পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 22 The Evidence Act, 1872: Test-3 Topic: Section 101-167 • The burden of proof • Estoppel • Witnesses • The examination of witnesses • Improper admission and rejection of evidence
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
সদ্য প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এক পুত্র তার পিতার কাছে কিছু সম্পদ বিক্রি করেছে এবং সেই বিক্রয়ের সৎ বিশ্বাস নিয়ে পুত্র আদালতে মামলা করেছে। এখানে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব কার?
  1. আদালতের
  2. পিতার
  3. পুত্রের
  4. আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
ধারা ১১১- আস্থা সম্পর্কযুক্ত লেনদেনে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ:
যেখানে কোনো লেনদেনে সৎ বিশ্বাস (good faith) নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে একজন অপরের প্রতি সক্রিয় আস্থার (active confidence) অবস্থানে থাকে, সেখানে সেই পক্ষের ওপর সৎ বিশ্বাসের প্রমাণের দায় বর্তায়, যে সক্রিয় আস্থার অবস্থানে আছে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) একজন মক্কেল তার আইনজীবীর নিকট একটি বিক্রয় করেছেন এবং সেই লেনদেনের সৎ বিশ্বাস নিয়ে মক্কেল আদালতে মামলা করেছেন। এখানে সেই লেনদেনটি সৎ বিশ্বাসে হয়েছে কিনা—তার প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব আইনজীবীর।

(খ) সদ্য প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এক পুত্র তার পিতার কাছে কিছু সম্পদ বিক্রি করেছে এবং সেই বিক্রয়ের সৎ বিশ্বাস নিয়ে পুত্র আদালতে মামলা করেছে। এখানে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব পিতার ওপর।
.
"Estoppel" নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সত্যতা যাচাই
  2. পূর্ব ঘোষণার অস্বীকৃতিতে বাধা
  3. পূর্ব ঘোষণার অস্বীকৃতির বৈধতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায়, যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতির বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’
.
'সাক্ষ্য কে বা কারা দিতে পারেন'- এ বিষয়ে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১১৯ ধারা
  3. ১৩৪ ধারা
  4. ১৩৭ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উদাহরণ?
  1. তুমি কোথায় ছিলে?
  2. ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?
  3. তুমি কার সঙ্গে ছিলে?
  4. তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

Section 141. Leading questions:
Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
- এখানে, সঠিক উত্তর: ঘ) তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
- এই প্রশ্নে প্রশ্নকারী নিজেই একটি ধারণা বা উত্তর দিয়ে দিয়েছেন (যে, তুমি ঘটনাস্থলে ছিলে), এবং সাক্ষীর কাছ থেকে শুধু সেই ধারণার পক্ষে সম্মতি আশা করছেন। এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর মূল বৈশিষ্ট্য।
.
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him. - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১০২ ধারার
  2. ১০৪ ধারার
  3. ১০৫ ধারার
  4. ১০৬ ধারার
ব্যাখ্যা
Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge-
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।
.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়,  _________ ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের বৈধতা
  4. দত্তক নেয়ার বৈধতা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-
কোনো ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে বৈধ বিবাহ বলবৎকালে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মাতা অবিবাহিত থাকা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন সন্তানের জন্ম হলে তাকে ঐ পিতা-মাতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্ত প্রমান বলে গন্য করা হয়। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে কোন সন্তান বৈধ বলে অনুমান করা হবে যদি-
i) বিবাহ থাকাকালীন অবস্থায় উক্ত সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, অথবা
ii) বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে সন্তানটির মাতা অবিবাহিত থাকে।
.
সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্রম আইনে নির্দিষ্ট করে বলা না থাকলে, এর ক্রম আদালত কীভাবে তা নির্ধারণ করে থাকেন?
  1. বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  2. বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  3. আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  4. মামলার পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence’ - এই বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি কার্যধারায়
  2. কেবল দেওয়ানি কার্যধারায়
  3. কেবল প্রশাসনিক কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
১০.
According to Section 105, who has the burden to prove that the case falls under any general or special exception?
  1. The Police
  2. The Court
  3. The Prosecution
  4. The Accused
ব্যাখ্যা
 Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
১১.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারামতে বিচারক নিজ গোচরে আসা কোনো বিষয়ে উর্দ্ধতন আদালতের আদেশ ব্যতীত উত্তর দিতে বাধ্য নন?
  1. ১২১ ধারা
  2. ১২২ ধারা
  3. ১২৩ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২১: বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেট-
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে তার আদালতের কার্যকালীন আচরণ সম্পর্কে বা তিনি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে যা জেনেছেন তার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করার জন্য বাধ্য করা যাবে না, যদি না তিনি যে আদালতের অধীনস্থ, সেই আদালত বিশেষ আদেশ প্রদান করে।

