পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বাংলা পরীক্ষা - ৭ (সাহিত্য) টপিক: আধুনিক যুগের লেখকগণ: ১. ত্রিশের দশক ও বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব, ২. জসীমউদ্দীন, ৩. অন্নদাশঙ্কর রায়, ৪. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, ৫. আহসান হাবীব, ৬. ডি. এল. রায়, ৭. মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা সামাজিক নাটক?
  1. প্রায়শ্চিত্ত
  2. পরপারে
  3. বঙ্গনারী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:    
• কবি, নাট্যকার, গীতিকার।
• দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। 
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।  

⇒ দ্বিজেন্দ্রলালের উলে­খযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো: 
⇒ সামাজিক নাটক: 
• পরপারে, 
• বঙ্গনারী;
• সমাজ-বিভ্রাট, 
• কল্কি অবতার, 
• ত্র্যহস্পর্শ, 
• প্রায়শ্চিত্ত, 
• পুনর্জন্ম। 

⇒ ঐতিহাসিক নাটক:
• তারাবাই,
• প্রতাপসিংহ,
• দুর্গাদাস, 
• মেবার পতন, 
• নূরজাহান,
• সাজাহান,
• চন্দ্রগুপ্ত। 
- ঐতিহাসিক নাটক রচনার জন্য তিনি যশস্বী হয়ে আছেন।  

⇒ রোমান্টিক পৌরাণিক নাটক: 
• চন্দ্রগুপ্ত ও
• সিংহল বিজয়। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন লেখক 'কল্লোল' পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
কল্লোল:   
• ১৯২৩ সালে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়।
• এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। 
• রবীন্দ্র-রোম্যান্টিক সাহিত্যের বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনার ক্ষেত্রে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেতনা, ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব এই পত্রিকার লেখকদের উপর কার্যকর ছিল। 
• এ পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন
→ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত,
→ শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, 
→ বুদ্ধদেব বসু,
→ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়,
→ প্রেমেন্দ্র মিত্র প্রমুখ।  
• এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরি হয়েছিল এবং ‘কল্লোল যুগ’ নামে আলাদা একটি যুগের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
‘পূর্ণিমা মিলন’ নামক সাহিত্য সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আহসান হাবীব
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. জসীমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:   
• কবি, নাট্যকার, গীতিকার।
• ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের  নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম।
• দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। 
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।  

⇒ দ্বিজেন্দ্রলালের উলে­খযোগ্য সাহিত্যগুলো:   
⇒ ঐতিহাসিক নাটক:
• তারাবাই,
• প্রতাপসিংহ,
• দুর্গাদাস, 
• মেবার পতন, 
• নূরজাহান,
• সাজাহান,
• চন্দ্রগুপ্ত।
- ঐতিহাসিক নাটক রচনার জন্য তিনি যশস্বী হয়ে আছেন।   

⇒ সামাজিক নাটক: 
• পরপারে,  
• বঙ্গনারী, 
• সমাজ-বিভ্রাট,  
• কল্কি অবতার,  
• ত্র্যহস্পর্শ,  
• প্রায়শ্চিত্ত, 
• পুনর্জন্ম।  
⇒ ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
'প্রেমের কবিতা' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
  1. বিষ্ণু দে
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা
⇒ আহসান হাবীব: 
• কবি ও পেশায় সাংবাদিক ছিলেন। 
• ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি “দৈনিক বাংলা' পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন।  
• কলকাতায় তিনি তকবীর, বুলবুল ও সওগাত পত্রিকায় কাজ করেন।  

⇔ আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই 'রাত্রিশেষ' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 
⇒ তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:  
• ছায়াহরিণ, 
• সারা দুপুর, 
• আশায় বসতি, 
• মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, 
• দুহাতে দু আদিম পাথর, 
• প্রেমের কবিতা, 
• বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।  

⇒ ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
নিচের কোনটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাহিত্যকর্ম?
  1. খোঁয়ারি
  2. দোজখের ওম
  3. দুধভাতে উৎপাত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস: 
- পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। 

