পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭৭ ফুল মডেল টেস্ট - ৭
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
কোন বানানটি সঠিক?
  1. জিপিষা
  2. জীপীষা
  3. জিগীষা
  4. জীগিষা
সঠিক উত্তর:
জিগীষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিগীষা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'জিগীষা'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √জি + সন্‌ + অ + আ।
অর্থ:
- জয়লাভ করার ইচ্ছা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি ফারসি ভাষার শব্দ?
  1. রিকশা
  2. চাহিদা 
  3. দারোগা
  4. খদ্দর
সঠিক উত্তর:
দারোগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারোগা
ব্যাখ্যা
• 'দারোগা'
- এটি ফারসি ভাষা হতে আগত শব্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মচারী,
- পুলিশের উপপরিদর্শক।

অন্যদিকে,
- 'রিকশা' জাপানি ভাষার শব্দ।
- 'চাহিদা' বাংলা শব্দ।
- 'খদ্দর' দেশি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন বর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান অগ্র দন্তমূল?
  1. ন, ল, স
  2. ম, ব, প
  3. য, র, ঢ়
  4. শ, য, ঝ
সঠিক উত্তর:
ন, ল, স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন, ল, স
ব্যাখ্যা
ন, ল, স - বর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান অগ্র দন্তমূল।

নিম্নে উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির বিভাজন দেখানো হলো:
উচ্চারণ স্থান:
জিহ্বামূল = ক খ গ ঘ ঙ। 
অগ্রতালু = ট ঠ ড ঢ ণ ষ র ড় ঢ়।
অগ্র দন্তমূল = ত থ দ ধ ন ল স। 
ওষ্ঠ=  প ফ ব ভ ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯।
.
কোনটি 'সমর' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. সংঘাত
  2. মহিষী
  3. নিশা
  4. সম্রাট
সঠিক উত্তর:
সংঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংঘাত
ব্যাখ্যা
• 'সমর' শব্দের সমার্থক শব্দ - সংঘাত

'যুদ্ধ' শব্দের সমার্থক শব্দ:

- লড়াই, সংঘর্ষ, সংগ্রাম, সমর, যুদ্ধবিগ্রহ, রণ, সংঘাত।

অন্যদিকে:
'রাজা' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নৃপতি, নৃপ, সম্রাট, বাদশাহ্, নৃপেন্দ্র, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল।

'রানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- মহিষী, সম্রাজ্ঞী, বেগম, রাজ্ঞী, রাজপত্নী।

'রাত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রাত্রি, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ ও ২০২১ সংস্করণ)।
.
উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. চন্দ্রমুখ
  2. কুসুমকোমল
  3. পদ্মআঁখি
  4. বিষাদসিন্ধু
সঠিক উত্তর:
কুসুমকোমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুসুমকোমল
ব্যাখ্যা
উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে,
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত,
- কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল

অন্যদিকে,
উপমিত কর্মধারয়:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম;
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি;
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ;
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।

রূপক কর্মধারয় সমাস:
- কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘গাজী মিয়াঁ’ কার ছদ্মনাম?
  1. জসীমউদ্‌দীন
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. কায়কোবাদ
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে মশাররফ হোসেন তাঁর কর্মজীবন নির্ভর আত্মজীবনী মূলক রচনা 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী'।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।

তাঁর সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দকে কী শব্দ বলে?
  1. দেশি শব্দ
  2. বিদেশি শব্দ
  3. তৎসম শব্দ
  4. বাংলা শব্দ
সঠিক উত্তর:
দেশি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি শব্দ
ব্যাখ্যা
দেশি শব্দ:
- বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দকে - দেশি শব্দ বলা হয়।

- বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের সংস্কৃতির কিছু কিছু শব্দ আর্যদের প্রভাবে পরিবর্তিত না হয়ে অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় রক্ষিত আছে, এসব শব্দকে বলা হয় দেশি শব্দ।
- প্রাচীনকালে এদেশের অধিবাসী ছিলেন অনার্য, দ্রাবিড়, কোল প্রভৃতি জাতি।
- তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় রক্ষিত হয়েছে। এগুলোকে দেশী শব্দ বলা হয়।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ণয় করা যায় না।
- দেশী শব্দের উদাহরণ-
পেট, ডাব, গজ, টোপ, ডিঙ্গা, চাউল ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ কোনটি?
  1. মিঠে কড়া
  2. হরতাল
  3. গীতিগুচ্ছ
  4. আকাল
সঠিক উত্তর:
আকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাল
ব্যাখ্যা
আকাল:
- ‘আকাল' (১৯৪৩) একটি সংকলন।
- পঞ্চাশের মন্বন্তর এই সংকলনের কবিতাগুলির মূল প্রেরণা।
- বিভিন্ন পত্রিকা থেকে সংকলন ও সম্পাদনা করে এই কবিতাগুচ্ছের একটি মূল্যবান ভূমিকা লিখেছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য।
- ১৯৬৬ সালে সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাসহ এর নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
- এটি ছিল সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ।

সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্তের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।
- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।
- তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বিশেষ নিয়মে সাধিত বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক্ষুন্নিবৃত্তি
  2. বৃহস্পতি
  3. ভাস্কর
  4. বনস্পতি
সঠিক উত্তর:
ভাস্কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কর
ব্যাখ্যা
বিসর্গ সন্ধি:
সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত র্ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘোষ উষ্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়।
- র্ ও স্ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি, ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত।
- বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

• কয়েকটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ:
- বাচঃ + পতি = বাচস্পতি,
- ভাঃ + কর = ভাস্কর,
- অহঃ + অহ = অহরহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি = বনস্পতি (বন্‌ + পতি), বৃহস্পতি (বৃহৎ + পতি)।
- সাধারণ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি = ক্ষুন্নিবৃত্তি (ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
‘বেদেয় চেনে সাপের হাঁচি।’ - বাক্যে ‘বেদে’ কোন কারক?
  1. অপাদান কারক
  2. করণ কারক
  3. কর্তা কারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারক
ব্যাখ্যা
কর্তা বা কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন:
- হামিদ বই পড়ে।

কর্তায় ‘এ’ বিভক্তির প্রয়োগ:
- লোকে তো কত কথাই বলে।
- পাগলে কী না বলে।

স্বারন্ত শব্দের পর ‘এ’ ‘য়’-তে রূপান্তরিত হয়।
যেমন:
- বেদেয় চেনে সাপের হাঁচি।
- মায়ে বলে, ব্যাটায় শোনে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, জ্যোতিভূষণ চাকী।
১১.
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
সর্বনামের পুরুষ:
- বাংলা ব্যাকরণে কেবলমাত্র বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদেরই পুরুষ আছে।
- বিশেষণ ও অব্যয়ের কোন পুরুষ নাই।
- বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ ৩ প্রকার।

যথা-
• উত্তম পুরুষ: আমি, আমরা, আমাদের ইত্যাদি
• মধ্যম পুরুষ: তুমি, তোমরা, তোমাকে, তোমাদের, আপনি, আপনারা ইত্যাদি মধ্যম পুরুষ।
• নাম পুরুষ: সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁরা ইত্যাদি নাম পুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
Despite the clear evidence presented, she remained ______ the problems within the organization.
  1. blind of
  2. blind to
  3. blind about
  4. blind by
সঠিক উত্তর:
blind to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
blind to
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - blind to.
- Complete sentence: Despite the clear evidence presented, she remained blind to the problems within the organization.
-  যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্য দ্বারা দোষ ত্রুটি না দেখা বোঝাচ্ছে, তাই blind to এর ব্যবহার সঠিক।

• Blind (to) বুঝতে বা বিচার করতে অসমর্থ, অদূরদর্শী।
- Parents are often blind to the faults of their children.
- He is blind to the consequences of his actions.
- Mr. Sikder is blind to his son’s fault.

• অন্যদিকে,
• Blind (in/ of)
English Meaning: Unable to see.
Bangla Meaning: অন্ধ; দৃষ্টিশক্তিহীন।
Example: The man is blind of/in one eye.

• সাধারণত চোখে না দেখার ক্ষেত্রে Blind এর সাথে preposition হিসেবে in/of দুটোর ব্যবহারই শুদ্ধ।
- তবে, In এর ব্যবহার অধিক প্রচলিত।
- কারণ, Blind in" is the standard prepositional usage when referring to the specific eye or part of the body affected by blindness or lack of vision.

