পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি [গুরত্বপূর্ণ সকল বিষয়সমূহ] ১. কম্পিউটার সংগঠন ও পেরিফেলাস। ২. মোবাইল প্রযুক্তি ৩. ইন্টারনেট. ৪. তথ্য-প্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ৫. সাইবার অপরাধ, ভাইরাস ও অ্যান্টিভাইরাস। ৬. দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি প্রভৃতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
Big Data ব্যবস্থাপনায় কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে এগিয়ে? 
  1. Microsoft
  2. Google
  3. Intel
  4. IBM
ব্যাখ্যা

• Google এর প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা, এবং ক্লাউড-ভিত্তিক বিশ্লেষণ টুলের কারণে তারা Big Data ব্যবস্থাপনায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে।

• Big Data ব্যবস্থাপনা:

- Big Data ব্যবস্থাপনা হলো বিশাল পরিমাণের ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রক্রিয়া।
- এই ধরনের ডেটা প্রায়শই প্রচলিত ডেটাবেস সিস্টেম দিয়ে সহজে প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব নয়।
- Big Data থেকে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কাস্টমার আচরণ বোঝা, নতুন পণ্য পরিকল্পনা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি (insights) পাওয়া যায়।

• Google এর অবদান ও নেতৃত্ব:
- প্রযুক্তি উদ্ভাবন: Google File System (GFS) ও MapReduce প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা বড় ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা তৈরি করেছে।
- BigQuery: Google এর ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণ টুল BigQuery ব্যবহার করে বিশাল ডেটা সেটের উপর বাস্তবসময় বিশ্লেষণ সম্ভব।
- ডেটা সেন্টার স্কেল: Google এর ডেটা সেন্টার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে আছে, যা তাদের বিশাল পরিমাণ ডেটা দ্রুত ও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা দেয়।
- AI এবং Machine Learning: Google এর TensorFlow এবং অন্যান্য AI টুলের মাধ্যমে ডেটা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্দৃষ্টি ও পূর্বাভাস তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবস্থান:
- Microsoft: Azure ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে Big Data সমাধান দেয়। কিন্তু Google এর তুলনায় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিশ্লেষণ স্কেল সীমিত।
- Intel: এটি চিপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তারা মূলত চিপ উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করে। গুগলের তুলনের তাদের কাজ ভিন্ন।
- IBM: Watson এবং অন্যান্য বিশ্লেষণাত্মক টুল রয়েছে, কিন্তু Google-এর তুলনায় বৃহৎ ডেটা প্রক্রিয়াকরণে প্রভাব সীমিত।

উৎস:
- ব্রিটানিকা [লিংক]

.
Smart Home Technology কীভাবে কাজ করে? 
  1. কেবল সময়সূচি অনুযায়ী ডিভাইস চালায় 
  2. শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় 
  3. নির্দেশ ও সেন্সর অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ
  4. শুধুমাত্র ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কাজ করে 
ব্যাখ্যা

• Smart Home Technology মূলত সেন্সর, ইন্টারনেট সংযোগ, কন্ট্রোল সিস্টেম এবং স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং আরও শক্তি-সাশ্রয়ী করে তোলে।

• Smart Home Technology কী?
- Smart Home Technology হলো এমন প্রযুক্তি যা ঘরের বিভিন্ন ডিভাইস ও সিস্টেমকে সংযুক্ত করে এবং ব্যবহারকারীর সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে লাইট, থার্মোস্ট্যাট, সিকিউরিটি ক্যামেরা, দরজা, গ্যাস সনাক্তকরণ সিস্টেম, অডিও-ভিডিও ডিভাইস এবং অন্যান্য যন্ত্রকে দূর থেকে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• কাজ করার পদ্ধতি:
- সেন্সর ব্যবহার: ঘরের তাপমাত্রা, আলো, গতি, ধোঁয়া, পানি বা গ্যাসের লেভেল সনাক্ত করতে সেন্সর ব্যবহার করা হয়।
- কন্ট্রোল সিস্টেম: সেন্সর থেকে আসা ডেটা বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হাব বা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার ডিভাইসকে নির্দেশ দেয়।
- ক্লাউড ও ইন্টারনেট সংযোগ: অনেক Smart Home ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউডে সংযুক্ত থাকে, যা দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে।
- স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ: উদাহরণস্বরূপ, যদি সেন্সর সনাক্ত করে যে ঘরে কেউ নেই, তাহলে লাইট বন্ধ হয়ে যায় এবং থার্মোস্ট্যাট শক্তি সংরক্ষণ মোডে চলে যায়।

