পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
Exam - 91 Bangla: Topic: বাক্যের শ্রেণি বিভাগ, বাক্য রূপান্তর, বাক্য শুদ্ধি, যতিচিহ্ন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
আশ্রিত খণ্ডবাক্য কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

আশ্রিত খণ্ডবাক্য তিন প্রকার:
১) বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
২) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
৩) ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য।

বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের যে কোনো পদের আশ্রিত থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যথা -
- আমি মাঠে গিয়ে দেখলাম, খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে।
- ব্যাপারটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে ফল ভালো হবে না।

বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ এবং অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। যথা -
- লেখাপড়া করে যেই, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সেই। (আশ্রিত বাক্যটি 'সেই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)।
তদ্রুপ -
- 'খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।'
- 'ধনধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা।'
- যে এ সভায় অনুপস্থিত, সে বড় দুর্ভাগা।

ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। যেমন:
- ‘যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।’
- তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
- যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'পৃথিবীতে অবাস্তব বলে কিছু নেই।' - বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তা সবই বাস্তব।
  2. পৃথিবীতে বাস্তব ও অবাস্তব উভয়ই আছে।
  3. পৃথিবীতে অনেক কিছু আছে, কিন্তু অবাস্তব কিছু নেই।
  4. পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিস অবাস্তব নয়।
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীতে অনেক কিছু আছে, কিন্তু অবাস্তব কিছু নেই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীতে অনেক কিছু আছে, কিন্তু অবাস্তব কিছু নেই।
ব্যাখ্যা

সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্য রূপান্তর: 
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু,অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

যেমন:
সরল বাক্য: পৃথিবীতে অবাস্তব বলে কিছু নেই।
যৌগিক বাক্য: পৃথিবীতে অনেক কিছু আছে, কিন্তু অবাস্তব কিছু নেই।

সরল বাক্য: সে পরিশ্রমী হলেও নির্বোধ
যৌগিক বাক্য: সে পরিশ্রমী বটে, কিন্তু নির্বোধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'নেতা জনগণকে উৎসাহিত করলেন বটে, কিন্তু, কোনো পথ দেখাতে পারলেন না।' - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল 
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. খণ্ড
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য:
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণবাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
জ্ঞাতব্য: যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত বা সমন্বিত থাকে।

যেমন:
- নেতা জনগণকে উৎসাহিত করলেন বটে, কিন্তু, কোনো পথ দেখাতে পারলেন না।
- বস্ত্ৰ মলিন কেন, কেহ জিজ্ঞাসা করিলে সে ধোপাকে গালি পাড়ে, অথচ ধৌত বস্ত্রে তাহার গৃহ পরিপূর্ণ।
- উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দ্বারস্থ হব না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ , নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. এটা অপক্ক হাতের লেখা।
  2. দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
  3. অতিলোভে তাতী নষ্ট।
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা

উপরিউক্ত সবগুলোই বাক্য অশুদ্ধ।

অশুদ্ধ বাক্য: অতিলোভে তাতী নষ্ট।
শুদ্ধ বাক্য: অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।

অশুদ্ধ বাক্য: দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
শুদ্ধ বাক্য: দশচক্রে ভগবান ভূত।

অশুদ্ধ বাক্য: এটা অপক্ক হাতের লেখা।
শুদ্ধ বাক্য: এটা কাঁচা হাতের লেখা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।' - বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি?
  1. সুসংবাদ পাওয়ার পর সে আনন্দিত হলো।
  2. সে সুসংবাদটা পেল এবং সে আনন্দিত হলো।
  3. যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।
  4. সে সুসংবাদটা পেয়েই, আনন্দিত হলো।
সঠিক উত্তর:
যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।
ব্যাখ্যা

সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য:
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়। 
যেমন- 

সরল বাক্য: দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য। 
জটিল বাক্য: যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য। 

সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।
জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

গঠন অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকার:
(১) সরল বাক্য,
(২) মিশ্র বা জটিল বাক্য,
(৩) যৌগিক বাক্য।

১. সরল বাক্য:
একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
 যেমন- জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।

২. জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
 যেমন- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

৩. যৌগিক বাক্য:
এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে।
 যেমন- রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।

.
কোনটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য?
  1. কী বীভৎস, এই নারকীয় হত্যাকান্ড।
  2. দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন।
  3. সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
  4. তারা তোমাদের ভোলেনি।
সঠিক উত্তর:
দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন।
ব্যাখ্যা

অনুজ্ঞাসূচক বাক্য:
- আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয় ।

যেমন:
- আমাকে একটি কলম দাও।
- তার মঙ্গল হোক।
- দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন/দিন

