পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
Bangla - 01: ধ্বনি, শব্দ, ধ্বনি পরিবর্তন, শব্দের উচ্চারণ, সন্ধি, লিঙ্গ, দ্বিরুক্ত শব্দ, যুক্তবর্ণ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
'ঐতিহ্য' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ক) ওইতিহ্‌হ
  2. খ) ওই্‌তিজজো
  3. গ) ঐতিজ্‌ঝো
  4. ঘ) ওই্‌তিজ্‌ঝো
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওই্‌তিজ্‌ঝো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওই্‌তিজ্‌ঝো
ব্যাখ্যা
ঐতিহ্য (ওই্‌তিজ্‌ঝো) 
- [স. ইতিহ+য্‌] 
- বিশেষ্য 
অর্থ - পরম্পরাগত কথা, পুরুষানুক্রমিক ধারা, কিংবদন্তি, বিশ্রুতি।  

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
নিম্নের কোনটি শব্দ গঠন প্রক্রিয়া নয়?
  1. ক) উপসর্গ
  2. খ) সন্ধি
  3. গ) প্রত্যয়
  4. ঘ) সমাস
সঠিক উত্তর:
খ) সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সন্ধি
ব্যাখ্যা
শব্দ ও গঠনবৈচিত্র্য
বাংলা শব্দের গঠন বিবেচনা করলে দেখা যায় যে, মূলত তিনভাবে বাংলা শব্দ গঠিত হতে পারে।
- এগুলাে হলাে : উপসর্গ যােগে, প্রত্যয় যােগে এবং যৌগিকীকরণ তথা সমাসের মাধ্যমে।

- মনে রাখা প্রয়ােজন যে, সন্ধির সাহায্যে শব্দ গঠনের প্রচলিত ধারণা যথাযথ নয়। সন্ধি মূলত একটি ধ্বনিতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া যা শব্দস্তরে প্রযুক্ত হয়। অর্থাৎ, একটি শব্দ গঠনের পর যদি দেখা যায় যে, ওই শব্দে এমন কতগুলাে ধ্বনি পাশাপাশি বসেছে যাদের এক ধ্বনিতে পরিণত করা সম্ভব তাহলে সেখানে সন্ধি ঘটতে পারে। কিন্তু এটি যে বাধ্যতামূলক কোনাে বিষয়, তা কিন্তু নয়।
-  উদাহরণসরূপ, ‘সিংহাসন' শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সিংহ চিহ্নিত আসন থেকে। অর্থাৎ, এই সমাসের পূর্বপদ সিংহ এবং পরপদ আসন পাশাপাশি বসেছে। এখন লক্ষ করা গেল যে, সিংহ-এর শেষে একটি স্বরধ্বনি রয়েছে এবং আসন-এর শুরুতে একটি স্বরধ্বনি রয়েছে। তাই এই দুটি স্বরধ্বনি এক ধ্বনিতে পরিণত হয়ে সিংহাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, শব্দ গঠনের মূল অংশে সন্ধির কোনাে ভূমিকা ছিল না।
আবার বাংলা ভাষায় প্রচলিত অভিন্নার্থক দুটি শব্দ– উপরিউক্ত এবং উপযুক্ত। দুটি শব্দই ব্যাকরণসম্মত এবং প্রথমটিতে সন্ধি ঘটেনি এবং দ্বিতীয়টিতে সন্ধি ঘটেছে। তাতে শব্দটির গঠনগত কোনাে ত্রুটি তৈরি হয়নি। সুতরাং বাংলা শব্দ গঠনে উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সমাসই ভূমিকা পালন করে।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোনটি রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) প্রভাত 
  2. খ) মধুর
  3. গ) রাজপুত
  4. ঘ) গায়ক
সঠিক উত্তর:
ক) প্রভাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রভাত 
ব্যাখ্যা
বাগর্থ অনুসারে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ

১. যৌগিক শব্দ:
প্রতিটি শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যেমন থাকে তেমনি এর ব্যবহারিক অর্থও থাকে।
- প্রসঙ্গত বলা যায় যে, একটি শব্দের উৎপত্তি যখন ঘটেছিল তখন তার যে অর্থ ছিল তা-ই হলাে ওই শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ; আর শব্দটি বর্তমানে কোন অর্থে প্রযুক্ত হচ্ছে তা-ই তার ব্যবহারিক অর্থ।
- যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে এই দুটি অর্থই অভিন্ন থাকবে।
- অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যেসব শব্দের ব্যবহারিক অর্থ তাদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থকেই অনুসরণ করে তাদের যৌগিক শব্দ বলে। 
কয়েকটি যৌগিক শব্দের উদাহরণ হলাে :

মূল শব্দ - শব্দ গঠন (অর্থ) - অর্থ
গায়ক - গৈ+অক - যে গান করে
কর্তব্য - কৃ+তব্য - যা করা উচিত
বাবুয়ানা - বাবু+আনা - বাবুর ভাব
মধুর - মধু+র - মধুর মত মিষ্টি গুণযুক্ত

২. রূঢ়ি শব্দ:
ব্যুৎপত্তিগত এবং ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এমন প্রত্যয় বা উপসর্গ যােগে গঠিত শব্দকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
রূঢ়ি শব্দের কয়েকটি উদাহরণ হলাে :
মূল শব্দ - শব্দ গঠন - ব্যুৎপত্তিগত অর্থ - ব্যবহারিক অর্থ
হস্তী - হস্ত+ইন - হাত আছে যার - একটি বিশেষ প্রাণী, হাতি
গবেষণা - গাে+এষণা - গরু খোঁজা - ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালােচনা
বাঁশি - বাঁশ+ইন - বাঁশি দিয়ে তৈরি - বাঁশের তৈরি বিশেষ বাদ্যযন্ত্র
প্রভাত - প্র+ভাত - প্রকৃষ্টভাবে আলােকিত - সকাল বেলা

৩. যােগরূঢ় শব্দ:
সমাসনিষ্পন্ন শব্দ যদি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে ভিন্ন কোনাে ব্যবহারিক অর্থ ধারণ করে তবে তাকে যােগরূঢ় শব্দ বলে।
নিচের কয়েকটি উদাহরণ লক্ষ করা যেতে পারে :

মূল শব্দ - শব্দ গঠন - ব্যবহারিক অর্থ

পঙ্কজ - পঙ্কে জন্মে যা - পদ্মফুল
রাজপুত - রাজার পুত্র - একটি জাতি বিশেষ, ভারতের একটি জাতি
মহাযাত্রা - মহাসমারােহে যাত্রা - মৃত্যু

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিসর্গসন্ধির উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) গােষ্পদ
  2. খ) নিশ্চয়
  3. গ) দুষ্কর
  4. ঘ) পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
ক) গােষ্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গােষ্পদ
ব্যাখ্যা
বিসর্গসন্ধি
বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়:

- বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ+পতন = অধঃপতন, বয়ঃসন্ধি = বয়ঃসন্ধি
- বিসর্গ ও হয়ে যায়; মনঃ+যােগ = মনােযােগ, তিরং+ধান = তিরােধান, তপঃ+বন = ত
- বিসর্গ র’ হয়ে যায়: নিঃ+আকার = নিরাকার, পুনঃ+মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ+বাদ = আশীর্বাদ
- বিসর্গ শ/ষ/ হয়: নিঃ+চয় = নিশ্চয়, দুঃ+কর = দুষ্কর, পুরঃ+কার = পুরস্কার
- কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়: নিঃ+রব = নীরব, নিঃ+রস = নীরস, নিঃ+রােগ = নীরােগ।

অপরদিকে, গােষ্পদ = গাে+পদ  নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
শুধুমাত্র 'আ' প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরীত শব্দ নয় নিম্নের কোন শব্দটি?
  1. ক) বৃদ্ধা 
  2. খ) বালিকা
  3. গ) জটিলা
  4. ঘ) কুটিলা
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা
ব্যাখ্যা
অ- কারান্ত পুংলিঙ্গের শেষে 'আ' - প্রত্যয় যোগ করে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয়। 
যেমন- 
জটিল - জটিলা 
কুটিল - কুটিলা 
বৃদ্ধ - বৃদ্ধা 
মহাশয় - মহাশয়া 
শিষ্য - শিষ্যা 
কোকিল - কোকিলা ইত্যাদি 

পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে 'অক' থাকলে তা ইকা করে 'আ' - প্রত্যয় যোগ করে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয়।
যেমন- 
নায়ক - নায়িকা 
শিক্ষক - শিক্ষিকা 
বাহক - বাহিকা 
চালক - চালিকা 
বালক - বালিকা ইত্যাদি 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'তেহাই' কোন প্রকার সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূর্ণগুণিতক সংখ্যা শব্দ
  2. খ) তারিখবাচক সংখ্যা শব্দ
  3. গ) ভগ্নাংশ সংখ্যা শব্দ
  4. ঘ) পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা ও আধিক্যবাচক শব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) ভগ্নাংশ সংখ্যা শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভগ্নাংশ সংখ্যা শব্দ
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ
সংখ্যা হচ্ছে গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা।  
সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ- 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক ও 
- ক্রমবাচক।
আরও রয়েছে - তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ
                     - গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
- পূর্ণগুণিতক সংখ্যাশব্দ
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
- পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা ও আধিক্যবাচক শব্দ

ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
পূর্ণসংখ্যার অংশবাচক শব্দকে ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ বলে। 
- পূর্ণসংখ্যার অংশ বোঝাতে বাংলায় নিম্নলিখিত শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়। 
- চার ভাগের এক ভাগ = চৌথাই, সিকি, পোয়া
- তিন ভাগের এক ভাগ = তেহাই 
- দুই ভাগের এক ভাগ = অর্ধ, আধা, আধ, অর্ধেক, আধেক 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
.
বাগর্থদ্যোতক ক্ষুদ্রতম একককে কী বলা হয়?
  1. ক) শব্দ
  2. খ) ধ্বনি
  3. গ) ধ্বনিমূল
  4. ঘ) রূপমূল
সঠিক উত্তর:
ঘ) রূপমূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রূপমূল
ব্যাখ্যা
শব্দ ও রূপমূল
- শব্দকে বিভাজন করলে আরাে ক্ষুদ্রতর বাগর্থদ্যোতক অংশ পাওয়া যায়। ভাষার এই সব বাগর্থদ্যোতক ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় রূপমূল
- অর্থাৎ, রূপমূল হলাে ভাষার এমন ক্ষুদ্রতম উপাদান যাদের হয় সুস্পষ্ট বাগর্থ থাকবে কিংবা অন্ততপক্ষে বাগৰ্থের কোনাে যৌক্তিক ইঙ্গিত থাকবে।
- আমরা জানি ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদান হচ্ছে ধ্বনিমূল।
- কিন্তু ধ্বনিমূলগুলাে কোনাে অর্থদ্যোতকতাকে ধারণ করে না।
- অপরদিকে, রূপমূল মাত্রই কোনাে না কোনােভাবে অর্থসংশ্লিষ্ট হবে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে, ‘অবােধ’ শব্দটিকে দুটি ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় : ‘অ’ এবং ‘বােধ'। এখানে ‘অ’ একটি রূপমূল যা উপসর্গ হিসেবে এই শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ‘বােধ’ আরেকটি রূপমূল। লক্ষণীয় যে, ‘অ’ রূপমূলটির স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশের সুযােগ না থাকলেও এর সাহায্যে কোনাে প্রকার অভাবকে বােঝানাে হচ্ছে তা আমরা উপলব্ধি করতে পারি। অপরদিকে, ‘বােধ’ রূপমূলটি স্বাধীনভাবেই অর্থ প্রকাশ করতে পারছে। এর ওপর ভিত্তি করে রূপমূলকে দুটি ভাগে ভাগ ভাগ করা যায়।
এগুলাে হলাে :
- মুক্ত রূপমূল
- বদ্ধ রূপমূল

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রগত সমীভবন এর উদাহরণ নিম্নের কোনটি?
  1. ক) কর্তা > কত্তা
  2. খ) তুলা > তুলাে
  3. গ) রাজ্য > রাজ্জ
  4. ঘ) কুৎসিত >কুচ্ছিত
সঠিক উত্তর:
গ) রাজ্য > রাজ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজ্য > রাজ্জ
ব্যাখ্যা
সমীভবন (Assimilation) :

- শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করলে, তাকে বলা হয় সমীভবন।
- যেমন- জন্ম >জম্ম, কাঁদনা > কান্না ইত্যাদি।
সমীভবন তিন রীতিতে হয়, যথা-
• প্রগত সমীভবন (Progressive) : পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন- পক্ব > পক্ক, চন্দন > চন্নন, গলদা > গল্লা, পদ্ম >পদ্দ, লগ্ন >লগৃগ, চক্র> চর, রাজ্য > রাজ্জ, স্বর্ণ >সন্ন ইত্যাদি।

• পরাগত সমীভবন (Regressive) : পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন হলে তাকে পরাগত সমীভবন বলে।
যেমন- কাদনা > কান্না, কর্ম >কম্ম, কর্তা > কত্তা, ধর্ম > ধম্ম, করতাল > কত্তাল, পাঁচসের >পাশূসের, ডাকঘর > ডাগৃঘর, তৎ + জন্য >তজ্জন্য, তৎ + হিত > তদ্ধিত, উৎ + মুখ >উন্মুখ ইত্যাদি।

• অন্যোন্য সমীভবন: সমীভবন (Mutual) : যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অন্যোন্য সমীভবন,
যেমন- বৎসর > বচ্ছর, মহােৎসব >মােচ্ছব, চিকিৎসা > চিকিচ্ছা, বিশ্রি >বিচ্ছিরি, কুৎসিত >কুচ্ছিত, সত্য > সচ্চ, বিদ্যা > বিজ্জা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উৎস বিবেচনায় শব্দকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়; তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ তৎসম শব্দ :
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

⇒ তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

⇒ দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
 
⇒ বিদেশি শব্দ:
ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি। 


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১০.
'ক্ষিতীশ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ -এ কোন সূত্র অনুসরণ করে?
  1. ক) ই + ই = ঈ
  2. খ) ই + ঈ = ঈ
  3. গ) ঈ + ই = ঈ
  4. ঘ) ঈ + ঈ = ঈ
সঠিক উত্তর:
খ) ই + ঈ = ঈ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ই + ঈ = ঈ
ব্যাখ্যা
ই-কার অথবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।

ই + ই = ঈ
গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র
অতি + ই = অতীত
যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র
অতি + ইব = অতীব
ই + ঈ = ঈ
ক্ষিতি + ঈশ = ক্ষিতীশ
অধি + ঈশ্বর = অধীশ্বর
দিল্লী + ঈশ্বর = দিল্লীশ্বর
পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ঈ + ই = ঈ
মহী + ইন্দ্র = মহীন্দ্র
সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র
ঈ + ঈ = ঈ
পৃথী + ঈশ = পৃথ্বীশ

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'ঈ' প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) একাদশী
  2. খ) বাঘিনী
  3. গ) ননদিনী
  4. ঘ) অরণ্যানী
সঠিক উত্তর:
ক) একাদশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একাদশী
ব্যাখ্যা
'-ঈ' প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ- 
একাদশ - একাদশী
মানব - মানবী
কপোত - কপোতী 
নেতা - নেত্রী 
তাপস - তাপসী ইত্যাদি 

'-আনী' প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ-
অরণ্য - অরণ্যানী 
চাকর - চাকরাণী 
মেথর - মেথরাণী 
শূদ্র - শূদ্রাণী ইত্যাদি 

'-ইনী'প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ-
বাঘ - বাঘিনী
গোয়ালা - গোয়ালিনী
মালী - মালিনী 
পাগল - পাগলিনী ইত্যাদি 

'-নী' প্রত্যয় যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ-
ননদাই - ননদিনী 
ধোপা - ধোপানী 
নাতি - নাতনী 
জেলে - জেলেনী ইত্যাদি 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ নয়?
  1. ক) চিকচিক
  2. খ) টিক টিক
  3. গ) মিউ মিউ
  4. ঘ) রাশি রাশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশি রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশি রাশি
ব্যাখ্যা
দ্বিরুক্ত শব্দের আভিধানিক অর্থ- দুবার বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কোন শব্দ বা পদের পরপর দুবার প্রয়োগ বা পুনরাবৃত্তিকেই দ্বিরুক্ত শব্দ বলে ।

বাংলা ভাষায় এমন বহু দ্বিরুক্ত শব্দ আছে যা কোন বাস্তব ধ্বনির অনুকারী বা নিছক কোন ধ্বনির কাল্পনিক অনুকরণ করে। এই জাতীয় শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এমন একই ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুবার প্রয়োগের নামই ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বা ধ্বনির দ্বিরুক্তি।

