পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
পার্ট-১) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO. পার্ট-২) বাক্য, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, উপসর্গ, অনুসর্গ। [পার্ট-১ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে। পার্ট-২ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
ECOSOC এর সদস্য সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩৬টি
  2. খ) ৫৪টি
  3. গ) ৬০টি
  4. ঘ) ৬২টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের ৬টি মূলসংস্থার মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) অন্যতম। এর মোট সদস্য সংখ্যা ৫৪টি। এদের মেয়াদ ৩ বছর করে। প্রতিবছর ১৮টি সদস্য নবায়ন হয়।
২০২০-২০২২ মেয়াদে বাংলাদেশ এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এর ৫টি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে। এগুলো হলোঃ ESCWA, ESCAP, ECLAC, ECA এবং ECE.
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
.
LDC তালিকা প্রণয়ন করে কোন সংস্থা?
  1. ক) UNDP
  2. খ) IDA
  3. গ) CDP
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
গ) CDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CDP
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের অধীন Committee for Development Policy (CDP) বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলো নিয়ে LDC তালিকা তৈরি করে। ১৯৭১ সালে প্রথম এ তালিকা তৈরি করা হয়।
বর্তমানে ৪৭টি দেশ LDC তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ৫টি দেশ তালিকা থেকে উত্তরণ করেছে। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
.
WTO এর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কোনটি?
  1. ক) জেনারেল কাউন্সিল
  2. খ) মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স
  3. গ) রিপ্রেজেন্টেটিভ কনফারেন্স
  4. ঘ) হেড অব গভার্নমেন্ট সামিট
সঠিক উত্তর:
খ) মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স
ব্যাখ্যা
WTO এর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম হলো মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স বা মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলন। সাধারণত প্রতি দুই বছর পরপর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২০ সালের জুনে কাজাখস্তানের রাজধানী নূর সুলতানে WTO এর ১২তম মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো যা করোনার জন্যে স্থগিত করা হয়। এই সম্মেলন ২০২১ সালে নূর সুলতানে অনুষ্ঠিত হবে।
(সূত্র: WTO)
.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অংশ নয়?
  1. ক) IFC
  2. খ) IDA
  3. গ) UNDP
  4. ঘ) ICSID
সঠিক উত্তর:
গ) UNDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) UNDP
ব্যাখ্যা
৫টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বযে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ গঠিত। এগুলো হলোঃ IBRD, IDA, IFC, ICSID, MIGA. এর মধ্যে IBRD এবং IDA কে সাধারণত বিশ্বব্যাংক হিসেবে অভিহিত করা হয়।
বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক ‍মুদ্রা তহবিল ব্রেটনউডস ইনস্টিটিউশন নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক গ্রুপ)
.
International Finance Corporation কী উদ্দেশ্যে গঠিত?
  1. ক) বৈদেশিক বিনিয়োগে সহায়তা করা
  2. খ) বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহায়তা প্রদান
  3. গ) আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি
  4. ঘ) স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে কারিগরি সহায়তা দান
সঠিক উত্তর:
খ) বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহায়তা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহায়তা প্রদান
ব্যাখ্যা
IFC (International Finance Corporation) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে। IFC ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য সংখ্যা ১৮৫টি। IFC এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
(সূত্রঃ IFC ওয়েবসাইট)
.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য জোট কোনটি?
  1. ক) UNCTAD
  2. খ) NAFTA
  3. গ) MEA
  4. ঘ) WTO
সঠিক উত্তর:
ঘ) WTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) WTO
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। GATT (The General Agreement on Tariffs and Trade) এর উত্তরসূরী সংস্থা হিসেবে ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা যাত্রা শুরু করে। এর বর্তমান সদস্য ১৬৪টি। বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
(সূত্রঃ WTO)
.
কোন সংস্থা World Economic Outlook প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. ক) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
  2. খ) আঙ্কটাড
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
ব্যাখ্যা
World Economic Outlook প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ। বছরে দুইবার করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে বিশ্লেষণ থাকে।
(সূত্র: আইএমএফ ওয়েবসাইট)
.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে?
