পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
Exam 5 Topic: Part-1 Group-III (Modern) a. Coming of the English: Battle of Plassey, Battle of Buxar, Grant of Diwani to the East India Company. b. The Permanent Settlement, c. Early resistance movement against British : Fakir Sannyasi movement, Titumir. Source: Class – 3, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
The English got permission to trade in Bengal during the reign of: ( ইংরেজরা বাংলায় প্রথম বাংলায় বাণিজ্যের অনুমতি লাভ করেঃ ) 
  1. Aurangzeb (আওরঙ্গজেব)
  2. Jahangir (জাহাঙ্গীর)
  3. Shah Jahan (শাহ জাহান)
  4. Farrukhsiyar (ফাররুখসিয়ার)
ব্যাখ্যা

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথমে সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে 1617 খ্রিস্টাব্দে সুরাটে কারখানা স্থাপনের অনুমতি পায়। কিন্তু বাংলায় বাণিজ্য শুরু করার অনুমতি তারা পায় পরবর্তীতে।
বাংলায় প্রথমে ইংরেজরা হুগলি অঞ্চলে ব্যবসার চেষ্টা করলেও পর্তুগিজ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়ে। পরে শাহজাহানের আমলে ১৬৫১ সালে ইংরেজদের বাংলায় ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁর শাসনামলে বাংলার সুবাদার শাহ সুজা (শাহজাহানের পুত্র) ইংরেজদের হুগলি নদীর তীরে কারখানা স্থাপনের অনুমতি প্রদান করেন। এর ফলে ইংরেজরা বাংলায় স্থায়ীভাবে বাণিজ্য শুরু করার সুযোগ পায়।

উৎস (Sources):
সুমিত সরকার, Modern India
রোমিলা থাপার, A History of India

.
In 1690, Job Charnock founded which English settlement in Bengal? ( ১৬৯০ সালে জব চার্নক বাংলায় কোন ইংরেজ বসতি স্থাপন করেছিলেন?)
  1. Hooghly(হুগলি) 
  2. Calcutta(কলকাতা) 
  3. Murshidabad(মুর্শিদাবাদ) 
  4. Bihar (বিহার)
ব্যাখ্যা

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা জব চার্নক 1690 খ্রিস্টাব্দে বাংলায় একটি স্থায়ী বাণিজ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে হুগলি নদীর তীরে তিনটি ছোট গ্রাম—সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কালিকাতা—একত্রিত করেন। এই এলাকা থেকেই পরবর্তীতে ক্যালকাটা (বর্তমান কলকাতা) শহরের সূচনা হয়।
যদিও ইতিহাসবিদদের মধ্যে চার্নককে কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা বলা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও প্রচলিত ঐতিহ্য ও বেশিরভাগ ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৬৯০ সালে জব চার্নক কলকাতাকে ইংরেজ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
পরবর্তীতে 1698 সালে কোম্পানি এই অঞ্চল জাগীর আকারে জমিদারদের কাছ থেকে ক্রয় করে। আর 1772 সালে যখন ব্রিটিশরা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে সরিয়ে নিয়ে আসে, তখন কলকাতা ইংরেজ শাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

উৎস (Sources):
সুমিত সরকার, Modern India
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: "Job Charnock"
বাংলাপিডিয়া

.
The “Black Hole” incident of Calcutta occurred in: ( কলকাতার “ব্ল্যাক হোল” ঘটনার সময়কাল: )
  1. June 1756(জুন ১৭৫৬) 
  2. August 1756(অগাস্ট ১৭৫৬) 
  3. June 1757(জুন ১৭৫৭) 
  4. August 1757(অগাস্ট ১৭৫৭) ) 
ব্যাখ্যা

১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতায় (তৎকালীন ক্যালকাটা) ইংরেজদের দুর্গ মজবুতকরণ ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালান। তিনি ২০ জুন ১৭৫৬ সালে কলকাতা দখল করেন।
দখলের পর ইংরেজ বন্দীদের ফোর্ট উইলিয়ামের একটি ছোট্ট ঘরে বন্দি করা হয়। ঘরটির আয়তন ছিল মাত্র 14 × 18 ফুট, অথচ সেখানে ১৪৬ জন বন্দী গাদাগাদি করে রাখা হয়। গরম ও শ্বাসকষ্টে ১২৩ জন বন্দী মারা যান, কেবল ২৩ জন জীবিত ছিলেন। এই ঘটনাকেই ইতিহাসে “Black Hole Tragedy of Calcutta” নামে উল্লেখ করা হয়।
যদিও আধুনিক ইতিহাসবিদদের মধ্যে এই ঘটনার পরিসংখ্যান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও ইংরেজ ঐতিহাসিক জোনাথন হোলওয়েল এর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে ঘটনাটি সুপরিচিত।

​উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া
ফোর ডক্টরস
ইতিহাস ১ম পত্র-একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি

.
Which European power was the main rival of the English in Bengal before 1757?  ( ১৭৫৭ সালের আগে বাংলায় কোন ইউরোপীয় শক্তি ইংরেজদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল? )
  1. Dutch (ডাচ)
  2. French(ফরাসি) 
  3. Portuguese (পর্তুগিজ)
  4. Danes (ড্যানিশ)
ব্যাখ্যা

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের আগে বাংলায় ইউরোপীয় শক্তিগুলোর মধ্যে ইংরেজদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ফরাসিরা ।
ফরাসিরা বাংলায় তাদের বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছিল চন্দননগরে।
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ইউরোপে চলা সপ্তবর্ষী ব্যাপী যুদ্ধ (1756–1763)-এর প্রতিফলন বাংলার মাটিতেও পড়ে।
বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময়ে ফরাসিরা তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে, আর ইংরেজরা কলকাতাকে মজবুত করার কারণে নবাবের বিরাগভাজন হয়।
এ কারণে পলাশীর যুদ্ধের (২৩ জুন ১৭৫৭) ঠিক আগে বাংলায় ফরাসিরা ইংরেজদের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল।
পর্তুগিজরা (হুগলি), ডাচরা (চিনসুরা), ড্যানিশরা (সেরাম্পুর) বাংলায় বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করলেও তারা রাজনৈতিকভাবে ইংরেজদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেনি।

​উৎস (Sources):
S. N. Sen, Modern India 1707–1947
সুশীল চৌধুরী, From Prosperity to Decline: Eighteenth Century Bengal

.
The Battle of Plassey took place on the banks of which river? 
​(প্ল্যাসির যুদ্ধ কোন নদীর তীরে সংঘটিত হয়েছিল?)
  1. Hooghly(হুগলি) 
  2. Ganges(গঙ্গা) 
  3. Damodar(দামোদার) 
  4. Bhagirathi (ভাগীরথি)
ব্যাখ্যা

২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধ ছিল বাংলার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এ যুদ্ধে একদিকে ছিলেন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা, অন্যদিকে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ।
যুদ্ধটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার পলাশী নামক স্থানে, যা অবস্থিত ভাগীরথী নদীর তীরে।
নদীর কোলঘেঁষা আমবাগানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
ভাগীরথী নদী গঙ্গার একটি শাখা নদী, যা মুর্শিদাবাদ দিয়ে প্রবাহিত।

​উৎস (Sources):
রোমিলা থাপার, A History of India
বাংলাপিডিয়া

.
The British commander at Plassey was: (প্ল্যাসির যুদ্ধে ব্রিটিশ কমান্ডার ছিলেন:)
  1. Robert Clive (রবার্ট ক্লাইভ)
  2. Eyre Coote (আইর কুট)
  3. Hector Munro (হেক্টর মানরো)
  4. Stringer Lawrence  (স্ট্রিংগার লরেন্স)
ব্যাখ্যা

পলাশির যুদ্ধ (২৩ জুন ১৭৫৭ খ্রি.) ছিল বাংলার ইতিহাসে এক মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা।
এই যুদ্ধে একপাশে ছিলেন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা, আর অন্যপাশে ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।ব্রিটিশ বাহিনীর নেতৃত্ব দেন রবার্ট ক্লাইভ (Robert Clive)।তার হাতে ছিল প্রায় ৩,০০০ সৈন্য (যার মধ্যে ২,১০০ জন ছিলেন দেশীয় সিপাহী এবং ৯০০ জন ইউরোপীয় সৈন্য)।অপরদিকে সিরাজউদ্দৌলার বাহিনী ছিল প্রায় ৫০,০০০ সৈন্য সমন্বিত।

