পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস ও সভ্যতা ২. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ৩. ভূ-রাজনীতি উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
নেপালে কত সালে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

⇒ ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.
.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. রমিউলাস সিজার
  3. অনরিয়াস সিজার
  4. অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা
অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস। 
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সুইজারল্যান্ডে কতটি ক্যান্টন রয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ১৮টি
  3. ২৬টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- পশ্চিম ইউরোপের ছোট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড।
- এটি সুইস কনফেডারেশন নামে পরিচিত।
- এর উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিশটেনস্টাইন, দক্ষিণে ইতালি এবং পশ্চিমে ফ্রান্স।
- সুইজারল্যান্ড একটি ক্ষুদ্র পর্বতময় দেশ।
- এটি কেন্দ্রীয় আল্পস পর্বতমালা এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রাক-আল্পস পর্বতমালা নিয়ে গঠিত।
- রাজধানী: বের্ন।
- বিখ্যাত শহর মধ্যেগুলোর মধ্যে জেনেভা এবং জুরিখ অন্যতম।
- মুদ্রা: সুইস ফ্রাঙ্ক।
- সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু পর্বতের নাম মন্টি রোজা।

উল্লেখ্য,
- সুইজারল্যান্ডে মোট ২৬টি ক্যান্টন রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডে একটি ক্যান্টন হলো একটি আঞ্চলিক বিভাগ বা রাজ্য।
- সুইজারল্যান্ডের প্রতিটি ক্যান্টনের নিজস্ব সংবিধান, সরকার এবং সংসদ রয়েছে।

উৎস: Britannica.
.
ইউরোপীয় কোন পর্যটক চীন আবিষ্কার করেন?
  1. লরেন ম্যাক
  2. কুবলাই খান
  3. কনফুসিয়াস
  4. মার্কোপোলো
ব্যাখ্যা
চীন:
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন।
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লি কেকিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: শি জিন পিং।

উল্লেখ্য,
- চীন আবিষ্কার করে মার্কোপোলো। 
- মার্কোপোলো হলেন একজন ভেনিস পর্যটক ও বণিক।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবপ্রথম তিনি সিল্ক রোড’ পাড়ি দিয়ে চীন দেশে আসেন।
- তখন ইউরোপীয়দের কাছে চীনের নাম ছিল ক্যাথে’।
- মার্কোপোলের ভ্রমণ সংক্রান্ত বইটির নাম হলো লিভ্রে দেস মান ভেলেস দ্যু মন্ডে (বিস্ময়কর পৃথিবীরে বর্ণনা) এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি সমগ্র ইউরোপের কাছে এশিয়া ও চীরকে পরিচয় করিয়ে দেন।

উৎস: Britannica.
.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর মূল নকশাকার কে ছিলেন?
  1. জোসেফ কনরাড
  2. উইলিয়াম নেপোলিয়ন
  3. থমাস পার্ক
  4. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

⇒ মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!  

উৎস: Britannica.
.
'নেফারতিতি' প্রাচীন কোন সভ্যতার রানী ছিলেন?
  1. গ্রিক
  2. রোমান
  3. মিশর
  4. ব্যবলনীয়
ব্যাখ্যা
নেফারতিতি:
- নেফারতিতি ছিলেন প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে রহস্যময়, ক্ষমতাবান ও জনপ্রিয় রানী।
- তাঁর জন্ম আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩৭০ অব্দে।
- নেফারতিতি নামের অর্থ ‘সবচেয়ে সুন্দর মানুষটি এসেছে’। নামের মতোই সুন্দর ছিলেন তিনি।
- তিনি ছিলেন মিসরের বিখ্যাত ফারাও আখেনাতেনের রাজমহিষী।
- নেফারতিতির জন্ম আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৩৭০ অব্দে।

উৎস: Britannica.
.
কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
কোরিয়া বিভাজন:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- ১৯১০ সালে কোরীয় উপদ্বীপে জসন সাম্রাজ্যের ২৬তম রাজা গুজুং ছিলেন দায়িত্বে। তার শাসনামলের সময় কোরিয়া দখল করে নেয় জাপান। 

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়ার আক্রমণ করে।
- কোরিয়ার দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে সোভিয়েত কমিউনিস্ট-এর রেড আর্মি।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বাহিনীর কাছে জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।

