পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৬৮
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬৮ প্রশ্ন

.
কলকাতা থেকে প্রকাশকালে 'নবযুগ' পত্রিকার মালিক ও পরিচালক ছিলেন- 
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মুজফ্‌ফর আহমদ
  3. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক 
  4. মাওলানা আহমদ আলী
ব্যাখ্যা

• 'নবযুগ' পত্রিকা:
- নবযুগ কলকাতা থেকে প্রকাশিত এক পাতার একটি সান্ধ্য দৈনিক। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালের ১২ জুলাই, কলকাতার ৬ নং টার্ন স্ট্রিট থেকে। পত্রিকাটির মূল্য ছিল এক পয়সা।

- এর মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ও কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ। পত্রিকায় পরিচালকের নাম মুদ্রিত হতো, কিন্তু সম্পাদকের নাম থাকত না। স্বাধীনচেতা, অসাম্প্রদায়িক ও গণমুখী পত্রিকা হিসেবে এটি পরিচিত ছিল।

- ফজলুল হক কৃষক প্রজা পার্টি গঠনের মানসে একটি পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন; একই সময়ে নজরুল ইসলাম, মুজফ্‌ফর আহমদ ও কতিপয় সমমনা ব্যক্তি ব্রিটিশবিরোধী গণজাগরণের লক্ষ্যে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশেরও চিন্তাভাবনা করছিলেন। এ ব্যাপারে ফজলুল হকের বাসভবনে একাধিকবার সভা হয় এবং তাতে পত্রিকার নামসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। শেষপর্যন্ত নজরুলের প্রস্তাব অনুযায়ী পত্রিকার নাম হয় নবযুগ।

- নবযুগে প্রকাশিত নজরুলের আবেগময় ও বলিষ্ঠ ভাষায় ব্রিটিশবিরোধী সম্পাদকীয় ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করে। নজরুলের রচনাগুণে নবযুগ বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে; এমনকি গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে পত্রিকাটি কোনোদিন দুবারও ছাপাতে হতো।

- নবযুগে স্বাধীনতা ও গণজাগরণবিষয়ক লেখা প্রকাশিত হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার পত্রিকার কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার সতর্ক করে দেয়; এক পর্যায়ে জামানতের ১,০০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করার মাধ্যমে পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২,০০০ টাকা জামানত দিয়ে নবযুগ পুনরায় প্রকাশিত হতে থাকে। কিন্তু অল্পকাল পরে ফজলুল হকের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে নজরুল ও মুজফ্ফর আহমদ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে এক বছরের মধ্যে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

- ১৯৪২ সালে ফজলুল হক যখন বাংলার প্রধানমন্ত্রী তখন তাঁর উদ্যোগে এবং নজরুলের সম্পাদনায় নবযুগ পুনরায় প্রকাশিত হয়। এ সময় কবি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে খুলনার মাওলানা আহমদ আলী সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ পর্বে মোট দুবছর চালু থাকার পর পত্রিকাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন ধরনের কাব্য?
  1. গাথাকাব্য
  2. পত্রকাব্য
  3. কাব্যনাট্য 
  4. মহাকাব্য 
ব্যাখ্যা

• 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্য:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা। দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীম উদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন। গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

----------------
তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ, 
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ধূসরতার কবি
  2. তিমির হননের কবি
  3. রূপসী বাংলার কবি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- অপশন (ঘ) কোনোটিই নয়। 

• বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেন।

- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন সাদাসিধা মানুষ। জনতার কোলাহল থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করতেন। আজীবন নিজেকে আড়াল করে রাখতে চেয়েছেন। স্বেচ্ছায় ও সচেতন ভাবে প্রশ্রয় দিয়েছেন নিজের প্রসঙ্গে নানা কৌতূহলোদ্দীপক বিভ্রান্তিকে। এজন্যই বুদ্ধদেব বসু তাকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' বলে আখ্যায়িত করেছেন। 

-----------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।
- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে। জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।

জীবনানন্দ দাশের উপাধিসমূহ:
 - ধূসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি, 
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
"কোনো জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল।" বিয়ে পাগলা বুড়ো প্রহসন সম্পর্কে মন্তব্যটি করেন-
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত 
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' প্রহসন:
- 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি প্রহসন। এটি  মূলত এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক।
- বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন যে এই নাটক "কোনো জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল।"
- ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নসিরাম,
- রতা,
- রাজীব,
- রাজমণি,
- কেশব,
- বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস?
  1. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
  2. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  3. জ্বলো চিতাবাঘ
  4. সব কিছু ভেঙে পড়ে
ব্যাখ্যা

• 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

----------------
• হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে [হুমায়ুন আজাদের 'সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে'র বিষয় নারীপুরুষের শারীরিক ও হৃদয়সম্পর্কের কাঠামোটি।]
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস।

.
বাংলা সাহিত্যে পত্রাকারে প্রকাশিত প্রথম কাব্য কোনটি? 
  1. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
  2. মেঘনাদবধ কাব্য
  3. বীরাঙ্গনা কাব্য
  4. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা

• বীরাঙ্গনা কাব্য:
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য। এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম। এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুসরণে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছে এই কাব্যে।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'স্বাধীনতার স্বাদ' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. ছোটগল্প 
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. উপন্যাস 
  4. নাটক
ব্যাখ্যা

• 'স্বাধীনতার স্বাদ' উপন্যাস:
- 'স্বাধীনতার স্বাদ' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। 
- 'স্বাধীনতার স্বাদ' এ দেশবিভাগের প্রাক্কালে মহানগর কলকাতায় হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার ঐতিহাসিক পটভূমি অবলম্বনে রচিত।

- এই পটভূমিকে আবর্তন করে-করে মানিক তাঁর ডিসকোর্স অন্তর্বয়ন করে গেছেন এমন এক সুনিশ্চিতবোধ নিয়ে যেন কাহিনী বা ঘটনাগুলি তাঁর জানা ও অভিজ্ঞতালব্ধ এবং এই জানা ও অভিজ্ঞতায় কী জীবনদর্শন বেরিয়ে আসবে তাও তিনি আগেই জানেন।
 
- যে দাঙ্গার পটভূমিতে স্বাধীনতার স্বাদ রচিত হয়েছে তা কাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে লেখকের স্পষ্ট বিবরণকে নানা মাত্রায় ব্যবহার করা হয়েছে। উপন্যাসটিতে নানা চরিত্রের সমবায়ে কাহিনী ও সময়গ্রন্থির যে বুনন লেখক গাঁথেন তাতে প্রত্যেকটি চরিত্রই স্ব-স্ব চিন্তা ও স্বভাব নিয়ে তাৎপর্য পায়। বিপদের সময় কী করে এক বাড়িতে বসবাসরত বিচিত্র মানুষগুলির মধ্যে সহমর্মিতা গড়ে ওঠে, একে অন্যের সুবিধার জন্যে আত্মত্যাগ করে, সমঝোতা করে চলে তারই টুকরো-টুকরো বিবরণ গাঁথা হতে থাকে এই উপন্যাসে।

• তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- চিহ্ন,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা,
- আরোগ্য।

উৎস: স্বাধীনতার স্বাদ' উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটি প্রথম কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
  1. সমকাল
  2. মোসলেম ভারত
  3. বিচিত্রা 
  4. মাসিক মোহাম্মদী
ব্যাখ্যা

• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস। এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- কাজী ইমদাদুল হকের 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের 'তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র' অঙ্কিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি রচনাকালীন সময়ে কাজী ইমদাদুল হকের মৃত্যু হলে, কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন। উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ।
- শিল্পের বিচারে 'আবদুল্লাহ্' উৎকৃষ্ট উপন্যাস নয়, তবে বাংলার সামাজিক বিবর্তনের, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সুচারুভাবে ফুটে উঠায় গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
• উপন্যাস: আবদুল্লাহ্।

• কাব্য:
- আঁখিজল ও
- লতিকা।

• প্রবন্ধ: প্রবন্ধমালা।
• শিশুতোষ গ্রন্থ: নবীকাহিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
ইতিহাসে কোন মঙ্গলকাব্যের সম্বন্ধে প্রাচীনতম অস্তিত্বের প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়?
  1. মনসামঙ্গল
  2. ধর্মমঙ্গল 
  3. চণ্ডীমঙ্গল 
  4. সারদামঙ্গল 
ব্যাখ্যা

• মনসামঙ্গল:
- বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে মনসামঙ্গল সম্বন্ধেই প্রাচীনতম অস্তিত্বের প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়।

- এ কাব্যের কাহিনি বাংলার আদিম লোকসমাজে প্রচলিত সর্পপূজার ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

-  সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসা-লৌকিক ভয়ভীতি থেকেই এ দেবীর উদ্ভব। এই দেবীর কাহিনি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল নামে পরিচিত।
কোথাও তা পদ্মাপুরাণ নামেও অভিহিত হয়েছে।

- চাঁদ সদাগরের বিদ্রোহ ও বেহুলার সতীত্বকাহিনির জন্য মনসামঙ্গল সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
- মনসামঙ্গল মূলত পাঁচালি পালা। এর কবির সংখ্যা যেমন শতাধিক, মুদ্রিত ও অমুদ্রিত পুথির সংখ্যাও বহু।
- কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি। এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।

মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মনসা, চাঁদ
- সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
কোনটি আহসান হাবীবের রচিত উপন্যাস?
  1. অরণ্যের দিনরাত্রি 
  2. বিধ্বস্ত নীলিমা
  3. অরণ্য নীলিমা
  4. আরণ্যক
ব্যাখ্যা

• 'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাস:
- আহসান হাবীবের রচিত 'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে।
- উদীয়মান মুসলমান মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজের প্রতিনিধি এক তরুণ চিত্রশিল্পী ও তাঁর স্ত্রীর মনোজাগতিক সংকটক এ উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়।

অন্যদিকে, 
• 'অরণ্যের দিনরাত্রি' সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। পরে সত্যজিৎ রায় এটির উপর চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
• "বিধ্বস্ত নীলিমা" হল শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়।
• 'আরণ্যক' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত চতুর্থ উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

--------------------
• তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- আশায় বসতি,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দুহাতে দুই আদিম পাথর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইত্যাদি।

• তাঁর দুটি বিশিষ্ট উপন্যাস হলো-
- অরণ্য নীলিমা ও
- রাণীখালের সাঁকো।

এছাড়া তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১১.
কবি আলাওল রচিত কাব্য নয় কোনটি?
  1. সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল
  2. রাগতালনামা
  3. সপ্তপয়কর
  4. গুলে বকাওলী
ব্যাখ্যা

• কবি আলাওল রচিত কাব্য নয়- 'গুলে বকাওলী'। 

• 'গুলে বকাওলী' রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি কাব্য। সতের শতকের কবি নওয়াজিস খান প্রথমে গুলে বকাওলী কাব্য রচনা করেন। এর পরে মুহম্মদ মুকিম, মুহম্মদ আলী, উমাচরণ মিত্রসহ অনেকেই 'গুলে বকাওলী' নামে কাব্য রচনা করেন। 

-----------------
• আলাওল:
- আলাওল আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি। আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার ফতেয়াবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- 'পদ্মাবতী' তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন। কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- সিকান্দার নামা,
- তোহ্‌ফা,
- সপ্তপয়কর,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল,
- রাগতালনামা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
এস ওয়াজেদ আলি রচিত ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ
  2. মোটর যোগে রাঁচী সফর
  3. পশ্চিমের যাত্রী
  4. জাপান যাত্রী
ব্যাখ্যা

"মোটর যোগে রাঁচী সফর" হলো শেখ ওয়াজেদ আলির লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি যা ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটিতে তিনি মোটরগাড়িতে করে রাঁচী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন, যেখানে তিনি সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পথের বিবরণ দিয়েছেন। 

--------------------
• এস ওয়াজেদ আলি:
- তিনি ১৮৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শণ্ঠীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শেখ ওয়াজেদ আলি একজন প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
- এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ 'অতীতের বোঝা' ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩২ সালে গুলিস্তাঁ নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
 • প্রবন্ধ:
- জীবনের শিল্প,
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য,
- ভবিষ্যতের বাঙালী,
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা,
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ।

 • উপন্যাস:
- গ্রানাডার শেষ বীর।

 • ভ্রমণকাহিনি:
- পশ্চিম ভারত,
- মোটর যোগে রাঁচী সফর প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
 • 'জাপান যাত্রী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ভ্রমণকাহিনি। 
 • 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। 
• 'পশ্চিমের যাত্রী' সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণকাহিনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
ভুসুকুপা চর্যার কত নং পদে 'পদ্মা নদী'র কথা উল্লেখ করেছেন?
  1. ৬নং
  2. ৩০নং
  3. ৪৯নং
  4. ৪১নং
ব্যাখ্যা

• ভুসুকুপা:
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তিনি সৌরাষ্ট্রের ক্ষত্রিয় রাজপুত্র ছিলেন বলে মনে করা হয়।
- তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮টি পদ রচনা করেন। তাঁর রচিত চর্যার পদগুলো হলো- ৬নং/ ২১নং/ ২৩নং/ ২৭নং/ ৩০নং/৪১নং/৪৩নং/ ৪৯নং।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ত্র মতে তিনি পূর্ব বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন।
- তিনি তাঁর রচিত ৪৯নং পদে পদ্মা নদী (পঁউআ খাল) এবং 'বঙ্গাল' দেশ ও 'বঙ্গালী'র কথা বলেছেন।

৪৯নং পদ:
বাজ ণাব পাড়ী পউআঁ খালে বাহিউ।
অদঅ বঙ্গাল দেশ' লুড়িউ।

আধুনিক গদ্যে রূপান্তর:
বজ্র নৌকায় পাড়ি দিয়ে পদ্মাখালে বাইলাম। লুণ্ঠন করলাম অদ্বয় রূপ বাঙ্গাল দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং চর্যাগীতি পাঠ, মাহাবুবুল হক।

১৪.
মানবতার কবি বলা হয় কাকে?
  1. জ্ঞানদাস 
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. গোবিন্দদাস 
  4. চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা

• চণ্ডীদাস:
- বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস। তাঁর রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়কে সীমাহীন রসমাধুর্যে পরিপূর্ণ করে তুলেছে। বাংলা সাহিত্যে একাধিক চণ্ডীদাস নিয়ে জটিল চণ্ডীদাস সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

- চণ্ডীদাসের আবির্ভাবের স্থান ও কাল নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তের এখনও অভাব রয়েছে। সম্ভবত তিনি চৌদ্দ শতকের শেষভাগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। চণ্ডীদাসের বিস্ময়কর প্রতিভার পরিচায়ক আশ্চর্য সুন্দর পদগুলোতে অপূর্ব ভাবতায় কৃষ্ণপ্রেম-সাধিকা শ্রীরাধার যে মনোমুগ্ধকর চিত্র রূপায়িত হয়ে উঠেছে তা কয়েক শতাব্দী ধরে বাঙালির রসপিপাসু মনের পরিতৃপ্তি সাধন করে যাচ্ছে।

- তাঁর পদাবলির 'অনাবৃত প্রাণের নিরাভরণ আনন্দ-বেদনায় মেদুর মুহূর্তগুলো পাঠকের মনে যে প্রশান্তি, স্নিগ্ধতা ও প্রাপ্তির আনন্দঘন উপলব্ধি সৃষ্টি করে' তার মূল্য অপরিসীম।

- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন। চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।

- তিনি 'শুনহ মানুষ ভাই/সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেছেন বলে তাঁকে মানবতার কবি বলা হয়। তাছাড়া ব্যক্তিজীবনেও তিনি জাত-সংস্কারের ঊর্ধ্বে ছিলেন।

-চণ্ডীদাস সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছেন "চণ্ডীদাস সহজ ভাষায় সহজ ভাবের কবি-এই গুণে তিনি বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি"। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. দীনতা
  2. বৈচিত্র্যতা
  3. দরিদ্রতা
  4. গম্ভীরতা
ব্যাখ্যা

• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধ- বৈচিত্র্যতা।
- শব্দটির শুদ্ধরূপ- বিচিত্রতা, বৈচিত্র্য; 