⇒ তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প:
• অন্য ঘরে অন্য স্বর,
• খোঁয়ারি,
• দুধভাতে উৎপাত,
• জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল,  
• দোজখের ওম। 

⇒ উপন্যাস: 
• চিলেকোঠার সেপাই,   
• খোয়াবনামা। 
→ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: ওসমান।  
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
'জীবন কথা' স্মৃতিগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. জসীমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
জসীমউদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যা
⇒ জসীমউদ্দীন:  
- পল্লিকবি বলা হয়।   
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। 
- এমএ পাস করার পর থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীনেশচন্দ্র সেনের অধীনে  রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী ছিলেন। 
- ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে লেকচারার পদে যোগদান করেন।

⇒ তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো:   
• রাখালী (প্রথম),  
• নক্সী কাঁথার মাঠ,
• সোজন বাদিয়ার ঘাট, 
• মা যে জননী কান্দে,
• বালুচর,
• ধানক্ষেত,
• মাটির কান্না,
• সুচয়নী ইত্যাদি। 

⇒ তাঁর স্মৃতিকথা: 

• যাঁদের দেখেছি,
• ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়,  
• জীবন কথা।   

⇒ ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।    

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের ভ্রমনকাহিনি?
  1. য়ুরোপের চিঠি
  2. ইউরোপের চিঠি
  3. জাভার যাত্রী
  4. জাপান যাত্রী
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের চিঠি
ব্যাখ্যা
অন্নদাশঙ্কর রায়:  
• উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।  
• ১৯০৪ সালের ১৫ই মার্চে ভারতের উড়িষ্যায় জন্ম।  
• কর্ম: নদীয়া জেলার ম্যাজিস্ট্রেট, কুমিল্লার জজ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিচার বিভাগের সচিব পদে অবসরগ্রহণ করেন।  
• বাংলার পাশাপাশি উড়িয়া ভাষায় সাহিত্য রচনা করতেন। 
• তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য বীরবলী চমক ও গভীর মননশীলতা। 

⇒ তাঁর বিখ্যাত ভ্রমনকাহিনি:  
• পথে প্রবাসে ও  
• ইউরোপের চিঠি।  

⇒ তাঁর রচিত উপন্যাসের সংখ্যা ২২টি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস তাঁর ছয় খন্ডে প্রকাশিত 'সত্যাসত্য' ছয়টি নামে প্রকাশিত হয় যথাক্রমে-
• যার যেথা দেশ, 
• অজ্ঞাতবাস, 
• কলঙ্কবতী, 
• দুঃখমোচন,  
• মর্ত্যের স্বর্গ, 
• অপসরণ। 
- ছয় খন্ডে রচিত 'সত্যাসত্য' বাংলায় মননশীল উপন্যাস রচনায় এক স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করে।  

⇒ উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাস:  
• আগুন নিয়ে খেলা, 
• অসমাপিকা, 
• পুতুল নিয়ে খেলা, 
• বিশল্যকরণী।
⇒ তাঁর মৃত্যু ২৮ অক্টোবর ২০০২।   

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বিষ্ণু দে' নিচের কোন সাহিত্যগোষ্ঠীর লেখক ছিলেন?
  1. 'প্রগতি' সাহিত্যগোষ্ঠীর
  2. 'ধুমকেতু' সাহিত্যগোষ্ঠীর
  3. 'কল্লোল' সাহিত্যগোষ্ঠীর
  4. 'কবিতা' সাহিত্যগোষ্ঠীর
সঠিক উত্তর:
'কল্লোল' সাহিত্যগোষ্ঠীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'কল্লোল' সাহিত্যগোষ্ঠীর
ব্যাখ্যা
কল্লোল সাহিত্যগোষ্ঠী:   
• ১৯২৩ সালে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়।
• এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। 
• রবীন্দ্র-রোম্যান্টিক সাহিত্যের বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনার ক্ষেত্রে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
• এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরি হয়েছিল এবং ‘কল্লোল যুগ’ নামে আলাদা একটি যুগের সৃষ্টি হয়। 
• বিষ্ণু দে 'কল্লোল' সাহিত্যগোষ্ঠীর লেখক ছিলেন।   

