পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

পরীক্ষা৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮ বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-২ টপিক: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
‘বাংকার-বাস্টার’ কী
  1. বাঙ্কার
  2. বোমা
  3. মিসাইল
  4. উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
• বাঙ্কার-বাস্টার বোমা :
- "বাঙ্কার বাস্টার" শব্দটি এমন একটি বিস্তৃত শব্দ যা বোমাগুলিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা বিস্ফোরণের আগে ভূপৃষ্ঠের গভীরে প্রবেশ করার জন্য ডিজাইন করা হয়।
- এই ক্ষেত্রে, এটি আমেরিকান অস্ত্রাগারে সর্বশেষ GBU-57 A/B ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর বোমাকে বোঝায়।
- মার্কিন বিমান বাহিনীর মতে, প্রায় 30,000 পাউন্ড (13,600 কিলোগ্রাম) নির্ভুল-নির্দেশিত বোমাটি গভীরভাবে চাপা এবং শক্ত বাঙ্কার এবং টানেলগুলিতে আক্রমণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে এটি বিস্ফোরণের আগে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২০০ ফুট (৬১ মিটার) নীচে ভেদ করতে সক্ষম এবং বোমাগুলি একের পর এক নিক্ষেপ করা যেতে পারে, প্রতিটি ধারাবাহিক বিস্ফোরণের সাথে কার্যকরভাবে আরও গভীরে খনন করা যেতে পারে। 

উল্লেখ্য, 
 - ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধে নিজেকে যুক্ত করে , ওয়াশিংটন ইরানের ফোর্ডো জ্বালানি সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে তার বিশাল "বাঙ্কার-বাস্টার" বোমা ছুঁড়েছে ।
- ইরানের দ্বিতীয় পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা ফোর্ডো। 

উৎস: এপি লিংক
.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ত্রিশ বছর ব্যাপি যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
• Thirty years' war:
- ত্রিশ বছরের যুদ্ধ ছিল ধর্মীয়, রাজবংশীয়, আঞ্চলিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন জাতির দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধের একটি সিরিজ।
- এর ধ্বংসাত্মক অভিযান এবং যুদ্ধগুলি ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং, যখন এটি 1648 সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
- তখন ইউরোপের মানচিত্র অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
• চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
• স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
• স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
•ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কোন দেশের সামরিক সংস্থা?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. কাতার
ব্যাখ্যা
• ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)
- এটি হল ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী শাখা, যা ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী থেকে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের কাছে দায়বদ্ধ ।
- এটি ইরানের প্রথম নেতা (১৯৭৯-৮৯) রুহুল্লাহ খোমেনি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
- এটি ইরান-ইরাক যুদ্ধের (১৯৮০-৮৮) সময় আলী খামেনির সভাপতিত্বে (১৯৮১-৮৯) ​​শক্তিশালী হয়েছিল 

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে শুরু করা ইসরায়েল সামরিক অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  2. অপারেশন ব্ল‍্যাক থান্ডার স্টর্ম
  3. অপারেশন রাউদা লায়ন
  4. অপারেশন রাইজিং লায়ন
ব্যাখ্যা
• অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

•'ট্রু প্রমিজ থ্রি'
- ইসরায়েলি সরকারের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে ইরান।
- অপারেশন 'ট্রু প্রমিজ থ্রি'-এর অংশ হিসেবে একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

উৎস: daily-sun website.লিংক
.
ইউনিট ৮২০০ কী?
  1. কোড
  2. গুপ্তচর সংস্থা
  3. অপারেশন সংকেত
  4. সায়েন্স ফিকশন
ব্যাখ্যা
• ইউনিট ৮২০০ :
- ইউনিট ৮২০০-কে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয় এবং এই ইউনিটের মাধ্যমেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইলেকট্রনিক মাধ্যমে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করে।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মতে, এটি তাদের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট।
- ইউনিট ৮২০০-তে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করে এবং এখানে যারা কাজ করে তারা এলিট এবং শিক্ষিত বাহিনী থেকে বাছাই করা।
- এই ইউনিটে কাজ করা সদস্যদের সংখ্যা মোসাদ ও শিন বেটের সদস্যদের থেকেও বেশি।
-  গোয়েন্দাগিরির জন্য ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র বানানোর দায়িত্বও ইউনিট ৮২০০-এর।
-  ২০১০ সালে ইরানে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর সাইবার হামলায় ইউনিট ৮২০০ জড়িত ছিল।