• তবে, in poetic or older English অনুযায়ী, blind of এর ব্যবহারকেও শুদ্ধ হিসেবে ধরা হয়, যদিও it is not common or standard in modern usage.
• সেক্ষেত্রে, অপশনে in/of দুটোই থাকলে অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে in এবং in  না থাকলে of কে উত্তর হিসেবে নেয়া যাবে।
১৩.
The word 'Epitome' refers to -
  1. A perfect example of something
  2. A detailed account of events
  3. A decorative representation
  4. A summary or abstract of a text
সঠিক উত্তর:
A perfect example of something
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A perfect example of something
ব্যাখ্যা
• Epitome (noun)
English Meaning: A perfect example of something; A person or thing that is a perfect example of a particular quality or type.
Bangla Meaning:  সারসংক্ষেপ; গুণাবলির প্রতীক।

Example sentence:
- She looked the epitome of elegance and good taste.
- He is the epitome of kindness.

Source:
1. Cambridge and Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৪.
Which of the following sentences is correct?
  1. If they will invite us, we will attend the party.
  2. If they invite us, we will attend the party.
  3. If they invite us, we would attend the party.
  4. If they invited us, we will attend the party.
সঠিক উত্তর:
If they invite us, we will attend the party.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If they invite us, we will attend the party.
ব্যাখ্যা
সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - If they invite us, we will definitely attend the party.
• বাক্যটি First conditional এর নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে।

• Zero or First conditional
• If যুক্তটি অংশটি যদি present tense এ থাকে তবে তা Zero conditionals or First Conditionals হয়ে থাকে।
• Zero Conditional - If + Present + Present (shows scientific and general truth).
• First conditional - If + Present + Futur indefinite
- সে অনুযায়ী এরপরের clause এ Present indefinite or Future Indefinite হয়।

-  চিরন্তন সত্য, ভৌগলিক বা বৈজ্ঞানিক সত্য এর ক্ষেত্রে Present indefinite হয়।
- সাধারণ বিষয় বা ঘটনা এর ক্ষেত্রে Future Indefinite হয়।

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটি একটি সাধারণ ঘটনা অর্থাৎ, First conditional.
- তাই এই ক্ষেত্রে Future Indefinite হবে।

• অন্যদিকে, 
• একটি Conditional sentence এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত  
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals
2. The First Conditionals
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals

• এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো:
- Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth)
- 1st Conditional = If + Present + Future
- 2nd Conditional = If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb)
- 3rd Conditional = If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3)
১৫.
If I get into ____ university, I will celebrate.
  1. a
  2. an
  3. the or a
  4. no article needed
সঠিক উত্তর:
a
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - a.
- Complete sentence: If I get into a university, I will celebrate.

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- a,e,i,o,u এই পাঁচটি vowel দিয়ে গঠিত শব্দের পূর্বে an বসে।
- কিন্তু vowel দিয়ে গঠিত শব্দের উচ্চারণ vowel  এর মত না হলে এদের পূর্বে  a বসে।

• কোনো word এর শুরুতে যদি  vowel letter U থাকে কিন্তু  এর উচ্চারন ইউ বা ওয়া এর মত হয় তবে তার পূর্বে article হিসেবে a বসে।
- প্রশ্নে উল্লেখিত university শব্দটি vowel দ্বারা শুরু হলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতন হওয়াতে এর পুর্বে a article হিসাবে বসবে।

• Article: 
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An-এরা  Indefinite Article. (এরা নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)।
• Definite Articles: The হল Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।
১৬.
Which kind of parts of speech is the word 'Attribute'?
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Both ক + খ
সঠিক উত্তর:
Both ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both ক + খ
ব্যাখ্যা
• Attribute (verb transitive)
- (কোনো গুণের) আধার বলে গণ্য করা; কারণ বা উৎসরূপে গণ্য করা।

• Attribute (noun)
(১) [Countable noun] স্বাভাবিক গুণ; ধর্ম।
(২) কোনো ব্যক্তির বা তার পদমর্যাদার প্রতীকরূপে স্বীকৃত বস্তু; প্রতীক।

• Other form: 
• Attributable (adjective)
- আরোপণীয়।
• Attribution [Uncountable noun] [Countable noun]
- আরোপণ; আরোপিত গুণ, ধর্ম ইত্যাদি।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
Which one of the following is a masculine gender?
  1. Liberty
  2. Winter
  3. Spring
  4. Autumn
সঠিক উত্তর:
Winter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Winter
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে কেবলমাত্র 'Winter' হচ্ছে masculine gender.

