয় অঞ্চলের প্রাণঘাতী রোগবিশেষ যার ফলে রক্তক্ষরণ-সহ গাঁট ও মাংসপেশিতে তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হয়।

ইংরেজি বানান- dengue.

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

.
মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধ
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• মীর মশাররফ হোসেন:
মীর মশাররফ হোসেন কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চশিক্ষা লাভ তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় নি। তিনি সম্ভবত ১৮৬৩ সালে পদমদী স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে পড়তেন। ষোল বৎসর বয়সে তিনি কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হন। সতের বৎসর বয়সে কলকাতায় গমন এবং প্রথম বিবাহ। নিয়মিত পাঠাভ্যাসের অন্য কোন সংবাদ এরপর আর পাওয়া যায় নি। কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার এবং ফরিদপুরের পদমদী-এই কয় স্থানেই তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে জমিদারির ম্যানেজার হিসেবে তিনি কর্মরত ছিলেন। 'গ্রামবার্তা' পত্রিকার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। এই 'গ্রামবার্তা' এবং কবি ঈশ্বর গুপ্তের 'সংবাদপ্রভাকর' পত্রিকায় মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যজীবনের প্রথম দিকের রচনা প্রকাশিত হত। সে সময়ে কাঙাল হরিনাথ তাঁর রচনা সংশোধন করে দিতেন।

মীর মশাররফ হোসেনের রচনাবলীর তালিকা দীর্ঘ এবং তা এরূপ:
• উপন্যাস: 'রত্নবর্তী', 'বিষাদসিন্ধু', 'উদাসীন পথিকের মনের কথা', 'গাজী মিঞার বস্তানী', 'ইসলামের জয়', 'রাজিয়া খাতুন', 'তহমিনা', 'বাঁধা খাতা', 'নিয়তি কি অবনতি'।

• নাটক: 'বসন্তকুমারী নাটক', 'জমীদার দর্পণ', 'বেহুলা গীতাভিনয়'।
• প্রহসন: 'এর উপায় কি', 'ভাই ভাই এইত চাই', 'ফাঁস কাগজ', 'একি'।

• কাব্য: 'গোরাই ব্রীজ বা গৌরী সেতু', 'সঙ্গীত লহরী', 'পঞ্চনারী পদ্য', 'প্রেম পারিজাত', 'বিবি খোদেজার বিবাহ', 'হযরত ওমরের ধর্মজীবন লাভ', 'হযরত হামজার ধর্মজীবন লাভ', 'হযরত বেলালের জীবনী', 'মদিনার গৌরব', 'মোসলেম বীরত্ব', 'বাজীমাৎ', 'মৌলুদ শরীফ'।

• প্রবন্ধ: 'গোজীবন', 'খোতবা', 'মুসলমানের বাংলা শিক্ষা', 'আমার জীবনী', 'হযরত ইউসোফ', 'বিবি কুলসুম বা আমার জীবনীর জীবনী'।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' কী ধরনের রচনা? 
  1. উপন্যাস 
  2. কবিতা  
  3. গল্প 
  4. প্রবন্ধ 
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ 
ব্যাখ্যা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' প্রবন্ধটি "কমলাকান্তের দপ্তর" রচনা থেকে গৃহীত হয়েছে।

• 'বিড়াল' প্রবন্ধ:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' একটি আকর্ষণীয় রম্যরচনা।
- প্রবন্ধটি 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- রূপকের মাধ্যমে লেখক আমাদের সমাজের দরিদ্র, ঞ্চিত ও শোষিত মানুষের প্রতি ধনী সমাজের প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন।
- সমাজে শৃঙ্খলা আনতে হলে মানুষকে যে বিচারবুদ্ধি নিয়ে চলতে হবে এবং বৈষম্য দূর করতে হলে যে মানুষকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে তা লেখক সুস্পষ্টভাবে প্রবন্ধটিতে তুলে ধরেছেন।

--------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বন্দি শিবির থেকে
  2. নেকড়ে অরণ্য
  3. জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
  4. প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম
সঠিক উত্তর:
বন্দি শিবির থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্দি শিবির থেকে
ব্যাখ্যা

• 'বন্দি শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থ:
- শামসুর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। সেখান থাকাকালীন তিনি "মজলুম আদিব" ছদ্মনামে দেশ পত্রিকায় লিখতেন।
- তার লেখা "বন্দী শিবির থেকে" কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত।
- কাব্যগ্রন্থের শুরুতে 'পূর্বলেখ' শিরোনামে কবি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো-
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি,
- মধুস্মৃতি,
- রক্তাক্ত প্রান্তরে ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• 'নেকড়ে অরণ্য' হলো শওকত ওসমান রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও নারীর ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের ভয়াবহতা তুলে ধরেছে।

• 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' উপন্যাসের রচয়িতা শহীদুল জহির। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। দর্শনের প্রয়োগ এবং কর্মের নতুনত্বের সাথে টানাগদ্যে রচিত ভিন্নমাত্রার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটিকে অনেকে প্রবন্ধ ভেবে ভুল করেন।

• হারুন হাবীব তার 'প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম' (১৯৮২) উপন্যাসে বাংলাদেশ এবং যুগশ্লাভিয়ার মুক্তি সংগ্রামকে অভিন্ন বোধ-বিশ্বাস ও ভাবনার প্রতীকরূপে উপস্থাপন করেছেন।

-------------
• শামসুর রাহমান:
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নরসিংদী (তৎকালীন ঢাকা জেলা) জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

তাঁর রচিত কিছু কাব্যগ্রন্থ:
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- অন্ধকার থেকে আলোয়,
- হরিণের হাড়,
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. আবিষ্কার
  2. পরিষ্কার
  3. তিরষ্কার
  4. পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
তিরষ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিরষ্কার
ব্যাখ্যা

•  অশুদ্ধ বানান - তিরষ্কার। 

• শুদ্ধ বানান: তিরস্কার (বিশেষ্য),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।

• বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
'র- ধ্বনি'র পরে যদি অ, আ স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে 'স' হবে।
যেমন: পুরস্কার, তিরস্কার ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
আবিষ্কার, পরিষ্কার ও পুরস্কার শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
মৌলিক শব্দ কোনটি? 
  1. কবিতা
  2. কাব্য
  3. কলম
  4. পদ্য
সঠিক উত্তর:
কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম
ব্যাখ্যা

• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙ্গা যায় না, তাদেরকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, চাঁদ ইত্যাদি।

আবার, 
মৌলিক শব্দ হলো যে শব্দ অন্য কোনো শব্দ থেকে গঠিত নয় — অর্থাৎ যার কোনো উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাস নেই।
- “কলম” একটি মৌলিক (অব্যুত্পন্ন) শব্দ।

অন্যদিকে,
• কবিতা এসেছে- (কবি + তা) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 
• কাব্য এসেছে- (কবি + য) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 
• পদ্য এসেছে- (পদ + য) ব্যুৎপন্ন শব্দ। 

অতএব মৌলিক শব্দ হলো- কলম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটির মধ্যে রয়েছে -
  1. ষ্ + ঞ
  2. ষ্ + ন
  3. ঞ্ + ষ
  4. ষ্ + ণ
সঠিক উত্তর:
ষ্ + ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্ + ণ
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ গঠন- ষ্ + ণ = ষ্ণ। 

এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো-
ক্ষ = ক্‌ + ষ;
ব্ধ = ব্‌ + ধ;
ক্ষ্য = ক্‌ + ষ্‌ + য; 
ত্থ = ত্‌ + থ;
ক্ষ্ম = ক্‌ + ষ্‌ + ম;
দ্ধ = দ্‌ + ধ; 
রূ= র্‌ + ঊ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৪.
'স্বাধীন' এর সন্ধি বিচ্ছেদ –
  1. স্ব + অধীন
  2. স্বা + অধীন
  3. স্বা+ ধীন
  4. স্ব + ধীন
সঠিক উত্তর:
স্ব + অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব + অধীন
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়।
যেমন:
- অনু + এষণ = অন্বেষণ,
- তনু + ঈ = তন্বী,
- অনু + ইত = অন্বিত,
- স্ব + অধীন = স্বাধীন,
- স্ব+ ইচ্ছা = স্বেচ্ছা,
- সু + আগত = স্বাগত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা?
  1. চতুরঙ্গ
  2. চতুর্দশী
  3. চতুষ্কোন
  4. চতুষ্পাঠী
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• 'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
- 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসের চরিত্র-শচীশ, দামিনী এবং শ্রীবিলাস।
- উপন্যাসটিতে চারটি অধ্যায় রয়েছে, প্রতিটি অধ্যায়ের নামকরণ করা হয়েছে উপন্যাসের প্রধান চরিত্রদের নামে। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে চতুরঙ্গ, যার সংস্কৃত অর্থ "চারটি অংশ", "চতুর্ভুজ"।

অন্যদিকে, 
• 'চতুর্দশী' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (ছদ্মনাম বনফুল) এর লেখা একটি কাব্যসংগ্রহ। 
• "চতুষ্কোণ" মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা কবির সঙ্গে চারজন মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে লেখা।
• "চতুষ্পাঠী" লিখেছেন স্বপ্নময় চক্রবর্তী। এটি লেখকের লেখা প্রথম উপন্যাস এবং এটি ১৯৯২ সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

----------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- বউ ঠাকুরানীর হাট,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- চতুরঙ্গ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
'কোকিল'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মহি
  2. বিধু
  3. কলকণ্ঠ
  4. ইন্দু
সঠিক উত্তর:
কলকণ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকণ্ঠ
ব্যাখ্যা

• 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ:
অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, পরপুষ্ট, বসন্তদূত, মধুসখা, মধুস্বর, কাকপুষ্ট, পরভূত।

অন্যদিকে,
• 'বিধু' অর্থ- চন্দ্র; শশাঙ্ক; শশধর।
• 'ইন্দু' অর্থ- চন্দ্র।
• 'মহি' অর্থ- পৃথিবী, ধরণি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন? 
  1. বিসর্জন
  2. ডাকঘর
  3. বসন্ত
  4. অচলায়তন
সঠিক উত্তর:
বসন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্ত
ব্যাখ্যা

• 'বসন্ত' গীতিনাট্য:
- 'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গীতিনাট্য।
- এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং কাজী নজরুল ইসলাম তার সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'কালের যাত্রা' নাটকটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেন।
- এছাড়াও তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেন 'তাসের দেশ' নাটক।
- ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে তাঁর রচিত 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থাটি উৎসর্গ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮.
'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'- উক্তিটি করেছেন-
  1. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. ভারতচন্দ্র রায় 
  3. চণ্ডীদাস
  4. বড়ু চন্ডীদাস
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায় 
ব্যাখ্যা

• নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?- পঙ্‌ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়ের রচনা। 

----------------------
• "অন্নদামঙ্গল" কাব্য:

- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।

- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি 'অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ 'বিদ্যাসুন্দর'।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি হলো:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।
- না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।

এই কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
"আপনারে বড় বলে, বড় সেই নয়\লোকে যারে বড় বলে, বড় সেই হয়।" কবিতাংশটির রচয়িতা-
  1. কামিনী রায় 
  2. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. হরিশচন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
হরিশচন্দ্র মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিশচন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা

"আপনাকে বড় বলে
বড় সেই নয়,
লোকে যারে বড় বলে
বড় সেই হয়।" পঙ্‌ক্তিগুলো হরিশচন্দ্র মিত্র রচিত 'বড় কে' কবিতার অন্তর্ভুক্ত।

-----------------
• হরিশচন্দ্র মিত্র:
- হরিশচন্দ্র মিত্র তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাংবাদিক ছিলেন।
- তিনি ১৮৩৭ সালে ঢাকায় এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৫৮ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত নাটকগুলো হলো:
- ম্যাও ধরবে কে,
- ঘর থাকতে বাবুই ভেজ,
- জানকী নাটক,
- জয়দ্রথবধ বৃত্তান্ত ইত্যাদি।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- হাস্যরসতরঙ্গিণী,
- বিধবা বঙ্গললনা,
- বীর বাক্যাবলী,
- কীচকবধ কাব্য,
- বঙ্গবালা,
- রামায়ণ ইত্যাদি।

তাঁর গীতিনাট্যগুলি হলো:
- আগমনী,
- নতুন জামাই,
- হঠাৎ বাবু,
- ছাল নাই কুকুরের বাঘা নাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'বড় কে' কবিতা।

২০.
পশুপাখির কাহিনি অবলম্বনে রচিত লোকসাহিত্যকে বলে-
  1. উপকথা
  2. ব্রতকথা
  3. রূপকথা
  4. গ্রাম্যগীতিকা
সঠিক উত্তর:
উপকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকথা
ব্যাখ্যা

• উপকথা:
পশুপক্ষীর চরিত্র অবলম্বনে যেসব কাহিনি গড়ে উঠেছে সেগুলোর নাম উপকথা। কৌতুকসৃষ্টি ও নীতিপ্রচারের জন্যই এগুলোর সৃষ্টি। এতে মানবচরিত্রের মতই পশুপাখির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে বক্তব্য পরিবেশিত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মানুষের মতই পশু-পাখিরা কথাবার্তা বলে নিজ নিজ ভূমিকা পালন করেছে। কেবল পশুপক্ষীর চরিত্রই যে উপকথার বিষয়বস্তু তা নয়, মানবচরিত্রও এগুলোতে স্থান পেয়েছে। পশুপক্ষী অনেক ক্ষেত্রে রূপকার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। গল্পের বর্ণনায় পুনরাবৃত্তি এসে বর্ণনাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

যেমন- কাক ও চড়ুই পাখি' গল্পে বলা হয়:
'গেরস্ত ভাই, দাও ত আগুন, গড়ব কাস্তে, কাটব ঘাস, খাবে গাই, দিবে দুধ, খাবে কুকুর, হবে তাজা, মারবে মোষ লব শিং, খুঁড়ব মাটি, গড়ব ঘটি, তুলব জল, ধুব ঠোঁট-তবে খাব চড়ইর বুক।'

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

২১.
'রাজমিস্ত্রী' শব্দের ব্যাসবাক্য –
  1. রাজার মিস্ত্রী
  2. মিস্ত্রীর রাজা 
  3. রাজ যে মিস্ত্রী
  4. মিস্ত্রী যার রাজা
সঠিক উত্তর:
মিস্ত্রীর রাজা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিস্ত্রীর রাজা 
ব্যাখ্যা

• 'রাজমিস্ত্রি' শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হলো-  মিস্ত্রীর রাজা = রাজমিস্ত্রি।

[এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস, যেখানে 'রাজ' শব্দের সাথে মিস্ত্রীর সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যার অর্থ 'রাজার মিস্ত্রী' নয়, বরং 'যে মিস্ত্রী সবচেয়ে দক্ষ বা সেরা'।]

---------------------
• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। আর যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায় তাকে বলা হয় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন:
রাজকুমার = রাজার কুমার;
রাজদণ্ড = রাজার দক্ষ;
রাজনীতি = রাজার নীতি;
রাজপথ = পথের রাজা;
রাজপুত্র = রাজার পুত্র;
রাজহংস = হংসের রাজ্য। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।  

২২.
'বার্ষিক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. বর্ষ + ষ্ণিক
  2. বর্ষা + ষ্ণিক
  3. বরষ + ইক
  4. ব + ষ্ণিক
সঠিক উত্তর:
বর্ষ + ষ্ণিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষ + ষ্ণিক
ব্যাখ্যা

বর্ষ + ষ্ণিক (ইক) = বার্ষিক।

ব্যতিক্রম: 'বর্ষ' শব্দ পরপদ হলে পূর্বপদের সংখ্যাবাচক শব্দের মূল স্বরের বৃদ্ধি হয় না। যথা- দ্বিবর্ষ + ষ্ণিক = দ্বিবার্ষিক। সংখ্যাবাচক শব্দ না থাকলেও নিয়মমতো মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়। যেমন- বর্ষ + ষ্ণিক = বার্ষিক।

উল্লেখ্য, 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
 বর্ষা +  ইক = বার্ষিক; শব্দের প্রত্যয় দেয়া আছে। 

[তবে, অপশনে সরাসরি নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই অনুসারে সঠিক উত্তর থাকায়, অপশন (ক) সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।]

--------------------
• ষ্ণিক (ইক) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
(ক) দক্ষ বা বেত্তা অর্থে: সাহিত্য + ষ্ণিক (ইক) = সাহিত্যিক, বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক, বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক।

(খ) বিষয়ক অর্থে: সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক, নগর + ষ্ণিক = নাগরিক, মাস + ষ্ণিক =  মাসিক, ধর্ম + ষ্ণিক =  ধার্মিক, সমর + ষ্ণিক =  সামরিক, সমাজ + ষ্ণিক = সামাজিক। 

(গ) বিশেষণ গঠনে: হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক, অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
'প্রতীচী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ম্লান
  2. প্রাচ্য
  3. মিলন
  4. ত্যাগ
সঠিক উত্তর:
প্রাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচ্য
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'প্রতীচী' শব্দের বিপরীত শব্দ - প্রাচ্য।

• 'প্রাচ্য' শব্দের অর্থ:
১. পূর্বদিকস্থ।
২. পূর্বদেশীয়।
৩. ইউরোপের পূর্বদিকস্থ দেশসমূহ

• 'প্রতীচী' শব্দের অর্থ:
১. পশ্চিম দিক।
২. পশ্চিম দিকে অবস্থিত দেশসমূহ।

অন্যদিকে,
• 'ম্লান' শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো- উজ্জ্বল, প্রফুল্ল, স্পষ্ট এবং সজীব।  
• 'মিলন' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - বিচ্ছেদ বা বিরহ।  
• 'ত্যাগ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো - ভোগ বা গ্রহণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

২৪.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন নয় কোনটি?
  1. বৈষ্ণব পদাবলি
  2. মঙ্গলকাব্য
  3. প্রণয়কাব্য
  4. কথোপকথন
সঠিক উত্তর:
কথোপকথন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথোপকথন
ব্যাখ্যা

• ‘কথোপকথন’ কোনো সাহিত্যধারা নয় এবং মধ্যযুগীয় সাহিত্যের নিদর্শনও নয়।

• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ:

- বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মধ্যযুগ।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য- ধর্মকেন্দ্রিকতাই মুখ্য, মানবতাসহ সব কিছুই গৌণ। 'কানু ছাড়া গীত নাই' উক্তিটি মধ্যযুগে সত্য ছিল।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের ধারাগুলোর মধ্যে বৈষ্ণব সাহিত্যধারা পরিমাণে ও গুণে সমৃদ্ধ।
- মধ্যুযুগে লোক সাহিত্যধারা ব্যতিক্রম। কারণ, এই ধারায় ধর্ম বা দেব-দেবী নয়, মানুষের গুরুত্ব অধিক এবং তার প্রণয় ও কামনাকে মুখ্য বিবেচনা করা হয়েছে।

• মধ্যযুগের সাহিত্যের ধারাগুলো হলো:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, 
- বৈষ্ণব পদাবলি, 
- মঙ্গলকাব্য, 
- অনুবাদ সাহিত্য (রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান),
- নাথ সাহিত্য,
- শাক্ত পদাবলি,
- বাউল পদাবলি, 
- কবিগান, 
- জীবনী সাহিত্য, 
- লোকসাহিত্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৫.
'শূণ্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
  1. হর্ষবর্ধন
  2. গোবিন্দদাস
  3. রামাই পণ্ডিত 
  4. বিপ্রদাস
সঠিক উত্তর:
রামাই পণ্ডিত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামাই পণ্ডিত 
ব্যাখ্যা

• 'শূণ্যপুরাণ':
- 'শূণ্যপুরাণ' রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ। এটি বিশেষভাবে ধর্মপূজাপদ্ধতি।
- গ্রন্থটি অন্ধকার যুগের সাহিত্য নিদর্শন। কারো মতে এটি ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
- গদ্যপদ্যে মিশ্রিত এই গ্রন্থটি একপ্রকারের চম্পুকাব্য। গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত। এর প্রথম ৫টি অধ্যায় সৃষ্টিতত্ত্ব সম্বন্ধীয়।
- শূন্যপুরাণ নামহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বিশ্বকোষ প্রণেতা নাগেন্দ্রনাথ বসু তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে ১৩১৪ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ' শূন্যপুরাণ নামকরন করে প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬.
"The green-eyed monster" means-
  1. danger
  2. hatred
  3. envy
  4. jealousy
সঠিক উত্তর:
jealousy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
jealousy
ব্যাখ্যা

• "The green-eyed monster" means- jealousy.

• Green-eyed monster:
- English Meaning: jealousy is imagined as a monster that attacks people.
- Bangla Meaning: ঈর্ষা / হিংসা।

- Green-eyed monster → ঈর্ষা বা হিংসার প্রতীক।
- প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল William Shakespeare-এর নাটক Othello তে।
- It metaphorically represents jealousy — the feeling of resentment or insecurity over someone else's advantages, achievements, or possessions.

