পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: বঙ্গভঙ্গ থেকে দেশভাগ বঙ্গভঙ্গ পরবর্তী রাজনীতি ও অন্যান্য, বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ (ফসল, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি [Live Class - 8 & 9 ক্লাস মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি] এছাড়াও [Live Class - 4 ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
রাজা পঞ্চম জর্জ কোথায় বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন?
  1. দিল্লিতে
  2. লন্ডনে
  3. ঢাকায়
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- এই প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ধারা অনুযায়ী প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৩৬ সালে
  3. ১৯৩৭ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রদত্ত স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বেই ছিল বাস্তবে ছিল না।
- ভারত সচিব, গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের সীমাহীন ক্ষমতার কারণে এ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন 'আড়ম্বরপূর্ণ প্রহসনে' পরিণত হয়।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেবলমাত্র প্রাদেশিক অংশটুকুকে কার্যকর করা হয় ১৯৩৭ সালে।
- এ আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক আইন পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সর্বভারতীয় দুটো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও মুসলীম লীগ সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করে।
- নির্বাচনে যে এগারোটি প্রদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাতে কংগ্রেস ছয়টি প্রদেশে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- মুসলীম লীগ চারটি প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের ইঙ্গিত প্রদান করে।
- কিন্তু একক ভাবে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠন করলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে কংগ্রের মন্ত্রীরা একে একে পদত্যাগ করে।
- অবসান ঘটে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কার্যকারিতা।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. BJRI
  2. BRRI
  3. BARI
  4. BSRI
ব্যাখ্যা
BSRI:
- বাংলাদেশে চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান BSRI.
- BSRI হলো Bangladesh Sugarcrop Research Institute বা বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশের সুগারক্রপ (চিনি উৎপাদনকারী ফসল) যেমন আখ, খেজুর, পাটালি ইত্যাদি ফসলের গবেষণা, উন্নয়ন, এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।
- ১৯৫১ সালে (প্রথমে Sugarcane Research Station বা ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র নামে) প্রতিষ্ঠিত।
- মূল কার্যালয়: ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ।

এছাড়া,
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- BJRI হলো Bangladesh Jute Research Institute বা বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎস: বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
.
কত সালে স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে জোরদার করার জন্য লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করা হয়?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৯১৪ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
লক্ষ্ণৌ চুক্তি: 
- ১৯০৬ সালে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯১৪ সালে প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের সঙ্গে পরামর্শ না করেই ভারতকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করে।
- এর প্রতিবাদে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতারা একাত্মতা বোধ করেন এবং ১৯১৬ সালে স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে জোরদার করার জন্য লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করেন।
- অ্যানি বেসান্ত এবং বি. জি তিলক পরিচালিত হোম রুল লীগের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং লক্ষ্ণৌ চুক্তির ফলে ব্রিটিশ সরকার ১৯১৭ সালে ভারতে ক্রমান্বয়ে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তনের অঙ্গীকার করে।
- কিন্তু ১৯১৯ সালে অমৃতসর শহরের জালিয়ানওয়ালা বাগে শত শত লোককে গুলি করে হত্যার ফলে হঠাৎ করেই রাজনীতি কঠিন সংকটের দিকে মোড় নেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কবে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- এই প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।
- ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BJRI
  4. BSRI
ব্যাখ্যা
BARI:
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মহাপরিচালক ৪(চার)টি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ উইং, প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এবং পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং এর ৪(চার) জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ৬৫২টি উচ্চ ফলনশীল জাত এবং ৬৪০টি ফসল উৎপাদনের প্রযুক্তিসহ মোট ১২৯২ টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে (সেপ্টেম্বর ২০২৩)।
- এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল ইত্যাদির ১০০০০ এর অধিক কৌলি সম্পদ (জার্মপ্লাজম) জিন ব্যাংকের মাধ্যমে সংরক্ষণ করছে।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
.
কখন ব্রিটিশ মন্ত্রী মিশন ভারতে আসে?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৩ সালে
  4. ১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী মিশন: 
- ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মিশন এ দেশে প্রেরণ করা হয়, যা মন্ত্রী মিশন নামে পরিচিত।
- ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিনজন প্রভাবশালী মন্ত্রি যথা, ভারত সচিব লর্ড লরেন্স, বাণিজ্য বোর্ডের সভাপতি স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রীপস এবং নৌ-বিভাগের প্রথম লর্ড এ.ভি. আলেকজান্ডারকে নিয়ে গঠিত একটি মিশন ভারতে প্রেরণ করা হয়।
- অনেক আলাপ-আলোচনা শেষে ১৯৪৬ সালের ১৬ মে মিশন একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করে।
- এটি 'মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা' নামে অভিহিত।
- এর প্রস্তাবগুলো দু'ভাগে বিভক্ত ছিল যথা, স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী।
- প্রথমটির অংশ হিসেবে কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও অন্যদের নিয়ে কেন্দ্রে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কথা বলা হয়।
- দ্বিতীয় ভাগে ভারত বিভক্তির পরিবর্তে খুবই শিথিল একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ঐক্যবদ্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়।
- সে মতে পরিকল্পনাটি অনেক ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অর্পণ করে ভারতের প্রদেশগুলোকে "A", "B" I "C" এই তিনটি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়।
- মুসলিম লীগ ও এর নেতা জিন্নাহ মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করেন।
- কিন্তু কংগ্রেস ও এর সভাপতি পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু এটি পুরোপুরি গ্রহণে অসম্মতি জানান।
- ফলে মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষি কল সেন্টার এর শর্ট কোড নম্বর কত?
