পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ২০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
5, 8, 2, 3 অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে 5000 এর চেয়ে বড় কতগুলো সংখ্যা তৈরি করা যায়?
  1. 10 টি
  2. 12 টি
  3. 14 টি
  4. 16 টি
সঠিক উত্তর:
12 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5, 8, 2, 3 অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে 5000 এর চেয়ে বড় কতগুলো সংখ্যা তৈরি করা যায়?

সমাধান:
মোট বিন্যাস সংখ্যা = 4! = 24
সংখ্যাটি 5000 থেকে বড় হতে হলে প্রথম ঘরে অবশ্যই 5 অথবা 8 থাকতে হবে।

আমরা জানি,
একটি উপাদানের মোট বিন্যাস সংখ্যা = মোট বিন্যাস/উপাধান সংখ্যা
= 24/4
= 6

∴ 2 টি উপাদানের জন্য বিন্যাস সংখ্যা = 2 × 6 = 12 টি
.
A = {x ∈ N : 1 < x < 10} এবং B = {x ∈ N : x, 3 এর গুণিতক এবং x ≤ 16}, হলে A∩B = কত?
  1. {3, 4, 9}
  2. {3, 8, 9}
  3. {2, 6, 9}
  4. {3, 6, 9}
সঠিক উত্তর:
{3, 6, 9}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{3, 6, 9}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : 1 < x < 10} এবং B = {x ∈ N : x, 3 এর গুণিতক এবং x ≤ 16}, হলে A∩B = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, A= {x ∈ N  :1 < x < 10}
= {2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
এবং B = {x ∈ N : x, 3 এর গুণিতক এবং x ≤ 16}
= {3, 6, 9,12, 15} 
A∩B = {2, 3, 4, 5, 6 ,7, 8, 9} ∩ {3, 6, 9, 12, 15}
= {3, 6, 9}

∴ নির্ণেয় সেট = {3, 6, 9}
.
একটিকে ছক্কাকে একবার নিক্ষেপ করা হলে, 2 থেকে বড় সংখ্যা না পাবার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/2
  2. 4/3
  3. 1/3
  4. 2/3
সঠিক উত্তর:
1/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটিকে ছক্কাকে একবার নিক্ষেপ করা হলে, 2 থেকে বড় সংখ্যা না পাবার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছক্কায় মোট সংখ্যা আছে = 6টি
ছক্কায় 2 থেকে বড় সংখ্যাগুলো হলো = (3, 4, 5, 6)
 = 4টি
∴ 2 থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা = 4/6
= 2/3

∴ 2 থেকে বড় সংখ্যা না পাওয়ার সম্ভাবনা = {1 - (2/3)}
= 1/3
.
10 জন বালক ও 8 জন বালিকা থেকে 2 জন বালক ও 2 জন বালিকা কত উপায়ে বেছে নেয়া যাবে?
  1. 1160 উপায়ে
  2. 1260 উপায়ে
  3. 1440 উপায়ে
  4. 1480 উপায়ে
সঠিক উত্তর:
1260 উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1260 উপায়ে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10 জন বালক ও 8 জন বালিকা থেকে 2 জন বালক ও 2 জন বালিকা কত উপায়ে বেছে নেয়া যাবে?

সমাধান:
10 জন বালক হতে প্রতিবার 2 জন বালক বেছে নেয়া যায় = 10C2 উপায়ে
= (10 × 9)/2 = 45 উপায়ে

আবার,
8 জন বালিকা হতে প্রতিবার 2 জন বালিকা বেছে নেয়া যায় = 8C2 উপায়ে
= (8 × 7)/2 = 28 উপায়ে

সুতরাং, মোট বেছে নেয়া যায় = (45 × 28) উপায়ে
= 1260 উপায়ে
.
7, 8, 9, 7, 6, 5, 8, 7 উপাত্তসমূহের মধ্যক কত?
  1. 7
  2. 9
  3. 8
  4. 6
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 7, 8, 9, 7, 6, 5, 8, 7 উপাত্তসমূহের মধ্যক কত?