উল্লেখ্য,
ইসরায়েলের আরো গোয়েন্দা ইউনিট গুলো হল:
• মোসাদ:
- মোসাদ গঠিত হয় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় বছর পর, ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে।
- তাদের কাজ ছিল ইসরায়েলকে বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্ব নিরাপদ রাখা।

• শাবাক বা শিন বেট:
- শাবাক বা শিন বেট গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- শিন বেট দাবি করে, তারা পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আসা হুমকির বিরুদ্ধে 'অদৃশ্য ঢাল' হিসেবে কাজ করে।

• আমান: 
- আমান হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ সদর দপ্তরের অধীনে কাজ করে।
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সামরিক কমান্ডকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা।
- ইসরায়েলে গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাস ইসরায়েলের অস্তিত্বের চেয়েও পুরনো।

উৎস: বিবিসি লিংক
.
AGM-114 Hellfire কোন দেশের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• AGM-114 Hellfire: 
- হেলফায়ার হল একটি আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য, লেজার নির্দেশিত, সাবসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যার উল্লেখযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি হেলিকপ্টার বা ধীর গতির স্থির-উইং বিমানের বিরুদ্ধে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
- হেলফায়ারকে আকাশ থেকে আকাশে অথবা আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এয়ার-টু-গ্রাউন্ড (AGM)-114 ট্যাঙ্ক, কাঠামো, বাঙ্কার এবং হেলিকপ্টারগুলির বিরুদ্ধে নির্ভুলভাবে আঘাত করার ক্ষমতা প্রদান করে। হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি আজ বিশ্বের যেকোনো পরিচিত ট্যাঙ্ককে পরাজিত করতে সক্ষম। এটি বিমানের ভেতর থেকে অথবা বিমানের বাইরে লেজারের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে পরিচালিত হতে পারে।
- ১৯৭২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র AGM-114 Hellfire তৈরি শুরু করে, যাতে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপযোগ্য, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা যায় যাতে সোভিয়েত বর্ম গঠনগুলিকে স্ট্যান্ডঅফ রেঞ্জে মোকাবেলা করা যায়।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নামকরণ করা হয়েছিল মূলত HELFIRE, অথবা "HELiborne, Laser, FIRE and Forget Missile"। মার্কিন সেনাবাহিনী পরবর্তীতে "Hellfire" নামটি আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে গ্রহণ করে।

উৎস: the defence matrix website [ লিংক]
.
অটোয়া কনভেনশনে কী নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. স্থলমাইন মজুদ
  2. স্থলমাইন উৎপাদন
  3. স্থলমাইন ব্যবহার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• অটোয়া কনভেনশন
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি, যেটা অটোয়া কনভেনশন নামে পরিচিত, সেই চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশের স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন, ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- কানাডার অটোয়ায় ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। 
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে। 

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs (UNODA).
.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭০ সাল
  2. ১৬৮ সাল
  3. ১৯৭২ সাল
  4. ১৯৭১ সাল
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):

• চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
• পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
• পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
• পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
• এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।


• চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট লিংক
.
’রাফাল’ কোন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান?
  1. ৪র্থ প্রজন্মের
  2. ৫ম প্রজন্মের
  3. ৪.৫ প্রজন্মের
  4. ৩য় প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
• রাফাল যুদ্ধবিমান:
- রাফাল যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের দাসোঁ এভিয়েশনের তৈরি ।
-  রাফাল যুদ্ধবিমানগুলো তৈরি করেছে ফরাসি মহাকাশ সংস্থা ডাসোঁ এভিয়েশন।
- এটি আধুনিক ও বিধ্বংসী ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান।।
- এই যুদ্ধবিমানটি ১ দশমিক ৮ মাক গতি অর্জন করতে পারে (ঘণ্টায় প্রায় ২ হাজার ২২৩ কিমি) এবং এর কমব্যাট রেঞ্জ ১ হাজার
৮৫০ কিমি।
- প্রধান ব্যবহার: এয়ার সুপারিওরিটি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নিকটবর্তী আক্রমণ, দূরপাল্লার আক্রমণ, গোয়েন্দাগিরি, নৌযান বিধ্বংসী আক্রমণ, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা।