  1. ১৬১১২
  2. ১৬১২২
  3. ১৬১২৩
  4. ১৬১২৪
ব্যাখ্যা
কৃষি কল সেন্টার:
- কৃষক এবং কৃষি সম্পর্কিত সকলের মাঝে কৃষিভিত্তিক সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সেবা এবং তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সনের জুন মাসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালনায় দেশের প্রথম সরকারি কল সেন্টার হিসেবে 'কৃষি কল সেন্টার' এর পরীক্ষামূলক যাত্রা সূচিত হয়।
- কৃষি কল সেন্টারটি খামারবাড়ি, ঢাকাতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সদর দপ্তরে স্থাপিত।
- জুন ২০১৪ হতে ৫ ডিজিটের একটি শর্ট কোডের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেন্টারটির কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু করা হয়েছে।
- কৃষি কল সেন্টারের শর্ট কোড নম্বর ১৬১২৩ ।
- কোন কৃষক যে কোন অপারেটরের মোবাইল ফোন দ বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে পারেন।
- সকাল ৯ ঘটিকা হতে বিকেল ৫ ঘটিকার পর্যন্ত কৃষি কল করা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অপর নাম কী?
  1. মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  2. মন্টেগু- চেমসফোর্ড সংস্কার আইন
  3. ভারত স্বাধীনতা আইন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন:
- ভারত সচিব পদে মন্টেগু ১৯১৭ সালের ১২ জুলাই অভিষিক্ত হন।
- তিনি ভারতীয়দের দাবি দাওয়া ও আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি বেশ সহানুভূতিশীল ছিলেন।
- ভারতের তদানীন্তন গভর্নর জেনারেল লর্ড চেমস্কর্ড প্রথম দিকে মন্টেণ্ডর ভূমিকার প্রতি উদাসীনতা দেখালেও পরবর্তী পর্যায়ে তার মত পাল্টান।
- ১৯১৮ সালের ২১ এপ্রিলে মন্টেগু এবং চেমসফর্ড এক যৌথ প্রতিবেদনে স্বাক্ষর দান করেন যার ভিত্তিতে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন রচিত হয়।
- মন্টেগু ও চেমসফোর্ডের নামানুসারে এ আইনের নামকরণ করা হয় 'মন্টেগু চেমসফোর্ড সংস্কার আইন।'
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা করা হয়।
- পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের দ্বারা ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশগুলোতে এক কক্ষ বিশিষ্টি আইন সভার ব্যবস্থা করা হয়।
- ভারতবর্ষের প্রদেশগুলোতে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- এ আইনের মাধ্যমে ভারত সচিবের ক্ষমতা হ্রাস করা হয়।
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
মুসলিম লীগ কোথায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ঢাকায়
  2. করাচিতে
  3. লাহোরে
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ: 
- মুসলিম লীগ ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- শুরুতে আগা খান এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কর্তৃক পরিচালিত এ দলটি মুসলিম জাতীয়তাবাদের পক্ষে জনসমর্থন তৈরিতে অবদান রাখে। 
- অবশেষে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে।
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- বঙ্গভঙ্গের গোঁড়াসমর্থক ঢাকার নওয়াব  খাজা সলিমুল্লাহ কংগ্রেস সমর্থকদের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ মোকাবিলা করার জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি এ সভায় একটি রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের প্রস্তাব করেন।
- সভার সভাপতি নওয়াব ভিকার-উল-মুলক প্রস্তাবটি সমর্থন করেন এবং এভাবে সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. আকবর
  2. সৌরভ
  3. গৌরব
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
গমের জাত:
- কাঞ্চন
- আকবর
- অঘ্রাণী
- প্রতিভা
- সৌরভ (বারি গম-১৯)
- গৌরব (বারি গম-২০)

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
১২.
১৯২০ সালে কার নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়?
  1. সুভাষচন্দ্র বসু
  2. শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
  3. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
  4. সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন: 
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন ছিল ভারতের এক শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রত্যক্ষ সংগ্রামের নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেয়, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকান্ড ও পাঞ্জাবে সামরিক আইন যুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটিশদের প্রদত্ত উদার অঙ্গীকারকে মিথ্যা বলে প্রতিপন্ন করে।
- ক্ষতিকর বলে বিবেচিত দ্বৈত-শাসনের কর্ম-পরিকল্পনাসহ মন্টেগু চেমসফোর্ড রিপোর্ট খুব অল্পসংখ্যক লোককেই সন্তুষ্ট করতে পেরেছিল।
- এতদিন পর্যন্ত সরকারের ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষ বিচারে আস্থাশীল গান্ধী এখন উপলব্ধি করলেন যে, বাধ্য হয়েই সরকারের সঙ্গে অসহযোগ আরম্ভ করতে হবে।
- একই সময় মিত্র শক্তিবর্গ ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেভার্স চুক্তির কঠোর শর্তাবলি ভারতীয় মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করে তোলে।
- মুসলমানগণ খিলাফত আন্দোলন শুরু করে এবং গান্ধী নিজেকে তাদের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যরূপে একাত্ম করার সিদ্ধান্ত নেন।
- ‘গান্ধীর উঁচুস্তরের রাজনৈতিক কৌশল’ ভারতে অসহযোগ আন্দোলনে মুসলমানদের সমর্থন লাভ নিশ্চিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।