সমাধান:
উপাত্তগুলো সাজিয়ে পাই: 5, 6, 7, 7, 7, 8, 8, 9
উপাত্তের সংখ্যা 8টি। যা জোড় সংখ্যা।

∴ মধ্যক = {(8/2) তম পদ + (8/2 + 1) তম পদ}/2
= (4 তম পদ + 5 তম পদ)/2
= (7 + 7)/2
= 14/2
= 7
.
CALCUTTA শব্দটির বর্ণগুলোকে একত্রে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা AMERICA শব্দটির বর্ণগুলো একত্রে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যার কতগুণ?
  1. 2 গুণ
  2. 3 গুণ
  3. 4 গুণ
  4. 6 গুণ
সঠিক উত্তর:
2 গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: CALCUTTA শব্দটির বর্ণগুলোকে একত্রে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা AMERICA শব্দটির বর্ণগুলো একত্রে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যার কতগুণ?

সমাধান:
CALCUTTA শব্দটিতে মোট অক্ষর 8 টি, যার মধ্যে 2টি C, 2টি A ও 2টি T।
সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা
= 8!/(2!2!2!)
= 5040

AMERICA শব্দটির মোট অক্ষর 7 টি, যার মধ্যে 2টি A।
সুতরাং মোট বিন্যাস সংখ্যা
= 7!/2!
= 2520

∴ প্রথম শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা
= দ্বিতীয়টির বিন্যাস সংখ্যার (5040/2520) গুণ
= 2 গুণ
.
সার্বিক সেট U = {a, b, c, d, e, f}, P = {a, c, e}, Q = {c, e, f} হলে, P‘ ∩ Q‘ এর মান কত?
  1. {a, d}
  2. {b, e}
  3. {d, f}
  4. {b, d}
সঠিক উত্তর:
{b, d}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{b, d}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সার্বিক সেট U = {a, b, c, d, e, f}, P = {a, c, e}, Q = {c, e, f} হলে, P‘ ∩ Q‘ এর মান কত?

সমাধান:
এখানে,
P‘ = U - P
= {a, b, c, d, e, f} - {a, c, e}
= {b, d, f}
আবার, Q‘ = U - Q
= {a, b, c, d, e, f} - {c, e, f}
= {a, b, d}
∴ P‘ ∩ Q‘ = {b, d, f} ∩ {a, b, d}
= {b, d}
.
52 টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে একটি তাস তোলা হলো। তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 2/13
  2. 1/26
  3. 1/13
  4. 1/52
সঠিক উত্তর:
1/13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/13
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 52 টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে একটি তাস তোলা হলো। তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
52 টি তাসের মধ্যে টেক্কা থাকে = 4 টি

∴ তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাব্যতা= 4/52
= 1/13
.
একটি বোর্ড মিটিং-এ 7 জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মিটিং এর শুরুতে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে হ্যান্ডশেক করলেন। মোট হ্যান্ডশেকের সংখ্যা কত?
  1. 15
  2. 16
  3. 19
  4. 21
সঠিক উত্তর:
21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বোর্ড মিটিং-এ 7 জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মিটিং এর শুরুতে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে হ্যান্ডশেক করলেন। মোট হ্যান্ডশেকের সংখ্যা কত?

সমাধান:
লোক সংখ্যা, n = 7 জন
∴ হ্যান্ডশেকের সংখ্যা = nC2
= 7C2 
= 7!/{2!(7 - 2)!}
= 7!/(2! · 5!)
= (7 · 6 · 5!)/(2 · 5!)
= 21
১০.
একটি বাক্সে লাল বল 14 টি, সাদা বল 16 টি এবং কালো বল 24 টি। বাক্সে থেকে দৈব্য ভাবে একটি বল নেওয়া হলে বলটি কালো হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 2/9
  2. 4/9
  3. 6/27
  4. 3/4
সঠিক উত্তর:
4/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4/9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাক্সে লাল বল 14 টি, সাদা বল 16 টি এবং কালো বল 24 টি। বাক্সে থেকে দৈব্য ভাবে একটি বল নেওয়া হলে বলটি কালো হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
কালো বল = 24 টি
মোট বল = 14 + 16 + 24 
= 54 টি

∴ বলটি কালো হওয়ার সম্ভাবনা = 24/54
= 4/9
১১.
'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ', কাজী নজরুল ইসলাম রচিত এই কালজয়ী গান কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
 বিদ্রোহী নজরুল, সাম্যবাদী নজরুল
-বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে (জ্যৈষ্ঠ ১১, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’।
- পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