অন্যদিকে,
ক) Danger:
- বিপদ; ঝুঁকি; আশঙ্কা; শঙ্কা।

খ) Hatred:
- ঘৃণা; তীব্র বিরাগ।

গ) Envy:
-  ঈর্ষা; পরশ্রীকাতরতা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৭.
The problem is anything but easy. Here “but" is a/an—
  1. conjunction
  2. adverb
  3. preposition
  4. pronoun
সঠিক উত্তর:
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb
ব্যাখ্যা

The problem is anything but easy. Here, “but" is a adverb.
- এখানে “anything but” মানে “not at all” বা “by no means” — এটি একটি idiomatic phrase, যার অর্থ “একদমই না”, “মোটেও নয়”, বা “except” নয় বরং “opposite sense of easy.”
- যদিও “but” শব্দটি অনেক সময় preposition হিসেবে “except” অর্থে ব্যবহৃত হয় (যেমনঃ Everyone but you was present.),
এই নির্দিষ্ট phrase “anything but + adjective” এর ক্ষেত্রে “but” preposition নয়, বরং adverb হিসেবে কাজ করে।
- কারণ, এটি adjective “easy”-কে modify করছে এবং “to the contrary” বা “not at all” অর্থ প্রকাশ করছে।

• But [adverb]: 
Bangla meaning: শুধু; কেবল; মাত্র (এখন এই অর্থে সচরাচর only ব্যবহৃত হয়)। 

Example:
- We've had nothing but trouble with this car.
- The problem is anything but easy.

Source:
i) Oxford Dictionary.
ii) Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

২৮.
The number of COVID-19-related deaths _________.
  1. are overwhelming the world 
  2. have overwhelmed the world
  3. has overwhelmed the world
  4. has been overwhelmed the world
সঠিক উত্তর:
has overwhelmed the world
উত্তর
সঠিক উত্তর:
has overwhelmed the world
ব্যাখ্যা

The correct answer is: গ) has overwhelmed the world.

Complete sentence: The number of COVID-19-related deaths has overwhelmed the world.

• Structure:
• The Number of + Plural Noun + Singular Verb হয়।
- যেমন - 
- The number of girls is present in today's program.
- The number of people was very high.

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) are overwhelming - plural verb, তাই এটি ভুল। 
খ) have overwhelmed - plural verb, তাই এটি ভুল। 
ঘ) has been overwhelmed - passive voice, অর্থগতভাবে ভুল। 

২৯.
"Besides looting all the valuables, the hoodlum also stabbed the pedestrian violently."- This an example of a/an-
  1. simple sentence
  2. complex sentence
  3. compound sentence 
  4. optative sentence
সঠিক উত্তর:
simple sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
simple sentence
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) simple sentence.

• Explanation:
- This sentence contains only one main clause: “the hoodlum also stabbed the pedestrian violently.”
- The phrase “Besides looting all the valuables” is a participial phrase (not a separate clause).
- Hence, there is only one subject (“the hoodlum”) and one finite verb (“stabbed”) - making it a simple sentence.

• Simple sentence:
- A simple sentence has only one independent clause and no dependent clauses.
- অর্থাৎ, একটি Simple sentence -এ শুধুমাত্র একটি clause (one finite verb) থাকে।
- যেমন: I saw him running.

• অন্যদিকে,
• Complex sentence:
- Complex sentence এ প্রধানত একটি prinicpal clause থাকে এবং এক বা একাধিক subordinate clause থাকে।
- Dependent clause বা subordinate clause টি prinicpal clause/main clause -এর উপর নির্ভরশীল থাকে।
- Complex sentence এর subordinate clause -এর শুরুতে সাধারণত if, lest, though, although, as, because, since, that, so that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, whatever, while, ইত্যাদি বসে।
- যেমন: Though the class was lengthy, it was enjoyable.

• Compound sentence:
- Requires two independent clauses joined by a coordinating conjunction like "and," "but," etc.
- অর্থাৎ, Compound sentence -এ একের অধিক prinicpal clause থাকে যেগুলো coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে তাদেরকে coordinate clause বলা হয়।
- যেমন: Do or die.

• Optative sentence:
- An optative sentence expresses a wish or prayer.
- যেমন: May you succeed!

Source:
1. Cliff's TOEFL.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hossain.

৩০.
Choose the correct sentence from the following. 
  1. I prohibited him to go there.
  2. I prohibited to his going there.
  3. I prohibited him from going there.
  4. I prohibited his going there.
সঠিক উত্তর:
I prohibited him from going there.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I prohibited him from going there.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: I prohibited him from going there.

• Prohibit somebody (from doing something)
- English Meaning: to prevent from doing something.
- Bangla Meaning: (বিশেষত বিধিবিধানবলে) নিষেধ/ধারণ করা; নিষিদ্ধ করা।

- অর্থাৎ, prohibit + somebody/someone + from + verb-ing বসে।
- এছাড়া desist, refrain, abstain, exempt, debar, hinder, prevent ইত্যাদি verb এর পরে from + gerund (verb+ing) ব্যবহৃত হয়।

- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হলো- I prohibited him from going there.
- নিয়মানুযায়ী, অন্য বাক্যগুলো ভুল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩১.
Which one is the correct spelling?
  1. assasination
  2. aquarium
  3. armatur
  4. assylum
সঠিক উত্তর:
aquarium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
aquarium
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) aquarium.

Aquarium:
English meaning: a glass container in which fish and other water creatures can be kept.
Bangla meaning: জীবন্ত মাছ ও জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের কৃত্রিম জলাধার; মৎস্যাধার।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলোর সঠিক বানান ও অর্থ - 
ক) Assassination:
- গুপ্তহত্যা।

গ) Armature:
- (বিদ্যুৎ) বৈদ্যুতিক মোটর বা ডায়নামোর বিদ্যুৎপ্রবাহ উৎপাদনকারী অংশ; বৈদ্যুতিক মোটরের পেঁচানো তার বা কয়েল।

ঘ) Asylum:
- (১) [Uncountable noun]  আশ্রয়; নিরাপত্তা: ask for political asylum; [Countable noun] যে স্থলে এ রকম আশ্রয় বা নিরাপত্তা দেওয়া হয়। (২) [Countable noun] (সাবেক) পাগলাগারদ।

Source: Accessible Dictionary.

৩২.
"These are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy." - This line has been quoted from Shakespeare's-
  1. Hamlet
  2. Macbeth
  3. King Lear
  4. Measure for Measure
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

• "These are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."
- This line has been quoted from Shakespeare's 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable Works (Plays):
- Hamlet,
- Julius Caesar,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- As You Like It,
- Measure for Measure,
- Much Ado About Nothing,
- A Midsummer Night’s Dream,
- All’s Well That Ends Well,
- Antony and Cleopatra,
- Richard III,
- The Taming of the Shrew,
- The Tempest, etc.
 
Source:
1. Britannica.
2. Sparknotes.

৩৩.
The supervisor knows when the bus will depart from the terminal. The underlined clause is a/an-
  1. adjective clause
  2. adverbial clause
  3. independent clause
  4. noun clause
সঠিক উত্তর:
noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
noun clause
ব্যাখ্যা

• The supervisor knows when the bus will depart from the terminal.
- The underlined clause is a noun clause.

- The underlined clause "when the bus will depart from the terminal" acts as the object of the verb "knows".
- অর্থাৎ, এই sentence টিতে 'when the bus will depart from the terminal' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (knows) এর direct object হিসেবে বসে Noun -এর কাজ করছে।
- তাই এটি noun clause হয়েছে।

• সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it" বসানো যায়, অর্থাৎ, transitive verb এবং তাদের পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন Clause টি Noun Clause হয়।

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৩৪.
Choose the correct antonym of the word "macho”:
  1. arrogant
  2. haughty
  3. modest
  4. machismo
সঠিক উত্তর:
modest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
modest
ব্যাখ্যা

• Macho:
English meaning: behaving forcefully or showing no emotion in a way traditionally thought to be typical of a man.
Bangla meaning: (কথ্য) পৌরুষ প্রদর্শন।

Options,

ক) arrogant:
- উদ্ধত।

খ) haughty:
-  উদ্ধত; অহংকারী।

গ) modest:
- বিনয়ী; অনুদ্ধত; নিরহংকার।

ঘ) machismo:
- পুরুষের অতিরিক্ত অহংকার; পৌরুষ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the correct antonym of the word "macho”: modest.
Macho মানে একজন পুরুষের আত্মবিশ্বাসী, শক্তিশালী মতো সাহসী চরিত্র।
এর বিপরীত অর্থ হবে সাধারণভাবে বিনয়ী বা নম্র, যা বোঝায় modest.

Source: Accessible Dictionary.

৩৫.
Come on, it's time to go home. Here "home" is a/an-
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. verb
সঠিক উত্তর:
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb
ব্যাখ্যা

• Come on, it's time to go home', Here, 'home' is - Adverb.

• এখানে home একটি adverb যা verb ‘go’ কে modify করেছে।
- Home শব্দটি এখানে adverb of place.
- where, why, how, when ইত্যাদি শব্দগুলো দিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে পাওয়া উত্তরই হল adverb.
- Home শব্দটির মাধ্যমে আমরা Where-এর উত্তর পাচ্ছি এবং জানতে পারছি কোথায় যাওয়ার (go) কথা বলা হচ্ছে।
- Home, abroad, here, there, nowhere বাক্যকে adverb of place কে নির্দেশ করে এবং where প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে।

• Adverb: 
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb এমন একটি part of speech যা একটি verb, adjective, অন্য আর একটি adverb অথবা পুরো একটি বাক্যকে মডিফাই করতে পারে।

৩৬.
The noun form of “replete" is –
  1. repletation
  2. repletance
  3. replecacy
  4. repletion
সঠিক উত্তর:
repletion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
repletion
ব্যাখ্যা

• Replete: [adjective]
English meaning: filled with something; with a full supply of something.
Bangla meaning: ভরতি; পরিপূর্ণ। 

Example: Literature replete with drama and excitement.

এর noun form হলো ঘ- Repletion.

Repletion: [noun]
English meaning: the state of being full.
Bangla meaning: পরিপূর্ণ অবস্থা; ঠাসা অবস্থা।

Example: The lion hauled the wildebeest carcass back to its cave and feasted on it to repletion.

উল্লিখিত অন্য শব্দগুলো ভুল। 

Source: Oxford, Cambridge & Accessible Dictionary.

