পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই এবং লাইভ এমসিকিউ পিডিএফ লেকচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
'V-20' জোট কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. খ) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  3. গ) শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
  4. ঘ) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
- 'V-20' (Vulnerable-20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীর্ষ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি ফোরাম।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এই জোটটি গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে Vulnerable-20 জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।
(সূত্রঃ Vulnerable-20 ওয়েবসাইট)
.
টেকসই উন্নয়ন অভিষ্টের লক্ষ্যমাত্রা কতটি?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।
এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
(সূত্রঃ SDG ওয়েবসাইট)
.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়?
  1. ক) খনিজ তেল
  2. খ) সৌরতাপ
  3. গ) জলবিদ্যুৎ
  4. ঘ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
.
‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ অভিহিত করা হয় কাকে?
  1. ক) আর্নেস্ট হেকেল
  2. খ) নোরম্যান বোরলগ
  3. গ) সুভনটে আরহেনিয়াস
  4. ঘ) লেস্টার ব্রাউন
ব্যাখ্যা
- মার্কিন কৃষিবিদ অধ্যাপক নরম্যান আর্নেস্ট বোরলগকে ‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ বলা হয়।
- তিনি ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিংশ শতাব্দীতে নরম্যান বোরলগ কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গমের ব্যাপক ফলনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়।
অন্যদিকে,
- লেস্টার ব্রাউন ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন।
- আর্নেস্ট হেকেল ‘ইকোলজি’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- সুভনটে আরহেনিয়াস গ্রিনহাউজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ২১০০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি কত ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার কথা বলা হয়?
  1. ক) ১.২ ডিগ্রি
  2. খ) ২ ডিগ্রি
  3. গ) ২.৫ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৪ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হওয়া ‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’তে প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় ২১০০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
- এজন্যে উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্যে দায়ী কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়।
(সূত্রঃ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি)
.
জার্মানওয়াচ প্রকাশিত Global Climate Risk Index-2020 রিপোর্টে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) পুয়ের্টোরিকো
  4. ঘ) নাউরু
ব্যাখ্যা
- জার্মানিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জার্মানওয়াচ ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সালের ডাটা পর্যালোচনা করে Global Climate Risk Index-2020 প্রকাশ করে৷
- এই রিপোর্টে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশসমূহের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
রিপোর্ট অনুসারে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহ:
- প্রথম : পুয়ের্টোরিকো
- দ্বিতীয় : মিয়ানমার
- তৃতীয় : হাইতি
- চতুর্থ : ফিলিপাইন
- পঞ্চম : পাকিস্তান
- ষষ্ঠ : ভিয়েতনাম
- সপ্তম : বাংলাদেশ।
(সূত্রঃ Global Climate Risk Index-2020)
.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কত সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার টার্গেট স্থির করেছে?
  1. ক) ২০৩০ সাল
  2. খ) ২০৪১ সাল
  3. গ) ২০৫০ সাল
  4. ঘ) ২১০০ সাল
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের প্রেক্ষিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কার্বন প্রভাবমুক্ত ইউরোপ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ’ গ্রহণ করেছে।
- এর অংশ হিসেবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২০৫০ সালের মধ্যে তার অঞ্চলে ১৯৯০ সালের তুলনায় কার্বন নিঃসরণ বৃদ্ধি শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করেছে।
- ২০৩০ সালের অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
(সূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)