পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড – ২] বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি-২ [১০০ নাম্বার] (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) ১) বাংলাদেশের সংবিধান। ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা। ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২ অনুসারে কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক-
  1. ক) রংপুর
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২-এর  প্রতিবেদন অনুসারে:
সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগ, হার প্রায় ৭৯,
• বরিশাল, ৭৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ,
• চট্টগ্রামে ৭৬ দশমিক ৫৩,
• খুলনায় প্রায় ৭৫,
• সিলেট ৭১ দশমিক ৯২,
• রাজশাহী ৭১ দশমিক ৯১,
 • রংপুর ৭০ দশমিক ৭৫,
• ময়মনসিংহে ৬৭ শতাংশ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২।
.
আলীগড় আন্দোলন কে গড়ে ‍তুলেন?
  1. ক) তিতুমীর
  2. খ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  3. গ) সৈয়দ আহমদ খান
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
উনিশ শতকের মধ্যভাগে স্যার সৈয়দ আহমদ খান উত্তর ভারতে আলীগড় আন্দোলন গড়ে তোলেন।

• সৈয়দ আহমদ খান:

- আলীগড় আন্দোলনের মূলে ছিলো মুসলমানদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা এবং ইংরেজদের সাথে সুসম্পর্ক বজায রেখে মুসলমানদের উন্নয়ন সাধন। 
- এই লক্ষে সৈয়দ আহমদ খানের প্রচেষ্টায় আলীগড় বিশ্বদ্যিালয় প্রতিষ্টিত হয়।
- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে সৈয়দ আহমদ খান ‘মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স’ নামে একটি সংস্থা গঠন করেন। 
 - সৈয়দ আহমদ খান কুরআনের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দেন।

- তিনি বেনারসে ‘ভারতীয় মুসলমানদের শিক্ষা উন্নয়ন সমিতি’, নামে একটি সংস্থাও গঠন করেন।
- এ সমিতির সুপারিশে মুসলমানদেরকে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য সৈয়দ আহমদ খান ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে আলীগড়ে ‘মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। দু’বছর পরে এটি কলেজে উন্নীত হয়।

- ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে উক্ত ‘মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ’ প্রতিষ্ঠার পর আলীগড় মুসলমানদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
-  সৈয়দ আহমদ খানের আহবানে আলীগড়ে ‘মোহামেডান ডিফেন্স এসোসিয়েশন’ গঠিত হয়।
- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে স্যার সৈয়দ আহমদ মৃত্যুবরণ করেন। 

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে -
  1. ক) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. খ) বিচারকগণ
  3. গ) চাকরিজীবীগণ
  4. ঘ) সশস্ত্রবাহিনী
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরকার ও জনসাধারণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- সরকারি কাঠামোর বাইরে থেকে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
- সুশীল সমাজ কাজ করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করে। 
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠনগুলো চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। যেমনঃ আইএমএফ, জাতিসংঘ, বিশ্ব ব্যাংক ইত্যাদি।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
“সেই জনগোষ্ঠীকে বোঝায় যারা সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার গঠনে প্রয়াসী।” - রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সংজ্ঞাটি প্রদান করেন -
  1. ক) ম্যাকাইভার
  2. খ) এডমন্ড  বার্ক
  3. গ) অধ্যাপক ফাইনার
  4. ঘ) অধ্যাপক গেটেল
ব্যাখ্যা
ম্যাকাইভার বলেন, “রাজনৈতিক দল বলতে সেই জনগোষ্ঠীকে বোঝায় যারা সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার গঠনে প্রয়াসী।”

 গুরুত্বপূর্ণ আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দ্লের সংজ্ঞা: 
▪ এডমন্ড  বার্ক বলেন, “রাজনৈতিক দল এরূপ একটি জনসমষ্টি যারা কিছু ঐক্যবদ্ধ নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ অর্জনের জন্যে সংঘবদ্ধ হয়েছে।”
▪ অধ্যাপক গেটেল বলেন, “রাজনৈতিক দল বলতে কম-বেশি সংগঠিত একদল লোককে বোঝায়, যারা রাজনৈতিকভাবে এককরূপে কাজ করে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সরকার গঠন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়।
▪ অধ্যাপক ফাইনার বলেন, “আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।”
▪ অধ্যাপক সুম্পিটার রাজনৈতিক দলের একটি সংক্ষিপ্ত অথচ উত্তম সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল এমন একটি সংস্থা যার সদস্যবৃন্দ রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় ঐক্যবদ্ধ।”

