পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩: টপিক সমূহ: রিভিশন পরীক্ষা সিলেবাস - পরীক্ষা ১ ও ২ [Live Class – 1, 2, 3, 4]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
রাশিদুন খিলাফতের চার খলীফার শাসনকাল ছিল -
  1. ৩০ বছর
  2. ৪০ বছর
  3. ৫০ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত:

- মহানবী (সা.) এর ইন্তেকালের পর পর চারজন খলীফা তাঁর প্রতিনিধি হয়ে মুসলিম সাম্রাজ্যকে শাসন করেছেন।
- এই চার খলীফার শাসন ছিল মহানবী (সা.) আদর্শ নীতির প্রতিকৃতি।
- মহানবী (সা.) আল্লাহর বাণীকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
- তিনি মদীনা রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছেন।
- মদীনা রাষ্ট্রকে একটি শাসনকাঠামো দিয়েছিলেন খুলাফায়ে রাশিদীনের চার খলীফা তাদের ৩০ বছরের (৬৩২-৬৬১) শাসনে মুসলিম সাম্রাজ্য কেবল প্রসারিত হয়নি বরং একটি উৎকৃষ্ট শাসনব্যবস্থার উদ্ভব হয়েছিল।
- মূলত ২য় খলীফা হযরত উমর (রা.) ছিলেন এই ইসলামী শাসনব্যবস্থার প্রকৃত সংগঠক।
- তাঁর শাসনকাঠামোই পরবর্তী খলিফাগণ অনুসরণ করে গেছেন।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক জনগণের ইচ্ছা ও মতামত এই শাসন ব্যবস্থায় প্রতিফলিত হতো।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গণতন্ত্রের ধারণা প্রথম সূচনা হয় কোন দেশে?
  1. ইতালিতে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. যুক্তরাজ্যে
  4. গ্রীসে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের সূচনা:

- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।
.
আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের কোন শাখায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. হাশিমী
  2. কুরাইশ
  3. হানাফীয়া
  4. মারওয়ানী
ব্যাখ্যা
উমাইয়া খিলাফত:
- আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের মারওয়ানী শাখায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- আব্দুল মালিক ছিলেন উমাইয়া বংশের একজন শ্রেষ্ঠতম শাসক।
- ব্যাপক সামরিক দক্ষতা, কূটনীতি, রাষ্ট্রজ্ঞান ও প্রশাসনিক যোগ্যতা তাকে উমাইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা দিয়েছে।
- তার স্থাপত্য রুচিবোধ ছিল প্রশংসার দাবিদার ও উল্লেখযোগ্য।
- তিনি উমাইয়া সাম্রাজ্যকে অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা ও গৃহযুদ্ধ হতে নিরাপদ করে রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ ঘটান।
- রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য তিনি ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য কোনটি?
  1. আচেমেনিয়ান সাম্রাজ্য
  2. রোমান সাম্রাজ্য
  3. মোঙ্গল সাম্রাজ্য
  4. ওসমানীয় সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মঙ্গোল সাম্রাজ্য:

- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত।
- ১২০৬ সালে মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- চেঙ্গিস খান ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আসল নাম ছিলো তেমুজিন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান।
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
'রিদ্দার যুদ্ধ' কোন খলিফার সময় সংঘটিত হয়?
  1. হযরত উমর (রা.)
  2. হযরত আলী (রা.)
  3. হযরত আবু বকর (রা.)
  4. হযরত উসমান (রা.)
ব্যাখ্যা
রিদ্দার যুদ্ধ:

- 'রিদ্দা' আরবী শব্দ। এর অর্থ প্রত্যাবর্তনকরণ বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া।
- মহানবী (স.) এর মৃত্যুর পর এক শ্রেণির মুসলিম ইসলাম ধর্মকে বর্জন করে, তাদের পৌত্তলিকতায় প্রত্যাবর্তন করে।
- ইসলাম প্রচারের পর মক্কা ও মদীনা কেন্দ্রীক ইসলাম ধর্ম সীমাবদ্ধ হয়ে রইল।
- এই সময় মহানবীর মৃত্যুর পরে কতিপয় ভণ্ডনবীর আবির্ভাব ঘটল, কেউ কেউ পৌত্তলিকতায় ফিরে গেল। সমগ্র আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হল।
- ইসলামের প্রথম খলীফা হযরত আবু বকর (রা.) এই সকল স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন, যা ইতিহাসে 'রিদ্দার যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত।
- রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগী যুদ্ধ ছিল ইসলাম ও মদীনা রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরুপ।
- অবশেষে খলীফা আবু বকরের নেতৃত্বে মুসলিমগণ স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করেছিল।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আব্বাসী বংশ প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ৭৫০ খ্রিঃ
  2. ৭৫৫ খ্রিঃ
  3. ৭৬০ খ্রিঃ
  4. ৭৬৫ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
আব্বাসী বংশ:

- আব্বাসীয় খিলাফতের নামকরণ হয়েছে মহানবী (সাঃ) এর চাচা আল-আব্বাসের নাম হতে।
- তাঁর নামানুসারে এই বংশের নামকরণ হয়েছে আব্বাসীয় বংশ।
- ৭৫০ খ্রিঃ ২য় জাবের যুদ্ধের মাধ্যমে দামেস্ক কেন্দ্রিক উমাইয়া বংশের পতন ঘটে এবং তদস্থলে প্রতিষ্ঠিত হয় আব্বাসীয় বংশ।
- শেষ যুগের খলিফাদের অযোগ্যতা, সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতির অভাব, তুর্কী সেনাবাহিনীর উত্থান, স্বাধীন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঞ্চলিক রাজবংশের উদ্ভব, বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট ইত্যাদি নানা কারণে এই বংশের অধ:পতন নেমে আসে।
- অবশেষে মোঙ্গল সেনাপতি হালাগু খান ১২৫৮ সালে বাগদাদ নগরী ধ্বংস সাধন করেন এবং এর ফলে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. মণিপুর
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:

- সেভেন সিস্টার্সের মণিপুর রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।