উৎস: i) Dassault Aviation.
ii) The Business Standard.
১০.
’ক্যাম্প ডেভিড‘ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মেরিল্যান্ড
  2. জর্জিয়া
  3. হাওয়াই
  4. অটোয়া
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের  মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, ক্যাম্পডেভিড অবকাশযাপন কেন্দ্রে স্বাক্ষরিত ইসরাঈল ও মিশরের মধ্যকার ১৯৭৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিকে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বলে।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- স্বাক্ষর করে- মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইল প্রধানমন্ত্রী মেনামে বেগিন । 
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- ফলাফল- সাময়িকভাবে মিশরকে OIC ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য: 
- ক্যাম্পডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের  মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি  অবকাশযাপন কেন্দ্রে।
- এখানে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে বলে চুক্তিটি ক্যাম্পডেভিড নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১১.
রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়—
  1. ১৮৭৪ সালে
  2. ১৬৭৫ সালে
  3. ১৯০৭ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
• কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
• কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
• রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.
১২.
সানশাইন পলিসি কোন দেশের সাথে জড়িত?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
•সানশাইন পলিসি: 
- "সানশাইন নীতি” হল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- এই ভিত্তির সাথে লক্ষ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
- দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিম দে-জুং এই ব্যাখ্যা প্রবর্তন করেন।
-  ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত  এ নীতি কার্যকর ছিল।
-  সানশাইন পলিসি বাস্তবায়নে ফলে, কিম দা-জুংকে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
১৩.
বাংলাদেশ কত তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৩১ আগস্ট, ২০২৪
  2. ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  4. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ:

• পূর্ণ নাম: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
-গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের এই সনদে
স্বাক্ষর করেন।
- প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করার লক্ষ্যে এই
কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হয়।

উৎস: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS).
১৪.
যুক্তরাষ্ট্র কোন চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. START-1
  2. ABM Treaty
  3. NEW START
  4. SALT-2
ব্যাখ্যা
The Anti-Ballistic Missile (ABM) Treaty.
- কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে,
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল (ABM) চুক্তিটি ২৬ মে, ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এবং ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে কার্যকর হয়।

• ২০০২ সালের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র  চুক্তিটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
- চুক্তির প্রস্তাবনায়, উভয় পক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী ব্যবস্থার কার্যকর সীমাবদ্ধতা "কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়" হবে।
১৫.
কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি-
  1. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৫১
  2. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১
  3. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৪৯
  4. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১:
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ হল : কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি।
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- চািক্তটি গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্বাক্ষরিত হওয়ার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে 'চুক্তির বরখেলাপ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত 'ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস' চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৬ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• ব্রাসেলস চুক্তি , (১৯৪৮):
-  ব্রিটেন , ফ্রান্স , বেলজিয়াম , নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
- এর ফলে ন্যাটো এবং পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের সূত্রপাত হয় ।
-  চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো, এইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পশ্চিম ইউরোপের নিরাপত্তায় ভূমিকা পালন করতে উৎসাহিত করা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৮.
নিচের কোন দেশটি কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• কোয়াড (Quad):
- চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue) বা সংক্ষেপে কোয়াড হল একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত 'ভারত মহাসাগর' ও 'প্রশান্ত মহাসাগরে' নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: Council on Foreign Relations.
১৯.
জেনেভা কনভেনশন এর বিষয়বস্তু কী?
  1. শরনার্থীদের প্রতি আচরণ
  2. মানবাধিকার বিষয়ক বিধি
  3. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ
  4. শিশু অধিকার সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২০.
জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA) কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. ইরান ও পি-৫
  3. ইরান ও পি-৫ + ১
  4. ইরান ও পি-৪ + ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
• Joint Comprehensive Plan of Action:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ডেমোক্র্যাটিক প্রশাসন এবং P5+1 সহ বিশ্বশক্তিগুলির অংশগ্রহণে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (JCPOA) নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
- " জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA) "ইরান পারমাণবিক চুক্তি" নামে বেশি পরিচিত।
 - ২০১৫ সালে ইরান এবং P5+1 মধ্যে চুক্তিটি হয়েছিল।
- যার মাধ্যমে ইরানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়।
- ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন।
- ২০১৯ সালে ইরান JCPOA-তে তার নিজস্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য:
•P5 হলো জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ
• P5+1 হলো - জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ + জার্মানি।

