পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ বাংলাদেশ বিষয়াবলী - ১ [১০০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
১৯৬৬ সালের ৬ দফায় কয়টি দফা অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
- ৬ দফায়  অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না - ৩টি 
- যথা- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।

• ছয় দফা:
ছয় দফা আন্দোলনে যে দাবিসমূহ ছিল তা হলো-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি,
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
৩। অর্থ ও মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৪। রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস:
পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের নাম কী?
  1. ক) ট্রাক টু রিকভারি
  2. খ) ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি
  3. গ) ট্রাক টু পুশ ব্যাক
  4. ঘ) ট্রাক টু পুশ আপ
ব্যাখ্যা
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি  গ্রহন করেছে।

• ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি:

- ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি বলতে এমন একটি কূটনীতিক অবস্থা কে বুঝায় যেখানে কোন রাস্ট্র একই সাথে দুই ধরনের  কূটনীতি গ্রহন করলে তখন তাকে দ্বৈত ট্রাক কূটনীতি বলে।
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন দেশের সাথে সরাসরি আলোচনা করে ফাস্ট ট্রাক গ্রহন করে কিন্তু পাশাপাশি  জাতিসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে সেকেন্ড ট্রাক গ্রহন করে।
- মানবাধিকার পরিষদের চলমান অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা’র (ওআইসি) সব সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি পেশ করা হয়।

উৎস: দ্য ডেইলি স্টার।
.
মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিলেন -
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৬ জন
  4. ঘ) ৭ জন
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিলেন ৬ জন।

• মুজিবনগর সরকার:

- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
.
'বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি' বইটির লেখক -
  1. ক) ড. জামাল উদ্দিন
  2. খ) আকবর আলী খান
  3. গ) ড. সালেহউদ্দিন
  4. ঘ) আতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান রচিত বই - বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি।

• আকবর আলী খান রচিত আরো কিছু বই:
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
.
SDG এর কত নম্বর Goal-এ ক্ষুধামুক্তির বর্ণনা রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে SDG এর ২  নং লক্ষ্যমাত্রায় 'ক্ষুধামুক্তির' কথা বলা হয়েছে।
 
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল
২. ক্ষুধামুক্তি
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. মানসম্মত শিক্ষা
৫. লিঙ্গ সমতা
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
১০. বৈষম্য হ্রাস
১১. টেকসই শহর ও জনগণ
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
১৫. স্থলভাগের জীবন
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস:
SDG ওয়েবসাইট।
.
পাকিস্তানের মোট কত শতাংশ লোকের বসবাস ছিল পূর্ব পাকিস্তানে?
  1. ক) ৫৪%
  2. খ) ৫৬%
  3. গ) ৫৮%
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• পূর্ব বাংলার জনসংখ্যা:
- পাকিস্তানে জনসংখ্যার বিভিন্ন অনুপাত নিচে দেওয়া হলো - 
- পূর্ব বাংলায় ৫৬.২৭%,
-পাঞ্জাবে ১৮.৮২%,
- সিন্ধুতে ৪.৬১%,
- উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ২.২২%,
- বেলুচিস্থানে ০.৬০%,
- দেশীয় রাজ্য সহ অন্যান্য অঞ্চলে ৬.৩৪%।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর-
  1. ক) সমতট
  2. খ) তাম্রলিপ্ত
  3. গ) গৌড়
  4. ঘ) পুন্ড
ব্যাখ্যা
• জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে তাম্রলিপ্ত অন্যতম।
- এই জনপদের অবস্থান ছিলো হরিকেল ও রাঢ়ের দক্ষিণে।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক এলাকা ছিলো তাম্রলিপ্ত জনপদের কেন্দ্রস্থল।
- তাম্রলিপ্ত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর। 
- সপ্তম শতক হতে তাম্রলিপ্ত জনপদ ‘দণ্ডভুক্তি’ নামে পরিচিত হতে থাকে।
- দণ্ড মানে হলো পথ আর ভুক্তি অর্থ প্রদেশ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং আনন্দবাজার পত্রিকা।
.
দেশের প্রথম একমাত্র বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (WTC) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র:
-  বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (WTC)  চট্টগ্রাম এর আগ্রাবাদ-এ অবস্থিত বাণিজ্যিক ভবন।
- ২০০৪ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ পায় চট্টগ্রাম চেম্বার
- চিটাগং চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কর্তৃক নির্মিত হয়েছে।
- ২১ তলা ভবনের শীর্ষস্থানীয় এই ভবনটির উচ্চতা ৯০,৭০ মিটার (২৯৮ ফুট)। 
- সব আধুনিক সুবিধার ব্যবস্থাসহ ট্রেড সেন্টারটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে আমদানির-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাহায্য করবে। 
- ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
.
পদ্মা সেতু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়টি জেলাকে ঢাকার সাথে যুক্ত করেছে?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ টিকে জেলাকে পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে সম্পৃক্ত করেছে।