​উৎস (Sources):
বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস
বাংলাপিডিয়া

.
Which commander of Siraj-ud-Daulah betrayed him at Plassey? 
​(প্ল্যাসিতে সিরাজউদদৌলার কোন কমান্ডার তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকটা করেছিল?) 
  1. Rai Durlabh (রায় দুর্লভ)
  2. Mir Madan (মীর মাদান)
  3. Mir Jafar(মীর জাফর) 
  4. Mohan Lal(মোহন লাল) 
ব্যাখ্যা

সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীরজাফর ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন।

​উৎস (Sources):
বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস
বাংলাপিডিয়া

.
Who became Nawab of Bengal after Plassey? (প্ল্যাসির যুদ্ধের পরে কে বাংলার নবাব হন?) 
  1. Mir Qasim (মীর কাসিম)
  2. Mir Jafar (মীর জাফর)
  3. Najm-ud-Daulah (নাজিম-উদ-দৌলা)
  4. Alivardi Khan (আলীবর্দী খান) 
ব্যাখ্যা

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত ও নিহত হলে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার সিংহাসনে তাদের অনুগত ব্যক্তিকে বসাতে চায়।
যুদ্ধের আগেই মীর জাফর (Siraj’s commander-in-chief) ইংরেজদের সাথে চুক্তি করে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন।
এই চুক্তি অনুযায়ী ইংরেজরা তাকে বাংলার নবাব হিসেবে বসায়।
মীর জাফর (1757–1760, পুনরায় 1763–1765) মূলত ইংরেজদের পুতলি শাসক ছিলেন, কারণ তিনি প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন।
ইংরেজরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে তাকে নবাব বানিয়েছিল।

​উৎস (Sources):
বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস
বাংলাপিডিয়া

.
The Black Hole tragedy was described by: ( ব্ল্যাক হোল ট্র্যাজেডি বর্ণনা করেছেন: ) 
  1. Robert Orme (রবার্ট অর্মে)
  2. John Zephaniah Holwell (জন জেফানিয়া হলওয়েল)
  3. Warren Hastings (ওয়ারেন হেস্টিংস)
  4. Job Charnock (জব চার্নক) 
ব্যাখ্যা

১৭৫৬ সালের ২০ জুন, নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা দখল করার পর ইংরেজ বন্দীদের একটি ছোট ঘরে (14×18 ফুট) আটক করা হয়। এতে প্রচণ্ড গরম ও শ্বাসকষ্টে বহু বন্দী মারা যান। এই ঘটনাই ইতিহাসে পরিচিত “Black Hole Tragedy of Calcutta” নামে।
এই ঘটনার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগীদের একজন ছিলেন ইংরেজ চিকিৎসক ও কর্মকর্তা জন জেফানাইয়া হোলওয়েল ।
তিনি পরবর্তীতে লন্ডনে ফিরে 1758 সালে লিখেছিলেন:
“A Genuine Narrative of the Deplorable Deaths of the English Gentlemen” — যেখানে তিনি ব্ল্যাক হোল ট্র্যাজেডির বিস্তারিত বিবরণ দেন।
তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী ১৪৬ জন বন্দী গাদাগাদি করে রাখা হয়েছিল, যাদের মধ্যে মাত্র ২৩ জন বেঁচে ছিলেন।
যদিও আধুনিক ইতিহাসবিদরা (যেমন J. H. Little) এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং অনেকেই হোলওয়েলের বিবরণকে অতিরঞ্জিত বলে মনে করেন, তবুও দীর্ঘদিন ধরে এই বিবরণই ঐতিহাসিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া
ফোর ডক্টরস
ইতিহাস ১ম পত্র-একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি

১০.
Which banker family helped the British in Plassey? ( কোন ব্যাংকার পরিবার প্ল্যাসিতে ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিল? ) 
  1. Jagat Seth (জগৎশেঠ)
  2. Shroffs of Surat (সুরাটের শ্রফ)
  3. Chettiars(চেট্টিয়ার) 
  4. Marwaris of Bikaner(বিকানের মারওয়ারি)  
ব্যাখ্যা

