পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
Exam - 87 GK: Topic: Resources of Bangladesh, Economic Issues of Bangladesh.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
When was the first gas field discovered in Bangladesh?
  1. 1952
  2. 1955
  3. 1957
  4. 1986
ব্যাখ্যা
১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে গ্যাস আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
 
গ্যাসক্ষেত্র:
→ বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
→ প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
→ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
→ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
→ দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
→ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
→ সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।
 
◉ এছাড়াও, 
→ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
→ ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
→ বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
.
In which year will Bangladesh exit from the LDC category?
  1. 2025
  2. 2026
  3. 2029
  4. 2030
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে ২০২৬ সালে বের হয়ে যাবে।

→ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসিতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
→ ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে।
→ জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (সিডিপি) এই সুপারিশ করেছে। 
→ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
→ সিডিপি একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রস্তুতিকালীন সময় প্রদানের সুপারিশ করে।

◉ এলডিসি:
- বর্তমানে এলডিসিভুক্ত দেশের সংখ্যা ৪৫টি।
- এলডিসির তালিকা থেকে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ, নেপাল, অ্যাঙ্গোলা, সলোমোন দ্বীপপুঞ্জ এবং সাও টোমির উত্তরণ ঘটবে।
- তবে এলডিসি থেকে বের হয়ে যাওয়ার তিন বছর পর বাণিজ্য অগ্রাধিকার এবং সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে এ দেশগুলোকে।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয় - ভুটান।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) তালিকা থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ বের হয় দেশটি। 

এছাড়াও, 
→ বর্তমান নিয়মে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাজারে ২০২৬ সালের পর আরও ৩ বছর অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধা ভোগ করতে পারবে বাংলাদেশ। 
 
সূত্র: UN ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
Beginning from which financial year does the maternity allowance program start?
  1. 2004-2005
  2. 2005-2006
  3. 2006-2007
  4. 2007-2008
ব্যাখ্যা
২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে বাংলাদেশে মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।

 মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচি: 
২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
→ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির তথ্যমহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর অপর গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিটি পুষ্টি সমৃদ্ধ আগামী প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে গ্রামীন এলাকার সাত লক্ষ সত্তর হাজার দরিদ্র গর্ভবতী মায়েদের জন্য ভাতা প্রদান করছে।
→ মাতৃগর্ভ অর্থাৎ শূন্য থেকে ৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টির চাহিদা, মনো-সামাজিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়ে এই ভাতা প্রদান কর্মসূচির রুপরেখা প্রনয়ন করা হয়েছে।
→ কর্মসূচিটি মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত মানবসম্পদ তৈরিতে অবদানের উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
 
সূত্র: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
Which of the following individuals is the current Finance Secretary of the country?
  1. Muzaffar Ahmad Chowdhury
  2. Fatima Yasmin
  3. Khairuzzaman Mozumder
  4. Kazi Ghulam Mahbub
ব্যাখ্যা
খায়েরুজ্জামান মজুমদার হচ্ছেন দেশের বর্তমান অর্থসচিব।

অর্থসচিব:
→ অর্থ বিভাগের সচিবের পদটিকে অর্থসচিব বলা হয়ে থাকে।
→ দেশের বর্তমান অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার
→ খায়েরুজ্জামান মজুমদার অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
→ খায়েরুজ্জামান আগে অর্থ বিভাগের সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
→ ১১তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ১৯৯৩ সালে কর্মজীবন শুরু করেন।
→ পরে তিনি বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) কর্মকর্তা হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
 
◉ উল্লেখ্য,
- ফাতিমা ইয়াসমিন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। 
- তিনিই প্রথম কোনো বাংলাদেশি, যিনি এই পদে নিয়োগ পেলেন।
 
উৎস: প্রথম আলো ও অর্থ মন্ত্রণালয়।
.
Who was the first Governor of Bangladesh Bank?
  1. Khorshed Alam
  2. AKN Ahmed
  3. A. N. M. Hamidullah
  4. Atiur Rahman
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)। 
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
Who is the designer of the first money of Bangladesh?
  1. Farooq Abdullah
  2. Zainul Abedin
  3. Quamrul Hassan
  4. K G Mustafa
ব্যাখ্যা
কে জি মুস্তফা বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার শিল্পী।

বাংলাদেশের প্রথম টাকার ও মুদ্রার নকশাকার:
→ বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার শিল্পী কে জি মুস্তফা
→ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্মারকের নকশাকারও তিনি।
→ ১৯৭২ সালে ১০ পয়সার ধাতব মুদ্রা তিনি নকশা করলেন।
→ সেটির এক পাশে রাখলেন পানের ছবি যে পান ‘বাঙাল’দের প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
→ জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পরামর্শে মুস্​তাফা হাত দিলেন ১ টাকার নোট নকশায়। 
→ কাগজের টাকার পর ১, ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রারও নকশা করলেন মুস্​তাফা।
 
উল্লেখ্য,
→ ৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে ভোর ৩টার দিকে রাজধানীর হলি ফ‍্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেন। 
 
