পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 6 Penal Code-1860: Test-2 Topic ➝ Section 295-402 • Offences relating to religion • Offences affecting the human body • Offences against property (Theft, Extortion, Robbery and Dacoity)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
যদি কেউ 'ক' কে হত্যার intention বা knowledge নিয়ে কোন কাজ করে, কিন্তু তার ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয় (যার মৃত্যুর intention তার ছিল না), তাহলে অপরাধটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে শাস্তিযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১ এ precisely এই নীতিটি বর্ণনা করা হয়েছে, যা Doctrine of Transfer of Malice (দূষ্প্রেচ্ছেদ হস্তান্তর নীতি) নামে পরিচিত।
- এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি 'ক' ব্যক্তিকে হত্যার ইচ্ছা (intention) বা জ্ঞান (knowledge) নিয়ে কোনো কাজ করে,
কিন্তু সেই কাজের ফলে 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যুর ইচ্ছা বা জ্ঞান অপরাধীর ছিল না),
তাহলে অপরাধীটি 'ক' ব্যক্তির প্রতি তার যে দূষ্প্রেচ্ছেদ (malice) বা অপরাধমূলক ইচ্ছা/জ্ঞান ছিল, তা 'খ' ব্যক্তির ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত (transfer) হবে।
অর্থাৎ, অপরাধীটি 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' কেই হত্যা করত।
যদি 'ক' কে হত্যার ইচ্ছা murder (খুন)এর পর্যায়ে পড়ত, তবে 'খ' এর মৃত্যুও murder হিসেবে গণ্য হবে।
যদি এটি culpable homicide not amounting to murder (শাস্তিযোগ্য নরহত্যা কিন্তু খুন নয়) হতো, তবে সেভাবে গণ্য হবে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ২৯৯ ধারা: এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (Culpable Homicide) সাধারণ সংজ্ঞা দেয়। এটি specific ভাবে transfer of malice-এর বিষয়টি covered করে না।
খ) ৩০০ ধারা: এটি খুন (Murder) এর সংজ্ঞা ও ব্যতিক্রমগুলি বর্ণনা করে। এটি সরাসরি এই principle-টি addressed করে না।
ঘ) ৩০২ ধারা: এটি খুনের শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধের সংজ্ঞা দেয় না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) ৩০১ ধারা, যা specifically এই বিশেষ situation-টির জন্য প্রযোজ্য।
 
 ⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

.
‘D’, একজন পুলিশ অফিসার, ‘Z’-কে অপরাধের স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ‘Z’ সাধারণ শারীরিক আঘাত পায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৩
  2. ধারা ৩২৭
  3. ধারা ৩২৯
  4. ধারা ৩৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩০ স্পষ্টভাবে বলে— যদি কেউ কাউকে আঘাত করে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি, তথ্য বা সম্পত্তি আদায় করার জন্য, তবে সে এই ধারার অধীনে অপরাধী হবে।
- এখানে ‘D’ একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে ‘Z’-কে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য, তাই তার অপরাধ ধারা ৩৩০ এর মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 

(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

.
"দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটা" – এটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুন
  2. নরহত্যা নয়
  3. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
  4. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুসারে, শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) সংঘটিত হয় যদি কেউ:
→ মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে, অথবা
→ এরূপ দৈহিক জখম ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে, অথবা
→ এমন কোনো কাজ করে যা দ্বারা মৃত্যু ঘটতে পারে বলে সে জানে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে।
প্রশ্নে উল্লিখিত "দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটা" সরাসরি ধারা ২৯৯ এর দ্বিতীয় শর্তের অন্তর্ভুক্ত। তাই এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) এর অপরাধ গঠন করে।
→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) শাস্তিযোগ্য নরহত্যা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
- Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
- Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
- Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