• Objects without life are often personified, that is, spoken of as if they were living beings and We then regard them as males or females.
- অর্থাৎ জড় পদার্থের উপরেও কখনো কখনো ব্যক্তিভাব আরোপিত হয়, তখন সেগুলোকে feminine or masculine gender ধরা হয়।
- এমন ক্ষেত্রে সাধারণত strength and violence বোঝাতে Masculine gender এবং beauty, gentleness and gracefulness ইত্যাদি বোঝাতে Feminine gender ধরা হয়।

- The Sun, Summer, Winter, Time, Death, ইত্যাদি সর্বদাই masculine gender.
- The Moon, the Earth, Spring, Autumn, Nature, Liberty, Justice, Mercy, Peace, Hope, Charity, Ship হচ্ছে Feminine gender.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren and Martin.
১৮.
Which of the following sentences is correct?
  1. Please send me all the informations regarding the new course schedule.
  2. Please send me the informations regarding the new course schedule.
  3. Please send me the information regarding the new course schedule.
  4. Please send me all informations regarding the new course schedule.
সঠিক উত্তর:
Please send me the information regarding the new course schedule.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Please send me the information regarding the new course schedule.
ব্যাখ্যা
• কিছু noun word আছে যেগুলো always Singular হিসেবে use হয় ।
- এদের singular and plural form একই হয়।
- যেমন - abuse, advice, alphabet, bread, furniture, information, knowledge, poetry, issue/offspring, scenery etc.

• Information সবসময়, plural হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া একটি শব্দ।
- এর সাথে -s/es যুক্ত হয় না। 

- নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - Please send me the information regarding the new course schedule.
১৯.
They found nothing unusual. (Make it Interrogative)
  1. Didn't they find nothing unusual?
  2. Did they find nothing unusual?
  3. Did they find anything unusual?
  4. Didn't they find anything unusual?
সঠিক উত্তর:
Did they find anything unusual?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Did they find anything unusual?
ব্যাখ্যা
Assertive: They found nothing unusual.
Interrogative: Did they find anything unusual?

• Assertive sentence এ nothing থাকলে Interrogative sentence এ anything ব্যবহৃত হয়।
- এ বাক্যটি যেহেতু past indifinite tense এ গঠিত হয়েছে সেক্ষেত্রে Interrogative sentence এ বাক্যটি গঠন করার ক্ষেত্রে সাহায্যকারী verb হিসেবে Did ব্যবহৃত হয়েছে।
- পরবর্তীতে মূল verb এর পর nothing এর পরিবর্তে anything বসেছে।

•আরোও উদাহরণ:
• Assertive: I have nothing to do?
- Interrogative: Have I anything to do?

• Assertive: You know nothing about it.
- Interrogative: Do you know anything about it?

Source: A Passage to the English Language By S.M. Zakir Hossain
২০.
Choose the correct sentence.
  1. It was high time she had made a decision.
  2. It was high time she make a decision.
  3. It was high time she to make a decision.
  4. It was high time she made a decision.
সঠিক উত্তর:
It was high time she made a decision.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It was high time she made a decision.
ব্যাখ্যা
• It is time/It is high time এর পর subject থাকলে verb টি past tense এ হয়।
 - It is high time we changed our attitude.

• তবে It was high time হলেও পরের অংশ Past Indefinite Tense- ই হয়।
[এটাকে as if বা since এর Structure এর সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।]

- যদি এদের পরে subject না থাকে তবে to + verb হয়।
• It is high time to change our attitude.

• যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে - it was high time এরপর subject হিসেবে was এসেছে, তাই এরপরের অংশে made বসবে।
- Correct sentence: It was high time she made a decision.
২১.
What is the synonym of the word 'Misanthrope'?
  1. Sentimentalist
  2. Utopian
  3. Pessimist
  4. Optimis
সঠিক উত্তর:
Pessimist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pessimist
ব্যাখ্যা
• Misanthrope (noun)
English Meaning: A person who dislikes humankind and avoids human society.
Bangla Meaning: যে ব্যক্তি মানবজাতিকে ঘৃণা করে, যে ব্যক্তি সমাজকে এড়িয়ে চলে, নরবিদ্বেষ; মানববৈরী।

Synonyms: Cynic (চিরবিষণ্ণ), Grouch (আকস্মিক বদমেজাজ), Recluse (একান্তবাসী; সন্ন্যাসী), Naysayer (বদমেজাজী), Pessimist (হতাশাবাদী, নৈরাশ্যবাদী)।
Antonyms: Optimist (শুভবাদী বা আশাবাদী ব্যক্তি), Positivist (প্রত্যক্ষবাদী), Sentimentalist (ভাবপ্রবণ ব্যক্তি), Utopian (কাল্পনিক), Dreamer(স্বপ্নালু)।

Other Forms: 
- Misanthropist [মিস্যানথাপিসট] (noun); Misanthropic [মিসনথপিক] (adjective) নরবিদ্বেষী।
- Misanthropy [মিসঅ্যানথাপি] (noun) [uncountable noun] নরবিদ্বেষ; নৃবিদ্বেষ; মানববৈরভাব।

Source: Live MCQ Lecture,
২২.
Identify the correctly spelled word.
  1. Onmanotopoeia
  2. Onomatopoeia
  3. Onomantopoeia
  4. Onmantopoeia
সঠিক উত্তর:
Onomatopoeia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Onomatopoeia
ব্যাখ্যা
• Onomatopoeia (noun) [uncountable noun] 
English meaning: The formation of a word from a sound associated with what is named (e.g. cuckoo, sizzle ).
Bangla Meaning: আলোচ্য বস্তুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধ্বনির অনুকরণে শব্দগঠন; ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা শব্দগঠন।

- যেমন:
- The tick-tock of a clock.
- ঘড়ির কাঁটা টিকটক শব্দ করে বলে ইংরেজিতে এটিকে ঘড়ির শব্দের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. বাঁশতলা
  2. তরঙ্গপুর
  3. মেলাঘর
  4. হরিণা
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
=১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৪.
কোন যুদ্ধ চলাকালে বেলফোর ঘোষণা করা হয়?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. আফিম যুদ্ধ
  4. স্নায়ুযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।

⇒ ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- স্নায়ুযুদ্ধ হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রসমূহ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্রসমূহের মধ্যকার টানাপোড়েনের নাম। ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০-এর দশকের শেষ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। 
- আফিম যুদ্ধ ১৮৩৯-৪২ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল। এটি চীন এবং যুক্তরাজ্যর মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল।

উৎস: Britannica.
২৫.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া কোথায় গৃহীত হয়?
  1. জাতীয় পরিষদে
  2. গণপরিষদে
  3. জাতীয় সংসদে
  4. সুপ্রিম কোর্টে
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি।
- এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আদর্শ সংবিধান প্রণয়ন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
মার্গারেট থ্যাচার কোন দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. ব্রিটেন
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
মার্গারেট থ্যাচার:
- ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার।
- মে, ১৯৭৯-এর নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিম ইউরোপের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।
- তিনিই একমাত্র ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যিনি ১৯০০-এর দশকে টানা তিনটি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন।
- থ্যাচার ১৯৭৯-১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্গারেট থ্যাচার পরিচিত ছিলেন 'আয়রন লেডি' বা 'লৌহ মানবী' নামে।

উল্লেখ্য,
- বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেষতক তার নিজের রাজনৈতিক দল কনজার্ভেটিভ পার্টির সদস্যদের চাপে পড়ে বাধ্য হন পদত্যাগ করতে।
- অবসর জীবনে মার্গারেট প্রতিষ্ঠা করেন থ্যাচার ফাউন্ডেশন- গণতন্ত্রের প্রচার-প্রসার ঘটানোই ছিল যার উদ্দেশ্য।

