পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: শব্দ প্রকরণ (শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ----------------- পার্ট – ২: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
তৎসম শব্দের উদাহরণ-
  1. ক) পৃথিবী
  2. খ) ডাব
  3. গ) ঘোড়া
  4. ঘ) নাক
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বির্বতিত যে সব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরুপ সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে।
যেমন: পৃথিবী, আকাশ, বৃক্ষ, গ্রহ 

অন্যদিকে---
ডাব, ছুলা, কুলা, টোপর, ঢেকিঁ প্রভৃতি দেশি শব্দ।
ঘোড়া, সাপ, হাত, পা, নাক, কান প্রভৃতি তদ্ভব শব্দ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
মৌলিক শব্দ চিহ্নিত করুন?
  1. ক) কর্তব্য
  2. খ) সন্দেশ
  3. গ) চিকন
  4. ঘ) গোলাপ
ব্যাখ্যা
মৌলিক শব্দ: যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে বলা হয় মৌলিক শব্দ। উদাহরণ: আম, কলা, দেশ, গোলাপ, ভাই, বোন, হাত, পা, নাক, মাটি, ঘর, বউ ইত্যাদি। 

যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ।
অন্যভাবে বলা যায়, যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ এক, সেসব শব্দকে বলা হয় যৌগিক
শব্দ। যেমন:
কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত
বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন।
পিতা + হীন = পিতৃহীন, অর্থ- যার পিতা নেই।
এরূপ আরও শব্দের উদাহরণ হলো- গুণবান, পাঠক, মিতালি, ভাড়াটে, সংবাদদাতা, বিদ্যালয়, পাচক  ইত্যাদি। 

রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ: যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ।
উদাহরণ:
শব্দ - মূল অর্থ - পরিবর্তিত অর্থ
সন্দেশ - সংবাদ - মিষ্টান্ন
চিকন - চকচকে - সরু
জ্যাঠামি - জেঠার ভাব - চাপল্য

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
‘বুদ্ধিমান’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) বুদ্ধি+মান
  2. খ) বুদ্ধি+ইমন
  3. গ) বুদ্ধি+মা্+ন
  4. ঘ) বুদ্ধি+মৎ
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধিমান (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি-প্রত্যয় = [বুদ্ধি+মৎ]
অর্থ: বুদ্ধি আছে এমন, ধীমান, জ্ঞানী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কারখানা কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) পর্তুগীজ
  2. খ) তুর্কি
  3. গ) বাংলা
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
কারখান ফারসি শব্দ
এছাড়াও আরো কিছু  ফারসি শব্দ নিচে দেওয়া হলো।
যেমন: আওয়াজ, জামা, নালিশ, রোজগার, বাগান, শিরোনাম, সরকার, চশমা, গোলাপ, তরমুজ, পাইকারি, খরগোশ, খানদানি, বালিশ, কারচুপি, সবুজ ইত্যাদি।

গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু বিদেশি শব্দ:
পর্তুগীজ শব্দ:  আনারস,  আতা, র্গীজা, পেঁপে, পেয়ারা, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি , পাদ্রি, বালতি, কামরা, বোতল জানালা, বোতাম, গামলা , সাবান, সালোয়ার, তোয়ালে ইত্যাদি।
তুর্কি শব্দ- লাশ, কুলি, তোপ, দারোগা, কুলি, চাকু, বন্দুক, বারুদ, চাকর, মুচলেকা, বোতল ইত্যাদি।
আরবি শব্দ- কলম, কুবুল, তুফান, আসামি, উকিল, এজাহার, খাজনা, মামলা, শরবত, শহিদ, লোকসান, দলিল, হুকুম, হারাম, তারিখ, কবর, কেবলা, আসামি, ইমারত, ইসলাম ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:  ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ
.
‘মানচিত্র’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √মান+চিত্র্+অ
  2. খ) √মান্+চিত্র
  3. গ) মান+√চিত্র্+অ
  4. ঘ) মান+√চিত্র
ব্যাখ্যা
• মানচিত্র (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [মান+√চিত্র্+অ]
অর্থ: ভূপৃষ্ঠের কোনো অংশের অবস্থান আকৃতি প্রকৃতি প্রভৃতির বিবরণসংবলিত নকশা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. ক) লাল
  2. খ) মহাযাত্রা
  3. গ) গবেষণা
  4. ঘ) গায়ক
ব্যাখ্যা
রূঢ়ি শব্দ : 
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন - গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোজা এটি প্রকৃত অর্থকে না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বুঝাচ্ছে। তাই এটি রুঢ়ি শব্দ
আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ।

