পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: [বাংলাদেশের সংবিধান] ১. প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য ২. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ ৩. মৌলিক অধিকারসমূহ ৪. গুরত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ ৫. সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সংবিধান কয়টি অধ্যায় বিশিষ্ট?
  1. ৫ টি
  2. ৭টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
"প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ"  সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ১১ নং
  4. ১৩ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৮ (ক): 
-  ″রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।″

- এই অনুচ্ছেদটি দ্বারা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্দেশ করে। 
- অর্থাৎ, বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা যেমন পরিবেশ ব্যবহার করছে, সেইসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুস্থ পরিবেশে বাঁচার সুযোগ রাষ্ট্রকে  নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি
- অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
’জরুরী অবস্থা ঘোষণা’ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?”
  1. ১৪১
  2. ১৪১(ক)
  3. ১৪১(খ)
  4. ১৪৪(গ)
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৪১(ক): জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য  জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে।
 
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা 
- (ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
- (খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
- (গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
- তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে,] অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
১৪১(খ) অনুচ্ছেদ- ’জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ’ সম্পর্কিত।
১৪০ অনুচ্ছেদ-  ’বার্ষিক রিপোর্ট’ সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত করা হয়েছিল সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. দশম সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(গ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
-  জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।

.
সংবিধানের সংশোধন সংক্রান্ত বিধান কোন অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৭ম অধ্যায়
  2. ৮ম অধ্যায়
  3. ৯ম অধ্যায়
  4. ১০ম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না।

- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উল্লেখ রয়েছে? 
  1. ১ নং
  2. নং
  3. নং
  4. নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
ন্যায়পালের পদ সৃষ্টির ক্ষমতা সংসদকে প্রদান করেছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ? 
  1. অনুচ্ছেদ ৭৪
  2. অনুচ্ছেদ ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. অনুচ্ছেদ ৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।

⇒ অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।
 
অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ নং অনুচ্ছেদে 'স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে 'আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি'-এর উল্লেখ আছে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি 
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনা রয়েছে ১ টি।
• প্রস্তাবনা:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১০.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি  সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। 

• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:

- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, 
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১.
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম কী?
  1. Parliament
  2. National Parliament 
  3. Legislature
  4. The House of the Nation
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
→ সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
→ সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

• জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সুপ্রীম কোর্ট' প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯৪
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৭
সঠিক উত্তর:
৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৯৪: সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
-  (১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।
- (২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।
- (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।
- (৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৯৫: বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬: বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৩.
“সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা” সংবিধানে কোন অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নৈতিক অধিকার
  3. মানবাধিকার
  4. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা

- 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে মৌলিক অধিকার।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগ (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) মৌলিক অধিকারসমূহের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে। 

• তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ:
- এর মধ্যে অনুচ্ছেদ ২৯ নং অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে ‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(১): সকল নাগরিকের জন্য সরকারি নিয়োগ-লাভে সমান সুযোগ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২): কোনো নাগরিককে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে সরকারি নিয়োগে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না বা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৯(৩): এই অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ বিধান (যেমন: কোটা ব্যবস্থা) রাখার বিষয়ে উল্লেখ আছে, তবে এটি সাধারণ সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪.
সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশের সংবিধানে কোন সংশোধনী পাস করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. অষ্টম
  3. পঞ্চদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯১।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;

অন্যদিকে, 
- অষ্টম সংশোধনী : জুন, ১৯৮৮,  বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়।
- একাদশ সংশোধনী ,আগস্ট, ১৯৯১:  অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্রয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী: জুলাই, ২০১১, 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৫.
‘শপথ ও ঘোষণা’ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• 'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানে সাতটি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল সংযুক্ত রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭.
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৪নং
  2. ৩নং
  3. ৫নং
  4. ১নং
সঠিক উত্তর:
৩নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ: 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
• অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদে- ৪(ক): জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদে- ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৮.
জাতীয় জীবনের প্রতিটি স্তরে নারীর সুযোগ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২১(২)
  2. ১৯(৩)
  3. ২২
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সুযোগের সমতা ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন৷
- (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
 - ১৯(৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৯.
সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি মনোনীত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়সসীমা কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি 
 (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে− কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২০.
আইনের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য?
  1. ২৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• ২৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে বলা হয়েছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” অর্থাৎ, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
-১৯ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকদের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান অনুযায়ী, ধর্ম বা অন্য কোনো কারণে বৈষম্য করা যাবে না।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগ ও সুবিধা প্রাপ্তিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২১.
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. ষষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আইন অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সকল সামরিক বিধান, সংবিধান সংশোধন ও বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

২২.
বাংলাদেশের সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত হয়?
  1. ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য যে,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৬ নং: কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

২৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকের 'চলাফেরার স্বাধীনতার' অধিকার কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

অন্যদিকে,
- ৩৪ অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
-  ৩৭ অনুচ্ছেদ: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৩৮ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।