উত্তর
ব্যাখ্যা
যেমন- √পড় + অ = পড়পড়, √মর্ + অ = মরমর (অবস্থা), √কাঁদ্ + অ = কাঁদকাঁদ (চেহারা) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি৷
৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন
তারিখ (বিশেষ্য)
১. মাসের দিন সংখ্যা; দিন।
২. ইতিহাস।
(আরবি) > তওয়ারিখ, তারীখ।
বতারিখ (ক্রিয়াবিশেষণ) তারিখ অনুযায়ী বা অনুসারে; তারিখে।
(ফারসি) ব-তারীখ
∴ দেখা যাচ্ছে - 'তারিখ' শব্দটি আরবি ও 'বতারিখ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
বিঃদ্রঃ - তারিখ শব্দটি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে ফারসি ভাষা থেকে এসেছে বলা হয়েছে; তথ্যটি ভুল।
আরবি ভাষা থেকে বাংলায় আসা আরো কিছু শব্দঃ
১. ধর্মসংক্রান্ত - আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওযু, কোরবানি, কোরআন, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
২. প্রসাশনিক ও সাংস্কৃতিক - আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, খারিজ, গায়েব, মহকুমা, মুন্সেফ ইত্যাদি।
যে–অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় বলে৷
যেমন- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
শাঁ করে ছুটে গেলো তীরটা৷
ধপ্ করে তাল পড়ল। বাতাসের গতি শনশন৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে৷
যেমন- ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন (বিশেষণ রূপে);
আপন ভালো সবাই চায় (বিশেষ্য রূপে);
মন্দ কথা বলতে নেই (বিশেষণ রূপে);
এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে? (বিশেষ্য রূপে);
পুণ্যে মতি হোক (বিশেষ্য রূপে);
তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক (বিশেষণ রূপে)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
যেসব ব্যাঞ্জনধ্বনির উচ্চারণে জিভ মুখের ভেতরে কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত, ওষ্ঠ প্রভৃতি কোনো না কোনো স্থানে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়, তাদেরকে স্পর্শব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যাঞ্জন ধ্বনি বলে৷
ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে স্পর্শব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যাঞ্জন ধ্বনি বলে৷
যথা- ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম।
য, র, ল, ব হলো অন্তঃস্থ ধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি