পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস ২৫ দিনে ফাইনাল রিভিশন - বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন কে?
  1. ক) টি. এইচ. খান
  2. খ) এস এ রহমান
  3. গ) মুকসুমুল হাকিম
  4. ঘ) এম আর খান
ব্যাখ্যা

১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলায় আসামী করা হয়।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এই মামলার বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালের,
- প্রধান বিচারপতি: এস এ রহমান
- সদস্য: এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি:
- মনজুর কাদের
- অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান।

বাদী পক্ষের আইনজীবী:
- আবদুস সালাম খান
- স্যার টমাস উইলিয়াম।

এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ গুলি করে হত্যা করা হয়।
এতে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে যার ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)

.
‘দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ বইটি কার লেখা?
  1. ক) সুখওয়ান্ত সিং
  2. খ) রফিকুল ইসলাম
  3. গ) আর্চার কে ব্লাড
  4. ঘ) এ টি এম হায়দার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের উপর ‘দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ বইটি মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং রচিত।
এটির পুরো নাম হলো ‘ইন্ডিয়ান ওয়ার সিন্স ইন্ডিপেন্ডেন্স : দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ (১৯৯৮)।
মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে কর্মরত ছিলেন।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো এবং আমাজন ডটকম)
.
‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয় কবে?
  1. ক) ১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৫ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৯৬)
.
'বর্গী' নামে পরিচিত ছিলো কারা?
  1. ক) পর্তুগিজ জলদস্যু
  2. খ) দিনেমার
  3. গ) আরাকানের জলদস্যু
  4. ঘ) মারাঠা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ ভারতের মারাঠারা বাংলায় ‘বর্গী’ নামে পরিচিত ছিলো।
মারাঠা সৈন্যবাহিনীর সর্বনিম্ন পদধারী সৈনিকরা ‘বরগি’ নামে পরিচিত ছিলো। এই বরগি থেকেই বর্গী নামের উদ্ভব।
আঠারো শতকে বাংলায় বর্গীরা ব্যাপক লুটতরাজ চালায়।
অন্যদিকে,
- পর্তুগিজ জলদস্যু : ফিরিঙ্গি
- আরাকানের জলদস্যু : মগ
- ডেনমার্কের অধিবাসীরা : দিনেমার।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে কার সমাধি রয়েছে?
  1. ক) শাহজাহানের স্ত্রী
  2. খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. গ) ঈসা খানের বোন
  4. ঘ) মীর জুমলার কন্যা
ব্যাখ্যা
ঢাকার লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়্স্তা খানের কন্যা ইরান দুখত রহমত বানু এর সমাধি অবস্থিত।
তিনি পরীবিবি নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র মুহাম্মদ আযম এর স্ত্রী।
মৃত্যুর পর তাকে লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
নিচের কে ফকির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) ভবানী পাঠক
  2. খ) দুদু মিয়া
  3. গ) মজনু শাহ
  4. ঘ) মীর নিসার আলী
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধের পর বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
আঠারো শতকে ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এই আন্দোলনের ব্যাপ্তি ছিলো।
এই আন্দোলনে ফকিরদের নেতৃত্ব দেন মজনু শাহ। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মুসা শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বকস প্রমুখ।
অন্যদিকে, সন্ন্যাসীদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে মোট কতজনকে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ১৭৫ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ৬৭৬ জন কে বীরত্ব সূচক খেতাব প্রদান করে।
- মোট খেতাবপ্রাপ্ত : ৬৭৬ জন
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭ জন
- বীরউত্তম : ৬৮ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৬ জন।
তবে গত ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ হাইকোর্ট বঙ্গবন্ধুর চার খুনি বীরত্ব সূচক খেতাব স্থগিতের নির্দেশ দেয়। এরা হলো:
- শরীফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- মোসলেহ উদ্দিন (বীর প্রতীক)।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের,
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
১৯৭১ সালে কোন রাজনৈতিক দলটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো?