৩৭.
"A way of speaking or writing that makes something sound better or more exciting than it really is."- this can be the best definition of-
  1. oxymoron
  2. synecdoche
  3. sarcasm
  4. hyperbole
সঠিক উত্তর:
hyperbole
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hyperbole
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) hyperbole.

​• Hyperbole:
- A way of speaking or writing that makes someone or something sound bigger, better, more, etc. than they are.
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।
- Example:
- "Ten thousand saw I at a glance," (Wordsworth: Daffodils).
- "I'm so hungry I could eat a horse."

​অন্যদিকে,
​​• Oxymoron (বিরোধালঙ্কার; বিপরীতালঙ্কার): 
- A figure of speech in which incongruous or contradictory terms appear side by side.
- Two words or phrases used together that have, or seem to have, opposite meanings.
- অর্থাৎ, দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসলে Oxymoron হয়।
- Examples: Seriously funny, Living dead, Act naturally, etc.

​​• Synecdoche (প্রতিরূপক):
- A figure of speech in which a part stands for the whole or a whole stands for the part.
- (ব্যাকরণ আলংকারিক অর্থ) বাক্যালংকারবিশেষ, যাতে 'অংশ' সমগ্রকে নির্দেশ করে (যেমন 50 ships অর্থে 50 sails); প্রতিরূপক।
- Examples: "All hands on deck".
- When the captain of a ship calls, “All hands on deck!” certainly no hands can be seen running across the ship. Rather, the speaker is using synecdoche: allowing a part (hands) to represent the whole (a crew member in the ship).

​​• Sarcasm (শ্লেষোক্তি):
- The use of remarks that clearly mean the opposite of what they say, made in order to hurt someone's feelings or to criticize something in a humorous way.
- অর্থাৎ, কারো অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য অথবা হাস্যকরভাবে কোন কিছুর সমালোচনা করার জন্য এমন মন্তব্যের ব্যবহার যা স্পষ্টতই তাদের কথার বিপরীত অর্থ বহন করে।
- Examples: "You have been working hard," he said with heavy sarcasm, as he looked at the empty page.

Source:
1. Literary terms.net
2. Cambridge Dictionary.

৩৮.
She's mad _____ me for being late.
  1. to 
  2. towards
  3. at 
  4. against
সঠিক উত্তর:
at 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at 
ব্যাখ্যা

• সাধারণ ইংরেজিতে বলা হয় “mad at someone” যখন আমরা কাউকে কোনো কারণে রেগে আছি বোঝাতে চাই।
- এখানে “mad” মানে হলো রেগে থাকা। 

Complete sentence: She's mad at me for being late.

৩৯.
Which of the following is a synonym of “diminutive”? 
  1. petite
  2. large
  3. pigmy
  4. short
সঠিক উত্তর:
petite
উত্তর
সঠিক উত্তর:
petite
ব্যাখ্যা

Diminutive: [adjective]
English meaning: very small.
Bangla meaning: (১) হ্রাসপ্রাপ্ত আকারসম্পন্ন; অতি ক্ষুদ্র। (২) (ব্যাকরণ) ক্ষুদ্রতাবোধক অনুসর্গ। 

Options,

ক) petite: [adjective]
English meaning: (of a girl, woman or her figure) small and thin.
Bangla meaning: ছোটখাটো; ছিমছাম।

খ) large: [adjective]
English meaning: big in size or amount.
Bangla meaning: বড় আকারের; বিরাট; অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন।

গ) pigmy: [noun]
English meaning: a member of a group of people who are very short, especially a member of a people living in central Africa. This word is sometimes now considered offensive.
Bangla meaning: (১) ইকুয়েটোরিয়াল আফ্রিকার বামন জনগোষ্ঠীর সদস্য। (২) খুব খাটো মানুষ; বামন। (৩) (attributive(ly)) খুব ছোট।

ঘ) short: [adverb, noun, verb, adjective]
English meaning: small in length, distance, or height.
Bangla meaning: হ্রস্ব; খাটো; খর্ব; ছোট; বেটে; অনুচ্চ; অল্প; স্বল্পস্থায়ী; স্বল্পায়ু।

• “Diminutive” মানে হলো খুব ছোট বা নকশায় ছোট, সামগ্রিকভাবে ক্ষুদ্র। এটি কেবল উচ্চতা নয়, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ—মোট ছোট আকার বোঝায়।
“Short” মানে কেবল উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য কম। এটি শুধুমাত্র দৈর্ঘ্যের সীমাবদ্ধ। সুতরাং, যদিও “short” কিছুটা মিল রাখে, এটি সম্পূর্ণ অর্থে “diminutive” বোঝায় না।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, synonym of “diminutive” - petite.

Source:
Cambridge Dictionary.
Oxford Dictionary.
Accessible Dictionary.

৪০.
Macbeth killed the king. He was arrested on the charge of-
  1. patricide
  2. regicide
  3. fratricide
  4. homicide
সঠিক উত্তর:
regicide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
regicide
ব্যাখ্যা

• Macbeth killed the king. He was arrested on the charge of Regicide.

• Regicide (noun):
- English Meaning: a person who kills a king, or the act of killing a king.
- Bangla Meaning: রাজহত্যা; রাজহন্তা।

• Other options:
ক) Patricide:
- English Meaning: the crime of killing your own father.
- Bangla Meaning: পিতৃহত্যা।

গ) Fratricide:
- English Meaning: the crime of murdering your brother, or killing members of your own group or country.
- Bangla Meaning: ভ্রাতৃহন্তা; ভগ্নিহন্তা; ভ্রাতৃহত্যা বা ভগ্নিহত্যা।

ঘ) Homicide:
- English Meaning: the killing of one human being by another.
- Bangla Meaning: নরহত্যা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪১.
Which of the following nouns has two plural forms?
  1. father
  2. mother
  3. sister
  4. brother
সঠিক উত্তর:
brother
উত্তর
সঠিক উত্তর:
brother
ব্যাখ্যা

Options,
ক) father:
Meaning: বাবা; পিতা; জনক।
Plural form: fathers.

খ) mother:
Meaning: মা; মাতা; জননী; জনয়িত্রী
Plural form: mothers.

গ) sister:
Meaning: ভগিনী; বোন।
Plural form: sisters.

ঘ) brother:
Meaning: ভাই; ভ্রাতা; সহোদর।
Plural form: brothers, brethren.

So, “brother” is the noun with two plural forms.

৪২.
Complete the following proverb: Fools rush in where-
  1. an angel fears to tread
  2. all angels fear to tread
  3. every angel fears to tread
  4. angels fear to tread
সঠিক উত্তর:
angels fear to tread
উত্তর
সঠিক উত্তর:
angels fear to tread
ব্যাখ্যা

• Complete proverb: Fools rush in where angels fear to tread.
- Bangla: হাতি ঘোড়া গেলো তল, পিঁপড়া বলে কত জল / বিজ্ঞ যেথা ভয় পায়, অজ্ঞ সেথা আগে ধায়।

• ইংরেজি সাহিত্যের Neo-classical তথা The Augustan Age এর অন্যতম সাহিত্যিক Alexander Pope, তার বিখ্যাত কবিতা 'An Essay on Criticism' এ এই উক্তিটি করেছিলেন।
- এটি প্রবাদ হিসেবেই অধিক প্রচলিত।

• উক্তি এবং প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Britannica.

৪৩.
All collective nouns are — gender. 
  1. masculine
  2. feminine
  3. common
  4. neuter
সঠিক উত্তর:
neuter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
neuter
ব্যাখ্যা

Answer: ঘ) neuter.

• Collective noun:
- A collective noun is the name of a collection or group of people or things taken together.
- যে সকল noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের অবিভক্ত সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective noun বলে।
- For example, an army is a group of soldiers and a team is a group of players.
- অর্থাৎ, কিছু Common noun-এর সমষ্টিকেই Collective noun বলে।
- যেমন: Cattle হচ্ছে Collective noun, কারণ cattle (গবাদিপশুর পাল) দ্বারা a group of animals -কে বোঝানো হচ্ছে।

- ইংরেজি ব্যাকরণে, এই ধরনের noun-গুলো সাধারণত neuter gender হিসেবে গণ্য করা হয়, যদি না সেই দলটিকে স্পষ্টভাবে পুরুষ বা নারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- This is because they refer to a group as a single unit without specifying natural gender, and they are often replaced by the pronouns "it" or "which" rather than "he" or "she."
- অর্থাৎ, নির্দিষ্ট gender উল্লেখ না করেই অবিভক্ত সমষ্টি বুঝাতে single unit হিসেবে এগুলো ব্যবহৃত হয় এবং এগুলোর pronoun হিসেবে "it" ব্যবহার করা হয় যা দ্বারা gender neutrality বুঝায়।

Example:
- The committee has made its decision. (এখানে committee-কে neuter হিসেবে ধরা হয়েছে).
- The team is performing well this season; it has won many matches.

৪৪.
"She enjoyed herself immensely at the party. "Which of the following options is the closest to the above sentence?
  1. She had a terrific time at the party.
  2. She had a terrible time at the party.
  3. She had a horrible time at the party.
  4. She had a horrific time at the party.
সঠিক উত্তর:
She had a terrific time at the party.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She had a terrific time at the party.
ব্যাখ্যা

মূল বাক্য: She enjoyed herself immensely at the party.
Bangla: সে পার্টিতে অত্যন্ত আনন্দ করেছিল।

Options,

ক) She had a terrific time at the party.
- terrific:
- Meaning: very good.
Bangla: সে পার্টিতে খুব ভালো সময় কাটিয়েছে।


খ) She had a terrible time at the party.
- terrible:
- Meaning: very unpleasant or serious or of low quality.
Bangla: সে পার্টিতে খারাপ সময় কাটিয়েছে।


গ) She had a horrible time at the party.
- horrible:
- Meaning: very unpleasant or bad/ very shocking and frightening.
Bangla: সে পার্টিতে ভয়ানক বা অপ্রিয় সময় কাটিয়েছে।


ঘ) She had a horrific time at the party.
- horrific:
- Meaning: very bad and shocking.
Bangla: সে পার্টিতে ভয়ানক বা ভয়ঙ্কর সময় কাটিয়েছে।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The correct answer is: ক) She had a terrific time at the party.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৫.
Complete the sentence: If I had much money, I-
  1. would build an orphanage
  2. would have built an orphanage
  3. might have built an orphanage
  4. should have built an orphanage
সঠিক উত্তর:
would build an orphanage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would build an orphanage
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: If I had much money, I would build an orphanage.

