পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. গুগলিয়েলমো মার্কনি
  3. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. চার্লস ব্যাবেজ
সঠিক উত্তর:
গুগলিয়েলমো মার্কনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগলিয়েলমো মার্কনি
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তড়িৎ চৌম্বক বলকে একত্র করে তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন, যা কিনা বিনা তারে বার্তা প্রেরণের একটি সম্ভাবনা উন্মোচন করে।
- ১৮৯৫ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন।
- ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করেন।
- একই সময়ে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে একই কাজে প্রথম সফলতা লাভ করে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি।
- এজন্য তাকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন। 
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. নয়েজ
  2. ব্লাকআউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. ব্রাউন আউট
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘Cookies’ হলো-
  1. web server
  2. Internet Information File
  3. protocol
  4. Personal file
সঠিক উত্তর:
Internet Information File
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Information File
ব্যাখ্যা
• কুকিজ (Cookies): 
- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা। 
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। 
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: Microsoft website.
.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা B5D এর সমতূল্য ডেসিমেল মান কত?
  1. 2634
  2. 2784
  3. 2909
  4. 3012
সঠিক উত্তর:
2909
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2909
ব্যাখ্যা
(B5D)₁₆
= (11 × 16²) + (5 × 16¹) + (13 × 16⁰)
= 2816 + 80 + 13
= (2909)₁₀
.
ব্লকচেইন প্রযুক্তির উদ্ভাবক-
  1. Karel Capek
  2. Alan Turing
  3. Satoshi Nakamoto
  4. Joseph Engelberger
সঠিক উত্তর:
Satoshi Nakamoto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satoshi Nakamoto
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তির উদ্ভাবক Satoshi Nakamoto.
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.

- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: [oreilly]
[tradefinanceglobal.com]
.
সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক নয় কোনটি?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়। 

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
কর্মক্ষেত্রে আইসিটির কয় ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরণের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটির দুই ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়
- প্রথমটি হচ্ছে কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির ব্যবহারের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণ।
- অন্যটি হচ্ছে আইসিটির প্রভাবে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের সৃষ্টি।
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের ফলে কর্মীদের দক্ষতা, জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা বেড়েছে।
- অন্যদিকে এর ফলে সেবার মানও উন্নত হয়েছে।
- বর্তমান সময়ে আইসিটির ব্যবহারের উপর পারদর্শিতা চাকুরি নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ব্যাংক, বিমা থেকে শুরু করে বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি দপ্তরে কাজ করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল করা, নানান ধরণের বিশ্লেষণী সফটওয়্যার ব্যবহার ইত্যাদিতে দক্ষ হতে হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনো ব্যক্তি কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ করলে তার কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. অনধিক ১ বছর
  2. অনধিক ২ বছর
  3. অনধিক ৫ বছর
  4. অনধিক ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর
ব্যাখ্যা

উৎস: [bdlaws]
.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Internet Explorer
  2. Opera
  3. Oracle
  4. Safari
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- ইন্টারনেট হতে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় তাকে ব্রাউজার বলে।
- অর্থাৎ সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে।
- এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে বলে ওয়েব ব্রাউজার।
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো-
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
• মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox)
• সাফারি (Safari)
• অপেরা (Opera)
• গুগল ক্রম (Google Chrome)
• নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

- Oracle হলো ডাটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
প্রোগ্রামে কয় ধরনের ভুল হতে পারে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামের ভুল:
- প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bug)।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা-
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।


- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। 
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল। 
- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
১১.
স্ট্যাটাস রেজিস্টার বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
  2. মেমোরি ডেটা রেজিস্টার
  3. ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
  4. মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register/ Status Register):
- ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়।
- যেমন: শূন্য Flag. গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়।
- অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি।

• মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register):
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

• ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register):
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

• মেমোরি ডেটা রেজিস্টার (Memory Data Register):
- এ ধরনের রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়।
- মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ভিডিও কনফারেন্সিং কোন মোডের উদাহরণ?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. অ্যাসিনোকাস্ট
সঠিক উত্তর:
মাল্টিকাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাল্টিকাস্ট
ব্যাখ্যা
• ইউনিকাস্ট:
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।

