পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৭: বিষয়: ভূগোল ও দুর্যোগ-ব্যবস্থাপনা (সম্পূর্ণ সিলেবাস) উৎস: অষ্টম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই, অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• সীমান্তবর্তী নদী:
- আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী হলো এমন নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে।
- বাংলাদেশে মোট ৫৭টি আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী রয়েছে।
- এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রধানত তিনটি নদী প্রবেশ করেছে।
- যা হলো: নাফ, মাতামুহুরী এবং সাঙ্গু। 
- এই তিনটি নদীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী হলো নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
-  বঙ্গোপসাগরে মিশে নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রধান আন্তর্জাতিক সীমান্ত গঠন করে। 
- অন্য দুটি নদী, মাতামুহুরী ও সাঙ্গু, মিয়ানমার থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ।

.
দুটি স্বাভাবিক চ্যুতির মাঝখানের ভূমি অবনমনের ফলে কোনটি গঠিত হয়?
  1. কবজা উপত্যকা
  2. স্রস্ত উপত্যকা
  3. স্ট্রাইক উপত্যকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্রস্ত উপত্যকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রস্ত উপত্যকা
ব্যাখ্যা

• স্রস্ত উপত্যকা: 
- দুইটি স্বাভাবিক চ্যুতির মাঝখানে কোনো ভূ-ভাগ অবনমিত হয়ে যে নিম্নভূমির সৃষ্টি করে তাকে স্রস্ত উপত্যকা বলে।
- স্রস্তউপত্যকার উভয় দিকের চ্যুতিতল দেয়ালের মত দেখায়।
- এর অপর নাম গ্রাবন।
- জার্মানীর রাইন উপত্যকা, ইসরাইলের মরুসাগর প্রভৃতি স্রস্ত উপত্যকার উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
পাহাড়ের বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে কোন বনভূমি প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে? 
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন
  2. স্রোতজ বন
  3. শ্বাসমূলীয় বন
  4. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে- 
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি; 
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত। 
শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি। 

.
'লম্বক প্রণালী' কোন দুটি দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত? 
  1. লম্বক ও বালি
  2. লম্বক ও সুমাত্রা
  3. সুলাওয়েসি ও বোর্নিও
  4. ফ্লোরেস ও তিমোর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।



তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

.
Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)-এর হিসাব অনুযায়ী ২০৮০ সালে বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির পরিমাণ কত হবে? 
  1. ২৫ সেন্টিমিটার
  2. ৩০ সেন্টিমিটার
  3. ৪০ সেন্টিমিটার
  4. ৬০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৪০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলোর কারণে ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে ওঠেছে।
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
- 'Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সালে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে।
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হবে। সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকবে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী। 

.
'বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট' - এর অবস্থান কোন স্থানে? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। 
- অবস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

.
'পশ্চিমা বায়ু' দক্ষিণ গোলার্ধে প্রধানত কোন দিক থেকে বয়ে আসে? 
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. পূর্ব-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

• নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

• পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):

- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাংলাদেশে কোন বছরে প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯৫ সালে 
  2. ১৯৯৬ সালে 
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ১৯৯৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন - ১৯৯৫ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনটি পরে সংশোধন করা হয়, যা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ নামে পরিচিত।
-  পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে - পরিবেশ অধিদপ্তর তৈরি হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তর  প্রধান হবে-  একজন মহাপরিচালক৷
-  এ আইনের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানি, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ নিষেধ আরোপ করা হয়।
- জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। 
- সরকারি বা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কাটা যাবে না।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh

.
হিরকানিয়ান বনভূমি নিচের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. তুরস্ক
  3. আজারবাইজান
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

•  হিরকানিয়ান বনভূমি: 
- এটি আজারবাইজানের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে শুরু হয়ে ইরানের গোলেস্তান প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই বনভূমি কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রায় এক হাজার কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে। 
- ইরানের তিনটি প্রদেশ (গিলান, মাজানদারান ও গোলেস্তান) এবং আজারবাইজানের দুটি জেলা (লেনকোরান ও আস্তারা) জুড়ে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য,
- ৫ জুলাই ২০১৯ সালে ইউনেস্কো ইরানের উত্তরাঞ্চলের হিরকানিয়ান বনভূমিকে 'বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা'য় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।

১০.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. ওজোন
  2. নাইট্রোজেন
  3. জলীয় বাষ্প
  4. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• নাইট্রোজেন গ্রীন হাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে - 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry. 