অন্যদিকে, 
মৌলিক শব্দ: যে শব্দকে আর ভাঙ্গা বা বিশ্লেষণ করা যায়না তাকে মৌলিক শব্দ বলে যেমন:
- লাল, গোলাপ, হাত, পা মৌলিক শব্দ। 
- যোগরুঢ় শব্দ:সমাস নিষ্পন্ন যেসব শব্দ সর্ম্পূণভাবে সমস্যমান পদ  সমূহের অনুগামী না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাকে যোগরুঢ় শব্দ বলে।
- গায়ক- যৌগিক শব্দ যেমন: (গৈ+অক) গায়ক অর্থ গান করে যে 
মহাযাত্রা, রাখাল, ফলাহার, মন্দির, কারচুপি  পঙ্কজ, রাজপুত, জলদি  ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:  ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়ের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বাঘা
  2. খ) খেলনা
  3. গ) গায়ক
  4. ঘ) কাঁদন
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা: ১.কৃৎ প্রত্যয় এবং ২.তদ্ধিত প্রত্যয়।
- কৃৎ প্রত্যয়: ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়। যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য
বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা : বাংলা কৃৎ প্রত্যয়  ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

- বাংলা কৃৎ প্রত্যয়: বাংলার নিজস্ব অনেক ধাতু রয়েছে যেগুলো সংস্কৃত নয়। এসব ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন: √কাঁদ্+অন = কাঁদন, √নাচ্+অন = নাচন, √দুল্+অনা = দোলনা, √খেল্+অনা = খেলনা 
- সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়: ধাতুর সঙ্গে যে- সব সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বলা হয় সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। যেমন: 
√ণী+ণক ˃ নৈ+অক = নায়ক, √গৈ+ণক = গায়ক, √কৃ+অনীয় = করণীয়, √রক্ষ+অনীয় = রক্ষণীয় 

- তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দের সঙ্গে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: চোর+আ = চোরা, কেষ্ট+আ = কেষ্টা,  ডিঙি+আ = ডিঙা, বাঘ্+আ = বাঘা, হাত্+আ = হাতা 

তথ্যসূত্র:  ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ
.
কোন শব্দটিতে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) কানকাটা
  2. খ) চৌকিদার
  3. গ) দিগগজ
  4. ঘ) বেয়াক্কেল
ব্যাখ্যা
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ- চৌকিদার

বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় ‍যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন:
দেনা+দার = দেনাদার
চৌকি+দার = চৌকিদার
পাহারা+দার = পাহারাদার
কলম+বাজ = কলমবাজ
ধড়ি+বাজ = ধড়িবাজ
ধোঁকা+বাজ = ধোঁকাবাজ 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী এবং ( উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
গঠন অনুযায়ী শব্দ কয় প্রকার?
  1. ক) ৪ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ২ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
গঠন অনুযায়ী শব্দ দুই প্রকার। যথা:
১.মৌলিক
২.সাধিত
মৌলিক শব্দ: মৌলিক শব্দ: যে শব্দকে আর ভাঙ্গা বা বিশ্লেষণ করা যায়না তাকে মৌলিক শব্দ বলে যেমন:
- লাল, গোলাপ, হাত, পা মৌলিক শব্দ। 
সাধিত শব্দ: যে শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাদিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রকৃয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন: পরিচালক, সম্পাদকীয়, গরমিল, নীলাকাশ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণী।
১০.
‘আমদানি’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কতিপয় ফারসি শব্দ: অন্দর, কানুন, আবহাওয়া, দরবার, আমদানি-রপ্তানি, আমল, আমির, আমেজ, শরবত, হুজুর, জমিদার, সুর্মা, হাজার, জাফরান, বরফ, চশমা, সবজি, শহর, গ্রেপ্তার, খবর, শখ, গোলাপ, খরগোশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।
১১.
আকৃষ্ট শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) আ+√কৃষ+ত্য
  2. খ) আ+√কৃষ+ত
  3. গ) আ+√কৃষ+ট
  4. ঘ) আ+√কৃস+ট
ব্যাখ্যা
- আকৃষ্ট (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি-প্রত্যয়=আ+√কৃষ+ত
অর্থ- 
আকর্ষণ করা হয়েছে এমন
প্রলুব্ধ
মুগ্ধ

