পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২: আইন বিষয়াবলী- (সাবজেক্ট ফাইনাল) Topic: Constitutional Law and Interpretation of Statute.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
​- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

.
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
  1. জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ
  2. জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, রাজনীতি, ধর্মীয় শাসন
  4. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

​(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

​⇒ সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ে 'বিচার বিভাগ' অন্তর্ভুক্ত?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. সপ্তম অধ্যায়
  4. অষ্টম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায়- প্রজাতন্ত্র (The Republic);
দ্বিতীয় অধ্যায়- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy);
তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights);
চতুর্থ অধ্যায়- নির্বাহী বিভাগ (The Executive);
পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা (The Legislature);
ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ (The Judiciary);
সপ্তম অধ্যায়- নির্বাচন (Elections);
অষ্টম অধ্যায়- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General);
নবম অধ্যায়- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ (Public Service of Bangladesh);
নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী (Emergency Provisions);
দশম অধ্যায়- সংবিধানের সংশোধন (Amendment of the Constitution);
একাদশ অধ্যায়- বিবিধ (Miscellaneous).

.
প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. জনগণ
  4. সংসদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 

​(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

Article 7: Supremacy of the Constitution:
(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.

​(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

.
'Nulla poena sine lege' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. আইন ছাড়া শাস্তি নেই
  2. আইন ছাড়া কোনো অধিকার নেই
  3. আইন ছাড়া কোনো স্বাধীনতা নেই
  4. আইন ছাড়া চুক্তি নেই
ব্যাখ্যা
Latin Maxim: Nulla poena sine lege
English Meaning: “No punishment without law.”
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো শাস্তি নেই।

মূলনীতি:
এই প্রবচনের মূল অর্থ হলো, কেউ আইন দ্বারা নির্ধারিত অপরাধ না করেই শাস্তি পেতে পারবে না। অর্থাৎ, অপরাধ এবং শাস্তি উভয়ই আইন দ্বারা পূর্বনির্ধারিত হতে হবে। যে কোনো শাস্তি প্রয়োগ করার আগে, সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধান দ্বারা সেই কার্যকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া থাকতে হবে। আইনকে অনুসরণ না করে ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া অবৈধ এবং সংবিধানের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে “Nulla poena sine lege” নীতি মূলনীতি হিসেবে স্বীকৃত।
.
সম্প্রতি, হাইকোর্টের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত রায়ে কোন অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়?
  1. ১৪১ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৩ অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করে।
.
'Freedom of the press' is guaranteed under ______________ of Bangladesh constitution.
  1. article 39(1)(a)
  2. article 39(1)(b)
  3. article 39(2)(a)
  4. article 39(2)(b)
ব্যাখ্যা

Answer: Article 39(2)(b).

​Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.

​(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence–
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

​অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

​(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

.
সংবিধান সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সংসদের নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা যথাক্রমে কত?
  1. ৩৫০ এবং ৫০
  2. ৪০০ এবং ১০৫
  3. ৩০০ এবং ১০০
  4. ৪৫০ এবং ১০৫
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- সাংবিধানিক নাম: জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
- নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি,
- মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র),
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন),
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 
.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯(২) অনুযায়ী, কোন কারণে বৈষম্য করা যাবে না?
  1. ধর্ম
  2. বর্ণ
  3. জন্মস্থান
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা:
​(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

​​(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

​​(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
​(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
​(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

১০.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, “to” শব্দের ব্যবহার কী নির্দেশ করে?
  1. প্রথম দিন বাদ দেওয়া
  2. শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
  3. শুধুমাত্র কাজের দিন গণনা করা
  4. শেষ দিন বাদ দেওয়া
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ৯: সময়ের শুরু এবং শেষের গণনা:
(১) যে কোন সংসদীয় আইন বা বিধিনিষেধ (Act of Parliament বা Regulation) এই ধারার প্রবর্তনের পরে প্রণীত হোক, দিনের একটি সিরিজ বা অন্য যে কোন সময়কালকে প্রথম দিনটি বাদ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে “from” শব্দটি ব্যবহার করা, এবং সিরিজের বা সময়কালটির শেষ দিনটি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য “to” শব্দটি ব্যবহার করা।

অর্থাৎ, আইন বা নিয়মে যদি বলা হয় “from”, তবে প্রথম দিন গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। আর যদি বলা হয় “to”, তবে শেষ দিন গণনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারা ১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পরে প্রণীত সব সংসদীয় আইন এবং ১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব নিয়ম ও বিধিনিষেধের জন্যও প্রযোজ্য।