• পদ্মা সেতু:
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয় - ২৫ জুন, ২০২২
- যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়- ২৬ জুন, ২০২২ সালে।
- উদ্বোধন করেন- শেখ হাসিনা
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
-  পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল ১০০ বছর।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
- সব মিলিয়ে সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। 
- পদ্মা সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, সময়ও কমবে।
- পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরিয়তপুর জেলার জাজিরা ও মাদারিপুর জেলার শিবচর পয়েন্টে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: ইত্তেফাক, ইনকিলাব এবং সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট ।
১০.
ঢাকা গেইট এর নির্মাতা কে?
  1. ক) মীর জুমলা
  2. খ) শায়েস্তা খাঁ
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
• মীর জুমলা:
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবাদার ছিলেন মীর জুমলা
- এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত ঢাকা কোষ-এ বলা হয়েছে, মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকার সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢাকা গেইট-টি নির্মাণ করেছিলেন।
- ঢাকার সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে ৩৫০ বছরের প্রাচীন এই তোরণ ‘ঢাকা গেট’।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'শিক্ষার অধিকারের' কথা বলা হয়েছে ?
  1. ক) ১৫ নং
  2. খ) ২৮ নং
  3. গ) ১৯ নং
  4. ঘ) ২২ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থাঃ
- ১৫ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়: 
 
ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা।
 খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার। 
 গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং 
 ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার।

অন্যদিকে,
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ : ‍সুযোগের সমতা।
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২.
নিম্নে যার সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- স্পিকারের সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই।

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council) 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন জেলায় অর্গানিক চা উৎপাদন করা হয়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৪.
'ব্রুনাই কিং' কোন জাতের ফলের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) তরমুজ
  3. গ) লিচু
  4. ঘ) আম
ব্যাখ্যা
- ব্রুনাই কিং ( Brunei King ) হলো চার থেকে সাড়ে চার কেজি ওজনের আম।
- যা শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে পাওয়া যায়।

অন্যদিকে,
• কয়েকটি বিখ্যাত উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।

• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি,
- বীটজবা ইত্যাদি‌।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশের প্রথম ন্যাশনাল পে-কমিশন গঠন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ন্যাশনাল পে কমিশন:
- আওয়ামী লীগ শাসনামলে (১৯৭২-৭৫) সরকার দুটি বড় কমিটি নিয়োগ করে।
- যথাঃ প্রশাসন ও চাকুরি পুনর্গঠন কমিটি ১৯৭২ এবং ন্যাশনাল পে কমিশন ১৯৭২
- কমিটি/কমিশনকে স্থানীয় সরকারসহ কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্রের পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার বিবর্তন করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- বেসামরিক চাকুরির বাস্তব অবস্থার দিক বিবেচনা করে কমিটি একটি একক শ্রেণিবিহীন গ্রেড-কাঠামোর আওতায় সকল সরকারি চাকুরিকে ১০টি গ্রেডে বিন্যাস   করার সুপারিশ করে।
- দায়িত্ব ও দক্ষতার ওপর বেতন কাঠামোর সংখ্যা যথার্থভাবে নিরূপিত হয়।
- প্রত্যেকটি পদের সঠিক ধাপ নির্ধারণ করা হবে কাজের বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে।
- এসব সুপরিশের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রভাবশালী কোনো ক্যাডারের বিলুপ্তি ঘটানো, এবং যাতে বিশেষ কোনো ক্যাডারের জন্য কোনো পদ সংরক্ষণ করা না হয়।
- এতে যেকোন স্তরে কর্মরত প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য দ্রুত ও সহজে উপরে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি' বাস্তবায়ন করছে কতটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালে ‘জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল’ প্রণয়ন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত মোট ১২৬টি কার্যক্রম ২৫টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ বাস্তবায়ন করছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নিশ্চিত করেছে।
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি:
- বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম,
- বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুস্থ নারীদের জন্য ভাতা,
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা,
- দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা,
- অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী, পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সম্মানী ভাতা,
- সরকারি শিশুপরিবার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে নিবাসীদের খোরাকি ভাতা,
- সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন,
- দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র কৃষক ও পোল্ট্রি খামারিদের সহায়তা তহবিল,
- স্বনির্ভর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ইত্যাদি।