১১.
ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. বায়ু উষ্ণ হয় উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে
  2. বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন ঘটে
  3. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয়
  4. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

• ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভুপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)। 
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 

ট্রপোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসেবেতার তরঙ্গের প্রতিফলন → এটি আইওনোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য। র গতিবেগ বেড়ে যায়। 
- নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। 
- ধূলিকণার অবস্থানের ফলে সমগ্র বায়ুমণ্ডলের ওজনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে। 
- যে উচ্চতায় তাপমাত্রা বন্ধ হয়ে যায় তাকে ট্রপোবিরতি বলে। এখানে তাপমাত্রা - ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে হতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন → আইওনোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য। 
- অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ → এটি ওজোন স্তরের বৈশিষ্ট্য।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যকার সীমানার নাম কী?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. র‍্যাডক্লিফ লাইন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব ডিমারকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব ডিমারকেশন
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ ‘আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রে ‘নদী খনন কার্যক্রম’ কোন স্তরে অন্তর্ভুক্ত? 
  1. প্রতিরোধ 
  2. পুনরুদ্ধার  
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. সাড়াদান
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ 
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:  
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন। 
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো। 

• প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে। 
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে। 
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। 
- অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ, যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।   

• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
দুর্যোগের প্রাক্কালে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জনগণকে সচেতন করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি তৈরি করা এবং উপকরণ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত।

• পুনরুদ্ধার (Recovery): 
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়।
- এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

১৪.
‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরিটি নিচের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরিত্রিয়া
  3. রাশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

• ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি:
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হচ্ছে ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতার এ আগ্নেয়গিরি রিফট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে সুপ্ত থাকা একটি আগ্নেয়গিরিতে গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাইয়ের বিশাল মেঘ লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমান ও এমনকি ভারতের কিছু অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

১৫.
মুখ্য জোয়ার পৃথিবীর কোন অংশে সবচেয়ে বেশি ঘটে?
  1. সূর্যের দিকে থাকা অংশে
  2. সূর্যের বিপরীত দিকে থাকা অংশে
  3. চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
  4. চন্দ্রের বিপরীত পাশে থাকা অংশে
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মুখ্য জোয়ার
২. গৌণ জোয়ার
৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল
৪. মরা কটাল

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
SPARSO-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. আগারগাঁও
  3. মতিঝিল
  4. তেজগাঁও
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

- এর প্রধান কাজ হলো মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি, বন, মৎস্য, পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস), পানি সম্পদ ও ভূমি জরিপের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা করা, তথ্য সরবরাহ করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা

তথ্যসূত্র: SPARSO ওয়েবসাইট।

১৭.
জিআইএস (GIS) কৌশল প্রথম কোথায় ব্যবহার শুরু হয়? 
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

• GIS:
- GIS এর পূর্ণরূপ - Geographic Information System.
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ সালে ইসপান (Irrigation Support Project for Asia and the Near East) ফ্লাড অ্যাকশন প্লান-১৯ (ফ্যাপ-১৯) প্রকল্পে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে জিআইএস ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

১৮.
‘গর্জনশীল চল্লিশ’ কোন অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর 
  2. ৪৫° থেকে ৫৫° উত্তর
  3. ৪২° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
  4. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ 
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ 
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ গোলার্ধে ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা বায়ু কোনো বাধা ছাড়াই উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুর তীব্র আওয়াজের কারণেই একে 'গর্জনশীল চল্লিশ' বলা হয়।

• পশ্চিমা বায়ু: 
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেঁষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। 
- এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়। 
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল। 
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ুপ্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু। 
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
বাংলাদেশে মোট কতটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

- এলাকাগুলো হলো: 

১) সুন্দরবন
২) কক্সবাজার–টেকনাফ সমুদ্র সৈকত
৩) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
৪) সোনাদিয়া দ্বীপ
৫) হাকালুকি হাওর
৬) টাঙ্গুয়ার হাওর
৭) মারজাত বাওড়
৮) গুলশান–বারিধারা লেক
৯) বুড়িগঙ্গা নদী
১০) তুরাগ নদী
১১) বালু নদী
১২) শীতলক্ষ্যা নদী
১৩) জাফলং–ডাউকি নদী


তথ্যসূত্র: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২০.
নিচের কোনটি পদ্মা নদীর শাখা নদী হিসেবে পরিচিত? 
  1. তিস্তা
  2. আড়িয়াল খাঁ
  3. করতোয়া
  4. আত্রাই
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ
ব্যাখ্যা

• পদ্মা:
- উৎপত্তি: হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে।
- ভারতের মধ্যে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ।
- বাংলাদেশের মধ্যে প্রবাহ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ → রাজশাহী → কুষ্টিয়া → রাজবাড়ি (যমুনার সাথে মিলিত) → চাঁদপুর (মেঘনা নদীর সাথে মিলিত)।
- শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা, চিত্রা, তেঁতুলিয়া, বিষখালী, কীর্তনখোলা, কাউখালী, আগুনমুকা।

