পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 to 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
সর্বপ্রথম ‘Geography’ শব্দের প্রয়োগকারী কে ছিলেন?
  1. টলেমি
  2. হেরোডোটাস 
  3. ইরাটোসথেনিস
  4. গ্যালিলিও 
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা:
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
পৃথিবীর পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা কত?   
  1. ৯০টি 
  2. ১২০টি
  3. ১৮০টি
  4. ৩৬০টি 
সঠিক উত্তর:
৩৬০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০টি 
ব্যাখ্যা

• ১৮০° দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১০ অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ কোনটি?  
  1. বুধ
  2. মঙ্গল
  3. শুক্র
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা

• শুক্র :
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। 
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

.
পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কোন স্থানে?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  4. মকরক্রান্তি রেখায়
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা

আহ্নিক গতি
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হয়, যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে প্রতি ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তিত হয়।
- এই সময়কে সৌরদিন এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সবচেয়ে বড় হওয়ায় এখানে আহ্নিক গতির গতি সর্বোচ্চ। ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি. 

.
আহ্নিক গতি বলতে বোঝায় -
  1. পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তন
  2. সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
  3. পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
  4. চাঁদের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলতে পৃথিবীর নিজ অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনকে বোঝানো হয়।
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা সময়ে অনবরত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। 
- এই সময়কে সৌরদিন এবং আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়। 
- আহ্নিক গতির মূল কারণ হলো-পৃথিবীর আবর্তন এবং পৃথিবীর আকৃতি। 

• আহ্নিক গতির ফলাফল:
১. দিবা-রাত্রির সংঘটন: পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তনের দরুন আহ্নিক গতি বা দিবা-রাত্রি সংঘটিত হয়। আবর্তনরত পৃথিবীর যে অংশে সূর্যের আলো পড়ে সেই অংশ আলোকিত হয় অর্থাৎ সেই অংশে দিন এবং অপর অংশে অন্ধকারাচ্ছন্ন বা রাত থাকে।

২. জোয়ার-ভাটা: নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে আহ্নিক গতির জন্য সমুদ্রে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।

৩. বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি: ফেরেলের কোরিওলিস সূত্রানুসারে, আহ্নিক গতির কারণে বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মারিয়ানা ট্রেঞ্চে অবস্থিত সর্বাধিক গভীর বিন্দু কোনটি? 
  1. Challenger Deep
  2. Challenger Abyss
  3. Pacific Deep
  4. Mariana Pit
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
ব্যাখ্যা

• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।

তথ্যসূত্র:  i) World Atlas 
ii) National Geographic Society.

.
পৃথিবীতে দিবারাত্রি সমান হয় কোন তারিখে?
  1. ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর 
  2. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২৩ এপ্রিল ও ২১ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর ও ১৭ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর দিন রাত:
- উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়।
- ২২ ডিসেম্বর সূর্য এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।
- ২২ এডিসেম্বর সূর্য দক্ষিণায়নের শেষ সীমায় পৌঁছায়, একে মকরসংক্রান্তি বলে।
- এ সময় সূর্যের রশ্মি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ অর্থাৎ মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে পতিত হয়।
- ২৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় ২১ মার্চের মতো সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেদিন সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে।
- ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে আবার সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে কিরণ বেশি দিতে থাকে।
- ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুদিন পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। সেদিনকে বিষুব (Equinox) বলে।
- ২১ মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল তাই একে বাসন্ত বিষুব (Vernal equinox) বলে।
- ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল। তাই ঐ দিনকে শারদ বিষুব (Autumnal equinox) বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
কর্কটক্রান্তি রেখা পৃথিবীর কোন অক্ষাংশে অবস্থিত?
  1. ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
  2. ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  3. ২৩.৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ২৩.৫° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

• কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫০ উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

• অক্ষ, অক্ষরেখা ও নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বলে।
- এ অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বলা হয়।
- পৃথিবীর মানচিত্রে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে যে কতকগুলো কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয় তাকে অক্ষরেখা বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের মোট সূত্র কয়টি?
  1. দুটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

- গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র মোট তিনটি। 

• গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র: 
- ১৭শ শতাব্দীর শুরুতে ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার (Johann Kepler) সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্ৰ করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে নামকরণ করা হয়েছে কেপলার এর গ্রহ সম্পৰ্কীয় গতিসূত্র।
- তিনি টাইকো ব্রাহের (Tycho Brahe) সংগ্রহ করা অত্যন্ত নির্ভুল পর্যবেক্ষণ ডেটা ব্যবহার করে এগুলো আবিষ্কার করেন।
- প্রথম দুটি সূত্র ১৬০৯ সালে তার বই Astronomia Nova-তে প্রকাশিত হয়, এবং তৃতীয় সূত্র ১৬১৯ সালে Harmonices Mundi-তে।

• গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের তিনটি সূত্র: 
১। প্রথম সূত্র (Law of Ellipses / কক্ষপথের সূত্র): প্রতিটি গ্রহ সূর্যকে ফোকাসে রেখে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে । যাকে উপবৃত্তের সূত্র বলা হয় ।
২। দ্বিতীয় সূত্র (Law of Equal Areas / সমক্ষেত্রফলের সূত্র): সূর্য এবং গ্রহের সংযোগকারী রেখা গ্রহের আবর্তনের সাথে সাথে সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। যাকে ক্ষেত্রফলের সূত্র বলা হয় ।
৩। তৃতীয় সূত্র (Law of Harmonies / সময়-দূরত্বের সূত্র): একটি গ্রহের কক্ষীয় পর্যায়কালের বর্গ তার কক্ষপথের পরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক। যাকে পর্যায়কালের সূত্র বলা হয় ।

তথ্যসূত্র: 
i) NASA Science. (Link) (Link)
ii) Britannica. 
iii) Kepler's Laws of Planetary Motion.

১০.
বিশ্বের বৃহৎ প্রবালপ্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রশান্ত মহাসাগরের প্রবাল সাগরে অবস্থিত। 
- এটি আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

তথ্যসূত্র : Worldatlas.com

১১.
পৃথিবী পর্যন্ত সূর্যের আলো পৌঁছাতে কত মিনিট সময় লাগে?
  1. ৮.৩০ মিনিট
  2. ৮.৩২ মিনিট
  3. ৮.৪৮ মিনিট
  4. ৮.৬০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮.৩২ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৩২ মিনিট
ব্যাখ্যা

• সূর্য (Sun):
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১২.
দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদীর নাম কী? 
  1. ভলগা 
  2. আমাজন 
  3. মারে ডার্লিং
  4. নীলনদ
সঠিক উত্তর:
আমাজন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন 
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ইউরোপের বৃহত্তম নদী ভলগা।
- ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম নদী মারে ডার্লিং।
- বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীলনদ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩.
গ্রীনল্যান্ড দ্বীপটি কোন মহাদেশের অন্তর্গত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এশিয়া 
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- এই দ্বীপ কিংডম অফ ডেনমার্কের অংশ।
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আয়তনে এটি মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।
- জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ হচ্ছে আদিবাসী ইনুইট সম্প্রদায়ের।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৪.
নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন দুই দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা 
  4. কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• নায়াগ্রা জলপ্রপাত:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর সীমান্তে অবস্থিত।
- নায়াগ্রা নদী এই জলপ্রপাতটির মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

⇒ এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত জলপ্রপাত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৫১ মিটার (১৬৭ ফুট) এবং এটি প্রতি মিনিটে প্রায় ২,৮০০ ঘনমিটার পানি পতিত হয়।
- এটি মূলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটির নাম হলো হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এর পরের ফলসটির নাম আমেরিকান ফলস। অন্যটির নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের তিন ভাগের এক ভাগ আমেরিকায়। বাকি দুই ভাগ কানাডায়।

উল্লেখ্য,
- স্টবাক জলপ্রপাত: সুইজারল্যান্ড।
- অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত: ভেনিজুয়েলা। 
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: জিম্বাবুয়ে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৫.
শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ কোনটি?
  1. ইউরোপা
  2. গ্যানিমিড
  3. টাইটান
  4. ক্যালিস্টো
সঠিক উত্তর:
টাইটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইটান
ব্যাখ্যা