উৎস: প্রথম আলো প্রতিবেদন ও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলাদেশের ৩১তম সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) স্বর্ণদ্বীপ, নোয়াখালী
  2. খ) লেবুখালী, পটুয়াখালী
  3. গ) জাজিরা, শরীয়তপুর
  4. ঘ) ভাটিয়ারি, চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা

• সেনানিবাস:
- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

অন্যদিকে,
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য যে সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয় - শেখ রাসেল সেনানিবাস।
- ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীন ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এই সেনানিবাসে অবস্থান করবে।
- শরীয়তপুরের জাজিরায় উদ্বোধন হলো শেখ রাসেল সেনানিবাস।
- ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন।

উৎস:  দৈনিক জনকণ্ঠ ও দৈনিক সমকাল।

১৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার গোবরা ক্যাম্পে কতজন নারী সশস্ত্র ট্রেনিং গ্রহন করেন?
  1. ক) ৩০০ জন
  2. খ) ৪০০ জন
  3. গ) ৫০০ জন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- কলকাতার গোবরা ক্যাম্পে ৪০০ জন মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সশস্ত্র যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহণ করেন।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গোবরা ক্যাম্পে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছেন অনেক নারী।
- নারী সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গোবরা, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং। যেমন, সিভিল ডিফেন্স, নার্সিং, অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- কেউ সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সংরক্ষণ ও সরবরাহকারীরূপে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আশ্রয় দিয়ে, খাবার রান্না করে, অনুপ্রেরণা যুগিয়ে,   তথ্য সরবরাহ করে, সেবাদান করে ইত্যাদি নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন ।
- মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান পুরুষের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। যেমন: 
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও মানবকন্ঠ।
১৯.
'বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. ক) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. খ) ডা. মোঃ আব্দুল মবিন
  3. গ) ডা. সিতারা বেগম
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন - ডা. মোঃ আব্দুল মবিন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।

• বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল:

-  ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বিএমএ এবং যুক্তরাজ্য যৌথ ভাবে ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়।
-  ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহ বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল   স্থাপন করেন।
- এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছিলেন এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রতিষ্ঠানটি সমাজ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখায় দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
- বর্তমানে সারাদেশে গণস্বাস্থ্যের ৪০টি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।  
- স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের মার্চে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)।
- যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

উৎস: ঢাকা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
২০.
বাংলাদেশের জাতীয় নাট্যশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ধানমন্ডি
  2. খ) মিরপুর
  3. গ) বেইলি রোড
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
• শিল্পকলা একাডেমি:
- বাংলাদেশের 'জাতীয় নাট্যশালা' সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমীতে অবস্থিত।
- রূপকল্প - শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- জাতীয় সংস্কৃতির গৌরবময় বিকাশকে অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো: চারুকলা বিভাগ, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, প্রশিক্ষণ বিভাগ, প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২১.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে কততম 'বিশ্ব ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ক) ৭৯৪ তম
  2. খ) ৭৯৬ তম
  3. গ) ৭৯৮ তম
  4. ঘ) ৮০০ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ইউনেস্কো এর সদস্যপদ লাভ করে ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
• ইউনেস্কো এর ৩০ তম সাধারণ সভায়, ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
• ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। 
যথা - 
১) বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ - ১৯৮৫ সালে ৩২১ তম বিশ্ব ঐতিহ্য। 
২) নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২২ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
৩) সুন্দরবন - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

 উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট। 
২২.
দেশের প্রথম বেসরকারি মুক্তা গবেষণাগার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) সিলেটে
  3. গ) ঝিনাইদহে
  4. ঘ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
- ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম বেসরকারি মুক্তা গবেষণাগার।
- স্বাদু পানিতে দেশি প্রজাতির মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের সংরক্ষণ, প্রজনন ও মুক্তা চাষের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মুক্তা উৎপাদন নিয়ে বিস্তর গবেষণার লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গবেষণাগারটি তৈরি হচ্ছে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রাইয়ান পার্ল হারবারে।
- রাইয়ান পার্ল হারবারের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, গবেষণার মাধ্যমেই তৈরি হবে দেশি প্রজাতির ঝিনুকে উন্নতমানের ‘এ’ গ্রেডের বিভিন্ন ধরনের মুক্তা।
- মুক্তা চাষ বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সুচিশিল্পের মতো নারীরা ঘরে বসেই এই কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে। তবে আভিজাত্যের প্রতীক এই মুক্তা ব্যবহারে দেশের মানুষ উদ্বুদ্ধ হলে বাজারে ইমিটেশনের পরিবর্তে মুক্তার চাহিদা বাড়বে এবং দেশে মুক্তাশিল্প গড়ে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।
২৩.
কোন নারী মুক্তিযোদ্ধা সর্বপ্রথম বীরপ্রতীক খেতাব পান?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) সুফিয়া খাতুন
  3. গ) তারামন বিবি
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে তিন নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন।
- তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম ও অন্যজন তারামন বিবি৷
-  বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।
- বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত  হন।

এছাড়াও,
- কাকন বিবি মুক্তিযুদ্ধ জয়ী আটপৌড়ে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত এক খাসিয়া নারী।
- আদিবাসী গ্রাম্য এই নারী সরাসরি অস্ত্র হাতে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে জীবনবাজি রেখে বীরোচিত ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতাযুদ্ধে।
- মহান ‍মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্যে উপজাতি সম্প্রদায় থেকে বীর বিক্রম খেতাব পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি হলেন ইউকে চিং।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে এই তিন বীর নারীর নাম৷

উৎস: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা ও বাংলাপিডিয়া।
২৪.
ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম?
  1. ক) প্রগেসিভ বাংলাদেশ
  2. খ) ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশ
  3. গ) টেক ব্যাক বাংলাদেশ
  4. ঘ) স্মার্ট বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট বাংলাদেশ:
- ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম - স্মার্ট বাংলাদেশ।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –
১. স্মার্ট সিটিজেন, 
২. স্মার্ট ইকোনোমি, 
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
৪. স্মার্ট সোসাইটি।
- এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু হবে।
- সেখানে নাগরিকেরা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে।
- প্রযুক্তির মাধ্যমে সমগ্র অর্থনীতি পরিচালিত হবে।
- সরকার ও সমাজকে স্মার্ট করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যেই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩ ও দৈনিক প্রথম আলো।
২৫.
যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহু বিবাহ ও বিধবা বিবাহের প্রচলন রয়েছে -
  1. ক) মারমা
  2. খ) খাসিয়া
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
বিবাহ বিচ্ছেদ, বহু বিবাহ ও বিধবা বিবাহের প্রচলন রয়েছে - হাজংদের মধ্যে।
• হাজং:
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
- এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ মাটির পোকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬.
বৈরাগীর ভিটা' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• বৈরাগী ভিটা বগুড়া মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ২৫০০ বছর পুরনো।
- সম্প্রতি এই ভিটায় ১৪০০ বছর আগের একটি স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- এর পূর্বেও এখানে তিনটি বৌদ্ধমন্দিরের সন্ধান পাওয়া যায়।

সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত।
২৭.
হাইকোর্ট প্রকৃতির কোন উপাদানকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে?
  1. ক) আগুন
  2. খ) মাটি
  3. গ) নদ-নদী
  4. ঘ) বায়ু
ব্যাখ্যা
- হাইকোর্ট তুরাগসহ নদ-নদী উপাদানকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ঘোষণা করে।
• জীবন্ত-সত্তা:

- নদ-নদীগুলো এখন থেকে মানুষ বা প্রাণী যেমন কিছু আইনি অধিকার পায় তেমনি অধিকার পাবে। এই অধিকার পাওয়ার নিশ্চয়তাকে জীবন্ত-সত্তা বলে।
- বাংলাদেশের তুরাগ নদীকে আদালত কর্তৃক জীবন্ত-সত্তা (Legal Person) ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিশ্বব্যাপী জীবন্ত-সত্তার ধারণার সূচনা হয়েছে কলম্বিয়া থেকে ২০১৭ সালে।
- দেশটির সাংবিধানিক আদালত 'রিয়ো এট্রাটো' নামক একটি নদীকে এ অধিকার দেয়।