প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত আরোকিছু শব্দ:
অপপ্রয়োগ - প্রয়োগ:
দারিদ্র্যতা = দারিদ্র্য, দরিদ্রতা;
সৌজন্যতা = সৌজন্য;
দৈন্যতা = দীনতা, দৈন্য;
কার্পণ্যতা = কার্পণ্য, কৃপণতা;
গাম্ভীর্যতা = গাম্ভীর্য, গম্ভীরতা;
চাঞ্চল্যতা = চাঞ্চল্য, চঞ্চলতা;
চাতুর্যতা = চাতুর্য, চতুরতা;
চাপল্যতা = চাপল্য, চপলতা। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
'অর্ধচ্ছেদ' কোন যতিচিহ্নের বাংলা নাম?
  1. কোলন
  2. কমা
  3. সেমিকোলন
  4. দাঁড়ি
ব্যাখ্যা

• সেমিকোলন এর বাংলা নাম - অর্ধচ্ছেদ।

অন্যদিকে, 
• 'কমা'র বাংলা নাম - পাদচ্ছেদ।
• 'কোলন' বিরামচিহ্নের অপর নাম- দৃষ্টান্তচ্ছেদ।
• 'দাঁড়ি' এর অপর নাম - পূর্ণচ্ছেদ।

--------------------
• 'সেমিকোলন’:
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাযে অথবা একই ধরণের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন (;) ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

• সেমিকোলন চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
'Constituency' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. গণপরিষদ
  2. শাসনতন্ত্র
  3. সাংবিধানিক
  4. নির্বাচনি এলাকা
ব্যাখ্যা

• 'Constituency' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - নির্বাচনি এলাকা। 

অন্যদিকে, 
• Constituent Assembly - গণপরিষদ। 
• Constitution - সংবিধান, শাসনতন্ত্র। 
• Constitutional - সাংবিধানিক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৮.
'বিপরীত শব্দ' নিয়ে ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচনা করা হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. অর্থতত্ত্ব
  3. শব্দতত্ত্ব 
  4.  বাক্যতত্ত্ব 
ব্যাখ্যা

• 'বিপরীত শব্দ' ব্যাকরণের  অর্থতত্ত্বে আলোচিত হয়।

• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত।
যথা-
১. ধ্বনিতত্ত্ব,
২. রূপতত্ত্ব/শব্দতত্ত্ব,
৩. বাক্যতত্ত্ব ও
৪. অর্থতত্ত্ব।

• অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

১৯.
'যা বলার যোগ্য নয়' এক কথায় কী বলে?
  1. অকথ্য
  2. অকথিত
  3. অধীত
  4. অনুক্ত
ব্যাখ্যা

• 'যা বলার যোগ্য নয়' এক কথায় প্রকাশ - অকথ্য।

অন্যদিকে,  
• বলা হয়নি এমন - অকথিত/ অনুক্ত/ অনুচ্চারিত/ অব্যক্ত।
• যা অধ্যয়ন করা হয়েছে - অধীত।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
- যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব।
- যা পূর্বে দেখা যায় নি এমন - অদৃষ্টপূর্ব।
- যা পূর্বে শোনা যায় নি - অশ্রুতপূর্ব।
- যা কখনো নষ্ট হয় না - অবিনশ্বর। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
শুদ্ধ যুক্তবর্ণ কোনটি?
  1. ক্ + ত্‌ + উ = ক্ত
  2. ণ্‌ + ড = গু
  3. ক্ + ষ + ম = ক্ষ্ম
  4. হ্‌ + ণ = হ্ন
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ যুক্তবর্ণ- ক্ + ষ + ম = ক্ষ্ম। 

---------------
• যুক্তবর্ণ:
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ন্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ঋ, ণ্ঠ, ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্ল, ন্স, জ, ল্প, ল্ট, ন্ড, ল্প, ফ, শু, স্থ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্ব, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত (ক্ + ত), 
ক্স (ক্ + ম),
ক্ষ (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম (ক্ + ষ + ম),
ক্স (ক্ + স),
গু (গ্‌ + উ),
ণ্ড (ণ্‌ + ড),  
ন্ধ (গ্‌ + ধ),
ঙ্গ (ঙ্‌ + গ),
জ্ঞ (জ্‌ + ঞ),
ঞ্চ (ঞ্‌ + চ),
ঞ্জ (ঞ্‌ + জ),
ষ্ণ (ষ্‌ + ণ)
হু (হ্‌ + উ),
হৃ (হ্‌ + ঋ ),
হ্ন (হ্‌ + ন),
হ্ম (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২১.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. হীনম্মণ্যতা  
  2. হীনবুদ্ধি
  3. হীনস্বাস্হ্য 
  4. হীনমতী 
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান- হীনবুদ্ধি। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- মন্দমতি। 
- তীক্ষ্ণধী নয় এমন।

অন্যদিকে, অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- 
• 'হীনমতি' বিশেষণ পদ।
অর্থ: দুর্বুদ্ধি; নীচমতি; মূঢ়মতি।

• 'হীনম্মন্যতা' বিশেষ্য পদ। 
অর্থ: নিজের সম্বন্ধে হীন ধারণা পোষণ।

• 'হীনস্বাস্থ্য' বিশেষণ পদ।
 অর্থ: ভগ্নস্বাস্থ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২২.
'ঝিকিমিকি' কোন ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. বিভক্তিযুক্ত দ্বিত্ব
  2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. অনুকার দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা

• অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়। প্রকাশ পায় 'এই রকম একটা' ভাব।

যেমন-
অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাটু-ফাটু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষ-মেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে।

• অনুকার দ্বিত্বে অনেক সময়ে স্বরের পরিবর্তন ঘটে।
যেমন-
আড়াআড়ি, খোঁজাখুঁজি, ঘোরাঘুরি, চুপচাপ, ঠেকাঠেকি, তাড়াতাড়ি, দলাদলি, দামাদামি, পাকাপাকি, বাড়াবাড়ি, মোটামুটি, টুকরো-টাকরা, ধারধোর, জোগাড়-জাগাড়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৩.
'ধৃষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. নম্র
  2. নরম
  3. সরল
  4. নিরীহ
ব্যাখ্যা

• 'ধৃষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - নম্র, বিনয়ী। 

অন্যদিকে, 
• 'নরম' এর বিপরীতার্থক শব্দ- শক্ত। 
• 'ধূর্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ- সরল / বোকা।
• 'নিরীহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ- দুর্দান্ত

এরূপ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
• ‘নতুন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - পুরাতন।
• ‘ভূত’  শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - ভবিষ্যৎ।
• ‘ত্বরা’ শব্দের বিপরীতার্থ শব্দ - বিলম্ব।
• ‘প্রাচীন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - অর্বাচীন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. শঙ্কর
  2. ভূধর
  3. ক্ষিতি
  4. অখিল
ব্যাখ্যা

• ‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ:
- পাহাড়,
- অদ্রি, 
- ভূধর,
- গিরি,
- শৈল,
- অচল ইত্যাদি।

• 'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ: বসুন্ধরা, ক্ষিতি, অখিল, ভুবন, অবনী, ধরা, ধরণী, ভূ, মেদিনী ইত্যাদি।
• ‘পাথর’ এর সমার্থক শব্দ: পাষাণ, প্রস্তুর, শিলা, উপল, শঙ্কর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২৫.
'পঞ্চর্ষি' কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস 
  2. বহুব্রীহি সমাস  
  3. দ্বিগু সমাস
  4. নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা

• দ্বিগু সমাস:
যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাস নিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন।
- সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ।

অথবা, সমাহার (সমষ্টি) বা মিলনার্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- ত্রি (তিন) কালের সমাহার = ত্রিকাল;
- তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা;
- পঞ্চ ঋষির সমাহার = পঞ্চর্ষি;
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৬.
উপসর্গ শব্দের কোথায় বসে নতুন শব্দ গঠন করে?
  1. মধ্যে 
  2. শুরুতে 
  3. শেষে 
  4. খ ও গ 
ব্যাখ্যা

• উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যেমন:
অজানা (অজানা), অভিযোগ (অভিযোগ), বেতার (বে-তার) প্রভৃতি শব্দের 'অ', 'অভি', 'বে' হলো উপসর্গ।

- উপসর্গের কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা। উপসর্গের নিজের অর্থ নেই; কিন্তু নতুন নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য বলা হয় "উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে"।

------------------------
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে। বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।

২৭.
'শুক্রবার > শুক্কুরবার' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. বিপ্রকর্ষ 
  2. অভিশ্রুতি 
  3. সম্প্রকর্ষ 
  4. অন্ত্য স্বরাগম 
ব্যাখ্যা

• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
• অ - রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ; বস্তি > বসতি ইত্যাদি।
• ই - প্রীতি > পিরীতি; ক্লিপ > কিলিপ; ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
• উ- মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক; ভ্রু > ভুরু; শুক্রবার > শুক্কুরবার ইত্যাদি।
• এ - গ্রাম > গেরাম; প্রেক> পেরেক; স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
• ও - শ্লোক > শোলক, মুরগ > মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• অভিশ্রুতি:
অপিনিহিতির প্রভাবজাত ই কিংবা উ-ধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলে শব্দের পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে। বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় যেমন অপিনিহিতির প্রাচুর্য, পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক কথ্যভাষা ও মান্যচলিত ভাষায় তেমনি অনেক অভিশ্রুতি শব্দ লক্ষ করা যায়।
যেমন: মানিয়া > মাইন্যা > মেনে। 

• অন্ত্য স্বরাগম:
অন্ত্য স্বরাগম হলো শব্দের শেষে একটি অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া। এর ফলে শব্দের উচ্চারণে পরিবর্তন আসে।
যেমন- সত্য > সত্যি, দিশ > দিশা; বেঞ্চ > বেঞ্চি। 

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন- বসতি > বস্‌তি, জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৮.
Which one is masculine gender?
  1. Widow
  2. Widower
  3. Witch
  4. Teacher
ব্যাখ্যা

• Widower is a masculine gender.

• Widower: [Masculine Gender]

- English Meaning: A man who has lost his spouse by death and has not married again.
- Bangla Meaning: বিপত্নীক।

- এর Feminine gender হচ্ছে - Widow.

• Widow (Noun, verb)
- English Meaning: A woman who has lost her spouse by death and has not married again.
- Bangla Meaning: বিধবা।

অন্যদিকে,
গ) Witch (ডাইনি; (লাক্ষণিক) মোহিনী নারী) হলো-  Feminine gender.
- এর Masculine gender হচ্ছে - Wizard.

ঘ) Teacher (শিক্ষক) হলো- Common gender.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৯.
No one raised an eyebrow when he quit his job.
Here, the undelined phrase refers to-
  1. Show indifference
  2. Show surprise
  3. Show anger
  4. Show happiness
ব্যাখ্যা

• No one raised an eyebrow when he quit his job.
- Here, the undelined phrase refers to- Show surprise.

• Raise one's brows/Raise your eyebrows
- English Meaning: Show surprise or mild disapproval; to show surprise by moving your eyebrows upwards.
- Bangla Meaning: বিস্মিত হওয়া / চোখ কপালে উঠা।

• Ex. Sentence: She raised his eyebrows at my explanation.
- Bangla Meaning: আমার ব্যাখ্যা শুনে সে বিস্মিত হলো।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
Uber and other ride-sharing apps frown _____ eating while riding.
  1. from
  2. upon
  3. off
  4. for
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Uber and other ride-sharing apps frown upon eating while riding.
- Bangla meaning: উবার এবং অন্যান্য রাইড-শেয়ারিং অ্যাপগুলি বাইক চালানোর সময় খাওয়া-দাওয়াকে অনুমোদন করে না।

• Frown on/upon something
- English Meaning: to disapprove of something.
- Bangla Meaning: অনুমোদন না-করা; বরদাস্ত না-করা।

• More examples:
- Smoking is frowned upon in many societies.
- Public expressions of affection are frowned upon in many cultures.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩১.
The bedrooms are light and airy.
Here, 'light' is-
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• The bedrooms are light and airy.
- Here, 'light' is- Adjective.

- “light” comes after the linking verb “are” and describes the subject “bedrooms.”
- linking verb -এর পরে সাধারণত adjective বসে।

• Light (adjective)
- English Meaning: having a considerable or sufficient amount of natural light; not dark.
- Bangla Meaning: (স্থান) আলোকবিশিষ্ট; উজ্জ্বল: a light room. 

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

৩২.
Which one is an example of an adjective phrase?
  1. He went to America to earn more money.
  2. The house on the hill looks beautiful.
  3. She spoke in a polite manner.
  4. My friend called on me at the eleventh hour.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - খ) The house on the hill looks beautiful.

- “on the hill” → prepositional phrase modifying “house” (which house? the one on the hill).
- অর্থাৎ, “house” কে modify করায় prepositional phrase টি এখানে Adjective phrase হয়েছে।

• Adjective phrase:

- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun/noun phrase -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- যেমন: The house on the hill looks beautiful.

• Other option:
ক) He went to America to earn more money.
- “to earn more money” → infinitive phrase acting as an adverb (why he went).

গ) She spoke in a polite manner.
- “in a polite manner” → adverb phrase modifying “spoke” (how she spoke).
- অর্থাৎ, 'কীভাবে কথা বললো' - adverbial phrase.

ঘ) My friend called on me at the eleventh hour.
- “at the eleventh hour” → adverb phrase of time modifying “called”.
- অর্থাৎ, 'কখন call করলো' - adverbial phrase.

 • Adverbial Phrase
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারনত verb -কে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Advrbial phrase.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩৩.
Identify the correct spelling:
  1. Noticeable
  2. Noticeble
  3. Noticable
  4. Noticiable
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is- ক) Noticeable.

• Noticeable (adjective)
- English Meaning: likely to be noticed.
- Bangla Meaning:  লক্ষণীয়।

• Ex. Sentence: A noticeable change in the weather.
- Bangla Meaning: আবহাওয়ার এক লক্ষণীয় পরিবর্তন।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৪.
"It is time to review the protocol on testing nuclear weapons".
Here, the underlined word means-
  1. Procedures
  2. Record of rules
  3. Summary of rules
  4. Problems
ব্যাখ্যা

• "It is time to review the protocol on testing nuclear weapons". (35th BCS Preli)
- Here, the underlined word means- Record of rules.

• Protocol (noun)
- English Meaning:
The official procedure or system of rules governing affairs of state or diplomatic occasions.
The records or minutes of a diplomatic conference or congress that show officially the agreements arrived at by the negotiators.
The formal system of rules for correct behavior on official occasions.
- Bangla Meaning: (বিশেষত দুই রাষ্ট্রের মধ্যে) খসড়া চুক্তি; শিষ্টাচারবিধি; (কূটনৈতিক অনুষ্ঠান বা উপলক্ষে প্রতিপালিত) বিনয়বিধি; সৌজন্যবিধি।

• Given options:
ক) Procedures - বিশেষত রাজনৈতিক বা আইনগত বিষয়াদি নির্বাহ করার (নিয়মিত) পর্যায়ক্রম; ক্রিয়াবিধি; কার্যপ্রণালি।
খ) Record of rules - নিয়মাবলীর লেখ্য প্রমাণ।
গ) Summary of rules - নিয়মের সারাংশ / নিয়মের সংক্ষিপ্তসার।
ঘ) Problems - সমস্যা / সমস্যাবলী।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে যে, উল্লিখিত বাক্যে 'protocol' দ্বারা বুঝাচ্ছে - Record of rules.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

৩৫.
Each of the players _______ for months, even years.
  1. is training
  2. were training
  3. has been training
  4. have been training
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Each of the players has been training for months, even years.
- Bangla meaning: প্রতিটি খেলোয়াড় মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- Each of, One of, Any of, Either of, Neither of বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে verb টি singular হবে।
- অর্থাৎ, One of/Each of…+ plural noun + singular verb + ext.
- যেমন: Each of the players has been training for months, even years.

- Each দ্বারা প্রত্যেককেই আলাদা আলাদাভাবে বুঝানো হয়।

Note: 
- For months, even years → indicates an action starting in the past and continuing to the present. (present perfect continuous tense)

• More Examples:
- Each of the students was present at the field.
- Each of the guests was greeted with a warm welcome.

৩৬.
The teacher made the students write an essay. (Make it passive)
  1. The students were made write an essay by the teacher.
  2. The students are made to write an essay by the teacher.
  3. The students were made to write an essay by the teacher.
  4. The students have been made to write an essay by the teacher.
ব্যাখ্যা

- Active: The teacher made the students write an essay.
- Passive: The students were made to write an essay by the teacher.

• Need, bid, dare, make, let, know, hear, feel, behold, watch ইত্যাদি verb গুলোর পর Active voice এর ‘to’ উহ্য থাকে। 
- তবে passive করার সময় তাদের পর 'to' বসে। 

• নিয়মানুযায়ী,
- Object -কে Subject করতে হবে।
-  Tense ও subject অনুযায়ী Auxiliary verb (was) বসে।
- তারপর মূল Verb -এর Past Participle বসবে।
- তারপর Active voice -এ  উহ্য থাকা to বসবে।
- তারপর বাকি অংশ বসবে।
- শেষে by + Active voice -এর Subject টি Object হবে।

More examples:
- Active: Our parents made us study hard.
- Passive: We were made to study hard by our parents.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition.