• শনি গ্রহ:
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ১৪৬টি।

উল্লেখ্য,
- টাইটান শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
- ১৬৫৫ সালে ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস এটি আবিস্কার করেন।
- টাইটান একমাত্র উপগ্রহ, যেটা অনেকটা পৃথিবীর মতো।
- টাইটানের বায়ুমণ্ডল অনেক ঘন। বায়ুমণ্ডলের ৯৭% হলো নাইট্রোজেন।
- অর্থাৎ পৃথিবীর পর টাইটানের বায়ুমণ্ডলই কেবল এত বেশি নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA ওয়েবসাইট।

১৬.
জিব্রাল্টার প্রণালী যুক্ত করেছে-
  1. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ক্যারিবিয়ান সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- যুক্ত করেছে: ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৭.
কোন মহাদেশে দেশের সংখ্যা সর্বাধিক?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৮.
নিরক্ষরেখার অন্য নাম - 
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. বিষুবরেখা 
  4. প্রধান মধ্যরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা 
ব্যাখ্যা

• নিরক্ষরেখা :
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator),  অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- আর নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।


অন্যদিকে, 
- ২৩°৫' উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।
- সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৯.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় কত?
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২০.
মহাকাশে নীহারিকা বলতে কী বোঝায়?
  1. সূর্যের কাছাকাছি এক ধূমকেতু
  2. মহাকাশে গ্রহ ও উপগ্রহের সমষ্টি 
  3. মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
  4. পৃথিবীর নিকটে আলো উৎপন্ন করা জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
ব্যাখ্যা

• নীহারিকা (Nebula): 
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। 
- নীহারিকা হলো ধূলিকণা, হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস এবং প্লাজমা দ্বারা গঠিত এক ধরনের বিশাল আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ। 
- দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এদেরকে মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ বা মেঘের মতো দেখায়। 
- এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ, তাই এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। 
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। 
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। 
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

২১.
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী? 
  1. মাউন্ট এলবার্ট
  2. মাউন্ট লোগান
  3. ডেনালি
  4. মাউন্ট রেনিয়ার
সঠিক উত্তর:
ডেনালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনালি
ব্যাখ্যা

• উত্তর আমেরিকা (North America):
- পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ উত্তর আমেরিকা।
- ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান ডেনালি, যা ম্যাককিনলে নামেও পরিচিত।
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
- এ মহাদেশে ছোট-বড় অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রীনল্যান্ড, নিউফাউন্ডল্যান্ড অন্যতম।
- এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি' বলা হয়।
- মিসিসিপি-মিসৌরি এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ কানাডা এবং সবচেয়ে ছোট সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

২২.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের জন্য কী করতে হয়?
  1. ১ দিন যোগ
  2. ১ দিন বিয়োগ
  3. ২ দিন যোগ
  4. কোনো পরিবর্তন নেই
সঠিক উত্তর:
১ দিন যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ দিন যোগ
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা এবং ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা মূলত একই। একেই বলে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন যোগ এবং পূর্বগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন বিয়োগ হবে।

• মূল মধ্যরেখা: 
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০° দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
- প্রতি ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়। 

তথ্যসূত্র: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি। 

২৩.
সৌরজগতের সবচেয়ে দ্রুততম গ্রহ কোনটি? 
  1. শুক্র
  2. মঙ্গল
  3. বুধ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

• বুধ (Mercury): 
- বুধ গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- বুধ হল সবচেয়ে দ্রুততম গ্রহ, প্রতি ৮৮দিনে সূর্যের চারপাশে ঘুরে আসে।
- এটি প্রতি ৮৮ দিনে সূর্যের চারপাশে দ্রুত গতিতে ঘুরে আসে, মহাকাশে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৯ মাইল (৪৭ কিলোমিটার) গতিতে ভ্রমণ করে, যা অন্য যেকোনো গ্রহের চেয়ে দ্রুত।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
-  এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র: NASA.

২৪.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. লোহা ও সিলিকন
  4. তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

তথ্যসূত্র: NASA. 

২৫.
সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে শুক্র গ্রহের কত দিন সময় লাগে?
  1. ১৬৭ দিন
  2. ২২৫ দিন
  3. ২৮১ দিন
  4. ৩১০ দিন 
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
ব্যাখ্যা

• শুক্র:
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।