  1. ক) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
  3. গ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফফর)
  4. ঘ) জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
- পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
- জামায়াতে ইসলামী
- মুসলিম লীগ প্রভৃতি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ প্রচার করা হয়?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ
  2. খ) সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ঘ) গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্রলীগ ও ডাকসু নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। ৩ মার্চ এই পরিষদের পক্ষ থেকে পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা শাহজাহান সিরাজ এই ইশতেহার পাঠ করেন।
এতে মোট ৫টি দফা বা ঘোষণা ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১১.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনাকারী কে ছিলেন?
  1. ক) আব্দুল মান্নান
  2. খ) বেলাল আহমেদ
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’
এই অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান

স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি, উপস্থাপক/পাঠক/কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয় এবং জনগণের নৈতিক মনোবল সুদৃঢ়করণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)

১২.
লালন শাহ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) মাগুরা
  2. খ) যশোর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বাউল সম্রাট লালন শাহ ১৭৭২ সালে ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে অন্য একটি মতে তার জন্ম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে।
তিনি প্রায় দুইহাজার বাউল গান রচনা করেন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে লালনের আখড়া অবস্থিত।
এখানেই ১৮৯০ সালে তিনি মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩.
দুর্ভিক্ষের উপর অংকিত চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ক) মনপুরা-৭০
  2. খ) ম্যাডোনা-৪৩
  3. গ) সংগ্রাম
  4. ঘ) হত্যাযজ্ঞ
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত হওয়া দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন 'ম্যাডোনা-৪৩' নামে একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম অংকন করেন।
জয়নুল আবেদীনের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে: সংগ্রাম, নবান্ন ইত্যাদি।
‘হত্যাযজ্ঞ’ এস এম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১৪.
একুশ দফা কোন প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়?
  1. ক) ৫২'র ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ৫৪'র প্রাদেশিক নির্বাচন
  3. গ) ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) ৬২'র শিক্ষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
এর প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা। এটি প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
উক্ত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) নজরুল ইসলাম বাবু
  2. খ) গোবিন্দ হালদার
  3. গ) আপেল মাহমুদ
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির রচয়িতা গোবিন্দ হালদার।
এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। এতে কণ্ঠ দেন আপেল মাহমুদ।
গোবিন্দ হালদারের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে ইত্যাদি৷
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১৭ টি
  4. ঘ) ১৮ টি
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন কে?
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) মোনায়েম খান
  3. গ) আব্দুল মোত্তালিব মালিক
  4. ঘ) আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান। তবে ১৭ সেপ্টেম্বর টিক্কা খান কে সরিয়ে ডা. আব্দুল মোত্তালিব মালিক কে গর্ভনর করা হয়।
একই সময়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ১৪ ডিসেম্বর এই মন্ত্রিসভা পদত্যাগে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী, পৃষ্ঠা-২৪)
১৮.
নিচের কোন জন ভাষা শহিদ নন?
  1. ক) আব্দুল জব্বার
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) শফিউর রহমান
  4. ঘ) আবুল বরকত
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যে আবুল বরকত, শফিউর রহমান, আবদুল জব্বার, আব্দুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ জীবন উৎসর্গ করেন।
অন্যদিকে, মতিউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর সেনানী। তবে ‘মতিউর’ নামে নবম শ্রেণীর এক কিশোর ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৯.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের তুলনায় শতকরা কত ভাগ বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ১২ ভাগ
  2. খ) ১৪ ভাগ
  3. গ) ১৭ ভাগ
  4. ঘ) ২৪ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ১৭ ভাগ।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২৫,৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ট্রিবিউন)
২০.
বনবিভাগের উদ্যোগে প্রথম রাবার বাগান গড়ে উঠে কবে?
  1. ক) ১৮৬৪ সালে
  2. খ) ১৯১০ সালে
  3. গ) ১৯৬০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়।
এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।
বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৭টি রাবার বাগান রয়েছে যার মোট আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার একর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
২১.
নিচের কোনটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি?
  1. ক) শালবন
  2. খ) উপকূলীয় বনভূমি
  3. গ) সিলেট পাহাড়িয়া বনভূমি
  4. ঘ) সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর। টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২২.