উৎস:বিবিসি বাংলা নিউজ।
২৮.
বাংলাদেশে নিযুক্ত ১৪টি দাতা দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার সংগঠনের নাম কী?
  1. ক) ওয়ার্ল্ড গ্রুপ
  2. খ) সেয়ান্তি
  3. গ) টুয়েসডে গ্রুপ
  4. ঘ) গ্রুপ অফ ফোরটিন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে নিযুক্ত ১৪টি দাতা দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার সংগঠনের নাম টুয়েসডে গ্রুপ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানের রাষ্ট্রদূতগণের সমন্বয়ে এই সংগঠনটি গঠিত।
- টুয়েসডে গ্রুপের সব সদস্য দেশই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহায্যদানকারী রাষ্ট্র।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে কূটনীতিকদের প্রভাব বিবেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।
- ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে অন্যতম অনুঘটক ছিল টুয়েসডে গ্রুপ। 

উৎস:বিডিনিউজ ২৪
২৯.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড -
  1. ক) আদমজী ইপিজেড
  2. খ) উত্তরা ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।

• বাংলাদেশ  ইপিজেড:

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি EPZ - এর নাম KEPZ-Korean EPZ in Anowara Chittagong.
- ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় দেশের প্রথম বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও চালু হয়নি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৩০.
'বেইল আউট' শব্দটি জড়িত -
  1. ক) রাজনীতিতে
  2. খ) আদালতে
  3. গ) অর্থনীতিতে
  4. ঘ) কূটনীতিতে
ব্যাখ্যা
- বেইল আউট' শব্দটি অর্থনীতির জড়িত।

• বেইল আউট:

- বেইল আউট হচ্ছে দেনার দায়ে বা মূলধনসংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা।
- তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা করার উদাহরণ রয়েছে।
- এইরূপ সহায়তা দেয়া হতে পারে ঋণ, ঋণের গ্যারান্টি, নগদ সহায়তা, বন্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয় করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে আর্থিক মন্দা কাটাতে বেইল আউট নীতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩১.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে বাঙ্গালিদের প্রথম বিদ্রোহ -
  1. ক) ফরায়েজি বিদ্রোহ
  2. খ) সিপাহি বিদ্রোহ
  3. গ) নীল বিদ্রোহ
  4. ঘ) ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
• বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহ।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ চলে।
• আন্দোলনকারী ফকির-সন্ন্যাসীগণ ছিলেন মাদারিয়া সুফি তরিকার অনুসারী।
• নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
• বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
• সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
• তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
• ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। -১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
• তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে ফকির।
• মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
• মজনু শাহর মত্যুর পর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ।
• ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কোন অনুচ্ছেদের জন্য বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৮
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ - ৭(খ)  সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

অন্যদিকে,
- ৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য
- ৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
- ৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৩.
সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য প্রয়োজন হয় -
  1. ক) ৭ দিন
  2. খ) ৯ দিন
  3. গ) ১৫ দিন
  4. ঘ) ২০ দিন
ব্যাখ্যা
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল - বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৪.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা' উপাধিটি দিয়েছে -
  1. ক) খালিজ টাইমস
  2. খ) ইন্ডিয়ান টাইমস
  3. গ) বিবিসি নিউজ
  4. ঘ) নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসে  রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'প্রাচ্যের নতুন তারকা' হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
• লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
• মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
• কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
• বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস
• বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

উৎস: প্রথম আলো।
৩৫.
'বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ভবন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ধানমন্ডি ৩২ নম্বর
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মরণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে নির্মিত বঙ্গবন্ধু ভবনের নির্মাণ হয়। 
- বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোস্টেলের নবনির্মিত বর্ধিত ভবনের নাম রাখা হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ভবন।
- ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারীতে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা.দিপু মনি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন।
- পাশাপাশি বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষের সামনে বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ মূর্তি এবং ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সংগ্রহশালার উদ্বোধন করা হয়।

এছাড়াও,
- কলকাতার পার্কসার্কাসে অবস্থিত  ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরনি।

উৎস: বাংলানিউজ২৪.কম এবং কালের কন্ঠ।
৩৬.
'উয়ারি বটেশ্বর' কী?
  1. ক) প্রাচীন বৃক্ষ
  2. খ) প্রত্নস্থান
  3. গ) প্রাচীন দেয়াল
  4. ঘ) বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান।

• উয়ারী-বটেশ্বর:

- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবিস্থত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত
- ধারণা করা হয় এটি মাটির নিচে অবস্থিত একটি দুর্গ-নগরী। 
- বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী এটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো।
- ১৯৩০-এর দশকে মুহম্মদ হানিফ পাঠান নামের স্কুল শিক্ষক প্রথম উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন।
- ১৯৯৬ সাল থেকে উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং ২০০০ সাল থেকে উয়ারী-বটেশ্বরে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননের কাজ শুরু হয়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্মস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী দুর্গ নগরের বাইরে আরো ৫০ টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. গ) সুলতানউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

•হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:

- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন একজন পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী, যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম।
- গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলে আখ্যায়িত হন।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
 - অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক।
- ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ মুসলিমলীগের লাহোর অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এই প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮.
দেশের ১২তম সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ক) ঢাকা উত্তর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা দক্ষিণ
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- দেশের সর্বশেষ ১২তম সিটি কর্পোরেশন হলো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
- ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ কে দেশের ১২তম সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশিত হয়।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন আয়তন ৯১.৩১৫ বর্গ কি.মি।
- ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৩টি।
- ২০১৯ সালের ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর।
৩৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক -
  1. ক) স্বাধীনতা পদক
  2. খ) জাতীয় পুরস্কার
  3. গ) একুশে পদক
  4. ঘ) বাংলা একাডেমি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো একুশে পদক।
- ২০২৩ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন ১৯ বিশিষ্ট নাগরিক ও ২ প্রতিষ্ঠান।

• বিভিন্ন পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো স্বাধীনতা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হচ্ছে।
- এটি প্রবর্তন করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
- ২০২৩ সালে নয় ব্যক্তি ও একটি সংস্থাকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ হলো সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার বৃক্ষরোপণের জন্যে প্রদান করা হয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৪০.
মুক্তিযুদ্ধকালে বঙ্গোপসাগর কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) ১০ নং সেক্টর
  2. খ) ১১ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না,
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর,
- ঢাকা-২ নং সেক্টর,
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন- ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪১.
কোন নদীর তীরে 'সারদা পুলিশ একাডেমি' অবস্থিত?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) আত্রাই
  4. ঘ) বালেশ্বর
ব্যাখ্যা
•নদীর তীরবর্তী স্থান/শহর:
- সারদা - পদ্মা,
- নারায়ণগঞ্জ - শীতলক্ষ্যা,
- বরিশাল - কীর্তনখোলা,
- ঢাকা - বুড়িগঙ্গা।
- কক্সবাজার - নাফ,
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া - তিতাস,
- চাঁদপুর - মেঘনা,
- বান্দরবান - শংখ।
- মাদারীপুর - আরিয়াল খাঁ,
- পিরোজপুর - বালেশ্বর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪২.
ভারতের কতটি 'ছিটমহল' বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ১০৭ টি
  2. খ) ১১১ টি
  3. গ) ১১৫ টি
  4. ঘ) ১২১ টি
ব্যাখ্যা
• ছিটমহল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল।
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া। 
৪৩.
ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' বা বিধর্মীর দেশ বলে ঘোষণা করেন -
  1. ক) হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  2. খ) দুদু মিয়া
  3. গ) তিতুমীর
  4. ঘ) ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
•ফরায়েজি মতবাদ:
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি। 
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয়(ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি বিধর্মী বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।নুন-ভাতের দাবিও উত্থাপন করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
-  ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ৭ম তফসিল
  2. খ) ৬ষ্ঠ তফসিল
  3. গ) ৫ম তফসিল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়।

• তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৫.
'পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি'র ২৫ বছর পূর্তি হয় -
  1. ক) ২ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে
  2. খ) ২ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে
  3. গ) ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ঘ) ১২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।

 উৎস: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার ও প্রথম আলো।
৪৬.
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নামকরণ করেন -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. গ) ডা. মোঃ আব্দুল মবিন
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র:
- স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ঢাকার ইস্কাটনে পুনঃস্থাপিত হয়।
- ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু রূপে গড়ে তোলার জন্য ‘চল গ্রামে যাই’ স্লোগানে হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয়।
- তখন নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এই নাম দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই হাসপাতালটি মোট ২৮ একর জমির ওপর স্থাপন করা হয়।
- এর মধ্যে ২৩ একর জমি জাতির পিতা সরকারি খাস জমি থেকে দান করেন। বাকি অংশ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বন্ধু ডা. মাহমুদুর রহমানের মা জহুরা বেগম দান করেন।

অন্যদিকে,
-  ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহ বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল   স্থাপন করেন।
- এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।
- বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত  হন।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছিলেন এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: প্রথম আলো এবং  ঢাকা ট্রিবিউন।