উৎস: U.S. Department of State (.gov).
২১.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. CTBT
  2. NPT
  3. NATO
  4. SALT
ব্যাখ্যা
• নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়- NATO.
- NATO একটি সামরিক জোট।

• ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
-  এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।

অন্যদিকে,
• Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:
-  এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো আন্তর্জাতিক চুক্তি
 - স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল

• SALT -1
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্রসীমিতকরণ চুক্তি।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২২.
Central Intelligence Agency (CIA) সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভার্জিনিয়ায়
  2. নিউইয়র্ক
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ফ্লোরিডা
ব্যাখ্যা
• Central Intelligence Agency (CIA):
- CIA-এর পূর্ণরূপ Central Intelligence Agency.
- ১৯৪৭ সালে CIA-এ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি অংশ।
- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্টের ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত।
- এর একজন পরিচালকের পাশাপাশি একটি নির্বাহী অফিস এবং সংস্থার মধ্যে পাঁচটি প্রধান বিভাগ রয়েছে।
- CIA এর একটি অনানুষ্ঠানিক নীতিবাক্যও রয়েছে: "আপনি সত্য জানতে পারবেন এবং সত্য আপনাকে মুক্ত করবে"।
- এটি রাশিয়া, চীন, কিউবা, উত্তর কোরিয়া এবং ইরাকের মতো অন্যান্য দেশে গোপন অভিযানে জড়িত।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে CIA যে সমস্ত কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল তার মধ্যে রয়েছে ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করা, স্নায়ুযুদ্ধের সময় কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোকে হত্যার চেষ্টা, ইন্টারনেট এবং ইমেলের নজরদারিতে।

উৎস: Worldatlas.com & Britannica.com
২৩.
ANZUS সামরিক জোট এর সদস্য রাষ্ট্র-
  1. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  2. আরব-আমিরাত, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
ANZUS (Australia, New Zealand, United States Security Treaty)

• চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫১ সালে।
• উদ্দেশ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• এটি একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি।
• যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বর্তমানে সক্রিয় নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov)
২৪.
’মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র’ এর ধারা কয়টি?
  1. ৫১ টি
  2. ৪৭ টি
  3. ৩০ টি
  4. ৬১ টি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে।
- এই ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা রয়েছে।
- এই ঘোষণাপত্রে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ প্রভৃতি নির্বিশেষে সকলের জন্যে কতগুলো অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।

 উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৫.
হুতি বিদ্রোহী গোষ্টী কোন ধর্মীয় মতাদর্শের?
  1. শিয়া
  2. সুন্নি
  3. কাদেরিয়া
  4. ওয়াবী
ব্যাখ্যা
• হুথি আন্দোলন: 
- আনুষ্ঠানিক নাম - আনসারুল্লাহ (Ansar Allah) — অর্থাৎ "আল্লাহর সমর্থক"
- ধর্মীয় পরিচয় - শিয়া ইসলাম (জাইদি মতবাদ অনুসারী)
- গঠনকাল ১৯৯০-এর দশকে ইয়েমেনে।
- প্রতিষ্ঠাতা নেতা- হুসেইন আল-হুথি
- আন্দোলনের সূচনা উদ্দেশ্য : ধর্মীয় পুনর্জাগরণ, বিশেষ করে ওয়াহাবি মতবাদের বিরোধিতা এবং জাইদি শিয়াদের অধিকার রক্ষা
- সশস্ত্র রূপ গ্রহণ - ২০০৩ সালের পর
- ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় হুথিরা সাআদা প্রদেশ দখল করে এবং সালেহ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়
- ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা সানা’র বিভিন্ন অংশ এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবন দখল

