পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
Bangla-03 - ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
'মরমর' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) মর + মর
  2. খ) √মর + মর
  3. গ) √মর্ + অ
  4. ঘ) √মর্ + মর
সঠিক উত্তর:
গ) √মর্ + অ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) √মর্ + অ
ব্যাখ্যা
কোন কোন সময় অ-প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত শব্দের দ্বিত প্রয়োগ হয় (আসন্ন সম্ভাব্যতা অর্থে)৷
যেমন- √পড় + অ = পড়পড়, √মর্ + অ = মরমর (অবস্থা), √কাঁদ্ + অ = কাঁদকাঁদ (চেহারা) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি৷
.
'ণিন' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) সর্বজনীন
  2. খ) গ্রাহী
  3. গ) নবীন
  4. ঘ) কুলীন
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাহী
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে 'ঈ' থাকলে 'ণিন' হবে। 'ণিন' প্রত্যয়যোগে গঠিত সংস্কৃত প্রত্যয় হচ্ছে √গ্রহ + ণিন = গ্রাহী৷ এরূপ- √পা + ণিন = পায়ী৷
'নীন (ঈন্)' প্রত্যয়যোগে গঠিত সংস্কৃত প্রত্যয় হচ্ছে সর্বজন + নীন = সর্বজনীন।
নব + নীন = নবীন, কুল + নীন = কুল ইত্যাদি আরো কিছু 'নীন (ঈন্)' প্রত্যয়যোগে গঠিত সংস্কৃত প্রত্যয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি৷
.
'বর্ষীয়ান' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করুন।
  1. ক) √বর্ষ + আ
  2. খ) √বর্ষীয় + আ
  3. গ) √বর্ষীয়্ + আ
  4. ঘ) √বৃদ্ধ + ঈয়স্
সঠিক উত্তর:
ঘ) √বৃদ্ধ + ঈয়স্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) √বৃদ্ধ + ঈয়স্
ব্যাখ্যা
ঈয়স্ > ঈয়ান্ প্রত্যয়যোগে গঠিত কিছু তদ্ধিত প্রত্যয় হলো-
√বৃদ্ধ + ঈয়স্ = বর্ষীয়ান, বলবৎ + ঈয়স্ = বলীয়ান, লঘু + ঈয়স্ = লঘীয়ান৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) সাৎ
  2. খ) ইম্
  3. গ) ইত্
  4. ঘ) গর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গর
ব্যাখ্যা
কতগুলো বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় হলো-
আনা (গরিবানা), আনি (বাবুয়ানি), ওয়ান (গাড়োয়ান), খানা (ছাপাখানা), গর (কারিগর), দার (চৌকিদার), বাজ (চালবাজ), সই (মানানসই) ইত্যাদি৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
.
'পকেটমার' শব্দটি কোন কোন ভাষার মিশ্রনে গঠিত?
  1. ক) ইংরেজি + তৎসম
  2. খ) বাংলা + ফারসি
  3. গ) ইংরেজি + ফারসি
  4. ঘ) ইংরেজি + বাংলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইংরেজি + বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইংরেজি + বাংলা
ব্যাখ্যা
কোনাে কোনাে সময় দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
যেমনঃ পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'তারিখ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) উর্দু
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর:
ক) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আরবি
ব্যাখ্যা

তারিখ (বিশেষ্য)
১. মাসের দিন সংখ্যা; দিন।
২. ইতিহাস।
(আরবি) > তওয়ারিখ, তারীখ।

বতারিখ (ক্রিয়াবিশেষণ) তারিখ অনুযায়ী বা অনুসারে; তারিখে।
(ফারসি) ব-তারীখ

∴ দেখা যাচ্ছে - 'তারিখ' শব্দটি আরবি ও 'বতারিখ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

বিঃদ্রঃ - তারিখ শব্দটি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে ফারসি ভাষা থেকে এসেছে বলা হয়েছে; তথ্যটি ভুল।

আরবি ভাষা থেকে বাংলায় আসা আরো কিছু শব্দঃ
১. ধর্মসংক্রান্ত - আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওযু, কোরবানি, কোরআন, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
২. প্রসাশনিক ও সাংস্কৃতিক - আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, খারিজ, গায়েব, মহকুমা, মুন্সেফ ইত্যাদি।