উৎস: Britannica.
২৭.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় 'প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক' নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. সাইটোলজি
  2. এমব্রায়োলজি
  3. এথনোবায়োলজি
  4. ইকোলজি
সঠিক উত্তর:
ইকোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকোলজি
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা:
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে।
যেমন -
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২। শ্রেণিবিন্যাস (Classification): বোঝার সুবিধার জন্য এ বিশাল জীবজগৎকে বিভিন্ন দল-উপদলে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জীব প্রজাতি পর্যায়ক্রমে একটি গণ, একটি গোত্র, একটি বর্গ এবং একটি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হয়। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় এ নিয়ে আলোচনা করা হয় তা হলো শ্রেণিবিন্যাসতত্ত্ব বা শ্রেণিবিন্যাসবিজ্ঞান (Taxonomy)।

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৪। ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৫। কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৬। বংশগতিবিদ্যা (Genetics): মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৭। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৮। বিবর্তন (Evolution): আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল। কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।
জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

৯ । এথনোবায়োলজি (Ethnobiology): আদিবাসীগণ তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে (বাসস্থান নির্মাণ, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদি) তার চারপাশে বিরাজমান জীবসমূহকে কীভাবে ব্যবহার করে সেই জ্ঞান হলো এথনোবায়োলজি।

১০। রোগনিরূপণবিদ্যা (Pathology): উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে রোগ সৃষ্টির কারণ, রোগ সৃষ্টিকারী জীব শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
এখন পর্যন্ত কতজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ৫জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
২৯.
নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
  1. Web browser
  2. Menu bar
  3. Task bar
  4. Notification area
সঠিক উত্তর:
Web browser
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Web browser
ব্যাখ্যা
Web browser:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে যা ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা খুব সহজ হয় না।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

⇒ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser ইত্যাদি।

উৎস: Britannica.
৩০.
Scanner কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. ক ও খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
পেরিফেরালস:
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।

⇒ ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন-
• কীবোর্ড,
• মাউস,
• স্ক্যানার,
• OMR,
• OCR ইত্যাদি।

⇒ আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন-
• মনিটর,
• প্রিন্টার,
• প্রজেক্টর,
• স্পিকার,
• প্লটার ইত্যাদি।

⇒ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
যেমন-
• হেডফোন,
• ডিজিটাল ক্যামেরা,
• মডেম,
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: i) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
৫/১৩ এর হর এবং লবের সাথে কোন সংখ্যাটি যোগ করলে ভগ্নাংশটি ৩/৭ হবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫/১৩ এর হর এবং লবের সাথে কোন সংখ্যাটি যোগ করলে ভগ্নাংশটি ৩/৭ হবে?

সমাধান:
মনে করি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
(৫ + ক)/(১৩ + ক) = ৩/৭
⇒ ৩৫ + ৭ক = ৩৯ + ৩ক
⇒ ৭ক - ৩ক = ৩৯ - ৩৫
⇒ ৪ক = ৪
∴ ক = ১
৩২.
নিচের কোনটি (3a2 - 7a - 6) এর একটি উৎপাদক?
  1. (3a + 1) 
  2. (3a + 2) 
  3. (2a - 3) 
  4. (a + 2) 
সঠিক উত্তর:
(3a + 2) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3a + 2) 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি (3a2 - 7a - 6) এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
3a2 - 7a - 6
= 3a2 - 9a + 2a - 6
= 3a(a - 3) + 2(a - 3)
= (a - 3)(3a + 2) 
৩৩.
একটি জমির দৈর্ঘ্য ২৫০ ফুট এবং প্রস্থ ৭২ ফুট। ঐ জমির ক্ষেত্রফল কত কাঠা?
  1. ১৫ কাঠা
  2. ২০ কাঠা
  3. ২৫ কাঠা
  4. ৩০ কাঠা
সঠিক উত্তর:
২৫ কাঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ কাঠা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জমির দৈর্ঘ্য ২৫০ ফুট এবং প্রস্থ ৭২ ফুট। ঐ জমির ক্ষেত্রফল কত কাঠা?