৩৭.
Fill in the blank: She started cooking as soon as she ______ from work.
  1. get
  2. got
  3. had getting
  4. gets
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: She started cooking as soon as she got from work.
- Bangla meaning: সে কাজ থেকে ফিরা মাত্রই রান্না করা শুরু করল।

• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ, অতীতকালের দুইটি কাজ যদি As soon as দ্বারা যুক্ত থাকে তবে দুইটি কাজই past indefinite tense -এ হবে।
- কোনো কিছু 'করতে না করতেই/ হতে না হতেই’ এ রকম অর্থে ব্যবহৃত হয়।

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- খ) got.

• আবার, 
• Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense
- Example: I shall ring you up as soon as I arrive.

৩৮.
I’m proud of you winning the prize.
Here, the underlined word is-
  1. Gerund
  2. Present participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
ব্যাখ্যা

• I’m proud of you winning the prize.
- Here, the underlined word is- Gerund.

- Preposition + possessive/objective of noun or pronoun -এর পরে Gerund বসে।
- যেমন: I’m proud of you winning the prize. (তুমি পুরস্কার জেতায় আমি গর্বিত।)
- মূলত preposition “of” -এর object হিসেবে বসে 'winning' এখানে noun -এর কাজ করছে।

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• More examples:
- We rejoiced at his/him being promoted.
- I insist on your/you going there.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

৩৯.
I don’t know how to repair car, so I ______ .
  1. did it repaired
  2. had it repair
  3. had it repaired
  4. did it repair
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I don’t know how to repair car, so I had it repaired.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসেবে ‘Have’ এর ব্যবহার-
1. Subject + have (any tense) + object (usually person) + base form of verb + ext.
- Example: He always has me do his work.

2. Subject + have (any tense) + object (usually thing) + past participle form of verb + ext.
- Example: They had the house painted.

- উল্লিখিত বাক্যে had এরপর ব্যবহৃত 'it' দ্বারা cars কে নির্দেশ করছে, অর্থাৎ বস্তুবাচক object তাই verb এর past participle 'had it repaired' হবে।

৪০.
What is the synonym of 'Momentary'?
  1. Transparent
  2. Fleeting
  3. Timeless
  4. Circulate
ব্যাখ্যা

• The synonym of 'Momentary' is- Fleeting.

• Momentary (adjective)
- English Meaning: continuing only a moment: fleeting; having a very brief life.
- Bangla Meaning: ক্ষণস্থায়ী; ক্ষণিক; ক্ষণিকের।

• Given options:
ক) Transparent - আলোকভেদ্য; স্বচ্ছ; সহজবোধ্য।

খ) Fleeting - ক্ষণিকের; ক্ষণকালীন; ক্ষণস্থায়ী।

গ) Timeless - (সাহিত্যিক) চিরন্তন; অনন্ত; কালাতীত।

ঘ) Circulate - বৃত্তাকারে ক্রমাগত ঘোরা; এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মুক্তভাবে চলাচল করা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪১.
She spends _____ good deal of time reading novels.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: She spends a good deal of time reading novels.
- Bangla meaning: সে উপন্যাস পড়ে বেশ সময় কাটায়।

• A good/great deal/a good deal of:
- English Meaning: A lot; much; a large amount of.
- Bangla Meaning: অনেক; অনেকটা; অনেকখানি; বেশ; প্রচুর।

- সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদির দিক থেকে পর্যাপ্ত বা যথেষ্ট বুঝাতে সাধারণত uncountable noun এর পূর্বে determiner হিসেবে A good/great deal/a good deal of ব্যবহৃত হয়।

- সুতরাং, প্রদত্ত বাক্যে শূন্যস্থানের পরে good deal থাকায় ( uncountable noun 'time' এর পূর্বে), শূন্যস্থানে a বসবে।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪২.
Which of the following 'but' is a preposition?
  1. She's but a young girl!
  2. This letter is nothing but an insult.
  3. This is not caused by evil, but by simple ignorance.
  4. There is not one of them but wants to deceive us.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is- খ) This letter is nothing but an insult.

- Bangla Meaning: এই চিঠিটি অপমান ছাড়া আর কিছুই নয়।
- এখানে 'but' হচ্ছে preposition; কারণ 'but' শব্দটি noun phrase(an insult) এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে। 

• But (preposition): 
- English Meaning: except; other than; without.
- Bangla Meaning: ব্যতিরেকে, ছাড়া।

• Other options:

ক) She's but a young girl!
- But (adverb) - শুধু; কেবল; মাত্র। 
- জোড় দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

গ) This is not caused by evil, but by simple ignorance.
- But (conjunction) - কিন্তু, তবে, বরং।
- এখানে 'but' হচ্ছে conjunction কারণ দুইটি phrase কে connect করতে ব্যবহৃত হয়েছে।

ঘ) There is not one of them but wants to deceive us.
- But (pronoun) - এমন কেউ/কিছু যে/যা....না। 
- এখানে 'but' হচ্ছে pronoun কারণ noun এর বিকল্প হিসেবে বসেছে। 

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৩.
You are a running student— "So what?"
Here, 'So what' is used-
  1. to make a polite request
  2. to show surprise
  3. to show someone is better than you
  4. to mean it is of no importance
ব্যাখ্যা

• You are a running student— "So what?"
- Here, 'So what' is used to mean it is of no importance.

• So what? [idiom- informal]
- English Meaning: used to mean "it's of no importance" and "I don't care"; used to say that something should not be considered objectionable.
- Bangla Meaning: "এর কোনও গুরুত্ব নেই/কোনও কিছুকে আপত্তিকর বলে মনে করা উচিত নয়" অর্থে ব্যবহৃত হয়।

More examples:
- "We are not supposed to be here." "So what?"
- So what if he wears a necktie with a plaid shirt?

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৪.
Choose the correct sentence:
  1. If I took the medicine, I would have felt better.
  2. Had I taken the medicine, I would have felt better.
  3. Had I took the medicine, I would feel better now.
  4. If I had taken the medicine, I will feel better.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: খ) Had I taken the medicine, I would feel better now.

• উল্লিখিত প্রশ্নটি Third Conditional sentence-এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
- একটি Conditional sentence-এ দু'টি clause থাকে: subordinate clause (শর্ত বোঝায়) এবং principal clause (ফলাফল বোঝায়)।

• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।
- If না থাকলে Condition part টি Had দ্বারা শুরু হতে পারে।
- Negative অর্থ প্রকাশ করলে would/could/might + not হয়।

• Structure:
- If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.
- Had + Sub + Past participle + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্যটি হলো- খ) Had I taken the medicine, I would have felt better.

৪৫.
The opposite of 'Affectation'-
  1. Arrogance
  2. Humbleness
  3. Adjacent
  4. Vanity
ব্যাখ্যা

• The opposite of 'Affectation'- Humbleness.

• Affectation (Noun)
- English Meaning: behaviour, speech, or writing that is pretentious and designed to impress.
- Bangla Meaning: কৃত্রিম/মেকি আচরণ; অস্বাভাবিক আচরণ; কৃত্রিমতা।

• Given options:
ক) Arrogance - ঔদ্ধত্য।

খ) Humbleness - নম্রতা; বিনয়।

গ) Adjacent - সন্নিহিত; সন্নিকৃষ্ট; নিকটবর্তী।

ঘ) Vanity - অহমিকা; অহংকার; অসার দম্ভ।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৬.
Choose the correct sentence:
  1. The doctor saw my pulse.
  2. The doctor found my pulse.
  3. The doctor took my pulse.
  4. The doctor examined my pulse.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: গ) The doctor took my pulse. (41st BCS Preli)

• Take/check/feel someone's pulse
- English Meaning: to measure how fast someone's heart is beating; to hold someone’s wrist and count how many times the heart beats in one minute.
- Bangla Meaning: হাতের কবজির ধমনিতে হাত রেখে নাড়িস্পন্দনের হার গণনা করা।

• কারো কবজি ধরে হার্টবিট পরীক্ষা করা অর্থে- Take/check/feel someone’s pulse বলা হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৭.
"The road of excess leads to the palace of wisdom" quoted by-
  1. Alfred Tennyson
  2. William Blake
  3. Alexander Pope
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা

• "The road of excess leads to the palace of wisdom" quoted by William Blake.
- William Blake তাঁর রচিত 'The Marriage of Heaven and Hell' বিখ্যাত বইটিতে উক্তিটি করেছেন।

• The Marriage of Heaven and Hell:
- It is one of the masterpieces written by William Blake. 
- It is a series of texts written in imitation of biblical prophecy.
- এই কবিতায় মূলত: কবির নিজস্ব রোমান্টিক এবং বিপ্লবী চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটেছে।
- শয়তান, আত্মা ইত্যাদি সম্বন্ধে তার নিজস্ব বয়ান ফুটে উঠেছে।
- তিনি যে Theory of Contrary বা ভালো মন্দের দ্বৈত অবস্থানের কথা বলেন তারই প্রতিফলন এই কবিতা। 

• William Blake (1757-1827):
- William Blake ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, চিত্রশিল্পী এবং দার্শনিক।
- He is one of the greatest poets in English Literature. 
- William Blake is considered to be one of the greatest visionaries of the early Romantic era.  
- লেখক বা কবি পরিচয় ছাড়াও তার মূল পেশা ছিল engraver and watercolor artist or painter.
- তিনি তাঁর কল্পনাশক্তি, ধর্মীয় চিন্তা এবং প্রতীকী ভাষার জন্য বিখ্যাত।
- যদিও জীবদ্দশায় তেমন জনপ্রিয় ছিলেন না, মৃত্যুর পর তিনি ইংরেজ সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি হিসেবে স্বীকৃতি পান।

• His Famous Quotation:
- The road of excess leads to the palace of wisdom.
- He who desires but acts not breeds pestilence.
- A Robin Redbreast in a Cage, Puts all Heaven in a Rage.
- To create a little flower is the labor of ages.
- A fool sees not the same tree that a wise man sees.
- One Law for the Lion and Ox is Oppression.
- The eye altering, alters all.
- No bird soars too high, if he soars with his own wings.
- Shame is Pride's cloak.

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.com

৪৮.
Where does Shakespeare's play "Macbeth" take place?
  1. England
  2. Scotland
  3. Denmark
  4. Ireland
ব্যাখ্যা

• Shakespeare's play "Macbeth" takes place in Scotland.

• "Macbeth" এর মূল সেটিং বা পটভূমি হলো স্কটল্যান্ড।
- নাটকটির প্রধান চরিত্র 'Macbeth' ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan -এর একজন বিশ্বস্ত General, যিনি স্কটল্যান্ডের রাজা হওয়ার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে ওঠেন।
- নাটকটির বেশিরভাগ ঘটনাই স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন রাজপ্রাসাদ, যুদ্ধক্ষেত্র এবং প্রাসাদে ঘটে।
- এছাড়াও, কিছু দৃশ্য ইংল্যান্ডে সেট করা হয়েছে, বিশেষ করে যখন ম্যাকডাফ ইংল্যান্ডে পালিয়ে যান এবং ম্যালকমের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

• Macbeth:
- এটি Shakespeare -এর সবচেয়ে ছোট Tragedy.
- এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare -এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হলো এর মূল চরিত্র/ tragic hero.
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan -এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এটি হলো স্কটিশ সেনাপতি ম্যাকবেথের ক্ষমতা-লোভ, বিশ্বাসঘাতকতা এবং তার করুণ পরিণতির গল্প।
- নাটকের শুরুতে দেখা যায় তিনজন ডাইনি (Three Witches) সেনাপতি Macbeth -এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে এই ভবিষ্যৎ বাণী করে।
- Three Witches এর এই ভবিষ্যৎ বাণীর কথা Macbeth যখন lady Macbeth কে জানায়, তখন লোভের বশবর্তী হয়ে Lady Macbeth, সেনাপতি Macbeth কে প্ররোচনা দেয় রাজা Duncan কে হত্যা করতে।

-  Macbeth রাজা হলেও, পাপবোধ এবং ভয় তাকে তাড়া করে। ক্ষমতা ধরে রাখতে, সে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
-  পরিণামে, Lady Macbeth পাগল হয়ে মারা যায়, এবং Macbeth তার শত্রুদের মুখোমুখি হয়। Macduff নামে এক সাহসী যোদ্ধার হাতে Macbeth নিহত হয়, এবং স্কটল্যান্ডে শান্তি ফিরে আসে।
- Macbeth নাটকটি দেখায়, কীভাবে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং নৈতিক বিচ্যুতি মানুষের ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।

• Main characters:
- Macbeth,
- Lady Macbeth,
- Duncan,
- Banquo,
- Macduff,
- Three Witches, etc.

• William Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৪৯.
Who said “Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.”?
  1. Pandit Nehru
  2. G. B. Shaw
  3. Nelson Mandela
  4. Abraham Lincoln
ব্যাখ্যা

• Nelson Mandel said “Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.”

• Nelson Mandela (1918-2013):
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ছিলেন একজন কৃষ্ণাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
- তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত রোবেন দ্বীপের কারাগারে বন্দী ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট এফ.ডব্লিউ. ডি ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

• Notable Works:
- Long Walk to Freedom, 
- Dare Not Linger: The Presidential Years,

• Famous quotations:
- “It always seems impossible until it’s done.”
- “Real leaders must be ready to sacrifice all for the freedom of their people.”
- “Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.”
- “Do not judge me by my successes, judge me by how many times I fell down and got back up again.”
- “For to be free is not merely to cast off one’s chains, but to live in a way that respects and enhances the freedom of others.”

Source: Britannica.

৫০.
John Milton's Paradise Lost is a/an-
  1. Novel
  2. Epic
  3. Philosophical satire
  4. Play
ব্যাখ্যা

• John Milton's Paradise Lost is an Epic.

• Paradise Lost:

- এটি John Milton রচিত একটি Epic.
- The theme of Paradise Lost is to justify the ways of God to men.
- তার লেখা 'Paradise Lost' কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট ১২ খন্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
- খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মতবাদকে প্রাধান্য দিয়ে আদি মানব এবং মানবী Adam & Eve এর স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমনের কাহিনী হচ্ছে এই মহাকাব্যটির মূল উপজীব্য বিষয়।

• Famous quotations of Paradise Lost:
- Better to reign in Hell than serve in Heaven. 
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.”
- Awake, arise or be forever fallen.

• John Milton (1608-1674):
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare -এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- It is widely regarded as the greatest epic poem in English.
- তিনি 'Epic Poet' নামে পরিচিত। 
- এ দুটো মহাকাব্য তিনি অন্ধ অবস্থায় লিখেন।

• Notable Works: 
- Paradise Lost (Epic),
- Paradise Regained (Epic),
- Lycidas (Elegy),
- Samson Agonistes,
- L'Allegro,
- Of Education,
- Of Reformation Touching Church Discipline in England,
- On Shakespeare,
- On the Fifth of,
- Il Penseroso, etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

৫১.
Who wrote the play 'The Doctor's Dilemma'?
  1. Fyodor Dostoyevsky
  2. Christopher Marlowe
  3. George Bernard Shaw
  4. Oscar Wilde
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw wrote the play 'The Doctor's Dilemma'.

• The Doctor's Dilemma: 
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি drama.
- এটি একটি four-act drama.
- ১৯১১ সালে প্রথম এই play টি প্রকাশিত হয়।
- The play satirizes the medical profession and comments wryly on the general public’s inability to distinguish between personal behavior and achievement.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Candida (Comedy/Problem Play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Caesar and Cleopatra (Historical play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- Heartbreak House (Drama/Social Criticism),
- St. Joan of Arc (Historical Drama/Tragedy).

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫২.
Mansfield Park, by Jane Austen is a-
  1. Play
  2. Novel
  3. Short story
  4. Poem
ব্যাখ্যা

• Mansfield Park, by Jane Austen is a Novel.