• ব্যবহারকারীর সুবিধা:
- শক্তি এবং খরচ সাশ্রয়।
- বাড়ির নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
- সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য, যেমন: স্বয়ংক্রিয় লাইট, টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণ, দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক/আনলক করা।
- দূর থেকে মোবাইল অ্যাপ বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Cache Memory কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখার জন্য।
  2. CPU ধীর করার জন্য।
  3. ইন্টারনেট দ্রুত করার জন্য।
  4. CPU কে দ্রুত ডেটা দেওয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা

• Cache Memory ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির গতি পার্থক্য দূর করে CPU-কে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করা। ফলে কম্পিউটারের সামগ্রিক গতি, পারফরম্যান্স এবং দক্ষতা বেড়ে যায়।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

.
SIM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Subscriber Identity Module
  2. System Internet Module
  3. Secure Information Memory
  4. Signal Identification Method
ব্যাখ্যা

• SIM এর পূর্ণরূপ Subscriber Identity Module, যা মোবাইল ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করে এবং নেটওয়ার্কে সংযোগ প্রদান করে। বর্তমান টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় SIM কার্ড ছাড়া মোবাইল ফোন কার্যত অকার্যকর।

- SIM বা Subscriber Identity Module হলো একটি মাইক্রোচিপ, যা মোবাইল ফোন, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য সেলুলার ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারকারীর পরিচয় এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ সম্পর্কিত তথ্য সংরক্ষণ করে, যাতে ডিভাইস মোবাইল টাওয়ারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

• SIM কার্ডের মূল উদ্দেশ্য:
- নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস: মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযোগ তৈরি ও কল, SMS, ডেটা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে।
- সিকিউরিটি ও Authentication: ব্যবহারকারীর আসল পরিচয় যাচাই করে নিরাপদ নেটওয়ার্ক সংযোগ নিশ্চিত করে।
- তথ্য সংরক্ষণ: কনট্যাক্ট নাম্বার, SMS এবং কিছু ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা যায় (যদিও আধুনিক স্মার্টফোনে বেশিরভাগ তথ্য ফোন স্টোরেজ বা ক্লাউডে রাখা হয়)।

• SIM কার্ডের ধরন:
- Standard SIM: বড় আকারের পুরনো SIM কার্ড।
- Micro SIM: তুলনামূলক ছোট, স্মার্টফোনে ব্যবহৃত।
- Nano SIM: সবচেয়ে ছোট, আধুনিক স্মার্টফোনে ব্যবহৃত।
- eSIM: Embedded SIM, ডিভাইসের ভেতরে বিল্ট-ইন, কোনো কার্ড লাগানোর প্রয়োজন নেই।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
Domain Name System (DNS) এর কাজ কী? 
  1. ডেটা এনক্রিপ্ট করা।
  2. ডোমেইন নামকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা।
  3. ওয়েবসাইট ডিজাইন করা।
  4. ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা।
ব্যাখ্যা

• DNS ইন্টারনেটের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার মাধ্যমে ডোমেইন নামকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা হয়। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকে সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তোলে।

- আমরা সাধারণত ওয়েবসাইটের নাম যেমন google.com, facebook.com, bdjobs.com, livemcq.com মনে রাখতে পারি, কিন্তু কম্পিউটার এই নাম বুঝতে পারে না। কম্পিউটার বোঝে সংখ্যা সমন্বিত IP Address, যেমন: 142.250.190.14 .

