পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
Bangla - 05: বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাদের সাহিত্যকর্ম)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কোন ধরণের?
  1. ক) রোমান্টিক
  2. খ) অতিনাটক
  3. গ) করুণ রসাত্মক
  4. ঘ) ব্যঙ্গ বিদ্রুপাত্মক
সঠিক উত্তর:
গ) করুণ রসাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করুণ রসাত্মক
ব্যাখ্যা
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি করুণ রসাত্মক
- এক অপরিসীম যন্ত্রনাদগ্ধ পরিণতির মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে রচনাটি। 
- ট্র্যাজেডিসদৃশ বেদনাবহতা এই নাটকে বিদ্যমান। 
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র সিরাজের ব্যক্তিত্ব ও প্রজ্ঞা একইভাবে ট্র্যাজিডির শিল্পমানকে স্পর্শ করেছে। 

 সিকান্দর আবু জাফর(১৯১৯-১৯৭৫):
- সাহিত্যিক, সাংবাদিক সিকান্দর আবু জাফর এর পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখ্ত সিকান্দার।
- ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- আবু জাফর ১৯৫০ সালে  কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন এবং বিভিন্ন সময়ে দৈনিক নবযুগ,  ইত্তেফাক,  সংবাদ ও মিল্লাত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।
- তিনি মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০) ছিলেন। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
উপন্যাস
- পূরবী (১৯৪১),
- নতুন সকাল (১৯৪৬);

ছোটগল্প
- মাটি আর অশ্রু (১৯৪২),
- কবিতা প্রসন্ন শহর (১৯৬৫),
- তিমিরান্তিক (১৯৬৫),
- বৈরী বৃষ্টিতে (১৯৬৫),
- বৃশ্চিক-লগ্ন (১৯৭১),
- বাংলা ছাড়ো (১৯৭১);

নাটক
- সিরাজ-উদ-দৌলা (১৯৬৫),
- মহাকবি আলাউল (১৯৬৬)।

আবু জাফর অনুবাদক হিসেবেও খ্যাত ছিলেন।
তাঁর কয়েকটি অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস (১৯৫৯),
- সেন্ট লুইয়ের সেতু (১৯৬১),
- রুবাইয়াৎ : ওমর খৈয়াম (১৯৬৬) ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ)।
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ : দলিলপত্র সংকলন ও সম্পাদনা করেন কে?
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ১৫ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ : দলিলপত্র (১৯৮২-৮৩) প্রকাশিত হয়। 
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।
-  ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- কর্মজীবনে হাসান হাফিজুর রহমান শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরে চাকরি এমন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। 
- ১৯৫২ সালে সাপ্তাহিক  বেগম পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। পরে  সওগাত (১৯৫৩), ইত্তেহাদ (১৯৫৫-১৯৫৭), পাকিস্তান  (১৯৬৫) এবং স্বাধীনতার পর দৈনিক বাংলা পত্রিকায় কাজ করেন। 
-  ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তান আমলে পাকিস্তানীদের নিয়ন্ত্রিত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করলেও গণচেতনা ও গণদাবির প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। 

 তাঁর মৌলিক গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে:
- বিমুখ প্রান্তর (১৯৬৩),
- আধুনিক কবি ও কবিতা (১৯৬৫),
- সীমান্ত শিবিরে (১৯৬৭),
- আর্ত শব্দাবলী (১৯৬৮),
- আরো দুটি মৃত্যু (১৯৭০),
- মূল্যবোধের জন্যে (১৯৭০),
- যখন উদ্যত সঙ্গীন (১৯৭২),
- সাহিত্য প্রসঙ্গ (১৯৭৩),
- দক্ষিণের জানালা (১৯৭৪),
- প্রতিবিম্ব (১৯৭৬),
- বজ্রে চেরা আঁধার আমার (১৯৭৬), 
- শোকার্ত তরবারী (১৯৮২),
- আমার ভেতরের বাঘ (১৯৮৩) ইত্যাদি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
.
আলাউদ্দিন আল আজাদের 'হাড়' কবিতার পটভূমি কী ?
  1. ক) পলাশী যুদ্ধ পরবর্তী সংগ্রাম
  2. খ) সিপাহী যুদ্ধ পরবর্তী সংগ্রাম
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সংগ্রাম
  4. ঘ) বুদ্ধিজীবি হত্যা
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশী যুদ্ধ পরবর্তী সংগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশী যুদ্ধ পরবর্তী সংগ্রাম
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত 'হাড়' কবিতাটি তাঁর 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? 
- দেশপ্রেম মূলক এই কবিতার মধ্যে এদেশের সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস ও তাৎপর্য উন্মোচিত হয়েছে। 
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর থেকে যে শোষন, নির্যাতন, নিপীড়নের পটভূমিতে যে বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়েছিলো কবিতাটিতে সেই সংগ্রামের পরিচয় ফুটে উঠেছে। 