.
কোনটি পাঞ্জাবি ভাষার শব্দ?
  1. ক) রিক্সা
  2. খ) চা
  3. গ) হারিকিরি
  4. ঘ) চাহিদা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাহিদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাহিদা
ব্যাখ্যা
রিক্সা, হারিকিরি - জাপনি শব্দ।
চাহিদা, শিখ- পাঞ্জাবি শব্দ।
চা, চিনি – চীনা শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ–নবম-দশম শ্রেণির র্বোড বই।
.
তৎসম শব্দ কোনটি?
  1. ক) জ্যোৎস্না
  2. খ) জ্যোছনা
  3. গ) গিন্নি
  4. ঘ) দই
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যোৎস্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যোৎস্না
ব্যাখ্যা
যে সব সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিত রূপে হুবহু বাংলায় এসেছে সে সব শব্দকে 'তৎসম শব্দ' বলা হয়।
যেমন- জ্যোৎস্না, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, আকাশ, স্থল, মস্তক, চক্ষু, নর, নারী, বৃক্ষ ইত্যাদি৷
জ্যোছনা, গিন্নি, দই হলো অর্ধ-তৎসম শব্দ৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
.
তামিল ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. ক) পেট
  2. খ) চুলা
  3. গ) কুড়ি
  4. ঘ) রিক্সা
সঠিক উত্তর:
ক) পেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট
ব্যাখ্যা
তামিল ভাষার শব্দ হলো 'পেট'।
চুলা (মুণ্ডারি ভাষা), কুড়ি (কোল ভাষা), রিক্সা (জাপানি ভাষা)৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
১০.
বাংলা স্বরবর্ণসমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো-
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৯ টি
  4. ঘ) ১০ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ টি
ব্যাখ্যা
বাংলা স্বরবর্ণসমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ১০টি৷
'অ' ছাড়া বাকি স্বরধ্বনিগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ আছে। 'অ' কোন বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে দেখা যায় না। এটি হলো নিলীন বর্ণ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১১.
'ঞ্ঝ' যুক্তবর্ণটিতে কোন কোন বর্ণ রয়েছে?
  1. ক) ঞ্ + ঝ
  2. খ) জ্ + ঞ
  3. গ) ঞ্ + জ
  4. ঘ) ছ + ঞ
সঠিক উত্তর:
ক) ঞ্ + ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঞ্ + ঝ
ব্যাখ্যা
ঞ্ঝ = ঞ্ + ঝ৷ উদাহরণ- ঝঞ্ঝা, ঝঞ্ঝাট ইত্যাদি৷
ঞ্ + জ = ঞ্জ৷ উদাহরণ- গঞ্জ, রঞ্জন, কুঞ্জ ইত্যাদি৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি৷
১২.
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান'–এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন ধরনের অব্যয়?
  1. ক) অবস্থাবাচক
  2. খ) বাক্যালঙ্কার
  3. গ) ধ্বন্যাত্মক
  4. ঘ) সংযোজক
সঠিক উত্তর:
গ) ধ্বন্যাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধ্বন্যাত্মক
ব্যাখ্যা

যে–অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় বলে৷
যেমন- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
শাঁ করে ছুটে গেলো তীরটা৷
ধপ্ করে তাল পড়ল। বাতাসের গতি শনশন
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