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ে কেবল সেনাশক্তিই নয়, আর্থিক সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যাঙ্কার পরিবার ছিল জগত শেঠ (Jagat Seth) পরিবার, যারা মূলত ধনবান মহাজন ও অর্থলগ্নিকারী ছিলেন।
এই পরিবার নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে ইংরেজদের সাথে গোপনে আঁতাত করে।
তারা মীর জাফর, উমিচাঁদ ও রাজবল্লভ–এর সাথে মিলে ইংরেজদের ষড়যন্ত্রে অর্থ জোগায়।
এর ফলে সিরাজউদ্দৌলা আর্থিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং ইংরেজরা সহজে বিজয়লাভ করে।
ইতিহাসে বলা হয়, “Without the support of Jagat Seth, Clive could not have won Plassey.”

উৎস (Sources):​
বাংলাপিডিয়া
ফোর ডক্টরস

১১.
The Battle of Buxar was fought in: (বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল:)
  1. 1757 
  2. 1763 
  3. 1764 
  4. 1765 
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ অক্টোবর, ১৭৬৪ সালে, বিহারের বক্সার নামক স্থানে গঙ্গার তীরে।
এ যুদ্ধে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাদের নেতৃত্ব দেন মেজর হেক্টর মনরো (Hector Munro)।
ইংরেজদের বিপরীতে একত্রিত হয়েছিল তিন শক্তিশালী পক্ষ:
1. বাংলার নবাব মীর কাসিম
2. আওধের নবাব শুজাউদ্দৌলা
3. মুঘল সম্রাট শাহ আলম II
এই সম্মিলিত বাহিনীকে ইংরেজরা পরাজিত করে।

​উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া
ফোর ডক্টরস

১২.
The British commander at Buxar was: (বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ কমান্ডার ছিলেন:)
  1. Robert Clive (রবার্ট ক্লাইভ)
  2. Hector Munro (হেক্টর মানরো)
  3.  Eyre Coote (আইর কুট)
  4. Henry Vansittart (হেনরি ভ্যানসিটার্ট) 
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ (Battle of Buxar) সংঘটিত হয় ২৩ অক্টোবর, ১৭৬৪ সালে, বিহারের বক্সার নামক স্থানে গঙ্গার তীরে।
এ যুদ্ধে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাদের নেতৃত্ব দেন মেজর হেক্টর মনরো (Hector Munro)।
ইংরেজদের বিপরীতে একত্রিত হয়েছিল তিন শক্তিশালী পক্ষ:
1. বাংলার নবাব মীর কাসিম
2. আওধের নবাব শুজাউদ্দৌলা
3. মুঘল সম্রাট শাহ আলম II
এই সম্মিলিত বাহিনীকে ইংরেজরা পরাজিত করে।

​উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া,
​ফোর ডক্টরস

১৩.
Mir Qasim shifted his capital from Murshidabad to: ( মীর কাসিম তার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে স্থানান্তর করেছিলেন:)
  1. Patna (পাটনা)
  2. Rajmahal (রাজমহল)
  3. Dhaka (ঢাকা)
  4. Mungher (মুঙ্গের)
ব্যাখ্যা

মীর কাসিম (Mir Qasim) ১৭৬০ সালে মীর জাফরের উত্তরসূরি হিসেবে নবাব হন।
তিনি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ ও কর নীতি থেকে স্বাধীন হতে চাইতেন।
কোম্পানির প্রভাব এড়াতে এবং প্রশাসনিক সুবিধার জন্য তিনি মুর্শিদাবাদ থেকে তার রাজধানী স্থানান্তর করে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রাচীন দুর্গ নগরী মুঙ্গের( বর্তমান বিহার)–এ স্থানান্তর করেন।
মুঙ্গের তখন একটি প্রাকৃতিক দুর্গ এবং কৌশলগতভাবে সুরক্ষিত স্থান, যা ইংরেজদের থেকে নবাবের রাজধানীকে রক্ষা করতে সাহায্য করত।
এই পদক্ষেপ ছিল মীর কাসিমের ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীন নীতি গ্রহণের অংশ।

​উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া ,
​ফোর ডক্টরস

১৪.
The Diwani of Bengal, Bihar, and Orissa was granted to the East India Company in: ( বাংলার, বিহারের ও উড়িষ্যার দেওয়ানি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করা হয়েছিল: ) 
  1. 1764
  2. 1765 
  3. 1766 
  4. 1772 
ব্যাখ্যা