সমাধান:
জমির দৈর্ঘ্য = ২৫০ ফুট
জমির প্রস্থ = ৭২ ফুট

আমরা জানি,
জমির ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক
= (২৫০ × ৭২) বর্গফুট
= ১৮০০০ বর্গফুট

৭২০ বর্গফুট = ১ কাঠা
১ বর্গফুট = ১/৭২০ কাঠা
১৮০০০ বর্গফুট = ১৮০০০/৭২০ কাঠা
= ২৫ কাঠা
৩৪.
একটি ছাত্রাবাসে ১৬ জন ছাত্রের ৩৫ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। কয়েকজন নতুন ছাত্র আসায় ২০ দিনে ঐ খাদ্য শেষ হয়ে গেল। নতুন ছাত্রের সংখ্যা কত?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৪ জন
সঠিক উত্তর:
১২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছাত্রাবাসে ১৬ জন ছাত্রের ৩৫ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। কয়েকজন নতুন ছাত্র আসায় ২০ দিনে ঐ খাদ্য শেষ হয়ে গেল। নতুন ছাত্রের সংখ্যা কত?

সমাধান:
৩৫ দিনের খাদ্য মজুদ আছে = ১৬ জন ছাত্রের
১ দিনের খাদ্য মজুদ আছে = (১৬ × ৩৫) জন ছাত্রের
২০ দিনের খাদ্য মজুদ আছে = (১৫ × ৩৫)/২০ জন ছাত্রের
= ২৮ জন ছাত্রের

∴ নতুন ছাত্রের সংখ্যা = (২৮ - ১৬) জন
= ১২ জন
৩৫.
একটি ৬০° কোণের পূরক কোণ কত?
  1. ৪০°
  2. ৩০°
  3. ৯০°
  4. ৬০°
সঠিক উত্তর:
৩০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ৬০° কোণের পূরক কোণ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুইটি পূরক কোণের সমষ্টি = ৯০°

∴ ৬০° কোণের পূরক কোণ = (৯০° - ৬০°)
= ৩০°
৩৬.
একটি সংখ্যা ৪১ থেকে যত বেশি ৭৭ থেকে তত কম, সংখ্যাটি কত?
  1. ৫৫
  2. ৫৮
  3. ৫৯
  4. ৬৪
সঠিক উত্তর:
৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৪১ থেকে যত বেশি ৭৭ থেকে তত কম, সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
মনে করি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
ক - ৪১ = ৭৭ - ক
⇒ ২ক = ১১৮
⇒ ২ক = ১১৮
∴ ক = ৫৯
৩৭.
22a + 1 = 256 হলে, a এর মান কত?
  1. 5/2
  2. 7/2
  3. 4/3
  4. 3
সঠিক উত্তর:
7/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 22a + 1 = 256 হলে, a এর মান কত?

সমাধান:
22a + 1 = 256
⇒ 22a + 1 = 28
⇒ 2a + 1 = 8
⇒ 2a = 8 - 1
⇒ 2a = 7
⇒ a = 7/2
৩৮.
একটি দ্রব্য ৫৪০ টাকায় বিক্রয় করাতে ক্রয়মূল্যের উপর ১০% ক্ষতি হয়। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৫৭৮ টাকা
  2. ৫৯৪ টাকা
  3. ৬০০ টাকা
  4. ৬১৬ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ৫৪০ টাকায় বিক্রয় করাতে ক্রয়মূল্যের উপর ১০% ক্ষতি হয়। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
১০% ক্ষতিতে,
বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) = ৯০ টাকা

বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৯০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৫৪০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৫৪০)/৯০
= ৬০০ টাকা
৩৯.
12 + 22 + 32 + ......... + 162 = কত?
  1. 1496
  2. 1516
  3. 1430
  4. 1445
সঠিক উত্তর:
1496
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1496
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 12 + 22 + 32 + ......... + 162 = কত?

সমাধান:
সমষ্টি = n(n + 1)(2n + 1)/6
= 16(16 + 1)(2 · 16 + 1)/6
= (16 × 17 × 33)/6
= 1496
৪০.
একটি পেন্সিলের ওজন ৪ গ্রাম। পেন্সিলের ওজন কত মিলিগ্রাম হবে?
  1. ৪০ মিলিগ্রাম
  2. ৪০০ মিলিগ্রাম
  3. ৪০০০ মিলিগ্রাম
  4. ৪০০০০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
৪০০০ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০০ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পেন্সিলের ওজন ৪ গ্রাম। পেন্সিলের ওজন কত মিলিগ্রাম হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম
৪ গ্রাম = (৪ × ১০০০) মিলিগ্রাম
= ৪০০০ মিলিগ্রাম
৪১.
যদি loga25 = 2 হয়, তবে a এর মান কত?
  1. 1
  2. 3
  3. 5
  4. 0
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি loga25 = 2 হয়, তবে a এর মান কত?