উৎস: ৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
Among the options, which sector holds the highest contribution to Bangladesh's GDP?
  1. Household
  2. Agriculture
  3. Service
  4. Industry
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। 

 সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে -
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং
- ছোট খাত – কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং
- ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।  
 
◉ জিডিপিতে অবদান:
- সেবাখাতের অবদান - ৫১.২৪%।
- শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.৫৬%।
- কৃষিখাতের অবদান - ১১.২০%।
 
সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
Under which ministry does the Trading Corporation of Bangladesh operate?
  1. Ministry of Industry
  2. Ministry of Planning
  3. Ministry of Finance
  4. Ministry of Commerce
ব্যাখ্যা
◉ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) ⎯ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Commerce) আওতাভুক্ত একটি সংস্থা।
 
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB):
→ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৬৮/১৯৭২ এর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের ০১ জানুয়ারি ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতিষ্ঠা করেন।
→ প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি। টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
→ বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।
 
◉ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
বর্তমানে (এপ্রিল, ২০২৪) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা ⎯
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।
 
উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
.
In which location was the first gas field discovered in Bangladesh?
  1. Suhilpur
  2. Chhatak
  3. Haripur
  4. Fenchuganj
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে।

◉ গ্যাসক্ষেত্র:
→ বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
→ প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে
→ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
→ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
→ দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
→ সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 
 
◉ উল্লেখ্য, 
→ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
→ ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
→ বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১০.
In which sector does the Bangladesh government generate the highest revenue?
  1. Remittance
  2. Value Added Tax
  3. Import-Export Duties
  4. Supplementary duty
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax) থেকে।
 
 সরকারের রাজস্বের উৎস:
→ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
→ এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
→ কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
→ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
→ এই খাত থেকে আসে ১,৬৩,৮৩৭ টাকা।
 
সূত্র: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১১.
Which of the following is the full form of E-TIN?
  1. Electronic Taxpayer's Institutional Number
  2. EFiling Taxpayer's Individual Number
  3. Electronic Taxpayer's Individual Number
  4. Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা
E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।
 
সূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১২.
Which is the first offshore gas field in Bangladesh?
  1. Bakhrabad
  2. Magurchhara
  3. Sangu
  4. Semutang
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
→ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয় এবং
→ কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
 
গ্যাসক্ষেত্র:
→ প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
→ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
→ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
→ বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
→ দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
→ সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৩.
How many government EPZs are currently in Bangladesh?
  1. 6
  2. 7
  3. 8
  4. 10
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড ৮টি রয়েছে। 

 ইপিজেড:
→ বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
→ বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
→ ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।

◉ এছাড়াও, 
→ বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
→ বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
→ মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
→ আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
→ কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

বিঃদ্রঃ বাজারের অনেক গাইড বইয়ে বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ১০টি দেওয়া আছে যা প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়। বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি। 
 
উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১৪.
Which is the first oil field of Bangladesh?
  1. Haripur
  2. Zakiganj
  3. Bakhrabad
  4. Titas
ব্যাখ্যা
১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
 
হরিপুর তেলক্ষেত্র: 
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
→ ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
→ হরিপুর তেলক্ষেত্রের তেল গাঢ় বাদামী রঙের প্যারাফিনিক শ্রেণির মোমযুক্ত তেল।
→ হরিপুর তেলের ঘনত্ব মধ্যম মাত্রার এবং এর (API Gravity) এপিআই গ্রাভিটি মান ২৮.২০।
→ মহাদেশীয় ভূ-খন্ডের উদ্ভিদ জাতীয় জৈবিক পদার্থ হতে এর সৃষ্টি।
→ হরিপুর তেলক্ষেত্রে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ ধরা হয়েছিল প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
→ এ হিসেবে হরিপুর তেলক্ষেত্র ছোট তেলক্ষেত্র।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
Where is the Kailashtila gas field located?
  1. Chattogram
  2. Sylhet
  3. Rajshahi
  4. Dhaka
ব্যাখ্যা
কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র সিলেট বিভাগে অবস্থিত একটি গ্যাসক্ষেত্র।
 
  কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র: 
→ কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র সিলেট বিভাগে অবস্থিত। 
→ সবোর্চ্চ মজুদের দিক থেকে বাংলাদেশে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র।
→ এখানে আছে দুই হাজার ৮৮০ বিসিএফ। 
→ ১৯৬২ সালে কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়।
→ এটি থেকে ১৯৮৩ সালে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।
→ এই গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
→ এই গ্যাসক্ষেত্রটি বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
 
◉ এছাড়াও, 
→ বর্তমানে এ গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে ৭টি কূপ রয়েছে।
→ ২০১২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রে তেলের মজুদের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।
→ ২০১২ সালে, বাপেক্স একটি ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করে, যার মাধ্যমে বাপেক্স কৈলাশটিলা এবং হরিপুরে প্রায় ১৩৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুদ খুঁজে পায়; যার মধ্যে কৈলাশিলায় ১০৯ মিলিয়ন ব্যারেল এবং হরিপুরে অবশিষ্ট ২৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পাওয়া যায়।
 
সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর পত্রিকা।