তথ্যসূত্র: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমী।
১২.
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল কয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।

• দলগুলো ছিল: 
– মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন- আওয়ামী মুসলিম লীগ
– শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক- শ্রমিক পার্টি
– মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন- নেজাম-ই-ইসলামী এবং
– হাজী দানেশের- বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। 

• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
– ১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
– ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
– ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
– ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
– যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
– যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথম দফাটি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী ও ইতিহাস প্রথম পত্র (এইচ এস সি ) বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
শেখ হাসিনা কখন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
- বর্তমান মহাজোট সরকারের মূল দল হল - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 
- ১৯৮১ সাল থেকে শেখ হাসিনা দলটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
-১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্ম।
- পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন- প্রথম সভাপতি এবং
- শামসুল হক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৪.
কখন ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
–পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে পূর্ব বংলার জনগণকে মুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৫-৬ ফেব্রুয়ারী লাহোরে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ছয়দফা নিম্নরুপ: 
১. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি
হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম।
২. শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩. দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪. আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে।
৫. দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬. অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী ও ইতিহাস প্রথম পত্র (এইছ এস সি ) বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কি?
  1. ক) যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমস্যাবলী সম্পর্কে একমত পোষণ করে
  2. খ) যারা সরকারের নীতি নির্ধারণ করে
  3. গ) যারা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে
  4. ঘ) যারা রাজনৈতিক একক হিসেবে কাজ করে
ব্যাখ্যা
• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
 - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে এমন এক সংস্থাকে বুঝায়, যা কিছুসংখ্যক সাধারণ স্বার্থে আবদ্ধ বেসরকারি লোকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আইনসভার বাইরে থেকে সরকারি নীতিমালা গ্রহণ করে ঐসব সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপরতা চালায়।
- অনেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে স্বার্থকামী গোষ্ঠী বলেও অভিহিত করেন।

• অধ্যাপক মাইনর ওয়েনারের মতে, “চাপ সৃষ্টিকারী বা স্বার্থকামী গোষ্ঠী বলতে এমন এক গোষ্ঠীকে বুঝায় যা স্বেচ্ছামূলক ভাবে সংগঠিত, যা সরকারি কাঠামোর বাইরে অবস্থান করে, সরকারি নীতিমালা গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট থাকে।”

• আলফ্রেড গ্রজিয়ার মতে, “চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে, এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী; যা সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।”

 • চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ তাদের পছন্দের দল বা ব্যক্তিকে অর্থ ও যানবাহন দিয়ে, প্রচারকাজে সাহায্য করে। তাদের পছন্দনীয় দল বা ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে আইন প্রণয়ন ও শাসন কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে থাকে।
- প্রয়োজনবোধে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী মিটিং, মিছিল ও শোভাযাত্রার সাহায্যে সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে থাকে ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায় (১৭৭৪- ১৮৩৩ খ্রি.)
- বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রামমোহন রায় উনিশ শতকের একজন ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- রামমোহন রায় সংবাদ কৌমুদী নামে একটি বাংলা সংবাদপত্র প্রকাশ করেন- ১৮২১ সালে
- পরের বছর ফারসি ভাষায় আরেকটি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন- এর নাম ছিল মিরাত উল আখবার।
- তিনি ১৮২৮ সালে ‘ব্রাহ্মসমাজ’  প্রতিষ্ঠা করেন।‘
 - তিনি বিধবা ব কোম্পানির শাসকদের 
- তিনি সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত করার জন্য কোম্পানির শাসকদের প্রাভাবিত করতে থাকেন।
- তার প্রচেষ্টায়  ১৮২৯ সালে গভর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করে আইন পাশ করে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ( উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৭.
মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত বলা হয় -
  1. ক) নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  2. খ) সৈয়দ আমীর আলী
  3. গ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
• মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত।
- ইসলামী ও পাশ্চাত্য জ্ঞানের অধিকারী আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক।
- তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেন।

• এসব গ্রন্থের মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে-
(১) দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং
(২) এ সর্ট হিস্টরি অব দি স্যারাসিন।
- এ গ্রন্থ দুটি পণ্ডিত হিসেবে আমীর আলীকে অমরত্ব দান করেছে।
- আমীর আলী তাঁর লেখায় ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দান করেছেন।
- মুসলমানদের গৌরবময় অতীতের প্রতি বারংবার অঙ্গুলি নির্দেশ করে মুসলিম সমাজকে আত্মসচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
- তাঁর এ চেষ্টায় হতাশাগ্রস্ত মুসলিম সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
‘ভারতের রাজভক্ত মুসলমান' গ্রন্থটির লেখক—
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) সৈয়দ আহমদ খান
  3. গ) উইলিয়াম হান্টার
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আহমদ খান:
- সিপাহী বিদ্রোহের জন্য ইংরেজ সরকার মুসলমানদের এককভাবে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে।
- ভারতীয় মুসলমানদের দুর্দশা সৈয়দ আহমদ খানকে ব্যথিত করে।
- এমতাবস্থায় সৈয়দ আহমদ খান ভারতীয় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজ সরকারের মনোভাব পরিবর্তনের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তিনি ‘ভারতে সিপাহী বিদ্রোহের কারণ’ এবং ‘ভারতের রাজভক্ত মুসলমান' নামক দুটি বই রচনা করেন।
- তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেন যে, সিপাহী বিদ্রোহের জন্য মুসলমানরা দায়ী ছিল না।
- বরং বিদ্রোহকালে অধিকাংশ মুসলমান ইংরেজদের পক্ষে ছিল।
- তাঁর যৌক্তিক আলোচনায় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজদের দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
- উল্লেখ্য যে, সৈয়দ আহমদ খান নিজে ইংরেজ অনুগত ছিলেন।
- তিনি ভারতের মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য তাদেরকেও ইংরেজ অনুগত হওয়ার এবং তাদের সহযোগিতা করার উপদেশ দেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১৯.
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান সভাপতি কে?
  1. ক) তোফায়েল আহমেদ
  2. খ) রাশেদ খান মেনন
  3. গ) খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া
  4. ঘ) মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল।
- বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা। একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ সালে দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে গেলেও ১৯৯২ সালে পুনরায় একত্র হয়।
- বর্তমানে রাশেদ খান মেনন দলটির সভাপতি।
- ২০১৪ সালে মহাজোট এর হয়ে নির্বাচন করে বর্তমানে সরকারের অন্তর্ভূক্ত। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২০.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১২ টি
  4. ঘ) ১৩ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান।
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।
প্রত্যক্ষ নির্বাচন: যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন: জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন। জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন। এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১১ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে
- বাংলাদেশে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে।
- সর্বশেষ নির্বাচন হচ্ছে- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- নির্বাচনে জয় লাভ করে- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশে ৫ বছর পর পর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  

 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিক, একাদশ-দাদ্বশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)