তবে, তিনি যখন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তখন তার সামনে যা ঘটেছে, সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A, একটি মামলায় অভিযোগ করে যে, B ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে একটি জবানবন্দি ভুলভাবে নিয়েছেন। এই অবস্থায়, B-কে প্রশ্ন করা যাবে না, যদি না কোনো উচ্চতর আদালত বিশেষভাবে আদেশ দেয়।
(খ) A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে B ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে। A কী বলেছিল, তা জানার জন্য B-কে জিজ্ঞাসা করা যাবে না উচ্চ আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া।
(গ) A অভিযুক্ত যে, সে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় B নামে এক সেশন জজের সামনে এক পুলিশ অফিসারকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এই ক্ষেত্রে B সাক্ষ্য দিতে পারবেন, কারণ ঘটনাটি তার সামনে ঘটেছে।
১২.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষী বৈরী হিসেবে ঘোষণা হতে পারে?
  1. যখন সাক্ষী মামলা থেকে পলায়ন করে
  2. যখন সাক্ষী কোনো তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করে
  3. যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  4. যখন সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় ভুল তথ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১৩.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার কোন বিষয়বস্তুটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চরিত্র সম্পর্কিত কোনো সাক্ষ্য দেবার বিধান
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্রের অপ্রাসঙ্গিকতার বিধান
  3. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
  4. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর সত্যবাদিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
ব্যাখ্যা
​সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার (৪) উপধারা বাতিল করা হয়েছে। এই উপধারায় বলা ছিল যে, ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী নারীর চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। এই বিধানটি বাতিলের ফলে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগকারিণীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনত নিষিদ্ধ হয়েছে, যা নারীর মর্যাদার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৫: সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা:

একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিম্নলিখিত উপায়ে বিরোধী পক্ষ বা, আদালতের অনুমতি নিয়ে, যে পক্ষ তাকে আহ্বান করেছে, দ্বারা নষ্ট (Impeach) করা যেতে পারে:
(১) এমন লোকদের সাক্ষ্য দ্বারা যারা সাক্ষীকে জানেন এবং বিশ্বাস করেন যে সে বিশ্বাসযোগ্য নয়।
(২) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী ঘুষ গ্রহণ করেছে, অথবা ঘুষ গ্রহণের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা তার সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
(৩) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা তার সাক্ষ্যকে খণ্ডিত করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা - যে সাক্ষী অন্য একজন সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করবে, তাকে তার প্রধান জবানবন্দির সময় তার বিশ্বাসের কারণ উল্লেখ করতে হবে না। তবে, তাকে ক্রস-এক্সামিনেশনে তার কারণগুলো প্রশ্ন করা যেতে পারে, এবং তার দেওয়া উত্তরগুলো খণ্ডন করা যাবে না, যদিও যদি তারা মিথ্যা হয়, তাহলে পরে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দায়ী করা যেতে পারে।
১৪.
বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালে কখন তাদের ভেতরের পত্রালাপ সাক্ষ্যের জন্য প্রকাশযোগ্য হয়?
  1. যদি তাদের কেউ মৃত হয়
  2. সম্পত্তি বণ্টনের মামলায়
  3. যদি একজনের কারণে অন্যজন ফৌজদারিতে সোপর্দ হয়ে থাকে 
  4. বর্ণিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
১৫.
‘খ’ দাবি করে যে, ৩০ বছর ধরে নিখোঁজ থাকা ‘ক’ জীবিত আছে। ‘ক’ যে জীবিত আছে, এটা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ‘ক’ এর
  2. ‘খ’ এর
  3. আদালতের
  4. ‘ক’ এর আত্মীয়দের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তির গত ৭ বছরের মধ্যে কোনো খোঁজ না পাওয়া যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় যারা তার খবর পাওয়ার কথা তারা যদি কোনো খবর না পায়, তবে আদালত সেই ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে পারে। তবে, যদি কেউ সেই ব্যক্তিকে জীবিত বলে দাবি করে, তাহলে তার প্রমাণের দায়িত্ব দাবিদারের ওপর বর্তাবে।

এক্ষেত্রে, ‘খ’ এর এই দাবির প্রমাণের ভার ‘খ’-এর ওপরই বর্তায়।

Section- 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১৬.
প্রতিপক্ষের আইনজীবী কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা হলে, তাকে কী বলে?
  1. Examination in Chief
  2. Re-examination
  3. Cross Examination
  4. Further examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

- জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
১৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী, ব্যারিস্টার বা এটর্নি মক্কেলের পক্ষ থেকে কোন বার্তা প্রকাশ করতে পারবেন না, যদি না-
  1. আদালত নির্দেশ দেয়
  2. মক্কেল তার অনুমতি দেন
  3. মামলাটি নিষ্পত্তি হয়
  4. মক্কেল আদালতে উপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা- পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না।
অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
১৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী সাক্ষী তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোনো কিছু দেখে নিতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৫৯ ধারা-স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory):
একজন সাক্ষী, যখন সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নিজে দ্বারা লিপিবদ্ধ কোনো লেখা দেখতে পারে, যদি তা ঘটনার সময় বা ঘটনার পর এত তাড়াতাড়ি লেখা হয়ে থাকে যে আদালত মনে করে ঘটনার স্মৃতি তখনও তাজা ছিল।

সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা লেখা এমন কোনো লেখাও দেখতে পারে এবং তা পড়ে যদি সাক্ষী জানে যে লেখা সঠিক ছিল।

Section 159- Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
১৯.
"Testes ponderantur, non numerantur" নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১১৮
  2. ১৩৪
  3. ১৪৬
  4. ১৫৪
ব্যাখ্যা
• "Testes ponderantur, non numerantur" — এই ল্যাটিন বাক্যের অর্থ হলো:
 "সাক্ষীদের ওজন (বিশ্বাসযোগ্যতা) বিবেচ্য, সংখ্যা নয়।" অর্থাৎ, সাক্ষীদের সংখ্যা নয়, বরং তাদের সাক্ষ্যের গুণমানই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৪-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।
২০.
একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা ________ প্রমাণ করতে হবে।
  1. 'ক' এর
  2. আদালতের
  3. দলিল স্বাক্ষরকারীর
  4. দলিল রেজিস্টারের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
২১.
ধারা ১৩২ অনুসারে, যদি সাক্ষীর উত্তর তাকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করে, তবে-
  1. সে তখনো উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  2. সে তার উত্তরকে অস্বীকার করতে পারবে
  3. তার উত্তর তাকে গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের কারণ হবে
  4. তার উত্তরের জন্য তাকে শাস্তি দেয়া যাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
২২.
'Confidential communications with legal advisers' — এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১২৭ ধারা
  2. ১২৮ ধারা
  3. ১২৯ ধারা
  4. ১৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:

কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সেই ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
২৩.
রাজস্ব অফিসার B একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত করছেন। আদালত তাকে প্রশ্ন করে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন। ধারা ১২৫ অনুযায়ী তিনি কী করবেন?
  1. তথ্য প্রকাশ করবেন
  2. তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
  3. শুধু ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তি চাইলে তথ্য প্রকাশ করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: অপরাধ সংঘটনের তথ্য সম্পর্কে জানানো-
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি কোথা থেকে অপরাধ সংঘটনের তথ্য পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে। একইভাবে, কোনো রাজস্ব অফিসারকেও বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি সরকারি রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা জানাতে।

ব্যাখ্যা:
এই ধারায় "রাজস্ব অফিসার" বলতে বোঝানো হয়েছে – এমন কোনো অফিসার যিনি সরকারি রাজস্ব বিভাগের কোনো শাখার কাজে নিযুক্ত।
২৪.
What is the time period mentioned in Section 107 for presumption of life?
  1. 7 years
  2. 10 years
  3. 20 years
  4. 30 years
ব্যাখ্যা
Section 107- Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.

ধারা ১০৭ – যিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তার মৃত্যুর প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তির জীবিত না মৃত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং দেখা যায় যে তিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তখন যিনি দাবি করেন যে ঐ ব্যক্তি মৃত, প্রমাণের দায়িত্ব তাঁর ওপর বর্তায়।
২৫.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্যকে কোন সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. দালিলিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য 
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: 
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
২৬.
'জবানবন্দি গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক ঘটনা [Relevant Facts] এর সাথে সম্পর্কিত হতে হবে'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৬ ধারায়
  2. ১৩৭ ধারায়
  3. ১৩৮ ধারায়
  4. ১৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
জবানবন্দি গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক ঘটনা [Relevant Facts] এর সাথে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা করার সময় সাক্ষী যে বিষয়গুলো জবানবন্দি গ্রহণ এ বলেছিল, সেই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না।

Section 138- Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
২৭.
সাক্ষীকে বিরক্তকর প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. আইনজীবী
  3. আদালত
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যে প্রশ্নটি আদালত মনে করে অপমানজনক বা বিরক্তিকর হতে পারে, অথবা যদিও প্রশ্নটি স্বাভাবিক হতে পারে, তবে আদালত মনে করে যে প্রশ্নটি প্রকারে অবান্তরভাবে আক্রমণাত্মক, তা আদালত নিষিদ্ধ করবে।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
২৮.
বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
 
উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
২৯.
According to Section 143, when can leading questions be asked?
  1. During the chief examination
  2. During cross-examination
  3. During re-examination
  4. At any time during the trial
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান- যখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরার সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

Section 143.When they may be asked:
Leading questions may be asked in cross-examination.
৩০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২০ অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে কে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য?
  1. মামলার পক্ষগণ
  2. মামলার পক্ষগণের স্বামী/স্ত্রী
  3. ক ও খ উভয়
  4. ক বা খ কেউ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২০: দেওয়ানি মামলার পক্ষগণ ও তাদের স্বামী বা স্ত্রী; ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী-
দেওয়ানি মামলায়, মামলার পক্ষভুক্ত ব্যক্তি এবং তাদের স্বামী বা স্ত্রী সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য বলে গণ্য হবেন। ফৌজদারি মামলায়, যেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলছে, তার স্বামী বা স্ত্রী উক্ত মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য হবেন।

[In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.]
৩১.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪০ মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  2. উত্তর প্রদানে সাক্ষী বাধ্যবাধকতা
  3. চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।

Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.
৩২.
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে, যদি ________ তার অনুমতি প্রদান করেন।
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা
  4. সরকার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা উভয়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির বিষয়ে সাক্ষ্য
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা তার অনুমতি প্রদান করেন। এই অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ঐ কর্মকর্তার বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল; তিনি উপযুক্ত মনে করলে অনুমতি দেবেন, বা  withheld (প্রতিবন্ধকতা) করতে পারবেন।

[No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.]
৩৩.
The burden of proof as to ownership under the Evidence Act lies on:
  1. The owner
  2. The tenant
  3. The person in possession
  4. The person who claims the possessor is not the owner
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।