• DNS এর কার্যপ্রক্রিয়া:
- ব্যবহারকারী ব্রাউজারে একটি ডোমেইন নাম লিখলে DNS সেই নাম খুঁজে IP Address বের করে।
- ব্রাউজার সেই IP Address অনুযায়ী সার্ভারে যুক্ত হয়।
- সার্ভার থেকে ওয়েবসাইট লোড হয়।

• DNS এর প্রয়োজনীয়তা:
- মানুষ শব্দভিত্তিক নাম মনে রাখতে সক্ষম, কিন্তু সংখ্যামূলক IP Address মনে রাখা কষ্টকর।
- DNS ব্যবহার করে সহজ নাম টাইপ করলেই ব্রাউজার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক সার্ভারে পৌঁছে যায়।
- DNS না থাকলে প্রতিটি সাইটে যেতে IP Address মুখস্থ করতে হতো, যা প্রায় অসম্ভব।

• DNS ব্যবহারের সুবিধা:
- ওয়েব ব্রাউজিং সহজ করে।
- দ্রুত এবং নির্ভুল সার্ভার লোকেশন নিশ্চিত করে।
- ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনাকে স্কেলযোগ্য, সংগঠিত ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলে।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
OpenAI কোন প্রযুক্তি ব্যবস্থার জন্য পরিচিত?
  1. Artificial Intelligence (AI)
  2. Blockchain
  3. Quantum Computing 
  4. Internet of Things (IoT)
ব্যাখ্যা

• OpenAI মূলত Artificial Intelligence (AI) প্রযুক্তির জন্য পরিচিত। এর কাজ মানুষের জন্য স্বয়ংক্রিয়, বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এবং সৃজনশীল সমাধান তৈরি করা।

- OpenAI একটি গবেষণা সংস্থা যা মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) তৈরি ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত।
- এর লক্ষ্য হলো AI প্রযুক্তিকে নিরাপদ, মানবকল্যাণমুখী এবং সর্বজনীনভাবে ব্যবহারযোগ্য করা।

• OpenAI এর প্রযুক্তি:
- Language Models: GPT সিরিজের মতো বড় ভাষা মডেল তৈরি করে, যা মানুষের ভাষা বোঝে এবং প্রাসঙ্গিক উত্তর বা লেখা তৈরি করতে পারে।
- Machine Learning ও Deep Learning: AI মডেলগুলো প্রশিক্ষণের জন্য বৃহৎ ডেটা ব্যবহার করে এবং জটিল সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম।
- AI Tools: Codex, DALL·E, ChatGPT এর মতো টুলগুলোর মাধ্যমে ছবি, কোড, লেখা ও অন্যান্য কন্টেন্ট জেনারেশন সম্ভব।

• OpenAI এর অবদান:
- সৃজনশীলতা বৃদ্ধি: মানুষকে লেখা, ছবি বা কোড তৈরিতে সহায়তা করা।
- স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষণ: বড় ডেটা থেকে দ্রুত অন্তর্দৃষ্টি বের করা।
- নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবন: AI নিরাপত্তা ও নৈতিক ব্যবহারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসা।

উৎস: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

.
ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. কীবোর্ড
  2. মাউস
  3. মনিটর
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• মনিটর হল আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট ডিভাইস নয়। ইনপুট ডিভাইসের কাজ হলো কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করা, যা মনিটর করে না।

- মনিটর কেবল আউটপুট প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারকারীর কোনো তথ্য বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রেরণ করে না।
- তাই মনিটরকে ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ হিসেবে ধরা যায় না।

• ইনপুট ডিভাইস:
- ইনপুট ডিভাইস হলো এমন যন্ত্র বা ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, ডেটা বা তথ্য সংগ্রহ করে এবং তা কম্পিউটারের কাছে পাঠায়।
- কম্পিউটার এই তথ্য ব্যবহার করে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফলাফল তৈরি করে।
উদাহরণ:
⇒ কীবোর্ড: টেক্সট ও কমান্ড ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত।
⇒ মাউস: কার্সর নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচিত কমান্ড প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত।
⇒ স্ক্যানার: কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।

• আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইস হলো এমন যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য বা ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
⇒ মনিটর: কম্পিউটারের প্রক্রিয়াজাত তথ্য স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।
⇒ প্রিন্টার: ডিজিটাল তথ্যকে কাগজে মুদ্রণ করে।
⇒ স্পীকার: অডিও আউটপুট প্রদান করে।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি Antivirus সফটওয়্যার?
  1. Malwarebytes
  2. Chrome
  3. Photoshop
  4. VLC
ব্যাখ্যা

• Malwarebytes হলো একটি Antivirus সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্য সব সফটওয়্যার সরাসরি ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয় না।

• Malwarebytes:

- জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত Antivirus সফটওয়্যার।
- ভাইরাস, র‌্যানসমওয়্যার, ম্যালওয়্যার, ফিশিং থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