ধান চাষের জন্যে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উপযোগী?
  1. ক) ১৪°-২৬° সেলসিয়াস
  2. খ) ২২°-৩৬° সেলসিয়াস
  3. গ) ১৬°-৩০° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২০°-৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। ধান চাষের জন্যে ১৬°-৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত সবচেয়ে উপযোগী।
নদী অববাহিকার পলিমাটিতে ধানের ফলন সবচেয়ে ভালো হয়।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৩.
বাংলাদেশে মাছ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. ক) সমুদ্র
  2. খ) নদী ও নদীর মোহনা
  3. গ) পুকুর
  4. ঘ) প্লাবিত জলাশয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
উৎস অনুসারে মৎস্য উৎপাদন:
- পুকুর : ৪৫.০৪ শতাংশ
- প্লাবিত জলাশয় : ১৭.৮২ শতাংশ
- সমুদ্র : ১৫.০৫ শতাংশ
- নদী ও নদীর মোহনা : ৭.৪২ শতাংশ
- চিংড়ি ঘের : ৫.৮৯ শতাংশ
- মৌসুমী জলাশয় : ৪.৯৬ শতাংশ
- বিল : ২.২৮ শতাংশ।
(উৎসঃ বাংলাদেশ মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০১৮-২০১৯)
২৪.
নিচের কোন উদ্ভিদটি সুন্দরবনে জন্মায় না?
  1. ক) পশুর
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) কেওড়া
  4. ঘ) চাপালিশ
ব্যাখ্যা
‘সুন্দরবন’ বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্য ৩৫টি প্রজাতি হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের।
সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ হলো সুন্দরী ও গেওয়া।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- কেওড়া
- ধুন্দল
- বাইন
- গোলপাতা
- ওড়া
- পশুর প্রভৃতি।
অন্যদিকে, চাপালিশ উদ্ভিদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২৫.
ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮৬ ভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ২০১৮-১৯ সময়ে দেশে ইলিশের মোট উৎপাদরে পরিমাণ ছিলো প্রায় ৫.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
‘ওয়ার্ল্ড ফিশ’ প্রকাশিত ২০২০ সালে রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে,
- প্রথম : বাংলাদেশ : ৮৬ শতাংশ
- দ্বিতীয় : ভারত : ১০.৫ শতাংশ
- তৃতীয় : মিয়ানমার : ৩ শতাংশ।
(সূত্রঃ মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
২৬.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সফল ও অগ্রণী
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) উত্তরণ ও মোহর
  4. ঘ) মিন্টু ও বাহার
ব্যাখ্যা
- সরিষার জাত সমূহ: সফল, অগ্রণী, টরি-৭, সোনালি, কল্যাণীয়া, দৌলত, বিনা সরিষা
- সোনালিকা ও আকবর : গম
- উত্তরণ ও মোহর : ভুট্টা
- মিন্টু ও বাহার : টমেটো।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
২৭.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট তামাক উৎপাদিত হয় ৮২,৩৯৯ মেট্রিক টন।
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- প্রথম : কুষ্টিয়া : ৩৬,৮৬৯ মে. টন
- দ্বিতীয় : লালমনিরহাট : ১৫,৩০৫ মে. টন
- তৃতীয় : নীলফামারী : ৮,৩৫০ মে. টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
২৮.
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩৩.২৬ কোটি মা. ডলার
  2. খ) ৪৫.৬১ কোটি মা. ডলার
  3. গ) ৫৯.৩৬ কোটি মা. ডলার
  4. ঘ) ৯৯.১৯ কোটি মা. ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ ৪৫.৬১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
হিমায়িত খাদ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- মাছ : ৭.৫৩ কোটি ডলার
- চিংড়ি : ৩৩.২৬ কোটি ডলার
- অন্যান্য : ৪.৮২ কোটি ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
২৯.
দেশে স্থাপিত প্রথম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি.