১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নবাব মীর কাসিম, আওধের নবাব শুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয়ের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে।
এই পরাজয়ের পর মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে এলাহাবাদ চুক্তি করেন।
এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাল, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (রাজস্ব সংগ্রহের অধিকার) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করা হয়।


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া

১৫.
The Mughal Emperor who granted the Diwani to the Company was: ( কোম্পানিকে দেওয়ানি প্রদানকারী মোগল সম্রাট ছিলেন:)
  1. Alamgir II (আলমগীর দ্বিতীয়)
  2. Shah Alam II (শাহ আলম দ্বিতীয়)
  3. Akbar II (আকবর দ্বিতীয়)
  4. Bahadur Shah Zafar (বাহাদুর শাহ জাফর) )
ব্যাখ্যা

১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নবাব মীর কাসিম, আওধের নবাব শুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয়ের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে।
এই পরাজয়ের পর মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে এলাহাবাদ চুক্তি করেন।
এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাল, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (রাজস্ব সংগ্রহের অধিকার) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করা হয়।


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া

১৬.
The Company paid the Mughal Emperor an annual tribute of: ( কোম্পানি মোগল সম্রাটকে বার্ষিক কত অর্থ প্রদত্ত করতো:)
  1. 20 lakh rupees (২০ লাখ রুপি)
  2. 30 lakh rupees (৩০ লাখ রুপি)
  3. 26 lakh rupees (২৬ লাখ রুপি)
  4. 40 lakh rupees (৪০ লাখ রুপি)
ব্যাখ্যা

১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় বাংলাল, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (রাজস্ব সংগ্রহের অধিকার) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করেন।
তবে এই অধিকার প্রদানের বিনিময়ে কোম্পানিকে সম্রাটকে বার্ষিক ২৬ লাখ টাকা খাজনা (tribute) দিতে হতো।
এর মাধ্যমে সম্রাট কেবলমাত্র নামমাত্র ক্ষমতাধারী থেকে যান এবং আসল ক্ষমতা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে চলে যায়।


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া

১৭.
The dual government in Bengal began after: ( বাংলায় দ্বৈত শাসন শুরু হয়:)
  1. Battle of Plassey (প্ল্যাসির যুদ্ধের পরে)
  2. Battle of Buxar (বক্সারের যুদ্ধের পরে)
  3. Grant of Diwani (দেওয়ানি প্রদানের পরে)
  4. Treaty of Allahabad (আলাহাবাদের চুক্তির পরে)
ব্যাখ্যা

১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি (Treaty of Allahabad) স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় বাংলাল, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করেন।
এর ফলে শুরু হয় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা, যেখানে —
o ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি (রাজস্ব সংগ্রহ) পরিচালনা করত।
o আর বাংলার নবাবরা নিযুক্ত ছিলেন ফৌজদারি ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য।কিন্তু কার্যত কোম্পানি-ই সমস্ত ক্ষমতা ভোগ করত, আর নবাবরা কেবল নামমাত্র শাসক হয়ে পড়েন।


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

১৮.
In the dual government system, who looked after criminal justice? ( দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায়  কে ফৌজদারি বিচার দেখাশোনা করতেন?)
  1. Company (কোম্পানি)
  2. Nawab (নবাব)
  3. Mughal Emperor (মোগল সম্রাট)
  4. Jagirdars (জাগীরদার)
ব্যাখ্যা

১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি (Treaty of Allahabad) স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় বাংলাল, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করেন।
এর ফলে শুরু হয় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা, যেখানে —
o ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি (রাজস্ব সংগ্রহ) পরিচালনা করত।
o আর বাংলার নবাবরা নিযুক্ত ছিলেন ফৌজদারি ও প্রশাসনিক কার্য পরিচালনার জন্য।কিন্তু কার্যত কোম্পানি-ই সমস্ত ক্ষমতা ভোগ করত, আর নবাবরা কেবল নামমাত্র শাসক হয়ে পড়েন।


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

১৯.
The dual government was abolished by: ( দ্বৈত শাসন বাতিল করেছিলেন:)
  1. Warren Hastings (ওয়ারেন হেস্টিংস)
  2. Robert Clive (রবার্ট ক্লাইভ)
  3. Lord Cornwallis (লর্ড কর্নওয়ালিস)
  4. William Bentinck (উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক)
ব্যাখ্যা