  1. ক) গীতা গোপীনাথ
  2. খ) ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. গ) অংশুলা কান্ত
  4. ঘ) ক্রিস্টিন লাগার্দ
সঠিক উত্তর:
গ) অংশুলা কান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অংশুলা কান্ত
ব্যাখ্যা

- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বর্তমান ও প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মূখ্য অর্থনৈতিক কর্মকর্তা ভারতের অংশুলা কান্ত। ১২ জুলাই ২০১৯ তিনি এ পদে নিয়োগ পান।
- গীতা গোপীনাথ আইএমএফের প্রথম নারী ও বর্তমান প্রধান অর্থনীতিবিদ।
- ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা আইএমএফের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

(সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ ওয়েবসাইট)

.
বাংলাদেশ কোন বহুপাক্ষিক সংস্থা থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়?
  1. ক) ADB
  2. খ) IDA
  3. গ) IDB
  4. ঘ) JICA
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ IDA (International Development Association) থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়। বাংলাদেশ ২০১৯ সালে IDA থেকে মোট ২২৩.৭ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ লাভ করে যা IDA এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতা। দেশ বা দ্বিপাক্ষিক উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সহায়তা পায় জাপান থেকে।
(সূত্রঃ erd.gov.bd ও IDA ওয়েবসাইট)
১০.
কোন সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয় করে থাকে?
  1. ক) JICA
  2. খ) European Union
  3. গ) World Bank
  4. ঘ) Asian Development Bank
সঠিক উত্তর:
গ) World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) World Bank
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম। এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়। বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক।
শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ। ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম। প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
১১.
আন্তর্জাতিক ‍মুদ্রা তহবিলের প্রাথমিক কাজ কী?
  1. ক) দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. খ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা
  3. গ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা
  4. ঘ) অবকাঠামোগত উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য বা কাজ হলো আন্তর্জাতিক অর্থ বা মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা। আন্তর্জাতিক বিনিময় হার এবং লেনদেনকে গতিশীল ও কার্যকর রাখার মাধ্যমে আইএমএফ বৈশ্বিক‍ মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করে থাকে।
(সূত্রঃ আইএমএফ ওয়েবসাইট)
১২.
World Trade Statistical Review-2020 অনুসারে বিশ্বের প্রধান রপ্তানিকারক দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) চীন
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রকাশিত World Trade Statistical Review-2020 অনুসারে বিশ্বের প্রধান রপ্তানিকারক দেশ হলো চীন। দেশটি ২০১৯ সালে ২,৪৯৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে যা বিশ্বের মোট রপ্তানির ১৩.২ ভাগ।
দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র (১,৬৪৬ বিলিয়ন ডলার)। অন্যদিকে আমদানিতে শীর্ষদেশ যুক্তরাষ্ট্র (২,৪৬৮ বিলিয়ন ডলার)।
(সূত্র: World Trade Statistical Review-2020)
১৩.
বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশ একটি-
  1. ক) নিম্ন আয়ের দেশ
  2. খ) মধ্যম আয়ের দেশ
  3. গ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
  4. ঘ) উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের মতে যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৬ থেকে ৪১২৫ মার্কিন ডলার সেসব দেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার।
বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশসমূহকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করেছে। এগুলো হলোঃ নিম্ন আয়ের দেশ (১০৪৫ মা. ডলার বা তার নিচে যাদের আয়), নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ (১০৪৬-৪১২৫ মা. ডলার পর্যন্ত যেসব দেশের আয়), উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ (৪১২৬-১২৭৩৬ মা. ডলার) এবং উচ্চ আয়ের দেশ (১২৭৩৭+ মা. ডলার যেসব দেশের আয়)।
(সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক এবং প্রথম আলো)
১৪.