বিষ্ণু দে:   

• 'পরিচিয়' পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। 
• তাঁর প্রকাশিত পত্রিকা 'সাহিত্যপত্র'। 
 • বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন। 
• তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। 

⇒ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ: 
• উর্বশী ও আর্টেমিস, 
• চোরাবালি, 
• সাত ভাই চম্পা,
• তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
• সেই অন্ধকার চাই,  
• রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ,
• স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত ইত্যাদি। 

⇒ প্রবন্ধগ্রন্থ: 
• রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা,   
• সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
• মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য জিজ্ঞাসা,  

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন কবি ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন?
  1. বিষ্ণু দে
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
⇒ অমিয় চক্রবর্তী:  
→ জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। 
→ অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে (ব্যক্তিগত সচিব) এসেছিলেন।
→ বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ এবং;   
→ ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 

→ তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।  
→ অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে।  
→ তিনি ত্রিশের দশকের কবি হিসেবে পরিচিত।   

→ তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী'।      
⇒ তাঁর বিশেষ কাব্যগ্রন্থগুলো:    
• খসড়া, 
• এক মুঠো, 
• মাটির দেয়াল, 
• পারাপার, 
• পালাবদল, 
• ঘরে ফেরার দিন, 
• পুষ্পিত ইমেজ, 
• অনিঃশেষ, 
• অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।  
→ ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।   

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
নিচের কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস?
  1. কালের পুতুল
  2. তিথিডোর
  3. হঠাৎ আলোর ঝলকানি
  4. যে আঁধারআলোর অধিক
সঠিক উত্তর:
তিথিডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিথিডোর
ব্যাখ্যা
⇒ 'তিথিডোর' উপন্যাস:
• বুদ্ধদেব বসুর লেখা, এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।   
• প্রথম শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান এই তিনখণ্ডে বিভক্ত। 
• বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর-নারীর জীবনযাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত। 
• কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।  
• এই কাহিনির গীতল ভাষা ও কাব্যময়তা এবং এর শেষাংশে প্রযুক্ত ‘চৈতন্যপ্রবাহ’-ধৰ্মী বর্ণনাভঙ্গি দেখা যায় ।

⇒ বুদ্ধদেব বসু:   
• তাকে রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যের সব্যসাচি লেখক বলা হয়। 
• ঢাকা থেকে 'প্রগতি' এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। 
• 'চতুরঙ্গ' পত্রিকাটি তিনি হুমায়ুন কবিরের সাথে সম্পাদনা করেন।  

⇒  তাঁর রচিত উপন্যাসগ্রন্থ:   
• সানন্দা, 
• পরিক্রমা, 
• কালো হাওয়া, 
তিথিডোর, 
• নির্জন স্বাক্ষর ইত্যাদি।  

⇒ কবিতাগ্রন্থ:  
• বন্দীর বন্দনা,
• স্বাগত বিদায়, 
• দ্রৌপদীর শাড়ী, 
• যে আঁধারআলোর অধিক।   

⇒ প্রবন্ধগ্রন্থ:
• কালের পুতুল,
• সাহিত্যচর্চা,
• স্বদেশ ও সংস্কৃতি।  

⇒ ভ্রমণ ও স্মৃতিকথা:   
• হঠাৎ আলোর ঝলকানি,
• দেশান্তর, 
• আমার ছেলেবেলা। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
নিচের কোনটি কবি আহসান হাবীবের রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ?
  1. রাণীখালের সাঁকো
  2. বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
  3. আশায় বসতি
  4. মেঘ বলে চৈত্রে যাবো
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
ব্যাখ্যা
⇔ আহসান হাবীব:  
• কবি ও পেশায় সাংবাদিক ছিলেন। 
• আহসান হাবীব আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন।
• ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি “দৈনিক বাংলা' পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন।  
• কলকাতায় তিনি তকবীর, বুলবুল ও সওগাত পত্রিকায় কাজ করেন। 