• Antivirus সফটওয়্যার:
- Antivirus সফটওয়্যার হলো এমন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে।
- এটি ব্যবহারকারীর সিস্টেম স্ক্যান করে সংক্রমিত ফাইল বা ডকুমেন্ট সনাক্ত করে এবং তা অপসারণ বা নিরপদ (neutralize) করতে সক্ষম।
- Antivirus সফটওয়্যার ডিভাইসের নিরাপত্তা বজায় রাখে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডেটা রক্ষা করে।

• Antivirus সফটওয়্যারের প্রধান কার্যক্রম:
- রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন: ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করা।
- স্ক্যান ও ডিটেকশন: ফাইল, সফটওয়্যার ও ইমেল চেক করে ক্ষতিকারক কোড সনাক্ত করা।
- ফাইল ক্লিনিং ও রিমুভাল: সংক্রমিত ফাইলকে পরিষ্কার করা বা কোয়ারেন্টিনে রাখা।
- সিস্টেম মনিটরিং: নতুন সফটওয়্যার ইনস্টলেশন বা ডাউনলোড পর্যবেক্ষণ।

• অপশন আলোচনা:
- Chrome: ওয়েব ব্রাউজার, যা শুধু ইন্টারনেটে ব্রাউজিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়; সরাসরি ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য নয়।
- Photoshop: ছবি ও গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, ভাইরাস প্রতিরোধের কোনো কার্যক্রম নেই।
- VLC: মিডিয়া প্লেয়ার, অডিও এবং ভিডিও ফাইল চালানোর জন্য ব্যবহৃত; Antivirus নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- Malwarebytes এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। 

.
অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. bKash
  2. PayPal
  3. Nagad
  4. ATM
ব্যাখ্যা

• ATM হলো ফিজিক্যাল ডিভাইস, অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ নয়। অনলাইন ব্যাংকিং সাধারণত ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

- ATM (Automated Teller Machine) মূলত ফিজিক্যাল লেনদেনের ডিভাইস, যেখানে ব্যবহারকারী ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে নগদ টাকা উত্তোলন, বালেন্স চেক বা সীমিত লেনদেন করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অনলাইন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে না।

• অনলাইন ব্যাংকিং:
- অনলাইন ব্যাংকিং হলো এমন একটি সেবা যা ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করতে দেয়।
- ব্যবহারকারী বাড়ি বা যেকোনো স্থান থেকে টাকা স্থানান্তর, বিল পেমেন্ট, ব্যালেন্স চেক ইত্যাদি করতে পারে।

• অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ:
- bKash: মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, টাকা পাঠানো ও গ্রহণের সুবিধা।
- PayPal: আন্তর্জাতিক লেনদেন ও অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম।
- Nagad: বাংলাদেশে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।

উৎস: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১০.
URL এর মূল অংশ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• URL এর মূল তিনটি অংশ আছে: Protocol, Domain Name, এবং Path।

- URL (Uniform Resource Locator) হলো একটি ওয়েব ঠিকানা যা ইন্টারনেটে কোনো রিসোর্স যেমন ওয়েবসাইট, পৃষ্ঠা বা ফাইলের অবস্থান নির্দেশ করে।
- এটি ব্রাউজারে টাইপ করলে সরাসরি নির্দিষ্ট ওয়েবপেজে পৌঁছানো যায়।

• URL এর মূল অংশ:
- Protocol (প্রোটোকল): এটি নির্ধারণ করে যে ব্রাউজার কিভাবে সার্ভার থেকে ডেটা আনবে। উদাহরণ: http://, https://, ftp://
- Domain Name (ডোমেইন নাম): এটি সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে যেখানে ওয়েবসাইট বা ফাইল অবস্থিত। উদাহরণ: www.livemcq.com
- Path (পাথ) বা Resource Path: এটি সার্ভারের ভিতরের নির্দিষ্ট ফাইল বা পৃষ্ঠার অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ: /about-us/page1.html

• উদাহরণ:
- URL: https://web.livemcq.com/contact/

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
সর্বশেষ WiFi প্রযুক্তি কোনটি?
  1. Wi-Fi 6 
  2. Wi-Fi 6E
  3. Wi-Fi 7
  4. Wi-Fi 8
ব্যাখ্যা