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা - নওয়াব আব্দুল লতিফ।

• আবদুল লতিফের জন্ম- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলায়।
- কলকাতা মাদ্রাসায় তিনি ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে আবদুল লতিফ প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন এবং ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বাংলায় ব্যবস্থাপক পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন। 
- কর্মজীবনে কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার প্রথমে তাঁকে ‘খান বাহাদুর’ এবং পরে ‘নওয়াব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- আবদুল লতিফের সর্বাপেক্ষা উল্লেখ্যযোগ্য কীর্তি ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সম্প্রতি ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন কে?
  1. ক) ড. আবদুল মালেক মজুমদার
  2. খ) শিরিন শারমিন চৌধুরী
  3. গ) এডভোকেট আবুদল হামিদ
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
২০২২ সালে ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

- বিশ্বের প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
- এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন।
- আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডায়াবেটিস সম্মেলন-২০২২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আকতার হোসেনের কাছ থেকে এ সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদ্বয়ের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে? 
  1. ক) সাঁওতালী ও চাকমা
  2. খ) চাকমা ও মগ
  3. গ) হাজং ও চাকমা
  4. ঘ) হাজং ও সাওতাল
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে ৫০ টি উপজাতি বসবাস করলেও এদের সকলের নিজস্ব ভাষা নেই।
- কোচ, রাজবংশী, হাড়ি, পাতোর, বেদে সহ অনেকগুলো উপজাতীরই নিজস্ব ভাষা নেই। এরা বাংলা ভাষায় কথা বলে।
- ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠীদের মধ্যে একমাত্র চাকমা এবং মগ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১১ টি উপজাতি বসবাস করে।
- বাংলাদেশে উপজাতি ভাষার সংখ্যা ত্রিশটির অধিক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
.
'একুশে পদক-২০২৩' পুরস্কার প্রদান করা হয় কয়টি প্রতিষ্ঠানকে?
  1. ক) ১ ‍টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৩:
- একুশে পদক-২০২৩ পাচ্ছেন ১৯ ব্যক্তি, ২ প্রতিষ্ঠান
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে পায়- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও  বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।

- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় 'একুশে পদক-২০২৩' এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
ওরাওঁ জনগােষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) বরগুনা-পটুয়াখালী
  2. খ) রাঙামাটি-বান্দরবান
  3. গ) ময়মনসিংহ-হবিগঞ্জ
  4. ঘ) রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ওরাও:
- ওরাও বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১০.
বাংলাদেশে কোন উপজাতির অস্তিত্ব নেই?
  1. ক) কোচ
  2. খ) রাখাইন
  3. গ) খুমি
  4. ঘ) মাসাই
ব্যাখ্যা
- কেনিয়া ও তানজানিয়ার সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতি - মাসাই।
- কোচ তিব্বতী-বর্মী পরিবারের অন্তর্গত এরা ভারতে ও বাংলাদেশে বসবাস করে।
- রাখাইন সম্প্রদায় বসবাস করে বাংলাদেশের  কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়।
- খুমি সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাস করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
কবে থেকে বাংলাদেশে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার‘ প্রবর্তন করা হয়েছে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৮১ সাল
ব্যাখ্যা
১৯৭৭ সাল স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

• স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের ‘মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।

• ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন -
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম সিরাজুল হক

• চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-
- অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
১২.
সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসন বিভাগের সকল ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত থাকে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলো নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান
• সরকারের অঙ্গ সংগঠন তিনটি :
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ
- বিচার বিভাগ।
• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।


উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৩.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা
  2. খ) শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) যুক্তফ্রন্ট গঠন 
  4. ঘ) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ইতিহাসে  আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠ - ২৩ জুন ১৯৪৯ সালে।
• যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে,
• শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয় ১৯৫৬ সালে;
• শিক্ষা আন্দোলন হয় - ১৯৬২ সালে

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪.
বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন -
  1. ক) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. খ) তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
  3. গ) ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ঘ) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।
- তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।

- বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
এ তালিকায় রয়েছেন
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
- মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে। 
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।

• ম্যাগসেসে পুরস্কার:

- ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান র‍্যামন ম্যাগসেসে।
- ১৯৫৮ সাল থেকে তার নামে প্রতিষ্ঠিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন থেকে এ পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতিবছর ম্যাগসেসের জন্মদিন ৩১ আগস্ট ম্যানিলা থেকে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

- ২০২২ সালে ৬৪তম ম্যাগসেসে পুরস্কার ঘোষণা করা হলো।
- বিজয়ীদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন কম্বোডিয়ার মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ৫৪ বছর বয়সী সথেরা চিহিম।
- ফিলিপিন্সের শিশু চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ৬৪ বছর বয়সী বারমাদেত্তে জে মাদ্রিদ।
- জাপানের চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ তাদাশি হাতোরি।
- ইন্দোনেশিয়ায় নদী রক্ষা আন্দোলনে বহুদিন ধরে সক্রিয় ফরাসি পরিবেশবিদ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গ্যারি বেনচেগহিব।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১৫.
কার পরামর্শে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙ্গে দেন?
  1. ক) চিফ হুইপ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ঘোষণা করা, ভেঙ্গে দেওয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রদান করবেন
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে মন্ত্রিসভার সংযোগ রক্ষা করবেন।
- মন্ত্রিসভার বক্তব্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করা এবং প্রয়োজনবোধে সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করার দায়িত্ব তাঁর ওপরই অর্পিত।
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর রাষ্ট্রপ্রধান। 
- রাষ্ট্রপতির দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ডাদেশ স্থগিত, হ্রাস বা দণ্ডিতকে ক্ষমা করার অধিকার রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬.
সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে গঠিত - 
  1. ক) ব্যবসায়িক গোষ্ঠী
  2. খ) বিদেশী স্বার্থ রক্ষাকারী গোষ্ঠী
  3. গ) জনসংযোগ গোষ্ঠী
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উৎপত্তি:
• সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীগত স্বার্থকে কেন্দ্র করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উৎপত্তি হয়েছে।
এছাড়াও

• আলফ্রেড গ্রজিয়ার মতে, “চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে, এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী; যা সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।
•  উৎপত্তি, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি প্রভৃতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
•  বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
 
উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র  (এইচএসসি প্রোগ্রাম),উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
‘আলোকিত মানুষ চাই’ কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান?
  1. ক) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. খ) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  3. গ) বাংলা একাডেমি
  4. ঘ) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান
- ১৯৭৮ সালে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির অবস্থান ঢাকার বাংলা মটরে।
- প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র হলো একটি এনজিও যা শিক্ষার মাধ্যমে অন্ধকার দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
১৮.
২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম।
• প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২:

- বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,

২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৫ দেশ হলো:
- প্ৰথম- ভারত
- দ্বিতীয়- মেক্সিকো
- তৃতীয়- চীন
- চতুর্থ- ফিলিপাইন
- পঞ্চম- মিশর

তথ্যসূত্র: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২
১৯.
‘Comparative Politics and Government’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) ম্যাকাইভার
  2. খ) হ্যারল্ড লাসওয়েল
  3. গ) আর্নেস্ট বার্কার
  4. ঘ) অধ্যাপক অ্যালান বল
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball)
• Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন , “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilizing the political process”.
•রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

এছাড়াও বিভিন্ন গ্রন্থের লেখক:
• সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ :
- ‘Society’নামক গ্রন্থে বলেছেন,"Society is a system of social relationships in and through which we live."
- অর্থাৎ সমাজ হচ্ছে এমন সব সামাজিক সম্পর্কের একটি ব্যবস্থা যার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করি। তিনি সমাজ বলতে সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালকে বুঝিয়েছেন।

• অধ্যাপক আর্নেস্ট বার্কার :
“বিভিন্ন মতবাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্ভদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দ্বারা নির্বাচকমন্ডলীর সমর্থন পেতে সচেষ্ট হয়।”