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি অধিকার প্রাপ্তির পর বাংলায় শুরু হয় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আদায় করত রাজস্ব (দেওয়ানি)।
নবাবরা নামমাত্র পরিচালনা করতেন প্রশাসন ও ফৌজদারি কার্য (নিযুক্ত ফৌজদারি)।
কিন্তু এই ব্যবস্থা ছিল সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কারণ—
কোম্পানি রাজস্ব নিলেও প্রজাদের কল্যাণের দায়িত্ব নেয়নি।
নবাবরা প্রশাসনের দায়িত্ব পেলেও অর্থ না থাকায় কার্যকরভাবে কিছুই করতে পারেনি।
ফলে বাংলায় দুর্ভিক্ষ (১৭৭০ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ) ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস (Warren Hastings), যিনি প্রথম গভর্নর জেনারেল হওয়ার আগে বাংলার গভর্নর ছিলেন, Dual Government ব্যবস্থা বিলোপ করেন।
তিনি নবাবের কাছ থেকে ফৌজদারি ও দেওয়ানি – উভয় দায়িত্ব নিজের হাতে নেন এবং কোম্পানির সরাসরি প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

​উৎস (Sources):
আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২০.
The major famine of Bengal occurred in: (বাংলার প্রধান দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়:) 
  1. 1765 
  2. 1770 
  3. 1772 
  4. 1784 
ব্যাখ্যা

বাংলার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ঘটে ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে, যা পরিচিত The Great Bengal Famine নামে।
কারণসমূহ:
প্রাকৃতিক কারণে টানা খরার ফলে ফসল উৎপাদন ব্যর্থ হয়।
এর সঙ্গে যুক্ত ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির Dual Government ব্যবস্থা (১৭৬৫–১৭৭২), যেখানে কোম্পানি শুধু রাজস্ব আদায়ে মনোযোগ দিয়েছিল, কিন্তু কৃষি ও প্রজাদের কল্যাণে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
কৃষকদের উপর অতিরিক্ত করের চাপ এবং শাসনব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা দুর্ভিক্ষকে আরও তীব্র করে তোলে।
ফলাফল:
আনুমানিক এক-তৃতীয়াংশ জনগণ (প্রায় ১ কোটি মানুষ মারা যায়।
বাংলার অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়ে।
এই দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতার কারণে পরবর্তীতে কোম্পানির দ্বৈত শাসনের সমালোচনা বৃদ্ধি পায় এবং ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস Dual Government বিলোপ করেন


আর. সি. মজুমদার, বাংলার ইতিহাস।
বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২১.
The Permanent Settlement was introduced by: ( স্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন:)
  1. Lord Cornwallis (লর্ড কর্নওয়ালিস)
  2. Lord Wellesley (লর্ড ওয়েলেসলি)
  3. Warren Hastings (ওয়ারেন হেস্টিংস)
  4. Lord Dalhousie (লর্ড ডালহৌসি)
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করা হয় ১৭৯৩ সালে বাংলার গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস-এর সময়। এটি ছিল জমির রাজস্ব আদায়ের একটি পদ্ধতি, যেখানে জমির খাজনা বা কর চিরস্থায়ীভাবে স্থির করে দেওয়া হয়।
এর অধীনে জমিদারদের জমির মালিকানা প্রদান করা হয়।
জমিদারকে প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিতে হতো।
ফসল কম হোক বা বেশি—রাজস্বের পরিমাণ কখনো কমানো বা বাড়ানো যেত না।
সময়মতো রাজস্ব না দিলে জমিদারের জমি নিলামে বিক্রি হয়ে যেত।
এর মাধ্যমে কোম্পানি বিশ্বস্ত জমিদার শ্রেণি তৈরি করতে চেয়েছিল, যারা ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগত থাকবে।
তবে এই ব্যবস্থায় কৃষকেরা প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কারণ জমিদাররা তাদের উপর অত্যাচার করে উচ্চ খাজনা আদায় করত।