• Wi‑Fi 7 হলো বর্তমান সর্বশেষ ফাইনালাইজড WiFi প্রযুক্তি। 

Wi‑Fi স্ট্যান্ডার্ডগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Wi-Fi 1 (802.11b): ধীর গতি (11 Mbps), 2.4 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, মূলত প্রাথমিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য।
- Wi-Fi 2 (802.11a): দ্রুত গতি (54 Mbps), 5 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, কম interference সহ ছোট indoor coverage।
- Wi-Fi 3 (802.11g): 2.4 GHz ব্যান্ডে 54 Mbps গতি, backward compatible এবং বাড়ি ও অফিসে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
- Wi‑Fi 4 (802.11n): উচ্চ গতি (উচ্চ Mbps), MIMO (একাধিক অ্যান্টেনা) সমর্থন আর 2.4 + 5 GHz ব্যান্ড ব্যবহার।
- Wi‑Fi 5 (802.11ac): আরও বেশি ব্যান্ডউইথ, 5 GHz ব্যান্ডের ওপর ফোকাস, দ্রুত গতি ও আধুনিক উপযোগিতা।
- Wi‑Fi 6 / 6E (802.11ax): efficiency বৃদ্ধি, জনবহুল স্থানে কাজের জন্য উন্নত, 6 GHz ব্যান্ডের জন্য Wi‑Fi 6E।
- Wi‑Fi 7 (802.11be): গতি ও ব্যান্ডউইথে বড় লাফ, latency কমানো, multi‑link ও উন্নত modulation.
- Wi‑Fi 8 (802.11bn): ভবিষ্যৎ: প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী Ultra‑High Reliability ও অত্যন্ত দ্রুত গতি, কিন্তু এখনও final নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১২.
Cloud Computing কী?
  1. অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং ব্যবস্থা।
  2. ইন্টারনেট ছাড়া তথ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি।
  3. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ ও সেবা প্রদানের প্রযুক্তি।
  4. শুধু ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি ।
ব্যাখ্যা

• Cloud Computing আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি যা ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার ও নেটওয়ার্ক সেবা সহজ এবং কম খরচে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করতে সক্ষম।

• Cloud Computing:
- এটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা, যেমন ডেটা সংরক্ষণ (Storage), ডেটা প্রক্রিয়াকরণ (Processing), সফটওয়্যার ব্যবহার (Software as a Service) এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে নিজস্ব শক্তিশালী কম্পিউটার বা সার্ভার ব্যবহার করতে হয় না। বরং ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যায়।

• Cloud Computing জনপ্রিয়তা:
- ব্যবহারকারী যেকোনো ডিভাইস দিয়ে যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
- সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামো নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- খরচ কম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।

• Cloud Computing এর মূল তিনটি সেবা মডেল:
- IaaS (Infrastructure as a Service): সার্ভার ও স্টোরেজ প্রদান।
- PaaS (Platform as a Service): অ্যাপস ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান।
- SaaS (Software as a Service): অ্যাপ/সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা যায় (যেমন: Gmail)।

• উদাহরণ:
- Google Drive.
- Amazon Web Services (AWS).
- Microsoft Azure.
- Dropbox.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
WhatsApp কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. Google
  2. Apple
  3. Meta
  4. Microsoft 
ব্যাখ্যা

• WhatsApp বর্তমানে Meta Platforms Inc. কোম্পানির মালিকানাধীন এবং Meta এর ইকোসিস্টেমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
- WhatsApp একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীদের টেক্সট, ছবি, ভিডিও, ভয়েস কল এবং ভিডিও কল করতে দেয়।
- এটি মূলত স্মার্টফোনের জন্য তৈরি করা হয়েছে, তবে ডেস্কটপ এবং ওয়েব সংস্করণও আছে।

• মালিকানা ইতিহাস:
- WhatsApp ২০০৯ সালে Jan Koum ও Brian Acton দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৪ সালে, Facebook Inc. (বর্তমানে Meta Platforms, Inc.) WhatsApp কিনে নেয়, প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে।
- সেই থেকে WhatsApp হলো Meta এর অংশ, এবং একই কোম্পানি Facebook, Instagram, Messenger ইত্যাদিরও মালিক।