১১.
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. বহুদলীয় সরকার
  2. পার্লামেন্টারি সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী:
​- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সবচেয়ে বড় ও বিতর্কিত সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
​- এদিন সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী এনে সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে রাষ্ট্রপতিশাসিত এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। 

​- বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল বা একটি নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর মধ্য দিয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
​- এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

১২.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী, নাগরিকদের দায়িত্বের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. সংবিধান ও আইন মান্য করা
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) জনগণের সেবা করা।

​অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

১৩.
According to Section 3(26) of The General Clauses Act, 1897, “Imprisonment” means:
  1. Only a fine
  2. Any imprisonment as defined in the Penal Code
  3. Any imprisonment as defined in the Code of Criminal Procedure
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
১৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে জরুরি অবস্থা জারির বিধান সংযোজন করা হয়েছিল?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।
১৫.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'right to social security' নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা:
রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার৷

​Article 15: Provision of basic necessities:
It shall be a fundamental responsibility of the State to attain, through planned economic growth, a constant increase of productive forces and a steady improvement in the material and cultural standard of living of the people, with a view to securing to its citizens –
(a) the provision of the basic necessities of life, including food, clothing, shelter, education and medical care;
(b) the right to work, that is the right to guaranteed employment at a reasonable wage having regard to the quantity and quality of work;
(c) the right to reasonable rest, recreation and leisure; and
(d) the right to social security, that is to say, to public assistance in cases of undeserved want arising from unemployment, illness or disablement, or suffered by widows or orphans or in old age, or in other such cases.

১৬.
সংসদ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা অন্য আদালতকে দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  2. সুপ্রীম কোর্টের অনুমোদনে
  3. আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
  4. প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আইন প্রণয়নের মাধ্যমে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 

(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
১৭.
The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the–
  1. Prime Minister
  2. Chief Justice
  3. Parliament
  4. President
ব্যাখ্যা

Article 64: The Attorney-General-
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

​অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

১৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদের ১ ও ২ দফার বিধান কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. বাংলাদেশের নাগরিক
  3. নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
উত্তর: নিবর্তনমূলক আটকের আইনে আটক ব্যক্তি।

অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
১৯.
'সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ ৯৫
  3. অনুচ্ছেদ ১১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১১৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
২০.
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে কাকে অবহিত রাখবেন?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণ
  4. সংসদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

২১.
ভোটার-তালিকা প্রস্তুতের ক্ষমতা কার উপর অর্পিত?
  1. আইন কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. স্থানীয় সরকার বিভাগ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১১৯: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী-

(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন;
(খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন;
(গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং
(ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।

(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

২২.
কোন রিটের জন্য যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Prohibition
  2. Writ of Mandamus
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
২৩.
অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
২৪.
What does Article 19(2) of constitution require the State to remove?
  1. Political differences
  2. Religious differences
  3. Foreign influences
  4. Social and economic inequality
ব্যাখ্যা

Article 19: Equality of opportunity:
(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens.

​(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic.

​(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

​অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা:
(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

২৫.
আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গোল্ডেন রুলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শব্দের আক্ষরিক অর্থই সর্বদা অনুসরণ করা
  2. অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
  3. আইন প্রণেতার উদ্দেশ্য উপেক্ষা করা
  4. বিচারককে আইন পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রদান করা
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
সংবিধান ও আইন ব্যাখ্যার গোল্ডেন রুল গোল্ডেন রুল হলো লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদেরকে শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়, যাতে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল এড়ানো যায়।

গোল্ডেন রুল অনুযায়ী,
আদালত সাধারণত ব্যবহৃত শব্দের প্রাকৃতিক এবং সাধারণ অর্থ অনুসরণ করবে।

গোল্ডেন রুল প্রয়োগের দুটি ধরণ-
সঙ্কীর্ণ (Narrow) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রযোজ্য হয় যখন আইনের কোনো শব্দ অস্পষ্ট বা একাধিক অর্থযুক্ত। আদালতের কাজ হলো সেই শব্দের মধ্যে প্রসঙ্গের সঙ্গে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ নির্বাচন করা।

বিস্তৃত (Wider) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রয়োগ হয় যখন শব্দের একটি মাত্র আক্ষরিক অর্থ আছে, কিন্তু তা অনুসরণ করলে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল হবে। আদালত তখন সেই শব্দের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে বা সামঞ্জস্য করতে পারে, যাতে আইন অনুযায়ী যৌক্তিক ফলাফল নিশ্চিত হয়।