বিশ্বব্যাংকের মতে দৈনিক আয় কত মার্কিন ডলারের নিচে হলে তা চরম দারিদ্র্য ‍হিসেবে চিহ্নিত?
  1. ক) ১.২০ ডলার
  2. খ) ১.৫০ ডলার
  3. গ) ১.৭০ ডলার
  4. ঘ) ১.৯০ ডলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.৯০ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.৯০ ডলার
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের মতে ক্রয় ক্ষমতার সমতা অনুসারে যাদের দৈনিক আয় ১.৯০ মার্কিন ডলারের নিচে তারা চরম দারিদ্র্য শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এটি আন্তর্জাতিক পোভার্টি লাইন নামে পরিচিত।
সংস্থাটির মতে বর্তমানে বিশ্বের ৮ ভাগ মানুষ চরম দারিদ্র্যসীমার মধ্যে বসবাস করে। বিশ্বব্যাংক ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করেছে।
(সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক)
১৫.
‘অনুক্ষণ’ শব্দে ‘অনু’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সম্যক
  2. খ) পশ্চাৎ
  3. গ) সাদৃশ্য
  4. ঘ) পৌনঃপুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৌনঃপুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৌনঃপুন
ব্যাখ্যা
‘অনু’ উপসর্গটি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা পশ্চাৎ, সাদৃশ্য, সঙ্গে ও পৌনঃপুন অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ‘অনুক্ষণ’ শব্দে ‘অনু’ উপসর্গটি পৌনঃপুন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এরূপ আরো শব্দ হলো: অনুদিন ও অনুশীলন।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬.
'নিজের ভাগ্য নিজেই বদলাও' এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) প্রশ্নবোধক
  2. খ) অনুজ্ঞাবাচক
  3. গ) ইচ্ছাসূচক
  4. ঘ) নির্দেশাত্মক
সঠিক উত্তর:
খ) অনুজ্ঞাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুজ্ঞাবাচক
ব্যাখ্যা
'নিজের ভাগ্য নিজেই বদলাও' এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য। অনুজ্ঞাসূচক বাক্যে আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি প্রকাশ পায়।
(সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১৭.
‘টুপি পরানো’ বাগধারাটির অর্থ-
  1. ক) সূচনা করা
  2. খ) তোষামোদ করা
  3. গ) নাজেহাল করা
  4. ঘ) জব্দ করা
সঠিক উত্তর:
খ) তোষামোদ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তোষামোদ করা
ব্যাখ্যা
টুপি পরানো বাগধারাটির অর্থ তোষামোদ করা। সূচনা করা, নাজেহাল করা ও জব্দ করা অর্থে ব্যবহৃত বাগধারা হলো যথাক্রমে ঢাকে কাঠি পড়া, লবেজান করা ও থুরে দেওয়া।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিঙ্গাসা- ড. সৌমিত্র শেখর)
১৮.
‘যে নারী কলহপ্রিয়’ তাকে এক কথায় কী বলে?
  1. ক) খাণ্ডানী
  2. খ) চিরণ্টী
  3. গ) বিষকন্যকা
  4. ঘ) পুরন্ধ্রী
সঠিক উত্তর:
ক) খাণ্ডানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাণ্ডানী
ব্যাখ্যা
‘যে নারী কলহপ্রিয়’ তাকে এক কথায় বলা হয় খাণ্ডানি। যে নারী চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী তাকে বলা হয় চিরণ্টী। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় তাকে বলা হয় বিষকন্যকা। যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত -বীরা বা পুরন্ধ্রী।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিঙ্গাসা- ড. সৌমিত্র শেখর)
১৯.
নিচের কোনটি সরল বাক্য?