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬.
’অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ কোন দুটি দেশের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইরান-ইরাক
  2. চীন-জাপান
  3. রাশিয়া-ইউক্রেন
  4. ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
• হামাস কর্তৃক ইসরায়েল অভিযান:
- হামাস ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন।
- ৭ অক্টোবর, ২০২৩ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়।
- গাজা উপত্যকা থেকে হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের নাম 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

উৎস: আল জাজিরা।
২৭.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. গুলজারীলাল নন্দা
  2. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  3. পিভি নরসিমহা রাও
  4. অটল বিহারী বাজপেয়ী
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮.
ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি কোনটি?
  1. আল-আসাদ
  2. সাইট-৫১২
  3. আল-ধফরা
  4. আল-তানফা
ব্যাখ্যা
• "সাইট ৫১২," ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণের জন্য ইসরায়েলের মরুভূমিতে একটি গোপন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
•  সামরিক ঘাঁটির প্রাথমিক কাজ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি দূরপাল্লার রাডার সুবিধা পরিচালনা করা।
• এই দূরপাল্লার রাডার সুবিধাটি ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অন্যান্য মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরান বা তার প্রক্সি গোষ্ঠীগুলির যেকোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্বপ্রাপ্ত।

অন্যদিকে,
• সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি- আল-তানফা।
• ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি - আল-আসাদ
• সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি- আল-ধফরা

উৎস: Defence Security Asia.
২৯.
Wolf Warrior Diplomacy কোন দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. কোরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
• নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি (Wolf Warrior Diplomacy):
- এটি একটি আধুনিক কূটনৈতিক কৌশল বা পদ্ধতি, যা চীনের সম্প্রতিক কূটনৈতিক মনোভাব ও আচরণকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের (বিশেষত রাষ্ট্রদূতদের) আক্রমণাত্মক, কঠোর, এবং প্ররোচনামূলক মনোভাব এবং শাব্দিক আক্রমণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ২০২০ সাল থেকেই নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চালিয়ে আসছে চীন।
- চীনের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩০.
PTA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Preferable Trade Agreement
  2. Potential Trade Agreement
  3. Potential Traditional Agreement
  4. Preferential Trade Agreement
ব্যাখ্যা
• Preferential Trade Agreement (PTA):
 - বাংলাদেশের প্রথম 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি'।
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
-৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৩১.
বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তি-
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি:
• ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ’অ্যাভানগার্ড’ কোন দেশের তৈরি?
  1. জার্মান
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• অ্যাভানগার্ড:
- হল রাশিয়ান ফেডারেশন কর্তৃক তৈরি একটি পারমাণবিক-সক্ষম, হাইপারসনিক বুস্ট-গ্লাইড যান।
- এটি ২০১৮ সালের মার্চ মাসে এক ভাষণে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন কর্তৃক বর্ণিত ছয়টি "পরবর্তী প্রজন্মের" অস্ত্রের মধ্যে একটি।
• বিকল্প নাম - প্রকল্প ৪২০২, ইউ-৭৪
• শ্রেণী - হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল (HGV)

উৎস: missilethreat website.
৩৩.
কোন দেশ পারমাণবিক শক্তির অধিকারী নয়?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে বর্তমানে স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ৮ টি।
দেশগুলো হলো -
যুক্তরাষ্ট্র,
রাশিয়া,
যুক্তরাজ্য,
ফ্রান্স,
চীন,
ভারত,
পাকিস্তান
ও উত্তর কোরিয়া।

উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার লিংক।
৩৪.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন সমূহ অভিহিত হয়-
  1. আটটি রেডক্রস কনভেনশন
  2. চারটি রেডক্রস কনভেনশন
  3. পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন
  4. সাতটি রেডক্রস কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৩৫.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. আলবেনিয়া
  2. মরক্কো
  3. পাকিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।