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম),উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
২১.
আধুনিক অর্থে কত শতাব্দীতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ষোড়শ শতাব্দী
  2. খ) অষ্টাদশ শতাব্দী
  3. গ) চতুর্দশ শতাব্দী
  4. ঘ) সপ্তদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের উৎপত্তি ও বিকাশ:
- আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে।
- রাণী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে হুইগ  ও টোরি  নামক দুইটি দলের সৃষ্টি হয়। 
-  বর্তমানে দলব্যবস্থা হল গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ।
- রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত: শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে।
-  রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা "Stasiology” নামে পরিচিত।
- ‘Stasis’ শব্দের অর্থ বিরোধীতার মনোভাব। এই শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন;প্রথম পত্র;এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
বাংলাদেশর সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. খ) সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  3. গ) নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  4. ঘ) ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ভাগ ১১ টি।
- অনুচ্ছেদ মোট ১৫৩টি এবং
- তফসিল আছে - সাতটি। 

- ১৯৭২ সালের পর থেকে বাংলাদেশ সংবিধানের সংশোধন ও পরিবর্তন করা হয়েছে ১৭ বার।
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ করা হয়। 

অপরদিকে -
৩৬ নং অনুচ্ছেদ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
২৯ নং অনুচ্ছেদ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
১২ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
২২ নং অনুচ্ছেদ  - নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান
২৩.
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল -
  1. ক) আগরতলায়
  2. খ) নয়াদিল্লিতে
  3. গ) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায়
  4. ঘ) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড

মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। 
- এই সরকারকে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও অভিহিত করা হয়। 
- এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে। 
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকারও পরিচিতি লাভ করে মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
২০২২ সালে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৬৬ তম
  2. খ) ৭১ তম
  3. গ) ৭৩ তম
  4. ঘ) ৭৭ তম
ব্যাখ্যা
• ‘গণতন্ত্র সূচক ২০২২’:
- ১৬৭টি দেশ-অঞ্চল নিয়ে এবারের গণতন্ত্র সূচক তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)
- এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৩তম
- সূচকে ১০-এর মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ৯৯।
- এবারের গণতন্ত্র সূচকে শীর্ষ স্থানে আছে নরওয়ে। পূর্ণ গণতন্ত্র বিভাগের এই দেশের স্কোর ৯ দশমিক ৮১।

- দ্বিতীয় অবস্থানে নিউজিল্যান্ড
- তৃতীয় আইসল্যান্ড
- চতুর্থ সুইডেন
- পঞ্চম ফিনল্যান্ড

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
২৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে কতটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
সরকার গঠন:
• স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত তিনটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
- জাতীয় পার্টি।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
২৬.
বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা -
  1. ক) ৪২ টি
  2. খ) ৪১ টি
  3. গ) ৪০ টি
  4. ঘ) ৩৯ টি
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল:
- বর্তমানে ৪০টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন রয়েছে।
- সর্বশেষ বিএনপির সাবেক নেতা নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- দলটি প্রতীক হচ্ছে ‘সোনালি আঁশ’।
এছাড়াও
 ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০০৯ সালে।
- ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর।
- জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয় - ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর।
- প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)র নিবন্ধন বাতিল করে - ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।


উৎস: প্রথম আলো।
২৭.
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি -
  1. ক) মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
  2. খ) এডভোকেট আব্দুল হামিদ
  3. গ) হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. ঘ) এফ.কে.এম.এ মুনিম
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. সাহাবুদ্দিন৷
•  মো. আবদুল হামিদের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি হবেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সর্ম্পকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মো. সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নাম ঠিকানাসহ প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন৷
• দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য৷
• ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা৷
• ২০০৬ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান৷
•  ব্যক্তিজীবনে তিনি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত৷
• ১৯৭১ সালে পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন তিনি, মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন৷
• তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷ 

উৎস: বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট ।
২৮.
বঙ্গবন্ধুকে কখন “জুলিও কুরী” পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭১ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে “জুলিও কুরী” পুরস্কার প্রদান করা হয় -১৯৭৩ সালের ২৩শে।