সমাধান:
loga25 = 2
⇒ a2 = 25
⇒ a2 = 52
∴ a = 5
৪২.
১৩, ১৬, ১৮, ২৪ এবং ৩৪ এর গড় কত?
  1. ১৬
  2. ১৯
  3. ২১
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৩, ১৬, ১৮, ২৪ এবং ৩৪ এর গড় কত?

সমাধান:
রাশিগুলোর সমষ্টি = (১৩ + ১৬ + ১৮ + ২৪ + ৩৪) = ১০৫

∴ গড় = ১০৫/৫ = ২১
৪৩.
শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ২৪০ টাকা তিন বছরে সুদ-আসলে কত হবে?
  1. ২৬৮ টাকা
  2. ২৮৬ টাকা
  3. ২৬৭ টাকা
  4. ২৭৬ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৭৬ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৬ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ২৪০ টাকা তিন বছরে সুদ-আসলে কত হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
সুদ = (আসল × সুদের হার × সময়)/১০০
= (২৪০ × ৫ × ৩)/১০০
= ৩৬ টাকা

সুদ-আসলে হবে = (২৪০ + ৩৬) টাকা
= ২৭৬ টাকা
৪৪.
a3 - b3 = 117 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?
  1. 8
  2. 10
  3. 15
  4. 22
সঠিক উত্তর:
10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a3 - b3 = 117 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a3 - b3 = 117
এবং a - b = 3

আমরা জানি,
a3 - b3 = (a - b)3 + 3ab(a - b)
⇒ 117 = (3)3 + 3ab · 3
⇒ 117 = 27 + 9ab
⇒ 9ab = 117 - 27
⇒ 9ab = 90
∴ ab = 10
৪৫.
ক্রিকেট খেলায় সিহাব এবং রাফির মোট রান সংখ্যা ৬১। সিহাবের রান রাফির রান সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ৫ কম । ঐ খেলায় রাফির রান সংখ্যা কত?
  1. ১৯ রান
  2. ২২ রান
  3. ২৮ রান
  4. ৩৪ রান
সঠিক উত্তর:
২২ রান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ রান
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক্রিকেট খেলায় সিহাব এবং রাফির মোট রান সংখ্যা ৬১। সিহাবের রান রাফির রান সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ৫ কম । ঐ খেলায় রাফির রান সংখ্যা কত?

সমাধান:
রাফির রান সংখ্যা = ক
সিহাবের রান = (২ক - ৫)

প্রশ্নমতে
ক + ২ক - ৫ = ৬১
⇒ ৩ক = ৬১ + ৫
⇒ ৩ক = ৬৬
∴ ক = ২২

সুতরাং, রাফির রান সংখ্যা = ২২
৪৬.
কোন গ্রামের ৩০০০০ জনসংখ্যার মধ্যে ১২০০ জন শিক্ষিত। ঐ গ্রামের শিক্ষিতের হার কত?
  1. ৩%
  2. ৪%
  3. ৬%
  4. ২%
সঠিক উত্তর:
৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন গ্রামের ৩০০০০ জনসংখ্যার মধ্যে ১২০০ জন শিক্ষিত। ঐ গ্রামের শিক্ষিতের হার কত?

সমাধান:
৩০০০০ জনসংখ্যার মধ্যে শিক্ষিত = ১২০০ জন
১ জনসংখ্যার মধ্যে শিক্ষিত = ১২০০/৩০০০০
১০০ জনসংখ্যার মধ্যে শিক্ষিত = (১২০০ × ১০০)/৩০০০০ জন
= ৪%
৪৭.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং তাদের ল.সা.গু ১৪০ হলে, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং তাদের ল.সা.গু ১৪০ হলে, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?

সমাধান:
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে  ৫ক ও ৭ক 
∴ ল.সা.গু = ৩৫ক এবং গ.সা.গু = ক

প্রশ্নমতে,
৩৫ক = ১৪০
⇒ ক = ১৪০/৩৫
∴ ক = ৪

∴ গ.সা.গু = ৪