• ব্রডকাস্ট:
- এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।

• মাল্টিকাস্ট:
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

• অ্যানিকাস্ট:
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গমন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৩.
'Bootstrap Program' সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. ROM Chip
  2. Cache
  3. Hard Disk
  4. Register
সঠিক উত্তর:
ROM Chip
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ROM Chip
ব্যাখ্যা
• বুটস্ট্র্যাপ লোডার:
- বুটস্ট্র্যাপ লোডার হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের EPROM, ROM বা অন্য Non-volatile মেমরিতে থাকে।
- কম্পিউটার চালু করার সময় এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেসর দ্বারা কার্যকর হয়।
- কম্পিউটার চালু করার পর, সাধারণত এর রমে বা র‍্যামে কোনো অপারেটিং সিস্টেম লোড করা থাকে না।
- ফলে কম্পিউটারকে অবশ্যই তুলনামূলক ছোট একটি প্রোগ্রাম চালনা করতে হয় যা হার্ডড্রাইভ বা অন্য তথ্য সংরক্ষণ করার ডিভাইস থেকে ন্যূনতম তথ্য ব্যবহার করে অপারেটিং সিস্টমটিকে র‍্যামে লোড করে থাকে।
- যে ছোট প্রোগ্রামটি উক্ত প্রক্রিয়া চালু করে থাকে তাকেই bootstrapping, bootloader, boot program বা bootstrap loader বলে।

উৎস: Computerhope website.
১৪.
কোন প্রোটোকলটি ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে?
  1. TCP
  2. FTP
  3. DNS
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা
• HTTP: 
- Hyper Text Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত নাম হলো HTTP.
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

• FTP:
- FTP এর পূর্ণনাম হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 

• TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

• DNS:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ডাটাবেজ কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
•  Rename statement

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Insert statement
• Delete statement
• Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোনটির মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে?
  1. Parallel ইন্টারফেস
  2. WAN ইন্টারফেস
  3. SCSI ইন্টারফেস
  4. USB ইন্টারফেস
সঠিক উত্তর:
SCSI ইন্টারফেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCSI ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI হল প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
-  SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
যেখানে তথ্য বা ডেটা জমা থাকে, তাকে কী বলে?
  1. Brute Force
  2. Back End
  3. Query
  4. Front end
সঠিক উত্তর:
Back End
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Back End
ব্যাখ্যা
- যেখানে তথ্য বা ডেটা জমা থাকে তাকে Back End বলে।
- ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস তৈরির জন্য যে টুলসগুলো ব্যবহৃত হয় তাকে Front End বলে।
- ডাটাবেজে ব্যাপক তথ্যের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ড বা রেকর্ডসমূহ কোন শর্ত বা বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে খুঁজে বের করাকে কুয়েরি বলা হয়।
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ওইগুলো দিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। একে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক বলে।

উৎস: [techtarget.com]
১৮.
নিচের কোন সেবাটি ই-সার্ভিসের অর্ন্তভুক্ত?
  1. কুইক-উইন
  2. ই-পর্চা
  3. এমটিএস
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস: 
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- বর্তমানে ই-সার্ভিস বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সেবামূলক সংস্থা সার্বক্ষণিকভাবে অথবা স্বল্প সময়ে দেশের জনগণকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা গ্রহণকারীরা যে কোন স্থানে বসেই মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ই-সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
- প্রথমে 'কুইক-উইন' বা সহজে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তর নিজস্ব উদ্যোগে বৃহৎ পরিসরে ই-সেবা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ নাগরিক কোন না কোন ই-সেবা উপভোগ করছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিচের কোনটিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. রোবটিক্স
  3. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন। 
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে। 
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়। 
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি। 
২০.
Python কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা।
- এই প্রোগ্রাম ভাষা কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের উর্ধ্বে, এই জন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।
কিছু উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো:
- C
- C++
- Basic
- Java
- ALGOL
- Fortran
- Python

৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২১.
(561)8 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 101010010
  2. 101110001
  3. 110010100
  4. 110100001
সঠিক উত্তর:
101110001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
101110001
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি= 101
অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 001
∴ (561)8 = (101110001)2
২২.
OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা
  2. উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহার করা।
  3. পণ্যের বাজার জরিপ করা।
  4. ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা।
সঠিক উত্তর:
ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা।
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সট সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• MICR:
- ব্যাংকিং সেক্টরে ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় MICR. চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইড যুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়। 

• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. এজাক্স
  4. এভিরা
সঠিক উত্তর:
এজাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাক্স
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
২৪.
EFTS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Fund Transfer Service
  2. Electronic Fund Transfer System
  3. Electronic Finance Transaction Service
  4. Electronic Finance Transaction System
সঠিক উত্তর:
Electronic Fund Transfer System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Fund Transfer System
ব্যাখ্যা
ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. PSTN
  3. IMAP
  4. ISDN
সঠিক উত্তর:
PSTN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile 
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়। 
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে। 
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল,ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

উৎস: 
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. এপসন।
২৬.
কোনটি মেটার অধীনস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম?
  1. জুম
  2. লিংকডইন
  3. হোয়াটস্ অ্যাপ
  4. টেলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
হোয়াটস্ অ্যাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াটস্ অ্যাপ
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড:
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
 - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি মেটার অধীনস্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭.
নিচের কোনটি গ্রাফিকস বেজড অপারেটিং সিস্টেম?
  1. MS-DOS
  2. Windows Xp
  3. PC DOS
  4. CP/M
সঠিক উত্তর:
Windows Xp
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Windows Xp
ব্যাখ্যা
♦ অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. Text Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ-  MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।

২. Graphics Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
চার ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার ভাগে
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ ও সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলে। 
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট ও ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায়, ভোক্তা ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।  
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B), 
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C), 
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B), 
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)। 

- বাংলাদেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ই-কমার্স সাইট:
www.bikroy.com, www.cellbazar.com, www.boimela.com, www.rokomary.com, www.akhoni.com, www.ajkerdeal.com, www.gifthaat.com ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Word Note
  2. dBase
  3. Lotus 1-2-3
  4. Foxpro
সঠিক উত্তর:
Lotus 1-2-3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lotus 1-2-3
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
• ইলেকট্রনিস কমার্স,
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোনো লজিক গেট বাস্তবায়ন করা যায়?
  1. NOT এবং OR
  2. AND এবং NOT
  3. NAND এবং NOR
  4. AND এবং OR
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. রিড টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩২.
যে প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন নির্দেশ চিত্রের মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে বলে-
  1. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  2. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
  3. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  4. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল:
- প্রোগ্রামের গঠন রীতিনীতিকে প্রোগ্রাম মডেল বলে।
- সঠিকভাবে প্রোগ্রাম লেখা এবং প্রোগ্রামকে সহজভাবে বুঝার জন্য প্রোগ্রাম রচনার ক্ষেত্রে কয়েকটি মডেল অনুসরণ করা হয়।
- জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ডিজাইন মডেলসমূহ হলো:
১. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং,
২. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং,
৩. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং, 
৪. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং ইত্যাদি
- যে প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন নির্দেশ চিত্রের মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং বলে।
- অর্থাৎ চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিংগুলোই হলো ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. কাউন্টার
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. এনকোডার
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডারের ব্যবহার:
- বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস যেমন কী-বোর্ড, মাউস বিভিন্ন টেলিফোন সেট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এনকোডার আলফানিউমেরিক কোডকে ASCII ও EBCDIC কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার অ্যানালগ অডিও ভিডিওকে ডিজিটাল অডিও ভিডিওতে কনভার্ট করে ।
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় ও বিভিন্ন কোডে রূপান্তর করে।
- রোবটিক্সে রোবট কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে (পজিশনাল অগ্রগণ্যতা নির্ণয়ে) এনকোডার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ইন্টারাপ্ট রিকোয়েস্ট (IRQ) কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে এনকোডার ব্যবহৃত হয়।

• ডিকোডারের ব্যবহার:
- ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র। 
- বিভিন্ন ধরনের ডিসপ্লেতে যেমন, মনিটরে প্রদর্শনের জন্য ভিডিও কার্ডে ডিকোডার বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে।
- বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে।
- ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৪.
‘বঙ্গবন্ধু’-অ্যাপের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. তর্জনী
  2. দুর্বার
  3. টেশিস
  4. বাসস
সঠিক উত্তর:
দুর্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু অ্যাপ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন।
- এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
- একই সাথে আমাদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাপটি তৈরির মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
- অ্যাপটি তৈরী করে দুর্বার টেকনোলজিস লিমিটেড।
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।

উৎস: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৩৫.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর হয় কোন ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. ক্রিপ্টোক্রোনাস
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উদাহরণ।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রথমে স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- যেমন কম্পিউটারব থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেড়ি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
- যেমন অডিও বা ভিডিও কল এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩৬.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ওসিআর
  3. লাইটপ্যান
  4. সিডি
সঠিক উত্তর:
সিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিডি
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.