অন্যদিকে,
বিবৃতিমূলক বাক্য - তারা তোমাদের ভোলেনি।
প্রশ্নবোধক বাক্য - সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
আবেগসূচক বাক্য - কী বীভৎস, এই নারকীয় হত্যাকান্ড।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
কোনটি অশুদ্ধ বাক্য?
  1. আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
  2. পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
  3. আমি অপমানিত হয়েছি।
  4. বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
শুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- আমি অপমানিত হয়েছি।
- আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
উপরিউক্ত বাক্যগুলো শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোনটি জটিল বাক্যের উদাহরণ?
  1. উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দ্বারস্থ হব না।
  2. যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
  3. বস্ত্র মলিন কেন, কেহ জিজ্ঞাসা করিলে সে ধোপাকে গালি পাড়ে, অথচ ধৌত বস্ত্রে তাহার গৃহ পরিপূর্ণ।
  4. দোষ স্বীকার করলে তোমার কোনো শাস্তি হবে না।
সঠিক উত্তর:
যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
ব্যাখ্যা

মিশ্র বা জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।

ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। 

যেমন:
- ‘যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।
- তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
- যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।

অন্যদিকে,
যৌগিক বাক্য - বস্ত্র মলিন কেন, কেহ জিজ্ঞাসা করিলে সে ধোপাকে গালি পাড়ে, অথচ ধৌত বস্ত্রে তাহার গৃহ পরিপূর্ণ। উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দ্বারস্থ হব না।
সরল বাক্য - দোষ স্বীকার করলে তোমার কোনো শাস্তি হবে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
  2. তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
  3. আমি সন্তোষ হলাম।
  4. আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
সঠিক উত্তর:
আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

অন্যদিকে:
অশুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তোষ হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তুষ্ট হলাম।

অশুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

অশুদ্ধ বাক্য: অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
শুদ্ধ বাক্য: অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
কোনটি যৌগিক বাক্য?
  1. যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
  2. কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি।
  3. তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করে আছি।
  4. এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না।
সঠিক উত্তর:
এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না।
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য:
- দুই বা তার অধিক সরল বা জটিল বাক্য মিলিত হয়ে যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তবে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

যেমন:
ছেলেটি গরিব কিন্তু মেধাবী।
দুঃখ এবং বিপদ এক সাথে আসে।
এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না।

অন্যদিকে,
জটিল বাক্য:
যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি।
তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করে আছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, অষ্টম শ্রেণি।

১২.
'তিনি আসতে পারলেন না, কারণ তিনি অসুস্থ।' - বাক্যটির সরল রূপ কোনটি?
  1. তিনি অসুস্থ হওয়ায় আসতে পারলেন না।
  2. তিনি সুস্থ থাকলে আসতে পারতেন।
  3. তিনি অসুস্থ তাই আসতে পারলেন না।
  4. অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারলেন না।
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারলেন না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারলেন না।
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্য পরিবর্তন:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া। তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।

যেমন:
যৌগিক বাক্য: তিনি আসতে পারলেন না, কারণ তিনি অসুস্থ।
সরল বাক্য: অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারলেন না।

যৌগিক বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।
সরল বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ড্যাশ
  2. কমা
  3. দাঁড়ি
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
ড্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যাশ
ব্যাখ্যা

ড্যাশ (-):
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়। 

যেমন: 
- বাংলাদেশ দল জয়লাভ করেছে – বিজয়ের আনন্দে দেশের জনগণ উচ্ছ্বসিত। 
- ঐ লোকটি – যিনি গতকাল এসেছিলেন – তিনি আমার মামা।

অন্যদিকে,
কোলন (:) - বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।কমা: - কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
দাঁড়ি - দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৪.
"ব্যাপারটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে ফল ভালো হবে না।" - এখানে কোন ধরনের খণ্ডবাক্য রয়েছে?
  1. বিশেষণ স্থানীয়
  2. ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয়
  3. বিশেষ্য স্থানীয়
  4. কার্যবাচক
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য স্থানীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য স্থানীয়
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের যে কোনো পদের আশ্রিত থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যথা:
- আমি মাঠে গিয়ে দেখলাম, খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে।
- ব্যাপারটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে ফল ভালো হবে না।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
'দাঁড়ি' চিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু?
  1. থামার প্রয়োজন নেই
  2. এক বলতে যে সময় প্রয়োজন
  3. এক বলার দ্বিগুণ সময়
  4. এক সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি।
- বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়। এর বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
- অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়। 

যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
কোনটি সক্রিয় বাক্য? 
  1. তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। 
  2. মেসি বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার
  3. আমার মা চাকরি করেন।
  4. সে গণিতে দক্ষ।
সঠিক উত্তর:
আমার মা চাকরি করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার মা চাকরি করেন।
ব্যাখ্যা

• বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্যকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়:
১. সক্রিয় বাক্য ও
২. অক্রিয় বাক্য।

সক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে, সেগুলােকে সক্রিয় বাক্য বলে। 
যেমন – আমার মা চাকরি করেন।

অক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে না, সেগুলােকে অক্রিয় বাক্য বলে। 
যেমন - তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। মেসি বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার। সে গণিতে দক্ষ।
তবে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের প্রয়ােগে এগুলাে সক্রিয় বাক্য হয়ে যায়।
যেমন – 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন' বা 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৭.
'কোলন ড্যাস' কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. কোনো কিছু উদ্ধৃত করার কাজে
  2. দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে
  3. উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে
  4. বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে
সঠিক উত্তর:
উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে
ব্যাখ্যা

কোলন ড্যাস (:-)
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
পদ পাঁচ প্রকার:-
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

অন্যদিকে,
 উদ্ধৃতি চিহ্ন (‘ ’): - কোনো কিছু উদ্ধৃত করার কাজে উদ্ধারচিহ্নের ব্যবহার হয়।
ড্যাস: - সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাস ব্যবহৃত হয়।
হাইফেন: - বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
  2. অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।
  3. তারা বাড়ি যাচ্ছে।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• উপরিউক্ত সবগুলো বাক্য শুদ্ধ।

শুদ্ধ বাক্য: তারা বাড়ি যাচ্ছে।
শুদ্ধ বাক্য: অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৯.
'যতদিন জীবিত থাকব, ততদিন এ ঋণ স্বীকার করব।' - বাক্যটির সরল রূপ কোনটি?
  1. আমি জীবিত থাকাকালীন এ ঋণ স্বীকার করব।
  2. আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।
  3. আমি কখনো এ ঋণ অস্বীকার করব না।
  4. যতদিন জীবিত আছি এ ঋণ স্বীকার করব।
সঠিক উত্তর:
আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।
ব্যাখ্যা

মিশ্র বা জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর:
- মিশ্র বা জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মিশ্র বাক্যের অপ্রধান খন্ডবাক্যটিকে সংকুচিত করে একটি পদ বা একটি বাক্যাংশে পরিণত করতে হয়৷

যথা:
মিশ্র বাক্য: যতদিন জীবিত থাকব, ততদিন এ ঋণ স্বীকার করব।
সরল বাক্য: আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।

মিশ্র বাক্য: যে সব পশু মাংশ খায়, তারা খুব বলবান হয়।
সরল বাক্য: সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
কোনটি আবেগবাচক বাক্য?
  1. আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম।
  2. তারা তোমাদের ভোলেনি।
  3. আমাকে একটি কলম দাও।
  4. অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!
সঠিক উত্তর:
অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!
ব্যাখ্যা

আবেগবাচক বাক্য:
- কোনো কিছু দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে আবেগবাচক বাক্য বলে।

যেমন:
- দারুণ! আমরা জিতে গিয়েছি।
- অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!

অন্যদিকে,
অনুজ্ঞাবাচক বাক্য - আমাকে একটি কলম দাও।
বিবৃতিবাচক বাক্য - আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম। তারা তোমাদের ভোলেনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২১.
'বন্ধনী' চিহ্ন কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

বন্ধনী:
- অতিরিক্ত তথ্য উপস্থাপন ও কালনির্দেশের ক্ষেত্রে বন্ধনীর ব্যবহার হয়।

- বন্ধনী তিন প্রকার:
১) প্রথম বন্ধনী ( ),
২) দ্বিতীয় বন্ধনী { },
৩) তৃতীয় বন্ধনী  [ ]।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
'অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।' - বাক্যটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. সমাস ঘটিত
  2. সন্ধি জনিত
  3. বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত
  4. প্রত্যয়জনিত
সঠিক উত্তর:
বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত
ব্যাখ্যা

বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল:
- বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ কিংবা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করলে এ ধরনের ভুল হয়।

যেমন:
- আবশ্যক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর বদলে ঈয় প্রত্যয় যোগ করে আবশ্যকীয় শব্দের ব্যবহার যথাযথ নয়।

অশুদ্ধ: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
শুদ্ধ: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৩.
'সেমিকোলন' ব্যবহৃত হয় না -
  1. শব্দ বা পদের পরে
  2. একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একবাক্যে লিখতে
  3. কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে
  4. উপরের সবগুলো কাজে 'সেমিকোলন' ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
শব্দ বা পদের পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ বা পদের পরে
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন (;):
- কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম সময়ের বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- শব্দ বা পদের পরে সেমিকোলন বসে না। সাধারণত বাক্যাংশের পরে বসে।
যেমন:
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে; পৃথিবী সূর্যের চারদিকে।

সেমিকোলন চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।