পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) 400 nm থেকে 700 nm
  2. খ) 500 nm থেকে 700 nm
  3. গ) 600 nm থেকে 900 nm
  4. ঘ) 400 nm থেকে 900 nm
সঠিক উত্তর:
ক) 400 nm থেকে 700 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 400 nm থেকে 700 nm
ব্যাখ্যা

কোনো তরঙ্গের পরপর দুটি, একই দশা সম্পন্ন কণার মধ্যকার দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (Wave length) বলা হয়।
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই। 

.
আলোর প্রতিফলনের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

আলো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোন মাধ্যমে বাধা পেলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে কিছু পরিমাণ আলোক রশ্মি আগের মাধ্যমে ফিরে আসে, এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

আলোর প্রতিফলন দুইটি সূত্র মেনে চলে। যথা:
প্রথম সূত্র: আপাতন রশ্মি এবং লম্ব দিয়ে আমরা যে সমতলটি কল্পনা করে নিয়েছিলাম প্রতিফলিত রশ্মিটি সেই সমতলেই থাকবে।
দ্বিতীয় সুত্র: প্রতিফলন কোনটি হবে আপাতন কোনের সমান।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

.
কোনটি সঠিক?
  1. ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
  2. খ) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ বেশি।
  3. গ) আলোর গতিবেগ শব্দের গতিবেগের সমান।
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
ব্যাখ্যা

শূন্যস্থানে আলোর বেগ 3 × 108 মিটার./সেকেন্ড।
এটি হল আলোর সর্বোচ্চ বেগ, অর্থাৎ আলো শূন্যে সবচেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে।
বায়ুতে শব্দের গতিবেগ 332 মিটার/সেকেন্ড।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

.
এক আলোকবর্ষ কত মাইল?
  1. ক) ৫.৬৬ ট্রিলিয়ন মাইল
  2. খ) ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল
  3. গ) ৬. ৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল
  4. ঘ) ৬.৬৬ ট্রিলিয়ন মাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল
ব্যাখ্যা

আলোকবর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে মহাকাশ সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
এক আলোক বর্ষ সমান ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।

সূত্র: স্পেস.কম ওয়েবসাইট

.
কোনটি সুপরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) রাবার
  4. ঘ) সোনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
ব্যাখ্যা

যে বস্তুর মধ্য দিয়ে বিদ্যুত সহজেই প্রবাহিত হতে পারে বা চলাচল করতে পারে, তাকে সুপরিবাহী বলে। যেমন: লোহা, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।
সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান

.
আধান বা চার্জের একক কি?
  1. ক) অ্যাম্পিয়ার
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) ওহম
  4. ঘ) ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
ব্যাখ্যা

- চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
রুপার আপেক্ষিক রোধ কত?
  1. ক) 1.59 × 10-8 Ωm
  2. খ) 1.68 × 10-8 Ωm
  3. গ) 2.44 × 10-8 Ωm
  4. ঘ) 2.50 × 10-8 Ωm
সঠিক উত্তর:
ক) 1.59 × 10-8 Ωm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1.59 × 10-8 Ωm
ব্যাখ্যা

একক দৈর্ঘ্য এবং একক প্রস্থচ্ছেদ ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো একটি পরিবাহী তার প্রস্থচ্ছেদের অভিলম্বভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহে যে পরিমাণ বাধা প্রদান করে তাকে তার আপেক্ষিক রোধ বলে।
আপেক্ষিক রোধের একক ও'ম মিটার ( Ω-m)।

রুপার আপেক্ষিক রোধ 1.59 × 10-8 Ωm

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

.
আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) অ্যামিটার
  2. খ) ভোল্টামিটার
  3. গ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তু তড়িৎগ্রস্থ কিনা তা যাচাই করা যায় এবং তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
অ্যামিটার হলো একটি যন্ত্র যার সহায়তায় বিদ্যুতের প্রবাহ সরাসরি বৈদ্যুতিক একক অ্যাম্পিয়ারে পরিমাপ করা যায়।

যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

দূরবীক্ষণ যন্ত্র তথা দূরবীন (টেলিস্কোপ) এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু দর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি দূরবর্তী বস্তু থেকে নির্গত বিকিরণ সংগ্রহ, পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

.
আলোর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত কিলোমিটার?
  1. ক) ২ লক্ষ কিলোমিটার
  2. খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
  3. গ) ৪ লক্ষ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ লক্ষ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

আলো এক প্রকার শক্তি, যা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে।
SI এককের সংজ্ঞা অনুসারে আলোর দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে ২৯৯,৭৯২,৪৫৮ মিটার ।
উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই

১০.
আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. ক) পেরিস্কোপ
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 

পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে। ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।

১১.
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে কোন পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে?
  1. ক) পটাশিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) সিলভার হ্যালাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
গ) সিলভার হ্যালাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলভার হ্যালাইড
ব্যাখ্যা

ক্যামেরা বা আলোকচিত্রগ্রাহী যন্ত্র হল আলোকচিত্র গ্রহণ ও ধারণের যন্ত্র। দৃশ্যমান স্থির বা গতিশীল ঘটনা ধরে রাখার জন্য এটি ব্যবহার হয়। ক্যামেরা চিত্র রেকর্ড করতে ব্যবহৃত একটি অপটিক্যাল যন্ত্র।
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে সিলভার হ্যালাইড এর প্রলেপের উপস্থিতি রয়েছে।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান। 

১২.
তড়িচ্চালক শক্তির একক কোনটি?
  1. ক) জুল
  2. খ) ওহম
  3. গ) এম্পিয়ার
  4. ঘ) ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোল্ট
ব্যাখ্যা

তড়িচ্চালক শক্তিঃ কোষ বা উৎসকে এক কুলম্ব পরিমান আধানকে তার নিম্ন বিভব প্রান্ত থেকে উচ্চ বিভব প্রান্তে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে হয় তাকে কোষ বা উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি বলে।
একে E দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এর একক ভোল্ট (V)। 

খোলা বর্তনীতে কোষের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্যই কোষের তড়িচ্চালক শক্তি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩.
রেডিও কার্বনের অর্ধায়ু কত বছর?
  1. ক) ৫৫৬৮ বছর
  2. খ) ৪৫৮৬ বছর
  3. গ) ৫৫৭৮ বছর
  4. ঘ) ৫৬৭৮ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬৭৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬৭৮ বছর
ব্যাখ্যা

রেডিও কার্বনের ((carbon-14) অর্ধায়ু 5700 ± 30 বছর।। 

কোনো কোনো পদার্থের স্বাভাবিক পরমাণু তেজষ্ক্রিয় না হলে এদের আইসোটোপসমূহ তেজষ্ক্রিয় পদার্থরূপে আচরণ করতে পারে। এ সকল আইসোটোপকে রেডিও আইসোটোপ বলে।
যে সময়ে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের মোট পরমাণুর ঠিক অর্ধেক পরিমাণ ভেঙ্গে যায় তাকে ঐ পদার্থের অর্ধায়ু বলে।
অর্থাৎ, যে সময় কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের 'N' সংখ্যক অণু ভেঙ্গে N/2 সংখ্যক হয়, সেই সময় হলো অর্ধায়ু।

The half-life of radiocarbon (14C) is 5700 ± 30 yr, which makes it particularly useful for dating in archaeology.

আবার,
ব্রিটানিকা অনুসারে, অর্ধায়ু 5,730 ± 40 বছর।

উৎস: U.S. Department of Health & Human Services Website and Cambridge ডিকশনারি। 

১৪.
তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা প্রদান করেন কে?
  1. ক) ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) আরহেনিয়াস
  4. ঘ) আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
গ) আরহেনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস ১৮৮১ সালে প্রথম তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা দেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন এসিড, ক্ষার বা লবণজাতীয় যৌগিক পদার্থকে তরলে দ্রবীভূত করলে সেগুলো আয়নায়িত হয়ে সম-পরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানে ভাগ হয়ে যায়।

উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।