• Meta এর অধীন প্রধান প্ল্যাটফর্ম / অ্যাপ:
- Facebook: মূল সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম।
- Instagram: ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং এর জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- Messenger: Facebook এর মেসেজিং সার্ভিস।
- WhatsApp: জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, টেক্সট, ভয়েস ও ভিডিও কলের জন্য।
- Threads: Instagram এর সঙ্গে সংযুক্ত, মূলত টেক্সট-ভিত্তিক মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম।

• Meta এর প্রভাব:
- Meta, WhatsApp এর প্রযুক্তি ও সার্ভার অবকাঠামো পরিচালনা করে।
- এটি বিজ্ঞাপন ভিত্তিক নয়, তবে Meta এর ইকোসিস্টেমের সাথে সংযুক্ত।
- নতুন ফিচার যেমন: WhatsApp Pay, multi-device support, ইত্যাদি Meta এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উৎস: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১৪.
কোন প্রোটোকল ইমেইল প্রেরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• SMTP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস থেকে ইমেইল সার্ভারে এবং সার্ভার থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে।
- এটি নির্ধারণ করে কিভাবে ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো হবে।

• কাজের ধরন:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, গ্রহণ বা ডাউনলোডের জন্য নয়।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট (যেমন: Outlook, Gmail) থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো এবং সার্ভারের মাধ্যমে অন্য সার্ভারে রিলে করার কাজ SMTP করে।

• অন্যান্য প্রোটোকলের কাজ:
- HTTP (HyperText Transfer Protocol): ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এবং ওয়েব পেজ ডেটা আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রেরণের জন্য নয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে থাকা ইমেইল অ্যাক্সেস বা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫.
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wide World Web
  2. World Wide Web
  3. Wireless Web World
  4. Web World Wide
ব্যাখ্যা

• WWW অর্থ World Wide Web.

• World Wide Web:
- এটি হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ব্রাউজ বা অ্যাক্সেস করার একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা। এটি মূলত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজের সমন্বয়ে গঠিত, যা একে অপরের সঙ্গে হাইপারলিংকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- ব্রাউজার যেমন: Google Chrome, Firefox, Safari ইত্যাদি ব্যবহার করে WWW-তে থাকা ওয়েবসাইট, ফাইল, ছবি বা ভিডিও দেখা যায়।

• WWW এর বৈশিষ্ট্য:
- ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ওয়েব সার্ভারে রাখা তথ্য সহজে যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
- URL, HTTP, এবং HTML এর সমন্বয়ে তথ্য প্রদর্শন করে।

• WWW গুরুত্ব:
- তথ্য বিনিময় সহজ করেছে।
- অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স, সোশ্যাল মিডিয়া, গবেষণা, বিনোদনসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়।
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও ডেটা শেয়ারিংকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৬.
কোনটি র‍্যানসমওয়্যার এর উদাহরণ? 
  1. WannaCry
  2. Avast
  3. Norton
  4. Avira
ব্যাখ্যা

• WannaCry হলো র‍্যানসমওয়্যারের উদাহরণ।
- র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ম্যালওয়্যার, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসের ডেটা এনক্রিপ্ট করে বা লক করে দেয়।
- এরপর হ্যাকাররা পুনঃপ্রাপ্তির জন্য অর্থ (ransom) দাবি করে। 

• ইতিহাস:
- WannaCry প্রথম পরিচিত হয় মে ২০১৭ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী হঠাৎ বিস্তার লাভ করে ১৫০টির বেশি দেশে, হাসপাতাল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারী সংস্থাকে প্রভাবিত করে।

• সংক্রমণের পদ্ধতি:
- WannaCry মূলত Microsoft Windows-এ উপস্থিত SMB (Server Message Block) প্রোটোকলের দুর্বলতা ব্যবহার করে সংক্রমণ ঘটায়।
- এটি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়াতে পারে, যার ফলে খুব দ্রুত নেটওয়ার্কে বিস্তার লাভ করে।

• প্রভাব:
- ফাইল বা ডকুমেন্ট লক হয়ে যায় এবং .WNCRY বা অনুরূপ এক্সটেনশন যুক্ত হয়।
- ব্যবহারকারীদের একটি র‍্যানসম নোট দেখানো হয়, যেখানে ফাইল পুনরায় আনলক করার জন্য বিটকয়েন অর্থপ্রদান চাওয়া হয়।
- ২০১৭ সালের আক্রমণে NHS (UK-এর স্বাস্থ্য সেবা), স্পেনের টেলিকম কোম্পানি, ফেডেক্স সহ অনেক বড় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

