পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পদ, সন্ধি, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
বিঃদ্রঃ এই পরীক্ষায় প্রশ্নকর্তা ভুলবশত সিলেবাস মেইনটেইন করেননি। আমরা দুঃখিত। একই টপিকের উপর ৩০ মার্চ আরেকটা পরীক্ষা (ফ্রি) অনুষ্ঠিত হবে। আশা করি আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।

১) নিচের কোন বিপরীত শব্দজোড় অশুদ্ধ?
  1. ক) উর্ধ্ব-অধঃ
  2. খ) উত্তর-দক্ষিণ
  3. গ) উত্থান-পতন
  4. ঘ) উত্তম-মধ্যম
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তম-মধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তম-মধ্যম
ব্যাখ্যা

উত্তম - মধ্যম। এটি একটি অশুদ্ধ বিপরীতার্থক শব্দজোড়।
সঠিক শব্দজোড়ঃ উত্তম-অধম।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড়ঃ
কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ
কৃতঘ্ন - কৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী।
গরিষ্ঠ - লঘিষ্ঠ।
ঘাতক - পলাতক।
ক্ষুণ্ণ - প্রসন্ন/অক্ষুণ্ণ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

.
চপল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) ঠাণ্ডা
  2. খ) রাশভারী
  3. গ) চালাক
  4. ঘ) সরল
সঠিক উত্তর:
খ) রাশভারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশভারী
ব্যাখ্যা

চপল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে গম্ভীর বা রাশভারী।
রাশভারী শব্দের অর্থ হচ্ছে অত্যন্ত গম্ভীর।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড়ঃ
অগ্রজ - অনুজ
অধমর্ণ - উত্তমর্ণ
ঈদৃশ - তাদৃশ
উত্তর - দক্ষিণ
খেদ - অখেদ/হর্ষ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি ডিকশনারী।

.
সৌধ শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হলো -
  1. ক) সৌউধ
  2. খ) শৌউধ
  3. গ) সৌউধো
  4. ঘ) শৌউধো
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৌউধো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৌউধো
ব্যাখ্যা

সৌধ (বিশেষ্য়) -
বাংলা প্রমিত উচ্চারণ[শোউধো]
অর্থঃ প্রাসাদ; অট্টালিকা
উদাহরণঃ (সৌধ কিরীটিনী যথা মুণ্ডমালা গলে-মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।
সূত্রঃ বাংলা একাডেমি ডিকশনারী।

.
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে?
  1. ক) তুমি ঘুমিয়েই দিন কাটালে
  2. খ) আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু
  3. গ) এমন মেয়ে আর দেখিনি
  4. ঘ) আমার দিন কেটে গেল
সঠিক উত্তর:
খ) আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু
ব্যাখ্যা

বাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদটিকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে।
যেমন -
আর কত খেলে খেলবে।
এখানে 'খেল' ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ 'খেলবে' এবং কর্মপদ 'খেলা' উভয়ই গঠিত হয়েছে।
তাই 'খেলা' পদটি সমধাতুজ বা ধাত্বর্থক কর্ম।
- সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে।
যেমনঃ
এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?
বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)।

.
কোন কোন পদের পুরুষ আছে?
  1. ক) বিশেষ্য, সর্বনাম ও অব্যয়
  2. খ) বিশেষ্য, বিশেষণ ও অব্যয়
  3. গ) বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া
  4. ঘ) বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

'পুরুষ' একটী পারিভাষিক শব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণে কেবলমাত্র বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদেরই পুরুষ আছে।
- বিশেষণ ও অব্যয়ের কোন পুরুষ নাই।

পুরুষ তিন প্রকার।যথা-
উত্তম পুরুষ - আমি, আমরা, আমাদের ইত্যাদি
মধ্যম পুরুষ - তুমি, তোমরা, তোমাকে, তোমাদের, আপনি, আপনারা ইত্যাদি মধ্যম পুরুষ।
নাম পুরুষ - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁরা ইত্যাদি নাম পুরুষ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।

.
‘কেচ্ছা’ কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর:
ক) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আরবি
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
.
বাংলা ভাষায় স্পর্শধ্বনি রয়েছে -
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা

ক থেকে ম পর্যন্ত পাঁচটি বর্গে মোট পঁচিশটি ধ্বনি।
- এসব ধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বার সঙ্গে অন্য বাগযন্ত্রের কোন কোন অংশের কিংবা ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে।
অর্থাৎ এদের উচ্চারণে বাক্‌প্রত্যঙ্গের কোথাও না কোথাও ফুসফুসতাড়িত বাতাস বাঁধা পেয়ে বেরিয়ে যায়।
বাঁধা পেয়ে স্পষ্ঠ হয় বলে এগুলোকে বলে স্পর্শ ধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায় তাকে কী বলে?
  1. ক) পরিমাণবাচক সংখ্যা
  2. খ) অঙ্কবাচক সংখ্যা
  3. গ) পূরণবাচক সংখ্যা
  4. ঘ) তারিখবাচক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) পরিমাণবাচক সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিমাণবাচক সংখ্যা
ব্যাখ্যা

একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায় তা-ই পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা।
যেমন -
- সপ্তাহ বলতে আমরা সাত দিনের সমষ্টি বুঝিয়ে থাকি।
- সপ্ত (সাত) অহ (দিনক্ষণ) = সপ্তাহ।
- এখানে দিন একটি একক।
- এরূপ সাতটী দিন বা সাতটি একক মিলে হয়েছে সপ্তাহ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
‘কারচুপি’ শব্দে ‘কার্‌’ উপসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) মন্দ
  2. খ) অধীন
  3. গ) স্বল্প
  4. ঘ) কাজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজ
ব্যাখ্যা

উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে। এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশি

বিদেশি উপসর্গঃ
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি - এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
এ সঙ্গে কতগুলো বিদেশি উপসর্গ ও রয়েছে।
যেমন - কার্‌, দর্‌, নিম্‌, আম, খাস, লা, ফুল, হেড, সাব ইত্যাদি।

কার্‌
অর্থদ্যোতকতা - কাজ।
উদাহরণ - কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী

১০.
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে কোন সমাস বলে?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) তৎপুরুষ
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোন বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়।
যেমন - বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন।
এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
- তৎপুরুষ সমাস নয় প্রকার।
দ্বিতীয়াঃ দঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত।
তৃতীয়াঃ মন ইয়ে গড়া = মনগড়া।
চতুর্থীঃ গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি।
পঞ্চমীঃ বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত।
ষষ্ঠীঃ চায়ের বাগান = চাবাগান।
সপ্তমীঃ দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা
নঞঃ ন আচার = অনাচার।
উপপদঃ পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
অলুকঃ গায়ে পড়া = গায়ে পড়া।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
নিজেকে সামলাতে পারে না যে তাকে এক কথায় কি বলে?
  1. ক) অদম্য
  2. খ) আত্মঘাতী
  3. গ) অসংযমী
  4. ঘ) অশোক
সঠিক উত্তর:
গ) অসংযমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসংযমী
ব্যাখ্যা

নিজেকে সামলাতে পারে না যে তাকে এক কথায় বলে অসংযমী

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশঃ
নিজেকে হত্যা করে যে = আত্মঘাতী
দমন করা যায় না যাকে = অদম্য
নিবারন করা যায় না যা = অনিবার্য
নিন্দার যোগ্য নয় যা = অনিন্দনীয়, অনিন্দ্য
গমন করতে পারে যে = জঙ্গম।
কেউ যা জানে না = অজ্ঞাত/অজানা।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১২.
নিচের কোনটি বংশধর অর্থে ‘অ’ প্রত্যয় যোগে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় নয়?
  1. ক) যদু + অ = যাদব
  2. খ) শিব + অ = শৈব
  3. গ) রঘু + রাঘব
  4. ঘ) মনু + অ = মানব
সঠিক উত্তর:
খ) শিব + অ = শৈব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিব + অ = শৈব
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

- বংশধর অর্থে ‘অ’ প্রত্যয় যোগে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ঃ
যদু + অ = যাদব
রঘু + রাঘব
মনু + অ = মানব
পুত্র + অ = পৌত্র
দুহিতৃ + অ = দৌহিত্র।

- ভক্তি বা উপাসক অর্থেঃ
শিব + অ = শৈব।
শক্তি + অ = শাক্ত।
বুদ্ধ + অ = বৌদ্ধ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিচের কোন শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয় নি?
  1. ক) বাণিজ্য
  2. খ) কারণ
  3. গ) পণ্য
  4. ঘ) আপণ
সঠিক উত্তর:
খ) কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কারণ
ব্যাখ্যা