- ১৯১৭ সালে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯২৬ সালে তিনি প্রথমবারের মত ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪২ সালে পিকস্ ডিজিজে অসুস্থ হয়ে দীর্ঘ ৩৪ বছর তিনি অসহনীয় নির্বাক জীবন কাটিয়েছেন। 

- ১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন।
- কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। 

- একটি অগ্রন্থিত গানে তিনি ইচ্ছা প্রকাশ করেন, 
'মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই, 
যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।’

- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) মৃত্যুবরণ করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। 
- মৃত্যুর পর কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
- কবিকে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

♦♦ সাহিত্যকর্ম
- ১৯২২ সালে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির মধ্য দিয়ে সাড়া ফেলেন। 
- নজরুল ইসলাম তাঁর ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেন তাঁর রবীন্দ্রনাথকে।

'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ'
- ঈদুল ফিতর নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৩১ সালে রচনা করেন এই কালজয়ী গান।
- এই গানে ঈদের আনন্দ, সৌন্দর্য এবং আধ্যাত্মিক দিক তুলে ধরা হয়েছে। 
- গানটি প্রথম আব্বাসউদ্দীনের কণ্ঠে রেকর্ড করা হয়।
- ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে গানটি প্রকাশ করা হয়।

- নজরুলের প্রেম ও প্রকৃতির কবিতার প্রথম সংকলন দোলন-চাঁপা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের অক্টোবরে।
- এতে সংকলিত দীর্ঘ কবিতা ‘পূজারিণী’-তে নজরুলের রোমান্টিক প্রেম-চেতনার বহুমাত্রিক স্বরূপ  প্রকাশিত হয়েছে।  
- সাম্যবাদী কাব্যের  ১১ টি কবিতার সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।

- অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯২০ সালের ১২ জুলাই এ.কে ফজলুল হকের (শেরে-বাংলা) সম্পাদনায় সান্ধ্য দৈনিক নবযুগ প্রকাশিত হয়। 
- 'নবযুগ' এর মাধ্যমেই নজরুলের সাংবাদিক জীবনের সূত্রপাত ঘটে। 
- তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা - ধূমকেতু, লাঙ্গল।  

♦ প্রথম সবকিছু
-  প্রথম প্রকাশিত সাহিত্য বা প্রথম প্রকাশিত গল্প - বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী (সওগাত, মে ১৯১৯)।
- প্রথম প্রকাশিত কবিতা - ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)।
- প্রথম প্রকাশিত কাব্য - অগ্নিবীণা।

- প্রথম যে বইটি নিষিদ্ধ হয় - ‘যুগবাণী’। ১৯২২ সালে। 
- প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ - ব্যাথার দান।
- প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস - বাঁধন হারা (পত্রোপন্যাস)।
- প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ - তুর্কি মহিলার ঘোমটা খোলা।
- প্রথম প্রকাশিত নাট্যগ্রন্থ - ঝিলিমিলি।

♦ অগ্নিবীণা 
- প্রথম প্রকাশিত কাব্য।
- এই গ্রন্থে মোট ১২টি কবিতা আছে।
- প্রথম কবিতা - প্রলয়োল্লাস।
- 'বিদ্রোহী' এই কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা।
- এটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ-কে উৎসর্গ করে লেখা। 
- প্রকাশকাল - ২৫শে অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ।

♦ বিদ্রোহী নজরুল 
- নজরুলের 'সন্ধ্যা' কাব্যের 'চল চল চল' কবিতার প্রথম ২১ চরণ বাংলাদেশের রণসংগীত হিসাবে গৃহীত।
-  ধূমকেতু পত্রিকায় তাঁর প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হলে পত্রিকার ওই সংখ্যাটি (৮ নভেম্বর ১৯২২) নিষিদ্ধ করা হয়।
 - ২২ জানুয়ারি ১৯২৩, নজরুল যখন হুগলির আলীপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বসন্ত' গীতিনাট্য তাঁকে উৎসর্গ করেন।
- এ ঘটনায় উল্লসিত নজরুল জেলখানায় বসে তাঁর অনুপম কবিতা ‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ রচনা করেন।
- ১৯২৩ সালে জেলে বসেই নজরুল রচনা করেন ‘এই শিকল-পরা ছল মোদের এ শিকল-পরা ছল’।
- সর্বহারা গ্রন্থের 'কাণ্ডারি হুশিয়ার' কবিতায় তিনি অসাম্প্রদায়িক সংগ্রামের আহ্বান করেছেন। 