⇒ ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখার উত্তর দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেনাবাহিনী কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং দক্ষিণ দিকে আমেরিকার সামরিক সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ উত্তর কোরিয়ার নেতা ১৯৫০ সালে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া দখল করার চেষ্টা করেন, দক্ষিণ কোরিয়াও পাল্টা আক্রমণ করে বসে।
- এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ–কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়।
- দুই কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া।
- প্রায় তিন বছর ধরে কোরিয়া যুদ্ধ চলে।
- ১৯৫৩ সালে দুপক্ষের মাঝে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখায় দুদেশের মাঝে তিন মাইলব্যাপী ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ নির্ধারণ করা হয়। 

উৎস: Britannica.
.
অস্ট্রেলিয়া কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান- ব্রিটেনের রাজা/রাণী।

উৎস: Britannica.
.
দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানীর নাম কী?
  1. কেপ টাউন
  2. প্রিটোরিয়া
  3. ব্লোয়েমফন্টেইন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট। দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট (উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly).
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
১০.
পবিত্রভূমি বলা হয় কোনটিকে?
  1. মক্কা
  2. জেরুজালেম
  3. জেদ্দা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জেরুজালেম:
- ফিলিস্তিনের জেরুজালেম মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর।
- এটি মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

⇒ হযরত ঈসা (আ) এর জন্মভূমি: জেরুজালেমের বেথেলহামে হযরত ঈসা (আ) জন্মগ্রহণ করেন। যার জন্য জেরুজালেম খ্রিষ্টানদের নিকট অধিক পছন্দনীয়। আর এজন্যই জেরুজালেম নগরী খ্রিষ্টানদের নিকট পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ জেরুজালেম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ছিল। মহানবী (স) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি মিরাজে গমন করেন। এজন্য মুসলমানদের নিকট জেরুজালেম এত পবিত্র। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ অবস্থিত যা মুসলমানদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। মসজিদুল আকসা (আল আকসা মসজিদ) বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল। 

⇒ জেরুজালেম ইহুদিদের মুসা (আ) ও দাউদ (আ) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে ইহুদিদের পবিত্র স্থান টেম্পল মাউন্ট অবস্থিত। মূলত ইহুদিদের কাছে হারাম আল শরিফ এলাকাটির নাম টেম্পল মাউন্ট এবং এটিই তাদের ধর্মে সবচাইতে পবিত্র স্থান। এখানেই ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির অবস্থিত ছিল বলে বিশ্বাস করা হয় যা ৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমানদের জেরুজালেম অবরোধের সময় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

তাই জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

উৎস: Britannica.
১১.
আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ কে ছিলেন?
  1. মুহাম্মদ দাউদ
  2. ইনায়েতউল্লাহ খান
  3. মুহাম্মদ জহির শাহ
  4. মুহাম্মদ নাদির শাহ
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।

উল্লেখ্য,
- আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ।
- ১৯৩৩ সালে জহির শাহ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর আফগানিস্তানে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়।
- তাঁর প্রধানমন্ত্রী ও চাচাতো ভাই মুহাম্মদ দাউদ ১৯৭৩ সালে অভ্যুত্থান ঘটালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং রাজনৈতিক সংকট চরমে পৌঁছায়।
- এরপর থেকে আর কোনো দিন আফগানিস্তানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।

এছাড়াও, 
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
১২.
ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. প্রবোও সুবিয়ানতো
  2. জুওকো উইদোদো
  3. আহমেদ সুকর্ণ
  4. ড. মহম্মদ হাত্তা
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন প্রবোও সুবিয়ানতো।

উল্লেখ্য,
- আহমেদ সুকর্ণ ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা।
- তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি।
- তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা। 
- ঔপনিবেশিক শক্তি নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন আহমেদ সুকর্ণ। 
- ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী নেতা আহমেদ সুকর্ণ ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম ইন্দোনেশিয়ার জন্ম হয়।
- স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি হন ড. সুকর্ণ এবং প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন ড. মহম্মদ হাত্তা।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১৩.
যুক্তরাজ্যের কোন নথিতে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারণা স্থাপিত হয়েছিল?
  1. নরম্যান্ডি চার্টার
  2. ম্যাগনা কার্টা
  3. ইংলিশ কনস্টিটিউশন
  4. বিল অব রাইটস
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ ম্যাগনাকার্টা:
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- যুক্তরাজ্যে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র বা পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি এর ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) নথিতে, যা ১২১৫ সালে সই করা হয়েছিল।
- ইংল্যান্ডের রাজা জন “ম্যাগনা কার্টা” (Magna Carta) নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। 
- এর প্রথম নাম ছিল ‘চার্টার অব রানিমেড’ (Charter of Runnymede)।
- পরে এটি ম্যাগনাকার্টা চার্টার নামে পরিচিতি লাভ করে।