উৎস:
১. আর.সি. মজুমদার, History of Bengal
২. বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২২.
The Permanent Settlement was introduced in Bengal in the year: ( বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়েছিল:)
  1. 1770
  2. 1765 
  3. 1757 
  4. 1793 
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করা হয় ১৭৯৩ সালে বাংলার গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস-এর সময়। এটি ছিল জমির রাজস্ব আদায়ের একটি পদ্ধতি, যেখানে জমির খাজনা বা কর চিরস্থায়ীভাবে স্থির করে দেওয়া হয়।
এর অধীনে জমিদারদের জমির মালিকানা প্রদান করা হয়।
জমিদারকে প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিতে হতো।
ফসল কম হোক বা বেশি—রাজস্বের পরিমাণ কখনো কমানো বা বাড়ানো যেত না।
সময়মতো রাজস্ব না দিলে জমিদারের জমি নিলামে বিক্রি হয়ে যেত।
এর মাধ্যমে কোম্পানি বিশ্বস্ত জমিদার শ্রেণি তৈরি করতে চেয়েছিল, যারা ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগত থাকবে।
তবে এই ব্যবস্থায় কৃষকেরা প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কারণ জমিদাররা তাদের উপর অত্যাচার করে উচ্চ খাজনা আদায় করত।

উৎস:
১. আর.সি. মজুমদার, History of Bengal
২. বাংলাপিডিয়া
বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২৩.
Which act officially ended the Permanent Settlement? (কোন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অবসান ঘটায়?)
  1. Bengal Tenancy Act, 1885 (বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫)
  2. Charter Act, 1853 (চার্টার আইন, ১৮৫৩)
  3. Government of India Act, 1858 (ভারত সরকার আইন, ১৮৫৮)
  4. Land Acquisition Act, 1894 (ভূমি অধিগ্রহণ আইন, ১৮৯৪) )
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, যা ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস চালু করেছিলেন, জমিদারদের জমির মালিকানা দিয়ে কৃষকদের শোষণের পথ খুলে দিয়েছিল। জমিদাররা উচ্চ হারে খাজনা আদায় করত এবং কৃষকদের উচ্ছেদ করতেও পারত। ফলে বাংলায় কৃষক অসন্তোষ ও বিদ্রোহ প্রায়ই ঘটতে থাকে।
এই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য ব্রিটিশ সরকার প্রণয়ন করে বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট, ১৮৮৫।
এই আইনে কৃষকদের নির্দিষ্ট অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
যারা বহু বছর ধরে জমি চাষ করছে তাদের অকুপেন্সি টেন্যান্ট বা দখলদার কৃষক হিসেবে সুরক্ষা দেওয়া হয়।
জমিদাররা ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়াতে বা উচ্ছেদ করতে পারত না।
ফলে জমিদারের পূর্ণ কর্তৃত্ব ভেঙে যায় এবং কৃষকরাও কিছুটা সুরক্ষা পায়।
অতএব, এই আইন কার্যত পার্মানেন্ট সেটেলমেন্টের অবসান ঘটায়।

উৎস:
১. বিপন চন্দ্র – History of Modern India

২৪.
Who was the main leader of the Fakir-Sannyasi movement? ( কে ফকির–সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন?)
  1. Titu Mir (তিতুমীর)
  2. Syed Ahmed Barelvi (সাঈদ আহমদ বেরেলভী)
  3. Majnu Shah (মজনু শাহ)
  4. Bhavani Pathak (ভবানী পাঠক)
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ (১৭৬০-এর দশক শুরু) ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কঠোর রাজস্বনীতি এবং ১৭৭০ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে একটি গণআন্দোলন।
ফকিরদের নেতা ছিলেন মজনু শাহ, যিনি উত্তর ভারতের একজন সুফি দরবেশ ও যোদ্ধা ছিলেন।
তিনি শত শত ফকিরের নেতৃত্ব দেন, যারা ধর্মীয় ভিক্ষুক হলেও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেন।
অপরদিকে, সন্ন্যাসীদের মধ্যে ভবানি পাঠকসহ কয়েকজন হিন্দু সাধকও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বিদ্রোহটি বাংলার রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
১৭৬০ থেকে ১৭৮৬ সালের মধ্যে মজনু শাহ বারবার ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই চালান এবং আন্দোলনের প্রধান নেতা হিসেবে পরিচিত হন।
অতএব, ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন মজনু শাহ।