- ১৯২২ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামের ৫টি বই বাজেয়াপ্ত করা হয়। 
- প্রথম গ্রন্থ হিসাবে যুগবাণী প্রবন্ধ বাজেয়াপ্ত হয় - ২৩ নভেম্বর ১৯২২।
- বিষের বাঁশী এবং ভাঙ্গার গান যথাক্রমে ২য় এবং ৩য়। (১৯২৪ সাল)।
- প্রলয়–শিখা এবং চন্দ্রবিন্দু ৪র্থ এবং ৫ম গ্রন্থ হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেয়াপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
২. প্রথম আলো,
৩. ডেইলি স্টার বাংলা,
৪. আনন্দবাজার, 
৫. বাংলাপিডিয়া,
৬. কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকথা, মুজাফফর আহমদ।
১২.
জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' বলে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
জীবনানন্দ দাশ 
- বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর মাতা কুসুমকুমারী দাশ রচিত সুপরিচিত কবিতা আদর্শ ছেলে (আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে/কথায় না বড় হয়ে কাজে বড়ো হবে) আজও শিশুশ্রেণির পাঠ্য৷ 

- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' আখ্যায় আখ্যায়িত করেন।
- বুদ্ধদেব বসু তাঁকে ‘নির্জনতম কবি’ ও অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে ‘শুদ্ধতম কবি’ অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। 
- জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৫ সালে কলকাতায় এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হন, পরে ২২ অক্টোবর মারা যান।

- তিনি ‘ব্রহ্মবাদী’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম কাব্য-সংকলন ঝরা পালক।

কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক ,
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহা পৃথিবী,
- বেলা অবেলা কালবেলা,
- রূপসী বাংলা (এটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়)।

তথ্যসূত্র - ১. প্রথম আলো,
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,
৩. বাংলাপিডিয়া।
১৩.
কোন বাঙালি মুসলমান কবি প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন?
  1. কাজেম আল কোরেশী
  2. মীর মোশাররফ হোসেন
  3. আলাওল
  4. আব্দুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
কাজেম আল কোরেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজেম আল কোরেশী
ব্যাখ্যা
কায়কোবাদ
- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী।
- 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।
- তিনি ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- কুসুমকানন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'আলো ও ছায়া' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা -
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. কামিনী রায়
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. কুসুম কুমারী দাশ
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
ব্যাখ্যা
কামিনী রায়
- কামিনী রায় কবি ও সমাজকর্মী।
- ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর তাঁর জন্ম।
- ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'আলো ও ছায়া' প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধৰ্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাটক)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
রূঢ়ি শব্দ নয় কোনটি?
  1. গবেষণা
  2. তৈল
  3. গায়ক
  4. প্রবীণ
সঠিক উত্তর:
গায়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গায়ক
ব্যাখ্যা
• ‘গায়ক’ যৌগিক শব্দের উদাহরণ।

------------------------
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:

যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
• হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।

• গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।

• বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।

• তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন - বাদাম তেল।

• প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
নিচের কোনটি সংস্কৃত ধাতু?
  1. কর্
  2. কহ্
  3. কথ্
  4. কাট্
সঠিক উত্তর:
কথ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথ্
ব্যাখ্যা
• ‘কথ্’ সংস্কৃত ধাতুর উদাহরণ।

--------------------------
• মৌলিক ধাতু:

যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা-
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন: কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্, কহ্, কর্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু:
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

• বিদেশি ধাতু:
তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু।
যেমন: আঁট, খাট্, চেঁচ্, জম্, ঝুল্, টান্, টুট্, ডর্, ফির্, চাহ্, ঠেল্।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
সংস্কৃত ‘তৃচ্’-প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. কর্তব্য
  2. মাতা
  3. রতি
  4. উক্তি
সঠিক উত্তর:
মাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতা
ব্যাখ্যা
• তৃচ্-প্রত্যয় ( ‘চ’ লোপ পেয়ে ‘তৃ’ অবশিষ্ট থাকে): প্রথমা একবচনে ‘তৃ’ স্থলে ‘তা’ হয়।
যেমন:
- √দা + তৃচ্ = √দা + তা = দাতা;
- √ক্রী + তৃচ্ = ক্রেতা;
- √মা + তৃচ্ = মাতা।