গোল্ডেন রুলের গুরুত্ব:
- আদালতকে আইনের উদ্দেশ্য বা লেখকের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব দেয়, বিশেষ করে যখন আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন অকার্যকর বা অযৌক্তিক হয়।
- আদালত শব্দের সাধারণ এবং গ্রামাটিক্যাল অর্থ পরিবর্তন বা সামঞ্জস্য করতে পারে, তবে শুধুমাত্র সেই সীমায় যা প্রয়োজনীয়।
- যখন শব্দের অর্থ স্পষ্ট এবং পরিষ্কার, আদালত অত্যধিক বিচ্যুতি করবে না, বরং শব্দের প্রাকৃতিক অর্থেই ব্যাখ্যা করবে।
২৬.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. কেবল কার্য করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়
  2. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
  3. মনের ভাব অপরাধ প্রমাণের জন্য অপ্রয়োজনীয়
  4. কার্যই যথেষ্ট অপরাধী সাব্যস্তের জন্য
ব্যাখ্যা

Latin Maxim: Actus non facit reum, nisi mens sit rea
English Meaning: An act does not make one guilty unless there be guilty intention.
বাংলায় অর্থ: অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া কোন কার্য একজনকে অপরাধী করে না।

​অপরাধের মূল উপাদান:
কোনও অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য সাধারণত দুটি অপরিহার্য উপাদান থাকতে হয় –ঃ
Actus Reus → অপরাধমূলক কাজ (Guilty act)
Mens Rea → অপরাধমূলক অভিপ্রায় বা মনোভাব (Guilty mind)
কেবল একটি অপরাধমূলক কাজ (actus reus) করলে তাকে অপরাধ বলা যাবে না, যদি না তার সঙ্গে অপরাধ করার ইচ্ছা বা অভিপ্রায় (mens rea) প্রমাণিত হয়।

উদাহরণ-
যদি কেউ অসাবধানতাবশত অন্যের সম্পত্তি ক্ষতি করে, কিন্তু কোন খারাপ উদ্দেশ্য না থাকে → সাধারণত এটি অপরাধ নয়।
কিন্তু যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে চুরি করে, হত্যা করে বা প্রতারণা করে → তখন তার কাজের সাথে অপরাধমূলক অভিপ্রায় যুক্ত হয়, যা তাকে অপরাধী করে তোলে।

২৭.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বে কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. সংসদের অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
  3. প্রধান বিচারপতির সম্মতি
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে;
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে;
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।

(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health –
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.

২৯.
“Revival of repealed enactments” ধারা কার্যকর হতে হলে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. আইন প্রণয়নের তারিখ
  2. পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
  3. সংসদের অনুমোদনের তারিখ
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য।

​Section 7 of The General Clauses Act,1897: Revival of repealed enactments-

(1) In any Act of Parliament] or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be necessary, for the purpose of reviving, either wholly or partially, any enactment wholly or partially repealed, expressly to state that purpose.

(2) This section applies also to all 72[Acts of Parliament] made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.

​ধারা ৭(১): এই আইন কার্যকর হওয়ার পর যে কোনও সংসদীয় আইন (Act of Parliament) বা বিধি/নিয়ম (Regulation) প্রণীত হবে, সেখানে যদি কোনো পূর্বে বাতিল বা অংশভাবে বাতিল করা আইনকে পুনরায় প্রযোজ্য (revive) করতে চাওয়া হয়, তবে সেটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে আইনটি পুনরায় প্রযোজ্য হচ্ছে, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে।

৭(২): এই ধারা প্রযোজ্য হবে –
৩ জানুয়ারি, ১৮৬৮ এর পর প্রণীত সব সংসদীয় আইনে, এবং
১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭-এর পর প্রণীত সব বিধি/নিয়মে।

​সংক্ষেপে বলা যায়:
যে কোনো বাতিল বা অংশভাবে বাতিল আইনকে পুনরায় কার্যকর করতে চাইলে আইনটি স্পষ্টভাবে সেই উদ্দেশ্য উল্লেখ করতে হবে, এবং এই নিয়ম পুরনো কিছু আইন ও বিধিতেও প্রযোজ্য।

৩০.
সংসদের বৈঠক চলাকালে কোরাম কত জনের কম হলে বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করা যাবে?
  1. ৬০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৮০ জন
  4. ৯০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;

(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;

(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
৩১.
According to Article 63(1) of constitution, when can the Republic declare war?
  1. Without any approval
  2. At the discretion of the President
  3. With the assent of Parliament
  4. At the discretion of the Prime Minister
ব্যাখ্যা

Article 63: War:
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.

​অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ:
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।

৩২.
সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে কোন নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. সম্পত্তির অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
৩৩.
রাষ্ট্রপতির কাছে সংবিধান সংশোধনী বিল উপস্থাপনের জন্য সংসদের অন্যূন কত ভোট প্রয়োজন?
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অর্ধেক
  2. মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  3. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  4. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

৩৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. সংসদে অনুপস্থিত থাকলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৩৫.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের দণ্ড কমাতে বা মওকুফ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. কেবল কারাদণ্ড
  3. যে কোনো দণ্ড
  4. প্রশাসনিক শাস্তি ছাড়া অন্য কিছু নয়
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) যে কোনো দণ্ড।

​অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।

​Article 49: Prerogative of mercy-
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

৩৬.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণে ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ৯ম
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদকে সংশোধন করে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।
৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “নাগরিক” (Citizen) বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা
  2. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করেছে
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
  4. উল্লিখিত সবাইকে
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
৩৮.
সংবিধানের ৭৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদের প্রথম বৈঠকে কাকে নির্বাচন করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
(১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৩৯.
According to Article 57(1), the Prime Minister's office becomes vacant if-
  1. The Prime Minister resigns to the President
  2. The Prime Minister is not a Member of Parliament
  3. Both A and B
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Article 57: Tenure of office of Prime Minister:
(1) The office of the Prime Minister shall become vacant–
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or
(b) if he ceases to be a member of Parliament.

(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly.

(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.

​অনুচ্ছেদ: ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।

​(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কোর্ট অব আপিল
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব রিভিউ
  4. কোর্ট অব জাজমেন্ট
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোর্ট অব রেকর্ড।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
৪১.
“Rule of Harmonious Construction” অনুসারে বিধানগুলি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. এক বিধান বাতিল করে অন্যটি কার্যকর করা হয়
  2. এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
  3. সকল বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়।
- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
৪২.
Mischief Rule কোন মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Fowler v. Padget
  2. Heydon's Case
  3. Conforce's Case
  4. Farzana Moazzem v. SEC
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
৪৩.
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে কত শতাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করতে হবে?
  1. অন্যূন এক-দশমাংশ
  2. অন্যূন নয়-দশমাংশ
  3. অনধিক নয়-দশমাংশ
  4. অনধিক এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৫৬ মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৪৪.
সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে কী বোঝায়?
  1. সংসদের ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  2. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদে বহাল থাকা
  3. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  4. বিচার বিভাগের নির্দেশনায় পদে বহাল থাকা
ব্যাখ্যা
• ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে বোঝায় যে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে, যা ১৩৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।"

এই নীতি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের (যেমন, সরকারি কর্মচারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বা অন্যান্য পদে নিযুক্ত ব্যক্তি) পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা বা সন্তোষের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি যতদিন পর্যন্ত চান, ততদিন পর্যন্ত ওই ব্যক্তি তাদের পদে থাকতে পারেন, যদি না সংবিধানে অন্য কোনো বিধান থাকে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রদান করা, যাতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
৪৫.
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে সর্বাধিক বিরতির সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
৪৬.
“De minimis non curat lex” নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতের সময় সাশ্রয় করা
  2. অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া
  3. সকল ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  4. নাগরিকের সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
De minimis non curat lex
অর্থ: আইন ক্ষুদ্র বা তুচ্ছ বিষয়ে বিবেচনা করে না।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই লাতিন প্রবাদটি মূলত আদালতের সময় ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। “De minimis” অর্থ হলো খুব ক্ষুদ্র বা অতি নগণ্য, যা আইনগতভাবে গুরুতর নয়। আদালত এমন মামলায় হস্তক্ষেপ করে না যা বাস্তবে ক্ষতি বা বিরূপ প্রভাব তৈরি করে না বা যা প্রায় নগণ্য।

উদাহরণ: যদি কেউ খুব সামান্য মাত্রার সম্পত্তি লঙ্ঘন করে এবং সেই কারণে গুরুতর ক্ষতি হয় না, আদালত সেই বিষয়ে বিচার করবে না।
- এই নীতি মূলত আইনের কার্যকারিতা এবং সংস্থান সংরক্ষণের দিকটি নিশ্চিত করে।
- এটি “triviality rule” বা “trivial cases” নীতির সমতুল্য।
৪৭.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোন বিষয়ে ক্ষমতা রাখে?
  1. নতুন মামলা শোনার
  2. অন্য আদালতের রায় বাতিল করার
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ কার্যকর করার
  4. নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
৪৮.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের বিল পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন?
  1. সকল প্রকার বিল
  2. শুধুমাত্র অর্থবিল
  3. অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল
  4. কোনো বিলই নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৪৯.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে কোন আইন বা বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধি
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।