​উৎস (Sources):
বাংলাপিডিয়া
ফোর ডক্টরস, 
​বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২৫.
In which bangla year did the Great Famine (Chhiyattarer Monnontor) occur in Bengal? (কোন বাংলা বছরে বাংলায় মহাদুর্ভিক্ষ (ছিয়াত্তরের মনন্তর) দেখা দেয়?) 
  1. 1170
  2. 1176 
  3. 1772 
  4. 1770 
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল বাংলা সন ১১৭৬-এ (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে)। তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর। সে বছর অত্যধিক বৃষ্টিপাত ও বন্যার গ্রাস থেকে কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারে নি। তদুপরি ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থা এবং খাদ্যবাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের ফলে অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। 

উৎস (Sources):​ ​বাংলাপিডিয়া

২৬.
Titumir’s real name was: ( তিতুমিরের আসল নাম ছিল:) 
  1. Syed Mir Nisar Ali (সৈয়দ মীর নিসার আলী)
  2. Syed Mir Taqi Ali (সৈয়দ মীর তাকী আলী)
  3. Syed Mir Mujtaba Ali (সৈয়দ মীর মুজতবা আলী)
  4. Syed Mir Jamal Ali (সৈয়দ মীর জামাল আলী)
ব্যাখ্যা

তিতুমীরের প্রকৃত নাম সাইয়িদ মীর নিসার আলী। পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার বশিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দারপুর) গ্রামে ১১৮৮ বঙ্গাব্দের (১৭৮২ খ্রি) ১৪ মাঘ তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা ছিলেন সাইয়িদ মীর হাসান আলী এবং মাতা আবিদা রোকাইয়া খাতুন। 

উৎস (Sources): বাংলাপিডিয়া

২৭.
 Titumir constructed a fort made of: (তিতুমীর দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন:)
  1. Wood (কাঠ)
  2. Bamboo (বাঁশ)
  3. Stone (পাথর)
  4. Mud (মাটি)
ব্যাখ্যা

বাঁশের কেল্লা ১৮৩১ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির চব্বিশ পরগনা জেলার নারিকেলবেড়িয়া গ্রামে নির্মিত একটি দুর্গ ছিল।• এই দুর্গটি বিদ্রোহের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু ১৮৩১ সালে ব্রিটিশরা এটিকে ধ্বংস করে।
তিতুমীরের বিদ্রোহ বাংলায় প্রাথমিক কৃষক বিদ্রোহের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।


ফোর ডক্টরস, 
​বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২৮.
Where did Titumir construct his bamboo fort? (তিতুমীর কোথায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন?)
  1. Narkelbaria (নারিকেলবেড়িয়া)
  2. Nobinagar (নবীনগর)
  3. Dhaka (ঢাকা)
  4. Bihar (বিহার)
ব্যাখ্যা

বাঁশের কেল্লা ১৮৩১ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির চব্বিশ পরগনা জেলার নারিকেলবেড়িয়া গ্রামে নির্মিত একটি দুর্গ ছিল।• এই দুর্গটি বিদ্রোহের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু ১৮৩১ সালে ব্রিটিশরা এটিকে ধ্বংস করে।
তিতুমীরের বিদ্রোহ বাংলায় প্রাথমিক কৃষক বিদ্রোহের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।


ফোর ডক্টরস, 
​বাংলামদশের ইতিহাসের রূপরেখা- ড. আশফাক হোসেন

২৯.
Which Governor-General of India introduced the Civil Service Examination? (কোন গভর্নর জেনারেল ভারতে প্রথম সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা প্রবর্তন করেন?)
  1. Lord Canning (লর্ড ক্যানিং)
  2. Lord Dalhousie (লর্ড ডালহৌসি)
  3. Lord Wellesley (লর্ড ওয়েলেসলি)
  4. Lord Cornwallis (লর্ড কর্নওয়ালিস)
ব্যাখ্যা

লর্ড কর্নওয়ালিস (Lord Cornwallis) ১৭৮৬ সালে ভারতে গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
তিনি ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা (Civil Service Examination) চালু করেছিলেন, যা পরে ব্রিটিশ প্রশাসনের জন্য উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন কর্মকর্তা নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হত।
এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা নিয়োগ করা, যারা কোম্পানির রাজস্ব ও প্রশাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।


R.C. Majumdar – History of Bengal