⇒ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ: 
• জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
• বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
• ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি। 

- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই 'রাত্রিশেষ' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।  
⇒ তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:   
• ছায়াহরিণ,
• সারা দুপুর,
• আশায় বসতি,
• মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
• দুহাতে দু আদিম পাথর,
• প্রেমের কবিতা,
• বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি। 

⇒ তাঁর দুটি বিশিষ্ট  উপন্যাস হলো;  
• অরণ্য নীলিমা ও
• রাণীখালের সাঁকো। 
⇒ ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
'মাল্যবান' গ্রন্থটি কবি জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. উপন্যাসগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাসগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাসগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
⇒ 'মাল্যবান' উপন্যাস: 
• প্রকাশিত হয় জীবনানন্দের মৃত্যুর অনেক দিন পরে।
• বাংলা সাহিত্যের মূল কাহিনি বর্ণনার ধারা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এই উপন্যাসটি।
• দাম্পত্য জীবনের এক নিষ্ঠুর কাহিনি।
• সম্পর্কের জটিলতা এবং পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতার বোধ এক ইঙ্গিতময় ভাষায় অসামান্য কুশলতার সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। 

⇒ জীবনানন্দ দাশ:   
- তিনি ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রুপসী বাংলার কবি প্রভৃতি বিশেষণে পরিচিত। 
- তিনি ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী 'তিরিশের কবিতা' নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। 
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো: 
• মাল্যবান,
• সতীর্থ।
⇒ 'কল্যাণী' (প্রকাশ: ১৯৯৯) সম্প্রতি খুঁজে পাওয়া তাঁর আর একটি উপন্যাস। 

⇒ তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলি:  
• ঝরাপালক,
• ধূসর পাণ্ডুলিপি,
• বনলতা সেন,
• মহাপৃথিবী,
• সাতটি তারার তিমির,
• রূপসী বাংলা, 
• বেলা অবেলা কালবেলা।
- 'রূপসী বাংলা' ও 'বেলা অবেলা কালবেলা' কাব্যদুটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। 

⇒ 'কবিতার কথা' তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
‘আত্মহত্যার অধিকার' গল্পটি কোন গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমুদ্রের স্বাদ
  2. অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প
  3. সরীসৃপ
  4. মিহি ও মোটা কাহিনী
সঠিক উত্তর:
অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প
ব্যাখ্যা
⇒ ‘আত্মহত্যার অধিকার' গল্প:
• 'আত্মহত্যার অধিকার' গল্পটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প' গল্পগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত গল্প।  
• একটি দরিদ্র পরিবারের লাঞ্ছিত জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত।  
• এখানে গরিব 'নীলমণি'র যে কষ্টের কাহিনি বিবৃত হয়েছে;   
• এবং সেই সঙ্গে তার যুবতী মেয়ে 'শ্যামা' কষ্টকে দলিত করে, যেভাবে তার জীবনের রস আস্বাদনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে, গল্পে সেই আসক্তিকেই বড় করে দেখানো হয়েছে। 
• লেখকের ভাব পরিকল্পনায় প্রতিভাত হয়েছে যে, এই অসমবিন্যস্ত জগৎ ও জীবনে সবাই অসুস্থ ও বিকারগ্রস্ত। 
• স্রষ্টার সৃষ্টির অসমতার প্রতি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সন্ধানী দৃষ্টি এখানে বক্রও ব্যঙ্গাত্মক শিল্পরীতিতে বিশ্লেষিত হয়েছে। 
• স্রষ্টা নিজে কেন সমাজে এমন অসাম্য সৃজন করলেন, সেই প্রশ্নও করেছেন তিনি। 

⇔ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।
- 'বঙ্গশ্রী' পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। 
- প্রগতি লেখক সংঘের নির্বাচিত যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন।    