অন্যদিকে,
• ক্তি - প্রত্যয় যোগ করলে কোন কোন ধাতুর অন্ত ব্যঞ্জনের লোপ হয়। ‘ক্তি’ সংযুক্ত শব্দের শেষে যদি ‘চ/জ’ থাকে তা ‘ক’ হয়ে যায়।
- √মন্‌ + ক্তি = মতি;
- √রম্‌ + ক্তি = রতি;
- √বচ্ + ক্তি = উক্তি;
- √মুচ্ + ক্তি = মুক্তি।

• তব্য ও অনীয় প্রত্যয়:
যেমন:
- √কৃ + তব্য = কর্তব্য;
- √দা + তব্য = দাতব্য;
- √পঠ্ + তব্য = পঠিতব্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
‘আমি ঐ কাজ করেছিলাম।’- বাক্যটি ক্রিয়ার কোন কাল নির্দেশ করে?
  1. সাধারণ অতীত কাল
  2. ঘটমান অতীত কাল
  3. পুরাঘটিত অতীত কাল
  4. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত কাল
ব্যাখ্যা
• অতীত কাল:
যে ক্রিয়া পুর্বে ঘটে গেছে, তাকে অতীত কাল বলে। অতীত কালের চারটি রূপ। যথা:

১. সাধারণ অতীত কাল: যে ক্রিয়া সাধারণভাবে অতীত অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত।
যেমন:
- বিড়াল ইঁদুরটিকে ধরল।
- পুলিশ সন্ত্রাসী ছেলেটিকে মেরে ফেলল।

২. ঘটমান অতীত কাল: অতীতে কোনো কাজ চলছিল এবং তখনও কাজটি শেষ হয়নি; এরূপ অর্থে ঘটমান অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- কাল সন্ধ্যায় আমরা টেলিভিশনে খেলা দেখছিলাম।

৩. পুরাঘটিত অতীত কাল: যে ক্রিয়া অতীতে ঘটেছে এবং এর প্রভাবও শেষ হয়ে গেছে। তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- দায়িত্বটি আমি পালন করেছিলাম।
- প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের বাড়ি গিয়েছিলেন।
- আমি ঐ কাজ করেছিলাম।
[বাক্যে কাজ গুলো অতীতে হয়ে গিয়েছে এবং এর রেশ এবং প্রভাবও শেষ হয়ে গিয়েছে]

৪. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল: অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
নিচের কোনটি ফরাসি শব্দ?
  1. সিল্ক
  2. কার্নিশ
  3. সনেট
  4. ম্যাজেন্টা
সঠিক উত্তর:
কার্নিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্নিশ
ব্যাখ্যা
• ফরাসি শব্দ:
কার্নিশ, টারবাইন, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ইংরেজি শব্দ:
অ্যাপ্রন, ইউরো, কেটলি, সিল্ক ইত্যাদি।

• ইতালিয়ান শব্দ:
ওলকপি, ডিসকাউন্ট, ম্যাজেন্টা, সনেট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২০.
সংস্কৃত ‘কথ্’ ধাতুযোগে সাধিত পদ কোনটি?
  1. কথিত
  2. অঙ্কিত
  3. কর্তিত
  4. কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
কথিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথিত
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ‘কথ্’ ধাতুযোগে সাধিত পদ- কথিত।

--------------------------------
• সংস্কৃত মূল ধাতু:
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত ধাতু - সাধিত পদ:
কৃ - কুত, কর্তব্য।
কৃৎ - কর্তন, কর্তিত।
কথ্ - কথ্য, কথিত।
অঙ্ক্ - অঙ্কন, অঙ্কিত।
ক্রী - ক্রয়, ক্রীত।
কিন্ - কেনা, কেনাকাটা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
  1. দোয়াত
  2. বোতাম
  3. গালিচা
  4. কাচারি
সঠিক উত্তর:
বোতাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোতাম
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ:
আনারস, কামরা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, তোয়ালে, পাউরুটি, পাদ্রি, পেয়ারা, বালতি, বোতল, বোতাম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোয়াত' আরবি ভাষার শব্দ।
- 'গালিচা' ফারসি ভাষার শব্দ।
- 'কাচারি' হিন্দি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২২.
‘করণীয়’ শব্দটি কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত?
  1. বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়
  2. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. বিদেশি কৃৎ-প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
১.কৃৎ প্রত্যয় এবং
২.তদ্ধিত প্রত্যয়।