১৩.
কোন বাক্যটিতে প্রযোজক ক্রিয়া রয়েছে?
  1. ক) সাইরেন বেঁজে উঠল
  2. খ) দাদু চশমা পরেন
  3. গ) তিনি ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন
  4. ঘ) বুড়ো লোকটি কেঁদে ফেললেন
সঠিক উত্তর:
গ) তিনি ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিনি ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন
ব্যাখ্যা
কোন কাজ নিজে না করে অন্যের দ্বারা করানো হলে, সে ক্রিয়াকে প্রযোজক ক্রিয়া বা ণিজন্ত ক্রিয়া বলে।
'তিনি ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়ান'– বাক্যটিতে 'তিনি'– প্রযোজক কর্তা, 'ছাত্রদের'– প্রযোজক কর্ম এবং 'ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন'– প্রযোজক ক্রিয়া৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
১৪.
কোনটিতে বস্তুবাচক বিশেষ্য রয়েছে?
  1. ক) সবুজ মাঠ
  2. খ) তাজা মাছ
  3. গ) অর্ধেক পথ
  4. ঘ) বেলে মাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেলে মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেলে মাটি
ব্যাখ্যা
যে পদে কোন উপাদানবাচক পদার্থের নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে৷
এই জাতীয় বস্তুর সংখ্যা ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়৷
যথা- বই, খাতা, কলম, থালা, বাটি, মাটি, চাল, চনি, লবণ, পানি৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
নিচের কোনটি বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন
  2. খ) আপন ভালো সবাই চায়
  3. গ) মন্দ কথা বলতে নেই
  4. ঘ) তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক
সঠিক উত্তর:
খ) আপন ভালো সবাই চায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আপন ভালো সবাই চায়
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে৷
যেমন- ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন (বিশেষণ রূপে);
আপন ভালো সবাই চায় (বিশেষ্য রূপে);
মন্দ কথা বলতে নেই (বিশেষণ রূপে);
এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে? (বিশেষ্য রূপে);
পুণ্যে মতি হোক (বিশেষ্য রূপে);
তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক (বিশেষণ রূপে)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৬.
কোনগুলো অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম?
  1. ক) কেহ, কে
  2. খ) যে, যিনি
  3. গ) কেউ, কিছু
  4. ঘ) অপর, পর
সঠিক উত্তর:
গ) কেউ, কিছু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেউ, কিছু
ব্যাখ্যা
কিছু অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম হলো -
কোন, কেহ, কেউ, কিছু ইত্যাদি।
প্রশ্নবাচক সর্বনাম - কে, কি, কী, কেন ইত্যাদি।
সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম - যে, যিনি, যারা ইত্যাদি।
অন্যাদিবাচক সর্বনাম - অপর, পর, অন্য ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
একটি সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্য বা গুণ কয়টি?
  1. ক) এক
  2. খ) দুই
  3. গ) তিন
  4. ঘ) চার
সঠিক উত্তর:
গ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিন
ব্যাখ্যা
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকতে হয়৷
যথা- আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, ও যোগ্যতা।
যেমন- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। সূর্য উঠেছে। পুকুরে পদ্মফুল জন্মে৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
১৮.
সরল বাক্যে রূপান্তর করুন।
'যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে'।
  1. ক) খারাপ ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে
  2. খ) ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে
  3. গ) তারা ভালো ছেলে এবং শিক্ষকের আদেশ পালন করে
  4. ঘ) যারাই ভালো ছেলে, তারাই শিক্ষকের আদেশ পালন করে
সঠিক উত্তর:
খ) ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে
ব্যাখ্যা
মিশ্র বা জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মিশ্র বাক্যের অপ্রধান খন্ডবাক্যটিকে সংকুচিত করে একটি পদ বা একটি বাক্যাংশে পরিণত করতে হয়৷
তাই 'যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে' বাক্যটির সঠিক সরল বাক্য হলো- ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
কোনটি আদেশসূচক বাক্য?
  1. ক) তোমাকে বসতে বলেছি
  2. খ) পরীক্ষায় সফল হও
  3. গ) সে ঢাকা যাবে না
  4. ঘ) হুররে, আমরা জিতেছি!
সঠিক উত্তর:
ক) তোমাকে বসতে বলেছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তোমাকে বসতে বলেছি
ব্যাখ্যা
তোমাকে বসতে বলেছি - আদেশসূচক বাক্য;
পরীক্ষায় সফল হও - ইচ্ছাসূচক বাক্য;
সে ঢাকা যাবে না - বিবৃতিমূলক বাক্য;
হুররে, আমরা জিতেছি! - বিস্ময়সূচক বাক্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
'দীর্ঘজীবী হও'– এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) আদেশসূচক
  2. খ) ইচ্ছাসূচক
  3. গ) বিবৃতিমূলক
  4. ঘ) বিস্ময়সূচক
সঠিক উত্তর:
খ) ইচ্ছাসূচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইচ্ছাসূচক
ব্যাখ্যা
ইচ্ছাসূচক বাক্য - এ ধরনের বাক্যে শুভজনক প্রার্থনা, আশিস, আকাঙ্ক্ষা করা হয়৷
যেমন-
দীর্ঘজীবী হও৷
তোমার মঙ্গল হোক।
পরীক্ষায় সফল হও৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
আ-ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণ কোনটি?
  1. ক) আশা
  2. খ) আকাশ
  3. গ) জ্ঞান
  4. ঘ) আলো
সঠিক উত্তর:
গ) জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জ্ঞান
ব্যাখ্যা
আ-এর স্বাভাবিক এবং সংবৃত উভয় উচ্চারণ পাওয়া যায়৷ স্বাভাবিক উচ্চারণ (আ-এর মত): আশা, আকাশ, আগামী, আলো ইত্যাদি।
সংবৃত উচ্চারণ (অ্যা-এর মত): জ্ঞান (গ্যাঁন্), জ্ঞাত (গ্যাঁতো) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি
২২.
স্পৃষ্ট ব্যাঞ্জনধ্বনি কোনটি?
  1. ক) ঞ
  2. খ) ণ
  3. গ) য
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

যেসব ব্যাঞ্জনধ্বনির উচ্চারণে জিভ মুখের ভেতরে কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত, ওষ্ঠ প্রভৃতি কোনো না কোনো স্থানে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়, তাদেরকে স্পর্শব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যাঞ্জন ধ্বনি বলে৷
ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে স্পর্শব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যাঞ্জন ধ্বনি বলে৷
যথা- ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, , ট, ঠ, ড, ঢ, , ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম।
য, র, ল, ব হলো অন্তঃস্থ ধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

২৩.
নিচের কোনটি উষ্মধ্বনি?
  1. ক) য
  2. খ) র
  3. গ) ল
  4. ঘ) স
সঠিক উত্তর:
ঘ) স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স, হ– এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এগুলোকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি। এ বর্ণ গুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ।
য, র, ল, ব -এ ধ্বনিগুলোকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।