পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -------------- টপিক: i) কম্পিউটার ও মোবাইল নেটওয়ার্কিং, টপোলজি, ডাটাবেজ, সংখ্যা পদ্ধতি, লজিক গেইট, সাইবার অপরাধ, ক্লাউড কম্পিউটিং। ii) কম্পিউটারের পেরিফেরালস, সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত Abbreviation. [নম্বর কাভার - ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোন টপোলজি কেন্দ্রীয় হাবের মাধ্যমে নোডগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে?
  1. Bus Topology
  2. Ring Topology
  3. Star Topology
  4. Mesh Topology
ব্যাখ্যা
• Star Topology এমন একটি নেটওয়ার্ক টপোলজি যেখানে সব নোড বা ডিভাইস একক কেন্দ্রীয় হাব, সুইচ বা রাউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি নোডের সঙ্গে সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের লিংক থাকে, ফলে নোডগুলো পরোক্ষভাবে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। এই কেন্দ্রীয় হাবই সকল ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রেরণ বা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে যদি কোন নির্দিষ্ট নোডে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কে প্রভাব পড়ে না; তবে কেন্দ্রীয় হাবে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে। এটি ইন্সটলেশন ও ম্যানেজমেন্টে সহজ এবং বেশি ব্যবহৃত।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"GCP" মূলত কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. অফিস স্যুট
  2. ওয়েব ব্রাউজার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা
• "GCP" বা Google Cloud Platform হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা গুগল দ্বারা পরিচালিত। এটি মূলত ঘ) ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। GCP বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা যেমন ডেটা স্টোরেজ, মেশিন লার্নিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স, ওয়েব হোস্টিং এবং ভার্চুয়াল মেশিন সরবরাহ করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডিপ্লয় ও পরিচালনার জন্য GCP ব্যবহার করে। এতে স্কেলেবল অবকাঠামো এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। অফিস স্যুট, ওয়েব ব্রাউজার বা অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং GCP মূলত ক্লাউড পরিষেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
'১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. ১১০০১
  2. ০১০১১
  3. ১১০১১
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• '১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক হচ্ছে: ০১০১১

আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।
'১০১০১' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০১০১০

১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়
'১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক হলো = ০১০১০ + ১ = ০১০১১
.
(136106)8 = (?)16
  1. E15B
  2. 8C5D
  3. BC46
  4. BC38
ব্যাখ্যা
• (136106)8 = (BC46)16

• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।


∴ (136106)8 = (BC46)16
.
ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার কোনটি?
  1. WinZip
  2. Excel
  3. Chrome
  4. Notepad
ব্যাখ্যা
• ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ফাইলের আকার ছোট করে সংরক্ষণ বা পাঠানোর সুবিধা দেয়। এর মাধ্যমে বড় ফাইলগুলোকে কম জায়গায় রাখা যায় এবং দ্রুত ইমেইল বা অনলাইন শেয়ার করা যায়। প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনে, WinZip একটি জনপ্রিয় ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার। এটি বিভিন্ন ধরনের ফাইলকে জিপ (ZIP) ফরম্যাটে সংকুচিত করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Excel হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম, Chrome হলো ওয়েব ব্রাউজার, আর Notepad হলো একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, যা ফাইল কমপ্রেশন কাজ করে না। তাই ফাইল কমপ্রেশনের জন্য WinZip সবচেয়ে উপযুক্ত সফটওয়্যার।

• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
.
কোন ধরনের টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারগুলো যদি এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে, তাহলে তা রিং টপোলজি বলা হয়। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোডের সাথে ঠিক দুইটি কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ বৃত্ত গঠন হয়। তথ্য একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রবাহিত হয়, যতক্ষণ না তা গন্তব্যে পৌঁছায়। এই টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডেটার সংঘর্ষ কম হওয়া এবং সহজে ট্রাবলশুটিং করা যায়। তবে কোনো একটি নোড বা সংযোগে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হতে পারে। তাই রিং টপোলজি বিশেষ করে ছোট এবং মাঝারি মাপের নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারগুলো বা নোডগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান-প্রদানের গতি এবং নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিভিন্নভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হলো:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেশ টপোলজি
৬. হাইব্রিড টপোলজি

