পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক এপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কম্পিউটার অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস [ক্লাস ৭ ও ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
যে সকল হার্ডওয়ার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদেরকে কী বলে?
  1. টুলস
  2. পেরিফেরালস
  3. এক্সেসরিস
  4. অটোমোবাইলস
সঠিক উত্তর:
পেরিফেরালস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিফেরালস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- যে সকল হার্ডওয়ার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যাবলীকে সুষ্ঠভাবে সম্পাদন করতে সাহায্য করে ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাকে কম্পিউটার পেরিফেরাল বলে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।

- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে তথ্য গ্রহণকারী হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্যবহারকারীর কাছ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণকারী ডিভাইসসমূহকে কী বলে?
  1. ইনপুট পেরিফেরাল
  2. কালেক্টর পেরিফেরাল
  3. আউটপুট পেরিফেরাল
  4. রিসিভ পেরিফেরাল
সঠিক উত্তর:
ইনপুট পেরিফেরাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট পেরিফেরাল
ব্যাখ্যা
ইনপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়। 

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো:
কি-বোর্ড (Keyboard)
ওএমআর (OMR)
মাউস (Mouse)
ওসিআর (OCR)
ট্যাকবল (Trackball)
স্ক্যানার (Scanner)
জয়স্টিক (Joystick)
ডিজিটাইজার (Digitizer)
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
লাইটপেন (Lightpen)
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)
পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম
  2. সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম
  3. সিস্টেম অপ্টিমাইজিং প্রােগ্রাম
  4. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম অপ্টিমাইজিং প্রােগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম অপ্টিমাইজিং প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি
রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটার সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া। কয়েকটি প্রোগ্রামকে সাধারণকরণের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, central processor, communications links peripheral devices-এর সুষ্ঠ ব্যবস্থা সিস্টেম সফটওয়্যার নিশ্চিত করে।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ। 
Operating system, Compiler, Utilities - এই তিনটিই সিস্টেম সফটওয়্যার।
 
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
   - অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় পেরিফেরাল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্যাকবল
  2. লাইটপেন
  3. ইমেজ সেটার
  4. পেনড্রাইভ
সঠিক উত্তর:
পেনড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হচ্ছে:
হার্ডডিস্ক
সিডি বা ডিভিডি
পেনড্রাইভ
টাচ স্ক্রিন

ইনপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়। 
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো:
কি-বোর্ড (Keyboard)
ওএমআর (OMR)
মাউস (Mouse)
ওসিআর (OCR)
ট্যাকবল (Trackball)
স্ক্যানার (Scanner)
জয়স্টিক (Joystick)
ডিজিটাইজার (Digitizer)
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
লাইটপেন (Lightpen)
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)
পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)

আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেরাল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট পেরিফেরালমূহ নিম্নরূপ-
মনিটর (Monitor)
প্রিন্টার (Printer)
প্লটার (Ploter)
স্পিকার (Speaker)
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
ইমেজ সেটার (Image Setter)
ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
হেডফোন (Headphone)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইউজার এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মাঝে ইন্টারফেস তৈরি করে কে?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. সি পি উ
  3. মাদারবোর্ড
  4. মিডিয়া সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার এর বিশেষ কাজ:
- সিস্টেম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- কম্পিউটারের সাধারণ কার্যকারিতা প্রদান করা।
- Operating system হলো সব থেকে জরুরি system software, যেটাকে সবচেয়ে প্রথমেই কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। একটি Operating system ছাড়া আপনার কম্পিউটার কোনো ভাবেই অন্যান্য কাজ করতে পারবেনা।
- Language processing এর ক্ষেত্রে system software এর প্রয়োজন। আমরা সাধারণ English ভাষাতে দেওয়া নির্দেশাবলী গুলোকে, মেশিনের বুঝতে পারা ভাষাতে রূপান্তর করে।
- User application software এবং hardware এর মাঝে ইন্টারফেস (interface) বা মধ্যবর্তী হিসেবে কাজ করা।
.
নিচের কোনটি টাইপিং কী নয়?
  1. Enter Key
  2. 0
  3. Space bar
  4. Delete
সঠিক উত্তর:
Delete
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delete
ব্যাখ্যা
কীবোর্ড:
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কী গুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে। 
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কী গুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে।

ফাংশন কী:
কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত। তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।