  2. খ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
  3. গ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
  4. ঘ) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
ব্যাখ্যা
দেশে স্থাপিত প্রথম সার কারখানা হলো ‘ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড’।
এটি ১৯৬১ সালে সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত হয়। যার কারণে এটি ‘ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা’ নামেই অধিক পরিচিত।
এটি কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং এশিয়া মহাদেশেরও প্রথম সার কারখানা। এই কারখানায় ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া সালফেট সার উৎপাদিত হতো।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ও অব্যাহত লোকসানের কারণে ২০২০ সালে কারখানাটির যন্ত্রপাতি নিলামে বিক্রি করে সরকার এটিকে স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে।
(সূত্র: বিসিআইসি এবং সিলেট জেলা ওয়েবসাইট)
৩০.
দেশের মোট রপ্তানি আয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান কততম?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি আয়ের দিক থেকে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলো পাট ও পাটজাত পণ্য ৮৮২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি লক্ষ্যমাত্রার (৮২৪ মি. মা. ডলার) চেয়ে ৭.০৮ ভাগ বেশি।
রপ্তানি আয়ে শীর্ষ ছিলো তৈরি পোশাক (২৭.৯৫ বিলিয়ন মা. ডলার)।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৩১.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে নিচের কোন দেশে জিএসপি সুবিধা পেয়ে আসছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- কানাডা
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে
- সুইজারল্যান্ড
- যুক্তরাজ্য।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৩২.
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের শীর্ষ খাত ছিলো কোনটি?
  1. ক) টেক্সটাইল
  2. খ) টেলিযোগাযোগ
  3. গ) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  4. ঘ) ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে নীট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৩৭০.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগের শীর্ষ খাত সমূহ:
- প্রথম : পাওয়ার বা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
- দ্বিতীয় : ব্যাংকিং
- তৃতীয় : টেক্সটাইল।
শীর্ষ বিনিয়োগে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ‍যুক্তরাজ্য
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
- তৃতীয় : নরওয়ে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৩৩.
গত অর্থবছরে দেশে সরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কত ভাগ?
  1. ক) ৮.১২ ভাগ
  2. খ) ১২.৩৪ ভাগ
  3. গ) ২৩.৬৩ ভাগ
  4. ঘ) ৩১.৭৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে,
- মোট জাতীয় বিনিয়োগের পরিমাণ (জিডিপি'র) : ৩১.৭৫ ভাগ।
- বেসরকারি বিনিয়োগ : ২৩.৬৩ ভাগ।
- সরকারি বিনিয়োগ : ৮.১২ ভাগ।
- মোট দেশজ সঞ্চয় : ২৫.৩১ ভাগ।
- জাতীয় সঞ্চয় : ৩০.১১ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৩৪.
‘জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি’র নাম কী?
  1. ক) NICAR
  2. খ) ECNEC
  3. গ) BPSC
  4. ঘ) ECNES
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
(সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
৩৫.
বর্তমানে দেশে চরম দারিদ্র্য হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৯.৯ শতাংশ
  2. খ) ১০.৫ শতাংশ
  3. গ) ১৩.২ শতাংশ
  4. ঘ) ২০.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশে উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ এবং চরম বা নিম্ন দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৩৬.
Bangladesh Development Forum এর সর্বশেষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
Bangladesh Development Forum (BDF) এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক।
BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো ‘বাংলাদেশ এইড গ্রুপ’। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
৩৭.
বর্তমানে দেশে আয়কর হার কতটি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ আয়কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ।
মোট আয়কর হার ৫টি। এগুলো হলো:
- ৫ শতাংশ
- ১০ শতাংশ
- ১৫ শতাংশ
- ২০ শতাংশ
- ২৫ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের পূর্বে সর্বোচ্চ করহার ছিলো ৩০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ।
(সূত্র: অর্থবিভাগ)
৩৮.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে অনুদান ব্যতীত মোট ঘাটতির পরিমাণ কত?
  1. ক) ১,৮৫,৯৮৭ কোটি টাকা
  2. খ) ১,৯০,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,১৫,৬৪৩ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুদান ব্যতীত মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ৬.০ শতাংশ।
অনুদানসহ ঘাটতি ১,৮৫,৯৮৭ কোটি টাকা যা জিডিপির ৫.৮ শতাংশ।
চলতি বাজেটে বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ৪,০১৩ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)