• Mansfield Park:
- Jane Austen রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- এই উপন্যাসটিকে Jane Austen এর সবচেয়ে গুরুগম্ভীর উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়।
- উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ধরা যায়, Fanny Price নামের এক তরুনীকে।
- কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের Fanny Price কে তার পরিবার ধনী আত্মীয় Bertram family এর কাছে পাঠায়।
- কিশোরী Fanny Price এর সাথে সেই পরিবারের অনেকেই রুঢ় আচরণ করে ।
- কিন্তু শেষপর্যন্ত তার অবিচল ব্যক্তিত্ব এবং নৈতিকতায় মুগ্ধ হয়ে পরিবারের সবাই তাকে সমাদরে গ্রহন করে।
- Edmund Bertram এর সাথে বিয়ে হয় Fanny Price এর।

• Jane Austen (1775-1817):
- Jane Austen ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
- তিনি একজন English novelist from the Romantic Period and known as an anti romantic novelist.
- যিনি সামাজিক আচরণ, নারীদের জীবন, এবং তাঁর চরিত্রগুলোর রোম্যান্টিক জটিলতা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত।
- তাঁর লেখা উপন্যাসগুলো সাধারণত ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের প্রাথমিক সময়ের ব্রিটিশ জমিদার শ্রেণির সমালোচনা করে।
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works:
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility,
- Mansfield Park,
- Persuasion,
- Emma,
- Lady Susan,
- Northanger Abbey, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫৩.
Who wrote the poem "The Prisoner of Chillon"?
  1. Andrew Marvell
  2. W. B. Yeats
  3. Lord Byron
  4. Robert Frost
ব্যাখ্যা

• The poem "The Prisoner of Chillon" was written by Lord Byron.

• The Prisoner of Chillon:
- Lord Byron রচিত একটি বিখ্যাত আখ্যানমূলক কবিতা (narrative poem).
- The Prisoner of Chillon, a historical narrative poem in 14 stanzas by George Gordon, Lord Byron, published in 1816 in the volume The Prisoner of Chillon, and Other Poems.
- “The Prisoner of Chillon” কবিতাটি এক বন্দির কাহিনি, যিনি স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে গিয়ে Chillon দুর্গে (Castle of Chillon) বন্দি হন।
- এই বন্দি চরিত্রটি মূলত বাস্তব এক স্বাধীনতাকামী ধর্মযোদ্ধা Francois Bonivard-এর জীবনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।
- কবিতায় বন্দির দুঃখ, একাকীত্ব, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মানসিক শক্তি চিত্রিত হয়েছে।

• Lord Byron (1788-1824):
- Lord Byron এর পুরো নাম George Gordon Byron.
- তিনি একজন British Romantic poet এবং satirist.
- His poetry and personality captured the imagination of Europe.

• Notable works:
- Beppo,
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- Giaour,
- Lara,
- Manfred
- The Bride of Abydos,
- The Prisoner of Chillon,
- The Corsair.

- Poetic dramas: Marino Faliero, Sardanapalus, The Two Foscari, and Cain.

Source: Britannica.

৫৪.
Harold Pinter is the playwright of-
  1. The Way of the World
  2. The Caretaker
  3. Exiles
  4. Waiting for Godot
ব্যাখ্যা

• Harold Pinter is the playwright of 'The Caretaker'.

• The Caretaker:
- এটি একটি three-act play.
- ১৯৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত এবং মঞ্চস্থ হয়। 
- The work is Pinter’s second full-length play, and it concerns the delicate balance between trust and betrayal in familial relationships.
- The action of the play occurs in the flat of Aston and Mick, two brothers. Aston, who is slow-witted, befriends a wheedling, garrulous tramp named Davies. 

• Harold Pinter (1930-2008):
- তিনি একজন ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং নাট্যকারদের একজন হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরুষ্কার লাভ করেন।

• Notable works:
- Moonlight,
- The Birthday Party,
- The Caretaker,
- The Dumb Waiter,
- The Homecoming,
- The Room, etc.

অন্যদিকে, 
- The Way of the World is a play written by William Congreve.
- Exiles is a play written by James Joyce.
- Waiting for Godot is a play written by Samuel Beckett.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫৫.
"A Christmas Carol" is a-
  1. Romantic novel
  2. Restoration novel
  3. Modern novel
  4. Victorian novel
ব্যাখ্যা

• "A Christmas Carol" is a Victorian novel.

• A Christmas Carol:
- A Christmas Carol, Charles Dickens এর লেখা একটি Short Novel.
- এটি ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• Summary:
- A Christmas Carol হলো Charles Dickens রচিত একটি সংক্ষিপ্ত উপন্যাস (novella), যা একজন বৃদ্ধ কৃপণ লোক Ebenezer Scrooge-কে নিয়ে লেখা। বড়দিনের আগের রাতে, ক্রুজের সামনে কয়েকজন ভূতের আবির্ভাব ঘটে।
- প্রথমে আসে তার মৃত ব্যবসায়িক অংশীদার জ্যাকব মার্লে (Jacob Marley)-এর আত্মা। এরপর আসে তিনটি আত্মা।
- এই আত্মারা ক্রুজকে দেখায়, তার কৃপণতা ও নির্মম আচরণ কীভাবে তার চারপাশের মানুষদের প্রভাবিত করেছে এবং তারা কতটা কষ্ট পেয়েছে।
- শেষ অংশে, ক্রুজ বুঝতে পারে এখনো নিজেকে পরিবর্তনের সুযোগ আছে।
- সে সত্যিই বদলে যায় এক কৃপণ ও আত্মকেন্দ্রিক মানুষ থেকে হয়ে ওঠে উদার, দয়ালু ও সহানুভূতিশীল একজন ব্যক্তি।

• Charles Dickens (1812-1870):
- Victorian period এর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন।
- তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.
- তিনি মূলত A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

• Famous Works (Novel):
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
​- Hard Times,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫৬.
"The Waste Land" is ____________ .
  1. a play by Samuel Butler
  2. a poem by T.S. Eliot
  3. a poem by S.T. Coleridge
  4. a novel by Virginia Woolf
ব্যাখ্যা

• "The Waste Land" is a poem by T.S. Eliot.

• The Waste Land:
- It is a long poem by T.S. Eliot. 
- কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩. 
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধনিক কবি Ezra Pound কে। 
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়। এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। 

• T. S. Eliot (1888-1965):
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- T.S. Eliot ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান কবি, নাট্যকার, এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর অভিনব রচনা এবং গুরত্বপূর্ণ চিন্তাধারার জন্য পরিচিত।
- Eliot -কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী একজন কবি, যিনি আধুনিক কবিতার ধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

• His famous plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Family Reunion,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge, etc.

• Poems:
- The Waste Land,
- Ash Wednesday,
- Four Quartets,
- The Sacred Wood (Collection of Essays), etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫৭.
Which faithful daughter is rejected by King Lear because she doesn't flatter him?
  1. Katherine
  2. Portia
  3. Cordelia
  4. Goneril
ব্যাখ্যা

• The correct answer is Cordelia.

• King Lear:
- King Lear is a famous tragedy by William Shakespeare based on the chronicle history of a pre-Roman, Celtic king of Britain.
- 5 acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৬০৫-০৬ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই ট্র্যাজিডিটির প্লট তৈরি হয়েছে ব্রিটেনের এক রাজা এবং তার তিন কন্যার কাহিনী নিয়ে।
- King Lear -এর তিন কন্যা হলো যথাক্রমে -Goneril, Regan এবং Cordelia.

• Summary:
- Shakespeare -এর King Lear নাটকের শুরুতে, বৃদ্ধ রাজা তার রাজ্যকে তিন কন্যার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
- তিনি শর্ত দেন যে, যে কন্যা তাকে সবচেয়ে ভালোবাসে এবং সবচেয়ে চাটুকারিতা করে তার উত্তরাধিকারের সবচেয়ে বড় অংশ পাবে।
- Goneril এবং Regan অতিরঞ্জিত প্রশংসা ও মিথ্যা কথা বলে তার মন জয় করার চেষ্টা করে।
- কিন্তু Cordelia রাজাকে সত্যিকারের ভালোবাসলেও, চাটুকারিতায় বিশ্বাস করে না।
- সে সোজাসাপ্টা জানিয়ে দেয় যে সে তার বাবাকে যথার্থ সম্মান ও ভালোবাসা করে, কিন্তু তার বোনদের মতো অতিরিক্ত মিথ্যা প্রশংসা করতে পারবে না।
- এই সত্যবাদিতার জন্য King Lear প্রচণ্ড রেগে যান এবং ক্রোধের বশে Cordelia -কে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করেন এবং রাজ্য থেকে বিতাড়িত করেন।
- এই ঘটনার মাধ্যমে নাটকের মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং এটি King Lear-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য।
- King Lear তার ছোট মেয়ে Cordelia কে ভূল বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় যা পরবর্তীতে King Lear সহ Cordelia -এর জীবনে দুঃখ, গ্লানি ও কষ্ট বয়ে আনে।
- অতঃপর King Lear এবং Cordelia -এর করুণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে ট্র্যাজিডিটির সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Lear,
- Goneril,
- Regan,
- Cordelia,
- Edmund,
- Edgar, etc.

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• অন্যদিকে,
- Katherine হলো William Shakespeare -এর নাটক 'The Taming of the Shrew' -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- Portia হলো William Shakespeare -এর নাটক 'The Merchant of Venice' -এর চরিত্র।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫৮.
দুটি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যার গুণফল কী হতে পারে?
  1. সর্বদা মূলদ
  2. সর্বদা অমূলদ
  3. মূলদ বা অমূলদ উভয়ই হতে পারে
  4. সর্বদা পূর্ণ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যার গুণফল কী হতে পারে?

সমাধান: 
 দুটি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যার গুণফল মূলদ বা অমূলদ উভয়ই হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ:
 যখন √2 এবং √8 দুটি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যা, তখন তাদেরগুণফল হলো
√2 × √8 = √16 = 4 যা একটি মূলদ সংখ্যা। 

আবার, 
যখন √2 এবং √3 দুটি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যা, তখন তাদের গুণফল হলো √2 × √3 = √6; যা একটি অমূলদ সংখ্যা। 

৫৯.
a + b = 5 এবং ab = 6 হলে, a3 + b3 + 4(a - b)2 এর মান নির্ণয় করুন- 
  1. 41
  2. 39
  3. 53
  4. 63
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + b = 5 এবং ab = 6 হলে, a3 + b3 + 4(a - b)2 এর মান নির্ণয় করুন-

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
a + b = 5 এবং ab = 6

আমরা জানি, 
(a - b)2 = (a + b)2 - 4ab = 52 - 4 × 6 = 25 - 24 = 1
∴ (a - b)2 = 1

এবং, 
a3 + b3 = (a + b)3 - 3ab(a + b)
= 53 - 3 × 6 × 5 = 125 - 90 = 35
∴ a3 + b3 = 35

প্রদত্ত রাশি, 
a3 + b3 + 4(a - b)2
= 35 + 4 × 1
= 39

৬০.
'CAUTIONS' শব্দটি থেকে প্রতিবারে তিনটি করে বর্ণ নিয়ে কতভাবে বিন্যাস করা যাবে, যেখানে A, N থাকবেনা?
  1. 210
  2. 420
  3. 180
  4. 120
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'CAUTIONS' শব্দটি থেকে প্রতিবারে তিনটি করে বর্ণ নিয়ে কতভাবে বিন্যাস করা যাবে, যেখানে A, N থাকবেনা?

সমাধান: 
Cautions শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 8 টি। যথা,  C, A, U, T, I, O, N, S
যেহেতু A ও N বাদ, তাই বাকি বর্ণ 6 টি। C, U, T, I, O, S 

এখন,
6 টি বর্ণ প্রতিবারে 3টি করে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা = 6p3 = 6!/(6 - 3)! = 120

৬১.
যদি log10x + log105 = 2 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 5
  2. 20
  3. 50
  4. 100
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log10x + log105 = 2 হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
log10x + log105 = 2
⇒ log10(x × 5) = 2   ; [loga(M) + loga(N) = loga(MN)]
⇒ log105x = 2
⇒ 5x = 102
⇒ 5x = 100
⇒ x = 100/5
∴ x = 20

৬২.
ABC এবং DEF ত্রিভুজে, ∠C = ∠F, AC = DF এবং BC = EF। যদি AB = 4x - 2 এবং DE = 3x - 1 হয়, তাহলে x এর মান কত? 
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ABC এবং DEF ত্রিভুজে, ∠C = ∠F, AC = DF এবং BC = EF। যদি AB = 4x - 2 এবং DE = 3x - 1 হয়, তাহলে x এর মান কত? 

সমাধান:

দেওয়া আছে, 
ΔABC এবং ΔDEF এ, ∠C = ∠F, AC = DF এবং BC = EF।

যেহেতু দুটি ত্রিভুজের দুটি বাহু এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ সমান, তাই বাহু-কোণ-বাহু (SAS) সর্বসমতার শর্ত অনুযায়ী,  △ABC এবং  △DEF সর্বসম।অর্থাৎ, △ABC≅△DEF

∴ AB = DE
⇒ (4x - 2) = (3x - 1)
∴ x = 1

৬৩.
50 টাকায় 10 টি লেবু বিক্রয় করার 50% ক্ষতি হয়। 50 টাকায় 6 টি লেবু বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? 
  1. লাভ 11.11%
  2. ক্ষতি 16.67%
  3. লাভ 15%
  4. ক্ষতি 20%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 50 টাকায় 10 টি লেবু বিক্রয় করার 50% ক্ষতি হয়। 50 টাকায় 6 টি লেবু বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
বিক্রয় মূল্য = 50 টাকা 
এবং ক্ষতি 50%
∴ ক্রয়মূল্য = (50 + 50) = 100 টাকা 

10 টি লেবুর ক্রয়মূল্য = 100 টাকা 
∴ 1 টি লেবুর ক্রয়মূল্য = 100/10 = 10 টাকা

আবার, 
6 টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = 50 টাকা
∴ 1 টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = 50/6 = 25/3 টাকা

∴ ক্ষতি = 10 - (25/3) = (30 - 25)/3 = 5/3 টাকা

∴ 10 টাকায় ক্ষতি হয় = 5/3 টাকা 
∴ 1 টাকায় ক্ষতি হয় = 5/30 টাকা 
∴ 100 টাকায় ক্ষতি হয় = (5 × 100)/30 = 50/3 = 16.67 টাকা 

সুতরাং, ক্ষতির পরিমাণ 16.67%

৬৪.
দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির সাথে 5 যোগ করলে যোগফল হবে সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অঙ্কের তিনগুণ। আর সংখ্যাটির অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যাবে, তা মূল সংখ্যাটি থেকে 9 কম হবে। সংখ্যাটি কত?
  1. 37
  2. 73
  3. 53
  4. 43
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির সাথে 5 যোগ করলে যোগফল হবে সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অঙ্কের তিনগুণ। আর সংখ্যাটির অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যাবে, তা মূল সংখ্যাটি থেকে 9 কম হবে। সংখ্যাটি কত? 

সমাধান:
মনে করি, 
দশক স্থানীয় অঙ্ক x 
একক স্থানীয় অঙ্ক y
সংখ্যাটি 10x + y 
 
১ম শর্তানুসারে,
x + y + 5 = 3x 
⇒ y + x - 3x = - 5
⇒ y - 2x = - 5 
y = - 5 + 2x ....................(1)
২য় শর্তানুসারে,
⇒ 10y + x = (10x + y) - 9
⇒ 10y + x = 10x + y - 9
⇒ 10y - y = 10x - x - 9
⇒ 9y = 9x - 9
∴ y =  x - 1

y এর মান (1) নং এ বসিয়ে পাই, 
⇒ - 5 + 2x = x - 1
⇒ 2x - x = - 1 + 5
∴ x = 4
x এর মান (1) নং এ বসিয়ে পাই,
⇒ y = - 5 + 2 × 4 
⇒ y = - 5 + 8
∴ y = 3

∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে = 10x + y = (10 × 4) + 3 = 40 + 3 = 43

৬৫.
এস.এস. সি প্রোগ্রামে গণিত বইয়ের কোন একটি অংক সন্ধি অথবা সৌম্যর করতে পারার সম্ভাবনা যথাক্রমে 60% এবং 50%। দৈব ভাবে নির্বাচিত একটি অংক উভয়কে করতে দেওয়া হলে অংকটি সমাধান না করার সম্ভাবনা কত?
  1. 0.1
  2. 0.2
  3. 0.3
  4. 0.4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এস.এস. সি প্রোগ্রামে গণিত বইয়ের কোন একটি অংক সন্ধি অথবা সৌম্যর করতে পারার সম্ভাবনা যথাক্রমে 60% এবং 50%। দৈব ভাবে নির্বাচিত একটি অংক উভয়কে করতে দেওয়া হলে অংকটি সমাধান না করার সম্ভাবনা কত? 