টাইপিং কী:
বর্ণমালা গাণিতিক অংক এবং অন্যান্য চিহ্নসমূহ লেখার জন্য ব্যবহৃত কীগুলোকে টাইপিং কী বলে।
- কীবোর্ডে আলফাবেট (a - z), নম্বর (0 - 9), বিরাম চিহ্ন এবং বিভিন্ন রকম symbol দিয়ে সাজানো কী।
Enter Key
Tab Key
Space bar
Caps Lock

কন্ট্রোল কী: 
Ctrl, Alt, Esc, Windos Logo কী সমূহ কন্ট্রোল কী নামে পরিচিত

নেভিগেশন কী:
কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, support.microsoft.com.
.
'অভ্র ফোনেটিক' উদ্ভাবনে কোন ল্যাবের সদস্যরা কাজ করেছেন?
  1. ওমিক্রন ল্যাব
  2. বেল ল্যাবরেটরি
  3. মাইক্রোসাইন্স ল্যাব
  4. কী-বোর্ড ল্যাব
সঠিক উত্তর:
ওমিক্রন ল্যাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমিক্রন ল্যাব
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে বাংলা কী-বোর্ড:
- বাংলা কি-বোর্ডর ধারণাটা প্রথম প্রয়োগ করেন শহিদ মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে, তার 'মুনীর' কী-বোর্ডর মাধ্যমে। এটি ছিল টাইপ রাইটারের জন্য তৈরি করা একটি QWERTY কী-বোর্ড লেআউট। 

- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ড. সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারের ওপর গবেষণা শুরু হয়। এরপর চলমান গবেষণাগুলোর মধ্যে সাইফ উদ দোহা শহীদ সর্বপ্রথম বাংলা সফটওয়্যার আবিষ্কার করতে সক্ষম হোন। প্রথমে মুনীর লেআউট ও পরে QWERTY লেআউট ব্যবহার করে ২৫ জানুয়ারি সহকর্মীদের সহায়তায় বানিয়ে ফেলেন দুই বছরের পরিশ্রমের ফসল বাংলা লেখার সর্বপ্রথম সফটওয়্যার 'শহিদলিপি'। 

- ১৯৮৬ সালে মাইনুল ইসলাম তৈরি করেন 'মাইনুললিপি' নামক একটি বাংলা ফন্ট এর সুবিধা ছিল কোন ড্রাইভার কিংবা সফটওয়্যারের সাহায্য ছাড়াই এ ফন্ট দিয়ে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে খুব সহজেই বাংলা লেখা যেত। এরপর যুক্তাক্ষর সমস্যা সমাধানের জন্য মাইনুল ইসলাম চার স্তরবিশিষ্ট কী-বোর্ড ব্যবহার করেন।

- সাংবাদিকতায় জড়িত মোস্তাফা জব্বার কোন এক বিদেশির পরামর্শে একটি ইংরেজি ফন্টের অনুকরণে তৈরি করে ফেলেন বাংলা ফন্ট তন্বী সুনন্দা।
• ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার দেবেন্দ্র যোশী তাকে বানিয়ে দেন বাংলা লেখার জন্য একটি সফটওয়‍্যার।
 • ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে মোস্তাফা জব্বার ও গোলাম ফারুক আহমদ উন্মোচন করেন দেড় বছরের ফসল বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'বিজয়'। বাংলা সফটওয়্যার প্রবেশ করে উন্নত যুগে।
• ১৯৯৩ সালে সেইফ ওয়ার্কশ 'বর্ণ'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ 'বর্ণনা' তৈরি করে যার মূল আকর্ষণ ছিল, পাশাপাশি এটি বাংলা বানানের ভুল ধরিয়ে দিতে পারত।
• একই সালে বাংলাদেশ সরকার বাজারে আনে বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'জাতীয়'। তবে 'জাতীয়' খুব বেশি জনপ্রিয় হয়নি। 
•  মোস্তাফা জব্বার পরবর্তীতে নিয়ে আসেন 'বিজয়'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ।


- ২০০৬ সাল, নবজাগরণ যুগের শুরু। এ সালে ঘটে বাংলা কম্পিউটিং শিল্পে এক নতুন বিপ্লব। মেহেদী হাসান, রিফাত-উন-নবী আর ওমিক্রন ল্যাবের সদস্যরা পরিশ্রম করে তৈরি করেন বাংলা লেখার নতুন পদ্ধতি-অভ্র ফোনেটিক। এর মাধ্যমে ইংরেজি কী-বোর্ড ব্যবহার করেই খুব সহজেই বাংলা লেখা যায়। যেমন-কেউ ইংরেজিতে ami banglay gan gai লিখলে সেটা হয়ে যাবে-আমি বাংলায় গান গাই। 
মেহেদী হাসানের এ যুগান্তকারী আবিষ্কার বাংলার জগতে নিয়ে এলো নতুন এক বিপ্লব। দিনের পর দিন মেহেদী হাসান তার এ সফটওয়্যারে নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত করেন।
♦ কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজারে বাংলা লেখাগুলো খুব ছোট দেখা যেত, যার কারণ উইন্ডোজের বৃন্দা (Vrinda) ফন্ট। ওমিক্রন ল্যাবের তানবীর ইসলাম সিয়াম সেজন্য বানান সিয়ামরূপালী (Siyamrupali) নামক ফন্ট, যা এ সমস্যার সমাধান করে।
♦ SutonnyMJ ফন্টের বিকল্প হিসাবে বানানো হয় কালপুরুষ (Kalpurush)। 
• মেহেদী হাসান তার এ মূল্যবান আবিষ্কারকে সবার কথা ভেবে বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তার মতে, ভাষা হওয়া উচিত সবার কাছে উন্মুক্ত।

উৎস: www.jugantor.com.
.
মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার নিচের কোনটি?
  1. MS Word
  2. MS Access
  3. MS PowerPoint
  4. MS Excel
সঠিক উত্তর:
MS PowerPoint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS PowerPoint
ব্যাখ্যা
• মাল্টিমিডিয়া হচ্ছে একটি যোগাযোগ এর মাধ্যম। যেখানে বিভিন্ন প্রকার বিষয় বস্তু গুলো যেমন- টেক্সট, অডিও, ইমেজ, অ্যানিমেশন কিংবা ভিডিও ইত্যাদি গুলোকে একত্রিত করে বা একসাথে করে একক ইন্টারেক্টিভ প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়।

পাওয়ারপয়েন্ট হচ্ছে এমন একটি প্রফেশনাল প্যাকেজ সফটওয়্যার যা আপনাকে যে কোন রকমের প্রফেশনাল মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে সাহায্য করবে।

পাওয়ারপয়েন্ট এর সুবিধাগুলো হলো-
১) পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন আপনি বিভিন্ন মাধ্যম যেমন কোন কম্পিউটার স্ক্রিন, এলসিডি প্রোজেক্টর ইত্যাদিতে প্রদর্শন করতে পারবেন।
২) পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন প্রিন্ট করে কাজে লাগাতে পারবেন।
৩) পাওয়ারপয়েন্টে তৈরি প্রেজেন্টেশন এর সংশোধন বা আপডেট করতে পারবেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
বারকোডের ব্লকগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• বারকোড: 
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- একটি বারকোডে সর্বমোট ৯৫টি ব্লক থাকে।
৯৫ টি ব্লককে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. লেফট গার্ড
২. সেন্টার গার্ড
৩. রাইট গার্ড
৯৫টি ব্লকের মধ্যে ১২টি ব্লকে বারকোড লিখা হয়।

- তথ্যগুলো বারকোডের প্রতিটি সাদাকালো বার এবং এদের মধ্যকার ফাঁকা জায়গার মধ্যে এনকোড করে রাখা হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা দ্রব্যের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে। 
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।


উৎস: Live MCQ Lecture- 08.
১০.
নিচের কোনটি এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়?
  1. Windows NT
  2. MS Excel
  3. Photoshop
  4. Paint
সঠিক উত্তর:
Windows NT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Windows NT
ব্যাখ্যা
• Windows NT এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ- MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোনটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাটের এক্সটেনশন?
  1. .avi
  2. .wav
  3. .xlsx
  4. .pptx
সঠিক উত্তর:
.avi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.avi
ব্যাখ্যা
কিছু কম্পিউটার ফাইল ও তাদের এক্সটেনশন:
Image ⇒ jpg, jpeg, jif, png
Document ⇒ doc, pdf, docx, html-hyper link markup language html Text
Spread Sheet ⇒ xls, xlsx
Audio ⇒ mp3, aac, wav
Video ⇒ mp4, avi, mov, mpeg, flv
Power point ⇒ ppt, pptx

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।