• প্রশ্নটি মূলত Second conditional-এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। 
- একটি conditional sentence-এ দুটি অংশ থাকে। 
1. Condition বা শর্ত, 
2. Consequence বা ফলাফল। 

• Second Conditional-এর নিয়মানুযায়ী: 
- শর্তযুক্ত অংশে If + past indefinite যুক্ত clause থাকলে, পরবর্তী clause টিতে subject-এর পরে would/could/might + verb-এর base form বসে।
- এখানে 'had' main verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Structure: If + past indefinite + subject + would/could/might + verb -এর base form + extension. 

• Other options are incorrect because:
খ) would have built → used in the third conditional for past unreal situations.

গ) might have built → third conditional তাই ভুল।

ঘ) should have built → third conditional তাই ভুল।

৪৬.
Change into indirect speech: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
  1. What I was doing these alone was asked by a soft voice.
  2. Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone. 
  3. A soft voice told me as his son and asked me if I was alone.
  4. A soft voice from my behind asked me if I was alone.
সঠিক উত্তর:
Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone. 
ব্যাখ্যা

• Interrogative sentence এ direct speech এ কাউকে সম্বোধন করা হলে নীচের নিয়মের সাহায্যে Indirect speech এ রূপান্তর করতে হয়:

- Addressing বসবে,
- Reporting verb এর object (যদি থাকে),
- as বসে,
- যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি বসবে,
- Reporting verb এর subject বসবে,
- Reporting verb বসবে,
- if/whether বসবে (Yes/No question এর জন্য),
- Reported speech statement form-এ বসবে।

Structure: Addressing + Reporting verb এর object (যদি থাকে) + as + যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি + Reporting verb এর subject + Reporting verb + if/whether + statement.

Direct: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
Indirect: Addressing me as his son, a soft voice asked if I was alone.

৪৭.
Intellectual montage is a/an...
  1. mental condition 
  2. film editing technique that juxtaposes contrasting images 
  3. philosophical terminology 
  4. alternative term for a flashback
সঠিক উত্তর:
film editing technique that juxtaposes contrasting images 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
film editing technique that juxtaposes contrasting images 
ব্যাখ্যা

Answer - খ) film editing technique that juxtaposes contrasting images .

Intellectual montage
হলো একটি চলচ্চিত্র সম্পাদনার (film editing) কৌশল, যা দুই বা তার বেশি চিত্রকে পাশাপাশি স্থাপন করে দর্শকের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ধারণা বা আবেগ উদ্রেক করে। এই পদ্ধতিটি চিত্রগুলোর মধ্যে বিরোধ বা বিপরীততা ব্যবহার করে এমন অর্থ তৈরি করে যা প্রতিটি চিত্রের স্বতন্ত্র বিষয়বস্তু ছাড়িয়ে যায়, দর্শকের বুদ্ধি সক্রিয় করে এবং তাদেরকে চিত্রগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে উৎসাহিত করে। এই ধারণাটি ফরমালিস্ট চলচ্চিত্র তত্ত্বের (formalist film theory) কেন্দ্রীয় অংশ, বিশেষ করে প্রারম্ভিক চলচ্চিত্র তত্ত্ববিদদের মধ্যে যারা কাহিনী বলার এবং প্রকাশের ক্ষেত্রে সম্পাদনার শক্তি অন্বেষণ করেছিলেন।
- Intellectual Montage হলো একটি film editing technique যা বিখ্যাত সোভিয়েত filmmaker Sergei Eisenstein তৈরি করেছিলেন।

৪৮.
Which of the following verbs changes its base form in past and past participle forms?
  1. read
  2. breed
  3. spread
  4. hurt
সঠিক উত্তর:
breed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
breed
ব্যাখ্যা

Answer - খ) breed.

• Breed: উৎপাদন করা। 
- Past tense: Bred.
- Past participle: Bred.

Other options,

ক) read: পড়া; পাঠ করা। 
- Past tense: read.
- Past participle: read.

গ) spread: মেলে দেওয়া; মেলে ধরা; মেলে দিয়ে ঢেকে দেওয়া। 

- Past tense: spread.
- Past participle: spread.

ঘ) hurt: আঘাত/চোট পাওয়া/লাগা; আঘাত দেওয়া। 
- Past tense: hurt.
- Past participle: hurt.

৪৯.
A concrete noun is not the name of an object that can be-
  1. felt
  2. tasted
  3. seen
  4. touched
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

• Concrete noun:

- A concrete noun is a noun that refers to a physical thing, person, or place—something or someone that can be perceived with the five senses (touch, hearing, sight, smell, and taste).
- Concrete noun হলো সেই সব বস্তুর নাম যাদের বাহ্যিক অস্তিত্ব আছে অর্থাৎ যা ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে উপলব্দি করা যায়- বা দেখা যায়, গন্ধ দিয়ে অনুভব করা যায়, ছোঁয়া যায় বা আস্বাদন করা যায়।
Example: cow, book, building etc.

Concrete noun সবসময়ই এমন কিছু যা অন্তত একটি ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা যায়
- সবগুলো অপশনই (felt, tasted, seen, touched) concrete noun এর জন্য প্রযোজ্য

৫০.
A burnt child dreads the fire. Here “burnt" is a-
  1. gerund
  2. past participle
  3. finite verbs
  4. present participle
সঠিক উত্তর:
past participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
past participle
ব্যাখ্যা

• A burnt child dreads the fire. Here 'burnt' is a - Participle.
→ বাক্যে Burnt শব্দটি Burn এর Verb এর Past Participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
→ Burnt শব্দটি একই সাথে Verb এবং Adjective এর কাজ করছে।
→ এটি এখানে child noun টিকে modify করছে একটি verbal adjective (বা participle adjective) হিসেবে কাজ করছে। 

• Participle:
- যে word একই সাথে Verb এবং Adjective (মাঝে মধ্যে Adverb) এর কাজ করে, তাকে Participle বলে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

৫১.
একটি সমবাহ ত্রিভুজের একটি বাহর দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার? 
  1. ৭২√৩
  2. ৭৯√৩
  3. ৮১√৩
  4. ৯১√৩
সঠিক উত্তর:
৮১√৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১√৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য, a = ১৮ মিটার।

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √৩/৪ × (a2) বর্গএকক।

∴ ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = √৩/৪ × (১৮) বর্গমিটার
= √৩/৪ × ৩২৪ বর্গমিটার
= ৮১√৩ বর্গমিটার।

অতএব, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ৮১√৩ বর্গমিটার।

৫২.
সার্বিক সেট U এর যে কোন উপসেট A ও B এর জন্য কোনটি সঠিক? 
  1. A\B=A ∪ B' 
  2. (A ∪ B)'=A' ∪ B'
  3.  (A ∩ B)'=A' ∪ B'
  4.  (A ∩ B)'=A' ∩ B'
সঠিক উত্তর:
 (A ∩ B)'=A' ∪ B'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 (A ∩ B)'=A' ∪ B'
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সার্বিক সেট U এর যে কোন উপসেট A ও B এর জন্য কোনটি সঠিক? 

সমাধান:
• De Morgan's Law (ডি মরগ্যানের সূত্র)
1. (A ∩ B)' = A' ∪ B'
2. (A ∪ B)' = A' ∩ B'

• অপশনসমূহ যাচাই:
ধরি,
U = {1,2,3,4,5}, A = {1,2,3}, B = {2,3,4}
ক) A\B = A ∪ B' 
A\B = {1}
B' = {1,5}, তাই A∪B' = {1,2,3,5}
{1} ≠ {1,2,3,5} ∴ ভুল

খ) (A ∪ B)' = A' ∪ B' 
A ∪ B = {1,2,3,4}, তাই (A ∪ B)' = {5}
A' = {4,5}, B' = {1,5}, তাই A' ∪ B' = {1,4,5}
{5} ≠ {1,4,5} ∴ ভুল

গ) (A ∩ B)' = A' ∪ B' 
A ∩ B = {2,3}, তাই (A ∩ B)' = {1,4,5}
A' = {4,5}, B' = {1,5}, তাই A' ∪ B' = {1,4,5}
{1,4,5} = {1,4,5} ∴ সঠিক 

ঘ) (A ∩ B)' = A' ∩ B' 
(A ∩ B)' = {1,4,5}
A' ∩ B' = {5}
{1,4,5} ≠ {5} ∴ ভুল

অতএব, সঠিক উত্তর: গ) (A ∩ B)' = A' ∪ B'

৫৩.
৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
  1. ৫০৯
  2. ৫০৭
  3. ৫০৩
  4. ৫০১
সঠিক উত্তর:
৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?

সমাধান:
• মৌলিক সংখ্যা (Prime Number):
- যে সমস্ত স্বাভাবিক সংখ্যা ১ ও নিজ সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য নয়, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
- উদাহরণ: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭ ইত্যাদি।

এখানে,
৫০১ = ৩ × ১৬৭ ; সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা নয়।
৫০৩ ⇒ ১ ও ৫০৩ ছাড়া অন্য কোনো ভাজক নেই ; সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা।
৫০৭ = ৩ × ১৬৯ ; সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা নয়।
৫০৯ ⇒ ১ ও ৫০৯ ছাড়া অন্য কোনো ভাজক নেই ; সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা।
কিন্তু ৫০৩-এর চেয়ে বড়।

অতএব, ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা হলো ৫০৩।

৫৪.

  1. ১/৮
  2. ১/৪
  3. ৩৫৭/৩২
  4. ৩৫৭/৪
সঠিক উত্তর:
৩৫৭/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫৭/৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
= ২১/৪, 

= ১৭/৮

আমরা জানি,
ভগ্নাংশের ল.সা.গু = (লবের ল.সা.গু)/(হরের গ.সা.গু)
এখানে,
২১ এবং ১৭ এর ল.সা.গু = ২১ × ১৭ = ৩৫৭

৪ এবং ৮ এর গ.সা.গু:
৪ = ২ × ২
৮ = ২ × ২ × ২
∴ গ.সা.গু = ৪

∴ ভগ্নাংশের ল.সা.গু = ৩৫৭/৪

৫৫.
1 - x2 + 2xy - y2  এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (1 + x - y) (1 - x + y)
  2. (1 + x + y)(1 + x + y)
  3. (1 + x - y) (1 + x + y)
  4. (1 + x + y)(1 - x - y)
সঠিক উত্তর:
(1 + x - y) (1 - x + y)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(1 + x - y) (1 - x + y)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 - x2 + 2xy - y2  এর উৎপাদক কোনটি?