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসূত্র: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট।
২৯.
সংসদীয় পরিভাষায় ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ কী?
  1. ক) স্পিকারের আসন
  2. খ) সংসদ-কক্ষের মাঝের দিকের আসন
  3. গ) সংসদ-কক্ষের পিছনের দিকের আসন
  4. ঘ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
• সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
• স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
• সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
• এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া ।
৩০.
কাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র‘ হিসেবে অবিহিত করা হয়?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলীকে
  2. খ) এ কে ফজলুল হককে
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে
  4. ঘ) নওয়াব আব্দুল লতিফকে
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী:
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত
- রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও মেধার গুনুত্ব বিবেচনায় তিনি কোন আপোস করেন নি।
- দেশপ্রেম, মানব-কল্যাণ ও গণতন্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী এ দেশের রাজনীতিতে ধ্রুবতারার জ্যোতি নিয়ে বিরাজ করতে থাকবেন।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে কয়টি পণ্য?
  1. ক) নয়টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে এগারোটি পণ্য
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।

- এগারোতম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে ফজলি আম
- বাংলাদেশে উৎপন্ন আমের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির আম হচ্ছে ফজলি। ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাজশাহীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে এটি জিআই নিবন্ধন পায়।
- এই আম লম্বায় ১২ ও প্রস্থে ৫ সেন্টিমিটারের বেশি থাকে।  

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৩২.
হাইকোর্ট বিভাগে রীট দাখিল সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১০১
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১০২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১০৩
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৫
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০২ (২) দফায় যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক হাইকোর্ট বিভাগে রীট দাখিল বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
১০১ নং অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার, ১০৩ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগের এখতিয়ার এবং ১০৫ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা বিষয়ে বলা হয়েছে।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৩৩.
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ 'জয় বাংলা' কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করে -
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২ মার্চ ২০২২
  3. গ) ৩ মার্চ ২০২২
  4. ঘ) ৫ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
- ২ মার্চ ২০২২ 'জয় বাংলা' কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এছাড়াও
 - আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সরকার দুই ভাগে বিভক্ত।
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় সরকার এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকলে তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। যেমন:  বাংলাদেশ ও ভারতের সরকার।
- আর আইন বিভাগের নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে। যেমন:  আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।
 - অর্থাৎ, বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। 


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৩৪.
কে ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) উইলিয়াম হান্টার
  4. ঘ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন - এ কে ফজলুল হক।

• রাজনীতিতে শেরে বাংলার অবদান:
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণার পর পূর্ব বাংলার মানুষ যখন চরম হতাশাগ্রস্থ তখন তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- উল্লেখ্য যে নবাব স্যার সলিমুল-াহ ফজলুল হককে বিশ্বস্তু যোগ্য ও শক্তিশালী সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯১৫ সালে তিনি কৃষক-প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন।

- ১৯১৬ সালে স্বাক্ষরিত লৌক্ষ্ম প্যাক্ট ফজলুল হকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।
- ১৯১৮ সালে তিনি একদিকে মুসলিম লীগের সভাপতি অন্যদিকে নিখিল ভারত কংগ্রেসের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন।
- এ সময় তিনি মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে ঐক্য স্থাপনে প্রচেষ্টা চালান।
- ১৯২৯ সালে তিনি ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন।
- একে ফজলুল হক একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংকট মিমাংসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

- তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে শেরে বাংলা ভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে প্রজ্ঞা প্রদীপ্ত সুপারিশ করেছিলেন তার মধ্যে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ফজলুল হকের অসাধারণ নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে স্বাধীকারের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- এরই সূত্র ধরে পূর্ব বাংলার মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
'টঙ্ক আন্দোলন' এর সাথে সংশ্লিষ্ট নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) সাঁওতাল সম্প্রদায়
  2. খ) হাজং সম্প্রদায়
  3. গ) ওরাঁও সম্প্রদায়
  4. ঘ) চাকমা সম্প্রদায়
ব্যাখ্যা
- হাজং কৃষকরা টঙ্ক প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।

 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টঙ্ক প্রথা হলো টাকার পরিবর্তে ধানের মাধ্যমে খাজনা আদায়৷
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো। ধানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধে কৃষকদেরকে কয়েকগুণ বেশি খাজনা প্রদান করতে হতো। তাই হাজং কৃষকরা এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
- কমরেড মনি সিংহ টঙ্ক আন্দোলনে কৃষকদের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে টঙ্ক প্রথা উচ্ছেদ হয় এবং টঙ্ক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি ।