পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] [নম্বর কাভার - ৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১২ জানুয়ারি
  4. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

• আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান থেকে মুক্তি:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৯০ দিন ধরে আটক রাখে ০৮ ই জানুয়ারি আন্তর্জাতিক চাপে মুক্তি দেয় এবং  তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে যান।

• লন্ডন থেকে বাংলাদেশ:
- লন্ডন থেকে ভারতে আসার পর, শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে পৌঁছান।
- ঢাকায় ফেরার পরদিন (১১.১.৭২ তারিখ রাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ‘অন্তবর্তীকালীন শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধান বিচারপতির কাছে প্রথমে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং পরে পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয় -
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• নিকার:
- কমিটি গঠনের তারিখ: ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল।
- কমিটির গঠনকারী: জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার।
- কমিটির সভাপতি: রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান, তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।
- কমিটির উদ্দেশ্য: ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করা।
• কমিটি সদস্যবৃন্দ:
- চেয়ারম্যান,
- সদস্য-সচিব,
- ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্য,
- মোট নয় জন সদস্য।
• ১৯৮২ সালের ২২ জুন কমিটির চেয়ারম্যান চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিংক]
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
  4. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

সরকার ব্যবস্থা 
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বর্তমানে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা নেই।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি।

.
জেলা পরিষদে চেয়ারম্যানসহ মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৮ জন
  2. ১৯ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদের ব্যবস্থা:
• সর্বোচ্চ স্তর:
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ।

•সদস্য সংখ্যা:
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য, এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

• নির্বাচন:
- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।

• নির্বাচন পদ্ধতি:
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রকৃতি কীরূপ?
  1. সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  2. দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা
  3. বহুদলীয় ব্যবস্থা
  4. একদলীয় ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে বহুদলীয় সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনা লগ্নেই এ দেশে বহু দলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজনে ‘বাকশাল’ নামে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধান থেকে ‘বাকশাল’ ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় -
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।
- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, মো. মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

.
কত সালে 'বিশেষ ক্ষমতা আইন' প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন:
- এই আইনটি ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।

• ক্ষমতা:
- এই আইন অনুযায়ী, নির্বাহী কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য যে কাউকে আটক করতে পারতো।

• উদ্দেশ্য:
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে এই আইনটি পাস করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

• আইনের সংস্করণ:
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান।
- এজন্যে তাকে ‘সরকারের স্তম্ভ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

স্পিকার:
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তার দায়িত্বে জাতীয় সংসদের আসনে বিতর্ক সূচক বিষয়ে আলোচনা করা এবং নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের নেতৃত্বে সংসদ চালানো।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
- ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রূপকল্প:
- দক্ষ ও কার্যকর জনপ্রশাসন।

• অভিলক্ষ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবামুখী, কল্যাণধর্মী ও দায়বদ্ধ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।

উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।