• কৃৎ প্রত্যয়:
ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়। যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য।
বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা: বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

• বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
বাংলার নিজস্ব অনেক ধাতু রয়েছে যেগুলো সংস্কৃত নয়। এসব ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- √কাঁদ্ + অন = কাঁদন;
- √নাচ্ + অন = নাচন;
- √দুল্ + অনা = দোলনা;
- √খেল্ + অনা = খেলনা।

• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়:
ধাতুর সঙ্গে যেসব সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বলা হয় সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
যেমন:
- √নৈ + অক = নায়ক;
- √গৈ + অক = গায়ক;
- √কৃ + অনীয় = করণীয়;
- √রক্ষ + অনীয় = রক্ষণীয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
‘ছন্দা গান গাইছে।’- বাক্যটি কোন কালের দৃষ্টান্ত?
  1. সাধারণ বর্তমান
  2. পুরাঘটিত বর্তমান
  3. ঘটমান বর্তমান
  4.  বর্তমান অনুজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
ঘটমান বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটমান বর্তমান
ব্যাখ্যা
বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া দ্বারা বর্তমানের কোনো কাজ করা, অভ্যাস বা চিরসত্য বোঝায় তাকে বর্তমান কাল বলে। বর্তমান কালের চারটি রূপ। যথা:
১. সাধারণ বর্তমান,
২. ঘটমান বর্তমান,
৩. পুরাঘটিত বর্তমান,
৪. বর্তমান অনুজ্ঞা।

• সাধারণ বর্তমান: যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- তৃণা স্কুলে যায়।
- বর্ণ বই পড়ে।

• ঘটমান বর্তমান: যে ক্রিয়ার কাল শেষ হয়নি, এখন চলছে এরূপ অর্থ বোঝালে ঘটমান বর্তমান হয়।
যেমন:
- ছন্দা গান গাইছে।
- রাফিন ও রিজন বল খেলছে।

• পুরাঘটিত বর্তমান: যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।

• বর্তমান অনুজ্ঞা: বর্তমানে কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের আদেশ, উপদেশ, আশীবার্দ, অভিশাপ, অনুরোধ, প্রার্থনা প্রভৃতি বোঝানোর জন্য বর্তমান অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সদা সত্য বলো।
- আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘজীবী করুন।
- সকলের মঙ্গল হোক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৪.
সার্জেন্ট জহুরুল হক কবে শহিদ হন?
  1. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  2. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  3. ১৯ জুন, ১৯৬৮
  4. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
♦ পটভূমি
- সামরিক বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সদস্য মিলে ২৫০ জন বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেন।
- সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৬৭ সালের ১২-১৫ জুলাই ভারতের সহযোগিতা লাভে বঙ্গবন্ধু এবং আলী রেজা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা জেলায় ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে বৈঠক করেন।
- পরিকল্পনাকারীদের একজন, আমির হোসেন ১৯৬৭ সালের অক্টোবর মাসে এই পরিকল্পনা ফাঁস করেন।

♦ ঘটনাপ্রবাহ
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি এই কারণে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
- আইয়ূব খান সরকার "রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য" নামে এই মামলা দায়ের করেছিল।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রধান আসামি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ মোট আসামি ছিলেন ৩৫জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ তারিখে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার ১৭ নং আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

♦ পরিসমাপ্তি
- গনঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
২৫.
কোন আন্দোলন চলাকালীন প্রথমবারের মত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়?
  1. ছয় দফা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. মহান মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন
- ১৯৭০ এর নির্বাচনের পর ৩ মার্চ, ১৯৭১ আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু ইয়াহিয়া খান ১ মার্চেই সেই অধিবেশন স্থগিত করেন।
- এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ২ মার্চ অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- অসহযোগ আন্দোলন ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- অসহযোগ মানে সহযোগিতা না করা। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পূর্ব বাংলার জনগণ তৎকালীন ইয়াহিয়া সরকারের সব রকম সরকারি নির্দেশ অমান্য করে।
- এর ফলে প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে ও ট্যাক্স আদায় বন্ধ হয়ে যায়।

