পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
পরমাণুর আধান -
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক
সঠিক উত্তর:
গ) নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে যার নাম নিউক্লিয়াস।
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত।
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট প্রোটন আছে ততটি ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট ইলেকট্রনও আছে।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সালফিউরিক এসিডে কোন মৌলিক পদার্থটি নেই?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিডের সংকেত H2SO4.
সংকেত থেকে আমরা দেখতে পাই সালফিউরিক এসিডে দুই অণু হাইড্রোজেন, এক অণু সালফার ও চার অণু অক্সিজেন থাকে। 
নাইট্রোজেন থাকে না। 
.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।


সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
.
বিশুদ্ধ কপার বা কাঁসা বা পিতলের তৈরি জিনিসপত্র দীর্ঘদিন বাতাসে থাকার ফলে এদের উপর কালো বা বাদামী বা সবুজ বর্ণের একটি আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণকে কী বলা হয়?
  1. ক) মরিচা
  2. খ) মরীচিকা
  3. গ) তাম্রমল
  4. ঘ) ধাতুমল
সঠিক উত্তর:
গ) তাম্রমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাম্রমল
ব্যাখ্যা
তাম্রমল:
বিশুদ্ধ কপার বা কাঁসা বা পিতলের তৈরি জিনিসপত্র দীর্ঘদিন বাতাসে থাকার ফলে এদের উপর কালো বা বাদামী বা সবুজ বর্ণের একটি আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণকে কপারের তাম্রমল বলা হয়। তাম্রমল তৈরির মাধ্যমে তামা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

মরিচা:
আদ্র বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আয়রন অক্সাইডের একধরনের যৌগ। এই যৌগই মরিচা। মরিচা লোহার রং নষ্ট করে। লোহার সামগ্রীতে মরিচা পড়লে তা ক্রমশ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ভঙ্গুর হয়ে যায়।

মরীচিকা:
মরীচিকা হচ্ছে আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফল। আলােকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে। প্রবেশ করে তখন প্রতিসরণের দরুণ অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। আর আলাে যখন ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে বিভেদতলে আপতিত হয় তখন প্রতিসরিত হয়ে প্রথম মাধ্যমেই ফিরে আসে। আর এভাবেই ঘটে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।আর এর ফলেই সৃষ্টি হয় মরীচিকার। মরুভূমিতে দিনের বেলায় দেখা যায় এই মরীচিকা।

• ধাতুমল:
শিলাস্তূপে প্রচুর পরিমাণ যৌগ বা মুক্ত মৌল হিসেবে মূল্যবান ধাতু ও অধাতু পাওয়া যায়। এ বিশাল শিলাখণ্ড ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় রূপান্তর করা হয়।  পরবর্তীতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়। শিলা থেকে অপদ্রব্যসহ প্রাপ্ত ধাতুকে ধাতুমল বলে।
.
কোনটি মৌলের স্থায়ী কণিকা নয়?
  1. ক) নিউট্রিনো
  2. খ) অ্যান্টিনিউট্রিনাে
  3. গ) পজিট্রন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্থায়ী মূল কণিকা:
কত গুলাে মূল কণিকা আছে যা সব মৌলের পরমাণুতেই থাকে, তাদের কে স্থায়ী মূল কণিকা বলে।
স্থায়ী মূল কণিকা ৩ টি যথা- ১) প্রােটন, ২) নিউট্রন ৩) ইলেকট্রন।

• অস্থায়ী মূল কণিকা:
কত গুলাে মূল কনিকা আছে যা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে থাকে। এদেরকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। এ ধরনের কণিকার সংখ্যা প্রায় একশ, এদের মধ্যে কিছু হলাে-
১) নিউট্রিনাে, ২) অ্যান্টিনিউট্রিনাে, ৩) পজিট্রন, ৪) মেসন ইত্যাদি।
.
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে। সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. ক) ভূতুরে কণা
  2. খ) কম্পজিট কণা
  3. গ) ঈশ্বর কণা
  4. ঘ) দ্বৈত কণা
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পজিট কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পজিট কণা
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা

১.স্থায়ী মূল কণিকাঃ
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১.০টি ইলেকট্রন ও ১.০টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

২.অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।।

৩.কম্পোজিট কণিকা (Composite Particles):
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ?
  1. ক) জিপসাম
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) ম্যাঙ্গানিজ
  4. ঘ) অভ্র
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- কয়লা
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র
.
কোন দুইটি ধাতুর সংকরায়ণের মাধ্যমে ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়?
  1. ক) তামা ও দস্তা
  2. খ) দস্তা ও টিন
  3. গ) কপার ও টিন
  4. ঘ) কপার ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
গ) কপার ও টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কপার ও টিন
ব্যাখ্যা
দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। যেমন:
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি বহুরূপী মৌল?
  1. ক) জিংক
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালফার
ব্যাখ্যা
একই মৌল প্রকৃতিতে বিভিন্ন ভৌত গুণাগুণ প্রদর্শন করে কিন্তু রাসায়নিক ধর্মের তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না। অর্থাৎ কিছু অধাতব মৌলের রাসায়নিক গুণাগুণ মোটামুটি অভিন্ন হলেও ভৌত ধর্মের মধ্যে বিভিন্নতা থাকে। এইসব পদার্থ বা মৌলগুলোকেই বহুরূপী মৌল বলে এবং মৌলের এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় বহুরূপতা। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, গ্রাফাইট ও হিরক একই মৌল কার্বন দ্বারা গঠিত হলেও এদের ভৌত ধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য বিদ্যমান। অর্থাৎ হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ। শুধু তাই নয়; প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।

অনুরূপভাবে গন্ধক (সালফার) ও ফসফরাস দুটি মৌলও বহুরূপী। প্রকৃতিতে চার ধরনের গন্ধক ও দুই ধরনের ফসফরাস পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১০.
Na - e → Na+ এই বিক্রিয়ায় কি ঘটেছে?
  1. ক) জারণ
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) সংযোজন
  4. ঘ) বিয়োজন
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 = 2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
এটি বিজারণ বিক্রিয়ার সাথে একইসাথে সংঘটিত হয়।
যেমন উপরের উদাহরণে একইসাথে ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ


উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১১.
লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ কী ধরণের কোষ?
  1. ক) প্রাইমারী কোষ
  2. খ) সেকেন্ডারী কোষ
  3. গ) উভমুখী কোষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়কি কোষগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কোষ।

প্রাইমারী কোষ (Primary Cells) বা প্রাথমিক কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষ নিজেই নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে তাকে প্রাইমারী বা প্রাথমিক কোষ বলে। এ ধরনের কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় এবং একবার ব্যবহারে এ কোষগুলো ডিসচার্জ হয়ে পড়ে, সে কারণে একে পুনরায় চার্জিত করে ব্যবহার করা যায় না।

সেকেন্ডারী কোষ (Secondary Cells) বা গৌণ কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে সঞ্চিত রেখে পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারী কোষ বা গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বলে। এ ধরনের কোষগুলো বিদ্যুৎ
প্রবাহ চালিয়ে বার বার চার্জিত করা যায় এবং ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ। 

সূত্র: রসায়ন, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. ক) কার্বনিক এসিড
  2. খ) অ্যামিনো এসিড
  3. গ) ফেনল
  4. ঘ) বেনজিন
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বনিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বনিক এসিড
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত হাইড্রোকার্বন এবং হাইড্রোকার্বন থেকে উদ্ভূত যৌগসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
অ্যামিনো এসিড, ফেনল, বেনজিন ইত্যাদি হলো জৈব যৌগ।

- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
অ্যামোনিয়া, কার্বনিক এসিড, ভারী পানি ইত্যাদি সবই অজৈব যৌগ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
নিচের কোনটি জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সাধারণত কার্বন পরমাণু উপস্থিত থাকে।
  2. খ) সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শন করে।
  3. গ) বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে অনেক বেশি সময় লাগে।
  4. ঘ) সাধারণত আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাধারণত আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাধারণত আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা
- সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে জৈব যৌগ গঠিত হয়।
- জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু সাধারণত উপস্থিত থাকে। এছাড়া হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, সালফার ইত্যাদি মৌলও উপস্থিত থাকে।
- জৈব যৌগে সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শিত হয়।
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১৪.
ডিজিটাল ঘড়িতে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. ক) এলইডি
  2. খ) সিলিকন চিপ
  3. গ) এলসিডি
  4. ঘ) আইসি
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
ব্যাখ্যা
আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে।
- সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে।
- বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।

সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয় এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই।
- সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
১৫.
বিগ ব্যাং এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে -
  1. ক) সময়
  2. খ) শক্তি
  3. গ) স্থান
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• অভ্যন্তরীণ বিপুল তাপ ও চাপের কারণে প্রচন্ড শব্দে ডিম্বাকার বস্তুর মহাবিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের এই মহাবিশ্ব আর এটাই বিগ ব্যাং তত্ত্ব‌।
এর ফলে সৃষ্টি হয় সময়, স্থান, শক্তি ও পদার্থ।
• এর কারণে সৃষ্ট খণ্ডগুলো হলো- গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, উল্কা, ধূমকেতু ইত্যাদির যা প্রতিনিয়ত পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
• ১৯২৭ সালে এই তত্ত্ব প্রকাশ করে বিজ্ঞানী জি ল্যামেটার।
• এইজন্য তাকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বলা হয়।
• বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। তিনি একজন ব্রিটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী।
১৬.
থার্মোকাপলে শক্তির কী ধরণের রূপান্তর ঘটে?
  1. ক) তাপশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি
  2. খ) বিদ্যুৎশক্তি থেকে তাপশক্তি
  3. গ) তাপশক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি
  4. ঘ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপশক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) তাপশক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাপশক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি
ব্যাখ্যা
থার্মোকাপলে দুটি ভিন্ন ধাতব পদার্থের সংযোগস্থলে তাপ প্রদান করে সরাসরি তাপ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
যদিও অধিকাংশক্ষেত্রে তাপশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি তৈরি করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক কোনটি?
  1. ক) বক্সাইট
  2. খ) কোরান্ডাম
  3. গ) ক্রায়োলাইট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
- সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
- আয়রনের আকরিক: ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
পরমাণু চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য মূলত কোনটি ঘটে?
  1. ক) প্রোটনের ভাঙ্গন
  2. খ) ইলেক্ট্রনের ভাঙ্গন
  3. গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
  4. ঘ) অণুর ভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
ব্যাখ্যা
যে বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে।
এটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাঙ্গন অথবা কৃত্রিম ভাঙ্গন হতে পারে যাতে খুব শক্তিশালি কণা নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এর ভাঙ্গন ত্বরান্বিত করে, যেমনটি পারমাণবিক চুল্লিতে ঘটে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (১ম পত্র বোর্ড বই)।
১৯.
ধানের পাতা ধ্বসা রোগের জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) পোকা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে গাছের কিছু কিছু অংশ খুব দ্রুত বিবর্ণ হয়। ফলে রোগাক্রান্ত গাছগুলো মরে যায়।
অনেক সময় মৃত অংশ পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। একে ব্লাইট বা মড়ক বলা হয়।
যেমন- ধানের পাতা ধ্বসা রোগ। এর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া হলো- Xanthomonas oryzae
২০.
মানুষের হৃদপিণ্ডের উপরের দুটি প্রকোষ্ঠকে কী বলে?
  1. ক) অলিন্দ
  2. খ) নিলয়
  3. গ) এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. ঘ) এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) অলিন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অলিন্দ
ব্যাখ্যা
- মানুষের হৃদপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরে দুই পাশে দুইটি অলিন্দ এবং নিচে দুই পাশে দুইটি নিলয়।
- হৃদপিণ্ডের স্তর ৩টি।
যথা- এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম ও এন্ডোকার্ডিয়াম।
- হৃদপিণ্ডের বাইরের আবরণকে পেরিকার্ডিয়াম বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
নিচের কোনটি গুরুমস্তিষ্কের অংশ নয়?
  1. ক) মেডুলা
  2. খ) সেরিব্রাম
  3. গ) থ্যালামাস
  4. ঘ) হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
ক) মেডুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেডুলা
ব্যাখ্যা
পশ্চাৎমস্তিষ্ক লঘুমস্তিষ্ক নামেও পরিচিত। লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোটো এবং গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থান করে৷

লঘুমস্তিষ্কের অংশ তিনটি,
যথা- সেরিবেলাম, পনস এবং মেডুলা বা সুষুম্নাশীর্ষক।

গুরুমস্তিষ্কের অংশ হলো- সেরিব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস।
মেরুরজ্জু বা সুষুম্নাকাণ্ড মেরুদণ্ডের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জু মস্তিষ্কের অংশ নয়।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি
২২.
মানুষের সুষুম্না স্নায়ুর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১২ জোড়া
  3. গ) ২৭ জোড়া
  4. ঘ) ৩১ জোড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জোড়া
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো স্নায়ুকোষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া এবং সুষুম্না স্নায়ু ৩১ জোড়া

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
রক্ত সংগ্রহ করার জন্য কোণ শিরা সবচেয়ে উপযুক্ত?
  1. ক) মিডিয়ান কিউবিটাল
  2. খ) র‍্যাসিলিক
  3. গ) সেফালিক
  4. ঘ) ফিমোরাল
সঠিক উত্তর:
ক) মিডিয়ান কিউবিটাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মিডিয়ান কিউবিটাল
ব্যাখ্যা
রক্ত সংগ্রহ করা হয় সাধারণত মিডিয়ান কিউবিটাল শিরা থেকে ।