  1. ক) যে অন্ধ তাকে আলো দাও
  2. খ) চরিত্রহীন লোক পশুর চেয়েও অধম
  3. গ) যে রক্ষক সেই ভক্ষক
  4. ঘ) পড়াশোনা কর নতুবা ভবিষ্যৎ অন্ধকার
সঠিক উত্তর:
খ) চরিত্রহীন লোক পশুর চেয়েও অধম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চরিত্রহীন লোক পশুর চেয়েও অধম
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত বাক্য সমূহের মধ্যে সরল বাক্য হলো চরিত্রহীন লোক পশুর চেয়েও অধম।
অন্যদিকে ‘যে অন্ধ তাকে আলো দাও’ এবং ‘যে রক্ষক সেই ভক্ষক’ হলো মিশ্র বা জটিল বাক্য। ‘পড়াশোনা কর নতুবা ভবিষ্যৎ অন্ধকার’ এটি যৌগিক বাক্য।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
২০.
'কৃষ্ণের জীব' বাগধারার অর্থ-
  1. ক) অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত
  2. খ) দুর্বল ও অসহায় প্রাণী
  3. গ) আরামপ্রিয় ও সুখী লোক
  4. ঘ) গুরুগম্ভীর
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্বল ও অসহায় প্রাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্বল ও অসহায় প্রাণী
ব্যাখ্যা
'কৃষ্ণের জীব' বাগধারার অর্থ দুর্বল ও অসহায় প্রাণী। অন্যদিকে উপোসি ছাড়পোকা অর্থ অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত, সুখের পায়রা অর্থ আরামপ্রিয় ও সুখীলোক এবং রাশভারী অর্থ গুরুগম্ভীর।
(সূত্রঃ বাগধারা বাগবিধি : মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান)
২১.
কোনটির অর্থ 'পাগলামি'?
  1. ক) তুরকি নাচন
  2. খ) ঘু ঘু চড়ানো
  3. গ) উনপঞ্চাশ বায়ু
  4. ঘ) এলেবেলে
সঠিক উত্তর:
গ) উনপঞ্চাশ বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উনপঞ্চাশ বায়ু
ব্যাখ্যা
উনপঞ্চাশ বায়ু অর্থ পাগলামি। তুরকি নাচন অর্থ নাজেহাল অবস্থা। ঘু ঘু চড়ানো অর্থ সর্বনাশ সাধন। এলেবেলে অর্থ বাজে বা নিকৃষ্ট।
(সূত্রঃ বাগধারা বাগবিধি : মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান)
২২.
নিচের কোন বাগধারাটি ভিন্নার্থক?
  1. ক) কুরুক্ষেত্র কাণ্ড
  2. খ) খণ্ড প্রলয়
  3. গ) নবমী দশা
  4. ঘ) ধুন্ধুমার
সঠিক উত্তর:
গ) নবমী দশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নবমী দশা
ব্যাখ্যা
কুরুক্ষেত্র, খণ্ড প্রলয় এবং ধুন্ধুমার অর্থ তুমুল কাণ্ড। অন্যদিকে নবমী দশা অর্থ মূর্ছা।
(সূত্রঃ বাগধারা বাগবিধি : মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান)
২৩.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. পরকে পালন করে যে - পরভৃৎ
  2. সকলের জন্যে প্রযোজ্য - সর্বজনীন
  3. মাসের শেষ দিন - সংক্রান্তি
  4. ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ঐতিহাসিক
সঠিক উত্তর:
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ঐতিহাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা

ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা।
অন্যদিকে ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক।
ঐতিহাসিক কালেরও আগের - প্রাগৈতিহাসিক।

সূত্রঃ বাংলা একডেমি অভিধান।

২৪.
‘অস্পষ্টতা’ অর্থে ব্যবহৃত উপসর্গ কোনটি?
  1. ক) আবডাল
  2. খ) আড়চোখে
  3. গ) অনামুখো
  4. ঘ) সাজোয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) আবডাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবডাল
ব্যাখ্যা
আবডাল শব্দে ‘আব’ বাংলা উপসর্গটি অস্পষ্টতা অর্থ প্রকারশ করছে। এরূপ- আবছায়া।
আড়চোখে শব্দে ‘আড়’ বাংলা উপসর্গ বক্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অনামুখো শব্দে ‘অনা’ বাংলা উপসর্গ অশুভ অর্থে এবং সাজোয়ান শব্দে ‘সা’ বাংলা উপসর্গ উৎকৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৫.