- ২ মার্চ, ১৯৭১; অসহযোগ আন্দোলন চলাকালীন ঢাবির বটতলায় প্রথমবারের মত বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম এই জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন শিব নারায়ণ দাস।
- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগের সভায় আপামর জনতার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' হিসাবে ঘোষণা দেন আ.স.ম আব্দুর রব।
- ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনতার উদ্দেশ্যে তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা এদেশের মানুষকে আজও অনুপ্রাণিত করে।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
২৬.
কোন ঘটনায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর সূচনা হয়?
  1. বিচারাধীন অবস্থায় সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করা
  2. পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান এর মৃত্যু
  3. নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এর উপর পুলিশের গুলি
  4. রাবির ড. শামসুজ্জোহা এর উপর হামলা
সঠিক উত্তর:
পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান এর মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান এর মৃত্যু
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি,  এই মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান শহিদ হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।

- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে।
- সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম শহিদ হন।

- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল আসামি মুক্তি বাধ্য হয়।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
২৭.
নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. মুজিব বাহিনী
  2. ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  3. মুজিব ব্যাটারি
  4. ক্র্যাক প্লাটুন
সঠিক উত্তর:
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও বাহিনীসমূহ
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।

- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী বা গেরিলাবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন, মুজিব বাহিনী, মুজিব ব্যাটারি, কাদেরিয়া বাহিনী ইত্যাদি অনিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত।

- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- নিয়মিত বাহিনীর সংগঠনিক নাম ছিল মুক্তিফৌজ।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দশম খন্ড।
২৮.
'ভোটের আগে ভাত চাই' স্লোগানে কোন দল সত্তরের নির্বাচন বর্জন করেছিল?
  1. ন্যাপ ( ভাসানী )
  2. ন্যাপ ( মুজাফফর )
  3. নেজাম ই ইসলাম
  4. আওয়ামী লীগ
সঠিক উত্তর:
ন্যাপ ( ভাসানী )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাপ ( ভাসানী )
ব্যাখ্যা
সত্তরের নির্বাচন 

♦ নির্বাচন কমিশন 
- ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এর নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- এই কমিশনের অধীনেই ১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে মোট ২৪ টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- " ভোটের আগে ভাত চাই " স্লোগানে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ ( ভাসানী ) এই নির্বাচন বর্জন করে।

♦ জাতীয় পরিষদ নির্বাচন ও ফলাফল
-  ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সমগ্র পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩ টি, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯ টি ( ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ )।
- এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
- ময়মনসিংহ ও রাঙ্গামাটিতে দুটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়।

♦ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন ও ফলাফল
- ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে ৫ টি প্রাদেশিক পরিষদে ২১টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট ৬২১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩১০ টি আসনের ( ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ ) মধ্যে ২৯৮ টিতে জয়লাভ করে।

♦ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতকরণ
- সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করে।
- তিনি ৩ মার্চ,১৯৭১ এ অনুষ্ঠাতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১ মার্চ স্থগিত করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
২৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণের মূল বিষয় ছিল-
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ১টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণ: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণে সকল বাঙ্গালিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
- এই ভাষণের জন্যই ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জনপ্রিয় ম্যাগাজিন দ্য নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স' বা রাজনীতির কবি হিসাবে অভিহিত করে।

- এই ভাষণের ৪ টি মূল বিষয় ছিল।

যথা-
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
৩. পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ ও নিরস্ত্র লোকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল থেকে ৭ মার্চ 'ঐতিহাসিক দিবস' হিসাবে পালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত ছয় দফা দাবির প্রথমটি ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

তথ্য - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৩০.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বানিজ্যিক সংস্থা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৫
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
ব্যাখ্যা
WTO
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় বানিজ্যিক সংস্থা।
- WTO এর পূর্ণরূপ - World Trade Organization.