- উপনদী: মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
সুপ্রাচীন 'ম্যানলি লেক' এর অবস্থান কোন দেশে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ম্যানলি লেক:
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ‘ডেথ ভ্যালি’ উপত্যকায় অবস্থিত লাখো বছর পুরনো ম্যানলি লেক। 
- এর ইতিহাস ছড়িয়ে আছে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৮৬ হাজার বছর আগের সময়ে। 
- এটি পুরো উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু ভূখণ্ড- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮২ ফুট নিচে এর অবস্থান। 
- গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, একসময় ম্যানলি লেকের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। 

সম্প্রতি, 
- ডেথ ভ্যালি এলাকায় টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় হ্রদটি আবার জেগে উঠেছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। 

২২.
‘চিকেন নেক’ খ্যাত ভূখণ্ডটি ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মিজোরাম
  3. নাগাল্যান্ড 
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

• চিকেন নেক:
- 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর।
- এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত।

- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে যে সরু অংশটা, সেটাই আসলে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ নামে পরিচিত।
- শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটি বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলা হয়। 
- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এর সঙ্গে উত্তরে নেপাল, পূর্বে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং উত্তরে চীন সীমান্ত।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (নভেম্বর, ২০২৫) বাংলাদেশের সীমান্তের ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে আসাম রাজ্যের ধুবড়ি শহরে ‘লাচিত বোরফুকান নামে একটি সেনাঘাঁটি করছে ভারত সরকার। 

তথ্যসূত্র: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

২৩.
উপকূলীয় বন বাংলাদেশে কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. পিরোজপুর
  2. লক্ষ্মীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%। 

- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
 - বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে। 
- উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

২৪.
'স্টবাক' জলপ্রপাতটি  যে দেশে অবস্থিত - 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২৫.
একই অক্ষাংশে থাকা দিনাজপুর ও শিলং-এর জলবায়ুতে বৈচিত্র্য প্রধানত কোন কারণে ঘটে?
  1. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  2. উচ্চতার পার্থক্য
  3. দ্রাঘিমার তারতম্য
  4. উদ্ভিদ আচ্ছাদন
সঠিক উত্তর:
উচ্চতার পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতার পার্থক্য
ব্যাখ্যা

• উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু ধারণ করে।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম।
- উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬.
দিয়াশলাই শিল্পে ব্যবহৃত হয় কোন গাছের কাঠ? 
  1. গেওয়া
  2. কেওড়া
  3. গরান
  4. ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
- কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

- দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ নিচের কোনটি?
  1. সুমাত্রা
  2. নিউগিনি
  3. গ্রিনল্যান্ড
  4. বোর্নিও
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২৮.
সুন্দরবনের আয়তন বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের কত শতাংশ?
  1. ৩.৯%
  2. ৪.২%
  3. ৪.৬%
  4. ৫.৪%
সঠিক উত্তর:
৪.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২%
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

২৯.
নিম্নলিখিত পর্বতগুলির মধ্যে কোনটি আগ্নেয় পর্বত নয়?
  1. পিনাটুবো 
  2. কিলিমানজারো
  3. ভিসুভিয়াস
  4. হেনরী
সঠিক উত্তর:
হেনরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত ল্যাকোলিথ পর্বতের উদাহরণ। 

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):

- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়।
- একে সঞ্চিত পর্বতও বলে। 
- এই পর্বত সাধারণত মোচা আকৃতির হয়ে থাকে। 
 আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হল:
- ইতালির ভিসুভিয়াস 
- কেনিয়ার কিলিমানজারো। 
- জাপানের ফুজিয়ামা 
- ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত। 

• ল্যাকোলিথ পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ নয়? 
  1. গ্রাফাইট
  2. গ্রানাইট 
  3. কোয়ার্টজাইট 
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট 
ব্যাখ্যা

- গ্রানাইট রূপান্তরিত শিলা নয়। এটি আগ্নেয় শিলার অন্তর্ভুক্ত। 
- অন্যদিকে, গ্রাফাইট, কোয়ার্টজাইট, মার্বেল রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। 

• রূপান্তরিত শিলা:

- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

• রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

• আগ্নেয় শিলা: 
- পৃথিবীর সৃষ্টির আদি পর্যায়ের উত্তপ্ত অবস্থা ক্রমান্বয়ে তরল ও কঠিন আকার ধারণ করে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন আগ্নেয় শিলার মধ্যে রয়েছে:
- ব্যাসল্ট
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী। 

৩১.
'ভি' আকৃতির উপত্যকা নিচের কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়ে থাকে?   
  1. পার্শ্বক্ষয়ের ফলে
  2. পার্শ্বক্ষয় তলদেশের ক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে 
  3. তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  4. পাহাড়ি ভূমিধসের প্রভাবে 
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
ব্যাখ্যা