সমাধান: 
মনেকরি, ঘটনা 
A = অংকটি সন্ধি সমাধান করতে পারে।
B = অংকটি সৌম্য সমাধান করতে পারে।

P(A) = 60% = 0.6 সন্ধির অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা
P(B) = 50% = 0.5 সৌম্যর অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা

সন্ধির অংকটি করতে না পারার সম্ভাবনা, P(A) = 1 - 0.6 = 0.4
এবং, 
সৌম্যর অংকটি করতে না পারার সম্ভাবনা, P(B) = 1 - 0.5 = 0.5

এখানে A ও B ঘটনা দুইটি স্বাধীন তাই সন্ধি ও সৌম্যের উভয়ই অংকটি সমাধান না করতে পারার সম্ভাবনা,
∴ P(সমাধান না করা) = P(সন্ধি না করা) × P(সৌম্য না করা) = 0.4 × 0.5 = 0.2

৬৬.
  1. 1
  2. 1/2
  3. 0
  4. 1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 


সমাধান: 

৬৭.
একটি লোহার ফাপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সে.মি. ও বেধ ২ সে.মি.হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সে.মি.?
  1. ৭২π ঘন সে.মি.
  2. ১০৮π ঘন সে.মি.
  3. ৩৬π ঘন সে.মি.
  4. ১০৮ ঘন সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লোহার ফাপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সে.মি. ও বেধ ২ সে.মি.হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সে.মি.?

সমাধান:
দেয়া আছে,
বাইরের ব্যাস = ১০ সে.মি.
বেধ = ২ সে.মি.

বাইরের ব্যাসার্ধ (R) = ১০/২ = ৫ সে.মি.
ভিতরের ব্যাসার্ধ (r) = বাইরের ব্যাসার্ধ - বেধ
= ৫ - ২ = ৩ সে.মি.

ফাঁপা অংশ = ভিতরের গোলকের আয়তন

আমরা জানি,
গোলকের আয়তন = (৪/৩)πr
∴ ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪/৩)π(৩)
= (৪/৩)π × ২৭
= (৪ × ২৭π)/৩
= ৩৬π ঘন সে.মি.

৬৮.
রাহুল ও সুমিতের বয়সের অনুপাত বর্তমানে 4 : 3। যদি রাহুলের বয়স 24 বছর হয়, কত বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত 5 : 4 হবে?
  1. 5 বছর
  2. ৪ বছর
  3. 10 বছর
  4. 6 বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রাহুল ও সুমিতের বয়সের অনুপাত বর্তমানে 4 : 3। যদি রাহুলের বয়স 24 বছর হয়, কত বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত 5 : 4 হবে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
রাহুল ও সুমিতের বয়সের অনুপাত 4 : 3
রাহুলের বয়স 24 বছর।

ধরি,
সুমিতের বয়স = x

শর্তানুসারে,

24 : x = 4 : 3
⇒ 24/x = 4/3
⇒ x = (24 × 3)/4 
∴ x = 18

আবার,
ধরি,

y বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত 5 : 4 হবে।
শর্তানুসারে,
⇒ (24 + y) : (18 + y) = 5 : 4
⇒ (24 + y)/(18 + y) = 5/4
⇒ 90 + 5y = 96 + 4y
∴ y = 6

∴ 6 বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত 5 : 4 হবে। 

৬৯.
সমাধান করুন: |2x + 1| ≥ 5
  1. (- ∞, -3)
  2. (- ∞, -3] ∪ [2, + ∞)
  3. [2, + ∞)
  4. [-3, 2]
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সমাধান করুন: |2x + 1| ≥ 5

সমাধান:
নিয়ম অনুযায়ী, এই অসমতাকে দুটি আলাদা অংশে ভাগ করতে হবে: 2x + 1 ≤ - 5 এবং 2x + 1 ≥ 5
প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে সমাধান করে পাই, 

বাম অংশ:
2x + 1 ≤ - 5
⇒ 2x ≤ - 5 - 1 
⇒ 2x ≤ - 6
∴ x ≤ - 3

ডান অংশ:
2x + 1 ≥ 5
⇒ 2x ≥ 5 - 1
⇒ 2x ≥ 4
∴ x ≥ 2

অসমতাটির সমাধান হলো x ≤ - 3 অথবা x ≥ 2 বা (- ∞, -3] ∪ [2, + ∞)

৭০.
যে সরলরেখাটি (1, 2) এবং (3, 4) বিন্দু দুটির মধ্য দিয়ে যায়, তার সমীকরণ নির্ণয় করুন।
  1. y = x + 1
  2. y = 2x + 1 
  3. y = x - 1 
  4.  y = - x + 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যে সরলরেখাটি (1, 2) এবং (3, 4) বিন্দু দুটির মধ্য দিয়ে যায়, তার সমীকরণ নির্ণয় করুন।

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
A(1, 2) এবং B(3, 4)

আমরা জানি,
ঢাল, m = (y2 - y1)/(x2 - x1)
= (4 - 2)/(3 - 1) = 2/2 = 1 
∴ m = 1
আবার, আমরা জানি,
বিন্দু আর ঢাল থাকলে সরলরেখার সমীকরণ,
y - y1 = m(x - x1)
⇒ y - 2 = 1(x - 1) [ঢাল = 1 এবং বিন্দু = (1, 2)]
⇒ y - 2 = x - 1
∴ y = x + 1

সুতরাং, নির্ণয়ে সমীকরণ y = x + 1

৭১.
7 + 12 + 17 + .......... ধারাটির প্রথম 32 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 2720
  2. 2560
  3. 2800
  4. 2704
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7 + 12 + 17 + .......... ধারাটির প্রথম 32 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধারাটির প্রথম পদ, a = 7
সাধারণ অন্তর, d = 12 - 7 = 5
∴ ইহা একটি সমান্তর ধারা এবং পদ সংখ্যা, n = 32

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার প্রথম n সংখ্যক পদের সমষ্টি Sn = (n/2) × {2a + (n - 1)d}
∴ 32 টি পদের সমষ্টি S32 = (32/2) × {2 × 7 + (32 - 1)5}
= 16 × (14 + 31 × 5)
= 16 × 169
= 2704

৭২.
11 সে.মি.ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 5 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
  1. 16√6 সে.মি.
  2. 8√6 সে.মি.
  3. 4√6 সে.মি.
  4. 12√6 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 11 সে.মি.ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 5 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.? 

সমাধান:
 
দেয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = 11 সে.মি.
কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব (d) = 5 সে.মি.

পিথাগোরাসের উপপাদ্য হতে পাই,
জ্যা-এর অর্ধেক = √(r2 - d2)
= √(112 - 52)
= √(121 - 25)
= √96
= √(16 × 6)
= 4√6 সে.মি.

∴ জ্যা-এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = 2 × 4√6
= 8√6 সে.মি.

৭৩.
নিচের কোনটিকে উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় "Necessary Evil" বলা হয়? 
  1. প্রস্বেদন
  2. অভিস্রবণ
  3. ব্যাপন
  4. অভিযোজন
ব্যাখ্যা

•  উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রস্বেদন (Transpiration)-কে "Necessary Evil" বলা হয়।

প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়।
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়।
- এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে।
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়।
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary
evil'
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া, কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে।
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

অন্যান্য অপশন:
- অভিস্রবণ (Osmosis): এটি অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণে দ্রাবকের (পানির) চলাচল, যা ক্ষতিকর নয়।
- ব্যাপন (Diffusion): এটি অণুর অধিক ঘনত্বযুক্ত স্থান থেকে কম ঘনত্বযুক্ত স্থানে স্বতঃস্ফূর্ত চলাচল, যা কোনো অপচয় বা 'Evil' সৃষ্টি করে না।
- অভিযোজন (Adaptation): এটি একটি পরিবেশগত প্রক্রিয়া, যা উদ্ভিদের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য এবং শারীরবৃত্তীয় কোনো প্রক্রিয়া নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৭৪.
তরঙ্গ সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ
  2. আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
  3. শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল
ব্যাখ্যা

আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান, এই বিবৃতিটি সত্য নয়।
- আলো যখন শূন্যস্থান ছাড়া অন্য যেকোনো মাধ্যমে (যেমন বাতাস, জল, কাঁচ) প্রবেশ করে, তখন সেই মাধ্যমের ঘনত্বের (বা প্রতিসরাঙ্কের) কারণে আলোর বেগ পরিবর্তিত হয়।
- মাধ্যম পরিবর্তনের সাথে সাথে আলোর বেগও পরিবর্তিত হয়।

• তরঙ্গ:
- তরঙ্গ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো মাধ্যম ছাড়া বা মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলির কোনো স্থায়ী সরণ ঘটে না। কণাগুলি কেবল তাদের সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে স্পন্দিত বা কম্পিত হয়।
• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- মাধ্যমের প্রয়োজন অনুসারে:
১। যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন (যেমন: শব্দ, পানির ঢেউ)
২। তড়িৎচুম্বক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন নেই (যেমন: আলো, রেডিও তরঙ্গ)

- কম্পনের দিক অনুসারে:
১। অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের লম্বভাবে কম্পিত হয় (যেমন: আলো)।
২। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের সমান্তরালে কম্পিত হয় (যেমন: শব্দ)।

তরঙ্গের সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
- তরঙ্গের মূল কাজ হলো স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করা।
- তরঙ্গ প্রবাহের সময় মাধ্যমের কণাগুলির স্থান পরিবর্তন হয় না, কণাগুলি কেবল সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে কম্পিত হয়।
- অধিকাংশ তরঙ্গই (আলো, শব্দ, ইত্যাদি) প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার এবং অপবর্তন ধর্মগুলি প্রদর্শন করে।
- তরঙ্গবেগ (v), কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো: v = fλ.
- যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে (যেমন কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি)।

অপশন আলোচনা:
ক) শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ: 
- আলো হলো একটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। শূন্যস্থান (ভ্যাকুয়াম) হলো সবচেয়ে কম ঘনত্বের মাধ্যম। শূন্যস্থানে আলোর বেগ (c) প্রায় 3 × 108 মি./সে., যা এই ধরনের তরঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ সীমা।
খ) আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান:
- এটি সত্য নয়। আলোর বেগ মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (n) দ্বারা নির্ধারিত হয়। যেহেতু পানি, কাঁচ, বাতাস ইত্যাদির প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন ভিন্ন, তাই আলোর বেগও এই মাধ্যমগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন হবে। যেমন, পানিতে আলোর বেগ কাঁচের চেয়ে বেশি।
গ) শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
- শব্দ তরঙ্গ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। এর সঞ্চালনের সময় মাধ্যমের কণাগুলি তরঙ্গের গতির দিকের সমান্তরালে স্পন্দিত হয় (সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে), তাই এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
ঘ) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল:
- v = fλ। অর্থাৎ, তরঙ্গবেগ তার কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ) গুণফলের সমান।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৭৫.
হিগস বোসন কণা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে
  2. বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে
  3. হিগস বোসনকে ঈশ্বর কণা বলা হয়
  4. হিগস বোসনের মাধ্যমে মৌলিক কণার ভর স্থানান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

বোসন কণা (যেমন: ফোটন, হিগস বোসন) পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 

• বোসন (Boson):

- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই।
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের।  যথা-
(i) গেজ বোসন (Gauge Boson):
- এদের স্পিন হলো 1।
- এই কণাগুলো হলো- গ্লুওন (g), ফোটন (y) এবং W ও Z বোসন।
- গ্লুওন: গ্লুওন কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর
শূন্য।
- ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
- W ও Z বোসন: W+, W- এবং W0 এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।
(ii) হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
প্রাইমারি দূষক নয় কোনটি?
  1. SO2
  2. CO2
  3. NH3
  4. SO3
ব্যাখ্যা

প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO),
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2),  
- কার্বন মনোক্সাইড (CO), 
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), 
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), 
- অ্যামোনিয়া (NH3), 
- ছাই, ধুলিকণা, 
- Volatile organic compounds (VOCs).

• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে। যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3), 
- নাইট্রিক এসিড (HNO3),
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), 
- সালফিউরিক এসিড (H2SO4), 
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H2O2), 
- অ্যামোনিয়াম (NH4+),  
- ওজোন (O3).

উল্লেখ্য: কিছু দূষণকারী পদার্থ প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উভয় দূষকই হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ: নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড জীবাশ্ব-জালানী থেকে এবং বজ্রপাত থেকে সৃষ্টি হয়, আবার এটি অন্যান্য রাসায়নিক থেকেও বায়ুমণ্ডলে তৈরি হতে পারে।


image source: vibe and brie

তথ্যসূত্র: সূত্র: University of California এবং Energy Education

৭৭.
মানবদেহে অটোসোম সংখ্যা- 
  1. ৪৩ টি
  2. ৪২ টি
  3. ৪৪ টি
  4. ৪৬ টি
ব্যাখ্যা

মানুষের দেহে অটোসোমের সংখ্যা ২২ জোড়া অর্থাৎ ৪৪ টি।

• ক্রোমোজোম:

- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত সঠিক নয় কোনটি?
  1. বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন পদ্ধতি
  2. ফ্লাজেলা চলনে অংশগ্রহণ করে
  3.  পিলি দ্বারা পোষক কোষের সাথে সংযুক্ত হয়
  4. প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
ব্যাখ্যা

• ক্যাপসুল বা স্লাইম স্তর, ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে।
- প্লাসমিড হলো ক্ষুদ্র বৃত্তাকার DNA অণু যা ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে, স্ববিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ট্রান্সজেনিক ব্যাকটেরিয়া বা জীব সৃষ্টিতে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।
ব্যাকটেরিয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া
অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর।
- এরা সাধারণত দ্বি-ভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
জারণ-বিজারণ একটি- 
  1. রেডক্স বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
  4. আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

জারণ-বিজারণ (Oxidation-Reduction) বিক্রিয়ায় একটি পদার্থ ইলেকট্রন দেয় (জারণ) এবং অপরটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে (বিজারণ)। এই ইলেকট্রনের আদান-প্রদানকে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়। 

• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
• জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
• জারণ অর্ধবিক্রিয়া:  Na→ Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া: CI0 + e → CI- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

- এই দুই অর্ধবিক্রিয়াকে যোগ করলে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া পাওয়া যায়।
• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: Na0 + CI0 → Na+ + Cl-→NaCl

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎস- নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই

৮০.
উদ্ভিদের ক্লোরোসিস হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. নাইট্রোজেনের অভাব
  2. পর্যাপ্ত পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডের অভাব
  3. সালফার এবং ক্যালসিয়ামের অতিরিক্ত উপস্থিতি
  4. পটাশিয়ামের অভাব
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেনের অভাব হলো উদ্ভিদের ক্লোরোসিস (Chlorosis) হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ ও প্রধান কারণগুলির মধ্যে অন্যতম।
• ক্লোরোসিস:
- ক্লোরোসিস হলো উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোফিলের অভাবজনিত হলুদাভ রং ধারণ।
- এর প্রধান কারণ হলো আয়রন (Fe), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), নাইট্রোজেন (N) ইত্যাদি খনিজ উপাদানের ঘাটতি, যা ক্লোরোফিল গঠনে সরাসরি ভূমিকা রাখে।



উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
কাঁদুনে গ্যাসের (Tear Gas) অপর নাম কী?
  1. ফসজিন
  2. বেনজাইল আয়োডাইড
  3. ক্লোরোপিক্রিন
  4. মিথাইল আইসোসায়ানেট
ব্যাখ্যা

• কাঁদুনে গ্যাসের (Tear Gas) অপর একটি নাম হলো ক্লোরোপিক্রিন (Chloropicrin)।
• কাঁদুনে গ্যাস: 
- কাঁদুনে গ্যাসকে তার কার্যকারিতার কারণে ল্যাক্রিমেটর (Lacrimator) নামেও ডাকা হয়। ল্যাক্রিমেটর কথাটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ 'lacrima' থেকে, যার অর্থ 'অশ্রু' বা 'জল'।
- কাঁদুনে গ্যাস কোনো একক রাসায়নিক নয়, বরং অনেক যৌগের একটি শ্রেণী। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
• ক্লোরোপিক্রিন: এটি PS গ্যাস নামেও পরিচিত এবং এর রাসায়নিক সংকেত CCl3NO2 , এটি একটি কার্যকর ল্যাক্রিমেটর এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও ব্যবহৃত হয়েছিল।
• ক্লোরোঅ্যাসিটোফেনন: এটি CN গ্যাস নামে সুপরিচিত এবং বহু বছর ধরে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়েছে।
• ২-ক্লোরোবেনজিলিডিন ম্যালোনোনাইট্রাইল: এটি CS গ্যাস নামে পরিচিত এবং এটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও শক্তিশালী কাঁদুনে গ্যাস।