⇔ তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গন্থ: 
⇒ গল্পগ্রন্থ:  
• অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
• মিহি ও মোটা কাহিনী,  
• সরীসৃপ,  
• সমুদ্রের স্বাদ, 
• বৌ ইত্যাদি। 

⇒ ছোটগল্প: 
• প্রাগৈতিহাসিক,   
• সরীসৃপ,  
• আত্মহত্যার অধিকার, 
• সমুদ্রের স্বাদ, 
• হলুদ পোড়া, 
• আজ কাল পরশুর গল্প ইত্যাদি। 

⇒ উপন্যাস:   
• জননী,
• দিবারাত্রির কাব্য, 
• পদ্মানদীর মাঝি,
• পুতুলনাচের ইতিকথা,   
• সহরবাসের ইতিকথা, 
• সহরতলী,    
• সার্বজনীন,
• অহিংসা, 
• আরোগ্য ইত্যাদি।
⇒ ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
নিচের কোনটি অমিয় চক্রবর্তীর সৃষ্টি?
  1. তপস্বী ও তরঙ্গিণী
  2. পুষ্পিত ইমেজ
  3. অর্কেস্ট্রা
  4. অসমাপিকা
সঠিক উত্তর:
পুষ্পিত ইমেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুষ্পিত ইমেজ
ব্যাখ্যা
⇒ অমিয় চক্রবর্তী:  
→ তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। 
→ অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে। 
→ তিনি ত্রিশের দশকের কবি হিসেবে পরিচিত।   
→ অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে (ব্যক্তিগত সচিব) এসেছিলেন।
→ তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী'।     

⇒ তাঁর বিশেষ কাব্যগ্রন্থগুলো:    
• খসড়া, 
• এক মুঠো, 
• মাটির দেয়াল, 
• পারাপার, 
• পালাবদল, 
• ঘরে ফেরার দিন, 
• পুষ্পিত ইমেজ, 
• অনিঃশেষ, 
• অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।  
→ বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. আহসান হাবীব
  3. বিষ্ণু দে
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:    
• ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। 
• তাকে রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যের সব্যসাচি লেখক বলা হয়। 
• ঢাকা থেকে 'প্রগতি' এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন।   

⇒  তাঁর রচিত কবিতাগ্রন্থ: 
• বন্দীর বন্দনা,
• স্বাগত বিদায়, 
• দ্রৌপদীর শাড়ী, 
• যে আঁধারআলোর অধিক।   

⇒ উপন্যাসগ্রন্থ:  
• সানন্দা, 
• তিথিডোর, 
• নির্জন স্বাক্ষর, 
• রাত ভরে বৃষ্টি ইত্যাদি। 

⇒ প্রবন্ধগ্রন্থ:
• কালের পুতুল,
• সাহিত্যচর্চা।  

⇒ ভ্রমণ ও স্মৃতিকথা:   
• হঠাৎ আলোর ঝলকানি,
• দেশান্তর, 
• আমার ছেলেবেলা। 

⇒ নাটক: 
• মায়ামালঞ্চ ও  
• তপস্বী ও তরঙ্গিণী।    
→ ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। 
→ এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।  
→ ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
জীবনানন্দ দাশ কোন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন?
  1. দৈনিক স্বরাজ
  2. ব্রহ্মবাদী
  3. প্রগতি
  4. কবিতা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মবাদী
ব্যাখ্যা
⇒ জীবনানন্দ দাশ:  
• তিনি ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রুপসী বাংলার কবি প্রভৃতি বিশেষণে পরিচিত। 
•  তিনি ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী 'তিরিশের কবিতা' নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। 
• তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
• মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি। 

⇒ তিনি 'ব্রহ্মবাদী' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। 
⇒ তিনি ‘দৈনিক স্বরাজ’ পত্রিকার সাহিত্যপাতা সম্পাদনা করেছিলেন।
⇒ ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।    

⇒ অন্যদিকে, কবি বুদ্ধদেব বসু ঢাকা থেকে 'প্রগতি' এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
১৭.
'আর্য্যগাথা' দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. কাব্য
  2. নাটক
  3. প্রবন্ধ
  4. স্মৃতিকথা
সঠিক উত্তর:
কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্য
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:    
• কবি, নাট্যকার, গীতিকার।  
• ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের  নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম।
• দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। 
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

⇒ দ্বিজেন্দ্রলালের উলে­খযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো: 
⇒ কাব্য: 
• আর্য্যগাথা, 
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
• Lyrics of Ind (ইংরেজি).   

