১.
রাশিদুন খিলাফতের চার খলীফার শাসনকাল ছিল -
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত:
- মহানবী (সা.) এর ইন্তেকালের পর পর চারজন খলীফা তাঁর প্রতিনিধি হয়ে মুসলিম সাম্রাজ্যকে শাসন করেছেন।
- এই চার খলীফার শাসন ছিল মহানবী (সা.) আদর্শ নীতির প্রতিকৃতি।
- মহানবী (সা.) আল্লাহর বাণীকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
- তিনি মদীনা রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছেন।
- মদীনা রাষ্ট্রকে একটি শাসনকাঠামো দিয়েছিলেন খুলাফায়ে রাশিদীনের চার খলীফা তাদের ৩০ বছরের (৬৩২-৬৬১) শাসনে মুসলিম সাম্রাজ্য কেবল প্রসারিত হয়নি বরং একটি উৎকৃষ্ট শাসনব্যবস্থার উদ্ভব হয়েছিল।
- মূলত ২য় খলীফা হযরত উমর (রা.) ছিলেন এই ইসলামী শাসনব্যবস্থার প্রকৃত সংগঠক।
- তাঁর শাসনকাঠামোই পরবর্তী খলিফাগণ অনুসরণ করে গেছেন।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক জনগণের ইচ্ছা ও মতামত এই শাসন ব্যবস্থায় প্রতিফলিত হতো।
তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মহানবী (সা.) এর ইন্তেকালের পর পর চারজন খলীফা তাঁর প্রতিনিধি হয়ে মুসলিম সাম্রাজ্যকে শাসন করেছেন।
- এই চার খলীফার শাসন ছিল মহানবী (সা.) আদর্শ নীতির প্রতিকৃতি।
- মহানবী (সা.) আল্লাহর বাণীকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
- তিনি মদীনা রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছেন।
- মদীনা রাষ্ট্রকে একটি শাসনকাঠামো দিয়েছিলেন খুলাফায়ে রাশিদীনের চার খলীফা তাদের ৩০ বছরের (৬৩২-৬৬১) শাসনে মুসলিম সাম্রাজ্য কেবল প্রসারিত হয়নি বরং একটি উৎকৃষ্ট শাসনব্যবস্থার উদ্ভব হয়েছিল।
- মূলত ২য় খলীফা হযরত উমর (রা.) ছিলেন এই ইসলামী শাসনব্যবস্থার প্রকৃত সংগঠক।
- তাঁর শাসনকাঠামোই পরবর্তী খলিফাগণ অনুসরণ করে গেছেন।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক জনগণের ইচ্ছা ও মতামত এই শাসন ব্যবস্থায় প্রতিফলিত হতো।
তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।