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ISDN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Integrated System of Digital Networks
  2. Internet Services Distributed Network
  3. Integrated Services Digital Network
  4. Internal Services Data Network
ব্যাখ্যা
• ISDN-এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Services Digital Network। এটি একটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যা একই সময়ে ভয়েস, ভিডিও এবং ডাটা পরিবহনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ISDN একটি ডিজিটাল নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস একত্রিত করে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে প্রদান করে। এটি পুরানো এনালগ সিস্টেমের তুলনায় দ্রুত এবং উচ্চমানের ডাটা ট্রান্সমিশন সক্ষম। ISDN এর মাধ্যমে একাধিক চ্যানেলে একসাথে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, যা যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য করে তোলে। তাই, ISDN আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
AND গেইট ও NOT গেইট মিলে কোনটি গঠিত হয়?
  1. OR Gate
  2. NOR Gate
  3. NAND Gate
  4. X-NOR Gate
ব্যাখ্যা
• AND গেইট ও NOT গেইট মিলে NAND গেইট গঠিত হয়। AND গেইট দুটি ইনপুটের মধ্যে উভয়ই সত্য (1) হলে আউটপুট সত্য (1) দেয়। অন্যদিকে, NOT গেইট কোনো ইনপুটের মান উল্টে দেয়, অর্থাৎ ১ হলে আউটপুট ০ এবং ০ হলে আউটপুট ১। যখন AND গেইটের আউটপুটকে NOT গেইটে পাঠানো হয়, তখন আউটপুট হবে AND গেইটের ফলাফলের বিপরীত। এই সম্মিলিত গেইটটিকে NAND গেইট বলা হয়। তাই, AND ও NOT গেইট একসাথে ব্যবহার করলে NAND গেইট তৈরি হয়, যা ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি লজিক গেইট। উত্তর হবে: গ) NAND Gate.

• যৌগিক গেইট:
- দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে যে গেইট তৈরি হয়, তাকে যৌগিক গেইট বলা হয়। এগুলো হলো-

• NAND Gate:
- AND গেইট ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হয়।

• NOR Gate:
- OR গেইট ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হয়।

• X-OR Gate:
- OR, AND কিংবা NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি করা যায়।

• X-NOR Gate:
- X-OR গেইটর সাথে NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) এর স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.10
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11, এটি একটি সেট টেকনোলজির মান, যা বেতার স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (Wireless Local Area Network বা WLAN) তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে ডিভাইসগুলো ওয়্যারলেসভাবে ইন্টারনেট বা অন্যান্য নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্য অপশনগুলো যেমন IEEE 802.16 মূলত ওয়াই-ম্যাক্সের জন্য, IEEE 802.15 ব্লুটুথের জন্য এবং IEEE 802.10 নিরাপত্তা সম্পর্কিত প্রোটোকলের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ওয়াই-ফাইয়ের সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- কম্পিউটার/ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- এটি একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ওয়াই-ফাই অ্যানাবন্ড ডিভাইস যেমন- ল্যাপটপ, ভিডিও গেম কনসোল, স্মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল অডিও প্লেয়ার প্রভৃতি একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কভুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- এর ডেটা কমিউনিকেশন গতি খুবই কম এবং সিকিউরিটি ব্যবস্থাও দুর্বল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০.
নেটওয়ার্কে ভুল তথ্য সরবরাহ করে বিভ্রান্ত করে সিকিউরিটি সিস্টেম ভেঙে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্পুফিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্কে ভুল তথ্য সরবরাহ করে সিকিউরিটি সিস্টেম ভেঙে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে স্পুফিং (গ) বলা হয়। স্পুফিং হলো এমন একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হামলাকারী মিথ্যা বা জাল তথ্য ব্যবহার করে সিস্টেমের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে। এর মাধ্যমে তারা নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটার সিস্টেমের সুরক্ষা পদ্ধতি চুরি করতে পারে এবং নিজেকে অনুমোদিত ব্যবহারকারীর মতো প্রদর্শন করে অবৈধ কাজ সম্পাদন করতে পারে। স্পুফিং-এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যেমন আইপি স্পুফিং, ইমেইল স্পুফিং ইত্যাদি, যা দিয়ে তথ্য চুরি, ডেটা পরিবর্তন বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়। তাই স্পুফিং সাইবার নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Waterfox
  2. Pale Moon
  3. Opera GX
  4. Adobe Reader
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ব্রাউজ বা দেখা যায়। প্রশ্নে দেওয়া চারটি অপশনের মধ্যে Waterfox, Pale Moon এবং Opera GX তিনটি ওয়েব ব্রাউজার। Waterfox এবং Pale Moon হলো ফায়ারফক্স ভিত্তিক ব্রাউজার, যা দ্রুত ও নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। Opera GX হলো গেমারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ব্রাউজার, যেখানে গেম খেলার সময় ব্রাউজার সিস্টেম রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, Adobe Reader হলো একটি পিডিএফ ফাইল পড়ার সফটওয়্যার, যা ওয়েব ব্রাউজার নয়। তাই, Adobe Reader ওয়েব ব্রাউজার নয়।