এছাড়াও,
- বিল অব রাইটস (১৬৮৯): ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের (Glorious Revolution) মাধ্যমে ইংল্যান্ডে রাজতন্ত্রের ক্ষমতা অনেকাংশে সীমিত হয়ে যায় এবং পার্লামেন্টের ক্ষমতা বাড়ানো হয়। গৌরবময় বিপ্লবের পর ১৬৮৯ সালে বিল অব রাইটস (Bill of Rights) পাস হয়, যা রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করে এবং সংসদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে পার্লামেন্টের ক্ষমতা ও জনগণের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
১৪.
ঐতিহাসিক ট্রয়ের যুদ্ধ কত বছর ধরে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ৮ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস যখন স্পার্টা থেকে রাতের অন্ধকারে হেলেনকে নিয়ে পালিয়ে এলেন, হেলেনের স্বামী স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এবং তার ভাই আগামেমনন ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে নৌবহর নিয়ে ইজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে এই নগরের পাশে স্কামান্দার নদীর মুখে এসে তাঁবু গেড়েছিলেন।
- তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন গ্রিস বা আচিয়ানদের বন্ধুপ্রতিম সব রাজ্যের রাজা।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
১৫.
বিশ্বে সর্বপ্রথম কোন দেশের নারীরা ভোট দেয়ার সুযোগ লাভ করে?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. ফিনল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৮৯৩ সালে নারীদের পূর্ণ ভোটাধিকার দেয় নিউজিল্যান্ড।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা প্রথম ভোট দেয়ার সুযোগ পান ১৯৯৩ সালে।
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।

উৎস: Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।
১৬.
গ্লাসনস্ত নীতির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো কোনটি শুরু হয়?
  1. মুক্ত বাজার ব্যবস্থা
  2. জনগণের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা
  3. সাধারণ নির্বাচন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।
- এর লক্ষ্য ছিল সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা, দুর্নীতি কমানো এবং জনগণের মাঝে মুক্ত চিন্তা ও আলোচনা উত্সাহিত করা।
- এই নীতি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিকে পরিচালিত হয়।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৮৫ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এর লক্ষ্য ছিল বাজার অর্থনীতি উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা এবং দুর্নীতি কমানো।
- এই নীতি সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পরিবর্তন তৈরি করলেও, এটি শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ত্বরান্বিত করে।

উৎস: Britannica.
১৭.
ভ্লাদিমির লেনিন কোন বিপ্লবের নেতা ছিলেন?
  1. জুলাই বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

অন্যদিকে, 
⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: Britannica.
১৮.
'The Land Down Under' বলা হয় -
  1. কানাডা
  2. থাইল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ ওশেনিয়ায় অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- এটি দক্ষিণ গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রেলিয়াকে বলা হয় 'Land Down Under'।
- একটি মানচিত্র বা পৃথিবীর দিকে তাকালে মনে হয় অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশের নীচে।
- অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ম্যাপের সবচেয়ে নিচুতে অবস্থানের কারণে 'দ্য ল্যান্ড ডাউন আন্ডার' বলা হয়।

অন্যদিকে,
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

উৎস: i) Maps of World.
ii) Britannica.
১৯.
জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগরের পাশে
  2. দক্ষিণ চীন সাগরে
  3. ভূমধ্যসাসাগরের পাশে
  4. কৃষ্ণ সাগরে
ব্যাখ্যা
জিবুতি:
- জিবুতি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এর সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে আছে সোমালিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইথিওপিয়া, উত্তরে ইরিত্রিয়া আর পূর্ব দিকে আছে লোহিত সাগর ও ইয়েমেন উপসাগর।
- Horn of Africa বা আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট দেশ জিবুতি।
- রাজধানী জিবুতি।
- মুদ্রা: জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক।

উল্লেখ্য,
- জিবুতি ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল।
- ১৮৯৬ থেকে ১৯৬৭ এই সময়টায় একে বলা হতো ফরাসি সোমালিল্যান্ড।
- দেশটি ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটিতে ‘লেক আবি’ ও ‘লেক আসাল’ নামে দুটি বিখ্যাত লেক রয়েছে।

উৎস: Britannica.
২০.
লেখার কাজে কালি প্রথম ব্যবহার শুরু করে কারা?
  1. মিশরীয়রা
  2. হিব্রুরা
  3. সুমেরীয়রা
  4. ব্যাবিলনীয়রা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে। পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি। এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।