উৎস: ব্রিটানিকা

৮২.
কোন অ্যান্টিবডি অমরা (placenta) অতিক্রম করে ভ্রূণে স্থানান্তরিত হয়?
  1. IgG
  2. IgD
  3. IgE
  4. IgM
ব্যাখ্যা

• IgG (Immunoglobulin G) হলো একমাত্র অ্যান্টিবডি অমরা (placenta) অতিক্রম করে মায়ের শরীর থেকে সরাসরি ভ্রূণের রক্ত সঞ্চালনে প্রবেশ করতে পারে।

অ্যান্টিবডি:
- দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে।
প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপেig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু।
- শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট।
- লিম্ফোসাইট দুধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ।
- B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত।
- প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়।
- প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে।
- মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে।

• অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ:

- অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামিনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-( gamma), α-(alpha), µ-(mu), ε-(epsilon) এবং δ-(delta)।
- এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। যেমন-

১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA):

- দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১৫% হচ্ছে IgA .
- এ ধরনের অ্যান্টিবডি মিউকাস ঝিল্লিতে আবৃত থাকে, যেমন-পরিপাক জনন ও শ্বসনতন্ত্রে বিস্তৃত হয় এবং সেখানে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীর ও অণুকণাকে প্রশমিত করে।
- মায়ের দুধেও IgA পাওয়া যায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুদেহে স্থানান্তরিত হয়।

২। ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD):

- দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১%-এরও কম হচ্ছে।gD.
- রক্ত, লসিকা ও লিম্ফোসাইট B-কোষে এ Ig পাওয়া যায়।
- এর কাজ অজ্ঞাত হলেও বিজ্ঞানিদের ধারণা, IgD B-কোষকে সক্রিয়করণে ভূমিকা পালন করে।

৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE):
- দেহের মোট Ig-র মধ্যে প্রায় ০.১% হচ্ছে IgE.
- এটি দুর্লভ।g.
- B-কোষ, মাস্টকোষ ও বেসোফিলে এ Ig পাওয়া যায়।
- হিস্টামিন ক্ষরণকে উদ্দীপ্ত করে এটি প্রদাহ সাড়া সক্রিয় করে।

৪। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG):
দেহের মোট ইমিউনোগ্লোবিউলিনের (Ig) 75% IgG.
- রক্ত, লসিকা, অস্ত্র ও টিস্যু তরলে এ Ig বিস্তৃত থাকে।
- কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং অনেক বিষাক্ত পদার্থকে প্রশমিত করে।
- IgG ই একমাত্র অ্যান্টিবডি যা গর্ভাবস্থায় অমরা অতিক্রম করে মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণদেহে বাহিত করে।

৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM):
- দেহের মোট Ig-এর ৫-১০% IgM.
- ABO ব্লাড গ্রুপের রক্তকণিকার অ্যান্টিবডি এ ধরনের।
- IgM পাওয়া যায় রক্ত ও লসিকায়।
- এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং বহিরাগত কোষকে পরস্পরের সঙ্গে আসঞ্জিত করে দেয়।
- অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া ও কিছু ভাইরাসের বিরুদ্ধে স্পেসিফিক ইমিউন সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে IgG & IgM একত্রে কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

৮৩.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা হয়?
  1. ইনভার্টার
  2. ট্রান্সফর্মার
  3. ট্রানজিস্টর
  4. রেক্টিফায়ার
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের মাধ্যমে AC (Alternating Current) প্রবাহকে DC (Direct Current) প্রবাহে রূপান্তর করা হয়, তাকে রেক্টিফায়ার (Rectifier) বলে।

• রেক্টিফায়ার:
- এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করার পদ্ধতিকে বলা হয় রেক্টিফিকেশন বা একমুখীকরণ।
- যে যান্ত্রিক ব্যবস্থা রেক্টিফিকেশন বা একমুখীকরণ করে তাকে বলা হয় রেক্টিফায়ার।
- এটি সাধারণত ডায়োড ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- রেক্টিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
- রেক্টিফায়ার ছাড়া ব্যাটারি বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস সরাসরি এসি প্রবাহ গ্রহণ করতে পারে না।

• ডায়োড:

- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি ব্যবহার করে রেক্টিফায়ার তৈরি করা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- ইনভার্টার (Inverter): এটি রেক্টিফায়ারের বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ ডিসি প্রবাহকে এসি প্রবাহে রূপান্তর করে। এটি সাধারণত সোলার প্যানেল বা গাড়ির ব্যাটারি থেকে পাওয়ার নিয়ে গৃহস্থালী সরঞ্জাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সফর্মার (Transformer): এটি এসি ভোল্টেজকে কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্রিকোয়েন্সি বা প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে না।
- ট্রানজিস্টর (Transistor): এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সাধারণত বৈদ্যুতিক সংকেতকে অ্যামপ্লিফাই (Amplifier) করতে বা সুইচ (Switch) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি এসি থেকে ডিসি রূপান্তর করে না। 

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৮৪.
নিচের কোনটি অর্ধ-পরিবাহী নয়?
  1. সিলিকন
  2. জার্মেনিয়াম
  3. গ্যালিয়াম আর্সেনাইড
  4. অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

• সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী:
- অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি আপেক্ষিক রোধের কয়েকটি পদার্থ আছে সেগুলোকে বলা হয় সেমিকন্ডাক্টর। যেমন-জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের। কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই সেমিকন্ডাক্টর চিহ্নিত করা হয় না।
- কেননা কিছু সংকরও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু সেগুলো সেমিকন্ডাক্টর নয়।

• অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:

- এর আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের।
- এতে কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় (0K, শূন্য কেলভিন) এরা অপরিবাহী।
- একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- দু প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বৃদ্ধি করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- এদের পরিবহণ ও যোজনব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর কম।

• জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী হলেও অ্যালুমিনিয়াম অর্ধপরিবাহী নয়, বরং এটি একটি পরিবাহী পদার্থ।

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।

৮৫.
কোন কমান্ড দিয়ে ডকুমেন্ট খোলা যায়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Ctrl + O

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৮৬.
কোনটি বর্ণভিত্তিক OS নয়?
  1. CP/M
  2. MS-DOS
  3. Windows 98
  4. PC DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Windows 98

অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার-এর সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে।
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায়, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M। 

২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
URL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Uniform Resource Locator
  2. Universal Resource Link
  3. Uniform Resource Link
  4. Universal Resource Locator
ব্যাখ্যা

URL এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator. 

URL:
- পূর্ণরূপ: Uniform Resource Locator.
- এটি একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজের ঠিকানা বোঝায়।
- পৃথিবীতে প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি একক নাম (Unique) থাকে।
- কোনো ওয়েবপেজ প্রদর্শনের জন্য ওয়েব ব্রাউজারে তার ঠিকানা নির্দিষ্ট করতে হয়।
- সংক্ষেপে, URL হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

https://www.deff.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https → প্রোটোকল,
- www.deff.com → ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home → ডিরেক্টরি নাম (পাথ)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান). 

৮৮.
অক্ষর প্রিন্টার কোন প্রিন্টারের ধরন?
  1. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
  2. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
  3. ইংকজেট প্রিন্টার
  4. থার্মাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার। 

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
নিচের কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. Worm
  2. Vienna
  3. Avast
  4. Trojan Horse
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Avast

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদানে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: AVG, Avast, Norton, Avira, Panda ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা প্রথম প্রবর্তন করেন গবেষক Fred Cohen।
- ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে ধীরে ধীরে পুরো সিস্টেমকে সংক্রমিত করে কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দিতে পারে।
- কিছু পরিচিত ভাইরাসের উদাহরণ: VBA/Helper, Worm, VBA/Aqui, Trojan Horse, X97M/Hopper, Boot Sector Virus, Jerusalem, Stone, Dhaka Virus, Vienna, CIH।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯০.
১ গিগাবিট = ?
  1. ১০২৪ কিলোবিট
  2. ১০০০ কিলোবিট
  3. ১০০০ মেগাবিট
  4. ১০২৪ মেগাবিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ১০০০ মেগাবিট 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯১.
কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স?
  1. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
  2. মুখমন্ডলের অবয়ব
  3. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ
  4. আঙুলের ছাপ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) স্বাক্ষর শনাক্তকরণ

বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান। 

৯২.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সেবা মডেলগুলোর মধ্যে কোনটি মূলত অবকাঠামোগত সেবা হিসেবে পরিচিত?
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. DaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) IaaS

ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আমাজন কোম্পানি 'আমাজন ওয়েব সার্ভিস' (AWS) এর মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিন চলে, যা ব্যবহারকারীরা ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছামতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজ নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

সেবার ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং:
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS),
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)। 

ক্লাউডের অবস্থান অনুযায়ী ভাগ:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য:
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৩.
.org ডোমেইন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
  2. অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান
  3. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান। 

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা কী নামে পরিচিত?
  1. স্পুফিং
  2. বম্বিং 
  3. স্প্যামিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) স্পুফিং

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৫.
Spreadsheet Package Program কোনটি?
  1. WordStar
  2. MS Excel
  3. dBase
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা

Spreadsheet Package Program হচ্ছে MS Excel

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, Word Perfect, MS Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে রাখা বস্তুটির ভর কত হতে হবে?
  1. 0.3 kg
  2. 30 kg
  3. 60 kg
  4. 300 kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে রাখা বস্তুটির ভর কত হতে হবে?

সমাধান:
ধরি,
​বস্তুটির ভর = ক kg 

​প্রশ্নমতে,
​ক × 1.0 = 1.5 × 20
​⇒ ক = 30/1.0
​∴  ​ক = 30

সুতরাং, বস্তুটির ভর = 30 kg

৯৭.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1.  Conscientous
  2. Conscienstious
  3. Conscentious
  4. Conscientious
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান: 
সঠিক বানান ঘ)  Conscientious
যার অর্থ, 
Conscientious = কর্তব্যনিষ্ঠ, মনোযোগী, সচেতন বা বিবেকবান। 

৯৮.
সিরিজের প্রশ্নবোধক (?) স্থানে নিচের কোন সংখ্যাটি বসবে?
৭, ৫, ৩৫, ৩০, ১৭৫, ১৮০, ?, ১০৮০
  1. ৭২০ 
  2. ৮৭৫ 
  3. ৯০০
  4. ১০৫০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সিরিজের প্রশ্নবোধক (?) স্থানে নিচের কোন সংখ্যাটি বসবে?
৭, ৫, ৩৫, ৩০, ১৭৫, ১৮০, ?, ১০৮০

সমাধান:
এখানে দুইটি অনুক্রম বিদ্যমান।
প্রথম অনুক্রম(বিজোড় পদ): ৭, ৩৫, ১৭৫, ৮৭৫
প্রথম অনুক্রমটিতে ৫ গুণ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১ম পদ = ৭
২য় পদ = ৭ × ৫ = ৩৫
৩য় পদ = ৩৫ × ৫ = ১৭৫
৪র্থ পদ = ১৭৫ × ৫ = ৮৭৫

দ্বিতীয় অনুক্রম(জোড় পদ):
৫, ৩০, ১৮০, ?
দ্বিতীয় অনুক্রমটিতে ৬ গুণ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১ম পদ = ৫
২য় পদ = ৫ × ৬ = ৩০
৩য় পদ = ৩০ × ৬ = ১৮০
৪র্থ পদ = ১৮০ × ৬ = ১০৮০ 

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে ৮৭৫ সংখ্যাটি বসবে। 

৯৯.
শাওন তার বাড়ি থেকে রওয়ানা করে 10 কি.মি. পূর্বে যায়। এরপর বামে ঘুরে 6 কি.মি. যায় ও পরে আবার বামে ঘুরে 5 কি.মি. যায়। এখন বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, কোন দিকে হাঁটবে? 
  1. পূর্ব 
  2. উত্তর 
  3. পশ্চিম 
  4. দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শাওন তার বাড়ি থেকে রওয়ানা করে 10 কি.মি. পূর্বে যায়। এরপর বামে ঘুরে 6 কি.মি. যায় ও পরে আবার বামে ঘুরে 5 কি.মি. যায়। এখন বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, কোন দিকে হাঁটবে?

সমাধান:
 
বাম দিকে ঘুরে হাঁটলে, দক্ষিণ দিকে হাঁটবে।

১০০.
  1. 10%
  2. 70%
  3. 1000%
  4. 100%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

১০১.
Tailor : Needle : : Carpenter : ?
  1. Saw
  2. Furniture
  3. Hammer
  4. Wood 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Tailor : Needle : : Carpenter : ?

সমাধান: 
Tailor (দর্জি) তার কাজে Needle (সুই) ব্যবহার করে।
Carpenter (কাঠমিস্ত্রি) তার কাজে Saw (করাত) ব্যবহার করে।
দর্জি যেমন সেলাইয়ের কাজে সুঁচ ব্যবহার করে, তেমনই কাঠমিস্ত্রি কাঠ কাটতে করাত ব্যবহার করে। এটি ব্যক্তি এবং তার প্রধান যন্ত্রপাতির সম্পর্ক

সঠিক উত্তর ক) Saw

১০২.
AB দণ্ডটি B এর দিকে অগ্রসর হলে Y গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক কেমন হবে?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. যেকোনো দিকে
  3. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  4. কোনদিকেই ঘুরবে না
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: AB দণ্ডটি B এর দিকে অগ্রসর হলে Y গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক কেমন হবে?
 

সমাধান:
AB দণ্ডটি B এর দিকে অগ্রসর হলে X গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক হবে ঘড়ির কাঁটার দিকে।

Y গিয়ারটি X গিয়ারটির সাথে যুক্ত থাকায়,
Y গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক হবে  X গিয়ারটির বিপরীত দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

১০৩.
PHOTOSYNTHETIC শব্দটি দ্বারা নিচের কোন শব্দটি গঠন করা যায় না?
  1. PHOTO
  2. SYNTHETIC
  3. PHOTOTHERAPY
  4. OPTICS
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PHOTOSYNTHETIC শব্দটি দ্বারা নিচের কোন শব্দটি গঠন করা যায় না?

সমাধান:
PRONE শব্দটির R বর্ণটি 'PHOTOSYNTHETIC' শব্দটিতে নেই।
তাই PHOTOTHERAPY শব্দটি PHOTOSYNTHETIC শব্দটির অক্ষর রাশি দ্বারা তৈরি করা যাবে না।

১০৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে নিচের কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 52
  2. 64
  3. 48
  4. 42
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে নিচের কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
(উপর নিচ সংখ্যা দুইটির সমষ্টি) × (পাশাপাশি সংখ্যা দুইটির অন্তর) = মাঝের সংখ্যা 

১ম বৃত্তে,
(6 + 7) × (5 - 2) = 39

২য় বৃত্তে,
(8 + 6) × (4 - 1) = 42

৩য় বৃত্তে,
(10 + 2) × (6 - 2) = 48

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 48 সংখ্যাটি বসবে। 

১০৫.
90 মিটার লম্বা এবং 50 মিটার চওড়া একটি আয়তাকার জমি তার দিয়ে ঘিরতে কতগুলি পোল লাগবে যদি দুটি পোলের মধ্যে 5 মিটার দূরত্ব হয়?
  1. 54 টি
  2. 56 টি
  3. 62 টি
  4. 57 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 90 মিটার লম্বা এবং 50 মিটার চওড়া একটি আয়তাকার জমি তার দিয়ে ঘিরতে কতগুলি পোল লাগবে যদি দুটি পোলের মধ্যে 5 মিটার দূরত্ব হয়?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
দৈর্ঘ্য = 90 মিটার
প্রস্থ = 50 মিটার
পোলের মধ্যে দূরত্ব = 5 মিটার

এখন, দৈর্ঘ্য বরাবর পোলের সংখ্যা-
দুটি দৈর্ঘ্যের পাশ (উপর ও নিচ)
প্রতি পাশে দূরত্ব = 90 মিটার
∴ পোলের সংখ্যা (কোণ সহ) = 90/5 + 1 = 18 + 1 = 19

∴ দুই পাশে মোট = 19 × 2 = 38 টি পোল

আবার,
প্রস্থ বরাবর পোলের সংখ্যা
দুটি প্রস্থের পাশ (বাম ও ডান)
প্রতি পাশে দূরত্ব = ৫০ মিটার  
পোলের সংখ্যা (কোণ সহ) = 50/5 + 1 = 10 + 1 = 11
∴ দুই পাশে মোট = 11 × 2 = 22 টি পোল

∴ মোট পোল = 38 + 22 - 4 = 56 টি [চার কোণায় চারটি দুইবার গণনা করা হয়েছে তাই ৪ বাদ দিতে হবে]

১০৬.
প্যাটার্নটি সম্পূর্ণ করে এমন চিত্রটি চিহ্নিত করুন-
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:প্যাটার্নটি সম্পূর্ণ করে এমন চিত্রটি চিহ্নিত করুন-

সমাধান:


সুতরাং, সঠিক উত্তর 4 নং। 

১০৭.
যদি MANGO দিয়ে LZMFN এবং GRAPE দিয়ে FQZOD বোঝায়, তাহলে LEMON দিয়ে কী বোঝাবে? 
  1. LDLNM
  2. KDLNM
  3. KDLMN
  4. KDMNL
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি MANGO দিয়ে LZMFN এবং GRAPE দিয়ে FQZOD বোঝায়, তাহলে LEMON দিয়ে কী বোঝাবে? 