সংস্কৃত উপসর্গ কোনগুলো?
  1. ক) আব, ইতি, পাতি
  2. খ) আড়, কদ, রাম
  3. গ) প্র, পরা, অপ
  4. ঘ) অঘা, অজ, অনা
সঠিক উত্তর:
গ) প্র, পরা, অপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্র, পরা, অপ
ব্যাখ্যা
প্র, পরা, অপ হলো সংস্কৃত উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি। এগুলো হলোঃ আ, অপ, অব, অতি, অধি, অপি, অনু, উপ, উৎ, নি, নির, প্র, পরা, সম, দুর, বি, সু, পরি এবং প্রতি।
বাংলা উপসর্গ হলো ২১টি৷ যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু এবং হা।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৬.
কোনটি মিশ্র বাক্য?
  1. ক) ধনধান্য পুস্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা
  2. খ) সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়েছি
  3. গ) বিপদ এবং দুঃখ এক সময়ে আসে
  4. ঘ) তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি
সঠিক উত্তর:
ক) ধনধান্য পুস্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনধান্য পুস্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা
ব্যাখ্যা
‘ধনধান্য পুস্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা' এটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের উদাহরণ। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয় তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমনঃ যে পরিশ্রম করে, সে ই সুখ লাভ করে।
‘তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি’ এটি সরলবাক্য। 'সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়েছি' এবং ‘বিপদ এবং দুঃখ এক সময়ে আসে’ বাক্যদুটি যৌগিক বাক্য।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৭.
খাটি বাংলা উপসর্গ কতটি?
  1. ক) বিশটি
  2. খ) একুশটি
  3. গ) বাইশটি
  4. ঘ) চব্বিশটি
সঠিক উত্তর:
খ) একুশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একুশটি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গসমূহ তিনভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো: খাটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
এর মধ্যে খাটি বাংলা উপসর্গ হলো একুশটি। এগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু এবং হা।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৮.
ক্ষুদ্র অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে কোনটিতে?
  1. ক) উপশহর
  2. খ) উপকূল
  3. গ) উপগ্রহ
  4. ঘ) উপবন
সঠিক উত্তর:
গ) উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ ব্যবহারের দৃষ্টান্ত হলো: উপগ্রহ, উপনেতা, উপদল, উপসাগর ইত্যাদি। অন্যদিকে উপশহর ও উপবন শব্দে সদৃশ অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। সমীপ্যে অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ ব্যবহার হলো উপকূল, উপকণ্ঠ ইত্যাদি।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
২৯.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ক) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
  2. খ) তুমি নির্দোষ নও
  3. গ) একটা গোপনীয় কথা বলি
  4. ঘ) তিনি সত্য সাক্ষ্য দিলেন
সঠিক উত্তর:
ক) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
ব্যাখ্যা
'সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে' বাক্যটি ভুল। এখানে পান্তা শব্দের সাথে ভাত শব্দটি বাহুল্য। এর শুদ্ধরূপ হবে- সকালে পান্তা খাওয়া যেতে পারে।
(সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩০.
নিচের কোন শব্দে উত্তম অর্থে ‘সু’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সুগম
  2. খ) সুলভ
  3. গ) সুনিপুণ
  4. ঘ) সুকণ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুকণ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুকণ্ঠ
ব্যাখ্যা
উত্তম অর্থে ‘সু’ উপসর্গের ব্যবহার হলো: সুকণ্ঠ, সুকৌশল, সুশীল, সুনীল, সুবাস, সুপ্রিয় ইত্যাদি। সুগম ও সুলভ শব্দে সহজ অর্থে ‘সু’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। সুনিপুণ শব্দে আধিক্য অর্থে ‘সু’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
৩১.
নিচের কোনটি বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ নয়?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) যোগ্যতা
  3. গ) আসক্তি
  4. ঘ) আসত্তি
সঠিক উত্তর:
গ) আসক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আসক্তি
ব্যাখ্যা
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি। এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা। বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি। বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩২.
'সবেধন নীলমণি' বাগধারার অর্থ কী?
  1. ক) দুর্লভ বস্তু
  2. খ) একমাত্র সম্পদ
  3. গ) তোষামুদকারী
  4. ঘ) অপদার্থ লোক
সঠিক উত্তর:
খ) একমাত্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একমাত্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
'সবেধন নীলমণি' অর্থ একমাত্র সম্পদ। অন্যদিকে আকাশের চাঁদ বাগধারার অর্থ দুর্লভ বস্তু। ধামাধরা অর্থ তোষামুদকারী। ষাঁড়ের গোবর অর্থ অপদার্থ লোক।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩৩.
নিচের কোনটি মিশ্রবাক্য?
  1. ক) যদিও লোকটি ধনী তথাপি সে কৃপণ
  2. খ) সে কাল আসবে তারপর আমি যাবো
  3. গ) এখনই যাও নচেৎ তার দেখা পাবে না
  4. ঘ) সে পরিশ্রমী হলেও নির্বোধ
সঠিক উত্তর:
ক) যদিও লোকটি ধনী তথাপি সে কৃপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যদিও লোকটি ধনী তথাপি সে কৃপণ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত বাক্য সমূহের মধ্যে মিশ্র বা জটিল বাক্য হলো ‘যদিও লোকটি ধনী তথাপি সে কৃপণ’।
অন্যদিকে ‘সে কাল আসবে তারপর আমি যাবো’ এবং ‘এখনই যাও নচেৎ তার দেখা পাবে না’ বাক্যদুটি যৌগিক বাক্য। সে পরিশ্রমী হলেও নির্বোধ- সরল বাক্য।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
৩৪.
‘মানুষ মরণশীল’ বাক্যটির যথার্থ নেতিবাচক রূপ কোনটি?
  1. ক) মানুষ মরণশীল নয়
  2. খ) মানুষ অমর নয়
  3. গ) মানুষ না মরে পারে না
  4. ঘ) মানুষ অমর
সঠিক উত্তর:
খ) মানুষ অমর নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানুষ অমর নয়
ব্যাখ্যা
মানুষ মরণশীল বাক্যটির যথার্থ নেতিবাচক রূপ হলো মানুষ অমর নয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
৩৫.
‘প্রকাশ’ শব্দে প্র উপসর্গ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) আধিক্য
  2. খ) গতি
  3. গ) প্রকৃষ্ট
  4. ঘ) খ্যাতি
সঠিক উত্তর:
খ) গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গতি
ব্যাখ্যা
‘প্রকাশ’ শব্দে প্র উপসর্গ গতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
এরূপ: প্রবেশ, প্রদান ইত্যাদি।  

আধিক্য অর্থে প্র উপসর্গের ব্যবহার হলো: প্রগাঢ়। গতি অর্থে প্রবেশ, প্রস্থান, প্রচার ও প্রবাহ। খ্যাতি অর্থে প্রশংসা, প্রসিদ্ধ ইত্যাদি।

(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : ড. হায়াৎ মাহমুদ)
৩৬.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. ক) আমার আর বাঁচিবার সাধ নাই
  2. খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
  3. গ) দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
  4. ঘ) এ কথা প্রমাণ হয়েছে
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
ব্যাখ্যা
'কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে' এটি শুদ্ধ বাক্য। বাকিগুলো অশুদ্ধ। 'আমার আর বাঁচিবার সাধ নাই' -এর শুদ্ধরূপ হলো আমার আর বাঁচার সাধ নাই। 'দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়' -এর শুদ্ধরূপ হলো 'দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়'। 'এ কথা প্রমাণ হয়েছে' -এর শুদ্ধ রূপ হলো 'এ কথা প্রমাণিত হয়েছে'।
(সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)