এই ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দগুলো বাংলা ভাষার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, 'সে সকল শব্দ ভাষা হইতে বাদ দিলে বঙ্গভাষার বর্ণনাশক্তি নিতান্তই পঙ্গু হইয়া পড়ে।” 

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ বিভিন্নভাবে হতে পারে:
১। মানুষের বিভিন্ন ধ্বনির অনুকরণের সাহায্যে : ভেউ ভেউ করে কাঁদা, ট্যাট্যা করে কাঁদা, হা হা করে হাসা, ঠাঠা করে হাসা ইত্যাদি
২। জীব-জন্তুর ধ্বনিকে অনুকরণ করে : মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ডাক), গুনগুন (মৌমাছির ডাক) ইত্যাদি।
৩। কোন বস্তুর ধ্বনির অনুকরণে : ঝমঝম (বৃষ্টির শব্দ), চুকচুক (দুধ খাবার শব্দ) মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ইত্যাদি।
৪। অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির শব্দ : চিকচিক, ঝিকমিক, কুটকুট, ম্যাজম্যাজ, ঘিনঘিন, ঘ্যানঘ্যান, সুড়সুড়, চিনচিন, ছমছম ইত্যাদি।


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
"ও দাদা দাদা বলে ডাকছে।" বাক্যটিতে কোন অর্থে পদের দ্বিরুক্তি ঘটেছে?
  1. ক) ধারাবাহিকতা বােঝাতে
  2. খ) আগ্রহ বােঝাতে
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) পৌনঃপুনিকতা বােঝাতে
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্রহ বােঝাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্রহ বােঝাতে
ব্যাখ্যা
পদের দ্বিরুক্তি :
বাক্যস্থিত বিভিন্ন পদ কখনও কখনও দুইবার ব্যবহৃত হয়ে অর্থের পরিবর্ধন ঘটিয়ে থাকে।
- পদের দ্বিরুক্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলাে এতে বিভক্তি চিহ্ন থাকে এবং ওই বিভক্তি চিহ্নেরও দ্বিরুক্তি ঘটে।
- এক্ষেত্রে, একই পদ অভিন্নভাবে পরপর দুইবার ব্যবহৃত হতে পারে। 
- দুটি পদ সম্পূর্ণ এক না থেকে কখনও দ্বিতীয় পদে সামান্য পরিবর্তন ঘটেও ব্যবহৃত হতে পারে, যদিও সেক্ষেত্রে বিভক্তি চিহ্ন অবশ্যই অপরিবর্তিত থাকবে।
- এছাড়া, ধ্বনিগত সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দ কিংবা সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দে একই বিভক্তি যুক্ত হয়ে এবং পরপর ব্যবহৃত হয়ে পদের দ্বিরুক্তি ঘটতে পারে। 

পদগত দ্বিরুক্তির কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ :
⇒ আধিক্য বােঝাতে: রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান, ভাল ভাল আম, ছােট ছােট ডাল। 
⇒ সামান্য বােঝাতে : আমার জ্বর জ্বর লাগছে, কবি কবি ভাব, উড়ু উড়ু ভাব।  
⇒ পরম্পরতা বা ধারাবাহিকতা বােঝাতে: তুমি দিন দিন রােগা হয়ে যাচ্ছ। 
⇒ ক্রিয়া বিশেষণ: ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে চায়।
⇒ অনুরূপ কিছু বােঝাতে: তার সঙ্গী সাথি কেউ নেই।
⇒ আগ্রহ বােঝাতে: ও দাদা দাদা বলে ডাকছে।
⇒ তীব্রতা বােঝাতে: গরম গরম জিলাপি। নরম নরম হাত।
⇒ সর্বনামের বহুবচন বােঝাতে: সে সে লােক কোথায় গেল? কে কে এল? কেউ কেউ বলে।
⇒ ক্রিয়ার বিশেষণাত্মক ব্যবহার: রােগীর তাে যায় যায় অবস্থা। তােমার নেই নেই ভাব আর গেল না। 
⇒ স্বল্পকাল স্থায়ী বােঝাতে: দেখতে দেখতে আকাশ কালাে হয়ে এল।
⇒ ক্রিয়া বিশেষণ: দেখে দেখে যাও। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?
⇒ পৌনঃপুনিকতা বােঝাতে: ডেকে ডেকে হয়রান হয়ে গেছি।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
'বৃহস্পতি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নিচের কোনটি ?
  1. ক) বৃৎ+পতি
  2. খ) বৃহৎ+স্পতি
  3. গ) বৃহৎ+পতি
  4. ঘ) বৃহঃ+পতি
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহৎ+পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহৎ+পতি
ব্যাখ্যা
কিছু ব্যঞ্জনসন্ধি নিয়ম ছাড়া হয়, সেগুলােকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
যেমন –
গাে+পদ = গােষ্পদ,
এক+দশ = একাদশ,
বৃহৎ+পতি = বৃহস্পতি ইত্যাদি।


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৫.
নিচের কোনটি নিত্য নরবাচক শব্দ?
  1. ক) বাবা
  2. খ) নেতা
  3. গ) কৃতদার
  4. ঘ) শিক্ষক
সঠিক উত্তর:
গ) কৃতদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃতদার
ব্যাখ্যা
কিছু শব্দ রয়েছে যা নিত্য নরবাচক ও নিত্য নারীবাচক।
নিত্য নরবাচকের উদাহরণ: কৃতদার, অকৃতদার।
নিত্য নারীবাচকের উদাহরণ: সতীন, বিধবা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
"লোকটি বাচ্চাদের গল্প শুনাচ্ছে" বাক্যে লোক শব্দের শেষে যুক্ত 'টি' হল-
  1. ক) বিভক্তি
  2. খ) প্রত্যয়
  3. গ) নির্দেশক
  4. ঘ) বলক
সঠিক উত্তর:
গ) নির্দেশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্দেশক
ব্যাখ্যা
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ।
- পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলাের নাম লগ্নক।
লগ্নক চার ধরনের:

বিভক্তি: ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বােঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলােকে বিভক্তি বলে।
- বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলাে ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলােকে নির্দেশক বলে।
'লােকটি' বা 'ভালােটুকু' পদের 'টি’ বা ‘টুকু' হলাে নির্দেশকের উদাহরণ।

বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে বচন বলে।
'ছেলেরা' বা 'বইগুলাে' পদের 'রা' বা 'গুলাে' হলাে বচনের উদাহরণ।

বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে।
'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলাে বলকের উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
স্বল্পকাল স্থায়ী বােঝাতে কোন বাক্যে ক্রিয়াবাচক পদের দ্বিরুক্তি ঘটেছে?
  1. ক) এত খাই খাই করা ভালাে নয়।
  2. খ) সে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখছে।
  3. গ) তােমাকে ডেকে ডেকে আমি হয়রান হয়ে গেলাম।
  4. ঘ) দেখতে দেখতে আকাশে মেঘ জমা হয়ে গেল।
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেখতে দেখতে আকাশে মেঘ জমা হয়ে গেল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেখতে দেখতে আকাশে মেঘ জমা হয়ে গেল।
ব্যাখ্যা
 ক্রিয়াবাচক পদের দ্বিরুক্তি : বাংলা ভাষায় ক্রিয়াবাচক পদ নিম্নোক্ত অর্থ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়
ক) বিশেষণরূপে : এত খাই খাই করা ভালাে নয়। তােমার নেই নেই ভাব আর গেল না।
খ) স্বল্পকাল স্থায়ী বােঝাতে : দেখতে দেখতে আকাশে মেঘ জমা হয়ে গেল।
গ) ক্রিয়া-বিশেষণ বােঝাতে : সে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখছে। দেখে দেখে যাও।
ঘ) পৌণপুনিকতা বােঝাতে : তােমাকে ডেকে ডেকে আমি হয়রান হয়ে গেলাম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) পানি
  2. খ) পান্তা
  3. গ) পাউরুটি
  4. ঘ) পাল্‌কি
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
পানি (পানি) 
- সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। 
- বিশেষ্য শব্দ 
অর্থ - জল, বারি 

অন্যদিকে, পান্তা = দেশি শব্দ 
                পাউরুটি = পর্তুগিজ শব্দ 
                পাল্‌কি = হিন্দি শব্দ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।