পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ হয়?
  1. ক) রাঙামাটিতে
  2. খ) হবিগঞ্জে
  3. গ) মালনীছড়া
  4. ঘ) মৌলভীবাজারে
সঠিক উত্তর:
গ) মালনীছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালনীছড়া
ব্যাখ্যা
চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- এই বাগানটিও প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চা বাগানসমূহ প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে যায়।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
-  ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) লিখিত দলিল
  2. খ) ন্যায়পাল
  3. গ) সংসদীয় পদ্ধতির সরকার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. লিখিত দলিল।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়।
৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
৪. মৌলিক অধিকার।
৫. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
৬. প্রজাতন্ত্র।
৭. এক-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৮. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
৯. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
১০. ন্যায়পাল।
১১. সাংবিধানিক প্রাধান্য।

উৎস: পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
.
কততম সংশোধনীতে 'বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা' চালু হয়?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
৪র্থ সংশোধনী:
- ৪র্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
.
সংশোধনের ভিত্তিতে সংবিধান ____ ধরনের।
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- রাষ্ট্র পরিচালনার হাতিয়ার হলো সংবিধান।
- লেখার ভিত্তিতে সংবিধান দুই ধরনের। 
- যথা:
• লিখিত সংবিধান ও
• অলিখিত সংবিধান।
- সংশোধনের ভিত্তিতে সংবিধান দুই ধরনের।
- যথা:
• সুপরিবর্তনীয় সংবিধান ও
• দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।

১। সুপরিবর্তনীয় সংবিধান:
- এ সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করা অপেক্ষাকৃত সহজ।
- কোন ধরনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই এই সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়।
- তবে আইনসভার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়। 
- ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয় সংবিধান।
২। দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান:
- যে সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না তাই দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- এটি সংশোধনের জন্য জটিল পদ্ধতি অনুসৃত হয়।
- প্রত্যেক প্রকারের সংবিধানেরই কিছু সুনির্দিষ্ট সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক' সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ২ নং
  3. গ) ৩ নং
  4. ঘ) ৪ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- প্রথম ভাগ:
- প্রজাতন্ত্র, 
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
৪ নং অনুচ্ছেদ:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কয়টি তফসিল রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের কোন জেলা শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ প্রভৃতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ৭ক নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৭খ নং
  4. ঘ) ৬ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ
(১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
(ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
(খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
(খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।