আলাউদ্দিন আল আজাদের উল্লেখযোগ্য কাবগ্রন্থ:
- মানচিত্র (১৯৬১),
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২),
- লেলিহান পান্ডুলিপি (১৯৭৫),
- নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ (১৯৮৩),
- সাজঘর (১৯৯০) ,
- শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭)।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ)
.
'অশনি সংকেত' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) মীর মোশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'অশনি সংকেত' উপন্যাসটির রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ। আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কিভাবে বিস্তার লাভ করেছে তাঁর নিখুত বর্ণনা লাভ করেছে এই উপন্যাসে। 
- উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে। 
- 'অশনি সংকেত' উপন্যাসটির পটভূমি বিভূতিভূষণের নিজ গ্রাম বরাকপুর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বনগ্রাম মহকুমা শহর।
- এই উপন্যাসটি সত্যজিৎ রায় একই নামে চলচিত্রে রূপদান করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ক) মীর মোশাররফ হোসেন - মৌমাছি
  2. খ) সমরেশ বসু - কালকূট
  3. গ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় - বীরবল
  4. ঘ) কালী প্রসন্ন সিংহ - টেকচাঁদ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
খ) সমরেশ বসু - কালকূট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমরেশ বসু - কালকূট
ব্যাখ্যা
কিছু উল্লেখযোগ্য লেখকের ছদ্মনাম নিম্নরুপ- 
- মীর মোশাররফ হোসেন - গাজী মিয়া
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানুসিংহ
- প্রমথ চৌধুরী - বীরবল
- প্যারীচাঁদ মিত্র - টেকচাঁদ ঠাকুর
- কাজেম আল কোরায়েশী - কায়কোবাদ
- কালী প্রসন্ন সিংহ - হুতোম পেঁচা
- ফররুখ আহমদ - বানভট্ট
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় - বনফুল
- বিমল ঘোষ - মৌমাছি
- রাজশেখর বসু - পরশুরাম
- সমরেশ বসু - কালকূট
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় - নীল লোহিত

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণকাহিনী মূলক রচনা নিম্নের কোনটি?
  1. ক) চীনযাত্রী
  2. খ) ইংল্যন্ডের ডায়রী
  3. গ) পশ্চিমের যাত্রী
  4. ঘ) রাশিয়ার চিঠি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার চিঠি
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট বারো বার বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। তিনি পাঁচটি মহাদেশের ত্রিশটিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেন।
তাঁর এসব ভ্রমনকাহিনি তিনি বিভিন্ন গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।

তাঁর ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ:
- ইউরোপ প্রবাসীর পত্র 
- ইউরোপ প্রবাসীর ডায়রী 
- রাশিয়ার চিঠি 
- পারস্যে 
- জাপান যাত্রী 

অন্যদিকে, চীনযাত্রী - কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
                  ইংল্যন্ডের ডায়রী  - শিবনাথ শাস্ত্রী 
                 পশ্চিমের যাত্রী  - সুনীতিকুমার  চট্টোপাধ্যায় 


উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'সাম্য' প্রবন্ধগ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) বিজন ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'সাম্য' প্রবন্ধগ্রন্থটির লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত সাম্য বিষয়ক  তিনটি এবং 'বঙ্গদেশের কৃষক' প্রবন্ধের কিছু অংশ নিয়ে গ্রন্থটি প্রকাশিত। 
- এই প্রবন্ধে সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা কামনা এবং কৃষকদের দুঃখের কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক শোষণকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধ গ্রন্থসমূহ:
- কমলাকান্তের দপ্তর
- লোকরহস্য
- কৃষ্ণ চরিত্র
- বিজ্ঞানরহস্য
- বিবিধ সমালোচনা
- প্রবন্ধ-পুস্তক
- সাম্য
- কৃষ্ণ চরিত্র
 -বিবিধ প্রবন্ধ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ক্রীতদাসের হাসি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. গ) শেখ আজিজুর রহমান
  4. ঘ) সত্যেন সেন
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ আজিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ আজিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
'ক্রীতদাসের হাসি' গ্রন্থের রচয়িতা শওকত ওসমান।
- কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক শওকত ওসমান এর প্রকৃত নাম প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। 
- শওকত ওসমানের 'ক্রিতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসটিতে প্রতীকাশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী (১৯৫৮),
- ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২),
- সমাগম (১৯৬৭),
- চৌরসন্ধি (১৯৬৮),
- রাজা উপাখ্যান (১৯৭১),
- জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১),
- দুই সৈনিক (১৯৭৩),
- নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩),
- পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩),
- আর্তনাদ (১৯৮৫),
- রাজপুরুষ (১৯৯২);


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর নদের এলো বান" - কার রচনা?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) জসীমউদ্দিন
  3. গ) রজনীকান্ত সেন
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
"বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর নদের এলো বান" - পঙক্তি টি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থের 'বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর' কবিতার অন্তর্গত।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।
- ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় তার ''অভিলাষ'' কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী (১৮৯০) 
- সোনার তরী (১৮৯৪)
- চিত্রা (১৮৯৬)
- চৈতালি (১৮৯৭)
- কল্পনা (১৯০০)
- ক্ষণিকা (১৯০০)
- গীতাঞ্জলি (১৯১০)
- বলাকা (১৯১৬)
- পূরবী (১৯২৫)
- পুনশ্চ (১৯৩২)
- পত্রপুট (১৯৩৬)
- সেঁজুতি (১৯৩৮)
- শেষলেখা (১৯৪১) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
বাংলা সাহিত্যে 'সাহিত্যবিশারদ' কার উপাধি?
  1. ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. খ) আবুল ফজল
  3. গ) আবদুল করিম
  4. ঘ) দীনেশচন্দ্র সেন
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ(১৮৭১-১৯৫৩):
- আবদুল করিম ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং প্রাচীন বাংলা পুঁথির সংগ্রাহক ও ব্যাখ্যাকার।
- বৃহত্তর চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সুচক্রদন্ডী গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- ১৯২০-২১ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ তাঁর রচিত বাংলা পুঁথির তালিকা বাঙালা প্রাচীন পুথির বিবরণ শিরোনামে দুখন্ডে প্রকাশ করে। তাঁর সংগৃহীত পুঁথির বেশির ভাগ মুসলমান কবিদের লেখা এবং ঐগুলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত আছে। হিন্দু কবিদের লেখা অবশিষ্ট পুঁথিগুলি রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরকে দেওয়া হয়।
- আবদুল করিম এগারোটি প্রাচীন বাংলা গ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। 
- তাঁর সংগৃহীত মুসলমান কবিদের রচিত পান্ডুলিপিগুলি থেকে জানা যায় যে, সেকালের মুসলিম মনীষীরা বাংলা সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
- নদীয়া সাহিত্য সভা তাঁকে ‘সাহিত্যসাগর’ উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে এবং চট্টল ধর্মমন্ডলী তাঁকে ‘সাহিত্য বিশারদ’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি বরাবরই শেষোক্ত খেতাবটি পছন্দ করতেন এবং নিজ নামের সঙ্গে তা ব্যবহার করতেন।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া।
১১.
পঞ্চপাণ্ডব বলা হয় কাদের?
  1. ক) মধ্যযুগের কবিদের
  2. খ) তিরিশের কবিদের
  3. গ) চল্লিশের কবিদের
  4. ঘ) পঞ্চাশের কবিদের
সঠিক উত্তর:
খ) তিরিশের কবিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিরিশের কবিদের
ব্যাখ্যা
তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন। 
তাঁরা হলেন:
- অমিয় চক্রবর্তী
- জীবনানন্দ দাশ,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত,
- বুদ্ধদেব বসু ও
- বিষ্ণু দে

- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। 

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।