.
‘B’ একজন মহিলার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে, জেনে যে এটি তার লজ্জার হানি করতে পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুসারে, কোনো মহিলার উপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তার লজ্জার হানি করার উদ্দেশ্যে কাজ করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। ‘B’-এর কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ অনুসারে, মৃত্যু ঘটাবার কাজ খুন হবে যদি—
  1. কাজটি দুর্ঘটনাবশত হয়
  2. ব্যক্তি আত্মরক্ষার্থে কাজ করে
  3. আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়
  4. সরকারী কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ (তৃতীয়ত) অনুসারে, খুন হবে যদি কোন ব্যক্তি: দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, এবং সেই আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটানোর পক্ষে যথেষ্ট হয়।
অর্থাৎ, অপরাধীর আভিসন্ধি (intention) এমন একটি আঘাত দেওয়ার ছিল, যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটানোর জন্য পর্যাপ্ত। এটি খুনের একটি স্পষ্ট সংজ্ঞা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়, যা ধারা ৩০০ এর "তৃতীয়ত" এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

.
‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

.
‘A’ ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয় যাতে নৌকা ভেসে যায়, এবং এতে ‘Z’ ভয় পায়। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারণ বলপ্রয়োগ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয়, যার ফলে নৌকা ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভয় পায়। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

.
‘A’ একজন মহিলাকে অপহরণ করে, এই  উদ্দেশ্যে যে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে, কোনো মহিলাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে বা অবৈধ যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপহরণ করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ মহিলাকে অপহরণ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কাজ করেছে, যা ধারা ৩৬৬-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৬৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারার বিধান কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;
এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 366. Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.
Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.

.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ
  2. ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি
  3. ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
  4. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় যে অপরাধের বিধান রয়েছে তা হলো: কোন উপাসনালয় ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা।
- কোন শ্রেণির ব্যক্তিদের কাছে পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা। এই কাজটি করতে হবে কোন শ্রেণির ধর্মকে insult করার উদ্দেশ্যে অথবা এই জ্ঞান সত্ত্বেও যে, এই কাজটি উক্ত শ্রেণির ধর্মের প্রতি একটি insult হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে,
ক) কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ → এটি ধারা ২৯৭ তে বর্ণিত।
খ) ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি → এটি ধারা ২৯৬ তে বর্ণিত।
ঘ) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ → এটি ধারা ২৯৮ তে বর্ণিত।
সুতরাং, ২৯৫ ধারার মূল বিষয় হলো ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তুকে নষ্ট বা অপবিত্র করা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১০.
‘A’ একজন সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেয়, যাতে তিনি তার কাজে বাধা পান। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১১.
‘A’ নিজের জীবন শেষ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ পান করে, কিন্তু প্রতিবেশীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বাঁচিয়ে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুসারে A কোন ধারায় দোষী হবে?
  1. ৩০৮ ধারা
  2. ৩০৯ ধারা
  3. ৩১০ ধারা
  4. ৩০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যার চেষ্টা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 'A' বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, তাই সে এই ধারায় দোষী হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১২.
‘B’ একটি ঘরে ‘X’-কে তালাবদ্ধ করে রাখে, যার ফলে ‘X’ কোনো দিকে যেতে পারে না। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে অন্যায়ভাবে সংযম করা যে তিনি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে পারেন না, তাকে অন্যায় বন্দীকরণ (Wrongful Confinement) বলা হয়। ‘B’-এর কাজ ধারা ৩৪০-এর অধীনে অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।

⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. 
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.

১৩.
‘C’ তার নিজের স্ত্রী, যিনি ১১ বছর বয়সী, তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে, সাধারণত ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, ধারা ৩৭৫-এর ব্যতিক্রমে উল্লেখ আছে যে, কোনো পুরুষ তার নিজের স্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে এবং স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম না হলে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হয় না। কিন্তু ধারা ৩৭৬-এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হয়, তবে এই কাজের জন্য শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘C’-এর স্ত্রীর বয়স ১১ বছর, যা ১২ বছরের কম, তাই ধারা ৩৭৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 376. Punishment for rape:
- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৪.
‘D’ পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালায়, যার ফলে ‘Y’-এর পা ভেঙে যায় এবং সে ২০ দিনের বেশি সময় কাজে অক্ষম থাকে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৫
  4. ধারা ৩৩৮ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক অনুসারে, পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতি বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে বা চড়ে গুরুতর আঘাত (যেমন পায়ের অস্থিভঙ্গ) করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী, কারো উপর আঘাতের ভয় দেখিয়ে Extortion করার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শনের সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৮৫ অনুসারে, যে কেউ চাঁদাবাজি (Extortion) করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তার শাস্তি হলো ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা ৫ বছরের কম হবে না, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, এই অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো ৫ বছর কারাদণ্ড।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-385. Putting person in fear of injury in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts any person in fear, or attempts to put any person in fear, of any injury, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than five years, or with fine, or with both.

১৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ এর কোন ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে “সরকারি কর্মচারী বা তার সহায়তাকারী সরল মনে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করলে খুন হবে না”?
  1. ব্যতিক্রম-১
  2. ব্যতিক্রম-২
  3. ব্যতিক্রম-৩
  4. ব্যতিক্রম-৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ এর ব্যতিক্রম-৩ এ উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, যদি একজন সরকারি কর্মচারী বা তার সহায়তাকারী তার আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে, কিন্তু সরল মনে (in good faith) বিশ্বাস করে যে তার কাজটি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত, এবং সেই কাজের ফলে কারও মৃত্যু ঘটে, তবে তা খুন (Murder) হবে না। তবে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to murder) হতে পারে।
- এই ব্যতিক্রমের উদ্দেশ্য হল সরকারি কর্মচারীদের তাদের দায়িত্ব পালনকালে সরল বিশ্বাসে (good faith) করা কাজকে কিছুটা সুরক্ষা প্রদান করা, যাতে তারা ভয় ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করতে পারে।
- সুতরাং, সরকারি কর্মচারীদের ক্ষমতা অতিক্রমের বিষয়টি শুধুমাত্র ব্যতিক্রম-৩ এ উল্লেখিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

১৭.
‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায়, এই উদ্দেশ্যে যে ‘Z’ তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর উদাহরণ (l) অনুসারে, যদি কেউ কোনো সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায় এই উদ্দেশ্যে যে মালিক তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে, তবে তা চুরি। এখানে, ‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে পুরস্কারের উদ্দেশ্যে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

অন্যান্য অপশন:
খ) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো কাউকে প্রতারিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো। এখানে ‘E’ প্রতারণা না করে সরাসরি সম্পত্তি নিয়েছে।
গ) অপহরণ: অপহরণ (ধারা ৩৫৯-৩৬২) ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত, সম্পত্তির সাথে নয়।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) ঘটে যখন সম্পত্তি বৈধভাবে অর্পিত হয় এবং তা অসাধুভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে ‘E’ সম্পত্তি বৈধভাবে পায়নি।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৩৭৮ অনুসারে চুরি।

Illustration:
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
----------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
  2. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচিত হয়:
- পুরুষত্বহরণ (Emasculation)
- যেকোনো চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
- যেকোনো কানের স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের ক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতি
- মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
- অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
- এমন আঘাত যা জীবনের জন্য বিপদজনক বা ২০ দিনের জন্য তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অক্ষম করে।

গ) অপশনে উল্লিখিত "কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস" এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ধারা ৩২০-এ কেবল স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসকেই গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্য তিনটি বিকল্প (ক, খ, ঘ) এই ধারার অধীনে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১৯.
‘D’ একজন ব্যক্তিকে ১১ দিন ধরে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং পালানোর চেষ্টা করলে হুমকি দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কেউ যদি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি আটকে রাখে, সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