- সাধারণত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর স্রোতের বেগ প্রবল থাকে।
- এই অবস্থায় ক্ষয় ও বহন উভয় প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও ক্ষয় কার্যের প্রাধান্য থাকে এবং নদী খাত 'V' অক্ষরের ন্যায় হয়।

• 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি প্রক্রিয়া:
- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি।
- তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি।
- নদী উপত্যকার মধ্যভাগ ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
- পরে পার্শ্বক্ষয় বৃদ্ধি পেলে উপত্যকা প্রশস্ত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩২.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বাংলাদেশের মোট ভূমির কোন অংশ দখল করে? 
  1. ১২ শতাংশ
  2. ১৫ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ১০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।

• প্রকারভেদ: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

তথ্যসূত্র: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
নিচের কোনটি এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী নয়? 
  1. কার্বন মনোঅক্সাইড
  2. সালফার ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন অক্সাইড
  4. সালফিউরিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোঅক্সাইড
ব্যাখ্যা

- কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী নয়। 

• এসিড বৃষ্টি: 

- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 

- এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ি দাবানল, বজ্রপাত, গাছপালার পচন, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং সালফার ডাই অক্সাইড বের হয়, যা পরে বাতাসের অক্সিজেন ও বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করে।
- একইভাবে বিভিন্ন শিল্প কারখানা বিশেষ করে কয়লা বা গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, ইট ভাটা, যানবাহন, চুলা ইত্যাদি উৎস থেকে সালফার ডাই অক্সাইড বের হয়, যা এসিডে পরিনত হয় এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 

• এসিড বৃষ্টির কারণ: 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন- NO, NO2). 
- এর মূলে তিনটি এসিডের (H2SO3, H2SO4, HNO3 এর) ভূমিকা রয়েছে; যা প্রাইমারি বায়ুদূষক SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (NOx) হতে উৎপন্ন হয়। 
 
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
 
তথ্যসূত্র: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।  

৩৪.
নিচের কোনটি লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা?
  1. ২১ মিটার
  2. ২৫ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৩৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
ব্যাখ্যা

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর আয়তন ৩৪ বর্গকিমি।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের বা প্রায় ২৫ হাজার বছর আগে গঠিত একটি ভূমিরূপ।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবহাওয়ায় এল নিনো প্রধানত কোন প্রভাব ফেলে? 
  1. বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টিপাতে অনিয়ম সৃষ্টি হয় 
  2. গ্রীষ্মে তাপমাত্রা হ্রাস পায়
  3. ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়ে যায়
  4. শীতকালীন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টিপাতে অনিয়ম সৃষ্টি হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টিপাতে অনিয়ম সৃষ্টি হয় 
ব্যাখ্যা

- এল নিনো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে।
 
• এল নিনো:
• এল-নিনো:
- এল নিনো (El Nino) একটি স্প্যানিশ শব্দ।
- এর আক্ষরিক অর্থ হলো ছোট ছেলে।
- এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলীয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার একটি জলবায়ু ঘটনা। 
- যা বিশ্বব্যাপী এবং আঞ্চলিক আবহাওয়ার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। 

- ‘এল-নিনো’ মূলত উষ্ণ প্রকৃতির জলবায়ুর একটি ধরণ যা মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রার জন্য দায়ী।
- এর স্থায়িত্ব সাধারণত ৯-১৮ মাস।
- বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবহাওয়ার ক্ষেত্রে এল নিনোর প্রভাব নিম্নরূপে বিশ্লেষণ করা যায়:
- এল-নিনো’র সময়ে অন্যান্য সময়ের চেয়ে কম বৃষ্টি হয় এবং বন্যাও কম হয়।
- এ সময় তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়।
- এল-নিনো সাধারণত প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং  National Oceanic and Atmospheric Administration ও  BBC.

৩৬.
‘সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার 
  3. রাঙামাটি
  4. চট্টগ্রাম 
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

• সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- অবস্থান: জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৩৭.
'ক্লিউচেভস্কায়া' আগ্নেয়গিরি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• ক্লিউচেভস্কায়া আগ্নেয়গিরি:
- রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কামচাটকা উপদ্বীপে অবস্থিত একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ।
- এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে একটি, যা ১৫,৫৮৪ ফুট (৪,৭৫০ মিটার) উচ্চতায় উত্থিত। 
-  আগ্নেয়গিরিটি একটি কেন্দ্রীয় গর্ত সহ একটি ছেঁটে ফেলা শঙ্কু নিয়ে গঠিত,
- এটির নীচের ঢালে প্রায় ৭০টি পার্শ্বীয় গর্ত এবং শঙ্কু রয়েছে।
- ১৭০০ সাল থেকে ৫০ বারেরও বেশি সময় ধরে অগ্ন্যুৎপাত হওয়া এই আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য হল এর চূড়ার উপরে ক্রমাগত ধোঁয়া উড়ছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।