উল্লেখ্য,
- লেখার কাজে কালি প্রথম ব্যবহার শুরু করে মিশরীয়রা।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ শতকে মিশরীয়রা লেখার জন্য কালির ব্যবহার শুরু করলে এটি লেখালেখির আদর্শ অনুষঙ্গে পরিণত হয়।
- লেখার জন্য মিশরীয়রা প্যাপিরাস নামের একধরনের কাগজ ব্যবহার করত।
- এরপর ওই প্যাপিরাসের উপযোগী করে কালিও তৈরি করত তারা।
- এই কালি তৈরি হতো হাড়ের গুঁড়ো থেকে।
- পুরোপুরি কালো রঙের অমোচনীয় কালির উদ্ভাবন ঘটে চীনের হার্ন রাজবংশের শাসনামলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
২১.
'ফোকেটিং' নিম্নের কোন দেশের আইনসভা?
  1. ডেনমার্ক
  2. আইসল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।

উৎস: i) WorldAtlas.
ii) Central Intelligence Agency (.gov).
২২.
কোনটির মধ্য দিয়ে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?
  1. ত্রিশবছর ব্যাপী যুদ্ধ
  2. নেপোলয়নের যুদ্ধ
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

⇒ বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
২৩.
কত সালে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার নিকট থেকে আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করেছিল?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
আলাস্কা অঙ্গরাজ্য:
- আলাস্কা (Alaska) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছের আমেরিকান অঙ্গরাজ্য।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার নিকট থেকে আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করেছিল।
- ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ, আলাস্কা বিক্রির চুক্তি করেছিল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
- মাত্র ৭২ লাখ ডলারে আমেরিকার কাছে আলাস্কা বিক্রি করে দেয় রাশিয়া।
- প্রায় এক শতাব্দী পর এসে ১৯৫৯ সালের ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা পায় আলাস্কা।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
২৪.
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. জর্ডান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ভাষা: হিব্রু।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

⇒ বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৪৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।
- ১৯৭৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিশর।
- ১৯৯৪ সালে জর্ডান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে জর্ডান ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়। 

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
২৫.
জেসমিন বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. মিশর
  2. ইয়েমেন
  3. তিউনিসিয়া
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
জেসমিন বিপ্লব:
- তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০১১ সালে এই বিপ্লব সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- আরব বসন্ত শুরুর পর এই বিপ্লব হয়।
- তিউনেশিয়ার জাতীয় ফুল হচ্ছে জেসমিন ফুল।
- এ কারণেই এই বিপ্লব জেসমিন বিপ্লব হিসেবে পরিচিতি পায়।

উৎস: Britannica.
২৬.
ইয়েমেনে কত সালে "আরব বসন্ত" শুরু হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইয়েমেন:
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।
- রাজধানী: সানা।
- ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: ইয়েমেনি রিয়াল।

উল্লেখ্য,
- ইয়েমেনে "আরব বসন্ত" শুরু হয় ২০১১ সালে।
- এটি ছিল গৃহযুদ্ধের সূচনা, যখন আলি আবদুল্লাহ সালেহ এর শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। তার ৩৩ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে। ২০১১ সালে সালেহ সরকার পতনের জন্য বাধ্য হন এবং আব্দ-রাব্বু মানসুর হাদি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসেন।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
২৭.
ইথিওপিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. ডং
  2. ডোবরা
  3. গুর্দে
  4. বির
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- রাজধানী: আদ্দিস আবাবা।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন ও নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

অন্যদিকে,
- ডং: ভিয়েতনামের মুদ্রা।
- ডোবরা: সাও টোমে এবং প্রিন্সিপের মুদ্রা।
- গুর্দে: হাইতির মুদ্রা।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica
২৮.
বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ কোনটি?
  1. টুভ্যালু
  2. সিঙ্গাপুর
  3. কিরিবিতি
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই মালদ্বীপ ব্রিটিশদের কাছ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৬৮ সালে ‘সালাতানাতে মালদ্বীপ’ থেকে ‘রিপাবলিক মালদ্বীপে’ পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ মালদ্বীপ। এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র ১.৫ মিটার।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
২৯.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ফিলিস্তিনের প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাত পবিত্র জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- এর মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে কাজ শুরু করে।

⇒ স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Al Jazeera.
৩০.
ইস্ট লন্ডন (East London) কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
ইস্ট লন্ডন (East London):
- ইস্ট লন্ডন (East London) দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সমুদ্র বন্দর শহর।

উল্লেখ্য,
- ইস্ট লন্ডন পূর্ব কেপ প্রদেশের বাফেলো নদীর মুখে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান বন্দর।
- ইংল্যান্ডের স্যার হ্যারি স্মিথ (Sir Harry Smith) এ নামকরণ করেন।
- এটির প্রকৃত নাম পোর্ট রেক্স।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.