• প্রতিরোধ ও সমাধান:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সফটওয়্যার আপডেট ও প্যাচ ইনস্টল করা, বিশেষ করে Windows-এর নিরাপত্তা আপডেট।
- নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা, যাতে র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের পর ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
- অজানা ইমেইল বা লিংক ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১৭.
FTP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Full Transfer Protocol
  2. File Transmission Process
  3. Fast Transfer Program
  4. File Transfer Protocol
ব্যাখ্যা

• FTP এর পূর্ণরূপ File Transfer Protocol, যা মূলত ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol) হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা কম্পিউটার বা সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইন্টারনেট বা ল্যান নেটওয়ার্কে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করার একটি স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি।

• FTP এর কাজ:
- ব্যবহারকারী FTP ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার (যেমন FileZilla, WinSCP) ব্যবহার করে সার্ভারে সংযোগ স্থাপন করে।
- সার্ভারের ফোল্ডার ব্রাউজ করে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
- FTP সাধারণত Port 21 ব্যবহার করে।

• বৈশিষ্ট্য:
- User authentication: ব্যবহারকারীর ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড চেক করে।
- Active এবং Passive mode: নেটওয়ার্ক সংযোগের ধরন অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।
- বৃহৎ ফাইল স্থানান্তর: বড় ফাইল সহজে সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ট্রান্সফার করা যায়।

• নিরাপত্তা:
- সাধারণ FTP unencrypted, তাই নিরাপত্তার জন্য FTPS বা SFTP ব্যবহার করা হয়।
- FTPS = FTP over SSL/TLS.
- SFTP = SSH File Transfer Protocol.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১৮.
5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা কী?
  1. সীমিত ব্যান্ডউইথ
  2. ছোট কভারেজ এলাকা
  3. ধীর ডেটা গতি
  4. কম সংযোগযোগ্যতা
ব্যাখ্যা

• 5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো ছোট কভারেজ এলাকা, যা উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল ব্যবহার ও অবকাঠামোর খরচের কারণে হয়।
- 5G সাধারণত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি (millimeter wave) ব্যবহার করে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল দূরত্বে কম শক্তি রাখে এবং দৃঢ় বাধা (দেওয়াল, ভবন) অতিক্রম করতে পারে না।
- তাই প্রতি সেল টাওয়ারের কভারেজ এলাকা ছোট হয়।
- ছোট কভারেজ এলাকায় সার্ভিস দিতে অধিক সংখ্যক টাওয়ার এবং বেস স্টেশন প্রয়োজন।
- ফলে স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলে সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে হয়।
- শহর বা গ্রামীণ অঞ্চলে বাধার কারণে সিগন্যাল হ্রাস পেতে পারে।

• সুবিধাসমূহ:
- 5G নেটওয়ার্কে ডাউনলোড এবং আপলোডের গতি ১০ গিগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি HD/4K ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।
- 5G এ ল্যাটেন্সি মাত্র ১ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশন যেমন অটোনোমাস গাড়ি, রিমোট সার্জারি এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- 5G নেটওয়ার্ক একসাথে মিলিয়ন ডিভাইস সংযোগ রাখতে সক্ষম।
- এটি IoT (Internet of Things) ডিভাইস, স্মার্ট সিটি এবং সেন্সর নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী।
- 5G উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে বেশি ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- ব্যান্ডউইথের ব্যবহার আরও কার্যকরী হয়।
- বিশেষ করে জরুরি পরিষেবা এবং কৌশলগত অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১৯.
স্টার টপোলজির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রতিটি ডিভাইস কেন্দ্রীয় হাবের সাথে সংযুক্ত থাকে
  2. এক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে
  3. নেটওয়ার্ক পরিচালনা সহজ
  4. কেন্দ্রিয় হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়, নোড ব্যর্থ হলে শুধু ওই নোড প্রভাবিত হয়।
- স্টার টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড কেন্দ্রিয় হাব, সুইচ বা রাউটারের সঙ্গে আলাদা আলাদা সংযুক্ত থাকে।
- ডেটা প্রেরণ বা গ্রহণ সবসময় হাবের মাধ্যমে ঘটে।
- প্রতিটি নোডের জন্য আলাদা লিঙ্ক থাকায় সমস্যা নির্ধারণ ও সমাধান সহজ হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- সহজ পরিচালনা ও সমস্যা সমাধান: কোন নোডে সমস্যা হলে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ সহজ: নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করতে হাবের সঙ্গে নতুন লিঙ্ক যোগ করা হয়।
- কেন্দ্রিয় হাবের নির্ভরশীলতা: হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়।
- কিন্তু একটি সাধারণ নোডের ব্যর্থতা কেবলমাত্র সেই নোডকে প্রভাবিত করে, পুরো নেটওয়ার্ককে নয়।

• সীমাবদ্ধতা: 
- কেন্দ্রিয় হাব ব্যর্থ হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- বেশি তারের ব্যবহার ও ব্যয়।
- বড় নেটওয়ার্কে স্কেল করা কঠিন।
- হাবের ব্যাকআপ না থাকলে সমগ্র নেটওয়ার্ক বিপদে।
- একাধিক নোড একসাথে ডেটা পাঠালে হাবের লোড বাড়ে।

উৎস:
- এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২০.
Zero-day vulnerability বলতে কী বোঝায়?
  1. নতুন ধরনের ভাইরাস
  2. সফটওয়্যারের এমন দুর্বলতা যা আগে জানা যায়নি
  3. ভাইরাস মনিটরিং
  4. এক ধরণের অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা

• Zero-day vulnerability হলো এমন একটি দুর্বলতা যা আগেই জানা যায়নি এবং তখনও সমাধান নেই, তাই এটি খুব বিপজ্জনক।
- “Zero-day” মানে: শুধু ত্রুটি আবিষ্কৃত হওয়ার দিন থেকেই, কোন প্যাচ বা ফিক্স নেই।

• বৈশিষ্ট্য:
- হ্যাকাররা এই ত্রুটিকে কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যারে অননুমোদিত অ্যাক্সেস বা আক্রমণ করতে পারে।
- ব্যবহারকারীরা সাধারণত এই ত্রুটির ব্যাপারে অজ্ঞাত থাকে, তাই ঝুঁকি অনেক বেশি।

• উদাহরণ:
- ২০১৭ সালের WannaCry র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে Windows এর SMB প্রোটোকলের একটি zero-day ব্যবহার করা হয়।
- সফটওয়্যারের নির্মাতা যখন প্যাচ রিলিজ করে, তখনই Zero-day exploit-এর কার্যকারিতা সীমিত হয়।

• প্রতিরোধ:
- নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট ও প্যাচ ইনস্টল করা।
- অ্যান্টিভাইরাস এবং নেটওয়ার্ক মনিটরিং ব্যবহার করা।
- সন্দেহজনক ইমেইল, লিঙ্ক বা ডাউনলোড এড়ানো।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট [লিংক]।

২১.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা

• ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে স্পুফিং বলা হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২.
কম্পিউটারের বুটিং প্রসেসের প্রথম ধাপকে কী বলে?
  1. BIOS
  2. POST
  3. Boot loader
  4. File allocation
ব্যাখ্যা

• POST হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে যে স্বয়ংক্রিয় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়, তাকে Power On Self Test বলে।
- এটি বুটিং প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ।

• POST-এর কাজ:
- POST মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা পরীক্ষা করে, যেমন:
⇒ Processor
⇒ RAM
⇒ Graphics device
⇒ Hard Disk / SSD
⇒ Keyboard
⇒ BIOS settings

• ফলাফল:
- যদি সবকিছু ঠিক থাকে, POST বুট লোডার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে শুরু করে।
- যদি কোনো সমস্যা থাকে, BIOS বিপ শব্দ (beep code) বা error message দেখায়, যা সমস্যার ধরন নির্দেশ করে।

• POST এর গুরুত্ব:
- কম্পিউটার শুরুতেই নিশ্চিত হয় যে ডিভাইসগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে।
- সমস্যা থাকলে OS লোড হওয়ার আগেই সতর্কবার্তা দেয়।
- এটি ডেটা ক্ষতি এবং সিস্টেম ত্রুটি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: 
-  মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩.
হায়ারার্কিকাল টপোলজি নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি;
২. বাস টপোলজি;
৩. রিং টপোলজি;
৪. ট্রি টপোলজি;

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।