মানুষের এনাটমিতে, মিডিয়ান কিউবিটাল ভেইন (বা মিডিয়ান বেসিলিক ভেইন) হলো হাতের উপরের দিকের একটি ভাসাভাসা শিরা। এটি সিফালিক শিরা এবং বেসিলিক শিরাকে সংযুক্ত করে। চাপ প্রয়োগ করা হলে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এটি নিয়মিতভাবে ভেনিপাংচার (রক্ত নেওয়ার) জন্য এবং শিরায় ক্যানুলা ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বিশেষ করে প্রশস্ত লুমেনের কারণে সুই ঢোকানোর সময় স্থির থাকে।
২৪.
কচু শাকে কোন মূল্যবান খাদ্য উপাদানটি রয়েছে?
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) থায়ামিন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কচু নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
১) কচুর শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, বি, সি,ক্যালসিয়াম ও লৌহ। ভিটামিন এ জাতীয় খাদ্য রাতকানা প্রতিরোধ করে আর ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচুর শাক খাওয়ানো উচিত।
২) কচুতে আছে আয়রন, যা রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৩) কচুতে আছে নানা রকমের ভিটামিন যা গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য দারুন উপকারি।
৪) কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমানে পানি থাকে,তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটায় রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।
৫) কচুর শাকে পর্যাপ্ত পরিমানে আঁশ থাকে যা হজমে সহায়তা করে।
৬) কচুতে আছে প্রচুর ফাইবার, ফোলেট ও থায়ামিন যা মানব শরীরের জন্য অনেক দরকারি উপাদান।
৭) কচু খেলে রক্তের কোলেস্টরল কমে তাই উচ্চরক্ত চাপের রোগীদের জন্য ওল কচুর রস বেশ উপকারী।
8) নিয়মিত কচু খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
৯) কচু শাক বা কচু খেলে অনেক সময় গলা চুলকায়; কারণ কচুতে ক্যালসিয়াম অক্সলেট আছে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও পত্রিকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
২৫.
পরিপাক যন্ত্রে স্নেহ পদার্থ কোন ভিটামিনের শোষনে সাহায্য করে?
  1. ক) ভিটামিন এ
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন এ
ব্যাখ্যা
ভিটামিন- এ (রেটিনোয়িক এসিড), ভিটামিন- ডি (কোলিক্যালসিফেরল), ভিটামিন- ই (টকোফেরল) এবং ভিটামিন- কে স্নেহজাতীয় পদার্থে দ্রবণীয়।
তাই পরিপাক যন্ত্রে স্নেহ পদার্থ এই চারটি ভিটামিনের শোষনে সাহায্য করে। 

অন্যদিকে, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়।

সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
২৬.
ছত্রাকের জেনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন কে?
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) মোবারক আহমদ খান
  3. গ) ইসমাইল হোসেন খান
  4. ঘ) বজলুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
২০১২ সালে পাটসহ পাঁচশ উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক ছত্রাকের জীবন রহস্য (জেনোম সিকোয়েন্স) উম্মোচন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
এছাড়াও তিনি ২০১০ সালে দেশি পাটের জীবনরহস্য উম্মোচন করেন।
উল্লেখ্য,
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎসঃ ডেইলি স্টার আর্কাইভ।
২৭.
চুলের pH এর মান কত এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৫.২
  3. গ) ৫.৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH এর মান ৫.৫।
- ত্বকের pH এর মান ৫.৫ থেকে ৬.৫ এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে।
- ত্বকের pH এর মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়।
- মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল। এর pH এর মান হলো ৫.০।
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH এর মান ৫.৫ এর কাছাকাছি থাকাই উচিত।
- চুলের pH এর মান ৬ এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
খাদ্য লবণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
খাবার লবণের রাসায়নিক নাম NaCl - সোডিয়াম ক্লোরাইড

টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট। এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২৯.
পঁচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী কোন গ্যাস?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন সালফাইড:
- এটি একটি রাসায়নিক যৌগ। এর রাসায়নিক সংকেত H2S.
- ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শিলি হাইড্রোজেন সালফাইড আবিষ্কার করেন।
- এটি বর্ণহীন গ্যাস।
- এতে রয়েছে পচা ডিমের গন্ধ।
- সাধারণ প্রাকৃতিক বাতাসের থেকে এই গ্যাস একটু ভারি।
- জীবের জন্য এই গ্যাস বিষাক্ত।