সমাধান:
 
প্রতিটি অক্ষর এক ধাপ পিছনে সরানো হয়েছে।
MANGO → LZMFN
GRAPE → FQZOD

∴ LEMON → KDLNM

১০৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি'-এর কথা বলা হয়েছে? 
  1. ১০ নং
  2. ১২ নং
  3. ১৪ নং
  4. ১৭ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১০ নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে।
 
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন কে?
  1. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. কমরেড মনি সিং
  3. মওলানা ভাসানী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
- তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একজন মুখপাত্র হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাসের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠন করা হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে।
- বাংলার শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত জনতার মুক্তির বাসনাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমর্থনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করা ছিল মুজিবনগর সরকারের স্মরণীয় সাফল্য ও কৃতিত্ব।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

 
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১১০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর -
  1. ভৈরব
  2. নারায়নগঞ্জ
  3. চাঁদপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর হলো নারায়ণগঞ্জ। 

নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর:
- পলাশী যুদ্ধে বাংলার পরাজয়ের পর পর ইংরেজরা দল বেঁধে এ অঞ্চলে আসতে থাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের আশায়। 
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পর পৃথিবীর দ্বিতীয় ‘হারবার’ বেষ্টিত শান্ত নদী শীতলক্ষ্যা।
- শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং সবচেয়ে বড় নদী বন্দর।
- ভৌগোলিক, বাণিজ্যিকভাবে এ বন্দরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

১১১.
নিম্নের কোনটি ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত নয়?  
  1. উন্নত জাতের ইক্ষু
  2. এক ধরনের পাখি
  3. একটি ল্যাপটপ
  4. উন্নত জাতের গম
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের ইক্ষু যা ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত নয়। 

দোয়েল (DOEL):

- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম দোয়েল (DOEL)।
- ২০১১ সালে এই ল্যাপটপের উদ্বোধন করা হয়। 
- দোয়েল ল্যাপটপের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড।

দোয়েল:
- দোয়েল উন্নত জাতের গম।

দোয়েল:
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১২.
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কত? [বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ৭১.২ বছর
  2. ৭১.৪ বছর
  3. ৭২.৩ বছর
  4. ৭৩.৩ বছর
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

এছাড়াও,
- বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১১৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. সুনামগঞ্জ
  3. হবিগঞ্জ
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- বাংলাদেশের ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১১৪.
স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশে কতটি জেলা ছিল?
  1. ১৮টি
  2. ১৯টি
  3. ২০টি 
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশের জেলা:
- স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশে ১৯টি জেলা ছিল।

⇒ জেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট বা একক। 
- ভারত ভাগ হয়ে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর পূর্ববঙ্গ তথা পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশে জেলা ছিল প্রথমে ১৭টি।
- ১৯৬৮ সালে পটুয়াখালী ও ১৯৬৯ সালে টাঙ্গাইল জেলা গঠনের ফলে জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টিতে।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে মোট ১৯টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
- পরে ২০তম জেলা হিসাবে তালিকায় যুক্ত হয় জামালপুর (১৯৭৮)। 
- সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে বিভাগ ৮টি, জেলা ৬৪টি, সিটি করপোরেশন (ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ) ১২টি, উপজেলা ৪৯৫টি এবং পৌরসভা ৩৩০টি।

উৎস: i) যুগান্তর। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১৫.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ ভারত।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের ২৮% ধান উৎপাদন করে থাকে ভারত, যা প্রায় ১৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। পরিমাণ প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

⇒ ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
১ম. ভারত (২৮%),
২য়. চীন (২৭%),
৩য়. বাংলাদেশ (৭%),
৪র্থ. ইন্দোনেশিয়া (৬%),
৫ম. ভিয়েতনাম (৫%)।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.govt.). [link]

১১৬.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ কোন ক্ষেত্রে 'না ভোট' চালু হয়েছে?
  1. জোটগত নির্বাচনে
  2. একক প্রার্থীর আসনে
  3. একাধিক প্রার্থী থাকলে
  4. অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থায়
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- এর আগে গত ২৩ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ সংশোধনের গেজেট প্রকাশের পর এবারের জাতীয় নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান।
- সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু হওয়া থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করার মতো নানা বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী মূল পরিবর্তনগুলো হল-আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ড) যুক্ত হয়েছে।
- একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ ফিরছে। সমান ভোট পেলে লটারির বদলে হবে পুনঃভোট।
- জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক।
- এছাড়াও নির্বাচনী জামানত ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হযেছে।
- আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে।
- আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে।
- অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে।
- হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে-এমন বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১১৭.
মুঘল সম্রাটদের মধ্যে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. সম্রাট বাবর
  4. সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন সম্রাট বাবর। তার রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 

সম্রাট বাবর:
- জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুরের বংশধর এবং মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা।
- মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- বাবর অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র আফগানিস্তানে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে 'পাদশাহ' (বাদশাহ) উপাধি গ্রহণ করে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কাবুলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে উজবেকদের সাথে সংঘটিত এক যুদ্ধে বাবর পরাজিত হয়ে সমরকন্দ থেকে বিতাড়িত হন। অতঃপর মধ্য এশিয়ায় রাজ্য স্থাপন অসম্ভব মনে করে বাবর ভারতবর্ষের দিকে মনোনিবেশ করেন।

⇒  ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

⇒ জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। তাঁর সময় মুঘল সাম্রাজ্য পশ্চিমে কাবুল থেকে পূর্বে বিহার এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে চান্দেরি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে বাবর বিশাল সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন।
- তবে বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং 'বাদশাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বাবর সমগ্র সাম্রাজ্যব্যাপী ১৫ মাইল অন্তর অন্তর ডাকচৌকির ব্যবস্থা করেন।
- তিনি তুর্কি ও ফার্সি ভাষায় অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন 'দিওয়ান' নামে পরিচিত। জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নির্দশন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 'তুযুক-ই-বাবরী' মুঘল ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
নিম্নের কোন জেলায় চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে?
  1. পঞ্চগড়
  2. মৌলভীবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়। এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১১৯.
PRSP-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বেকারত্ব হ্রাস করা
  2. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  3. দারিদ্র্য হ্রাস করা
  4. শিক্ষার হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে। এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সুশাসনকে প্রধান সোপান হিসাবে গণ্য করে প্রথম যাত্রা শুরু হয়।
- আইপিআরএসপিকে প্রাথমিক সোপান হিসাবে গণ্য করে অক্টোবর ২০০৫ সালে অধিকতর ও ব্যাপক কর্মসূচি ও কৌশল প্রণয়নে কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই দলিলটির শিরোনাম ছিল ‘আনলকিং দ্য পটেনশিয়াল: দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের জাতীয় কৌশল’ যা পিআরএসপি নামে বহুল প্রচারিত।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়। উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতির ধারাবাহিক স্বাক্ষর হিসাবে গৃহীত এ দলিলের শিরোনাম হলো ‘দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।

উৎস: i) পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১২০.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. ঔষুধ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। 

১২১.
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার কততম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. দ্বিতীয়
  2. পঞ্চম 
  3. অষ্টম 
  4. নবম 
ব্যাখ্যা

বৃহৎ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ:
- এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় এবং এশিয়ার নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

⇒ এশিয়ার মধ্যে নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলো বাংলাদেশ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশের জিডিপির আকার এখন ৪৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৫০ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৪ সালের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, অর্থনীতির আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে চীন, ভারত, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তাইপে, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।
- এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।
- এপ্রিল, ২০২৫-এ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, যা ২০২৫ বেসিক স্ট্যাটিসটিকস নামে পরিচিত। ৪৬টি দেশের জিডিপির আকারের হিসাব দিয়েছে এডিবি।

উল্লেখ্য,
- একটি দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে গিয়ে যে পরিমাণ অর্থের মূল্য সংযোজন করে, তা জিডিপি দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিন উপখাত দিয়ে জিডিপি গণনা করা হয়। তবে দেশের বাইরের আয়, যেমন প্রবাসী আয় জিডিপিতে যুক্ত হয় না। 

উৎস: প্রথম আলো।

১২২.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন?
  1. মুঘল
  2. সুলতানি
  3. নবাবী
  4. ইউরোপীয়
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ সুলতানী স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

⇒ ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর  ওয়েবসাইট।

১২৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.৬২ শতাংশ
  2. ৩.৮৮ শতাংশ
  3. ৪.৮ শতাংশ
  4. ৫.০২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।

উল্লেখ্য,
- যে বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি ধরা হয় তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়। সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১২৪.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূস কোন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Bangladesh Liberation Forum
  2. Bangladesh Citizens Committee
  3. Friends of Bangladesh
  4. Bangladesh Friends Committee
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুহাম্মদ ইউনূস তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জোগাতে বাঙালিদের সংগঠিত করা, তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনসহ জাতিসংঘে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি একটি নাগরিক কমিটি (Bangladesh Citizens Committee) প্রতিষ্ঠা করেন এবং অন্য বাংলাদেশিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

⇒ অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’-এ তিনি এসব উল্লেখ করেছেন।

উৎস: i) Nelson Mandela Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১২৫.
ওরাওঁদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. হুদুমা
  2. পাখাংবো
  3. সোহরাই
  4. ফাগুয়া
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে। 
- ওরাওঁরা জন্মান্তরবাদী।  ওরাওঁদের মাঝে খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। 
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া। ফাগুয়া অর্থাৎ ফাল্গুন মাস থেকে ওরাওঁদের বর্ষ গণনা শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২৬.
নিম্নের কার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অভিশংসন আনা হয়েছিল?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস:
- ব্রিটিশ আমলে বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনারেল হিসেবে।
- ১৭৭৩ সালে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হলে বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। সেই হিসেবে বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।

⇒ গভর্নর পদে নিযুক্ত হয়ে হেস্টিংস সর্ব প্রথমেই সীমান্ত নীতি বিষয়ে পরিবর্তন সাধন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সূচনা করেন।
-  ওয়ারেন হেস্টিংস ইংরেজদের শত্রু মারাঠাদের আশ্রয়ে বাস করার অজুহাতে সম্রাট শাহ আলমকে দেয় বার্ষিক ছাব্বিশ লক্ষ টাকা বন্ধ করে দেন এবং সম্রাটের নিকট হতে 'বারানসীর সন্ধি' দ্বারা এলাহাবাদ ও কারা জেলা দু'টি অযোধ্যার নবাবকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রদান করেন।
- তিনি বাংলায় দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান এবং বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জমিদারদের সাথে 'পাঁচসালা ভূমি বন্দোবস্ত' করেন। তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- তিনি বিচার বিভাগকে রাজস্ব বিভাগ হতে পৃথক করে প্রত্যেক জেলায় একটি করে দিওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত স্থাপন করেন। 
- গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল। 

⇒ পদত্যাগ ও ইমপীচমেন্ট:
- হেস্টিংসের কার্যকালের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে তাঁর বিরুদ্ধে নানা প্রকার অভিযোগ ও অপবাদ প্রকাশ পেতে থাকে। ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে হেস্টিংস পদত্যাগ করে দেশে ফিরে যান। উইলিয়াম পিট ও লর্ড জান্ডাসের চেষ্টার ফলে হেস্টিংসকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। বিশেষ করে চৈৎ সিংহ, অযোধ্যার বেগমদের প্রতি অসদাচারণ ও অত্যাচারের অভিযোগ ছিল গুরুতর। সাত বৎসর ধরে বিচারের পর হেস্টিংস অভিযোগ হতে মুক্ত হলেন বটে, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যয় সংকুলান করতে গিয়ে তিনি একেবারে সর্বস্বান্ত হলেন। পিট ও ডান্ডাসের বিরোধিতার ফলে তাঁর ভাতাও বন্ধ করে দেয়া হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

১২৭.
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করেন কে?
  1. নিগার সুলতানা
  2. ফারজানা হক পিংকি
  3. রুবাইয়া হায়দার
  4. নাহিদা আক্তার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।

উল্লেখ্য,
- নারী বিশ্বকাপ ২০২৫-এ ২য় বারের মতো অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল।
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করেন নিগার সুলতানা।
- ৩০ সেপ্টেম্বর- ২ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বিশ্বকাপের এই আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম।

উৎস: i) বিসিবি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১২৮.
বাংলাদেশে কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

১২৯.
নিম্নের কোন ভাষা শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. রফিক উদ্দীন
  2. আবদুস সালাম
  3. আবদুল জব্বার
  4. আবুল বরকত
ব্যাখ্যা

আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের শহিদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

 অন্যদিকে,
- শফিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ক্লাসের প্রাইভেট ছাত্র ও ঢাকা হাইকোর্টের কর্মচারী।
- আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।
- রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয়  বর্ষের ছাত্র।
- আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।
- আবদুল আউয়াল ছিলেন রিকশাচালক।
- মো. অহিউল্লাহ ছিলেন শিশু শ্রমিক।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে। 
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩০.
সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রী ও প্রতি-মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী 
  3. স্পিকার
  4. ডেপুটি স্পিকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ফরিদপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় ঠাকুরগাঁও জেলায় ও বিভাগ অনুসারে রাজশাহী বিভাগে।
 
উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি করা হয়ছিল -
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩ সালে জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি গ্রামীণ ব্যাংককে একটি স্বাধীন ব্যাংক হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদন দেয়।  ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৩৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ কে?
  1. আব্দুল আহাদ 
  2. রিয়া গোপ
  3. রাকিব হাসান
  4. সামিরুর রহমান
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ। 
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র। 

উল্লেখ্য,
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে ‘জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

১৩৪.
‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ কবে পালিত হয়?
  1. ১৪ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৫ ফেব্রুয়ারি
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারি
  4. ২৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস:
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং উক্ত তারিখ-কে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ (সরকারি ছুটি ব্যতিত) হিসেবে পালনের নিমিত্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।
- তাই সরকার এ দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

উৎস: আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১৩৫.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪.২ কিলোমিটার
  2. ৪.৮ কিলোমিটার
  3. ৬.২ কিলোমিটার
  4. ৬.৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)। 

⇒ দেশের দীর্ঘতম এ রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের প্রথম নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন করেছে দেশি উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
- দেশের সর্ববৃহৎ এ রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই জয়েন্টভেঞ্চার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৩৬.
নির্বাচন ব্যবস্থায় 'PR'-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Public Representation
  2. Proportional Representation
  3. Parliamentary Regulation
  4. Public Referendum
ব্যাখ্যা

পিআর নির্বাচন পদ্ধতি (PR):
- নির্বাচন ব্যবস্থায় 'PR'-এর পূর্ণরূপ: Proportional Representation.
- আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।
- এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি ১০% ভোট পায়, তাহলে সংসদে তাদের আসনও হবে প্রায় ১০% হারে।
- আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

⇒ পিআর পদ্ধতির ধরন:
১. মুক্ত তালিকা পদ্ধতি: দলগুলো ভোটের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে আসন পায়।
২. বদ্ধ তালিকা পদ্ধতি: দল ঠিক করে দেয় কে হবেন সংসদ সদস্য।
৩. মিশ্র পদ্ধতি: কিছু আসনে প্রতীকভিত্তিক, কিছু আসনে পিআর ভিত্তিতে নির্বাচন হয়।

⇒ বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়।
- বর্তমান বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় ৩০০টি আসনে আলাদা আলাদা প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে রাজনৈতিক দলগুলো।

উৎস: BBC.