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
 
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
নিচের কোন ডিভাইসের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করা যায়?
  1. সুইচ
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে (Gateway) ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে তৈরি নেটওয়ার্কগুলোকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা অনুবাদ এবং রূপান্তর করে যাতে এক নেটওয়ার্কের ডেটা অন্য নেটওয়ার্কে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, সুইচ, হাব, এবং রাউটার মূলত একই ধরনের বা সমপ্রটোকল নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করে। বিশেষ করে রাউটার বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু একই প্রোটোকল ব্যবহার করে। সুতরাং, ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে সবচেয়ে উপযোগী।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বাংলা অক্ষর কোন কোডের আওতাভুক্ত?
  1. BCD
  2. ASCII
  3. EBCDIC
  4. UNICODE
ব্যাখ্যা
• বাংলা অক্ষর মূলত UNICODE কোডিং সিস্টেমের আওতাভুক্ত। UNICODE হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সব ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে উপস্থাপন করতে সক্ষম। BCD, ASCII, এবং EBCDIC কোডগুলি সাধারণত ইংরেজি বা অন্যান্য সীমিত অক্ষরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা অক্ষরকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করে না। UNICODE এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার সকল অক্ষর, ব্যঞ্জনবর্ণ, স্বরবর্ণসহ বিশেষ চিহ্ন ডিজিটাল ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শন এবং ব্যবহার করা সম্ভব হয়। তাই বাংলা ভাষার ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণের জন্য UNICODE কোডিং সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• ইউনিকোড (Unicode):
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
১৪.
"PTT Phone" কী ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  3. সিমপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• “PTT Phone” বা Push-to-Talk ফোন মূলত হাফ-ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। এই যোগাযোগ পদ্ধতিতে একবারে কেবল একজন ব্যবহারকারীই কথা বলতে পারে এবং অন্যজন শুনতে পায়, অর্থাৎ একদিকে কথা বলা এবং অন্যদিকে শোনা হয়, কিন্তু একই সময়ে উভয় কাজ সম্ভব নয়। যখন ব্যবহারকারী Push-to-Talk বাটন চাপেন, তখন তিনি কথা বলতে পারেন, আর বাটন ছাড়লে শোনা যায়। এটি সিম্পলেক্সের মতো নয়, যেখানে একবারে কেবল একটি দিকেই যোগাযোগ হয়, এবং ফুল-ডুপ্লেক্সের মতো নয়, যেখানে দুই পক্ষ একসঙ্গে কথা বলতে পারে। তাই, PTT ফোনের যোগাযোগ পদ্ধতি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের অন্তর্ভুক্ত।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২) techtarget [লিংক]