- প্রতিষ্ঠা - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- সদর দপ্তর : জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য - ১৬৪ টি।
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান

- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান মহাপরিচালক - এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা (নাইজেরিয়া)।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।
৩১.
WHO এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. অসিম স্টেইনার
  2. ড্যারেন ট্যাং
  3. টেড্রস আধানোম
  4. রাফায়েল গ্রসি
সঠিক উত্তর:
টেড্রস আধানোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেড্রস আধানোম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

WHO
(বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)
- পূর্ণরূপ - World Health Organization।
- প্রতিষ্ঠা - ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
 
- বর্তমান মহাপরিচালক -  টেড্রস আধানোম (ইথিওপিয়া)।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ - ১৯৯৭ সাল।

তথ্যসূত্র - WHO ওয়েবসাইট।
৩২.
UNDP কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

UNDP:
- UNDP (United Nations Development Programme) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক নেতৃত্বদানকারী সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর একটি কর্মসূচি।
- UNDP ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- এটির প্রধানের পদ প্রশাসক।
- বর্তমান প্রশাসক অসিম স্টেইনার।
- UNDP বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করছে।

[অপশন বিবেচনায় উত্তর করতে হবে যদি অপশনে ১৯৬৫ এবং  ১৯৬৬ থাকে তাহলে ১৯৬৫ উত্তর করতে হবে। আর যে কোন একটি থাকলে সেটি উত্তর হবে।]



তথ্যসূত্র - ইউএনডিপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৩৩.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ড-এর অংশ?
  1. সিপিইউ
  2. রেজিস্টার
  3. মেমোরি
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড (Motherboard):
- সিপিইউ, মেমোরি, রেজিস্টার এই সবগুলোই মাদারবোর্ড-এর অংশ।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড। যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
কম্পিউটারের ভাইরাস-
  1. ট্রোজান হর্স
  2. জেরুজালেম
  3. ওয়ার্ম
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
• কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
• কাজ: কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
কোনটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Word Perfect
  2. Android
  3. Linux OS
  4. Mac OS
সঠিক উত্তর:
Word Perfect
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Word Perfect
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার:

• কাজের প্রকৃতি বা ফাংশন অনুযায়ী কম্পিউটার সফটওয়্যারকে দুই প্রকারে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)
২) ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারী এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস গঠন করে। যেমন: Windows OS, Mac OS, Linux OS, Android ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন: 
1. Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2 .Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3. Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬.
এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. McAfee
  2. TREND micro
  3. Cindrella
  4. Norton
সঠিক উত্তর:
Cindrella
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cindrella
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
• কয়েকটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
Symantec, McAfee, AVG Anti-Virus, AVIRA, AVAST Anti-Virus, TREND micro, ESET NOD32, Kaspersky Anti-Virus, Microsoft Security Essential, ZoneAlarm Anti-Virus, Cobra Anti- Virus, Bitdefender, Norton Anti-Virus, Panda Anti-Virus, PC Tool Anti-Virus ইত্যাদি।কম্পিউটার ভাইরাস:

• অপরদিকে, কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
• কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cindrella,
- CIH,
- I love you

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
কোনটি পার্সোনাল কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. IBM-S/400
  2. NCR S/9290
  3. MACINTOSH
  4. IBM S/36
সঠিক উত্তর:
MACINTOSH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MACINTOSH
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:

• কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা: 
১. এনালগ কম্পিউটার,
২. ডিজিটাল কম্পিউটার,
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার। 

• ডিজিটাল কম্পিউটার আবার ৪ ধরনের। যথা: 
১. সুপার কম্পিউটার
২. মাইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রো কম্পিউটার

মাইক্রো কম্পিউটার (পার্সোনাল কম্পিউটার):


• মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র।
• মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
• এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
• আকার ও ক্ষমতার বিচারে সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোটো কম্পিউটার।
• এ কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলে।
• উদাহরণ: IBM 386, IBM Pentium, MACINTOSH

- মিনি কম্পিউটার:
• মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
• উদাহরন: IBM-S/400, NCR S/9290, IBM S/36, IBM S/34। উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

- মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
• উদাহরন: IBM - 1620. 

- সুপার কম্পিউটার: 
• এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।
• উদাহরণ: Sunway TaihuLight, পরম ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
সর্বপ্রথম সিস্টেম সফটওয়্যার কোন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম:

• অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
• অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
• এটি ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে। 
• অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়্যারও বলা হয়।
• আবিষ্কার: ১৯৫১ সালে।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
• অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার সর্বপ্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
• ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।