সমাধান:
1 - x2 + 2xy - y2
= 1 - (x2 - 2xy + y2)
= 12 - (x - y)2
= (1 + x - y)(1 - x + y)

৫৬.
একটি লোহার ফাপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সে.মি. ও বেধ ২ সে.মি.হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সে.মি.?
  1. ১৮π
  2. ৩৬π
  3. ১৩৭২π/৪
  4. ৪০০০π/৩
সঠিক উত্তর:
৩৬π
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬π
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লোহার ফাপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সে.মি. ও বেধ ২ সে.মি.হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সে.মি.?

সমাধান:
দেয়া আছে,
বাইরের ব্যাস = ১০ সে.মি.
বেধ = ২ সে.মি.

বাইরের ব্যাসার্ধ (R) = ১০/২ = ৫ সে.মি.
ভিতরের ব্যাসার্ধ (r) = বাইরের ব্যাসার্ধ - বেধ
= ৫ - ২ = ৩ সে.মি.

ফাঁপা অংশ = ভিতরের গোলকের আয়তন

আমরা জানি,
গোলকের আয়তন = (৪/৩)πr
∴ ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪/৩)π(৩)
= (৪/৩)π × ২৭
= (৪ × ২৭π)/৩
= ১০৮π/৩
= ৩৬π ঘন সে.মি.

৫৭.
৩০,০০০ টাকার যোগিক মুনাফায় ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?
  1. ৩৬০০ টাকা
  2. ৩৮১৬ টাকা
  3. ৭২০০ টাকা
  4. ৭৬৩২ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭৬৩২ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬৩২ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৩০,০০০ টাকার যোগিক মুনাফায় ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?

সমাধান:
দেয়া আছে,
আসল (P) = ৩০,০০০ টাকা
সুদের হার (r) = ১২%
সময় (n) = ২ বছর

আমরা জানি, 
চক্রবৃদ্ধি মূল, A = P{1 + (r/100)}n 
= ৩০,০০০ × {১ + (১২/১০০)
= ৩০,০০০ × (১১২/১০০) 
= ৩০,০০০ × (১১২/১০০) × (১১২/১০০) 
= ৩৭,৬৩২ টাকা

∴ মুনাফা = ৩৭,৬৩২ - ৩০,০০০
= ৭,৬৩২ টাকা

৫৮.
একটি পঞ্চভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-
  1. 5
  2. 10
  3. 15
  4. 60
সঠিক উত্তর:
10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পঞ্চভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-

সমাধান:
পঞ্চভুজের শীর্ষবিন্দু = 5টি
আমরা জানি,
ত্রিভুজ গঠনের জন্য 3টি শীর্ষবিন্দু প্রয়োজন।

এখন,
পঞ্চভুজের 5টি বিন্দু থেকে 3টি বিন্দু নিয়ে গঠিত ত্রিভুজের সংখ্যা = 5C3
= 5!/3!(5 - 3)!
= 5!/(3! × 2!)
= 5 × 4 × 3!)/(3! × 2 × 1)
= 20/2
= 10

∴ উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা 10টি।

৫৯.
চাঁদে কোন বস্তুর ওজন ৩০ কেজি হলে, পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজন কত কেজি হবে?
  1. ৫ কেজি
  2. ৯০ কেজি 
  3.  ১৮০ কেজি 
  4. ২১০ কেজি
সঠিক উত্তর:
 ১৮০ কেজি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৮০ কেজি 
ব্যাখ্যা

• চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ হয়, কারণ চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম। যদি চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন ৩০ কেজি হয়, তবে পৃথিবীতে সেই একই বস্তুর ওজন হবে প্রায় ৬ গুণ বেশি। অর্থাৎ, পৃথিবীতে বস্তুর ওজন = ৩০ × ৬ = ১৮০ কেজি। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ) ১৮০ কেজি। এই পার্থক্যের মূল কারণ হলো, অভিকর্ষ বল বস্তুর ভর এবং গ্রহের অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভর করে, যা চাঁদে তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
- তবে এখানে, ওজনের একক হিসেবে নিউটন দেয়া উচিত ছিল, ভরের একক হচ্ছে - কেজি। 

- স্থানভেদে কোনো বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ভর ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ভর হবে ১২০ কেজি। 
- কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে। 

আমরা জানি, 
- ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ 
- পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড। 
- তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি। 
- সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি। 

- কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। 
- অর্থাৎ, পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ওজন ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ২০ কেজি।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।

৬০.
xx√x=(x√x)x হলে, x = কত?
  1. 9/4
  2. 3/2
  3. 2/3
  4. 1/4
সঠিক উত্তর:
9/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: xx√x = (x√x)x হলে, x = কত?

সমাধান:

৬১.
|2 - 8x| ≤ 6 এর সমাধান-
  1. - (1/2)≤ x ≤1
  2. - (1/2) ≤ x < 1
  3. - (1/2) < x ≤1
  4. - (1/2) <  x < 1 
সঠিক উত্তর:
- (1/2)≤ x ≤1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- (1/2)≤ x ≤1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |2 - 8x| ≤ 6 এর সমাধান-

সমাধান:
|2 - 8x| ≤ 6
⇒ - 6 ≤ 2 - 8x ≤ 6
⇒ - 6 - 2 ≤ - 8x ≤ 6 - 2
⇒ - 8 ≤ - 8x ≤ 4
⇒ - 8/(- 8) ≥ x ≥ 4/(- 8)
⇒ 1 ≥ x ≥ - 1/2
⇒ - (1/2) ≤ x ≤ 1

৬২.
কোনটি মূলদ সংখ্যা?
  1. e
  2. π
  3. 1/√3
  4. √3/√108
সঠিক উত্তর:
√3/√108
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√3/√108
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি মূলদ সংখ্যা?

সমাধান:
• মূলদ সংখ্যা: p/q আকারের কোনো সংখ্যাকে মূলদ সংখ্যা বলা হয়, যখন p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0। যেমন: √25 = 5, 5/1 = 5, 5/6 ,1/2 ইত্যাদি।

• অমূলদ সংখ্যা: যে সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়।
- পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা। যেমন: √2 = 1.414213......, √3 = 1.732....., ইত্যাদি অমূলদ সংখ্যা।

এখানে,
ক) e = 2.71828...
এটি একটি অমূলদ ধ্রুবক। ∴অমূলদ সংখ্যা।

খ) π = 3.14159...
এটি একটি অমূলদ ধ্রুবক। ∴ অমূলদ সংখ্যা

গ) 1/√3 ; হরে মূলদ রাশি আছে। ∴ অমূলদ সংখ্যা।

ঘ) √3/√108 = √3/√(36×3)
= √3/(6√3)
= 1/6
এটি p/q আকারে আছে, যেখানে p = 1, q = 6
∴ এটি মূলদ সংখ্যা।

৬৩.
k এর মান কত হলে x2 - 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x- 3) হবে?
  1. - 3
  2. - 2
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: k এর মান কত হলে x2 - 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x- 3) হবে?

সমাধান:
দেয়া আছে,
x2 - 3x + 2 + k = 0
যদি (x - 3), f(x) এর একটি উৎপাদক হয়, তবে f(3) = 0 হবে।

এখন,
f(3) = 0
 ⇒ (3)2 - 3(3) + 2 + k = 0
 ⇒ 9 - 9 + 2 + k = 0
 ⇒ 2 + k = 0
 ⇒ k = - 2

৬৪.
log8 0.25=কত? 
  1. 3/2
  2. 2/3
  3. - 2/3
  4. - 3/2
সঠিক উত্তর:
- 2/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log8 0.25 = কত? 

সমাধান:
ধরি, log8 0.25 = x
⇒ 8x = 0.25 [logaM = x হলে, ax = M হয়]
⇒ 8x = 25/100
⇒ 8x = 1/4
⇒ (23)x = 2- 2
⇒ (2)3x = 2- 2 
⇒ 3x = - 2
∴ x = - 2/3

৬৫.
১১ সে.মি.ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৫ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.? 
  1. ৩√৬ সে.মি.
  2. ৪√৬ সে.মি.
  3. ৬√৬ সে.মি.
  4. ৮√৬ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৮√৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮√৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১১ সে.মি.ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৫ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.? 

সমাধান:

দেয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ১১ সে.মি.
কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব (d) = ৫ সে.মি.

কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর লম্ব টানলে জ্যা সমদ্বিখণ্ডিত হয়। এতে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়। যেখানে:
অতিভুজ = ব্যাসার্ধ = ১১ সে.মি.
লম্ব = কেন্দ্র থেকে দূরত্ব = ৫ সে.মি.
ভূমি = জ্যা-এর অর্ধেক

এখন,
জ্যা-এর অর্ধেক = √(r2 - d2)
= √(১১ - ৫)
= √(১২১ - ২৫)
= √৯৬
= √(১৬ × ৬)
= ৪√৬ সে.মি.

∴ জ্যা-এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ২ × ৪√৬
= ৮√৬ সে.মি.

৬৬.
এক ব্যক্তি বছরের প্রারম্ভে ৩টি গাছ রোপন করলেন। এরপর প্রতি বছর ৫টি করে অতিরিক্ত গাছ রোপন করলে, ২০তম বছরে তিনি কতটি গাছ রোপন করবেন?
  1. ৯৩
  2. ৯৮
  3. ১০৩
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি বছরের প্রারম্ভে ৩টি গাছ রোপন করলেন। এরপর প্রতি বছর ৫টি করে অতিরিক্ত গাছ রোপন করলে, ২০তম বছরে তিনি কতটি গাছ রোপন করবেন?