⇒ সামাজিক নাটক: 
• পরপারে, 
• বঙ্গনারী;
• সমাজ-বিভ্রাট, 
• কল্কি অবতার, 
• ত্র্যহস্পর্শ, 
• প্রায়শ্চিত্ত, 
• পুনর্জন্ম। 

⇒ ঐতিহাসিক নাটক:
• তারাবাই,
• প্রতাপসিংহ,
• দুর্গাদাস, 
• মেবার পতন, 
• নূরজাহান,
• সাজাহান,
• চন্দ্রগুপ্ত। 
- ঐতিহাসিক নাটক রচনার জন্য তিনি যশস্বী হয়ে আছেন। 

⇒ রোমান্টিক পৌরাণিক নাটক: 
• চন্দ্রগুপ্ত ও
• সিংহল বিজয়। 

⇒ পৌরাণিক নাটক: 
• পাষাণী, 
• সীতা,
• ভীষ্ম।  
⇒ ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
জন্মপঞ্জিকা অনুযায়ী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কী?
  1. প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. অধরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. অসুরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
অধরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇔ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম। 
- জন্মপঞ্জিকায় তাঁর নাম 'অধরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়'। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।
 
⇔ তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাসগন্থ:    
• জননী,
• দিবারাত্রির কাব্য, 
• পদ্মানদীর মাঝি,  
• পুতুলনাচের ইতিকথা,   
• সহরবাসের ইতিকথা, 
• সার্বজনীন,
• অহিংসা, 
• আরোগ্য ইত্যাদি।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
নিচের কোনটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রবন্ধসাহিত্য নয়?
  1. আধুনিকতা
  2. ইশারা
  3. পথে প্রবাসে
  4. জীয়ন কাঠি
সঠিক উত্তর:
পথে প্রবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পথে প্রবাসে
ব্যাখ্যা
⇒ অন্নদাশঙ্কর রায়:  
• উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।  
• কর্ম: নদীয়া জেলার ম্যাজিস্ট্রেট, কুমিল্লার জজ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিচার বিভাগের সচিব পদে অবসরগ্রহণ করেন।  
• বাংলার পাশাপাশি উড়িয়া ভাষায় সাহিত্য রচনা করতেন। 
• তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য বীরবলী চমক ও গভীর মননশীলতা। 

⇒ তাঁর বিখ্যাত ভ্রমনকাহিনি:  
• পথে প্রবাসে ও  
• ইউরোপের চিঠি।  

⇒ তাঁর উলে­খযোগ্য প্রবন্ধ:  
• তারুণ্য, 
• আমরা,
• জীবনশিল্পী,
• ইশারা,
• আধুনিকতা, 
• বিনুর বই,
• জীয়ন কাঠি ইত্যাদি।  

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২০.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নিচের কোন লেখক সংঘের সাথে যুক্ত ছিলেন?   
  1. প্রগতি লেখক সংঘ
  2. ক্রান্তি লেখক সংঘ
  3. সাধনা লেখক সংঘ
  4. শিখা লেখক সংঘ
সঠিক উত্তর:
প্রগতি লেখক সংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি লেখক সংঘ
ব্যাখ্যা
⇒ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- কথাসাহিত্যিক।  
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- জন্মপঞ্জিকায় তাঁর নাম 'অধরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়'।  

- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।
- 'বঙ্গশ্রী' পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। 
- 'প্রগতি লেখক সংঘের' নির্বাচিত যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন। 
- তিনি কল্লোল পত্রিকারও নিয়মিত লেখক ছিলেন।   
⇒ ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।