২০.
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারায় “Voluntarily causing grievous hurt” এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড 
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২৫ অনুসারে, যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) করে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860 Section-325: Punishment for voluntarily causing grievous hurt:
- Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২১.
‘B’ ও তার পাঁচজন বন্ধু একটি ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা করে একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০২ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০২ অনুসারে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘B’ ও তার পাঁচজন বন্ধু (মোট ছয়জন) ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা করে একত্রিত হয়েছে, যা ধারা ৪০২-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, কোনো পিতা-মাতা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগের উদ্দেশ্যে ফেলে রেখে যায়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, যদি কোনো পিতা-মাতা বা কোনো ব্যক্তি যার কাছে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুর দায়িত্ব রয়েছে, সে শিশুটিকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে কোনো স্থানে রেখে আসে বা প্রকাশ্যে ফেলে যায়, তবে অপরাধীটি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়াও তাকে জরিমানাও দেওয়া হতে পারে।

এই ধারাটির উদ্দেশ্য হল নিষ্পাপ শিশুদের পরিত্যাগ ও অবহেলার হাত থেকে রক্ষা করা। তবে উল্লেখ্য, যদি এই পরিত্যাগের ফলে শিশুটির মৃত্যু ঘটে, তবে অপরাধীকে খুন (Murder) বা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) এর মামলায়ও বিচার করা যেতে পারে (ধারা ৩১৭ এর Explanation অনুযায়ী)।
 ⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা : যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা - অর্থদণ্ড, অথবা - উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒The Penal Code, 1860-Section 317. Exposure and abandonment of child under twelve years by parent or person having care of it.
Whoever being the father or mother of a child under the age of twelve years, or having the care of such child, shall expose or leave such child in any place with the intention of wholly abandoning such child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both. 
 
Explanation: This section is not intended to prevent the trial of the offender for murder or culpable homicide, as the case may be, if the child die in consequence of the exposure.

২৩.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে তার আইনি অধিকার অনুযায়ী একটি পাবলিক পথে যাওয়া থেকে বাধা দেয়, যদিও ‘E’ জানে যে তার এই পথ বন্ধ করার কোনো অধিকার নেই। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪১ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি যে দিক দিয়ে চলাচল করার অধিকার রাখে, সে পথে চলতে বাধা দেয়—তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে: সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 341. Punishment for wrongful restraint:
Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

২৪.
‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তাদের বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে বা আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ করলে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেছে, যা ধারা ৩৬১-এর অধীনে আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ হিসেবে গণ্য। তাই, ধারা ৩৬৩ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২৫.
‘C’ ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি করে যা অন্য ব্যক্তিকে এই ভয় সৃষ্টি করে যে তার উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ (Assault) বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘C’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। এটি ধারা ৩৫১-এর অধীনে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) ধারা ৩৪৯: এটি বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেয়, কিন্তু কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ নির্দেশ করে না।
খ) ধারা ৩৫০: এটি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়। এখানে ‘C’ শুধু ভয় দেখিয়েছে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
ঘ) ধারা ৩৫২: এটি আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রশ্নে কোন ধারার অধীনে অপরাধী হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং ধারা ৩৫১ অপরাধটি সংজ্ঞায়িত করে।
সুতরাং, ‘C’ ধারা ৩৫১-এর অধীনে অপরাধী হবে।
------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-351:Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

- Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.

২৬.
‘A’ এক গর্ভবতী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে সে অপরাধী হবে?
  1. ৩১২ ধারা
  2. ৩১৩ ধারা
  3. ৩১৪ ধারা
  4. ৩১৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩১৩ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি গর্ভবতী নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত ঘটায়, তবে সে অপরাধী হবে। শাস্তি হিসেবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, ‘A’ জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভবতী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভপাত ঘটিয়েছে, যা ধারা ৩১৩-এর অধীনে অপরাধ।
- সুতরাং, এই ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো ধারা ৩১৩।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:-
-কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
- Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

২৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৯২ অনুসারে, দস্যুতার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি দস্যুতা সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে (highway) সংঘটিত হয়, তবে শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। সুতরাং, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ১৪ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

২৮.
‘C’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তাকে তার দায়িত্ব পালনের সময় আঘাত করে, যার ফলে কর্মকর্তার একটি চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩২
  2. ধারা ৩৩৩
  3. ধারা ৩৩৪
  4. ধারা ৩৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বিরত করার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত (যেমন চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট) করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.