সমাধান:
১ম বছরে গাছ রোপন = ৩টি
প্রতি বছর অতিরিক্ত = ৫টি করে বৃদ্ধি
∴ এটি একটি সমান্তর ধারা।

এখানে,
প্রথম পদ (a) = ৩
সাধারণ অন্তর (d) = ৫
পদ সংখ্যা (n) = ২০

আমরা জানি,
n-তম পদ= a + (n - 1)d
∴ ২০ তম পদ = ৩ + (২০ - ১) × ৫
= ৩ + ১৯ × ৫
= ৩ + ৯৫
= ৯৮টি

৬৭.
স্বর্ণ গলাতে কোন কোন এসিডের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়? 
  1.  H2SO4; HCI
  2. H2SO4; HNO2
  3. HCI; HNO3
  4. উপরের যে কোনটি
সঠিক উত্তর:
HCI; HNO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HCI; HNO3
ব্যাখ্যা

• স্বর্ণ একটি অত্যন্ত স্থিতিশীল ধাতু, যা সাধারণ এসিডে দ্রবীভূত হয় না। স্বর্ণ গলাতে বা দ্রবীভূত করতে বিশেষ এক ধরনের এসিডের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়, যাকে “রাজঅম্ল” (Aqua Regia) বলা হয়। রাজঅম্ল তৈরি হয় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) ও নাইট্রিক এসিড (HNO3) এর মিশ্রণে, সাধারণত ৩ : ১ অনুপাতে। এই মিশ্রণ স্বর্ণের উপর আক্রমণ করে ক্লোরো–অরিক অ্যাসিড (HAuCl4) গঠন করে, যা দ্রবণে পরিণত হয়। তাই স্বর্ণ গলাতে HCl এবং HNO3 মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো: গ) HCl; HNO3

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
- সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
– আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
- সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
- এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
- ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬৮.
লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কত গুণ দ্রুত চলে?
  1. ২০ গুণ
  2. ১৮ গুণ
  3. ১৫ গুণ
  4. ১২ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
ব্যাখ্যা

• লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় প্রায় ১৫ গুণ দ্রুত চলে। শব্দের বেগ নির্ভর করে মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর। লোহা একটি কঠিন পদার্থ, যার কণাগুলি খুব ঘনভাবে সজ্জিত থাকে এবং তাদের মধ্যে কম ফাঁকা জায়গা থাকে। ফলে শব্দের কম্পন এক কণার থেকে অন্য কণায় খুব দ্রুত সঞ্চারিত হয়। অন্যদিকে, বাতাস একটি গ্যাসীয় মাধ্যম, যেখানে কণাগুলি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই শব্দ সেখানে তুলনামূলকভাবে ধীরে চলে। গড়পড়তা হিসাবে, লোহায় শব্দের বেগ প্রায় ৫০০০ মিটার/সেকেন্ড এবং বাতাসে প্রায় ৩৪০ মিটার/সেকেন্ড। তাই সঠিক উত্তর হলো: (গ) ১৫ গুণ।

শব্দের সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টিকরে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
যেমন- একটি লম্বা স্প্রিং নিয়ে এর এক প্রান্তে আঘাত করলে দেখবে স্প্রিংটির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আন্দোলন সঞ্চালিত হচ্ছে, শব্দের ঢেউ এভাবেই সঞ্চালিত হয়। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়; আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৬৯.
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়?
  1. বেগুনি
  2. নীল
  3. লাল
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

• সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয় লাল আলোতে। সূর্যালোকের বিভিন্ন রঙের মধ্যে লাল ও নীল রশ্মি উদ্ভিদের ক্লোরোফিল সবচেয়ে বেশি শোষণ করে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, লাল আলোর শক্তি উদ্ভিদ সহজে ব্যবহার করতে পারে এবং এটি সালোকসংশ্লেষণের হার বাড়ায়। নীল আলোও কার্যকর হলেও লাল আলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়ায় বেশি ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে হলুদ ও সবুজ আলো ক্লোরোফিল কম শোষণ করে, ফলে এদের প্রভাব তুলনামূলক কম। তাই সালোকসংশ্লেষণ সর্বাধিক হয় লাল আলোতে (গ)।

সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ। 
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে। 
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে। 
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল হলো তার প্রধান উপকরণ। 
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়। 
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়। 

উৎস: 
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭০.
কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়?
  1. হেপাটাইটিস
  2. গনোরিয়া
  3. কুষ্ঠ
  4. টাইফয়েড জ্বর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস
ব্যাখ্যা

• হেপাটাইটিস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়; এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রমণজনিত রোগ। হেপাটাইটিস ভাইরাস (যেমন- হেপাটাইটিস A, B, C) লিভারকে আক্রান্ত করে এবং এর ফলে লিভারের প্রদাহ, জন্ডিস, দুর্বলতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। অন্যদিকে, গনোরিয়া Neisseria gonorrhoeae ব্যাকটেরিয়া দ্বারা, কুষ্ঠ Mycobacterium leprae ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এবং টাইফয়েড জ্বর Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে হেপাটাইটিসই একমাত্র রোগ যা ব্যাকটেরিয়া নয়, বরং ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট।

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

• ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭১.
কলায় বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিড কোনটি?
  1. অক্সালিক এসিড
  2. ম্যালিক এসিড
  3. এসিটিক এসিড
  4. ল্যাকটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা

• কলায় প্রধান জৈব এসিড হলো ম্যালিক এসিড। এটি একটি প্রাকৃতিক জৈব অ্যাসিড, যা ফলে টক স্বাদ সৃষ্টি করে এবং ফলের পরিপক্বতা ও স্বাদ উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যালিক এসিড কলার কোষীয় শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় এবং শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। এছাড়া এটি ফলের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি ও রঙ, গন্ধ এবং স্বাদ ধরে রাখতে সাহায্য করে। কলা ছাড়াও আপেল, নাশপাতি, আঙুর প্রভৃতি ফলেও ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়। এই অ্যাসিড মানবদেহে শক্তি বিপাকে ভূমিকা রাখে এবং এটি সাধারণত নিরাপদ ও উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
জৈব এসিড: 
- জলপাই, করমচা, আমলকি ও কাঁচা আমড়া ও লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টকদই এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক এসিড। 
- বাজারে কাঁচের বোতলে যে ভিনেগার পাওয়া যায় তা মূলত ইথানোয়িক এসিড (CH3-COOH)-এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণ। 
- বাজারে বিভিন্ন রকমের সফট ড্রিংকস পাওয়া যায় যেগুলো প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবন। 
- পাকস্থলির দেয়াল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) উৎপন্ন করে। এ হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবারের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকারক অণুজীবকে মেরে ফেলে এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। আবার পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে বুক জ্বালা ও গলায় জ্বালাপোড়া অনুভব করে থাকি। তখন আবার অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করতে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) অথবা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবন করে থাকি। 

অজৈব এসিড: 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও সালফিউরিক এসিড (H2SO4) হলো অজৈব এসিড।
- পানিতে বিভিন্ন অনুপাতে যোগ করে তাদের দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- জলীয় দ্রবণে থেকেই এরা তাদের এসিড ধর্ম প্রদর্শন করে।
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাসের কোনো এসিড ধর্ম থাকে না। হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন করে থাকে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
আলুর একটি জাতের নাম-
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা

• আলুর একটি জনপ্রিয় জাত হলো ডায়মন্ড। এই জাতটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধক্ষম। ডায়মন্ড আলুর গাছ মাঝারি উচ্চতার হয় এবং পাতাগুলো গাঢ় সবুজ রঙের। এর কন্দ বা আলু মাঝারি আকারের, খোসা মসৃণ ও হালকা বাদামি বর্ণের। এই জাতটি মূলত মাঝারি ও শীতপ্রধান অঞ্চলে ভালো ফলন দেয়। ডায়মন্ড জাতের আলু রান্নার জন্য খুব উপযুক্ত এবং সংরক্ষণক্ষমতাও ভালো। কৃষকরা কম সময়ের মধ্যে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য এটি চাষ করতে আগ্রহী। এজন্য ডায়মন্ড বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় আলুর জাত হিসেবে পরিচিত।

• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
• ড্রামহেড, গ্রীন এক্সপ্রেস ও গোল্ডেন ক্রস হচ্ছে উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭৩.
ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. লোহা
  3. তামা
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

• ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অ্যালুমিনিয়াম ধাতু। পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৮% অংশই অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত। এটি মূলত বক্সাইট আকরিকের মধ্যে পাওয়া যায় এবং এর রাসায়নিক বিক্রিয়াশীলতা খুব বেশি হওয়ায় এটি শুদ্ধ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না। অ্যালুমিনিয়াম হালকা, জং ধরে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ ভালোভাবে পরিবাহন করতে পারে। এই কারণে এটি বিমান, গাড়ি, বৈদ্যুতিক তার, প্যাকেজিং ও নির্মাণ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, লোহা, তামা ও জিংক তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পাওয়া যায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো — ক) অ্যালুমিনিয়াম।

• পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম।
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে। এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে? 
  1. জলোচ্ছাস
  2. বন্যা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. সুনামি
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

• একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর সুনামি ঘটার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। যখন সমুদ্রের তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প ঘটে, তখন সাগরের তলদেশের স্তর হঠাৎ উপরে বা নিচে সরে যায়। এতে বিশাল পরিমাণ পানি স্থানচ্যুত হয়ে শক্তিশালী তরঙ্গ সৃষ্টি করে, যা দ্রুত গতিতে তীরের দিকে অগ্রসর হয়। এই তরঙ্গ তীরে পৌঁছালে তা ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে, উপকূলীয় এলাকার ঘরবাড়ি, গাছপালা ও প্রাণহানি ঘটায়। তাই বড় ভূমিকম্পের পর বিশেষ করে যদি তা সমুদ্রের নিচে ঘটে, তবে সুনামির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে।

সুনামি (Tsunami):

- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সুনামির (কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

⇒ সুনামি সৃষ্টির কারণ:
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে। এছাড়া পারমানবিক বিস্ফোরণ, ভূমিধ্বস, উল্কাপিন্ডের পতন ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে যে ঢেউয়ের সৃষ্টি করে তা প্রবলবেগে উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়।
- গভীর সমুদ্রে সুনামির উৎপত্তিস্থলে সুনামির উচ্চতা মাত্র কয়েক সে.মি. উঁচু কিন্তু উপকূলে সুনামির ঢেউয়ের উচ্চতা ৩০-৫০ মিটার উঁচু আকার ধারণ করে।
- এ ছাড়া ভূ-অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনো কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে সমুদ্রের তলদেশে সুনামির সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৫.
কোন রংয়ের কাপে চা বেশী সময় গরম থাকে?
  1. সাদা
  2. কালো
  3. নীল
  4. সকল রংয়ের কাপে সমান
সঠিক উত্তর:
সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা
ব্যাখ্যা

- সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে
- কালো রঙের কাপে চা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়, কারণ কালো রং তাপ শোষণ করতে পারে।
- তাপ সব সময় উচ্চ তাপীয় অবস্থা থেকে নিম্ন তাপীয় অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়।
- এক্ষেত্রে চা এর কালো কাপটি হচ্ছে নিম্ন তাপীয় অবস্থা তাই তা দ্রুত তাপ শোষণ করে নেবে এবং চা তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
পলাশীর যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
  1. ২২ জুন ১৭৫৭ 
  2. ২৪ জুন ১৭৫৭ 
  3. ২৩ জুন ১৭৫৭ 
  4. ২৫ জুন ১৭৫৭
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন ১৭৫৭ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন ১৭৫৭ 
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ: 
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান- 
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৭৮.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. সুইমিংপুলে
  2. পুকুরে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা

⇒ সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।

সাগরে সাঁতার কাটা সহজ:
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে।
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়।
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম।
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয়।
- ফলে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৭৯.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এ পর্যন্ত কতজন নারী সভাপতিত্ব করেছেন?
  1. ৫ জন
  2. ৯ জন
  3. ১১ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এ পর্যন্ত ৫ জন নারী সভাপতিত্ব করেছেন। 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৪৬ সালের ১০ই জানুয়ারি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ৫১টি দেশের প্রতিনিধিরা এই অধিবেশনে অংশ নিয়েছিলেন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল-হেনরি স্পাক।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৮০.
ঢাকা গেইটের নির্মাতা কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা 
  3. আবদুল গনি
  4.  লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা 
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
-সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮১.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩ 
  2. ৭ জানুয়ারি ১৯৭৩
  3. ৭ মার্চ ১৯৭৩
  4. ৭ এপ্রিল ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
৭ মার্চ ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ মার্চ ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম. ইদ্রিস।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৮২.
বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরণের?
  1. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  2. ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু
  3. উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  4. আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু
ব্যাখ্যা

জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
- অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- বাংলাদেশের জলবায়ু ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
"নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি” কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ভিয়েতনাম
  2. উত্তর কোরিয়া 
  3. চীন
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি:
- এটি একটি আধুনিক কূটনৈতিক কৌশল বা পদ্ধতি, যা চীনের সম্প্রতিক কূটনৈতিক মনোভাব ও আচরণকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের (বিশেষত রাষ্ট্রদূতদের) আক্রমণাত্মক, কঠোর, এবং প্ররোচনামূলক মনোভাব এবং শাব্দিক আক্রমণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ২০২০ সাল থেকেই নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চালিয়ে আসছে চীন।
- চীনের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

⇒ নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতির বৈশিষ্ট্য:
- চীনের কূটনীতিকরা সরাসরি আক্রমণাত্মক ভাষায় বিশ্বের অন্যান্য দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনা করেন।
- চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তারা তাদের দেশ ও সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিবৃতি ও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকেন।
- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতির পদ্ধতিতে চীন বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালিয়ে তার নিজস্ব রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা পদ্ধতিকে বিশ্বজনীন ন্যায় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারী অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮৫.
নিচের কোন কার্যক্রমের সাথে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নাম যুক্ত?
  1. প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ
  2. পরিবেশ সংরক্ষণ 
  3. মানবাধিকার সুরক্ষা
  4. প্রত্ন সম্পদ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অ্যামনেস্টির সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা করেন ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসন।
- অ্যামনেস্টির প্রথম নারী ও এশীয় মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আইরিন জুবাইদা খান (২০০১-২০০৯)।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।

৮৬.
বাংলাদেশের সমতলে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার কোন নৃ-গোষ্ঠীর বাস?
  1. মনিপুরি
  2. গারো
  3. সাওঁতাল
  4. বম
সঠিক উত্তর:
সাওঁতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাওঁতাল
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতাল বাংলাদেশের সমতল ভূমির আদিবাসী গোষ্ঠী।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৭.
পপি উৎপাদনকারী কোন দেশ গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কম্বোডিয়া
  2. লাওস
  3. থাইল্যান্ড
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ পপি উৎপাদনকারী কম্বোডিয়া গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ।
- মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত পপি উৎপাদনকারী ও চোরাচালানকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৮৮.
বাংলাদেশ কবে New Development Bank এর সদস্য পদ লাভ করে? 
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

NDB:
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হল একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক যার লক্ষ্য BRICS এবং অন্যান্য EMDCs-এর অবকাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য সংস্থান সংগ্রহ করা।
- ব্রিকসের দেশগুলি দ্বারা ২০১৫ সালে NDB প্রতিষ্ঠিত হয়।
- NDB এর পূর্ণরূপ New Development Bank.
- এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।
- NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পাঁচটি। এগুলো হলো -
• চীন।
• ভারত।
• ব্রাজিল।
• রাশিয়া।
• দক্ষিণ আফ্রিকা।
- নতুন সদস্য বাংলাদেশ, উরুগুয়ে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া ও মিশর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- NDB এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলের দিলমা রুসেফ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- NDB এর প্রেসিডেন্ট সবসময় প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো থেকে নির্বাচিত হবে।

তথ্যসূত্র - NDB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৯.
বাংলাদেশের ঘোষিত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কত? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৩৭ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯টি
  4. ২৯ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

৯০.
'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা-
  1. জর্জ হ্যারিসন 
  2. মাইকেল জ্যাকসন
  3. অ্যালেন গিন্সবার্গ
  4. বব ডিলান
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

• 'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা- অ্যালেন গিন্সবার্গ।

• September on Jessore Road:
- এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা ১৫২ লাইনের একটি long poem.
- এই patriotic poem টি রচনা করেন American poet ও activist Allen Ginsberg.
- কবিতাটিতে ১৫২টি লাইন থাকলেও এটি সেই সময়ের ২৬৬ দিনের যুদ্ধ ও হৃদয়বিদারক বেদনা তুলে ধরে।
- এই কবিতাটির শুরু এবং শেষ একই সুরে বেজে ওঠে, যা যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট একটি ভয়াবহ মানবিক সংকটের প্রতিধ্বনি করে।
- কবি নিজেই এখানে বর্ণনাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখেন, যিনি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের মাঝে সরেজমিনে পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছেন।

• Allen Ginsberg (1926-1997):
- ছিলেন একজন মার্কিন কবি এবং বিট প্রজন্মের (Beat Generation) অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।
- অ্যালেন গিন্সবার্গ আমেরিকার সাহিত্যে Beat Movement-এর অন্যতম কণ্ঠস্বর।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা হলো “Howl” (1956), যেখানে তিনি আধুনিক সমাজের ভণ্ডামি, যুদ্ধ, ভোগবাদ, মানসিক অস্থিরতা ও যৌন স্বাধীনতা নিয়ে প্রতিবাদ করেন।
- তিনি কবিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা, প্রতিবাদ এবং মুক্তচিন্তার প্রতীক হয়ে ওঠেন।

• Notable works:
- Howl (Epic poem),
- The Letters of Allen Ginsberg,
- Planet News,
- Reality Sandwiches,
- Wait Till I’m Dead: Uncollected Poems,
- The Fall of America: Poems of These States, 1965-1971, etc.

Source: Britannica.

৯১.
বিশ্ব মানবাধিকার দিবসটি কবে পালিত হয়?
  1. ২৬ জুন
  2. ১ আগস্ট
  3. ১ মে
  4. ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

⇒ প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন 'মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯২.
বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে? 
  1. ১৩৩ টি
  2. ১২৬ টি
  3. ১২১ টি 
  4. ১০১ টি
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট ১২১ টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে।
- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন  অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ
- দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৯৩.
ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার তৈরি হয়-
  1. ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
  4. ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২
ব্যাখ্যা

প্রথম শহিদ মিনার:
- ঢাকায় প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের সামনে (২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২)।
- এর ডিজাইনার ছিলেন- ডা. বদরুল আলম।
- ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে শহিদ শফিউর রহমানের পিতা মৌলভি মাহবুবুর রহমান এ শহিদ মিনার টি উদ্ধোধন করেন।

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গ কারীদের স্মরণে নির্মিত হয় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে।
- স্থপতি: হামিদুর রহমান ও সহকর্মী ছিলেন- নভেরা আহমেদ।
- স্তম্ভ রয়েছে- ৫ টি।
- ভাষা শহিদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের উদ্বোধন করেন (১৯৬৩ সালে)

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯৪.
সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন? 
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা

⇒ সোমপুর মহাবিহার বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৯৫.
নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
  1. মিশর ও ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া ও মিশর
  3. কেনিয়া ও তানজানিয়া 
  4. লিবিয়া ও উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নীল নদের পানি নিয়ে মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- মিশরের পানি সরবরাহের প্রধান উৎস। কিন্তু ইথিওপিয়া নদের উত্স অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ করছে, যা মিশরের পানি প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে উভয় দেশের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সংঘাত এবং আলোচনা চলছে।

নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

৯৬.
পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবী কে উত্থাপন করেন? 
  1. আবদুল মতিন 
  2. শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. মাওলানা ভাষানী
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রথম দাবী উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ন্যাটো
  3. G-7 সম্মেলন
  4. ASEAN
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্সে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচেষ্টা চালানো।
- এই চুক্তিতে মোট ১৯৫টি দেশ অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯৮.
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কি?
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপি
  3. গৌড়
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৯৯.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে NAM (Non Aligned Movement) এর সূচনা হয়?
  1. নয়াদিল্লি, ভারত
  2. বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া 
  3. কায়রো, মিশর
  4. মস্কো, রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া 
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাম বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলনে।
- এই সম্মেলনে গৃহীত নীতিগুলির উপর ভিত্তি করেই ১৯৬১ সালে বেলগ্রেডে জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

NAM:
- এর পূর্ণরূপ:Non-Aligned Movement.
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- NAM- এর উৎপত্তি ঘটে ১৮-২৪ এপ্রিল, ১৯৫৫ অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ এশীয়-আফ্রিকান সম্মেলন থেকে।
- এই সম্মেলনটি বান্দুং, ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'Bandung Conference' নামে পরিচিত।
- ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- অধিকাংশ ছিল এশীয়, কারণ অনেক আফ্রিকান দেশ তখনও উপনিবেশ ছিল।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: ১-৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে।
- স্থান: বেলগ্রেড, যুগোস্লাভিয়া।
- অংশগ্রহণকারী দেশ সংখ্যা: ২৫টি।
- বর্তমান সদস্য: ১২১ টি সদস্য দেশ। (অক্টোবর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - ন্যাম ওয়েবসাইট।

১০০.
প্রজন্ম "জেড” কারা? 
  1. ১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম
  2. ১৯৯৭-২০১১ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম
  3. ১৯৯৮-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম
  4. ১৯৯৯-২০১১ সালেজন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

জেনারেশন জেড:
- জেনারেশন জেড বা জোনরেশন জি'কে Gen z, iGeneration, Gen Tech, Gen Wii, Homeland Generation, Net Gen, Digital Natives, Plurals এবং Zoomers নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যারা জন্মগ্রহণ করেছে তারাই জেন জি।
- এরা ইন্টারনেটের যুগে বড় হওয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি, সোশ্যাল মিডিয়া, এবং স্মার্টফোনের সাথে গভীরভাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।