১৩৭.
মিশরীয় সভ্যতার শেয়াল দেবতা কী নামে পরিচিত?
  1. ওসিরিস
  2. আনুবিস
  3. শেঠ
  4. থোথ
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন -
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Annecy Round
  2. Uruguay Round
  3. Dillon Round
  4. Tokyo Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১৩৯.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. ১৮৫টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৯১টি
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (নভেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪০.
ECLAC কোন অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে?
  1. ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়
  4. মধ্যপ্রাচ্য
ব্যাখ্যা

ECLAC:
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন ECLAC.
- ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানের জন্য অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।
- নির্বাহী সচিব: হোসে ম্যানুয়েল সালাজার-সিরিনাচস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪১.
সম্প্রতি 'গাজা শান্তি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়েছে - (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. মিশরে
  3. কাতারে
  4. সৌদি আরবে
ব্যাখ্যা

গাজা শান্তি সম্মেলন:
- 'গাজা শান্তি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়েছে মিশরে।
- শান্তি সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় মিসরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে মিশরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতার উপস্থিতিতে হামাস-ইসরাইল শান্তি পরিকল্পনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- এই নথিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
- সম্মেলনে প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা অংশ নেন।
- গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলও প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা।

১৪২.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. বন, জার্মানি
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি। (নভেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৪৩.
আফ্রিকান ইউনিয়নের পূর্বের নাম কী ছিল?
  1. Organization of African States
  2. Organization of African Unity
  3. African Economic Community
  4. African Development Union
ব্যাখ্যা

আফ্রিকান ইউনিয়ন:
- AU এর পূর্ণরূপ African Union.
- আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন।
- পূর্বে এর নাম ছিল - Organization of African Unity.
- African Union নামকরণ করা হয়: জুলাই, ২০০২ সালে।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- বর্তমান সদস্য: ৫৫টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান। (নভেম্বর, ২০২৫)
- মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।

১৪৪.
২০২৫ সালে মোট কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১১ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৪ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১৪৫.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. সনেরা লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৪৬.
কোয়াড এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

⇒ যুক্তরাজ্য কোয়াড এর সদস্য দেশ নয়।

কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
• যুক্তরাষ্ট্র,
• অস্ট্রেলিয়া,
• ভারত,
• জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।

১৪৭.
Green New Deal for Europe উদ্যোগের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন কত সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে?
  1. ২০৩০ সালে
  2. ২০৪১ সালে
  3. ২০৫০ সালে
  4. ২০৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

Green New Deal for Europe:
- দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ (The Green New Deal for Europe) হলো একটি উদ্যোগ যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সাসটেইনেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এর লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শূন্যে নামানো।
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

তথ্যসূত্র - গ্রিন ইউরোপীয়ান ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয়ান কমিশন।

১৪৮.
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. উইলিয়াম জোন্স
  2. জেমস ব্রাউন
  3. জন স্মিথ
  4. পল হ্যারিস
ব্যাখ্যা

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবীদের একটি সংগঠন।
- এটি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন সৃষ্টি এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মানবকল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
- প্রতিষ্ঠার স্থান- শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর- যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা - পল হ্যারিস (শিকাগোর সাবেক অ্যাটর্নি)।
- রোটারি ক্লাব ৩টি অংশের সমন্বয়ে গঠিত। যথা - Clubs, Rotary International এবং The Rotary Foundation.

তথ্যসূত্র - রোটারি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

১৪৯.
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫ অনুযায়ী, শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
- সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
- সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
- ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।

⇒ শীর্ষ দেশ:
• নরওয়ে।
• এস্তোনিয়া।
• নেদারল্যান্ডস।
• সুইডেন।
• ফিনল্যান্ড।

⇒ এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

১৫০.
মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৫১.
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. মার্তুনি
  2. শাহুমিয়ান
  3. নাগার্নো কারাবাখ
  4. মার্তাকার্ট
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

১৫২.
মন্ট্রিল প্রটোকলের প্রধান লক্ষ্য ছিল কোনটি?
  1. গ্রিনহাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণ
  2. ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধ
  3. পানি দূষণ প্রতিরোধ
  4. বন উজাড় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫৩.
নিম্নের কোন দেশটি ‘মেলানেশিয়া’ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টুভ্যালু
  2. সামোয়া
  3. ভানুয়াতু
  4. টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

• মিলেনেশিয়া: 
"মেলানেশিয়া" শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "কালো দ্বীপ"।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল যা প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
• এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
৩. ভানুয়াতু এবং
৪. ফিজি।

• ওশেনিয়া মহাদেশ:

- অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া ১. অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড- ১. নিউজিল্যান্ড।
- মাইক্রোনেশিয়া ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৫৪.
দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া থেকে কোন ধরনের খনিজ উত্তোলন করা হয়?
  1. খনিজ তৈল
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কঠিন শিলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।

কঠিন শিলা (Hard Rock):

- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪ সালে।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার। মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২৮ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
- মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়।
- এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে।
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।  

উৎস: ¡)খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
        ¡¡)  বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]

১৫৫.
নিম্নের কোন ধরনের বৃষ্টিপাত সাধারনত দীর্ঘস্থায়ী হয়?
  1. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  2. পরিচলন বৃষ্টি
  3. ঘূর্ণি বৃষ্টি 
  4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

-  ঘূর্ণি বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

• ঘূর্ণি বৃষ্টি (Cyclonic Rain):

- কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে।
- শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে।
- জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে।
- ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে।
- এই বৃষ্টিপাত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে এরূপ বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায়, তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

• পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। 

• বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain): 
- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫৬.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিডর কখন আঘাত হানে?
  1. ১৬ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১৩ নভেম্বর, ২০০৭
  3. ১৫ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১৮ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা

সিডর:
- সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ চোখ।
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নাম ঠিক করে।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫৭.
’ম্যাজিনো লাইন’ কোন দুই দেশের মধ্যে একটি সীমারেখা?
  1. ইরাক ও ইরান
  2. ফ্রান্স ও জার্মানি
  3. কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড
  4. ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে একটি সীমারেখা। 
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ,
- যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইতালির সীমান্ত বরাবর নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এটি সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে বিবেচিত হতো।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনী এই লাইনকে পাশ কাটিয়ে এবং ভেঙে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৫৮.
নিম্নের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. মার্বেল
ব্যাখ্যা

- কয়লা পাললিক শিলা। 
• ভুত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
- যথাঃ আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।
• পাললিক শিলাঃ
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

• রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

• অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা: 
- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 

১৫৯.
ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১৭%
  2. ২০%
  3. ১০%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা

- বৈশ্বিক উষ্ণতা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম মাত্রার বন্যা-ঘূর্ণিঝড় এবং লবণাক্ততার অভিঘাত বাংলাদেশে আঘাত করছে।
- ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ ১০-এ অবস্থান করছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- এটি দুই কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে।
- এ ছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টি, নদীভাঙন, খরা ও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ ইতিমধ্যে কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ): রূপকল্প ও চ্যালেঞ্জ জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ২০২২ সালে তার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) চূড়ান্ত করেছে, যাতে ১৪টি জলবায়ু ঝুঁকি চিহ্নিত করে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ১১০টি কর্মকৌশল প্রস্তাব করা হয়েছে।

উৎস:¡) Climate Risk Index 2025. [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]
        ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১৬০.
আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা সৃষ্টি হয়- 
  1. আইনের শাসন থেকে
  2. মূল্যবোধ থেকে
  3. সুশাসন থেকে
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

• মূল্যবোধের উপাদান: 
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়,
- যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান।
- ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
- সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ।
- আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬১.
জন অস্টিন আইনের কতটি উৎস চিহ্নিত করেছেন?
  1. ৫টি
  2. ১টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

- জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি। যথা: - সার্বভৌমের আদেশ।

অন্যদিকে,
• অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
- প্রথা,
- ধর্ম,
- বিচারকের রায়,
- ন্যায়বিচার,
- বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
- আইনসভা।

• ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি। যথা:
- প্রথা,
- ধর্ম,
- বিচারকের রায়,
- ন্যায়বিচার,
- বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
- আইনসভা,
- জনমত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬২.
যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।' উক্তিটি কে বলেছেন?
  1. লর্ড ব্রাইস
  2. টিএইচ গ্রিন
  3. জন লক
  4. প্লেটো
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রদার্শনিক জন লকের মতে, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।

আইন:
- আইন বলতে কতিপয় নির্দিষ্ট অপরিবর্তনীয় নিয়মাবলীর সমষ্টিকে বুঝায়।
- যে সকল বিধিনিষেধ রাষ্ট্রকর্তৃক স্বীকৃত ও যেগুলো ভঙ্গ করলে শাস্তি ভোগ করতে হয়, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী সেগুলোকেই আইন বলে।
- আইন স্বাধীনতার শর্ত ও রক্ষক।
- আইন আছে বলেই স্বাধীনতা ভোগ করা সম্ভব হয়।
- আইনবিহীন সমাজে স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতার নামান্তর।
- রাষ্ট্রদার্শনিক জন লকের মতে, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৬৩.
Red Tapism বা 'লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এর সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. স্থানীয় প্রশাসন
  2. আমলাতন্ত্র
  3. বিচার ব্যবস্থা
  4. কেন্দ্রীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

আমলাতন্ত্র:
- Red Tapism বা 'লাল ফিতার দৌরাত্ম্য আমলাতন্ত্র এর সাথে সম্পর্কিত
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy.
- আমলাতন্ত্র হল একটি সংস্থা, যা সরকারী বা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন, বিভিন্ন নীতিনির্ধারক বিভাগ বা ইউনিট নিয়ে গঠিত।
- জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আমলাতন্ত্র অধ্যয়ন করেন।
- তাই ম্যাক্স ওয়েবারকে আদর্শ আমলাতন্ত্রের উদ্ভাবক বলা হয়।

আমলাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য:
- টাস্ক স্পেশালাইজেশন,
- নিয়ম এবং প্রয়োজনীয়তা,
- অনুক্রমিক কর্তৃপক্ষ,
- কর্মজীবন অভিযোজন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৪.
সুশাসন প্রত্যয়টির উদ্ভাবক কে?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. এডিবি
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Good Governance'।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪টি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
• এ চারটি স্তম্ভ হচ্ছে –
- দায়িত্বশীলতা,
- স্বচ্ছতা,
- আইনী কাঠামো,
- অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৫.
আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করে-
  1. সরকার
  2. নৈতিকতা
  3. গণতন্ত্র
  4. সুশাসন
ব্যাখ্যা

- গণতন্ত্র আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করে।

গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা: 

- স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পরস্পর নির্ভরশীল।
- উভয়ের অবস্থান সমান্তরাল। স্বাধীনতা না থাকলে গণতন্ত্র অর্থহীন। আবার গণতন্ত্রই স্বাধীনতার পথ সুগম করে।
- স্বাধীনতার অর্থ অপরের দ্বারা বাধাগ্রস্থ না হয়ে নিজের অধিকার ভোগ করা।
- তদ্রূপ অপরের সমঅধিকারে হস্তক্ষেপ না করাই স্বাধীনতার মূল কথা।
- এজন্য স্বাধীনতা বলতে এমন এক পরিবেশের সংরক্ষণ বুঝায় যেখানে ব্যক্তি তার সর্বোত্তম সত্তা বিকাশের সুযোগ পায়।
-  কারণ গণতন্ত্র এমন এক ধরনের শাসনব্যবস্থা যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সমর্থনে সরকার গঠিত হয়।
- এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় আইনসিদ্ধভাবে নাগরিকের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও,
- গণতন্ত্র হল নিয়মতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা যেখানে সাংবিধানিকভাবে জনগণের স্বাধীনতা স্বীকৃত হয় এবং সাংবিধানিক নিশ্চয়তার মাধ্যমে স্বাধীনতা বলবৎকরণের ব্যবস্থা করা হয়।
- গণতন্ত্র আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করে।
- তাই হারানো স্বাধীনতা আদালতের নিরপেক্ষ রায়ে পুনর্বহাল হয়।
- তাছাড়া গণতন্ত্র জনগণের সম্মতিতে রচিত আইনের মাধ্যমে সাম্যভিত্তিক আদর্শ গণতান্ত্রিক সমাজ সৃষ্টি করে স্বাধীনতার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারিত করতে পারে।
- একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মানুষ জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করতে পারে।
- সুতরাং স্বাধীনতা যেমন গণতন্ত্রের শর্ত তেমনি গণতন্ত্রই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৬.
সভ্যতার অন্যতম প্রতিচ্ছবি হলো-
  1. রাষ্ট্র
  2. সমাজ
  3. সুশাসন
  4. পরিবার
ব্যাখ্যা

- সমাজ সভ্যতার প্রতিচ্ছবি।

• সভ্যতা(Civilization):

- সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধার প্রথা সংস্কৃতির উন্নত
- ম্যাকাইভার এবং পেজের মরে আমরা যাতা যনো সংস্কৃতি এবং আমরা য ব্যবহার করি তা ধনো সভ্যতা)
- স্কটের মতে সহাতা হচ্ছে একটি উচ্চতর জটিল বিষয় যা সংস্কৃতির সাথে আপেক্ষিকতার আলোকে তুলনা করা হয়।'
- বটোমোর মতে সভ্যতা হলো কতকগুলো নির্দিষ্ট মানবগোষ্ঠীর অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্টদেমূহের সমন্বয়।
- জেরি এবং জেরি বলেন, সভ্যতা হচ্ছে সাস্কৃতির উন্নত ধরন যেমন- কেন্দ্রীয় সরকার, শিল্পকলা ও শিক্ষণের উন্নয়ন।
- নীতি-নৈতিকতার সমচিত এগ যা নগরের সাথে সম্পর্কিত এব। বৃষএর সমাজ
- সব মিনিয়ে নরা ধায়, সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধর। প্রথ্য সংস্কৃতির উন্নত ধরন।
- সভ্যতা প্রযুক্তিবিদ্যা, বস্তুগত সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সমগ্রিলে যোগায়।
- সভ্যতা হচ্ছে সংস্কৃতির প্রধিকতা অগ্রসর ও জটিল বিষয় যা বিভিন্ন সমাজে প্রণয়িত হয়।
- অর্থাৎ, সমাজ সভ্যতার প্রতিচ্ছবি।
- সমাজের বিশ্লেষণ করেই সলতার সম্পর্কে হারনা পাপ্রয়া যায়।

উৎসে সমাজবিজ্ঞান চম পর, এইচটি বালাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৭.
’দাসপ্রথা বন্ধ করা’ কোন ধরনের মূল্যবোধের উদাহরণ?
  1. রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  2. আধুনিক মূল্যবোধ
  3. সামাজিক মূল্যবোধ
  4. ধর্মীয় মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

- দাসপ্রথা বন্ধ করা আধুনিক মূল্যবোধ মূল্যবোধের উদাহরণ। 

আধুনিক মূল্যবোধ:

- সমাজ নিয়ত পরিবর্তনশীল, আর এ পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেরও পরিবর্তন ঘটে।
এজন্যই অতীতের অনেক মূল্যবোধই এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে।
- অতীতে বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল, এখন মানুষ বাল্যবিবাহকে অপছন্দ করে।
- রাষ্ট্র আইন করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
- অতীতে হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা, সহমরণ প্রথা প্রচলিত ছিল, বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল। এগুলো আজ আর নেই।
-  দাসপ্রথা ,বিধবা বিবাহ প্রথা চালু, নারী-পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের সমান সুযোগ, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, সতীদাহ প্রথা বন্ধ করা" আধুনিক মূল্যবোধ।
- মূল্যবোধ এজন্যই নৈর্ব্যক্তিক। বর্তমানের অনেক মূল্যবোধ একদিন ভবিষ্যতে হয়তো থাকবে না। গড়ে ওঠবে নতুন মূল্যবোধ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬৮.
নীতিবিজ্ঞানী ইমানুয়েল কান্ট এর রচিত বই নয় কোনটি?
  1. Groundwork of the Metaphysics of Morals
  2. Existentialism Is a Humanism
  3. Critique of Pure Reason
  4. Critique of Judgment
ব্যাখ্যা

- ’Existentialism Is a Humanism’ নীতিবিজ্ঞানী ইমানুয়েল কান্টের রচিত বই নয়।
- বইটি ফরাসি দার্শনিক জাঁ-পল সার্ত্রের (Jean-Paul Sartre).

• ইমানুয়েল কান্ট:

- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।

• ইমানুয়েল কান্ট গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই: 
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.


উৎস: ¡) পৌরনীতি ও সুশাসন এইচ এসসি প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) ব্রিটানিকা।