ঋ, র, ষ - এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধণ্য বসেঃ
চাণিক্য মাণীক্য গণ
বাণিজ্য লবণ মণ
বেনু বীণা কঙ্কণ কণিকা।
কল্যাণ শোণিত মণি
স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা
আপণ লাবণ্য বাণী
নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ
চিক্কণ নিক্বণ তূণ
কফণি বণিক গুণ
গণণা পিণাক পণ্য বাণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।

১৪.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক) দূর্লভ
  2. খ) মন্ত্রীসভা
  3. গ) স্বরস্বতী
  4. ঘ) হীনম্মন্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীনম্মন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীনম্মন্যতা
ব্যাখ্যা

হীনম্মন্যতা বানানটি সঠিক।

প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক উত্তরঃ
দূর্লভ - দুর্লভ
মন্ত্রীসভা - মন্ত্রিসভা
স্বরস্বতী - সরস্বতী
মূমর্ষ - মুমূর্ষ
স্বস্ত্রীক - সস্ত্রীক/
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১৫.
কোন শব্দটি তামিল ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ক) কুচ্ছিত
  2. খ) কুড়ি
  3. গ) পেট
  4. ঘ) ডিপো
সঠিক উত্তর:
গ) পেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমনঃ কোল, মুণ্ডা প্রভৃতি) ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত রয়েছে।
এসব শব্দকে দেশি শব্দ বলে।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে।
যেমনঃ
কুড়ি (বিশ) - কোলভাষা।
পেট (উদর) - তামিল ভাষা।
চুলা (উনুন) - মুণ্ডারী ভাষা।
- এরূপঃ কুলা, গঞ্জ, চোঙগা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি, ইত্যাদি।

অপরদিকে,
- কুচ্ছিত শব্দটি অর্ধ-তৎসম শব্দ।
- ডিপো শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে আগত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬.
বিশেষণ বোঝাতে অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি হয়েছে কোন বাক্যটিতে?
  1. ক) আমি জ্বর জ্বর বোধ করেছি
  2. খ) ভালো ভালো আম নিয়ে এসো
  3. গ) দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো
  4. ঘ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটিরমিটির
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটিরমিটির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটিরমিটির
ব্যাখ্যা

দ্বিরুক্ত শব্দকে ভাঙলে পাওয়া যায় ‘দ্বি+উক্ত’।
অর্থাৎ, যা দুইবার বলা হয়েছে।
- দ্বিরুক্ত শব্দ ৩ প্রকার- শব্দের দ্বিরুক্তি, পদের দ্বিরুক্তি ও অনুকার দ্বিরুক্তি

পদাত্মক দ্বিরুক্তির প্রয়োগঃ
অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি -
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতেঃ সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতেঃ
বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতেঃ
ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতেঃ
পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনাঃ
ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
নিচের কোনটি সঠিক সমার্থক শব্দ যুগল?
  1. ক) অভ্র, আভা
  2. খ) কুন্তল, ললাট
  3. গ) অম্ভ, অম্বু
  4. ঘ) সুধাকর, প্রভাকর
সঠিক উত্তর:
গ) অম্ভ, অম্বু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অম্ভ, অম্বু
ব্যাখ্যা

অম্ভ, অম্বু শব্দযুগল সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
এদুটি শব্দের অর্থ একই - পানি।
পানি - জল, বারি, সলিল, অম্বু, নীর, উদক, পয়, অম্ভ, তোয়, বারুণ, প্রাণদ, ইরা ইত্যাদি।-

- অভ্র শব্দের অর্থ আকাশ।
- আভা শব্দের অর্থ আলো।
- কুন্তল শব্দের অর্থ চুল
- ললাট শব্দের অর্থ কপাল।
- সুধাকর শব্দের অর্থ চন্দ্র।
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
নিচের কোনটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী “ষ” এর উদাহরণ -
  1. ক) আষাঢ়
  2. খ) ঘনিষ্ঠ
  3. গ) পাষাণ
  4. ঘ) ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) ঘনিষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘনিষ্ঠ
ব্যাখ্যা

ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যথাঃ কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ, পুষ্টি, লঘিষ্ঠ, ঘনিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি।
''ঘনিষ্ঠ'' শব্দটি একটি নিয়ম অনুসারে হয়েছে।

কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমনঃ ঊষা, ঊষর, আভাষ, অভিলাষ, পাষাণ, পোষণ, মানুষ, সরিষা, ঔষধ, ষোড়শ, তোষণ, পৌষ, রোষ, কলুষ, শোষণ, ষড়যন্ত্র ইত্যাদি।
সুত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেনী, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।